সুনান নাসাঈ > বৃষ্টির সময় কথা বলা

সুনান নাসাঈ ১৫২৩

أخبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، عن مسعر، عن المقدام بن شريح، عن أبيه، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا أمطر، قال: «اللهم اجعله صيبا نافعا»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বৃষ্টি হত তখন বলতেন, হে আল্লাহ! তুমি এ বৃষ্টিকে প্রবাহমান এবং উপকারী করে দাও।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বৃষ্টি হত তখন বলতেন, হে আল্লাহ! তুমি এ বৃষ্টিকে প্রবাহমান এবং উপকারী করে দাও।

أخبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، عن مسعر، عن المقدام بن شريح، عن أبيه، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا أمطر، قال: «اللهم اجعله صيبا نافعا»


সুনান নাসাঈ > তারকার সাহায্যে বৃষ্টি কামনার অপছন্দনীয়তা

সুনান নাসাঈ ১৫২৪

أخبرنا عمرو بن سواد بن الأسود بن عمرو، قال: أنبأنا ابن وهب، قال: أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال: أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قال الله عز وجل: ما أنعمت على عبادي من نعمة إلا أصبح فريق منهم بها كافرين، يقولون الكوكب وبالكوكب "

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তাআলা বলেছেন, আমি আমার বান্দাদের যে কোন নেয়ামত দান করি না কেন তাদের একদল ঐ নেয়ামতের অস্বীকারকারী হয়ে যায়। তারা বলে নক্ষত্র আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করেছে। নক্ষত্রের প্রভাবে আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তাআলা বলেছেন, আমি আমার বান্দাদের যে কোন নেয়ামত দান করি না কেন তাদের একদল ঐ নেয়ামতের অস্বীকারকারী হয়ে যায়। তারা বলে নক্ষত্র আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করেছে। নক্ষত্রের প্রভাবে আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে।

أخبرنا عمرو بن سواد بن الأسود بن عمرو، قال: أنبأنا ابن وهب، قال: أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال: أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قال الله عز وجل: ما أنعمت على عبادي من نعمة إلا أصبح فريق منهم بها كافرين، يقولون الكوكب وبالكوكب "


সুনান নাসাঈ ১৫২৬

أخبرنا عبد الجبار بن العلاء، عن سفيان، عن عمرو، عن عتاب بن حنين، عن أبي سعيد الخدري، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " لو أمسك الله عز وجل المطر عن عباده خمس سنين ثم أرسله لأصبحت طائفة من الناس كافرين يقولون: سقينا بنوء المجدح "

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা’আলা যদি পাঁচ বছর তাঁর বান্দাদের থেকে বৃষ্টি বন্ধ রাখেন তারপর তা পাঠান তাহলে মানুষের একদল কাফির হয়ে যাবে। তারা বলবে, মিজদাহ্ নক্ষত্রের প্রভাবে আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে।

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা’আলা যদি পাঁচ বছর তাঁর বান্দাদের থেকে বৃষ্টি বন্ধ রাখেন তারপর তা পাঠান তাহলে মানুষের একদল কাফির হয়ে যাবে। তারা বলবে, মিজদাহ্ নক্ষত্রের প্রভাবে আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে।

أخبرنا عبد الجبار بن العلاء، عن سفيان، عن عمرو، عن عتاب بن حنين، عن أبي سعيد الخدري، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " لو أمسك الله عز وجل المطر عن عباده خمس سنين ثم أرسله لأصبحت طائفة من الناس كافرين يقولون: سقينا بنوء المجدح "


সুনান নাসাঈ ১৫২৫

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا سفيان، عن صالح بن كيسان، عن عبيد الله بن عبد الله، عن زيد بن خالد الجهني، قال: مطر الناس على عهد النبي صلى الله عليه وسلم فقال: " ألم تسمعوا ماذا قال ربكم الليلة؟ قال: ما أنعمت على عبادي من نعمة إلا أصبح طائفة منهم بها كافرين، يقولون: مطرنا بنوء كذا وكذا، فأما من آمن بي وحمدني على سقياي فذاك الذي آمن بي وكفر بالكوكب، ومن قال: مطرنا بنوء كذا وكذا فذاك الذي كفر بي وآمن بالكوكب "

যায়দ ইব্‌ন খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন,একবার রাসূলল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর যুগে মানুষদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হল। তখন তিনি বললেন, তোমরা কি শুনতে পাওনি, তোমাদের রব গত রাত্রে কি বলেছিলেন? তিনি বলেছিলেন, আমি আমার বান্দাদের কোন নেয়ামত দান করলে তাদের একদল ঐ নেয়ামতের অস্বীকারকারী হয়ে যায়। তারা বলে অমুক অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে। অতএব, যারা আমার উপর ঈমান এনেছ এবং আমার বৃষ্টি দেয়ার কারণে আমার প্রশংসা করল,প্রকৃতপক্ষে তারাই আমার উপর ঈমান এনেছে। আর নক্ষত্রের প্রভাবকে অস্বীকার করেছে। আর যারা বলে, অমুক অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে, তারাই আমাকে অস্বীকার করেছে এবং নক্ষত্রের প্রভাবের উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে।

যায়দ ইব্‌ন খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন,একবার রাসূলল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর যুগে মানুষদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হল। তখন তিনি বললেন, তোমরা কি শুনতে পাওনি, তোমাদের রব গত রাত্রে কি বলেছিলেন? তিনি বলেছিলেন, আমি আমার বান্দাদের কোন নেয়ামত দান করলে তাদের একদল ঐ নেয়ামতের অস্বীকারকারী হয়ে যায়। তারা বলে অমুক অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে। অতএব, যারা আমার উপর ঈমান এনেছ এবং আমার বৃষ্টি দেয়ার কারণে আমার প্রশংসা করল,প্রকৃতপক্ষে তারাই আমার উপর ঈমান এনেছে। আর নক্ষত্রের প্রভাবকে অস্বীকার করেছে। আর যারা বলে, অমুক অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে, তারাই আমাকে অস্বীকার করেছে এবং নক্ষত্রের প্রভাবের উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا سفيان، عن صالح بن كيسان، عن عبيد الله بن عبد الله، عن زيد بن خالد الجهني، قال: مطر الناس على عهد النبي صلى الله عليه وسلم فقال: " ألم تسمعوا ماذا قال ربكم الليلة؟ قال: ما أنعمت على عبادي من نعمة إلا أصبح طائفة منهم بها كافرين، يقولون: مطرنا بنوء كذا وكذا، فأما من آمن بي وحمدني على سقياي فذاك الذي آمن بي وكفر بالكوكب، ومن قال: مطرنا بنوء كذا وكذا فذاك الذي كفر بي وآمن بالكوكب "


সুনান নাসাঈ > বৃষ্টির ক্ষতির আশংকা হলে তা বন্ধ করার জন্য ইমামের দোয়া করা

সুনান নাসাঈ ১৫২৭

أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا إسمعيل، قال: حدثنا حميد، عن أنس، قال: قحط المطر عاما، فقام بعض المسلمين إلى النبي صلى الله عليه وسلم في يوم جمعة فقال: يا رسول الله، قحط المطر، وأجدبت الأرض، وهلك المال، قال: فرفع يديه وما نرى في السماء سحابة، فمد يديه حتى رأيت بياض إبطيه يستسقي الله عز وجل، قال: فما صلينا الجمعة حتى أهم الشاب القريب الدار الرجوع إلى أهله، فدامت جمعة، فلما كانت الجمعة التي تليها، قالوا: يا رسول الله، تهدمت البيوت، واحتبس الركبان، قال: فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم لسرعة ملالة ابن آدم، وقال بيديه: «اللهم حوالينا ولا علينا» فتكشطت عن المدينة

আনাস ইব্‌ম মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন (একবার) এক বৎসর বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেল, তখন কোন কোন মুসলমান জুম‘আর দিন রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সামনে দাঁড়িয়ে গেল এবং বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেছে এবং যমীন শুষ্ক হয়ে গেছে আর গবাদি পশুগুলো অকর্মণ্য হয়ে গেছে। তিনি বলেন, তিনি তখন তাঁর উভয় হাত উঠালেন। তখন আমরা কোন মেঘ দেখছিলাম না। তিনি তাঁর হস্তদ্বয় এমনিভাবে প্রসারিত করলেন যে, আমি তাঁর উভয় বগলের শুভ্রতা দেখতে পেলাম। তিনি আল্লাহ্‌র কাছে বৃষ্টির জন্য দোয়া করছিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা জুম‘আর দিন সালাত আদায় করে উঠতে পারিনি ইত্যবসরে (বৃষ্টির আধিক্য হেতু) নিকটবর্তী ঘরের যুবকেরা তাদের ঘরে ফিরে উদ্যত হয়ে গেল। বৃষ্টি এক সপ্তাহ স্থায়ী হল। যখন পরবর্তী জুম‘আর দিন আসল, লোকেরা বলল, ইয়া রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)!(বৃষ্টির আধিক্য হেতু) ঘর-বাড়ী তো ধীরে ধীরে ধ্বসে যাচ্ছে, আরোহীরা আটকা পড়েছে। তিনি বলেন, তখন তিনি ইব্‌ন আদমের দ্রুত বিষণ্নতার কারণে মুচকী হাসলেন এবং তাঁর হস্তদ্বয় ইশারা করে বললেন, ইয়া আল্লাহ্! তুমি বৃষ্টি আমাদের আশে পাশে বর্ষণ কর, আমাদের উপরে নয়। তখন মেঘ মদীনা থেকে বিক্ষিপ্ত হয়ে গেল।

আনাস ইব্‌ম মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন (একবার) এক বৎসর বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেল, তখন কোন কোন মুসলমান জুম‘আর দিন রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সামনে দাঁড়িয়ে গেল এবং বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেছে এবং যমীন শুষ্ক হয়ে গেছে আর গবাদি পশুগুলো অকর্মণ্য হয়ে গেছে। তিনি বলেন, তিনি তখন তাঁর উভয় হাত উঠালেন। তখন আমরা কোন মেঘ দেখছিলাম না। তিনি তাঁর হস্তদ্বয় এমনিভাবে প্রসারিত করলেন যে, আমি তাঁর উভয় বগলের শুভ্রতা দেখতে পেলাম। তিনি আল্লাহ্‌র কাছে বৃষ্টির জন্য দোয়া করছিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা জুম‘আর দিন সালাত আদায় করে উঠতে পারিনি ইত্যবসরে (বৃষ্টির আধিক্য হেতু) নিকটবর্তী ঘরের যুবকেরা তাদের ঘরে ফিরে উদ্যত হয়ে গেল। বৃষ্টি এক সপ্তাহ স্থায়ী হল। যখন পরবর্তী জুম‘আর দিন আসল, লোকেরা বলল, ইয়া রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)!(বৃষ্টির আধিক্য হেতু) ঘর-বাড়ী তো ধীরে ধীরে ধ্বসে যাচ্ছে, আরোহীরা আটকা পড়েছে। তিনি বলেন, তখন তিনি ইব্‌ন আদমের দ্রুত বিষণ্নতার কারণে মুচকী হাসলেন এবং তাঁর হস্তদ্বয় ইশারা করে বললেন, ইয়া আল্লাহ্! তুমি বৃষ্টি আমাদের আশে পাশে বর্ষণ কর, আমাদের উপরে নয়। তখন মেঘ মদীনা থেকে বিক্ষিপ্ত হয়ে গেল।

أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا إسمعيل، قال: حدثنا حميد، عن أنس، قال: قحط المطر عاما، فقام بعض المسلمين إلى النبي صلى الله عليه وسلم في يوم جمعة فقال: يا رسول الله، قحط المطر، وأجدبت الأرض، وهلك المال، قال: فرفع يديه وما نرى في السماء سحابة، فمد يديه حتى رأيت بياض إبطيه يستسقي الله عز وجل، قال: فما صلينا الجمعة حتى أهم الشاب القريب الدار الرجوع إلى أهله، فدامت جمعة، فلما كانت الجمعة التي تليها، قالوا: يا رسول الله، تهدمت البيوت، واحتبس الركبان، قال: فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم لسرعة ملالة ابن آدم، وقال بيديه: «اللهم حوالينا ولا علينا» فتكشطت عن المدينة


সুনান নাসাঈ > বৃষ্টি বন্ধের দোয়ার সময় ইমামের হস্তদ্বয় উঠান

সুনান নাসাঈ ১৫২৮

أخبرنا محمود بن خالد، قال: حدثنا الوليد بن مسلم، قال: أنبأنا أبو عمرو الأوزاعي، عن إسحق بن عبد الله، عن أنس بن مالك، قال: أصاب الناس سنة على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، فبينا رسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب على المنبر يوم الجمعة، فقام أعرابي فقال: يا رسول الله، هلك المال، وجاع العيال، فادع الله لنا، فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه، وما نرى في السماء قزعة، والذي نفسي بيده، ما وضعها حتى ثار سحاب أمثال الجبال، ثم لم ينزل عن منبره حتى رأيت المطر يتحادر على لحيته، فمطرنا يومنا ذلك ومن الغد، والذي يليه حتى الجمعة الأخرى، فقام ذلك الأعرابي أو قال غيره فقال: يا رسول الله، تهدم البناء، وغرق المال، فادع الله لنا، فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه فقال: «اللهم حوالينا ولا علينا»، فما يشير بيده إلى ناحية من السحاب إلا انفرجت حتى صارت المدينة مثل الجوبة، وسال الوادي ولم يجئ أحد من ناحية إلا أخبر بالجود

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে একবার দুর্ভিক্ষ দেখা দিল। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুম‘আর দিন মিম্বারের উপর খুতবা দিচ্ছিলেন। এক গ্রাম্য ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, ইয়া রাসূলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)!(ঘাস বিচালির সংকট হেতু) গবাদি পশুগুলো অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে, আর পরিবারবর্গ ক্ষুধায় কষ্ট পাচ্ছে। অতএব আপনি আমাদের জন্য আল্লাহ্‌র সমীপে দোয়া করুন। তখন রাসূলূল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হস্তদ্বয় উঠালেন। ঐ সময় আমরা আকাশে মেঘের কোন টুকরাও দেখেছিলাম না। ঐ সত্তার শপথ! যাঁর কুদরতী হাতে আমার প্রাণ, তিনি হস্তদ্বয় নামাতেও পারলেন না, ইত্যবসরে মেঘমালা পাহাড়ের ন্যায় বিস্তৃত হয়ে গেল। আর তিনি মিম্বর থেকে নামতেও পারছিলেন না, আমি দেখলাম, ইতিমধ্যে বৃষ্টি তাঁর দাঁড়ি বেয়ে ফোঁটায় ফোঁটায় গড়িয়ে পড়ছে। সে দিন, পরবর্তী দিন এবং তার পরের দিন থেকে থেকে পরবর্তী জুম‘আ পর্যন্ত আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হল। রাবী বলেন, তখন উক্ত গ্রাম্য ব্যক্তি অথবা অন্য এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! (বৃষ্টির আধিক্য হেতু) ঘর-বাড়ী তো ধীরে ধীরে বিধ্বস্ত হয়ে যাচ্ছে এবং গবাদি পশুগুলো ডুবে যাচ্ছে। অতএব, আপনি আমাদের জন্য আল্লাহ্‌র সমীপে দোয়া করুন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হস্তদ্বয় উঠালেন এবং বললেন, ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের আশে পাশে বৃষ্টি বর্ষণ কর, আমাদের উপরে নয়। তিনি তাঁর হাত দ্বারা মেঘমালার কোন খন্ডের দিকে ইশারা করতেই তা এমনভাবে বিক্ষিপ্ত হয়ে গেল যাতে মদীনার (আকাশ) একটি বড় গর্তের মত দেখাচ্ছিল (অর্থাৎ মদীনার আকাশের চতুস্পার্শ্বে মেঘমালা এমনভাবে বিস্তৃত হলো যে, মদীনা বরাবর আকাশ একটি গোলাকার গর্তের ন্যায় মেঘমুক্ত হলো এবং মাঠে ময়দানে বৃষ্টির পানি প্রবাহিত হচ্ছিল আর মদীনার আশ-পাশ থেকে যারাই আসছিল তারাই বৃষ্টির আধিক্যের সংবাদ দিচ্ছিল।

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে একবার দুর্ভিক্ষ দেখা দিল। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুম‘আর দিন মিম্বারের উপর খুতবা দিচ্ছিলেন। এক গ্রাম্য ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, ইয়া রাসূলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)!(ঘাস বিচালির সংকট হেতু) গবাদি পশুগুলো অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে, আর পরিবারবর্গ ক্ষুধায় কষ্ট পাচ্ছে। অতএব আপনি আমাদের জন্য আল্লাহ্‌র সমীপে দোয়া করুন। তখন রাসূলূল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হস্তদ্বয় উঠালেন। ঐ সময় আমরা আকাশে মেঘের কোন টুকরাও দেখেছিলাম না। ঐ সত্তার শপথ! যাঁর কুদরতী হাতে আমার প্রাণ, তিনি হস্তদ্বয় নামাতেও পারলেন না, ইত্যবসরে মেঘমালা পাহাড়ের ন্যায় বিস্তৃত হয়ে গেল। আর তিনি মিম্বর থেকে নামতেও পারছিলেন না, আমি দেখলাম, ইতিমধ্যে বৃষ্টি তাঁর দাঁড়ি বেয়ে ফোঁটায় ফোঁটায় গড়িয়ে পড়ছে। সে দিন, পরবর্তী দিন এবং তার পরের দিন থেকে থেকে পরবর্তী জুম‘আ পর্যন্ত আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হল। রাবী বলেন, তখন উক্ত গ্রাম্য ব্যক্তি অথবা অন্য এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! (বৃষ্টির আধিক্য হেতু) ঘর-বাড়ী তো ধীরে ধীরে বিধ্বস্ত হয়ে যাচ্ছে এবং গবাদি পশুগুলো ডুবে যাচ্ছে। অতএব, আপনি আমাদের জন্য আল্লাহ্‌র সমীপে দোয়া করুন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হস্তদ্বয় উঠালেন এবং বললেন, ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের আশে পাশে বৃষ্টি বর্ষণ কর, আমাদের উপরে নয়। তিনি তাঁর হাত দ্বারা মেঘমালার কোন খন্ডের দিকে ইশারা করতেই তা এমনভাবে বিক্ষিপ্ত হয়ে গেল যাতে মদীনার (আকাশ) একটি বড় গর্তের মত দেখাচ্ছিল (অর্থাৎ মদীনার আকাশের চতুস্পার্শ্বে মেঘমালা এমনভাবে বিস্তৃত হলো যে, মদীনা বরাবর আকাশ একটি গোলাকার গর্তের ন্যায় মেঘমুক্ত হলো এবং মাঠে ময়দানে বৃষ্টির পানি প্রবাহিত হচ্ছিল আর মদীনার আশ-পাশ থেকে যারাই আসছিল তারাই বৃষ্টির আধিক্যের সংবাদ দিচ্ছিল।

أخبرنا محمود بن خالد، قال: حدثنا الوليد بن مسلم، قال: أنبأنا أبو عمرو الأوزاعي، عن إسحق بن عبد الله، عن أنس بن مالك، قال: أصاب الناس سنة على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، فبينا رسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب على المنبر يوم الجمعة، فقام أعرابي فقال: يا رسول الله، هلك المال، وجاع العيال، فادع الله لنا، فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه، وما نرى في السماء قزعة، والذي نفسي بيده، ما وضعها حتى ثار سحاب أمثال الجبال، ثم لم ينزل عن منبره حتى رأيت المطر يتحادر على لحيته، فمطرنا يومنا ذلك ومن الغد، والذي يليه حتى الجمعة الأخرى، فقام ذلك الأعرابي أو قال غيره فقال: يا رسول الله، تهدم البناء، وغرق المال، فادع الله لنا، فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه فقال: «اللهم حوالينا ولا علينا»، فما يشير بيده إلى ناحية من السحاب إلا انفرجت حتى صارت المدينة مثل الجوبة، وسال الوادي ولم يجئ أحد من ناحية إلا أخبر بالجود


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00