সুনান নাসাঈ > পূর্ণ রাত্রি জাগরণ সম্পর্কে আয়েশা (রাঃ)-এর মতপার্থক্য
সুনান নাসাঈ ১৬৩৯
أخبرنا محمد بن عبد الله بن يزيد، قال: حدثنا سفيان، عن أبي يعفور، عن مسلم، عن مسروق، قال: قالت عائشة رضي الله عنها: «كان إذا دخلت العشر أحيا رسول الله صلى الله عليه وسلم الليل، وأيقظ أهله، وشد المئزر»
মাসরুক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, যখন রমযানের শেষ দশ দিন আসত রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত্রে ইবাদাতের জন্য জাগ্রত হয়ে যেতেন এবং তাঁর পরিবারবর্গকেও জাগিয়ে দিতেন আর লুঙ্গি শক্ত করে বেঁধে নিতেন। (স্ত্রী সহবাস থেকে বিরত থেকে ইবাদাতে নিমগ্ন থাকতেন)
মাসরুক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, যখন রমযানের শেষ দশ দিন আসত রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত্রে ইবাদাতের জন্য জাগ্রত হয়ে যেতেন এবং তাঁর পরিবারবর্গকেও জাগিয়ে দিতেন আর লুঙ্গি শক্ত করে বেঁধে নিতেন। (স্ত্রী সহবাস থেকে বিরত থেকে ইবাদাতে নিমগ্ন থাকতেন)
أخبرنا محمد بن عبد الله بن يزيد، قال: حدثنا سفيان، عن أبي يعفور، عن مسلم، عن مسروق، قال: قالت عائشة رضي الله عنها: «كان إذا دخلت العشر أحيا رسول الله صلى الله عليه وسلم الليل، وأيقظ أهله، وشد المئزر»
সুনান নাসাঈ ১৬৪১
أخبرنا هارون بن إسحق، قال: حدثنا عبدة بن سليمان، عن سعيد، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن سعد بن هشام، عن عائشة رضي الله عنها، قالت: «لا أعلم رسول الله صلى الله عليه وسلم قرأ القرآن كله في ليلة، ولا قام ليلة حتى الصباح، ولا صام شهرا كاملا قط غير رمضان»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার জানা নেই যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক রাত্রে সম্পূর্ণ কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করেছেন কিংবা তিনি সারা রাত্র সকাল অবধি সালাত আদায় করেছেন এবং রমযান ব্যতীত কখনো সম্পূর্ণ মাস সাওম পালন করেছেন।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার জানা নেই যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক রাত্রে সম্পূর্ণ কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করেছেন কিংবা তিনি সারা রাত্র সকাল অবধি সালাত আদায় করেছেন এবং রমযান ব্যতীত কখনো সম্পূর্ণ মাস সাওম পালন করেছেন।
أخبرنا هارون بن إسحق، قال: حدثنا عبدة بن سليمان، عن سعيد، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن سعد بن هشام، عن عائشة رضي الله عنها، قالت: «لا أعلم رسول الله صلى الله عليه وسلم قرأ القرآن كله في ليلة، ولا قام ليلة حتى الصباح، ولا صام شهرا كاملا قط غير رمضان»
সুনান নাসাঈ ১৬৪৪
أخبرنا قتيبة بن سعيد، ومحمد بن منصور، واللفظ له، عن سفيان، عن زياد بن علاقة، قال: سمعت المغيرة بن شعبة يقول: قام النبي صلى الله عليه وسلم حتى تورمت قدماه، فقيل له: قد غفر الله لك ما تقدم من ذنبك وما تأخر قال: «أفلا أكون عبدا شكورا»
যিয়াদ ইব্ন আলাকাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মুগীরা ইব্ন শু‘বাকে বলতে শুনেছি যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এত দীর্ঘক্ষণ সালাতে দাঁড়িয়ে রইলেন যে, তাঁর কদমদ্বয় ফুলে গেল। তখন তাঁকে বলা হল, আল্লাহ্ তা‘আলা আপনার পূর্বাপর সমুদয় ত্রুটি-বিচ্যুতি মার্জনা করে দিয়েছেন। (এতদসত্ত্বেও আপনি ইবাদাতে এত ক্লেশ কেন করছেন?) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি কি তাহলে কৃতজ্ঞ বান্দা হব না?
যিয়াদ ইব্ন আলাকাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মুগীরা ইব্ন শু‘বাকে বলতে শুনেছি যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এত দীর্ঘক্ষণ সালাতে দাঁড়িয়ে রইলেন যে, তাঁর কদমদ্বয় ফুলে গেল। তখন তাঁকে বলা হল, আল্লাহ্ তা‘আলা আপনার পূর্বাপর সমুদয় ত্রুটি-বিচ্যুতি মার্জনা করে দিয়েছেন। (এতদসত্ত্বেও আপনি ইবাদাতে এত ক্লেশ কেন করছেন?) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি কি তাহলে কৃতজ্ঞ বান্দা হব না?
أخبرنا قتيبة بن سعيد، ومحمد بن منصور، واللفظ له، عن سفيان، عن زياد بن علاقة، قال: سمعت المغيرة بن شعبة يقول: قام النبي صلى الله عليه وسلم حتى تورمت قدماه، فقيل له: قد غفر الله لك ما تقدم من ذنبك وما تأخر قال: «أفلا أكون عبدا شكورا»
সুনান নাসাঈ ১৬৪০
أخبرنا محمد بن عبد الله بن المبارك، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا زهير، عن أبي إسحق، قال: أتيت الأسود بن يزيد، وكان لي أخا صديقا، فقلت: يا أبا عمرو حدثني ما حدثتك به أم المؤمنين عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: قالت: «كان ينام أول الليل ويحيي آخره»
আবূ ইসহাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি একবার আসওয়াদ ইব্ন ইয়াযীদ (রহঃ)-এর কাছে আসলাম। তিনি সম্পর্কে আমার ভ্রাতা এবং বন্ধু ছিলেন। আমি তাঁকে বললাম, হে আবূ আমর (রহঃ)! উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রাঃ) আপনার কাছে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সালাত সম্পর্কে যা যা বর্ণনা করেছেন তা আপনি আমার কাছে বর্ণনা করুন। আবূ আমর (রহঃ) বলেলেন, আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতের প্রথম দিকে নিদ্রা যেতেন এবং শেষের দিকে জাগ্রত হয়ে ইবাদত করতেন।
আবূ ইসহাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি একবার আসওয়াদ ইব্ন ইয়াযীদ (রহঃ)-এর কাছে আসলাম। তিনি সম্পর্কে আমার ভ্রাতা এবং বন্ধু ছিলেন। আমি তাঁকে বললাম, হে আবূ আমর (রহঃ)! উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রাঃ) আপনার কাছে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সালাত সম্পর্কে যা যা বর্ণনা করেছেন তা আপনি আমার কাছে বর্ণনা করুন। আবূ আমর (রহঃ) বলেলেন, আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতের প্রথম দিকে নিদ্রা যেতেন এবং শেষের দিকে জাগ্রত হয়ে ইবাদত করতেন।
أخبرنا محمد بن عبد الله بن المبارك، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا زهير، عن أبي إسحق، قال: أتيت الأسود بن يزيد، وكان لي أخا صديقا، فقلت: يا أبا عمرو حدثني ما حدثتك به أم المؤمنين عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: قالت: «كان ينام أول الليل ويحيي آخره»
সুনান নাসাঈ ১৬৪২
أخبرنا شعيب بن يوسف، عن يحيى، عن هشام، قال: أخبرني أبي، عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل عليها وعندها امرأة، فقال: «من هذه؟» قالت: فلانة، لا تنام، فذكرت من صلاتها، فقال: «مه عليكم بما تطيقون، فوالله لا يمل الله عز وجل حتى تملوا، ولكن أحب الدين إليه ما داوم عليه صاحبه»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার তাঁর কাছে আসলেন, তখন তাঁর কাছে একজন মহিলা ছিল। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন এ মহিলা কে? আয়েশা (রাঃ) বললেন, সে অমুক (হাওলা)। সে রাত্রে নিদ্রা যায় না এবং তার সালাতের কথাও উল্লেখ করলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা (তার সালাত আদায়ের আধিক্যহেতু আমার কাছে তার প্রশংসা বর্ণনা থেকে) বিরত থাক। যতটুকু তোমাদের সাধ্যে কুলায় ততটুকুই তোমরা কর্তব্য জ্ঞান করে নাও। আল্লাহ্র শপথ! আল্লাহ তাআলা কখনো তোমাদের সওয়াব দেয়ার ব্যাপারে কুণ্ঠাবোধ করবেন না বরং তোমরাই ক্লান্ত হয়ে তাঁর ইবাদাত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। তাঁর কাছে সর্বাধিক পছন্দনীয় ইবাদাত হল ঐটা যা আমলকারী সর্বদা করে থাকে।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার তাঁর কাছে আসলেন, তখন তাঁর কাছে একজন মহিলা ছিল। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন এ মহিলা কে? আয়েশা (রাঃ) বললেন, সে অমুক (হাওলা)। সে রাত্রে নিদ্রা যায় না এবং তার সালাতের কথাও উল্লেখ করলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা (তার সালাত আদায়ের আধিক্যহেতু আমার কাছে তার প্রশংসা বর্ণনা থেকে) বিরত থাক। যতটুকু তোমাদের সাধ্যে কুলায় ততটুকুই তোমরা কর্তব্য জ্ঞান করে নাও। আল্লাহ্র শপথ! আল্লাহ তাআলা কখনো তোমাদের সওয়াব দেয়ার ব্যাপারে কুণ্ঠাবোধ করবেন না বরং তোমরাই ক্লান্ত হয়ে তাঁর ইবাদাত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। তাঁর কাছে সর্বাধিক পছন্দনীয় ইবাদাত হল ঐটা যা আমলকারী সর্বদা করে থাকে।
أخبرنا شعيب بن يوسف، عن يحيى، عن هشام، قال: أخبرني أبي، عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل عليها وعندها امرأة، فقال: «من هذه؟» قالت: فلانة، لا تنام، فذكرت من صلاتها، فقال: «مه عليكم بما تطيقون، فوالله لا يمل الله عز وجل حتى تملوا، ولكن أحب الدين إليه ما داوم عليه صاحبه»
সুনান নাসাঈ ১৬৪৩
أخبرنا عمران بن موسى، عن عبد الوارث، قال: حدثنا عبد العزيز، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل المسجد فرأى حبلا ممدودا بين ساريتين، فقال: «ما هذا الحبل؟» فقالوا: لزينب تصلي، فإذا فترت تعلقت به، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «حلوه، ليصل أحدكم نشاطه فإذا فتر فليقعد»
আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার মসজিদে প্রবেশ করে দু’খুঁটির মাঝখানে লম্বমান অবস্থায় একটা রশি দেখে জিজ্ঞাসা করলেন, এটা কিসের রশি? সাহাবীরা বললেন, এটা যয়নব (রাঃ) এর রশি। যখন তিনি সালাত আদায় করতে দাঁড়াতে অসমর্থ হয়ে যান, তখন এ রশির সাথে লটকে থেকে সালাত আদায় করে থাকেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ও রশি খুলে ফেল, তোমরা প্রফুল্লচিত্ততা অবশিষ্ট থাকা অবধি সালাত আদায়ে রত থাকবে। আর যখনি ক্লান্ত হয়ে পড়বে তখন বসে পড়বে।
আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার মসজিদে প্রবেশ করে দু’খুঁটির মাঝখানে লম্বমান অবস্থায় একটা রশি দেখে জিজ্ঞাসা করলেন, এটা কিসের রশি? সাহাবীরা বললেন, এটা যয়নব (রাঃ) এর রশি। যখন তিনি সালাত আদায় করতে দাঁড়াতে অসমর্থ হয়ে যান, তখন এ রশির সাথে লটকে থেকে সালাত আদায় করে থাকেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ও রশি খুলে ফেল, তোমরা প্রফুল্লচিত্ততা অবশিষ্ট থাকা অবধি সালাত আদায়ে রত থাকবে। আর যখনি ক্লান্ত হয়ে পড়বে তখন বসে পড়বে।
أخبرنا عمران بن موسى، عن عبد الوارث، قال: حدثنا عبد العزيز، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل المسجد فرأى حبلا ممدودا بين ساريتين، فقال: «ما هذا الحبل؟» فقالوا: لزينب تصلي، فإذا فترت تعلقت به، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «حلوه، ليصل أحدكم نشاطه فإذا فتر فليقعد»
সুনান নাসাঈ ১৬৪৫
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا صالح بن مهران، وكان ثقة، قال: حدثنا النعمان بن عبد السلام، عن سفيان، عن عاصم بن كليب، عن أبيه، عن أبي هريرة قال: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي حتى تزلع ـ يعني تشقق ـ قدماه»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এত দীর্ঘক্ষণ ব্যাপী সালাত আদায়ে রত থাকতেন যে, তাঁর কদমদ্বয় (অত্যধিক ফুলে যাওয়ার কারণে) ফেটে যাওয়ার উপক্রম হত।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এত দীর্ঘক্ষণ ব্যাপী সালাত আদায়ে রত থাকতেন যে, তাঁর কদমদ্বয় (অত্যধিক ফুলে যাওয়ার কারণে) ফেটে যাওয়ার উপক্রম হত।
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا صالح بن مهران، وكان ثقة، قال: حدثنا النعمان بن عبد السلام، عن سفيان، عن عاصم بن كليب، عن أبيه، عن أبي هريرة قال: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي حتى تزلع ـ يعني تشقق ـ قدماه»
সুনান নাসাঈ ১৬৪৬
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا حماد، عن بديل، وأيوب، عن عبد الله بن شقيق، عن عائشة قالت: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي ليلا طويلا، فإذا صلى قائما ركع قائما، وإذا صلى قاعدا ركع قاعدا»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দীর্ঘ রাত্র পর্যন্ত সালাত আদায়ে রত থাকতেন, যখন তিনি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতেন দাঁড়ানো অবস্থাতেই রুকু করতেন আর যখন বসে সালাত আদায় করতেন, বসা অবস্থাতেই রুকু করতেন।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দীর্ঘ রাত্র পর্যন্ত সালাত আদায়ে রত থাকতেন, যখন তিনি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতেন দাঁড়ানো অবস্থাতেই রুকু করতেন আর যখন বসে সালাত আদায় করতেন, বসা অবস্থাতেই রুকু করতেন।
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا حماد، عن بديل، وأيوب، عن عبد الله بن شقيق، عن عائشة قالت: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي ليلا طويلا، فإذا صلى قائما ركع قائما، وإذا صلى قاعدا ركع قاعدا»
সুনান নাসাঈ ১৬৪৭
أخبرنا عبدة بن عبد الرحيم، قال: أنبأنا وكيع، قال: حدثني يزيد بن إبراهيم، عن ابن سيرين، عن عبد الله بن شقيق، عن عائشة قالت: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي قائما وقاعدا، فإذا افتتح الصلاة قائما ركع قائما، وإذا افتتح الصلاة قاعدا ركع قاعدا»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়েও সালাত আদায় করতেন আর বসেও সালাত আদায় করতেন। যখন তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় সালাত শুরু করতেন দাঁড়ানো অবস্থাতেই রুকু করতেন আর যখন বসা অবস্থায় সালাত শুরু করতেন, বসা অবস্থাতেই রুকু করতেন।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়েও সালাত আদায় করতেন আর বসেও সালাত আদায় করতেন। যখন তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় সালাত শুরু করতেন দাঁড়ানো অবস্থাতেই রুকু করতেন আর যখন বসা অবস্থায় সালাত শুরু করতেন, বসা অবস্থাতেই রুকু করতেন।
أخبرنا عبدة بن عبد الرحيم، قال: أنبأنا وكيع، قال: حدثني يزيد بن إبراهيم، عن ابن سيرين، عن عبد الله بن شقيق، عن عائشة قالت: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي قائما وقاعدا، فإذا افتتح الصلاة قائما ركع قائما، وإذا افتتح الصلاة قاعدا ركع قاعدا»
সুনান নাসাঈ ১৬৪৮
أخبرنا محمد بن سلمة، قال: حدثنا ابن القاسم، عن مالك، قال: حدثني عبد الله بن يزيد، وأبو النضر، عن أبي سلمة، عن عائشة، «أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يصلي وهو جالس فيقرأ وهو جالس، فإذا بقي من قراءته قدر ما يكون ثلاثين أو أربعين آية قام فقرأ وهو قائم، ثم ركع، ثم سجد، ثم يفعل في الركعة الثانية مثل ذلك»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো বসা অবস্থায় সালাত শুরু করতেন। সালাতে কুরআন তিলাওয়াত করতেন তখনও তিনি বসা অবস্থায় থাকতেন। যখন তাঁর কিরাআতের ত্রিশ কি চল্লিশ আয়াত পরিমাণ অবশিষ্ট থাকত তিনি দাঁড়িয়ে যেতেন এবং দাঁড়ানো অবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত করে রুকূ করতেন আর সিজদা করতেন। তারপর দ্বিতীয় রাকআতেও অনুরূপ করতেন।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো বসা অবস্থায় সালাত শুরু করতেন। সালাতে কুরআন তিলাওয়াত করতেন তখনও তিনি বসা অবস্থায় থাকতেন। যখন তাঁর কিরাআতের ত্রিশ কি চল্লিশ আয়াত পরিমাণ অবশিষ্ট থাকত তিনি দাঁড়িয়ে যেতেন এবং দাঁড়ানো অবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত করে রুকূ করতেন আর সিজদা করতেন। তারপর দ্বিতীয় রাকআতেও অনুরূপ করতেন।
أخبرنا محمد بن سلمة، قال: حدثنا ابن القاسم، عن مالك، قال: حدثني عبد الله بن يزيد، وأبو النضر، عن أبي سلمة، عن عائشة، «أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يصلي وهو جالس فيقرأ وهو جالس، فإذا بقي من قراءته قدر ما يكون ثلاثين أو أربعين آية قام فقرأ وهو قائم، ثم ركع، ثم سجد، ثم يفعل في الركعة الثانية مثل ذلك»
সুনান নাসাঈ ১৬৪৯
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا عيسى بن يونس، قال: حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت: «ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى جالسا حتى دخل في السن، فكان يصلي وهو جالس يقرأ، فإذا غبر من السورة ثلاثون أو أربعون آية، قام فقرأ بها ثم ركع»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কখনো বসে সালাত আদায় করতে দেখিনি। যখন তাঁর বার্ধক্য এসে গেল, তিনি বসে বসেও সালাত আদায় করতেন, কুরআন তিলাওয়াত করতেন। যখন সূরার ত্রিশ কি চল্লিশ আয়াত পরিমাণ অবশিষ্ট থাকত তিনি দাঁড়িয়ে যেতেন এবং অবশিষ্ট আয়াতগুলো তিলাওয়াত করে নিতেন, তারপর রুকূ করতেন।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কখনো বসে সালাত আদায় করতে দেখিনি। যখন তাঁর বার্ধক্য এসে গেল, তিনি বসে বসেও সালাত আদায় করতেন, কুরআন তিলাওয়াত করতেন। যখন সূরার ত্রিশ কি চল্লিশ আয়াত পরিমাণ অবশিষ্ট থাকত তিনি দাঁড়িয়ে যেতেন এবং অবশিষ্ট আয়াতগুলো তিলাওয়াত করে নিতেন, তারপর রুকূ করতেন।
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا عيسى بن يونس، قال: حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت: «ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى جالسا حتى دخل في السن، فكان يصلي وهو جالس يقرأ، فإذا غبر من السورة ثلاثون أو أربعون آية، قام فقرأ بها ثم ركع»
সুনান নাসাঈ ১৬৫০
أخبرنا زياد بن أيوب، قال: حدثنا ابن علية، قال: حدثنا الوليد بن أبي هشام، عن أبي بكر بن محمد، عن عمرة، عن عائشة قالت: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ وهو قاعد، فإذا أراد أن يركع قام قدر ما يقرأ إنسان أربعين آية»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসা অবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত করতেন। যখন রুকূ করার ইচ্ছা করতেন লোকদের চল্লিশ আয়াত পরিমাণ কুরআন তিলাওয়াত করার সময় থাকতে দাঁড়িয়ে যেতেন।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসা অবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত করতেন। যখন রুকূ করার ইচ্ছা করতেন লোকদের চল্লিশ আয়াত পরিমাণ কুরআন তিলাওয়াত করার সময় থাকতে দাঁড়িয়ে যেতেন।
أخبرنا زياد بن أيوب، قال: حدثنا ابن علية، قال: حدثنا الوليد بن أبي هشام، عن أبي بكر بن محمد، عن عمرة، عن عائشة قالت: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ وهو قاعد، فإذا أراد أن يركع قام قدر ما يقرأ إنسان أربعين آية»
সুনান নাসাঈ ১৬৫১
أخبرنا عمرو بن علي، عن عبد الأعلى، قال: حدثنا هشام، عن الحسن، عن سعد بن هشام بن عامر، قال: قدمت المدينة فدخلت على عائشة رضي الله عنها، قالت: من أنت؟ قلت: أنا سعد بن هشام بن عامر، قالت: رحم الله أباك، قلت: أخبريني عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم، قالت: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان وكان، قلت: أجل، قالت: «إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي بالليل صلاة العشاء، ثم يأوي إلى فراشه فينام، فإذا كان جوف الليل قام إلى حاجته وإلى طهوره، فتوضأ، ثم دخل المسجد فيصلي ثماني ركعات يخيل إلي أنه يسوي بينهن في القراءة والركوع والسجود ويوتر بركعة، ثم يصلي ركعتين وهو جالس، ثم يضع جنبه فربما جاء بلال فآذنه بالصلاة قبل أن يغفي، وربما يغفي، وربما شككت أغفى أو لم يغف حتى يؤذنه بالصلاة، فكانت تلك صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أسن ولحم، فذكرت من لحمه ما شاء الله» قالت: «وكان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي بالناس العشاء، ثم يأوي إلى فراشه، فإذا كان جوف الليل قام إلى طهوره وإلى حاجته، فتوضأ، ثم يدخل المسجد فيصلي ست ركعات يخيل إلي أنه يسوي بينهن في القراءة والركوع والسجود، ثم يوتر بركعة، ثم يصلي ركعتين وهو جالس، ثم يضع جنبه وربما جاء بلال فآذنه بالصلاة قبل أن يغفي، وربما أغفى، وربما شككت أغفى أم لا؟ حتى يؤذنه بالصلاة»، قالت: فما زالت تلك صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم
সা‘দ ইব্ন হিশাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি একবার মদীনা শরীফে গেলে আয়েশা (রাঃ)-এর খেদমতে উপস্থিত হলাম। আয়েশা (রাঃ) বললেন, তুমি কে? আমি বললাম, আমি সা‘দ ইব্ন হিশাম ইব্ন আমির। তিনি বললেন, তোমার পিতার উপর আল্লাহ রহমত বর্ষণ করুন। আমি বললাম, আপনি আমাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাত সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ এরূপ ছিলেন না? আমি বললাম, নিশ্চয়। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত্রে ইশার সালাত আদায় করতেন। তারপর তাঁর বিছানায় গিয়ে ঘুমিয়ে যেতেন। যখন অর্ধ রাত্রি হয়ে যেত তিনি তাঁর প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারার জন্য এবং উযূর পানি নেয়ার জন্য উঠে যেতেন এবং উযূ করে নিতেন। তারপর মসজিদে প্রবেশ করে আট রাকআত সালাত আদায় করতেন। আমার ধারনা হত, যেন তিনি উপরোক্ত রাকআত সমূহের কিরাআত, রুকু এবং সিজদাতে সমতা বিধান করতেন। অতঃপর একটি রাকআত দ্বারা উপরোক্ত সালাত সমূহকে বেজোড় করে দিতেন। [১] পরে বসা অবস্থায় দু’রাকআত সালাত আদায় করতেন। তারপর তিনি শুয়ে পড়তেন। কখনো কখনো বিলাল (রাঃ) এসে তাঁকে হালকা নিদ্রা আসার পূর্বেই সালাতের সংবাদ দিতেন আর কখনো কখনো তাঁর হালকা নিদ্রা এসে যেত, এবং কখনো কখনো আমার সন্দেহ হয়ে যেত যে, তিনি হালকা নিদ্রা গেলেন কি না। ইতিমধ্যে তাঁকে সালাতের সংবাদ দেওয়া হত। এই ছিল রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর সালাত। যখন তিনি বার্ধক্যে উপনীত হলেন এবং তাঁর শরীর ভারী হয়ে গেল। আয়েশা (রাঃ) আল্লাহর যা ইচ্ছা ছিল তাঁর ভারী হওয়া সম্পর্কে উল্লেখ করলেন। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের নিয়ে ইশার সালাত আদায় করতেন। তারপর নিদ্রা যেতেন। যখন অর্ধ রাত্রি হত তিনি উযূর পানি নেয়ার জন্য এবং প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারার জন্য নিদ্রা থেকে উঠে যেতেন এবং উযূ করতেন মসজিদে প্রবেশ করে দু’রাকআত সালাত আদায় করতেন। আমি ধারণা করতাম যে, উক্ত দু’রাকআত সালাতে তিনি কিরাআত, রুকু এবং সিজদায় সমতা বিধান করতেন। অতঃপর একটি রাকআত দ্বারা উক্ত সালাত সমূহকে বেজোড় করে দিতেন। তারপর বসা অবস্থায় দু’রাকআত সালাত আদায় করতেন। পরে নিদ্রা যেতেন। কখনো কখনো বিলাল (রাঃ) এসে তাঁকে হালকা নিদ্রা যাওয়ার পূর্বেই সালাতের সংবাদ দিতেন আর কখনো কখনো তিনি হালকা নিদ্রা যেতেন। আর কখনো কখনো আমার সন্দেহ হয়ে যেত যে, তিনি হালকা নিদ্রা গেলেন কি না। ইতিমধ্যে তাঁকে সালাতের সংবাদ দেওয়া হত। আয়েশা (রাঃ) বলেন, এই ছিল রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর সব সময়ের সালাত।
সা‘দ ইব্ন হিশাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি একবার মদীনা শরীফে গেলে আয়েশা (রাঃ)-এর খেদমতে উপস্থিত হলাম। আয়েশা (রাঃ) বললেন, তুমি কে? আমি বললাম, আমি সা‘দ ইব্ন হিশাম ইব্ন আমির। তিনি বললেন, তোমার পিতার উপর আল্লাহ রহমত বর্ষণ করুন। আমি বললাম, আপনি আমাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাত সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ এরূপ ছিলেন না? আমি বললাম, নিশ্চয়। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত্রে ইশার সালাত আদায় করতেন। তারপর তাঁর বিছানায় গিয়ে ঘুমিয়ে যেতেন। যখন অর্ধ রাত্রি হয়ে যেত তিনি তাঁর প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারার জন্য এবং উযূর পানি নেয়ার জন্য উঠে যেতেন এবং উযূ করে নিতেন। তারপর মসজিদে প্রবেশ করে আট রাকআত সালাত আদায় করতেন। আমার ধারনা হত, যেন তিনি উপরোক্ত রাকআত সমূহের কিরাআত, রুকু এবং সিজদাতে সমতা বিধান করতেন। অতঃপর একটি রাকআত দ্বারা উপরোক্ত সালাত সমূহকে বেজোড় করে দিতেন। [১] পরে বসা অবস্থায় দু’রাকআত সালাত আদায় করতেন। তারপর তিনি শুয়ে পড়তেন। কখনো কখনো বিলাল (রাঃ) এসে তাঁকে হালকা নিদ্রা আসার পূর্বেই সালাতের সংবাদ দিতেন আর কখনো কখনো তাঁর হালকা নিদ্রা এসে যেত, এবং কখনো কখনো আমার সন্দেহ হয়ে যেত যে, তিনি হালকা নিদ্রা গেলেন কি না। ইতিমধ্যে তাঁকে সালাতের সংবাদ দেওয়া হত। এই ছিল রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর সালাত। যখন তিনি বার্ধক্যে উপনীত হলেন এবং তাঁর শরীর ভারী হয়ে গেল। আয়েশা (রাঃ) আল্লাহর যা ইচ্ছা ছিল তাঁর ভারী হওয়া সম্পর্কে উল্লেখ করলেন। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের নিয়ে ইশার সালাত আদায় করতেন। তারপর নিদ্রা যেতেন। যখন অর্ধ রাত্রি হত তিনি উযূর পানি নেয়ার জন্য এবং প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারার জন্য নিদ্রা থেকে উঠে যেতেন এবং উযূ করতেন মসজিদে প্রবেশ করে দু’রাকআত সালাত আদায় করতেন। আমি ধারণা করতাম যে, উক্ত দু’রাকআত সালাতে তিনি কিরাআত, রুকু এবং সিজদায় সমতা বিধান করতেন। অতঃপর একটি রাকআত দ্বারা উক্ত সালাত সমূহকে বেজোড় করে দিতেন। তারপর বসা অবস্থায় দু’রাকআত সালাত আদায় করতেন। পরে নিদ্রা যেতেন। কখনো কখনো বিলাল (রাঃ) এসে তাঁকে হালকা নিদ্রা যাওয়ার পূর্বেই সালাতের সংবাদ দিতেন আর কখনো কখনো তিনি হালকা নিদ্রা যেতেন। আর কখনো কখনো আমার সন্দেহ হয়ে যেত যে, তিনি হালকা নিদ্রা গেলেন কি না। ইতিমধ্যে তাঁকে সালাতের সংবাদ দেওয়া হত। আয়েশা (রাঃ) বলেন, এই ছিল রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর সব সময়ের সালাত।
أخبرنا عمرو بن علي، عن عبد الأعلى، قال: حدثنا هشام، عن الحسن، عن سعد بن هشام بن عامر، قال: قدمت المدينة فدخلت على عائشة رضي الله عنها، قالت: من أنت؟ قلت: أنا سعد بن هشام بن عامر، قالت: رحم الله أباك، قلت: أخبريني عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم، قالت: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان وكان، قلت: أجل، قالت: «إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي بالليل صلاة العشاء، ثم يأوي إلى فراشه فينام، فإذا كان جوف الليل قام إلى حاجته وإلى طهوره، فتوضأ، ثم دخل المسجد فيصلي ثماني ركعات يخيل إلي أنه يسوي بينهن في القراءة والركوع والسجود ويوتر بركعة، ثم يصلي ركعتين وهو جالس، ثم يضع جنبه فربما جاء بلال فآذنه بالصلاة قبل أن يغفي، وربما يغفي، وربما شككت أغفى أو لم يغف حتى يؤذنه بالصلاة، فكانت تلك صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أسن ولحم، فذكرت من لحمه ما شاء الله» قالت: «وكان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي بالناس العشاء، ثم يأوي إلى فراشه، فإذا كان جوف الليل قام إلى طهوره وإلى حاجته، فتوضأ، ثم يدخل المسجد فيصلي ست ركعات يخيل إلي أنه يسوي بينهن في القراءة والركوع والسجود، ثم يوتر بركعة، ثم يصلي ركعتين وهو جالس، ثم يضع جنبه وربما جاء بلال فآذنه بالصلاة قبل أن يغفي، وربما أغفى، وربما شككت أغفى أم لا؟ حتى يؤذنه بالصلاة»، قالت: فما زالت تلك صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم
সুনান নাসাঈ > নফল সালাত বসে বসে আদায় করা
সুনান নাসাঈ ১৬৫৩
أخبرنا سليمان بن سلم البلخي، قال: حدثنا النضر، قال: أنبأنا يونس، عن أبي إسحق، عن الأسود، عن أم سلمة قالت: «ما قبض رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كان أكثر صلاته جالسا إلا المكتوبة»، خالفه شعبة، وسفيان، وقالا: عن أبي إسحق، عن أبي سلمة، عن أم سلمة --- [حكم الألباني] صحيح لغيره
উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মৃত্যু অবধি অধিকাংশ সালাত ছিল বসা অবস্থায়, ফরয সালাত ব্যতীত।
উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মৃত্যু অবধি অধিকাংশ সালাত ছিল বসা অবস্থায়, ফরয সালাত ব্যতীত।
أخبرنا سليمان بن سلم البلخي، قال: حدثنا النضر، قال: أنبأنا يونس، عن أبي إسحق، عن الأسود، عن أم سلمة قالت: «ما قبض رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كان أكثر صلاته جالسا إلا المكتوبة»، خالفه شعبة، وسفيان، وقالا: عن أبي إسحق، عن أبي سلمة، عن أم سلمة --- [حكم الألباني] صحيح لغيره
সুনান নাসাঈ ১৬৫৪
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، حدثنا خالد، عن شعبة، عن أبي إسحق، قال: سمعت أبا سلمة، عن أم سلمة قالت: «ما مات رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كان أكثر صلاته قاعدا إلا الفريضة، وكان أحب العمل إليه أدومه وإن قل»
উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ফরয সালাত ব্যতীত রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইনতিকাল অবধি অধিকাংশ সালাত ছিল বসা অবস্থায় আর তাঁর কাছে সর্বাধিক প্রিয় আমল ছিল যা সর্বদা করা হত, তা পরিমাণে অল্পই হত না কেন।
উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ফরয সালাত ব্যতীত রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইনতিকাল অবধি অধিকাংশ সালাত ছিল বসা অবস্থায় আর তাঁর কাছে সর্বাধিক প্রিয় আমল ছিল যা সর্বদা করা হত, তা পরিমাণে অল্পই হত না কেন।
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، حدثنا خالد، عن شعبة، عن أبي إسحق، قال: سمعت أبا سلمة، عن أم سلمة قالت: «ما مات رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كان أكثر صلاته قاعدا إلا الفريضة، وكان أحب العمل إليه أدومه وإن قل»
সুনান নাসাঈ ১৬৫৫
أخبرنا عبد الله بن عبد الصمد، قال: حدثنا يزيد، قال: حدثنا سفيان، عن أبي إسحق، عن أبي سلمة، عن أم سلمة، قالت: والذي نفسي بيده، «ما مات رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كان أكثر صلاته قاعدا إلا المكتوبة، وكان أحب العمل إليه ما داوم عليه وإن قل»، خالفه عثمان بن أبي سليمان، فرواه عن أبي سلمة، عن عائشة
উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ঐ সত্তার শপথ যাঁর কুদরতী হাতে আমার প্রাণ, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইনতিকাল অবধি তাঁর অধিকাংশ সালাত ছিল বসা অবস্থায়, ফরয সালাত ব্যতীত। আর তাঁর কাছে সর্বাধিক প্রিয় আমল ছিল যা সর্বদা করা হত যদিও তা পরিমাণে অল্পই হত না কেন।
উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ঐ সত্তার শপথ যাঁর কুদরতী হাতে আমার প্রাণ, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইনতিকাল অবধি তাঁর অধিকাংশ সালাত ছিল বসা অবস্থায়, ফরয সালাত ব্যতীত। আর তাঁর কাছে সর্বাধিক প্রিয় আমল ছিল যা সর্বদা করা হত যদিও তা পরিমাণে অল্পই হত না কেন।
أخبرنا عبد الله بن عبد الصمد، قال: حدثنا يزيد، قال: حدثنا سفيان، عن أبي إسحق، عن أبي سلمة، عن أم سلمة، قالت: والذي نفسي بيده، «ما مات رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كان أكثر صلاته قاعدا إلا المكتوبة، وكان أحب العمل إليه ما داوم عليه وإن قل»، خالفه عثمان بن أبي سليمان، فرواه عن أبي سلمة، عن عائشة
সুনান নাসাঈ ১৬৫৬
أخبرنا الحسن بن محمد، عن حجاج، عن ابن جريج، قال: أخبرني عثمان بن أبي سليمان، أن أبا سلمة أخبره، أن عائشة أخبرته: «أن النبي صلى الله عليه وسلم لم يمت حتى كان يصلي كثيرا من صلاته وهو جالس»
আবূ সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আয়েশা (রাঃ) অবহিত করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইনতিকাল অবধি তাঁর অধিকাংশ সালাত বসা অবস্থাতেই আদায় করতেন।
আবূ সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আয়েশা (রাঃ) অবহিত করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইনতিকাল অবধি তাঁর অধিকাংশ সালাত বসা অবস্থাতেই আদায় করতেন।
أخبرنا الحسن بن محمد، عن حجاج، عن ابن جريج، قال: أخبرني عثمان بن أبي سليمان، أن أبا سلمة أخبره، أن عائشة أخبرته: «أن النبي صلى الله عليه وسلم لم يمت حتى كان يصلي كثيرا من صلاته وهو جالس»
সুনান নাসাঈ ১৬৫৭
أخبرنا أبو الأشعث، عن يزيد بن زريع، قال: أنبأنا الجريري، عن عبد الله بن شقيق، قال: قلت لعائشة: هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي وهو قاعد؟ قالت: «نعم، بعد ما حطمه الناس»
আব্দুল্লাহ ইব্ন শাকীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বসা অবস্থায় সালাত আদায় করতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ; মানুষের দায়িত্ব ভারে দুর্বল হয়ে যাওয়ার পর থেকে।
আব্দুল্লাহ ইব্ন শাকীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বসা অবস্থায় সালাত আদায় করতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ; মানুষের দায়িত্ব ভারে দুর্বল হয়ে যাওয়ার পর থেকে।
أخبرنا أبو الأشعث، عن يزيد بن زريع، قال: أنبأنا الجريري، عن عبد الله بن شقيق، قال: قلت لعائشة: هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي وهو قاعد؟ قالت: «نعم، بعد ما حطمه الناس»
সুনান নাসাঈ ১৬৫২
أخبرنا عمرو بن علي، عن حديث أبي عاصم، قال: حدثنا عمر بن أبي زائدة، قال: حدثني أبو إسحق، عن الأسود، عن عائشة، قالت: «ما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يمتنع من وجهي وهو صائم، وما مات حتى كان أكثر صلاته قاعدا، ثم ذكرت كلمة معناها إلا المكتوبة، وكان أحب العمل إليه ما دام عليه الإنسان وإن كان يسيرا»، خالفه يونس، رواه عن أبي إسحق، عن الأسود، عن أم سلمة --- [حكم الألباني] صحيح لغيره
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাওম পালন অবস্থায় আমার মুখে চুমু খাওয়া থেকে বিরত থাকতেন না। আর মৃত্যু অবধি তাঁর অধিকাংশ (নফল) সালাতই ছিল বসা অবস্থায়। এরপর তিনি আরও একটি বাক্য উচ্চারণ করেছিলেন। যার অর্থ দাঁড়ায় ফরয সালাত ব্যতীত। আর তাঁর কাছে সর্বাধিক প্রিয় আমল ছিল যা মানুষ সর্বদা করতে থাকে; যদিও তা পরিমাণে অল্পই হোক না কেন।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাওম পালন অবস্থায় আমার মুখে চুমু খাওয়া থেকে বিরত থাকতেন না। আর মৃত্যু অবধি তাঁর অধিকাংশ (নফল) সালাতই ছিল বসা অবস্থায়। এরপর তিনি আরও একটি বাক্য উচ্চারণ করেছিলেন। যার অর্থ দাঁড়ায় ফরয সালাত ব্যতীত। আর তাঁর কাছে সর্বাধিক প্রিয় আমল ছিল যা মানুষ সর্বদা করতে থাকে; যদিও তা পরিমাণে অল্পই হোক না কেন।
أخبرنا عمرو بن علي، عن حديث أبي عاصم، قال: حدثنا عمر بن أبي زائدة، قال: حدثني أبو إسحق، عن الأسود، عن عائشة، قالت: «ما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يمتنع من وجهي وهو صائم، وما مات حتى كان أكثر صلاته قاعدا، ثم ذكرت كلمة معناها إلا المكتوبة، وكان أحب العمل إليه ما دام عليه الإنسان وإن كان يسيرا»، خالفه يونس، رواه عن أبي إسحق، عن الأسود، عن أم سلمة --- [حكم الألباني] صحيح لغيره
সুনান নাসাঈ ১৬৫৮
أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن السائب بن يزيد، عن المطلب بن أبي وداعة، عن حفصة قالت: «ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى في سبحته قاعدا قط حتى كان قبل وفاته بعام، فكان يصلي قاعدا يقرأ بالسورة فيرتلها حتى تكون أطول من أطول منها»
হাফ্সা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর নফল সালাত বসে বসে আদায় করতে কখনো দেখিনি তাঁর ইনতিকালের এক বৎসর পূর্ব পর্যন্ত। এরপর তিনি বসে বসেও নফল সালাত আদায় করতেন। তিনি যখন কোন সূরা তিলাওয়াত করতেন তখন তা তারতীলের সাথে তিলাওয়াত করতেন, তাতে দীর্ঘ সূরা আরো দীর্ঘ (মনে) হত।
হাফ্সা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর নফল সালাত বসে বসে আদায় করতে কখনো দেখিনি তাঁর ইনতিকালের এক বৎসর পূর্ব পর্যন্ত। এরপর তিনি বসে বসেও নফল সালাত আদায় করতেন। তিনি যখন কোন সূরা তিলাওয়াত করতেন তখন তা তারতীলের সাথে তিলাওয়াত করতেন, তাতে দীর্ঘ সূরা আরো দীর্ঘ (মনে) হত।
أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن السائب بن يزيد، عن المطلب بن أبي وداعة، عن حفصة قالت: «ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى في سبحته قاعدا قط حتى كان قبل وفاته بعام، فكان يصلي قاعدا يقرأ بالسورة فيرتلها حتى تكون أطول من أطول منها»
সুনান নাসাঈ > বসে বসে সালাত আদায় করার উপর দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করার ফযীলত
সুনান নাসাঈ ১৬৫৯
أخبرنا عبيد الله بن سعيد، قال: حدثنا يحيى، عن سفيان، قال: حدثنا منصور، عن هلال بن يساف، عن أبي يحيى، عن عبد الله بن عمرو قال: رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يصلي جالسا، فقلت: حدثت أنك قلت: «إن صلاة القاعد على النصف من صلاة القائم»، وأنت تصلي قاعدا، قال: «أجل، ولكني لست كأحد منكم»
আব্দুল্লাহ ইব্ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি একবার রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বসা অবস্থায় দেখলাম। আমি বললাম, আমার কাছে বর্ণনা করা হয়েছে যে, আপনি বলেছেনঃ বসে বসে সালাত আদায়কারীর সওয়াব দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সালাত আদায়কারীর অর্ধেক। অথচ আপনি বসে বসে সালাত আদায় করছেন? তিনি বললেন, নিশ্চয়; কিন্তু আমি তোমাদের কারো মত নই। (আমি বসে বসে সালাত আদায় করলেও আমাকে পূর্ণ সওয়াব দেয়া হয়।)
আব্দুল্লাহ ইব্ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি একবার রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বসা অবস্থায় দেখলাম। আমি বললাম, আমার কাছে বর্ণনা করা হয়েছে যে, আপনি বলেছেনঃ বসে বসে সালাত আদায়কারীর সওয়াব দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সালাত আদায়কারীর অর্ধেক। অথচ আপনি বসে বসে সালাত আদায় করছেন? তিনি বললেন, নিশ্চয়; কিন্তু আমি তোমাদের কারো মত নই। (আমি বসে বসে সালাত আদায় করলেও আমাকে পূর্ণ সওয়াব দেয়া হয়।)
أخبرنا عبيد الله بن سعيد، قال: حدثنا يحيى، عن سفيان، قال: حدثنا منصور، عن هلال بن يساف، عن أبي يحيى، عن عبد الله بن عمرو قال: رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يصلي جالسا، فقلت: حدثت أنك قلت: «إن صلاة القاعد على النصف من صلاة القائم»، وأنت تصلي قاعدا، قال: «أجل، ولكني لست كأحد منكم»
সুনান নাসাঈ > শুয়ে শুয়ে সালাত আদায় করার উপর বসে বসে সালাত আদায় করার ফযীলত
সুনান নাসাঈ ১৬৬০
أخبرنا حميد بن مسعدة، عن سفيان بن حبيب، عن حسين المعلم، عن عبد الله بن بريدة، عن عمران بن حصين، قال: سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن الذي يصلي قاعدا، قال: «من صلى قائما فهو أفضل، ومن صلى قاعدا فله نصف أجر القائم، ومن صلى نائما فله نصف أجر القاعد»
ইমরান ইব্ন হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, যে বসে বসে সালাত আদায় করে। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নফল সালাত আদায় করে তার এ সালাত সর্বোত্তম। আর যে ব্যক্তি বসে বসে সালাত আদায় করে তার জন্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সালাত আদায়কারীর তুলনায় অর্ধেক সওয়াব রয়েছে। আর যে ব্যক্তি শুয়ে শুয়ে সালাত আদায় করে, তার জন্য বসে বসে সালাত আদায়কারীর তুলনায় অর্ধেক সওয়াব রয়েছে।
ইমরান ইব্ন হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, যে বসে বসে সালাত আদায় করে। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নফল সালাত আদায় করে তার এ সালাত সর্বোত্তম। আর যে ব্যক্তি বসে বসে সালাত আদায় করে তার জন্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সালাত আদায়কারীর তুলনায় অর্ধেক সওয়াব রয়েছে। আর যে ব্যক্তি শুয়ে শুয়ে সালাত আদায় করে, তার জন্য বসে বসে সালাত আদায়কারীর তুলনায় অর্ধেক সওয়াব রয়েছে।
أخبرنا حميد بن مسعدة، عن سفيان بن حبيب، عن حسين المعلم، عن عبد الله بن بريدة، عن عمران بن حصين، قال: سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن الذي يصلي قاعدا، قال: «من صلى قائما فهو أفضل، ومن صلى قاعدا فله نصف أجر القائم، ومن صلى نائما فله نصف أجر القاعد»