সুনান নাসাঈ > বিপদের সময় সওয়াবের নিয়তে ধৈর্যধারণ করার আদেশ

সুনান নাসাঈ ১৮৬৯

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا محمد بن جعفر، قال: حدثنا شعبة، عن ثابت، قال: سمعت أنسا يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الصبر عند الصدمة الأولى»

সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ধৈর্যধারণ করা হল প্রথম বিপদের সময়ে।

সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ধৈর্যধারণ করা হল প্রথম বিপদের সময়ে।

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا محمد بن جعفر، قال: حدثنا شعبة، عن ثابت، قال: سمعت أنسا يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الصبر عند الصدمة الأولى»


সুনান নাসাঈ ১৮৬৮

أخبرنا سويد بن نصر، قال: أنبأنا عبد الله، عن عاصم بن سليمان، عن أبي عثمان، قال: حدثني أسامة بن زيد، قال: أرسلت بنت النبي صلى الله عليه وسلم إليه أن ابنا لي قبض فأتنا، فأرسل يقرأ السلام ويقول: «إن لله ما أخذ، وله ما أعطى، وكل شيء عند الله بأجل مسمى، فلتصبر ولتحتسب»، فأرسلت إليه تقسم عليه ليأتينها، فقام ومعه سعد بن عبادة، ومعاذ بن جبل، وأبي بن كعب، وزيد بن ثابت، ورجال، فرفع إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصبي ونفسه تقعقع، ففاضت عيناه، فقال سعد: يا رسول الله، ما هذا؟ قال: «هذا رحمة، يجعلها الله في قلوب عباده، وإنما يرحم الله من عباده الرحماء»

উসামা ইব্‌ন যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা তাঁর কাছে সংবাদ পৌঁছালেন যে, আমার এক ছেলে মৃত্যু শয্যায় শায়িত। অতএব আপনি আমাদের এখানে আসুন। তখন তিনি সালাম পাঠিয়ে বললেন, আল্লাহ তাআলা যা নিয়ে যান তা তাঁরই এবং যা দান করেন তাও তাঁরই। আর প্রতিটি বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে আল্লাহর কাছে পৌঁছে যায়। অতএব, তুমি ধৈর্যধারণ কর এবং সওয়াবের আশা রাখ। অতঃপর তিনি কসম দিয়ে তাঁর কাছে পাঠালেন, যেন তিনি তাঁর কাছে অবশ্যই আসেন। তখন তিনি দাঁড়ালেন; তাঁর সাথে সা’দ ইব্‌ন উবাদাহ (রাঃ) মু‘আয ইব্‌ন জাবাল (রাঃ) উবায় ইব্‌ন কা‘ব (রাঃ) যায়দ ইব্‌ন সাবিত (রাঃ) এবং আরো কিছু লোক ছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে ছেলেকে উঠালেন তখন তার হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। এতদদর্শনে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আঁখিদ্বয় অশ্রুপাত করতে লাগল। তখন সা‘দ (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! এ কি? তিনি বললেন, এ হল রহমত বিশেষ যা আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের হৃদয়ে রেখে থাকেন। আর আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের মধ্যে দয়াবানদের উপর দয়া করে থাকেন।

উসামা ইব্‌ন যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা তাঁর কাছে সংবাদ পৌঁছালেন যে, আমার এক ছেলে মৃত্যু শয্যায় শায়িত। অতএব আপনি আমাদের এখানে আসুন। তখন তিনি সালাম পাঠিয়ে বললেন, আল্লাহ তাআলা যা নিয়ে যান তা তাঁরই এবং যা দান করেন তাও তাঁরই। আর প্রতিটি বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে আল্লাহর কাছে পৌঁছে যায়। অতএব, তুমি ধৈর্যধারণ কর এবং সওয়াবের আশা রাখ। অতঃপর তিনি কসম দিয়ে তাঁর কাছে পাঠালেন, যেন তিনি তাঁর কাছে অবশ্যই আসেন। তখন তিনি দাঁড়ালেন; তাঁর সাথে সা’দ ইব্‌ন উবাদাহ (রাঃ) মু‘আয ইব্‌ন জাবাল (রাঃ) উবায় ইব্‌ন কা‘ব (রাঃ) যায়দ ইব্‌ন সাবিত (রাঃ) এবং আরো কিছু লোক ছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে ছেলেকে উঠালেন তখন তার হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। এতদদর্শনে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আঁখিদ্বয় অশ্রুপাত করতে লাগল। তখন সা‘দ (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! এ কি? তিনি বললেন, এ হল রহমত বিশেষ যা আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের হৃদয়ে রেখে থাকেন। আর আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের মধ্যে দয়াবানদের উপর দয়া করে থাকেন।

أخبرنا سويد بن نصر، قال: أنبأنا عبد الله، عن عاصم بن سليمان، عن أبي عثمان، قال: حدثني أسامة بن زيد، قال: أرسلت بنت النبي صلى الله عليه وسلم إليه أن ابنا لي قبض فأتنا، فأرسل يقرأ السلام ويقول: «إن لله ما أخذ، وله ما أعطى، وكل شيء عند الله بأجل مسمى، فلتصبر ولتحتسب»، فأرسلت إليه تقسم عليه ليأتينها، فقام ومعه سعد بن عبادة، ومعاذ بن جبل، وأبي بن كعب، وزيد بن ثابت، ورجال، فرفع إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصبي ونفسه تقعقع، ففاضت عيناه، فقال سعد: يا رسول الله، ما هذا؟ قال: «هذا رحمة، يجعلها الله في قلوب عباده، وإنما يرحم الله من عباده الرحماء»


সুনান নাসাঈ ১৮৭০

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا شعبة، قال: حدثنا أبو إياس وهو معاوية بن قرة، عن أبيه رضي الله عنه، أن رجلا أتى النبي صلى الله عليه وسلم ومعه ابن له فقال له: «أتحبه؟» فقال: أحبك الله كما أحبه، فمات، ففقده، فسأل عنه، فقال: «ما يسرك أن لا تأتي بابا من أبواب الجنة إلا وجدته عنده يسعى يفتح لك؟»

বুরারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসল। তার সাথে তার এক পুত্রও ছিল। তিনি তাকে বললেন, তুমি কি একে মহব্বত কর? ঐ ব্যক্তি বলল, আল্লাহ আপনাকে এরূপ মহব্বত করুন, যেরূপ আমি তাকে মহব্বত করি। অতঃপর সে ছেলে মারা গেল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছেলেকে দেখতে না পেয়ে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন এবং বললেন, তুমি কি আনন্দিত হবে না যে, তুমি জান্নাতের সে দরজা দিয়েই প্রবেশ করবে যে দরজার সামনে তোমার ছেলেকে পাবে, তোমার জন্য দরজা খোলার চেষ্টা করতে।

বুরারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসল। তার সাথে তার এক পুত্রও ছিল। তিনি তাকে বললেন, তুমি কি একে মহব্বত কর? ঐ ব্যক্তি বলল, আল্লাহ আপনাকে এরূপ মহব্বত করুন, যেরূপ আমি তাকে মহব্বত করি। অতঃপর সে ছেলে মারা গেল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছেলেকে দেখতে না পেয়ে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন এবং বললেন, তুমি কি আনন্দিত হবে না যে, তুমি জান্নাতের সে দরজা দিয়েই প্রবেশ করবে যে দরজার সামনে তোমার ছেলেকে পাবে, তোমার জন্য দরজা খোলার চেষ্টা করতে।

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا شعبة، قال: حدثنا أبو إياس وهو معاوية بن قرة، عن أبيه رضي الله عنه، أن رجلا أتى النبي صلى الله عليه وسلم ومعه ابن له فقال له: «أتحبه؟» فقال: أحبك الله كما أحبه، فمات، ففقده، فسأل عنه، فقال: «ما يسرك أن لا تأتي بابا من أبواب الجنة إلا وجدته عنده يسعى يفتح لك؟»


সুনান নাসাঈ > ধৈর্যধারণ এবং সওয়াবের নিয়ত করার প্রতিদান

সুনান নাসাঈ ১৮৭১

أخبرنا سويد بن نصر، قال: حدثنا عبد الله، قال: أنبأنا عمر بن سعيد بن أبي حسين، أن عمرو بن شعيب كتب إلى عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي حسين يعزيه بابن له هلك وذكر في كتابه، أنه سمع أباه يحدث، عن جده عبد الله بن عمرو بن العاص قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن الله لا يرضى لعبده المؤمن إذا ذهب بصفيه من أهل الأرض فصبر واحتسب»، وقال: «ما أمر به بثواب دون الجنة»

আমর ইব্‌ন সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমর ইব্‌ন শুআয়ব (রাঃ) আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আব্দুর রহমানের এক ছেলের মৃত্যুতে ধৈর্যধারণ করার জন্য তার কাছে একখানা চিঠি লিখেন। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন যে, তিনি তাঁর পিতাকে তাঁর দাদা আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন আস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, পৃথিবীর কোন প্রিয়জন মারা যাওয়ার পর যখন মুমিন ব্যক্তি ধৈর্যধারণ করে এবং সওয়াবের আশা রাখে, তখন আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাত ছাড়া অন্য কোন সওয়াব দিয়ে সন্তুষ্ট হন না। তিনি আরো বলেছেন, জান্নাত ছাড়া অন্য কোন সওয়াবের নির্দেশ দেওয়া হয়না।

আমর ইব্‌ন সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমর ইব্‌ন শুআয়ব (রাঃ) আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আব্দুর রহমানের এক ছেলের মৃত্যুতে ধৈর্যধারণ করার জন্য তার কাছে একখানা চিঠি লিখেন। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন যে, তিনি তাঁর পিতাকে তাঁর দাদা আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন আস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, পৃথিবীর কোন প্রিয়জন মারা যাওয়ার পর যখন মুমিন ব্যক্তি ধৈর্যধারণ করে এবং সওয়াবের আশা রাখে, তখন আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাত ছাড়া অন্য কোন সওয়াব দিয়ে সন্তুষ্ট হন না। তিনি আরো বলেছেন, জান্নাত ছাড়া অন্য কোন সওয়াবের নির্দেশ দেওয়া হয়না।

أخبرنا سويد بن نصر، قال: حدثنا عبد الله، قال: أنبأنا عمر بن سعيد بن أبي حسين، أن عمرو بن شعيب كتب إلى عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي حسين يعزيه بابن له هلك وذكر في كتابه، أنه سمع أباه يحدث، عن جده عبد الله بن عمرو بن العاص قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن الله لا يرضى لعبده المؤمن إذا ذهب بصفيه من أهل الأرض فصبر واحتسب»، وقال: «ما أمر به بثواب دون الجنة»


সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তি তার তিন সন্তানের মৃত্যুতে ধৈর্যধারণ করেছে তার প্রতিদান

সুনান নাসাঈ ১৮৭২

أخبرنا أحمد بن عمرو بن السرح، قال: حدثنا ابن وهب، حدثني عمرو، قال: حدثني بكير بن عبد الله، عن عمران بن نافع، عن حفص بن عبيد الله، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من احتسب ثلاثة من صلبه دخل الجنة»، فقامت امرأة، فقالت: أو اثنان؟ قال: «أو اثنان»، قالت المرأة: يا ليتني قلت واحدا

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার তিন সন্তানের মৃত্যুতে ধৈর্যসহ সওয়াবের আশা করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তখন এক মহিলা দাঁড়িয়ে বলল, যদি দুই সন্তানের উপর ধৈর্যধারণ করে থাকে? তিনি বললেন, দুইজন হলেও। তখন সেই মহিলা বলল, হায়! আমি যদি একজনের কথা বলতাম।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার তিন সন্তানের মৃত্যুতে ধৈর্যসহ সওয়াবের আশা করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তখন এক মহিলা দাঁড়িয়ে বলল, যদি দুই সন্তানের উপর ধৈর্যধারণ করে থাকে? তিনি বললেন, দুইজন হলেও। তখন সেই মহিলা বলল, হায়! আমি যদি একজনের কথা বলতাম।

أخبرنا أحمد بن عمرو بن السرح، قال: حدثنا ابن وهب، حدثني عمرو، قال: حدثني بكير بن عبد الله، عن عمران بن نافع، عن حفص بن عبيد الله، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من احتسب ثلاثة من صلبه دخل الجنة»، فقامت امرأة، فقالت: أو اثنان؟ قال: «أو اثنان»، قالت المرأة: يا ليتني قلت واحدا


সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তির তিন সন্তান মৃত্যুবরণ করে

সুনান নাসাঈ ১৮৭৩

أخبرنا يوسف بن حماد، قال: حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز، عن أنس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما من مسلم يتوفى له ثلاثة من الولد لم يبلغوا الحنث إلا أدخله الله الجنة بفضل رحمته إياهم»

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তির তিন সন্তান অপ্রাপ্ত বয়স্ক অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, আল্লাহ তা‘আলা সন্তানদের উপর স্বীয় রহমতের কারণে তাকে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তির তিন সন্তান অপ্রাপ্ত বয়স্ক অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, আল্লাহ তা‘আলা সন্তানদের উপর স্বীয় রহমতের কারণে তাকে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।

أخبرنا يوسف بن حماد، قال: حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز، عن أنس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما من مسلم يتوفى له ثلاثة من الولد لم يبلغوا الحنث إلا أدخله الله الجنة بفضل رحمته إياهم»


সুনান নাসাঈ ১৮৭৪

أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا بشر بن المفضل، عن يونس، عن الحسن، عن صعصعة بن معاوية، قال: لقيت أبا ذر، قلت: حدثني، قال: نعم، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما من مسلمين يموت بينهما ثلاثة أولاد لم يبلغوا الحنث إلا غفر الله لهما بفضل رحمته إياهم»

সা’সাআ ইব্‌ন মুআবিয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ যর (রাঃ)- এর সাথে সাক্ষাত করে বললাম, আপনি আমার কাছে হাদীস বর্ণনা করুন। তিনি বললেন, আচ্ছা, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে মুসলমান মাতা পিতার সম্মুখে তাদের তিন অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তান মৃত্যুবরণ করবে আল্লাহ্‌ তা‘আলা সন্তানদের উপর নিজ রহমতের কারণে তাদের অবশ্যই ক্ষমা করে দেবেন।

সা’সাআ ইব্‌ন মুআবিয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ যর (রাঃ)- এর সাথে সাক্ষাত করে বললাম, আপনি আমার কাছে হাদীস বর্ণনা করুন। তিনি বললেন, আচ্ছা, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে মুসলমান মাতা পিতার সম্মুখে তাদের তিন অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তান মৃত্যুবরণ করবে আল্লাহ্‌ তা‘আলা সন্তানদের উপর নিজ রহমতের কারণে তাদের অবশ্যই ক্ষমা করে দেবেন।

أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا بشر بن المفضل، عن يونس، عن الحسن، عن صعصعة بن معاوية، قال: لقيت أبا ذر، قلت: حدثني، قال: نعم، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما من مسلمين يموت بينهما ثلاثة أولاد لم يبلغوا الحنث إلا غفر الله لهما بفضل رحمته إياهم»


সুনান নাসাঈ ১৮৭৫

أخبرنا قتيبة بن سعيد، عن مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد فتمسه النار إلا تحلة القسم»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন মুসলমান মাতা-পিতার তিনটি সন্তান মৃত্যুবরণ করলে তাদের কখনো দোযখের আগুন স্পর্শ করবে না। অবশ্য তাদেরকে তা অতিক্রম করতে হবে।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন মুসলমান মাতা-পিতার তিনটি সন্তান মৃত্যুবরণ করলে তাদের কখনো দোযখের আগুন স্পর্শ করবে না। অবশ্য তাদেরকে তা অতিক্রম করতে হবে।

أخبرنا قتيبة بن سعيد، عن مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد فتمسه النار إلا تحلة القسم»


সুনান নাসাঈ ১৮৭৬

أخبرنا محمد بن إسمعيل بن إبراهيم ابن علية، وعبد الرحمن بن محمد، قالا: حدثنا إسحق وهو الأزرق، عن عوف، عن محمد، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «ما من مسلمين يموت بينهما ثلاثة أولاد لم يبلغوا الحنث إلا أدخلهما الله بفضل رحمته إياهم الجنة»، قال: " يقال لهم: ادخلوا الجنة، فيقولون: حتى يدخل آباؤنا، فيقال: ادخلوا الجنة أنتم وآباؤكم "

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন মুসলমান মাতা-পিতার সামনে তিনটি অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তান মৃত্যুবরণ করলে সন্তানদের উপরে আল্লাহ্‌র রহমতের কারণে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। তিনি বলেন, সন্তানদের বলা হবে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ কর। তখন তারা বলবে, আমাদের মাতা-পিতা জান্নাতে প্রবেশ না করা পর্যন্ত আমরা জান্নাতে প্রবেশ করব না। তখন তাদের বলা হবে, তোমরা এবং তোমাদের মাতা-পিতা জান্নাতে প্রবেশ কর।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন মুসলমান মাতা-পিতার সামনে তিনটি অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তান মৃত্যুবরণ করলে সন্তানদের উপরে আল্লাহ্‌র রহমতের কারণে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। তিনি বলেন, সন্তানদের বলা হবে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ কর। তখন তারা বলবে, আমাদের মাতা-পিতা জান্নাতে প্রবেশ না করা পর্যন্ত আমরা জান্নাতে প্রবেশ করব না। তখন তাদের বলা হবে, তোমরা এবং তোমাদের মাতা-পিতা জান্নাতে প্রবেশ কর।

أخبرنا محمد بن إسمعيل بن إبراهيم ابن علية، وعبد الرحمن بن محمد، قالا: حدثنا إسحق وهو الأزرق، عن عوف، عن محمد، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «ما من مسلمين يموت بينهما ثلاثة أولاد لم يبلغوا الحنث إلا أدخلهما الله بفضل رحمته إياهم الجنة»، قال: " يقال لهم: ادخلوا الجنة، فيقولون: حتى يدخل آباؤنا، فيقال: ادخلوا الجنة أنتم وآباؤكم "


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00