সুনান নাসাঈ > রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রাত্রের সালাতের উল্লেখ
সুনান নাসাঈ ১৬২৭
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا يزيد، قال: أنبأنا حميد، عن أنس قال: «ما كنا نشاء أن نرى رسول الله صلى الله عليه وسلم في الليل مصليا إلا رأيناه، ولا نشاء أن نراه نائما إلا رأيناه»
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা যখনই রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাত্রে সালাত আদায়রত অবস্থায় দেখতে চাইতাম, তাঁকে সে অবস্থাতেই দেখতে পেতাম। আর যদি আমরা তাঁকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখতে চাইতাম, তাঁকে সে অবস্থাতেই দেখতে পেতাম।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা যখনই রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাত্রে সালাত আদায়রত অবস্থায় দেখতে চাইতাম, তাঁকে সে অবস্থাতেই দেখতে পেতাম। আর যদি আমরা তাঁকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখতে চাইতাম, তাঁকে সে অবস্থাতেই দেখতে পেতাম।
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا يزيد، قال: أنبأنا حميد، عن أنس قال: «ما كنا نشاء أن نرى رسول الله صلى الله عليه وسلم في الليل مصليا إلا رأيناه، ولا نشاء أن نراه نائما إلا رأيناه»
সুনান নাসাঈ ১৬২৮
أخبرنا هارون بن عبد الله، قال: حدثنا حجاج، قال: قال ابن جريج: عن أبيه، أخبرني ابن أبي مليكة، أن يعلى بن مملك أخبره، أنه سأل أم سلمة عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالت: «كان يصلي العتمة، ثم يسبح، ثم يصلي بعدها ما شاء الله من الليل، ثم ينصرف فيرقد مثل ما صلى، ثم يستيقظ من نومه ذلك فيصلي مثل ما نام، وصلاته تلك الآخرة تكون إلى الصبح»
ইবন আবূ মুলায়কা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইয়ালা ইব্ন মামলাক তাঁকে অবহিত করেছেন যে, তিনি উম্মে সালামা (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশার সালাত আদায় করে তাসবীহ পড়তেন। তারপর রাতে যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ্র ইচ্ছা হত ততক্ষন পর্যন্ত সালাত আদায় করতেন। আবার ফিরে এসে যে পরিমান সময় সালাত আদায় করেছিলেন সে পরিমান সময় ঘুমিয়ে থাকতেন। আবার সেই নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়ে যে পরিমান সময় ঘুমিয়ে ছিলেন সে পরিমান সময় সালাত আদায় করতেন। তাঁর সেই শেষবারের সালাত সকাল অবধি প্রলম্বিত হত।
ইবন আবূ মুলায়কা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইয়ালা ইব্ন মামলাক তাঁকে অবহিত করেছেন যে, তিনি উম্মে সালামা (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশার সালাত আদায় করে তাসবীহ পড়তেন। তারপর রাতে যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ্র ইচ্ছা হত ততক্ষন পর্যন্ত সালাত আদায় করতেন। আবার ফিরে এসে যে পরিমান সময় সালাত আদায় করেছিলেন সে পরিমান সময় ঘুমিয়ে থাকতেন। আবার সেই নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয়ে যে পরিমান সময় ঘুমিয়ে ছিলেন সে পরিমান সময় সালাত আদায় করতেন। তাঁর সেই শেষবারের সালাত সকাল অবধি প্রলম্বিত হত।
أخبرنا هارون بن عبد الله، قال: حدثنا حجاج، قال: قال ابن جريج: عن أبيه، أخبرني ابن أبي مليكة، أن يعلى بن مملك أخبره، أنه سأل أم سلمة عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالت: «كان يصلي العتمة، ثم يسبح، ثم يصلي بعدها ما شاء الله من الليل، ثم ينصرف فيرقد مثل ما صلى، ثم يستيقظ من نومه ذلك فيصلي مثل ما نام، وصلاته تلك الآخرة تكون إلى الصبح»
সুনান নাসাঈ ১৬২৯
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن عبد الله بن عبيد الله بن أبي مليكة، عن يعلى بن مملك، أنه سأل أم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم عن قراءة رسول الله صلى الله عليه وسلم، وعن صلاته، فقالت: ما لكم وصلاته؟ «كان يصلي ثم ينام قدر ما صلى، ثم يصلي قدر ما نام، ثم ينام قدر ما صلى حتى يصبح»، ثم نعتت له قراءته، فإذا هي تنعت قراءة مفسرة حرفا حرفا
ইয়া‘লা ইব্ন মামলাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী উম্মে সালামা (রাঃ)- কে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরআন তিলাওয়াত এবং তাঁর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ তোমরা তাঁর সালাত সম্পর্কে জেনে কি করবে? (তোমরা তাঁর মত সালাত আদায় করতে পারবে না।) তিনি সালাত আদায় করতেন এবং যে পরিমাণ সময় সালাত আদায় করেছিলেন সে পরিমাণ সময় ঘুমিয়ে থাকতেন। আবার যে পরিমাণ সময় ঘুমিয়ে ছিলেন সে পরিমাণ সালাত আদায় করতেন। তারপর যে পরিমাণ সময় সালাত আদায় করেছিলেন সে পরিমাণ সময় ঘুমিয়ে থাকতেন সকাল অবধি। অতঃপর তিনি ইয়া‘লা (রহঃ) কাছে তাঁর কিরাআত সম্পর্কে বললেন। তিনি কিরাআতকে উত্তমরূপে থেমে থেমে স্পষ্টভাবে বর্ণনা করতেন।
ইয়া‘লা ইব্ন মামলাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী উম্মে সালামা (রাঃ)- কে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরআন তিলাওয়াত এবং তাঁর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ তোমরা তাঁর সালাত সম্পর্কে জেনে কি করবে? (তোমরা তাঁর মত সালাত আদায় করতে পারবে না।) তিনি সালাত আদায় করতেন এবং যে পরিমাণ সময় সালাত আদায় করেছিলেন সে পরিমাণ সময় ঘুমিয়ে থাকতেন। আবার যে পরিমাণ সময় ঘুমিয়ে ছিলেন সে পরিমাণ সালাত আদায় করতেন। তারপর যে পরিমাণ সময় সালাত আদায় করেছিলেন সে পরিমাণ সময় ঘুমিয়ে থাকতেন সকাল অবধি। অতঃপর তিনি ইয়া‘লা (রহঃ) কাছে তাঁর কিরাআত সম্পর্কে বললেন। তিনি কিরাআতকে উত্তমরূপে থেমে থেমে স্পষ্টভাবে বর্ণনা করতেন।
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن عبد الله بن عبيد الله بن أبي مليكة، عن يعلى بن مملك، أنه سأل أم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم عن قراءة رسول الله صلى الله عليه وسلم، وعن صلاته، فقالت: ما لكم وصلاته؟ «كان يصلي ثم ينام قدر ما صلى، ثم يصلي قدر ما نام، ثم ينام قدر ما صلى حتى يصبح»، ثم نعتت له قراءته، فإذا هي تنعت قراءة مفسرة حرفا حرفا
সুনান নাসাঈ > আল্লাহর নবী দাঊদ (আঃ)-এর সালাত আদায় করার উল্লেখ
সুনান নাসাঈ ১৬৩০
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن عمرو بن أوس، أنه سمع عبد الله بن عمرو بن العاص يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أحب الصيام إلى الله عز وجل صيام داود عليه السلام، كان يصوم يوما ويفطر يوما، وأحب الصلاة إلى الله صلاة داود كان ينام نصف الليل، ويقوم ثلثه، وينام سدسه»
আমর ইব্ন আউস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আব্দুল্লাহ ইব্ন আমর ইব্ন আস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলার কাছে সর্বোত্তম সাওম হল দাঊদ (আঃ)-এর সাওম। তিনি সাওম পালন করতেন একদিন এবং সাওম ভঙ্গ করতেন একদিন। আর আল্লাহ্ তাআলার কাছে সর্বোত্তম সালাত হল দাঊদ (আঃ)-এর সালাত; তিনি অর্ধ রাত্রি পর্যন্ত নিদ্রা যেতেন, রাত্রের এক তৃতীয়াংশ সময় সালাত আদায় করতেন। পুনরায় রাত্রের এক ষষ্টমাংশ সময় নিদ্রা যেতেন।
আমর ইব্ন আউস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আব্দুল্লাহ ইব্ন আমর ইব্ন আস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলার কাছে সর্বোত্তম সাওম হল দাঊদ (আঃ)-এর সাওম। তিনি সাওম পালন করতেন একদিন এবং সাওম ভঙ্গ করতেন একদিন। আর আল্লাহ্ তাআলার কাছে সর্বোত্তম সালাত হল দাঊদ (আঃ)-এর সালাত; তিনি অর্ধ রাত্রি পর্যন্ত নিদ্রা যেতেন, রাত্রের এক তৃতীয়াংশ সময় সালাত আদায় করতেন। পুনরায় রাত্রের এক ষষ্টমাংশ সময় নিদ্রা যেতেন।
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن عمرو بن أوس، أنه سمع عبد الله بن عمرو بن العاص يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أحب الصيام إلى الله عز وجل صيام داود عليه السلام، كان يصوم يوما ويفطر يوما، وأحب الصلاة إلى الله صلاة داود كان ينام نصف الليل، ويقوم ثلثه، وينام سدسه»
সুনান নাসাঈ > আল্লাহ্র নবী মূসা কালীমুল্লাহ (আঃ)-এর সালাত আদায় করার এবং অত্র হাদীস শরীফে সুলায়মান তায়মী (রহঃ)-এর বর্ণনার মধ্য পার্থক্যের উল্লেখ
সুনান নাসাঈ ১৬৩১
أخبرنا محمد بن علي بن حرب، قال: حدثنا معاذ بن خالد، قال: أنبأنا حماد بن سلمة، عن سليمان التيمي، عن ثابت، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «أتيت ليلة أسري بي على موسى عليه السلام عند الكثيب الأحمر وهو قائم يصلي في قبره»
আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমাকে মি‘রাজের রাত্রে একটি লাল টিলার নিকট মূসা (আঃ)-এর কাছে নিয়ে যাওয়া হল। তিনি তখন তাঁর কবরে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিলেন।
আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমাকে মি‘রাজের রাত্রে একটি লাল টিলার নিকট মূসা (আঃ)-এর কাছে নিয়ে যাওয়া হল। তিনি তখন তাঁর কবরে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিলেন।
أخبرنا محمد بن علي بن حرب، قال: حدثنا معاذ بن خالد، قال: أنبأنا حماد بن سلمة، عن سليمان التيمي، عن ثابت، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «أتيت ليلة أسري بي على موسى عليه السلام عند الكثيب الأحمر وهو قائم يصلي في قبره»
সুনান নাসাঈ ১৬৩২
أخبرنا العباس بن محمد، قال: حدثنا يونس بن محمد، قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن سليمان التيمي، وثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «أتيت على موسى عليه السلام عند الكثيب الأحمر وهو قائم يصلي» قال أبو عبد الرحمن: «هذا أولى بالصواب عندنا من حديث معاذ بن خالد والله تعالى أعلم»
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি একটি লাল টিলার সন্নিকটে মূসা (আঃ)-এর কাছে গিয়েছিলাম। তিনি তখন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিলেন। আবূ আব্দুর রহমান নাসায়ী বলেন, অত্র সনদসহ এই হাদীসটি মু‘আয ইব্ন খালিদ –এর হাদীস হতে আমার নিকট অধিক সঠিক।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি একটি লাল টিলার সন্নিকটে মূসা (আঃ)-এর কাছে গিয়েছিলাম। তিনি তখন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিলেন। আবূ আব্দুর রহমান নাসায়ী বলেন, অত্র সনদসহ এই হাদীসটি মু‘আয ইব্ন খালিদ –এর হাদীস হতে আমার নিকট অধিক সঠিক।
أخبرنا العباس بن محمد، قال: حدثنا يونس بن محمد، قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن سليمان التيمي، وثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «أتيت على موسى عليه السلام عند الكثيب الأحمر وهو قائم يصلي» قال أبو عبد الرحمن: «هذا أولى بالصواب عندنا من حديث معاذ بن خالد والله تعالى أعلم»
সুনান নাসাঈ ১৬৩৩
أخبرني أحمد بن سعيد، قال: حدثنا حبان، قال: حدثنا حماد بن سلمة، قال: أنبأنا ثابت، وسليمان التيمي، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «مررت على قبر موسى عليه السلام وهو يصلي في قبره»
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি মূসা (আঃ)-এর কবরের পার্শে গিয়েছিলাম, তিনি তখন নিজ কবরে সালাত আদায় করছিলেন।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি মূসা (আঃ)-এর কবরের পার্শে গিয়েছিলাম, তিনি তখন নিজ কবরে সালাত আদায় করছিলেন।
أخبرني أحمد بن سعيد، قال: حدثنا حبان، قال: حدثنا حماد بن سلمة، قال: أنبأنا ثابت، وسليمان التيمي، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «مررت على قبر موسى عليه السلام وهو يصلي في قبره»
সুনান নাসাঈ ১৬৩৪
أخبرنا علي بن خشرم، قال: حدثنا عيسى، عن سليمان التيمي، عن أنس بن مالك قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «مررت ليلة أسري بي على موسى عليه السلام وهو يصلي في قبره»
আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি মি‘রাজের রাত্রে মূসা (আঃ)-এর কাছে গিয়েছিলাম। তখন তিনি নিজ কবরে সালাত আদায় করছিলেন।
আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি মি‘রাজের রাত্রে মূসা (আঃ)-এর কাছে গিয়েছিলাম। তখন তিনি নিজ কবরে সালাত আদায় করছিলেন।
أخبرنا علي بن خشرم، قال: حدثنا عيسى، عن سليمان التيمي، عن أنس بن مالك قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «مررت ليلة أسري بي على موسى عليه السلام وهو يصلي في قبره»
সুনান নাসাঈ ১৬৩৫
أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا معتمر، عن أبيه، عن أنس، «أن النبي صلى الله عليه وسلم ليلة أسري به مر على موسى عليه السلام وهو يصلي في قبره»
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মি‘রাজের রাতে মূসা (আঃ)-এর কাছে গিয়েছিলেন, তখন তিনি নিজ কবরে সালাত আদায় করছিলেন।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মি‘রাজের রাতে মূসা (আঃ)-এর কাছে গিয়েছিলেন, তখন তিনি নিজ কবরে সালাত আদায় করছিলেন।
أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا معتمر، عن أبيه، عن أنس، «أن النبي صلى الله عليه وسلم ليلة أسري به مر على موسى عليه السلام وهو يصلي في قبره»
সুনান নাসাঈ ১৬৩৬
أخبرنا يحيى بن حبيب بن عربي، وإسمعيل بن مسعود، قالا: حدثنا معتمر، قال: سمعت أبي، قال: سمعت أنسا يقول: أخبرني بعض أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، «أن النبي صلى الله عليه وسلم ليلة أسري به مر على موسى عليه السلام وهو يصلي في قبره»
মু'তামিরের পিতা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন কোন সাহাবী সংবাদ দিয়েছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মি‘রাজের রাত্রে মূসা (আঃ)-এর কাছে গিয়েছিলেন। তখন তিনি নিজ কবরে সালাত আদায় করেছিলেন।
মু'তামিরের পিতা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন কোন সাহাবী সংবাদ দিয়েছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মি‘রাজের রাত্রে মূসা (আঃ)-এর কাছে গিয়েছিলেন। তখন তিনি নিজ কবরে সালাত আদায় করেছিলেন।
أخبرنا يحيى بن حبيب بن عربي، وإسمعيل بن مسعود، قالا: حدثنا معتمر، قال: سمعت أبي، قال: سمعت أنسا يقول: أخبرني بعض أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، «أن النبي صلى الله عليه وسلم ليلة أسري به مر على موسى عليه السلام وهو يصلي في قبره»
সুনান নাসাঈ ১৬৩৭
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا ابن أبي عدي، عن سليمان، عن أنس، عن بعض أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «ليلة أسري بي مررت على موسى وهو يصلي في قبره»
কুতায়বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন কোন সাহাবী থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মি‘রাজের রাত্রে আমি মূসা (আঃ)-এর কাছে গিয়েছিলাম। তখন তিনি নিজ কবরে সালাত আদায় করছিলেন।
কুতায়বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন কোন সাহাবী থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মি‘রাজের রাত্রে আমি মূসা (আঃ)-এর কাছে গিয়েছিলাম। তখন তিনি নিজ কবরে সালাত আদায় করছিলেন।
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا ابن أبي عدي، عن سليمان، عن أنس، عن بعض أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «ليلة أسري بي مررت على موسى وهو يصلي في قبره»
সুনান নাসাঈ > পূর্ণরাত্রি জাগরণ
সুনান নাসাঈ ১৬৩৮
أخبرنا عمرو بن عثمان بن سعيد بن كثير، قال: حدثنا أبي، وبقية، قالا: حدثنا ابن أبي حمزة، قال: حدثني الزهري، قال: أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن الحارث بن نوفل، عن عبد الله بن خباب بن الأرت، عن أبيه ـ وكان قد شهد بدرا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ـ أنه راقب رسول الله صلى الله عليه وسلم الليلة كلها حتى كان مع الفجر، فلما سلم رسول الله صلى الله عليه وسلم من صلاته جاءه خباب، فقال: يا رسول الله، بابي أنت وأمي، لقد صليت الليلة صلاة ما رأيتك صليت نحوها، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أجل، إنها صلاة رغب ورهب سألت ربي عز وجل فيها ثلاث خصال، فأعطاني اثنتين ومنعني واحدة، سألت ربي عز وجل أن لا يهلكنا بما أهلك به الأمم قبلنا، فأعطانيها، وسألت ربي عز وجل أن لا يظهر علينا عدوا من غيرنا، فأعطانيها، وسألت ربي أن لا يلبسنا شيعا، فمنعنيها»
খাব্বাব ইব্ন আরাত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বদরের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে শরীক ছিলেন। একদা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সারা রাত ব্যাপী সালাত করলে তিনি গভীর মনোযোগ সহকারে ফরজ অবধি তাঁর প্রতি লক্ষ্য রাখেন। যখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ সালাত আদায় করে সালাম ফিরিয়ে ফেললেন, খাব্বাব (রাঃ) তাঁর কাছে এসে বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ্ ! আমার মাতা-পিতা আপনার জন্য কুরবান হোক। আপনি অত্র রাত্র এত দীর্ঘক্ষণ ব্যাপী সালাত আদায়ে ব্যাপৃত রইলেন যে, আপনাকে আমি ইতিপূর্বে এত দীর্ঘক্ষণ ব্যাপী সালাত আদায়ে ব্যাপৃত থাকতে দেখিনি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হ্যা; তা ছিল আশা-নিরাশার সালাত। আমি আমার রবের সমীপে ৩ টি বিষয়ের প্রার্থনা করেছিলাম, তিনি দুটি বিষয়ের প্রার্থনা কবুল করেছেন আর একটি বিষয়ের অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। আমি আমার রবের সমীপে প্রার্থনা করেছিলাম, তিনি যেন আমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতদের ন্যায় আমাদের আযাব দ্বারা ধ্বংস করে না দেন। তিনি আমার এ প্রার্থনা কবুল করেছেন। আমি আমার রবের সমীপে প্রার্থনা করেছিলাম, তিনি যেন আমাদের উপর আমাদের বিপক্ষ (বিধর্মী) শক্তিসমূহকে বিজয়ী না করেন। তিনি আমার এ প্রার্থনাও কবুল করেছেন। আমি আমার রবের সমীপে এও প্রার্থনা করেছিলাম যে, তিনি যেন আমাদের বিভিন্ন দলে বিভক্ত করে না দেন। কিন্তু তিনি আমার এই প্রার্থনা কবুল করেন নি।
খাব্বাব ইব্ন আরাত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বদরের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে শরীক ছিলেন। একদা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সারা রাত ব্যাপী সালাত করলে তিনি গভীর মনোযোগ সহকারে ফরজ অবধি তাঁর প্রতি লক্ষ্য রাখেন। যখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ সালাত আদায় করে সালাম ফিরিয়ে ফেললেন, খাব্বাব (রাঃ) তাঁর কাছে এসে বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ্ ! আমার মাতা-পিতা আপনার জন্য কুরবান হোক। আপনি অত্র রাত্র এত দীর্ঘক্ষণ ব্যাপী সালাত আদায়ে ব্যাপৃত রইলেন যে, আপনাকে আমি ইতিপূর্বে এত দীর্ঘক্ষণ ব্যাপী সালাত আদায়ে ব্যাপৃত থাকতে দেখিনি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হ্যা; তা ছিল আশা-নিরাশার সালাত। আমি আমার রবের সমীপে ৩ টি বিষয়ের প্রার্থনা করেছিলাম, তিনি দুটি বিষয়ের প্রার্থনা কবুল করেছেন আর একটি বিষয়ের অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। আমি আমার রবের সমীপে প্রার্থনা করেছিলাম, তিনি যেন আমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতদের ন্যায় আমাদের আযাব দ্বারা ধ্বংস করে না দেন। তিনি আমার এ প্রার্থনা কবুল করেছেন। আমি আমার রবের সমীপে প্রার্থনা করেছিলাম, তিনি যেন আমাদের উপর আমাদের বিপক্ষ (বিধর্মী) শক্তিসমূহকে বিজয়ী না করেন। তিনি আমার এ প্রার্থনাও কবুল করেছেন। আমি আমার রবের সমীপে এও প্রার্থনা করেছিলাম যে, তিনি যেন আমাদের বিভিন্ন দলে বিভক্ত করে না দেন। কিন্তু তিনি আমার এই প্রার্থনা কবুল করেন নি।
أخبرنا عمرو بن عثمان بن سعيد بن كثير، قال: حدثنا أبي، وبقية، قالا: حدثنا ابن أبي حمزة، قال: حدثني الزهري، قال: أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن الحارث بن نوفل، عن عبد الله بن خباب بن الأرت، عن أبيه ـ وكان قد شهد بدرا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ـ أنه راقب رسول الله صلى الله عليه وسلم الليلة كلها حتى كان مع الفجر، فلما سلم رسول الله صلى الله عليه وسلم من صلاته جاءه خباب، فقال: يا رسول الله، بابي أنت وأمي، لقد صليت الليلة صلاة ما رأيتك صليت نحوها، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أجل، إنها صلاة رغب ورهب سألت ربي عز وجل فيها ثلاث خصال، فأعطاني اثنتين ومنعني واحدة، سألت ربي عز وجل أن لا يهلكنا بما أهلك به الأمم قبلنا، فأعطانيها، وسألت ربي عز وجل أن لا يظهر علينا عدوا من غيرنا، فأعطانيها، وسألت ربي أن لا يلبسنا شيعا، فمنعنيها»