সুনান নাসাঈ > চাঁদ দেখার পরবর্তী দিন ঈদের সালাতের জন্য বের হওয়া

সুনান নাসাঈ ১৫৫৭

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا شعبة، قال: حدثنا أبو بشر، عن أبي عمير بن أنس، عن عمومة له، أن قوما رأوا الهلال، «فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فأمرهم أن يفطروا بعد ما ارتفع النهار، وأن يخرجوا إلى العيد من الغد»

আমর ইব্‌ন আলী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদল লোক রমযানের ত্রিংশতম দিনে চাঁদ দেখে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসল। তিনি তাদেরকে পরবর্তী দিনে, দিন উজ্জ্বল হওয়ার পর ইফতার করার এবং ঈদগাহে গমনের নির্দেশ দিলেন।

আমর ইব্‌ন আলী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদল লোক রমযানের ত্রিংশতম দিনে চাঁদ দেখে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসল। তিনি তাদেরকে পরবর্তী দিনে, দিন উজ্জ্বল হওয়ার পর ইফতার করার এবং ঈদগাহে গমনের নির্দেশ দিলেন।

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا شعبة، قال: حدثنا أبو بشر، عن أبي عمير بن أنس، عن عمومة له، أن قوما رأوا الهلال، «فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فأمرهم أن يفطروا بعد ما ارتفع النهار، وأن يخرجوا إلى العيد من الغد»


সুনান নাসাঈ > কিশোরী এবং যুবতী নারীদের উভয় ঈদের সালাতে বের হওয়া

সুনান নাসাঈ ১৫৫৮

أخبرنا عمرو بن زرارة، قال: حدثنا إسمعيل، عن أيوب، عن حفصة، قالت: كانت أم عطية لا تذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا قالت: بابا، فقلت: أسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكر كذا وكذا؟ فقالت: نعم، بابا، قال: «ليخرج العواتق، وذوات الخدور، والحيض ويشهدن العيد، ودعوة المسلمين، وليعتزل الحيض المصلى»

হাফসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উম্মে ‘আতিয়্যা (রাঃ) আমার মাতা-পিতা আপনার উপর কুরবান হোক, বলা ব্যতীত রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে স্মরণ করতেন না। একবার আমি তাকে বললাম, তুমি কি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এরূপ এরূপ বলতে শুনেছ ? সে বলল, হ্যাঁ; তাঁর উপর আমার মাতা-পিতা কুরবান হোক। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, কিশোরী, যুবতী এবং ঋতুমতিগণ যেন বের হয়। এবং তারা যেন ঈদগাহ এবং মুসলমানদের দোয়ায় উপস্থিত থাকে আর ঋতুমতিগণ যেন সালাতের স্থান থেকে দূরত্বে অবস্থান করে।

হাফসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উম্মে ‘আতিয়্যা (রাঃ) আমার মাতা-পিতা আপনার উপর কুরবান হোক, বলা ব্যতীত রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে স্মরণ করতেন না। একবার আমি তাকে বললাম, তুমি কি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এরূপ এরূপ বলতে শুনেছ ? সে বলল, হ্যাঁ; তাঁর উপর আমার মাতা-পিতা কুরবান হোক। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, কিশোরী, যুবতী এবং ঋতুমতিগণ যেন বের হয়। এবং তারা যেন ঈদগাহ এবং মুসলমানদের দোয়ায় উপস্থিত থাকে আর ঋতুমতিগণ যেন সালাতের স্থান থেকে দূরত্বে অবস্থান করে।

أخبرنا عمرو بن زرارة، قال: حدثنا إسمعيل، عن أيوب، عن حفصة، قالت: كانت أم عطية لا تذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا قالت: بابا، فقلت: أسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكر كذا وكذا؟ فقالت: نعم، بابا، قال: «ليخرج العواتق، وذوات الخدور، والحيض ويشهدن العيد، ودعوة المسلمين، وليعتزل الحيض المصلى»


সুনান নাসাঈ > মানুষের সালাতের স্থান থেকে ঋতুমতিদের দূরত্বে অবস্থান করা

সুনান নাসাঈ ১৫৫৯

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا سفيان، عن أيوب، عن محمد، قال: لقيت أم عطية، فقلت لها: هل سمعت من النبي صلى الله عليه وسلم، وكانت إذا ذكرته قالت: بابا، قال: «أخرجوا العواتق، وذوات الخدور فيشهدن العيد، ودعوة المسلمين، وليعتزل الحيض مصلى الناس»

মুহাম্মাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি উম্মে আতিয়্যা (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাত করে তাঁকে বললাম, আপনি কি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছেন? তিনি যখনই রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে স্মরণ করতেন, বলতেন, “আমার মাতা-পিতা আপনার উপর কুরবান হোক। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা কিশোরী এবং যুবতীদেরকে রওয়ানা করে দেবে যাতে তারা ঈদের সালাতে এবং মুসলমানদের দোয়ায় উপস্থিত থাকতে পারে। আর ঋতুমতিগণ যেন মানুষের সালাতের স্থান থেকে দূরত্বে অবস্থান করে।

মুহাম্মাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি উম্মে আতিয়্যা (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাত করে তাঁকে বললাম, আপনি কি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছেন? তিনি যখনই রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে স্মরণ করতেন, বলতেন, “আমার মাতা-পিতা আপনার উপর কুরবান হোক। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা কিশোরী এবং যুবতীদেরকে রওয়ানা করে দেবে যাতে তারা ঈদের সালাতে এবং মুসলমানদের দোয়ায় উপস্থিত থাকতে পারে। আর ঋতুমতিগণ যেন মানুষের সালাতের স্থান থেকে দূরত্বে অবস্থান করে।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا سفيان، عن أيوب، عن محمد، قال: لقيت أم عطية، فقلت لها: هل سمعت من النبي صلى الله عليه وسلم، وكانت إذا ذكرته قالت: بابا، قال: «أخرجوا العواتق، وذوات الخدور فيشهدن العيد، ودعوة المسلمين، وليعتزل الحيض مصلى الناس»


সুনান নাসাঈ > উভয় ঈদের সাজ-সজ্জা

সুনান নাসাঈ ১৫৬০

أخبرنا سليمان بن داود، عن ابن وهب، قال: أخبرني يونس بن يزيد، وعمرو بن الحارث، عن ابن شهاب، عن سالم، عن أبيه، قال: وجد عمر بن الخطاب رضي الله عنه حلة من إستبرق بالسوق، فأخذها فأتى بها رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: يا رسول الله، ابتع هذه، فتجمل بها للعيد والوفد، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إنما هذه لباس من لا خلاق له ـ أو إنما يلبس هذه من لا خلاق له» فلبث عمر ما شاء الله، ثم أرسل إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم بجبة ديباج، فأقبل بها حتى جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله، قلت: «إنما هذه لباس من لا خلاق له»، ثم أرسلت إلي بهذه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «بعها، وتصب بها حاجتك»

সালিমের পিতা (আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উমর ইব্‌ন খাত্তাব (রাঃ) একবার বাজারে একজোড়া মোটা রেশমী পোষাক পেলেন। তিনি তা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সমীপে নিয়ে আসলেন এবং বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি এটা ক্রয় করে নিন, যাতে ঈদে এবং কোন প্রতিনিধি দল আসলে আপনি তা পরিধান করতে পারেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, রেশমী পোষাক তাদেরই পোষাক যাদের ভাগ্যে পরকালে রেশমের কোন অংশ নেই অথবা (তিনি বলেছেন) রেশমী পোষাক তারাই পরিধান করবে, যাদের ভাগ্যে পরকালে রেশমের কোন অংশ নেই। উমর (রাঃ) আল্লাহ তা‘আলার যতদিন ইচ্ছা ছিল অপেক্ষা করলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন উমর (রাঃ)-এর কাছে একটি রেশমী জুব্বা পাঠালেন। তিনি তা গ্রহণ করলেন, এবং রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনি বলেছিলেন, রেশমী পোষাক তাদেরই পোষাক যাদের ভাগ্যে পরকালে রেশমের কোন অংশ নেই। তা-ই আবার আমার কাছে পাঠালেন? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তা বিক্রি করে দাও এবং বিক্রয় লব্ধ অর্থ দ্বারা স্বীয় প্রয়োজন মিটাও।

সালিমের পিতা (আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উমর ইব্‌ন খাত্তাব (রাঃ) একবার বাজারে একজোড়া মোটা রেশমী পোষাক পেলেন। তিনি তা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সমীপে নিয়ে আসলেন এবং বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি এটা ক্রয় করে নিন, যাতে ঈদে এবং কোন প্রতিনিধি দল আসলে আপনি তা পরিধান করতে পারেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, রেশমী পোষাক তাদেরই পোষাক যাদের ভাগ্যে পরকালে রেশমের কোন অংশ নেই অথবা (তিনি বলেছেন) রেশমী পোষাক তারাই পরিধান করবে, যাদের ভাগ্যে পরকালে রেশমের কোন অংশ নেই। উমর (রাঃ) আল্লাহ তা‘আলার যতদিন ইচ্ছা ছিল অপেক্ষা করলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন উমর (রাঃ)-এর কাছে একটি রেশমী জুব্বা পাঠালেন। তিনি তা গ্রহণ করলেন, এবং রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনি বলেছিলেন, রেশমী পোষাক তাদেরই পোষাক যাদের ভাগ্যে পরকালে রেশমের কোন অংশ নেই। তা-ই আবার আমার কাছে পাঠালেন? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তা বিক্রি করে দাও এবং বিক্রয় লব্ধ অর্থ দ্বারা স্বীয় প্রয়োজন মিটাও।

أخبرنا سليمان بن داود، عن ابن وهب، قال: أخبرني يونس بن يزيد، وعمرو بن الحارث، عن ابن شهاب، عن سالم، عن أبيه، قال: وجد عمر بن الخطاب رضي الله عنه حلة من إستبرق بالسوق، فأخذها فأتى بها رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: يا رسول الله، ابتع هذه، فتجمل بها للعيد والوفد، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إنما هذه لباس من لا خلاق له ـ أو إنما يلبس هذه من لا خلاق له» فلبث عمر ما شاء الله، ثم أرسل إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم بجبة ديباج، فأقبل بها حتى جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله، قلت: «إنما هذه لباس من لا خلاق له»، ثم أرسلت إلي بهذه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «بعها، وتصب بها حاجتك»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00