সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তি ঈদের সালাতে উপস্থিত থেকেছে তার জন্য জুমুআর সালাতে উপস্থিত না থাকার অনুমতি
সুনান নাসাঈ ১৫৯১
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، قال: حدثنا إسرائيل، عن عثمان بن المغيرة، عن إياس بن أبي رملة، قال: سمعت معاوية، سأل زيد بن أرقم أشهدت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عيدين؟ قال: نعم، «صلى العيد من أول النهار، ثم رخص في الجمعة»
ইয়াস ইব্ন আবূ রমলা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মু’আবিয়া (রাঃ)-কে যায়দ ইব্ন আরকাম (রাঃ)-কে প্রশ্ন করতে শুনেছি, “আপনি কি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ঈদ এবং জুমুআর সালাতে শরীক ছিলেন?” তিনি বললেন, হ্যাঁ; তিনি ঈদের সালাত দিনের শুরুতে আদায় করে ফেলেছিলেন। অতঃপর (গ্রামের অধিবাসীদেরকে) জুমুআর সালাতে উপস্থিত না হওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন।
ইয়াস ইব্ন আবূ রমলা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মু’আবিয়া (রাঃ)-কে যায়দ ইব্ন আরকাম (রাঃ)-কে প্রশ্ন করতে শুনেছি, “আপনি কি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ঈদ এবং জুমুআর সালাতে শরীক ছিলেন?” তিনি বললেন, হ্যাঁ; তিনি ঈদের সালাত দিনের শুরুতে আদায় করে ফেলেছিলেন। অতঃপর (গ্রামের অধিবাসীদেরকে) জুমুআর সালাতে উপস্থিত না হওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন।
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، قال: حدثنا إسرائيل، عن عثمان بن المغيرة، عن إياس بن أبي رملة، قال: سمعت معاوية، سأل زيد بن أرقم أشهدت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عيدين؟ قال: نعم، «صلى العيد من أول النهار، ثم رخص في الجمعة»
সুনান নাসাঈ ১৫৯২
أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا عبد الحميد بن جعفر، قال: حدثني وهب بن كيسان، قال: «اجتمع عيدان على عهد ابن الزبير فأخر الخروج حتى تعالى النهار، ثم خرج فخطب فأطال الخطبة، ثم نزل فصلى ولم يصل للناس يومئذ الجمعة»، فذكر ذلك لابن عباس فقال: أصاب السنة
ওয়াহাব ইব্ন কায়সান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্ন যুবায়র (রাঃ)-এর যুগে একবার ঈদ এবং জুমুআ একত্রিত হয়ে গিয়েছিল। তিনি সূর্য উপরে না উঠা পর্যন্ত ঈদের সালাত আদায় করার জন্য বের হতে বিলম্ব করলেন। অতঃপর বের হলেন এবং খুৎবা দিলেন এবং খুৎবাকে দীর্ঘ করলেন, তারপর নীচে অবতরণ করলেন এবং সালাত আদায় করলেন। আর সেদিন লোকদের নিয়ে জুমুআর সালাত আদায় করলেন না। এ ঘটনা ইব্ন আব্বাস (রাঃ)-এর সমীপে উল্লেখ করা হলে তিনি বললেন, তিনি সুন্নাত মতই করেছেন।
ওয়াহাব ইব্ন কায়সান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্ন যুবায়র (রাঃ)-এর যুগে একবার ঈদ এবং জুমুআ একত্রিত হয়ে গিয়েছিল। তিনি সূর্য উপরে না উঠা পর্যন্ত ঈদের সালাত আদায় করার জন্য বের হতে বিলম্ব করলেন। অতঃপর বের হলেন এবং খুৎবা দিলেন এবং খুৎবাকে দীর্ঘ করলেন, তারপর নীচে অবতরণ করলেন এবং সালাত আদায় করলেন। আর সেদিন লোকদের নিয়ে জুমুআর সালাত আদায় করলেন না। এ ঘটনা ইব্ন আব্বাস (রাঃ)-এর সমীপে উল্লেখ করা হলে তিনি বললেন, তিনি সুন্নাত মতই করেছেন।
أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا عبد الحميد بن جعفر، قال: حدثني وهب بن كيسان، قال: «اجتمع عيدان على عهد ابن الزبير فأخر الخروج حتى تعالى النهار، ثم خرج فخطب فأطال الخطبة، ثم نزل فصلى ولم يصل للناس يومئذ الجمعة»، فذكر ذلك لابن عباس فقال: أصاب السنة
সুনান নাসাঈ > ঈদের দিনে দফ্ বাজানো
সুনান নাসাঈ ১৫৯৩
أخبرنا قتيبة بن سعيد، قال: حدثنا محمد بن جعفر، عن معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل عليها وعندها جاريتان تضربان بدفين، فانتهرهما أبو بكر، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «دعهن فإن لكل قوم عيدا»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন তাঁর কাছে গেলেন, তখন তাঁর সামনে দুইটি বালিকা দফ্ বাজাচ্ছিল। আবূ বকর (রাঃ) তাদের নিষেধ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাদের নিষেধ করো না। কেননা প্রত্যেক জাতির জন্যই একটি আনন্দ স্ফূর্তির দিন থাকে।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন তাঁর কাছে গেলেন, তখন তাঁর সামনে দুইটি বালিকা দফ্ বাজাচ্ছিল। আবূ বকর (রাঃ) তাদের নিষেধ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাদের নিষেধ করো না। কেননা প্রত্যেক জাতির জন্যই একটি আনন্দ স্ফূর্তির দিন থাকে।
أخبرنا قتيبة بن سعيد، قال: حدثنا محمد بن جعفر، عن معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل عليها وعندها جاريتان تضربان بدفين، فانتهرهما أبو بكر، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «دعهن فإن لكل قوم عيدا»
সুনান নাসাঈ > ঈদের দিনে ইমামের সম্মুখে খেলাধূলা করা
সুনান নাসাঈ ১৫৯৪
أخبرنا محمد بن آدم، عن عبدة، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت: «جاء السودان يلعبون بين يدي النبي صلى الله عليه وسلم في يوم عيد، فدعاني، فكنت أطلع إليهم من فوق عاتقه، فما زلت أنظر إليهم حتى كنت أنا التي انصرفت»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কয়েকজন হাবশী এসে ঈদের দিনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সম্মুখে খেলাধূলা করতে লাগল। তিনি আমাকে ডাকলেন। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাঁধের দিয়ে তাদের দিকে দেখতে লাগলাম। আমি তাদের দিকে নিজে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত দেখতেই ছিলাম।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কয়েকজন হাবশী এসে ঈদের দিনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সম্মুখে খেলাধূলা করতে লাগল। তিনি আমাকে ডাকলেন। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাঁধের দিয়ে তাদের দিকে দেখতে লাগলাম। আমি তাদের দিকে নিজে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত দেখতেই ছিলাম।
أخبرنا محمد بن آدم، عن عبدة، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت: «جاء السودان يلعبون بين يدي النبي صلى الله عليه وسلم في يوم عيد، فدعاني، فكنت أطلع إليهم من فوق عاتقه، فما زلت أنظر إليهم حتى كنت أنا التي انصرفت»
সুনান নাসাঈ > ঈদের দিনে মসজিদে খেলাধূলা করা এবং মহিলাদের সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া
সুনান নাসাঈ ১৫৯৬
خبرنا إسحق بن موسى، قال: حدثنا الوليد بن مسلم، قال: حدثنا الأوزاعي، قال: حدثني الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، قال: دخل عمر والحبشة يلعبون في المسجد، فزجرهم عمر رضي الله عنه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «دعهم يا عمر، فإنما هم بنو أرفدة»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উমর (রাঃ) মসজিদে প্রবেশ করলেন, তখন হাবশীরা (নিগ্রো) মসজিদে খেলাধূলা করছিল। তিনি তাদের ধমকালে রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে উমর (রাঃ)! তাদের ছেড়ে দাও, কেননা তারা আরফিদার বংশধর (হাবশী)। (আরফিদা তাদের উর্ধ্বতন পুরুষের নাম)।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উমর (রাঃ) মসজিদে প্রবেশ করলেন, তখন হাবশীরা (নিগ্রো) মসজিদে খেলাধূলা করছিল। তিনি তাদের ধমকালে রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে উমর (রাঃ)! তাদের ছেড়ে দাও, কেননা তারা আরফিদার বংশধর (হাবশী)। (আরফিদা তাদের উর্ধ্বতন পুরুষের নাম)।
خبرنا إسحق بن موسى، قال: حدثنا الوليد بن مسلم، قال: حدثنا الأوزاعي، قال: حدثني الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، قال: دخل عمر والحبشة يلعبون في المسجد، فزجرهم عمر رضي الله عنه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «دعهم يا عمر، فإنما هم بنو أرفدة»
সুনান নাসাঈ ১৫৯৫
أخبرنا علي بن خشرم، قال: حدثنا الوليد، قال: حدثنا الأوزاعي، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت: «رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يسترني بردائه، وأنا أنظر إلى الحبشة يلعبون في المسجد حتى أكون أنا أسأم، فاقدروا قدر الجارية الحديثة السن الحريصة على اللهو»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখেছি তিনি আমাকে তাঁর চাদর দ্বারা ঢেকে রাখতেন যখন আমি হাবশীদের (নিগ্রো) দিকে নিজে ক্লান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেখতে থাকতাম। তারা মসজিদে খেলাধূলা করত। এখন তোমরা, রাসূলুল্লাহ্(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে খেলাধূলায় আগ্রহী অল্প বয়স্কা বালিকাদের কতটুকু মর্যাদা ছিল তা আন্দাজ করতে পারো।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখেছি তিনি আমাকে তাঁর চাদর দ্বারা ঢেকে রাখতেন যখন আমি হাবশীদের (নিগ্রো) দিকে নিজে ক্লান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেখতে থাকতাম। তারা মসজিদে খেলাধূলা করত। এখন তোমরা, রাসূলুল্লাহ্(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে খেলাধূলায় আগ্রহী অল্প বয়স্কা বালিকাদের কতটুকু মর্যাদা ছিল তা আন্দাজ করতে পারো।
أخبرنا علي بن خشرم، قال: حدثنا الوليد، قال: حدثنا الأوزاعي، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت: «رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يسترني بردائه، وأنا أنظر إلى الحبشة يلعبون في المسجد حتى أكون أنا أسأم، فاقدروا قدر الجارية الحديثة السن الحريصة على اللهو»