সুনান নাসাঈ > রাত্রে কুরআন কিতাবে পাঠ করতে হবে ?

সুনান নাসাঈ ১৬৬২

أخبرنا شعيب بن يوسف، قال: حدثنا عبد الرحمن، عن معاوية بن صالح، عن عبد الله بن أبي قيس، قال: سألت عائشة، كيف كانت قراءة رسول الله صلى الله عليه وسلم بالليل يجهر أم يسر؟ قالت: «كل ذلك قد كان يفعل ربما جهر، وربما أسر»

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন অবূ কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত্রে কিভাবে কুরআন পাঠ করতেন, উচ্চ স্বরে না নিম্ন স্বরে? আয়েশা (রাঃ) বললেন, উভয়রূপেই তিনি কুরআন পাঠ করতেন। কখনো উচ্চ স্বরে পাঠ করতেন, কখনো নিম্ন স্বরে পাঠ করতেন।

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন অবূ কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত্রে কিভাবে কুরআন পাঠ করতেন, উচ্চ স্বরে না নিম্ন স্বরে? আয়েশা (রাঃ) বললেন, উভয়রূপেই তিনি কুরআন পাঠ করতেন। কখনো উচ্চ স্বরে পাঠ করতেন, কখনো নিম্ন স্বরে পাঠ করতেন।

أخبرنا شعيب بن يوسف، قال: حدثنا عبد الرحمن، عن معاوية بن صالح، عن عبد الله بن أبي قيس، قال: سألت عائشة، كيف كانت قراءة رسول الله صلى الله عليه وسلم بالليل يجهر أم يسر؟ قالت: «كل ذلك قد كان يفعل ربما جهر، وربما أسر»


সুনান নাসাঈ > (স্থান-কাল ভেদে) উচ্চস্বরে কুরআন তিলাওয়াত করার উপর নিম্নস্বরে কুরআন তিলাওয়াত করার ফযীলত

সুনান নাসাঈ ১৬৬৩

أخبرنا هارون بن محمد بن بكار بن بلال، قال: حدثنا محمد يعني ابن سميع، قال: حدثنا زيد يعني ابن واقد، عن كثير بن مرة، أن عقبة بن عامر حدثهم، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «إن الذي يجهر بالقرآن كالذي يجهر بالصدقة، والذي يسر بالقرآن كالذي يسر بالصدقة»

উকবা ইব্‌ন আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি (স্থান-কাল ভেদে) উচ্চস্বরে কুরআন তিলাওয়াত করে সে ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে প্রকাশ্যে দান খয়রাত করে, আর যে ব্যক্তি নিম্নস্বরে কুরআন তিলাওয়াত করে সে ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে গোপনে দান খয়রাত করে।

উকবা ইব্‌ন আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি (স্থান-কাল ভেদে) উচ্চস্বরে কুরআন তিলাওয়াত করে সে ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে প্রকাশ্যে দান খয়রাত করে, আর যে ব্যক্তি নিম্নস্বরে কুরআন তিলাওয়াত করে সে ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে গোপনে দান খয়রাত করে।

أخبرنا هارون بن محمد بن بكار بن بلال، قال: حدثنا محمد يعني ابن سميع، قال: حدثنا زيد يعني ابن واقد، عن كثير بن مرة، أن عقبة بن عامر حدثهم، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «إن الذي يجهر بالقرآن كالذي يجهر بالصدقة، والذي يسر بالقرآن كالذي يسر بالصدقة»


সুনান নাসাঈ > তাহাজ্জুদের সালাতে কিয়াম রুকূ, রুকূর পরে দাঁড়ানো সিজদা এবং উভয় সিজদার মধ্যে বসায় সমতা বিধান করা

সুনান নাসাঈ ১৬৬৫

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا النضر بن محمد المروزي ثقة قال: حدثنا العلاء بن المسيب، عن عمرو بن مرة، عن طلحة بن يزيد الأنصاري، عن حذيفة، أنه صلى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رمضان فركع فقال في ركوعه: «سبحان ربي العظيم» مثل ما كان قائما، ثم جلس يقول: «رب اغفر لي، رب اغفر لي» مثل ما كان قائما، ثم سجد فقال: «سبحان ربي الأعلى» مثل ما كان قائما، فما صلى إلا أربع ركعات، حتى جاء بلال إلى الغداة، قال أبو عبد الرحمن: «هذا الحديث عندي مرسل، وطلحة بن يزيد لا أعلمه سمع من حذيفة شيئا، وغير العلاء بن المسيب، قال في هذا الحديث، عن طلحة، عن رجل، عن حذيفة»

হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে এক রমযান সালাত আদায় করলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকূ করলেন এবং রুকূতে বললেন “সুবহানা রাব্বিয়াল আজীম”; তাঁর রুকূ তাঁর দাঁড়ানো থাকার সমপরিমাণ হত। তারপর উভয় সিজদার মধ্যে বসে বললেন, (.......আরবী.....) তাঁর বসা ও তাঁর কিয়ামের সমপরিমাণ হত তারপর সিজদা করলেন এবং বললেন, “সুবাহানা রাব্বিয়াল আ’লা” তাঁর সিজদা ও তাঁর কিয়ামের সমপরিমাণ হত। মাত্র চার রাকআত সালাত আদায় করতেই বিলাল (রাঃ) এসে ফজরের সালাতের সংবাদ দিলেন। আবূ আব্দুর রহমান নাসায়ী বলেন, আমার নিকট এই হাদীসটি মুরসাল।

হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে এক রমযান সালাত আদায় করলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকূ করলেন এবং রুকূতে বললেন “সুবহানা রাব্বিয়াল আজীম”; তাঁর রুকূ তাঁর দাঁড়ানো থাকার সমপরিমাণ হত। তারপর উভয় সিজদার মধ্যে বসে বললেন, (.......আরবী.....) তাঁর বসা ও তাঁর কিয়ামের সমপরিমাণ হত তারপর সিজদা করলেন এবং বললেন, “সুবাহানা রাব্বিয়াল আ’লা” তাঁর সিজদা ও তাঁর কিয়ামের সমপরিমাণ হত। মাত্র চার রাকআত সালাত আদায় করতেই বিলাল (রাঃ) এসে ফজরের সালাতের সংবাদ দিলেন। আবূ আব্দুর রহমান নাসায়ী বলেন, আমার নিকট এই হাদীসটি মুরসাল।

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا النضر بن محمد المروزي ثقة قال: حدثنا العلاء بن المسيب، عن عمرو بن مرة، عن طلحة بن يزيد الأنصاري، عن حذيفة، أنه صلى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رمضان فركع فقال في ركوعه: «سبحان ربي العظيم» مثل ما كان قائما، ثم جلس يقول: «رب اغفر لي، رب اغفر لي» مثل ما كان قائما، ثم سجد فقال: «سبحان ربي الأعلى» مثل ما كان قائما، فما صلى إلا أربع ركعات، حتى جاء بلال إلى الغداة، قال أبو عبد الرحمن: «هذا الحديث عندي مرسل، وطلحة بن يزيد لا أعلمه سمع من حذيفة شيئا، وغير العلاء بن المسيب، قال في هذا الحديث، عن طلحة، عن رجل، عن حذيفة»


সুনান নাসাঈ ১৬৬৪

أخبرنا الحسين بن منصور، قال: حدثنا عبد الله بن نمير، قال: حدثنا الأعمش، عن سعد بن عبيدة، عن المستورد بن الأحنف، عن صلة بن زفر، عن حذيفة قال: صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم ليلة فافتتح البقرة، فقلت: يركع عند المائة، فمضى، فقلت: يركع عند المائتين، فمضى، فقلت: يصلي بها في ركعة، فمضى، فافتتح النساء، فقرأها، ثم افتتح آل عمران فقرأها، يقرأ مترسلا إذا مر بآية فيها تسبيح سبح، وإذا مر بسؤال سأل، وإذا مر بتعوذ تعوذ، ثم ركع، فقال: «سبحان ربي العظيم»، فكان ركوعه نحوا من قيامه، ثم رفع رأسه، فقال: «سمع الله لمن حمده» فكان قيامه قريبا من ركوعه، ثم سجد فجعل يقول: «سبحان ربي الأعلى»، فكان سجوده قريبا من ركوعه

হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একরাত্রে রাসূল্লুলাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সালাত আদায় করলাম। তিনি সূরা বাকারা শুরু করলেন, আমি মনে মনে বললাম যে, হয়তো তিনি একশত আয়াত পরিমাণ তিলাওয়াত করে রুকূতে যাবেন। কিন্তু তিনি তিলাওয়াত চালিয়েই যেতে থাকলেন, আমি মনে মনে বললাম, হয়তো তিনি দু’শত আয়াত পরিমাণ তিলাওয়াত করে রুকূতে যাবেন, কিন্তু তিনি তিলাওয়াত চালিয়েই যেতে থাকলেন। আমি মনে মনে বললাম, হয়তো তিনি পূর্ণ সূরা এক রাকআতেই তিলাওয়াত করে ফেলবেন। কিন্তু তিনি তিলাওয়াত চালিয়েই যেতে থাকলেন এবং সূরা “নিসা” শুরু করে তাও তিলাওয়াত করে ফেললেন। তারপর সূরা “আলে-ইমরান” ও শুরু করে তাও তিলাওয়াত করে ফেললেন। তিনি ধীরে ধীরে তিলাওয়াত করতেন। যদি তিনি এমন কোন আয়াত তিলাওয়াত করে ফেলতেন যাতে কোন তাসবীহ্‌ রয়েছে তবে তাসবীহ পাঠ করতেন, যদি কোন যাঞ্ছা করার আয়াত তিলাওয়াত করে ফেলতেন তবে যাঞ্ছা করতেন। যদি কোন বিতাড়িত শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনার আয়াত তিলাওয়াত করে ফেলতেন, তবে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। তারপর রুকূ করতেন এবং বলতেন, “সুবাহানা রাব্বিয়াল আজীম” তাঁর রুকূ প্রায় তাঁর কিয়ামের সমান হত। পরে তাঁর মাথা উঠাতেন এবং বলতেন “সামিআল্লাহু লিমান হামিদা”। তাঁর দাঁড়ানো প্রায় তাঁর রুকূর সমান হত। তারপর সিজদা করতেন এবং বলতেন, “সুবহানা রাব্বিয়াল আ‘লা”। তাঁর সিজদা প্রায় তাঁর রুকূ’র সমান হত।

হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একরাত্রে রাসূল্লুলাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সালাত আদায় করলাম। তিনি সূরা বাকারা শুরু করলেন, আমি মনে মনে বললাম যে, হয়তো তিনি একশত আয়াত পরিমাণ তিলাওয়াত করে রুকূতে যাবেন। কিন্তু তিনি তিলাওয়াত চালিয়েই যেতে থাকলেন, আমি মনে মনে বললাম, হয়তো তিনি দু’শত আয়াত পরিমাণ তিলাওয়াত করে রুকূতে যাবেন, কিন্তু তিনি তিলাওয়াত চালিয়েই যেতে থাকলেন। আমি মনে মনে বললাম, হয়তো তিনি পূর্ণ সূরা এক রাকআতেই তিলাওয়াত করে ফেলবেন। কিন্তু তিনি তিলাওয়াত চালিয়েই যেতে থাকলেন এবং সূরা “নিসা” শুরু করে তাও তিলাওয়াত করে ফেললেন। তারপর সূরা “আলে-ইমরান” ও শুরু করে তাও তিলাওয়াত করে ফেললেন। তিনি ধীরে ধীরে তিলাওয়াত করতেন। যদি তিনি এমন কোন আয়াত তিলাওয়াত করে ফেলতেন যাতে কোন তাসবীহ্‌ রয়েছে তবে তাসবীহ পাঠ করতেন, যদি কোন যাঞ্ছা করার আয়াত তিলাওয়াত করে ফেলতেন তবে যাঞ্ছা করতেন। যদি কোন বিতাড়িত শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনার আয়াত তিলাওয়াত করে ফেলতেন, তবে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। তারপর রুকূ করতেন এবং বলতেন, “সুবাহানা রাব্বিয়াল আজীম” তাঁর রুকূ প্রায় তাঁর কিয়ামের সমান হত। পরে তাঁর মাথা উঠাতেন এবং বলতেন “সামিআল্লাহু লিমান হামিদা”। তাঁর দাঁড়ানো প্রায় তাঁর রুকূর সমান হত। তারপর সিজদা করতেন এবং বলতেন, “সুবহানা রাব্বিয়াল আ‘লা”। তাঁর সিজদা প্রায় তাঁর রুকূ’র সমান হত।

أخبرنا الحسين بن منصور، قال: حدثنا عبد الله بن نمير، قال: حدثنا الأعمش، عن سعد بن عبيدة، عن المستورد بن الأحنف، عن صلة بن زفر، عن حذيفة قال: صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم ليلة فافتتح البقرة، فقلت: يركع عند المائة، فمضى، فقلت: يركع عند المائتين، فمضى، فقلت: يصلي بها في ركعة، فمضى، فافتتح النساء، فقرأها، ثم افتتح آل عمران فقرأها، يقرأ مترسلا إذا مر بآية فيها تسبيح سبح، وإذا مر بسؤال سأل، وإذا مر بتعوذ تعوذ، ثم ركع، فقال: «سبحان ربي العظيم»، فكان ركوعه نحوا من قيامه، ثم رفع رأسه، فقال: «سمع الله لمن حمده» فكان قيامه قريبا من ركوعه، ثم سجد فجعل يقول: «سبحان ربي الأعلى»، فكان سجوده قريبا من ركوعه


সুনান নাসাঈ > রাত্রের সালাত কিভাবে আদায় করতে হবে?

সুনান নাসাঈ ১৬৬৬

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا محمد بن جعفر، وعبد الرحمن، قالا: حدثنا شعبة، عن يعلى بن عطاء، أنه سمع عليا الأزدي، أنه سمع ابن عمر يحدث، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «صلاة الليل والنهار مثنى مثنى»، أبو عبد الرحمن «هذا الحديث عندي خطأ والله تعالى أعلم»

আলী আয্‌দী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি উমর (রাঃ)-কে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, রাত্রের এবং দিনের সালাত দু’রাকআত দু’রাকআত করে আদায় করবে। আবূ আব্দুর রহমান নাসায়ী (রহঃ) বলেন। অত্র হাদীস শরীফ আমার ধারণা মতে ভুল। আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।

আলী আয্‌দী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি উমর (রাঃ)-কে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, রাত্রের এবং দিনের সালাত দু’রাকআত দু’রাকআত করে আদায় করবে। আবূ আব্দুর রহমান নাসায়ী (রহঃ) বলেন। অত্র হাদীস শরীফ আমার ধারণা মতে ভুল। আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا محمد بن جعفر، وعبد الرحمن، قالا: حدثنا شعبة، عن يعلى بن عطاء، أنه سمع عليا الأزدي، أنه سمع ابن عمر يحدث، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «صلاة الليل والنهار مثنى مثنى»، أبو عبد الرحمن «هذا الحديث عندي خطأ والله تعالى أعلم»


সুনান নাসাঈ ১৬৬৭

أخبرنا محمد بن قدامة، قال: حدثنا جرير، عن منصور، عن حبيب، عن طاوس، قال: قال ابن عمر: سأل رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صلاة الليل، فقال: «مثنى مثنى، فإذا خشيت الصبح فواحدة»

তাউস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইব্‌ন উমর (রাঃ) বলেছেন যে, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাত্রের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, দু’রাকআত দু’রাকআত করে আদায় করবে, যখন ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে, তখন এক রাকআত আদায় করে নেবে।

তাউস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইব্‌ন উমর (রাঃ) বলেছেন যে, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাত্রের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, দু’রাকআত দু’রাকআত করে আদায় করবে, যখন ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে, তখন এক রাকআত আদায় করে নেবে।

أخبرنا محمد بن قدامة، قال: حدثنا جرير، عن منصور، عن حبيب، عن طاوس، قال: قال ابن عمر: سأل رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صلاة الليل، فقال: «مثنى مثنى، فإذا خشيت الصبح فواحدة»


সুনান নাসাঈ ১৬৬৯

أخبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، عن ابن أبي لبيد، عن أبي سلمة، عن ابن عمر قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر يسأل عن صلاة الليل؟ فقال: «مثنى مثنى، فإذا خفت الصبح فأوتر بركعة»

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারে দণ্ডায়মান থাকাকালীন রাত্রের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে বলতে শুনেছি, “দু’রাকআত দু’রাকআত” (করে আদায় করবে) যখন তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে, তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারে দণ্ডায়মান থাকাকালীন রাত্রের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে বলতে শুনেছি, “দু’রাকআত দু’রাকআত” (করে আদায় করবে) যখন তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে, তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।

أخبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، عن ابن أبي لبيد، عن أبي سلمة، عن ابن عمر قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر يسأل عن صلاة الليل؟ فقال: «مثنى مثنى، فإذا خفت الصبح فأوتر بركعة»


সুনান নাসাঈ ১৬৬৮

خبرنا عمرو بن عثمان، ومحمد بن صدقة، قالا: حدثنا محمد بن حرب، عن الزبيدي، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «صلاة الليل مثنى مثنى، فإذا خفت الصبح فأوتر بواحدة»

মুহাম্মাদ ইব্‌ন সাদাকাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সালিমের পিতা সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাত্রের সালাত দু’রাকআত দু’রাকআত। যখন ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃ্ত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় করে নেবে।

মুহাম্মাদ ইব্‌ন সাদাকাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সালিমের পিতা সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাত্রের সালাত দু’রাকআত দু’রাকআত। যখন ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃ্ত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় করে নেবে।

خبرنا عمرو بن عثمان، ومحمد بن صدقة، قالا: حدثنا محمد بن حرب، عن الزبيدي، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «صلاة الليل مثنى مثنى، فإذا خفت الصبح فأوتر بواحدة»


সুনান নাসাঈ ১৬৭০

أخبرنا موسى بن سعيد، قال: حدثنا أحمد بن عبد الله بن يونس، قال: حدثنا زهير، قال: حدثنا الحسن بن الحر، قال: حدثنا نافع، أن ابن عمر أخبرهم، أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صلاة الليل، قال: «مثنى مثنى، فإن خشي أحدكم الصبح فليوتر بواحدة»

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাত্রের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, “দু’রাকআত, দু’রাকআত” (করে আদায় করবে)। যদি তোমাদের কেউ ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করে, তবে যেন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃ্ত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেয়।

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাত্রের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, “দু’রাকআত, দু’রাকআত” (করে আদায় করবে)। যদি তোমাদের কেউ ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করে, তবে যেন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃ্ত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেয়।

أخبرنا موسى بن سعيد، قال: حدثنا أحمد بن عبد الله بن يونس، قال: حدثنا زهير، قال: حدثنا الحسن بن الحر، قال: حدثنا نافع، أن ابن عمر أخبرهم، أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صلاة الليل، قال: «مثنى مثنى، فإن خشي أحدكم الصبح فليوتر بواحدة»


সুনান নাসাঈ ১৬৭১

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «صلاة الليل مثنى مثنى، فإذا خفت الصبح فأوتر بواحدة»

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, “রাত্রের সালাত দু’রাকআত, দু’রাকআত (করে আদায় করবে)। “যখন তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বে আদায়কৃত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।”

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, “রাত্রের সালাত দু’রাকআত, দু’রাকআত (করে আদায় করবে)। “যখন তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বে আদায়কৃত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।”

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «صلاة الليل مثنى مثنى، فإذا خفت الصبح فأوتر بواحدة»


সুনান নাসাঈ ১৬৭২

أخبرنا أحمد بن محمد بن المغيرة، قال: حدثنا عثمان، عن شعيب، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر قال: سأل رجل من المسلمين رسول الله صلى الله عليه وسلم كيف صلاة الليل؟ فقال: «صلاة الليل مثنى مثنى، فإذا خفت الصبح فأوتر بواحدة»

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুসলমানদের এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করল, “রাত্রের সালাত কিরূপে আদায় করতে হবে?” তিনি বললেনঃ “রাত্রের সালাত “দু’রাকআত, দু’রাকআত (করে আদায় করবে)। যখন তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বে আদায়কৃত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।”

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুসলমানদের এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করল, “রাত্রের সালাত কিরূপে আদায় করতে হবে?” তিনি বললেনঃ “রাত্রের সালাত “দু’রাকআত, দু’রাকআত (করে আদায় করবে)। যখন তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বে আদায়কৃত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।”

أخبرنا أحمد بن محمد بن المغيرة، قال: حدثنا عثمان، عن شعيب، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر قال: سأل رجل من المسلمين رسول الله صلى الله عليه وسلم كيف صلاة الليل؟ فقال: «صلاة الليل مثنى مثنى، فإذا خفت الصبح فأوتر بواحدة»


সুনান নাসাঈ ১৬৭৩

أخبرنا محمد بن يحيى، قال: حدثنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، قال: أخبرني حميد بن عبد الرحمن، أن عبد الله بن عمر أخبره، أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صلاة الليل، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «صلاة الليل مثنى مثنى، فإذا خشيت الصبح فأوتر بواحدة»

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলূল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাত্রের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, রাত্রের সালাত “দু’রাকআত, দু’রাকআত” (করে আদায় করবে)। যখন তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃ্ত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলূল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাত্রের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, রাত্রের সালাত “দু’রাকআত, দু’রাকআত” (করে আদায় করবে)। যখন তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃ্ত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।

أخبرنا محمد بن يحيى، قال: حدثنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا ابن أخي ابن شهاب، عن عمه، قال: أخبرني حميد بن عبد الرحمن، أن عبد الله بن عمر أخبره، أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صلاة الليل، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «صلاة الليل مثنى مثنى، فإذا خشيت الصبح فأوتر بواحدة»


সুনান নাসাঈ ১৬৭৪

أخبرنا أحمد بن الهيثم، قال: حدثنا حرملة، قال: حدثنا ابن وهب، قال: أخبرني عمرو بن الحارث، أن ابن شهاب حدثه، أن سالم بن عبد الله، وحميد بن عبد الرحمن حدثاه، عن عبد الله بن عمر قال: قام رجل فقال: يا رسول الله، كيف صلاة الليل؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «صلاة الليل مثنى مثنى، فإذا خفت الصبح فأوتر بواحدة»

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক বাক্তি দাঁড়িয়ে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! রাত্রের সালাত কিরূপে আদায় করতে হবে? রাসুলুল্লাহ্ বললেন, রাত্রের সালাত “দু’রাকআত, দু’রাকআত” (করে আদায় করবে)। যখন তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক বাক্তি দাঁড়িয়ে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! রাত্রের সালাত কিরূপে আদায় করতে হবে? রাসুলুল্লাহ্ বললেন, রাত্রের সালাত “দু’রাকআত, দু’রাকআত” (করে আদায় করবে)। যখন তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।

أخبرنا أحمد بن الهيثم، قال: حدثنا حرملة، قال: حدثنا ابن وهب، قال: أخبرني عمرو بن الحارث، أن ابن شهاب حدثه، أن سالم بن عبد الله، وحميد بن عبد الرحمن حدثاه، عن عبد الله بن عمر قال: قام رجل فقال: يا رسول الله، كيف صلاة الليل؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «صلاة الليل مثنى مثنى، فإذا خفت الصبح فأوتر بواحدة»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00