সুনান নাসাঈ > মৃত ব্যক্তিকে চুমু দেয়া
সুনান নাসাঈ ১৮৩৯
أخبرنا أحمد بن عمرو، قال: أنبأنا ابن وهب، قال: أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، أن أبا بكر، «قبل بين عيني النبي صلى الله عليه وسلم وهو ميت»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, আবূ বক্র (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চক্ষুদ্বয়ের মাঝখানে চুমু দিয়েছিলেন, তখন তিনি ছিলেন মৃত।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, আবূ বক্র (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চক্ষুদ্বয়ের মাঝখানে চুমু দিয়েছিলেন, তখন তিনি ছিলেন মৃত।
أخبرنا أحمد بن عمرو، قال: أنبأنا ابن وهب، قال: أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، أن أبا بكر، «قبل بين عيني النبي صلى الله عليه وسلم وهو ميت»
সুনান নাসাঈ ১৮৪০
أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، ومحمد بن المثنى، قالا: حدثنا يحيى، عن سفيان، قال: حدثني موسى بن أبي عائشة، عن عبيد الله بن عبد الله، عن ابن عباس، وعن عائشة، أن أبا بكر «قبل النبي صلى الله عليه وسلم وهو ميت»
ইব্ন আব্বাস এবং আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বক্র (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে চুমু দিয়েছিলেন, তখন তিনি ছিলেন মৃত।
ইব্ন আব্বাস এবং আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বক্র (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে চুমু দিয়েছিলেন, তখন তিনি ছিলেন মৃত।
أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، ومحمد بن المثنى، قالا: حدثنا يحيى، عن سفيان، قال: حدثني موسى بن أبي عائشة، عن عبيد الله بن عبد الله، عن ابن عباس، وعن عائشة، أن أبا بكر «قبل النبي صلى الله عليه وسلم وهو ميت»
সুনান নাসাঈ ১৮৪১
أخبرنا سويد، قال: حدثنا عبد الله، قال: قال معمر، ويونس، قال الزهري، وأخبرني أبو سلمة، أن عائشة أخبرته، أن أبا بكر أقبل على فرس من مسكنه بالسنح حتى نزل، فدخل المسجد فلم يكلم الناس حتى دخل على عائشة ورسول الله صلى الله عليه وسلم مسجى ببرد حبرة فكشف عن وجهه، ثم أكب عليه فقبله، فبكى، ثم قال: «بأبى أنت، والله لا يجمع الله عليك موتتين أبدا أما الموتة التي كتب الله عليك فقد متها»
আবূ সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আয়েশা (রাঃ) তাঁকে অবহিত করেছেন যে, আবূ বক্র (রাঃ) তাঁর “সুনহা” নামক স্থানের বাসস্থান থেকে একটি ঘোড়ার আরোহণ করে এসে অবতরণ করলেন এবং মসজিদে প্রবেশ করলেন, তিনি কারো সাথে কোন কথাবার্তা না বলে আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে গেলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়ামানী চাদরে ঢাকা ছিলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুখমণ্ডল থেকে তা খুলে ফেলে ঝুঁকে পড়ে তাঁকে চুমু খেলেন এবং কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগলেনঃ আপনার উপর আমার মাতা-পিতা কুরবান হোক, আল্লাহ্র শপথ! আল্লাহ্ তা’আলা আপনাকে কখনো দু’বার মৃত্যু দান করবেন না। যে মৃত্যু আপনার জন্য নির্ধারিত ছিল তা আপনি বরণ করে নিয়েছেন।
আবূ সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আয়েশা (রাঃ) তাঁকে অবহিত করেছেন যে, আবূ বক্র (রাঃ) তাঁর “সুনহা” নামক স্থানের বাসস্থান থেকে একটি ঘোড়ার আরোহণ করে এসে অবতরণ করলেন এবং মসজিদে প্রবেশ করলেন, তিনি কারো সাথে কোন কথাবার্তা না বলে আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে গেলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়ামানী চাদরে ঢাকা ছিলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুখমণ্ডল থেকে তা খুলে ফেলে ঝুঁকে পড়ে তাঁকে চুমু খেলেন এবং কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগলেনঃ আপনার উপর আমার মাতা-পিতা কুরবান হোক, আল্লাহ্র শপথ! আল্লাহ্ তা’আলা আপনাকে কখনো দু’বার মৃত্যু দান করবেন না। যে মৃত্যু আপনার জন্য নির্ধারিত ছিল তা আপনি বরণ করে নিয়েছেন।
أخبرنا سويد، قال: حدثنا عبد الله، قال: قال معمر، ويونس، قال الزهري، وأخبرني أبو سلمة، أن عائشة أخبرته، أن أبا بكر أقبل على فرس من مسكنه بالسنح حتى نزل، فدخل المسجد فلم يكلم الناس حتى دخل على عائشة ورسول الله صلى الله عليه وسلم مسجى ببرد حبرة فكشف عن وجهه، ثم أكب عليه فقبله، فبكى، ثم قال: «بأبى أنت، والله لا يجمع الله عليك موتتين أبدا أما الموتة التي كتب الله عليك فقد متها»
সুনান নাসাঈ > মৃত ব্যক্তিকে ঢেকে দেয়া
সুনান নাসাঈ ১৮৪২
أخبرني محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، قال: سمعت ابن المنكدر، يقول: سمعت جابرا يقول: جيء بأبي يوم أحد وقد مثل به، فوضع بين يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد سجي بثوب، فجعلت أريد أن أكشف عنه، فنهاني قومي، فأمر به النبي صلى الله عليه وسلم فرفع، فلما رفع سمع صوت باكية، فقال: «من هذه؟» فقالوا: هذه بنت عمرو أو أخت عمرو، قال: «فلا تبكي أو فلم تبكي ما زالت الملائكة تظله بأجنحتها حتى رفع»
ইব্ন মুনকাদির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি জাবির (রাঃ) –কে বলতে শুনেছি যে, উহুদের জিহাদের দিন আমার পিতাকে আনা হল, তখন তাঁর দেহ ছিল বিকৃত অবস্থায়। তাঁকে চাদর দ্বারা ঢাকা অবস্থায় রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সামনে রাখা হল। আমি তাঁর চাদর খুলতে চাইলে আমার গোত্রের লোকেরা আমাকে বারন করল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদেশ করলেন তা খোলা হল, যখন খোলা হল তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন ক্রন্দনকারী মহিলার আওয়াজ শুনে জিজ্ঞাসা করলেন, এ কে? লোকেরা বলল, এ আমরের মেয়ে বা বোন হবে তিনি বললেন, তুমি ক্রন্দন করো না অথবা (তিনি বললেন) তুমি ক্রন্দন কেন করছ? ফেরেশতারা তাঁকে উঠিয়ে নেয়া পর্যন্ত সর্বক্ষন স্বীয় পাখা দ্বারা ছায়া প্রদান করছিল।
ইব্ন মুনকাদির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি জাবির (রাঃ) –কে বলতে শুনেছি যে, উহুদের জিহাদের দিন আমার পিতাকে আনা হল, তখন তাঁর দেহ ছিল বিকৃত অবস্থায়। তাঁকে চাদর দ্বারা ঢাকা অবস্থায় রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সামনে রাখা হল। আমি তাঁর চাদর খুলতে চাইলে আমার গোত্রের লোকেরা আমাকে বারন করল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদেশ করলেন তা খোলা হল, যখন খোলা হল তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন ক্রন্দনকারী মহিলার আওয়াজ শুনে জিজ্ঞাসা করলেন, এ কে? লোকেরা বলল, এ আমরের মেয়ে বা বোন হবে তিনি বললেন, তুমি ক্রন্দন করো না অথবা (তিনি বললেন) তুমি ক্রন্দন কেন করছ? ফেরেশতারা তাঁকে উঠিয়ে নেয়া পর্যন্ত সর্বক্ষন স্বীয় পাখা দ্বারা ছায়া প্রদান করছিল।
أخبرني محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، قال: سمعت ابن المنكدر، يقول: سمعت جابرا يقول: جيء بأبي يوم أحد وقد مثل به، فوضع بين يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد سجي بثوب، فجعلت أريد أن أكشف عنه، فنهاني قومي، فأمر به النبي صلى الله عليه وسلم فرفع، فلما رفع سمع صوت باكية، فقال: «من هذه؟» فقالوا: هذه بنت عمرو أو أخت عمرو، قال: «فلا تبكي أو فلم تبكي ما زالت الملائكة تظله بأجنحتها حتى رفع»
সুনান নাসাঈ > মৃত ব্যক্তির জন্য ক্রন্দন করা
সুনান নাসাঈ ১৮৪৪
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا عبد الرزاق، قال: حدثنا معمر، عن ثابت، عن أنس، أن فاطمة بكت على رسول الله صلى الله عليه وسلم حين مات فقالت: «يا أبتاه من ربه ما أدناه، يا أبتاه إلى جبريل ننعاه، يا أبتاه جنة الفردوس مأواه»
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালে এরূপ ক্রন্দন করেছিলেন এবং বলেছিলেনঃ “হে আমার পিতা! কোন্ বস্তু তাঁকে তাঁর পরওয়ারদিগারের অতি নিকটবর্তী করেছে? হে আমার পিতা! আমরা জিবরাঈল (আ)-এর নিকট তাঁর মৃত্যু শোক প্রকাশ করছি। হে আমার পিতা! জান্নাতুল ফিরদাউস যাঁর বাসস্থান।”
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালে এরূপ ক্রন্দন করেছিলেন এবং বলেছিলেনঃ “হে আমার পিতা! কোন্ বস্তু তাঁকে তাঁর পরওয়ারদিগারের অতি নিকটবর্তী করেছে? হে আমার পিতা! আমরা জিবরাঈল (আ)-এর নিকট তাঁর মৃত্যু শোক প্রকাশ করছি। হে আমার পিতা! জান্নাতুল ফিরদাউস যাঁর বাসস্থান।”
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا عبد الرزاق، قال: حدثنا معمر، عن ثابت، عن أنس، أن فاطمة بكت على رسول الله صلى الله عليه وسلم حين مات فقالت: «يا أبتاه من ربه ما أدناه، يا أبتاه إلى جبريل ننعاه، يا أبتاه جنة الفردوس مأواه»
সুনান নাসাঈ ১৮৪৩
أخبرنا هناد بن السري، قال: حدثنا أبو الأحوص، عن عطاء بن السائب، عن عكرمة، عن ابن عباس قال: لما حضرت بنت لرسول الله صلى الله عليه وسلم صغيرة فأخذها رسول الله صلى الله عليه وسلم فضمها إلى صدره، ثم وضع يده عليها فقضت وهي بين يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم، فبكت أم أيمن، فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم: «يا أم أيمن، أتبكين ورسول الله صلى الله عليه وسلم عندك»، فقالت: ما لي لا أبكي ورسول الله صلى الله عليه وسلم يبكي، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إني لست أبكي، ولكنها رحمة»، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «المؤمن بخير على كل حال تنزع نفسه من بين جنبيه وهو يحمد الله عز وجل»
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর ছোট মেয়ের মৃত্যুর সময় উপস্থিত হল, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে উঠিয়ে নিয়ে বক্ষের সাথে মিলালেন। তারপর নিজের হাত উপর রাখলেন। এরপর তার মৃত্যু হয়ে গেল আর সে তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সামনে ছিল। উম্মে আয়মান কেঁদে উঠলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেন “হে উম্মে আয়মান, তুমি কাঁদছো অথচ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমার সামনে উপস্থিত রয়েছেন?” তিনি বললেন, “আমি কেন কাঁদব না যখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বয়ং কাঁদছেন? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি সেচ্ছায় কাঁদছি না বরং যে অশ্রু তুমি দেখছ তা হল আল্লাহ্ তা’আলার রহমত বিশেষ। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মু’মিন সর্বাবস্থায় ভাল থাকে, তার পার্শ্বদ্বয় থেকে আত্মা বের করা হয় অথচ তখনও সে আল্লাহ্ তা’আলার প্রশংসা করতে থাকে।
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর ছোট মেয়ের মৃত্যুর সময় উপস্থিত হল, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে উঠিয়ে নিয়ে বক্ষের সাথে মিলালেন। তারপর নিজের হাত উপর রাখলেন। এরপর তার মৃত্যু হয়ে গেল আর সে তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সামনে ছিল। উম্মে আয়মান কেঁদে উঠলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেন “হে উম্মে আয়মান, তুমি কাঁদছো অথচ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমার সামনে উপস্থিত রয়েছেন?” তিনি বললেন, “আমি কেন কাঁদব না যখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বয়ং কাঁদছেন? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি সেচ্ছায় কাঁদছি না বরং যে অশ্রু তুমি দেখছ তা হল আল্লাহ্ তা’আলার রহমত বিশেষ। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মু’মিন সর্বাবস্থায় ভাল থাকে, তার পার্শ্বদ্বয় থেকে আত্মা বের করা হয় অথচ তখনও সে আল্লাহ্ তা’আলার প্রশংসা করতে থাকে।
أخبرنا هناد بن السري، قال: حدثنا أبو الأحوص، عن عطاء بن السائب، عن عكرمة، عن ابن عباس قال: لما حضرت بنت لرسول الله صلى الله عليه وسلم صغيرة فأخذها رسول الله صلى الله عليه وسلم فضمها إلى صدره، ثم وضع يده عليها فقضت وهي بين يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم، فبكت أم أيمن، فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم: «يا أم أيمن، أتبكين ورسول الله صلى الله عليه وسلم عندك»، فقالت: ما لي لا أبكي ورسول الله صلى الله عليه وسلم يبكي، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إني لست أبكي، ولكنها رحمة»، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «المؤمن بخير على كل حال تنزع نفسه من بين جنبيه وهو يحمد الله عز وجل»
সুনান নাসাঈ ১৮৪৫
أخبرنا عمرو بن يزيد، قال: حدثنا بهز بن أسد، قال: حدثنا شعبة، عن محمد بن المنكدر، عن جابر، أن أباه قتل يوم أحد قال: فجعلت أكشف عن وجهه وأبكي، والناس ينهوني، ورسول الله صلى الله عليه وسلم لا ينهاني، وجعلت عمتي تبكيه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تبكيه ما زالت الملائكة تظله بأجنحتها حتى رفعتموه»
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে তাঁর পিতা উহুদের জিহাদের দিনে শহীদ হয়ে গিয়েছিলেন, আমি তাঁর মুখমণ্ডল থেকে কাপড় সরিয়ে ফেলছিলাম এবং ক্রন্দন করছিলাম, আর লোকেরা আমাকে বারণ করছিল কিন্তু রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বারণ করছিলেন না, আমার ফুফুও তাঁর জন্য ক্রন্দন করছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তাঁর জন্য ক্রন্দন করো না, যেহেতু তোমরা তাঁকে উঠিয়ে নেওয়া অবধি ফেরেশতারা তাঁকে স্বীয় ডানা দ্বারা ছায়া দিচ্ছিল।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে তাঁর পিতা উহুদের জিহাদের দিনে শহীদ হয়ে গিয়েছিলেন, আমি তাঁর মুখমণ্ডল থেকে কাপড় সরিয়ে ফেলছিলাম এবং ক্রন্দন করছিলাম, আর লোকেরা আমাকে বারণ করছিল কিন্তু রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বারণ করছিলেন না, আমার ফুফুও তাঁর জন্য ক্রন্দন করছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তাঁর জন্য ক্রন্দন করো না, যেহেতু তোমরা তাঁকে উঠিয়ে নেওয়া অবধি ফেরেশতারা তাঁকে স্বীয় ডানা দ্বারা ছায়া দিচ্ছিল।
أخبرنا عمرو بن يزيد، قال: حدثنا بهز بن أسد، قال: حدثنا شعبة، عن محمد بن المنكدر، عن جابر، أن أباه قتل يوم أحد قال: فجعلت أكشف عن وجهه وأبكي، والناس ينهوني، ورسول الله صلى الله عليه وسلم لا ينهاني، وجعلت عمتي تبكيه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تبكيه ما زالت الملائكة تظله بأجنحتها حتى رفعتموه»
সুনান নাসাঈ > মৃতের জন্য ক্রন্দনের নিষেধাজ্ঞা
সুনান নাসাঈ ১৮৪৮
أخبرنا عبيد الله بن سعيد، قال: حدثنا يحيى، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، عن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «الميت يعذب ببكاء أهله عليه»
উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মৃতকে তার পরিবারবর্গের তার উপর ক্রন্দনের কারণে শাস্তি দেওয়া হয়।
উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মৃতকে তার পরিবারবর্গের তার উপর ক্রন্দনের কারণে শাস্তি দেওয়া হয়।
أخبرنا عبيد الله بن سعيد، قال: حدثنا يحيى، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، عن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «الميت يعذب ببكاء أهله عليه»
সুনান নাসাঈ ১৮৫০
أخبرنا سليمان بن سيف، قال: حدثنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال: قال سالم، سمعت عبد الله بن عمر، يقول: قال عمر: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «يعذب الميت ببكاء أهله عليه»
উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মৃত ব্যক্তিকে তার পরিবারবর্গের তার জন্য ক্রন্দনের কারণে শাস্তি দেওয়া হয়।
উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মৃত ব্যক্তিকে তার পরিবারবর্গের তার জন্য ক্রন্দনের কারণে শাস্তি দেওয়া হয়।
أخبرنا سليمان بن سيف، قال: حدثنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال: قال سالم، سمعت عبد الله بن عمر، يقول: قال عمر: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «يعذب الميت ببكاء أهله عليه»
সুনান নাসাঈ ১৮৪৯
أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا أبو داود، قال: حدثنا شعبة، عن عبد الله بن صبيح، قال: سمعت محمد بن سيرين، يقول: ذكر عند عمران بن حصين «الميت يعذب ببكاء الحي»، فقال عمران: قاله رسول الله صلى الله عليه وسلم
আব্দুল্লাহ ইব্ন সুবায়হ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মুহাম্মদ ইব্ন সীরীন (রহঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ একদা ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ)-এর কাছে উল্লেখ করা হল যে, মৃতকে জীবিতদের ক্রন্দনের কারণে শাস্তি দেওয়া হয়। ইমরান (রাঃ) বললেন, তা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন।
আব্দুল্লাহ ইব্ন সুবায়হ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মুহাম্মদ ইব্ন সীরীন (রহঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ একদা ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ)-এর কাছে উল্লেখ করা হল যে, মৃতকে জীবিতদের ক্রন্দনের কারণে শাস্তি দেওয়া হয়। ইমরান (রাঃ) বললেন, তা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন।
أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا أبو داود، قال: حدثنا شعبة، عن عبد الله بن صبيح، قال: سمعت محمد بن سيرين، يقول: ذكر عند عمران بن حصين «الميت يعذب ببكاء الحي»، فقال عمران: قاله رسول الله صلى الله عليه وسلم
সুনান নাসাঈ ১৮৪৭
أخبرنا يونس بن عبد الأعلى، قال: حدثنا عبد الله بن وهب، قال: قال معاوية بن صالح، وحدثني يحيى بن سعيد، عن عمرة، عن عائشة قالت: لما أتى نعي زيد بن حارثة، وجعفر بن أبي طالب، وعبد الله بن رواحة جلس رسول الله صلى الله عليه وسلم يعرف فيه الحزن وأنا أنظر من صئر الباب، فجاءه رجل فقال: إن نساء جعفر يبكين، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «انطلق فانههن» فانطلق ثم جاء فقال: قد نهيتهن فأبين أن ينتهين، فقال: «انطلق فانههن»، فانطلق ثم جاء، فقال: قد نهيتهن فأبين أن ينتهين، قال: «فانطلق فاحث في أفواههن التراب»، فقالت عائشة: فقلت: أرغم الله أنف الأبعد، إنك والله ما تركت رسول الله صلى الله عليه وسلم، وما أنت بفاعل
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন যায়দ ইব্ন হারিসা, জা‘ফর ইব্ন আবূ তালিব এবং আব্দুল্লাহ ইব্ন রাওয়াহা (রাঃ)-এর শাহাদাত প্রাপ্তির সংবাদ এসে পৌঁছলো, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মসজিদে) বসে পড়লেন এবং তাঁর মুখমণ্ডলে বিষণ্নতার রেখা ফুটে উঠল, আমি দরজার ছিদ্রপথ দিয়ে তাঁকে দেখছিলাম। এক ব্যক্তি এসে বলল, জা‘ফর (রাঃ)-এর পরিবারবর্গ ক্রন্দন করছে। তিনি বললেন, তুমি গিয়ে তাদের নিষেধ কর। সে চলে গেল এবং আবার এসে বললো, আমি তাদের নিষেধ করেছিলাম কিন্তু তারা ক্রন্দন করছেই। তিনি বললেন, তুমি গিয়ে তাদের নিষেধ কর। সে চলে গেল এবং পুনরায় এসে বললো, আমি তাদের নিষেধ করেছিলাম কিন্তু তারা ক্রন্দন করছেই। তিনি বললেন, তুমি গিয়ে তাদের মুখে মাটি ভরে দাও। আয়েশা (রাঃ) বলেন; আমি বললাম, আল্লাহ তাআলা অভাগার নাসিকা ধূলা ধুসরিত করে দিক, আল্লাহর শপথ! তুমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কষ্ট না দিয়ে ছাড়লে না, তোমাকে যা বলা হয়েছিল, তুমি তা করতে পারলে না।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন যায়দ ইব্ন হারিসা, জা‘ফর ইব্ন আবূ তালিব এবং আব্দুল্লাহ ইব্ন রাওয়াহা (রাঃ)-এর শাহাদাত প্রাপ্তির সংবাদ এসে পৌঁছলো, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মসজিদে) বসে পড়লেন এবং তাঁর মুখমণ্ডলে বিষণ্নতার রেখা ফুটে উঠল, আমি দরজার ছিদ্রপথ দিয়ে তাঁকে দেখছিলাম। এক ব্যক্তি এসে বলল, জা‘ফর (রাঃ)-এর পরিবারবর্গ ক্রন্দন করছে। তিনি বললেন, তুমি গিয়ে তাদের নিষেধ কর। সে চলে গেল এবং আবার এসে বললো, আমি তাদের নিষেধ করেছিলাম কিন্তু তারা ক্রন্দন করছেই। তিনি বললেন, তুমি গিয়ে তাদের নিষেধ কর। সে চলে গেল এবং পুনরায় এসে বললো, আমি তাদের নিষেধ করেছিলাম কিন্তু তারা ক্রন্দন করছেই। তিনি বললেন, তুমি গিয়ে তাদের মুখে মাটি ভরে দাও। আয়েশা (রাঃ) বলেন; আমি বললাম, আল্লাহ তাআলা অভাগার নাসিকা ধূলা ধুসরিত করে দিক, আল্লাহর শপথ! তুমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কষ্ট না দিয়ে ছাড়লে না, তোমাকে যা বলা হয়েছিল, তুমি তা করতে পারলে না।
أخبرنا يونس بن عبد الأعلى، قال: حدثنا عبد الله بن وهب، قال: قال معاوية بن صالح، وحدثني يحيى بن سعيد، عن عمرة، عن عائشة قالت: لما أتى نعي زيد بن حارثة، وجعفر بن أبي طالب، وعبد الله بن رواحة جلس رسول الله صلى الله عليه وسلم يعرف فيه الحزن وأنا أنظر من صئر الباب، فجاءه رجل فقال: إن نساء جعفر يبكين، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «انطلق فانههن» فانطلق ثم جاء فقال: قد نهيتهن فأبين أن ينتهين، فقال: «انطلق فانههن»، فانطلق ثم جاء، فقال: قد نهيتهن فأبين أن ينتهين، قال: «فانطلق فاحث في أفواههن التراب»، فقالت عائشة: فقلت: أرغم الله أنف الأبعد، إنك والله ما تركت رسول الله صلى الله عليه وسلم، وما أنت بفاعل
সুনান নাসাঈ ১৮৪৬
أخبرنا عتبة بن عبد الله بن عتبة، قال: قرأت على مالك، عن عبد الله بن عبد الله بن جابر بن عتيك، أن عتيك بن الحارث، وهو جد عبد الله بن عبد الله أبو أمه أخبره، أن جابر بن عتيك أخبره، أن النبي صلى الله عليه وسلم جاء يعود عبد الله بن ثابت فوجده قد غلب عليه، فصاح به، فلم يجبه فاسترجع رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال: «قد غلبنا عليك أبا الربيع»، فصحن النساء وبكين، فجعل ابن عتيك يسكتهن، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «دعهن فإذا وجب فلا تبكين باكية»، قالوا: وما الوجوب يا رسول الله؟ قال: «الموت»، قالت ابنته: إن كنت لأرجو أن تكون شهيدا قد كنت قضيت جهازك، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فإن الله عز وجل قد أوقع أجره عليه على قدر نيته، وما تعدون الشهادة؟» قالوا: القتل في سبيل الله عز وجل، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " الشهادة سبع سوى القتل في سبيل الله عز وجل: المطعون شهيد، والمبطون شهيد، والغريق شهيد، وصاحب الهدم شهيد، وصاحب ذات الجنب شهيد، وصاحب الحرق شهيد، والمرأة تموت بجمع شهيدة "
জাবির ইব্ন আতীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আব্দুল্লাহ ইব্ন সাবিত (রাঃ)-এর শুশ্রুষার জন্য জন্য গিয়ে দেখতে পেলেন যে, তাঁর মৃত্যু আসন্ন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে উচ্চ স্বরে ডেকেও তাঁর কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে (আরবী) পড়লেন এবং বললেন, হে আবূ রবী‘! আমাদের সম্মুখে তোমার উপর আল্লাহ্ তা‘আলার হুকুম বিজয়ী হতে যাচ্ছে (তুমি মৃত্যু বরণ করেছ)। একথা শুনে কিছু মহিলা উচ্চ স্বরে ক্রন্দন শুরু করে দিলে ইব্ন আতীক (রাঃ) (জাবির) তাদের শান্ত করাতে লাগলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাদের ছেড়ে দাও। যখন মৃত্যু হয়ে যাবে তখন কোনই ক্রন্দনকারিণী ক্রন্দন করবে না। সাহাবীরা জিজ্ঞাসা করলেন, “উজুব” শব্দের অর্থ কি ইয়া রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)? তিনি বললেন, “মৃত্যু”। তাঁর কন্যা বলল, যে আমি তো এ আশাই করতাম যে, আপনি শহীদ হবেন। আপনি তো শাহাদাতের যাবতীয় পাথেয় সংগ্রহ করেই রেখেছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর নিয়্যত অনুযায়ী তাঁকে শাহাদাতের সওয়াব দিয়ে দিয়েছেন। আচ্ছা, তোমরা শাহাদাত কাকে মনে কর? তাঁরা বললেন, আল্লাহ্র রাস্তায় মৃত্যুবরণ করাকে। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহ্র রাস্তায় মৃত্যুবরণ করা ব্যতীতও আরো সাত প্রকারের শাহাদাত আছেঃ ১। প্লেগ রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ ২। পেটের পীড়ায় মৃত ব্যক্তি শহীদ ৩। পানিতে ডুবে মৃত ব্যক্তি শহীদ, ৪। প্রাচীর বা ঘর চাপা পড়ে মৃত ব্যক্তি শহীদ ৫। আভ্যন্তরীণ বিষ ফোঁড়ায় মৃত ব্যক্তি শহীদ ৬। অগ্নিদাহে মৃত ব্যক্তি শহীদ ৭। প্রসবকালে মৃত রমণী শহীদ।
জাবির ইব্ন আতীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আব্দুল্লাহ ইব্ন সাবিত (রাঃ)-এর শুশ্রুষার জন্য জন্য গিয়ে দেখতে পেলেন যে, তাঁর মৃত্যু আসন্ন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে উচ্চ স্বরে ডেকেও তাঁর কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে (আরবী) পড়লেন এবং বললেন, হে আবূ রবী‘! আমাদের সম্মুখে তোমার উপর আল্লাহ্ তা‘আলার হুকুম বিজয়ী হতে যাচ্ছে (তুমি মৃত্যু বরণ করেছ)। একথা শুনে কিছু মহিলা উচ্চ স্বরে ক্রন্দন শুরু করে দিলে ইব্ন আতীক (রাঃ) (জাবির) তাদের শান্ত করাতে লাগলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাদের ছেড়ে দাও। যখন মৃত্যু হয়ে যাবে তখন কোনই ক্রন্দনকারিণী ক্রন্দন করবে না। সাহাবীরা জিজ্ঞাসা করলেন, “উজুব” শব্দের অর্থ কি ইয়া রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)? তিনি বললেন, “মৃত্যু”। তাঁর কন্যা বলল, যে আমি তো এ আশাই করতাম যে, আপনি শহীদ হবেন। আপনি তো শাহাদাতের যাবতীয় পাথেয় সংগ্রহ করেই রেখেছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর নিয়্যত অনুযায়ী তাঁকে শাহাদাতের সওয়াব দিয়ে দিয়েছেন। আচ্ছা, তোমরা শাহাদাত কাকে মনে কর? তাঁরা বললেন, আল্লাহ্র রাস্তায় মৃত্যুবরণ করাকে। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহ্র রাস্তায় মৃত্যুবরণ করা ব্যতীতও আরো সাত প্রকারের শাহাদাত আছেঃ ১। প্লেগ রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ ২। পেটের পীড়ায় মৃত ব্যক্তি শহীদ ৩। পানিতে ডুবে মৃত ব্যক্তি শহীদ, ৪। প্রাচীর বা ঘর চাপা পড়ে মৃত ব্যক্তি শহীদ ৫। আভ্যন্তরীণ বিষ ফোঁড়ায় মৃত ব্যক্তি শহীদ ৬। অগ্নিদাহে মৃত ব্যক্তি শহীদ ৭। প্রসবকালে মৃত রমণী শহীদ।
أخبرنا عتبة بن عبد الله بن عتبة، قال: قرأت على مالك، عن عبد الله بن عبد الله بن جابر بن عتيك، أن عتيك بن الحارث، وهو جد عبد الله بن عبد الله أبو أمه أخبره، أن جابر بن عتيك أخبره، أن النبي صلى الله عليه وسلم جاء يعود عبد الله بن ثابت فوجده قد غلب عليه، فصاح به، فلم يجبه فاسترجع رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال: «قد غلبنا عليك أبا الربيع»، فصحن النساء وبكين، فجعل ابن عتيك يسكتهن، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «دعهن فإذا وجب فلا تبكين باكية»، قالوا: وما الوجوب يا رسول الله؟ قال: «الموت»، قالت ابنته: إن كنت لأرجو أن تكون شهيدا قد كنت قضيت جهازك، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فإن الله عز وجل قد أوقع أجره عليه على قدر نيته، وما تعدون الشهادة؟» قالوا: القتل في سبيل الله عز وجل، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " الشهادة سبع سوى القتل في سبيل الله عز وجل: المطعون شهيد، والمبطون شهيد، والغريق شهيد، وصاحب الهدم شهيد، وصاحب ذات الجنب شهيد، وصاحب الحرق شهيد، والمرأة تموت بجمع شهيدة "