সুনান নাসাঈ > উভয় ঈদের সালাত

সুনান নাসাঈ ১৫৫৬

أخبرنا علي بن حجر، قال: أنبأنا إسمعيل، قال: حدثنا حميد، عن أنس بن مالك، قال: كان لأهل الجاهلية يومان في كل سنة يلعبون فيهما، فلما قدم النبي صلى الله عليه وسلم المدينة، قال: " كان لكم يومان تلعبون فيهما وقد أبدلكم الله بهما خيرا منهما: يوم الفطر، ويوم الأضحى "

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জাহিলিয়াত যুগের অধিবাসীদের জন্য প্রত্যেক বৎসরে দু’টি দিন ছিল, যাতে তারা খেল-তামাশা করত। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনায় আগমন করলেন তখন তিনি বললেন, তোমাদের জন্য দু’টি দিন ছিল, যাতে তোমরা খেল-তামাশা করতে। এখন আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের জন্য উক্ত দু’দিনের পরিবর্তে তার চেয়েও অধিকতর উত্তম দু’টি দিন নিদির্ষ্ট করে দিয়েছেন, ঈদুল ফিত্‌রের দিন এবং কুরবানীর দিন।

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জাহিলিয়াত যুগের অধিবাসীদের জন্য প্রত্যেক বৎসরে দু’টি দিন ছিল, যাতে তারা খেল-তামাশা করত। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনায় আগমন করলেন তখন তিনি বললেন, তোমাদের জন্য দু’টি দিন ছিল, যাতে তোমরা খেল-তামাশা করতে। এখন আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের জন্য উক্ত দু’দিনের পরিবর্তে তার চেয়েও অধিকতর উত্তম দু’টি দিন নিদির্ষ্ট করে দিয়েছেন, ঈদুল ফিত্‌রের দিন এবং কুরবানীর দিন।

أخبرنا علي بن حجر، قال: أنبأنا إسمعيل، قال: حدثنا حميد، عن أنس بن مالك، قال: كان لأهل الجاهلية يومان في كل سنة يلعبون فيهما، فلما قدم النبي صلى الله عليه وسلم المدينة، قال: " كان لكم يومان تلعبون فيهما وقد أبدلكم الله بهما خيرا منهما: يوم الفطر، ويوم الأضحى "


সুনান নাসাঈ > চাঁদ দেখার পরবর্তী দিন ঈদের সালাতের জন্য বের হওয়া

সুনান নাসাঈ ১৫৫৭

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا شعبة، قال: حدثنا أبو بشر، عن أبي عمير بن أنس، عن عمومة له، أن قوما رأوا الهلال، «فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فأمرهم أن يفطروا بعد ما ارتفع النهار، وأن يخرجوا إلى العيد من الغد»

আমর ইব্‌ন আলী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদল লোক রমযানের ত্রিংশতম দিনে চাঁদ দেখে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসল। তিনি তাদেরকে পরবর্তী দিনে, দিন উজ্জ্বল হওয়ার পর ইফতার করার এবং ঈদগাহে গমনের নির্দেশ দিলেন।

আমর ইব্‌ন আলী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদল লোক রমযানের ত্রিংশতম দিনে চাঁদ দেখে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসল। তিনি তাদেরকে পরবর্তী দিনে, দিন উজ্জ্বল হওয়ার পর ইফতার করার এবং ঈদগাহে গমনের নির্দেশ দিলেন।

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا شعبة، قال: حدثنا أبو بشر، عن أبي عمير بن أنس، عن عمومة له، أن قوما رأوا الهلال، «فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فأمرهم أن يفطروا بعد ما ارتفع النهار، وأن يخرجوا إلى العيد من الغد»


সুনান নাসাঈ > কিশোরী এবং যুবতী নারীদের উভয় ঈদের সালাতে বের হওয়া

সুনান নাসাঈ ১৫৫৮

أخبرنا عمرو بن زرارة، قال: حدثنا إسمعيل، عن أيوب، عن حفصة، قالت: كانت أم عطية لا تذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا قالت: بابا، فقلت: أسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكر كذا وكذا؟ فقالت: نعم، بابا، قال: «ليخرج العواتق، وذوات الخدور، والحيض ويشهدن العيد، ودعوة المسلمين، وليعتزل الحيض المصلى»

হাফসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উম্মে ‘আতিয়্যা (রাঃ) আমার মাতা-পিতা আপনার উপর কুরবান হোক, বলা ব্যতীত রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে স্মরণ করতেন না। একবার আমি তাকে বললাম, তুমি কি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এরূপ এরূপ বলতে শুনেছ ? সে বলল, হ্যাঁ; তাঁর উপর আমার মাতা-পিতা কুরবান হোক। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, কিশোরী, যুবতী এবং ঋতুমতিগণ যেন বের হয়। এবং তারা যেন ঈদগাহ এবং মুসলমানদের দোয়ায় উপস্থিত থাকে আর ঋতুমতিগণ যেন সালাতের স্থান থেকে দূরত্বে অবস্থান করে।

হাফসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উম্মে ‘আতিয়্যা (রাঃ) আমার মাতা-পিতা আপনার উপর কুরবান হোক, বলা ব্যতীত রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে স্মরণ করতেন না। একবার আমি তাকে বললাম, তুমি কি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এরূপ এরূপ বলতে শুনেছ ? সে বলল, হ্যাঁ; তাঁর উপর আমার মাতা-পিতা কুরবান হোক। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, কিশোরী, যুবতী এবং ঋতুমতিগণ যেন বের হয়। এবং তারা যেন ঈদগাহ এবং মুসলমানদের দোয়ায় উপস্থিত থাকে আর ঋতুমতিগণ যেন সালাতের স্থান থেকে দূরত্বে অবস্থান করে।

أخبرنا عمرو بن زرارة، قال: حدثنا إسمعيل، عن أيوب، عن حفصة، قالت: كانت أم عطية لا تذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا قالت: بابا، فقلت: أسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكر كذا وكذا؟ فقالت: نعم، بابا، قال: «ليخرج العواتق، وذوات الخدور، والحيض ويشهدن العيد، ودعوة المسلمين، وليعتزل الحيض المصلى»


সুনান নাসাঈ > মানুষের সালাতের স্থান থেকে ঋতুমতিদের দূরত্বে অবস্থান করা

সুনান নাসাঈ ১৫৫৯

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا سفيان، عن أيوب، عن محمد، قال: لقيت أم عطية، فقلت لها: هل سمعت من النبي صلى الله عليه وسلم، وكانت إذا ذكرته قالت: بابا، قال: «أخرجوا العواتق، وذوات الخدور فيشهدن العيد، ودعوة المسلمين، وليعتزل الحيض مصلى الناس»

মুহাম্মাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি উম্মে আতিয়্যা (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাত করে তাঁকে বললাম, আপনি কি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছেন? তিনি যখনই রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে স্মরণ করতেন, বলতেন, “আমার মাতা-পিতা আপনার উপর কুরবান হোক। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা কিশোরী এবং যুবতীদেরকে রওয়ানা করে দেবে যাতে তারা ঈদের সালাতে এবং মুসলমানদের দোয়ায় উপস্থিত থাকতে পারে। আর ঋতুমতিগণ যেন মানুষের সালাতের স্থান থেকে দূরত্বে অবস্থান করে।

মুহাম্মাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি উম্মে আতিয়্যা (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাত করে তাঁকে বললাম, আপনি কি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছেন? তিনি যখনই রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে স্মরণ করতেন, বলতেন, “আমার মাতা-পিতা আপনার উপর কুরবান হোক। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা কিশোরী এবং যুবতীদেরকে রওয়ানা করে দেবে যাতে তারা ঈদের সালাতে এবং মুসলমানদের দোয়ায় উপস্থিত থাকতে পারে। আর ঋতুমতিগণ যেন মানুষের সালাতের স্থান থেকে দূরত্বে অবস্থান করে।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا سفيان، عن أيوب، عن محمد، قال: لقيت أم عطية، فقلت لها: هل سمعت من النبي صلى الله عليه وسلم، وكانت إذا ذكرته قالت: بابا، قال: «أخرجوا العواتق، وذوات الخدور فيشهدن العيد، ودعوة المسلمين، وليعتزل الحيض مصلى الناس»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00