সুনান নাসাঈ > দোয়ার উল্লেখ

সুনান নাসাঈ ১৫১৬

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثني أبو هشام المغيرة بن سلمة، قال: حدثني وهيب، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «اللهم اسقنا»

আনাস ইব্‌ন মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ কর।

আনাস ইব্‌ন মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ কর।

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثني أبو هشام المغيرة بن سلمة، قال: حدثني وهيب، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «اللهم اسقنا»


সুনান নাসাঈ ১৫১৭

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا المعتمر، قال: سمعت عبيد الله بن عمر وهو العمري، عن ثابت، عن أنس، قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم يخطب يوم الجمعة، فقام إليه الناس فصاحوا، فقالوا: يا نبي الله، قحطت المطر، وهلكت البهائم، فادع الله أن يسقينا، قال: «اللهم اسقنا، اللهم اسقنا» قال: وايم الله، ما نرى في السماء قزعة من سحاب قال: فأنشأت سحابة فانتشرت، ثم إنها أمطرت، ونزل رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى، وانصرف الناس فلم تزل تمطر إلى يوم الجمعة الأخرى، فلما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب صاحوا إليه، فقالوا: يا نبي الله، تهدمت البيوت، وتقطعت السبل، فادع الله أن يحبسها عنا، فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال: «اللهم حوالينا ولا علينا» فتقشعت عن المدينة، فجعلت تمطر حولها وما تمطر بالمدينة قطرة، فنظرت إلى المدينة وإنها لفي مثل الإكليل

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুম‘আর দিন খুৎবা দিচ্ছিলেন। এমন সময় কতক মানুষ দাঁড়িয়ে গেল, তারা চিৎকার করে বলতে লাগল, ইয়া নবীয়াল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেছে এবং চতুষ্পদ জন্তুগুলো অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে, অতএব আপনি আল্লাহ্‌ তা‘আলার সমীপে দোয়া করুন যেন তিনি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করেন। তিনি বললেন, ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ কর। ইয়া আল্লাহ! তুমি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ কর। আনাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমরা আকাশে মেঘের কোন চিহ্নও দেখছিলাম না। তিনি বলেন, ইত্যবসরে মেঘ সৃষ্টি হলো, তারপর তা বিক্ষিপ্ত হয়ে গেল, পরে তা (আমাদের উপর) বর্ষিত হল। তারপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নীচে নেমে আসলেন এবং সালাত আদায় করলেন। আর মানুষেরা সালাত শেষ করে ফিরে গেল। তারপর পরবর্তী জুমু‘আ পর্যন্ত অনবরত বৃষ্টি বর্ষিত হতে লাগল। যখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুৎবা দেওয়ার জন্য দাঁড়ালেন, মানুষ চিৎকার করে বলতে লাগল, ইয়া নবীয়াল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! (পানির আধিক্য হেতু) বাড়ী ঘরতো ধীরে ধীরে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অতএব আপনি আল্লাহ্‌র সমীপে দোয়া করুন যেন তিনি আমাদের থেকে বৃষ্টি বন্ধ করে দেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকী হেসে বললেন, হে আল্লাহ! তুমি আমাদের আশে পাশে বৃষ্টি বর্ষণ কর; আমাদের উপরে নয়। তখন মদীনা থেকে মেঘমালা বিক্ষিপ্ত হয়ে গেল, আর মদীনার আশে পাশে বৃষ্টি হচ্ছিল কিন্তু মদীনায় এক ফোঁটাও বৃষ্টি হচ্ছিল না। তখন আমি মদীনার দিকে তাকিয়ে দেখলাম যে, মদীনা মেঘমালার চক্র বু্হ্যের মাঝখানে অবস্থিত।

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুম‘আর দিন খুৎবা দিচ্ছিলেন। এমন সময় কতক মানুষ দাঁড়িয়ে গেল, তারা চিৎকার করে বলতে লাগল, ইয়া নবীয়াল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেছে এবং চতুষ্পদ জন্তুগুলো অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে, অতএব আপনি আল্লাহ্‌ তা‘আলার সমীপে দোয়া করুন যেন তিনি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করেন। তিনি বললেন, ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ কর। ইয়া আল্লাহ! তুমি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ কর। আনাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমরা আকাশে মেঘের কোন চিহ্নও দেখছিলাম না। তিনি বলেন, ইত্যবসরে মেঘ সৃষ্টি হলো, তারপর তা বিক্ষিপ্ত হয়ে গেল, পরে তা (আমাদের উপর) বর্ষিত হল। তারপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নীচে নেমে আসলেন এবং সালাত আদায় করলেন। আর মানুষেরা সালাত শেষ করে ফিরে গেল। তারপর পরবর্তী জুমু‘আ পর্যন্ত অনবরত বৃষ্টি বর্ষিত হতে লাগল। যখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুৎবা দেওয়ার জন্য দাঁড়ালেন, মানুষ চিৎকার করে বলতে লাগল, ইয়া নবীয়াল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! (পানির আধিক্য হেতু) বাড়ী ঘরতো ধীরে ধীরে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অতএব আপনি আল্লাহ্‌র সমীপে দোয়া করুন যেন তিনি আমাদের থেকে বৃষ্টি বন্ধ করে দেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকী হেসে বললেন, হে আল্লাহ! তুমি আমাদের আশে পাশে বৃষ্টি বর্ষণ কর; আমাদের উপরে নয়। তখন মদীনা থেকে মেঘমালা বিক্ষিপ্ত হয়ে গেল, আর মদীনার আশে পাশে বৃষ্টি হচ্ছিল কিন্তু মদীনায় এক ফোঁটাও বৃষ্টি হচ্ছিল না। তখন আমি মদীনার দিকে তাকিয়ে দেখলাম যে, মদীনা মেঘমালার চক্র বু্হ্যের মাঝখানে অবস্থিত।

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا المعتمر، قال: سمعت عبيد الله بن عمر وهو العمري، عن ثابت، عن أنس، قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم يخطب يوم الجمعة، فقام إليه الناس فصاحوا، فقالوا: يا نبي الله، قحطت المطر، وهلكت البهائم، فادع الله أن يسقينا، قال: «اللهم اسقنا، اللهم اسقنا» قال: وايم الله، ما نرى في السماء قزعة من سحاب قال: فأنشأت سحابة فانتشرت، ثم إنها أمطرت، ونزل رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى، وانصرف الناس فلم تزل تمطر إلى يوم الجمعة الأخرى، فلما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب صاحوا إليه، فقالوا: يا نبي الله، تهدمت البيوت، وتقطعت السبل، فادع الله أن يحبسها عنا، فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال: «اللهم حوالينا ولا علينا» فتقشعت عن المدينة، فجعلت تمطر حولها وما تمطر بالمدينة قطرة، فنظرت إلى المدينة وإنها لفي مثل الإكليل


সুনান নাসাঈ ১৫১৮

أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا إسمعيل بن جعفر، قال: حدثنا شريك بن عبد الله، عن أنس بن مالك، أن رجلا دخل المسجد ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم يخطب، فاستقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم قائما وقال: يا رسول الله، هلكت الأموال، وانقطعت السبل، فادع الله أن يغيثنا، فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه ثم قال: «اللهم أغثنا، اللهم أغثنا»، قال أنس: ولا والله ما نرى في السماء من سحابة ولا قزعة وما بيننا وبين سلع من بيت ولا دار، فطلعت سحابة مثل الترس، فلما توسطت السماء انتشرت وأمطرت، قال أنس: ولا والله ما رأينا الشمس سبتا، قال: ثم دخل رجل من ذلك الباب في الجمعة المقبلة ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم يخطب، فاستقبله قائما فقال: يا رسول الله صلى الله وسلم عليك، هلكت الأموال، وانقطعت السبل، فادع الله أن يمسكها عنا، فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه، فقال: «اللهم حوالينا ولا علينا، اللهم على الآكام والظراب، وبطون الأودية، ومنابت الشجر»، قال: فأقلعت، وخرجنا نمشي في الشمس قال شريك: سألت أنسا: أهو الرجل الأول؟ قال: لا --- [حكم الألباني] حسن صحيح

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করল, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ানো অবস্থায় খুতবা দিচ্ছিলেন, সে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! (ঘাস বিচালির সংকট হেতু) চতুষ্পদ জন্তুগুলো অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে, (গরমের আধিক্য হেতু) রাস্তাঘাটও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অতএব আল্লাহ তা‘আলার সমীপে দোয়া করুন, তিনি যেন আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হস্তদ্বয় উঠালেন এবং বললেন, ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ কর, ইয়া আল্লাহ! তুমি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ কর। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা তখন আকাশে কোন মেঘ বা মেঘের টুকরা দেখছিলাম না, আর আমাদের “সালআ” পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে কোন ঘর-বাড়ীও ছিল না। হঠাৎ থালের ন্যায় একখণ্ড মেঘ প্রকাশ পেল, যখন তা মধ্যাকাশে পৌছল, বিস্তৃত হয়ে গেল এবং তা বৃষ্টির আকারে বর্ষিত হতে লাগল। আনাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ! আমরা এক সপ্তাহ অবধি সূর্য দেখেছিলাম না। তিনি বলেন, তারপর পরবর্তী জুমু‘আয় ঐ দরজা দিয়ে অন্য এক ব্যক্তি প্রবেশ করল, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ানো অবস্থায় খুতবা দিচ্ছিলেন। সে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে তাঁর দাঁড়ানো অবস্থায় আসলো এবং বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! বৃষ্টির আধিক্য হেতু চতুষ্পদ জন্তুগুলো অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে এবং রাস্তাঘাটও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, অতএব আল্লাহ্‌ তা‘আলার সমীপে দোয়া করুন যেন তিনি আমাদের উপর থেকে বৃষ্টি বন্ধ করে দেন, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হস্তদ্বয় উঠালেন এবং বললেন, ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের আশে পাশে বৃষ্টি বর্ষণ কর, আমাদের উপর নয়। ইয়া আল্লাহ! পাহাড় এবং টিলার চূড়ায় চূড়ায় উপত্যকার মাঝে মাঝে এবং গাছপালার গোড়ায় গোড়ায় (বর্ষণ কর)। আনাস (রাঃ) বলেন, তারপর বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেল, আর আমরা সূর্যের আলোতে হেঁটে হেঁটে বের হলাম। রাবী শরীফ (রহঃ) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম সে ব্যক্তি কি পূর্বের ব্যক্তি ছিল? তিনি বললেন, না।

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করল, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ানো অবস্থায় খুতবা দিচ্ছিলেন, সে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! (ঘাস বিচালির সংকট হেতু) চতুষ্পদ জন্তুগুলো অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে, (গরমের আধিক্য হেতু) রাস্তাঘাটও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অতএব আল্লাহ তা‘আলার সমীপে দোয়া করুন, তিনি যেন আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হস্তদ্বয় উঠালেন এবং বললেন, ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ কর, ইয়া আল্লাহ! তুমি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ কর। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা তখন আকাশে কোন মেঘ বা মেঘের টুকরা দেখছিলাম না, আর আমাদের “সালআ” পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে কোন ঘর-বাড়ীও ছিল না। হঠাৎ থালের ন্যায় একখণ্ড মেঘ প্রকাশ পেল, যখন তা মধ্যাকাশে পৌছল, বিস্তৃত হয়ে গেল এবং তা বৃষ্টির আকারে বর্ষিত হতে লাগল। আনাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ! আমরা এক সপ্তাহ অবধি সূর্য দেখেছিলাম না। তিনি বলেন, তারপর পরবর্তী জুমু‘আয় ঐ দরজা দিয়ে অন্য এক ব্যক্তি প্রবেশ করল, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ানো অবস্থায় খুতবা দিচ্ছিলেন। সে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে তাঁর দাঁড়ানো অবস্থায় আসলো এবং বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! বৃষ্টির আধিক্য হেতু চতুষ্পদ জন্তুগুলো অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে এবং রাস্তাঘাটও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, অতএব আল্লাহ্‌ তা‘আলার সমীপে দোয়া করুন যেন তিনি আমাদের উপর থেকে বৃষ্টি বন্ধ করে দেন, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হস্তদ্বয় উঠালেন এবং বললেন, ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের আশে পাশে বৃষ্টি বর্ষণ কর, আমাদের উপর নয়। ইয়া আল্লাহ! পাহাড় এবং টিলার চূড়ায় চূড়ায় উপত্যকার মাঝে মাঝে এবং গাছপালার গোড়ায় গোড়ায় (বর্ষণ কর)। আনাস (রাঃ) বলেন, তারপর বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেল, আর আমরা সূর্যের আলোতে হেঁটে হেঁটে বের হলাম। রাবী শরীফ (রহঃ) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম সে ব্যক্তি কি পূর্বের ব্যক্তি ছিল? তিনি বললেন, না।

أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا إسمعيل بن جعفر، قال: حدثنا شريك بن عبد الله، عن أنس بن مالك، أن رجلا دخل المسجد ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم يخطب، فاستقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم قائما وقال: يا رسول الله، هلكت الأموال، وانقطعت السبل، فادع الله أن يغيثنا، فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه ثم قال: «اللهم أغثنا، اللهم أغثنا»، قال أنس: ولا والله ما نرى في السماء من سحابة ولا قزعة وما بيننا وبين سلع من بيت ولا دار، فطلعت سحابة مثل الترس، فلما توسطت السماء انتشرت وأمطرت، قال أنس: ولا والله ما رأينا الشمس سبتا، قال: ثم دخل رجل من ذلك الباب في الجمعة المقبلة ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم يخطب، فاستقبله قائما فقال: يا رسول الله صلى الله وسلم عليك، هلكت الأموال، وانقطعت السبل، فادع الله أن يمسكها عنا، فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه، فقال: «اللهم حوالينا ولا علينا، اللهم على الآكام والظراب، وبطون الأودية، ومنابت الشجر»، قال: فأقلعت، وخرجنا نمشي في الشمس قال شريك: سألت أنسا: أهو الرجل الأول؟ قال: لا --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ ১৫১৮

أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا إسمعيل بن جعفر، قال: حدثنا شريك بن عبد الله، عن أنس بن مالك، أن رجلا دخل المسجد ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم يخطب، فاستقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم قائما وقال: يا رسول الله، هلكت الأموال، وانقطعت السبل، فادع الله أن يغيثنا، فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه ثم قال: «اللهم أغثنا، اللهم أغثنا»، قال أنس: ولا والله ما نرى في السماء من سحابة ولا قزعة وما بيننا وبين سلع من بيت ولا دار، فطلعت سحابة مثل الترس، فلما توسطت السماء انتشرت وأمطرت، قال أنس: ولا والله ما رأينا الشمس سبتا، قال: ثم دخل رجل من ذلك الباب في الجمعة المقبلة ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم يخطب، فاستقبله قائما فقال: يا رسول الله صلى الله وسلم عليك، هلكت الأموال، وانقطعت السبل، فادع الله أن يمسكها عنا، فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه، فقال: «اللهم حوالينا ولا علينا، اللهم على الآكام والظراب، وبطون الأودية، ومنابت الشجر»، قال: فأقلعت، وخرجنا نمشي في الشمس قال شريك: سألت أنسا: أهو الرجل الأول؟ قال: لا --- [حكم الألباني] حسن صحيح

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করল, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ানো অবস্থায় খুতবা দিচ্ছিলেন, সে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! (ঘাস বিচালির সংকট হেতু) চতুষ্পদ জন্তুগুলো অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে, (গরমের আধিক্য হেতু) রাস্তাঘাটও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অতএব আল্লাহ তা‘আলার সমীপে দোয়া করুন, তিনি যেন আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হস্তদ্বয় উঠালেন এবং বললেন, ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ কর, ইয়া আল্লাহ! তুমি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ কর। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা তখন আকাশে কোন মেঘ বা মেঘের টুকরা দেখছিলাম না, আর আমাদের “সালআ” পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে কোন ঘর-বাড়ীও ছিল না। হঠাৎ থালের ন্যায় একখণ্ড মেঘ প্রকাশ পেল, যখন তা মধ্যাকাশে পৌছল, বিস্তৃত হয়ে গেল এবং তা বৃষ্টির আকারে বর্ষিত হতে লাগল। আনাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ! আমরা এক সপ্তাহ অবধি সূর্য দেখেছিলাম না। তিনি বলেন, তারপর পরবর্তী জুমু‘আয় ঐ দরজা দিয়ে অন্য এক ব্যক্তি প্রবেশ করল, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ানো অবস্থায় খুতবা দিচ্ছিলেন। সে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে তাঁর দাঁড়ানো অবস্থায় আসলো এবং বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! বৃষ্টির আধিক্য হেতু চতুষ্পদ জন্তুগুলো অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে এবং রাস্তাঘাটও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, অতএব আল্লাহ্‌ তা‘আলার সমীপে দোয়া করুন যেন তিনি আমাদের উপর থেকে বৃষ্টি বন্ধ করে দেন, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হস্তদ্বয় উঠালেন এবং বললেন, ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের আশে পাশে বৃষ্টি বর্ষণ কর, আমাদের উপর নয়। ইয়া আল্লাহ! পাহাড় এবং টিলার চূড়ায় চূড়ায় উপত্যকার মাঝে মাঝে এবং গাছপালার গোড়ায় গোড়ায় (বর্ষণ কর)। আনাস (রাঃ) বলেন, তারপর বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেল, আর আমরা সূর্যের আলোতে হেঁটে হেঁটে বের হলাম। রাবী শরীফ (রহঃ) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম সে ব্যক্তি কি পূর্বের ব্যক্তি ছিল? তিনি বললেন, না।

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করল, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ানো অবস্থায় খুতবা দিচ্ছিলেন, সে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! (ঘাস বিচালির সংকট হেতু) চতুষ্পদ জন্তুগুলো অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে, (গরমের আধিক্য হেতু) রাস্তাঘাটও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অতএব আল্লাহ তা‘আলার সমীপে দোয়া করুন, তিনি যেন আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হস্তদ্বয় উঠালেন এবং বললেন, ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ কর, ইয়া আল্লাহ! তুমি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ কর। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা তখন আকাশে কোন মেঘ বা মেঘের টুকরা দেখছিলাম না, আর আমাদের “সালআ” পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে কোন ঘর-বাড়ীও ছিল না। হঠাৎ থালের ন্যায় একখণ্ড মেঘ প্রকাশ পেল, যখন তা মধ্যাকাশে পৌছল, বিস্তৃত হয়ে গেল এবং তা বৃষ্টির আকারে বর্ষিত হতে লাগল। আনাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ! আমরা এক সপ্তাহ অবধি সূর্য দেখেছিলাম না। তিনি বলেন, তারপর পরবর্তী জুমু‘আয় ঐ দরজা দিয়ে অন্য এক ব্যক্তি প্রবেশ করল, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ানো অবস্থায় খুতবা দিচ্ছিলেন। সে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে তাঁর দাঁড়ানো অবস্থায় আসলো এবং বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! বৃষ্টির আধিক্য হেতু চতুষ্পদ জন্তুগুলো অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে এবং রাস্তাঘাটও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, অতএব আল্লাহ্‌ তা‘আলার সমীপে দোয়া করুন যেন তিনি আমাদের উপর থেকে বৃষ্টি বন্ধ করে দেন, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হস্তদ্বয় উঠালেন এবং বললেন, ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের আশে পাশে বৃষ্টি বর্ষণ কর, আমাদের উপর নয়। ইয়া আল্লাহ! পাহাড় এবং টিলার চূড়ায় চূড়ায় উপত্যকার মাঝে মাঝে এবং গাছপালার গোড়ায় গোড়ায় (বর্ষণ কর)। আনাস (রাঃ) বলেন, তারপর বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেল, আর আমরা সূর্যের আলোতে হেঁটে হেঁটে বের হলাম। রাবী শরীফ (রহঃ) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম সে ব্যক্তি কি পূর্বের ব্যক্তি ছিল? তিনি বললেন, না।

أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا إسمعيل بن جعفر، قال: حدثنا شريك بن عبد الله، عن أنس بن مالك، أن رجلا دخل المسجد ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم يخطب، فاستقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم قائما وقال: يا رسول الله، هلكت الأموال، وانقطعت السبل، فادع الله أن يغيثنا، فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه ثم قال: «اللهم أغثنا، اللهم أغثنا»، قال أنس: ولا والله ما نرى في السماء من سحابة ولا قزعة وما بيننا وبين سلع من بيت ولا دار، فطلعت سحابة مثل الترس، فلما توسطت السماء انتشرت وأمطرت، قال أنس: ولا والله ما رأينا الشمس سبتا، قال: ثم دخل رجل من ذلك الباب في الجمعة المقبلة ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم يخطب، فاستقبله قائما فقال: يا رسول الله صلى الله وسلم عليك، هلكت الأموال، وانقطعت السبل، فادع الله أن يمسكها عنا، فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه، فقال: «اللهم حوالينا ولا علينا، اللهم على الآكام والظراب، وبطون الأودية، ومنابت الشجر»، قال: فأقلعت، وخرجنا نمشي في الشمس قال شريك: سألت أنسا: أهو الرجل الأول؟ قال: لا --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ ১৫১৮

أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا إسمعيل بن جعفر، قال: حدثنا شريك بن عبد الله، عن أنس بن مالك، أن رجلا دخل المسجد ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم يخطب، فاستقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم قائما وقال: يا رسول الله، هلكت الأموال، وانقطعت السبل، فادع الله أن يغيثنا، فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه ثم قال: «اللهم أغثنا، اللهم أغثنا»، قال أنس: ولا والله ما نرى في السماء من سحابة ولا قزعة وما بيننا وبين سلع من بيت ولا دار، فطلعت سحابة مثل الترس، فلما توسطت السماء انتشرت وأمطرت، قال أنس: ولا والله ما رأينا الشمس سبتا، قال: ثم دخل رجل من ذلك الباب في الجمعة المقبلة ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم يخطب، فاستقبله قائما فقال: يا رسول الله صلى الله وسلم عليك، هلكت الأموال، وانقطعت السبل، فادع الله أن يمسكها عنا، فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه، فقال: «اللهم حوالينا ولا علينا، اللهم على الآكام والظراب، وبطون الأودية، ومنابت الشجر»، قال: فأقلعت، وخرجنا نمشي في الشمس قال شريك: سألت أنسا: أهو الرجل الأول؟ قال: لا --- [حكم الألباني] حسن صحيح

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করল, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ানো অবস্থায় খুতবা দিচ্ছিলেন, সে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! (ঘাস বিচালির সংকট হেতু) চতুষ্পদ জন্তুগুলো অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে, (গরমের আধিক্য হেতু) রাস্তাঘাটও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অতএব আল্লাহ তা‘আলার সমীপে দোয়া করুন, তিনি যেন আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হস্তদ্বয় উঠালেন এবং বললেন, ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ কর, ইয়া আল্লাহ! তুমি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ কর। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা তখন আকাশে কোন মেঘ বা মেঘের টুকরা দেখছিলাম না, আর আমাদের “সালআ” পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে কোন ঘর-বাড়ীও ছিল না। হঠাৎ থালের ন্যায় একখণ্ড মেঘ প্রকাশ পেল, যখন তা মধ্যাকাশে পৌছল, বিস্তৃত হয়ে গেল এবং তা বৃষ্টির আকারে বর্ষিত হতে লাগল। আনাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ! আমরা এক সপ্তাহ অবধি সূর্য দেখেছিলাম না। তিনি বলেন, তারপর পরবর্তী জুমু‘আয় ঐ দরজা দিয়ে অন্য এক ব্যক্তি প্রবেশ করল, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ানো অবস্থায় খুতবা দিচ্ছিলেন। সে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে তাঁর দাঁড়ানো অবস্থায় আসলো এবং বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! বৃষ্টির আধিক্য হেতু চতুষ্পদ জন্তুগুলো অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে এবং রাস্তাঘাটও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, অতএব আল্লাহ্‌ তা‘আলার সমীপে দোয়া করুন যেন তিনি আমাদের উপর থেকে বৃষ্টি বন্ধ করে দেন, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হস্তদ্বয় উঠালেন এবং বললেন, ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের আশে পাশে বৃষ্টি বর্ষণ কর, আমাদের উপর নয়। ইয়া আল্লাহ! পাহাড় এবং টিলার চূড়ায় চূড়ায় উপত্যকার মাঝে মাঝে এবং গাছপালার গোড়ায় গোড়ায় (বর্ষণ কর)। আনাস (রাঃ) বলেন, তারপর বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেল, আর আমরা সূর্যের আলোতে হেঁটে হেঁটে বের হলাম। রাবী শরীফ (রহঃ) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম সে ব্যক্তি কি পূর্বের ব্যক্তি ছিল? তিনি বললেন, না।

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করল, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ানো অবস্থায় খুতবা দিচ্ছিলেন, সে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! (ঘাস বিচালির সংকট হেতু) চতুষ্পদ জন্তুগুলো অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে, (গরমের আধিক্য হেতু) রাস্তাঘাটও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অতএব আল্লাহ তা‘আলার সমীপে দোয়া করুন, তিনি যেন আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হস্তদ্বয় উঠালেন এবং বললেন, ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ কর, ইয়া আল্লাহ! তুমি আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ কর। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা তখন আকাশে কোন মেঘ বা মেঘের টুকরা দেখছিলাম না, আর আমাদের “সালআ” পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে কোন ঘর-বাড়ীও ছিল না। হঠাৎ থালের ন্যায় একখণ্ড মেঘ প্রকাশ পেল, যখন তা মধ্যাকাশে পৌছল, বিস্তৃত হয়ে গেল এবং তা বৃষ্টির আকারে বর্ষিত হতে লাগল। আনাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ! আমরা এক সপ্তাহ অবধি সূর্য দেখেছিলাম না। তিনি বলেন, তারপর পরবর্তী জুমু‘আয় ঐ দরজা দিয়ে অন্য এক ব্যক্তি প্রবেশ করল, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ানো অবস্থায় খুতবা দিচ্ছিলেন। সে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে তাঁর দাঁড়ানো অবস্থায় আসলো এবং বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! বৃষ্টির আধিক্য হেতু চতুষ্পদ জন্তুগুলো অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে এবং রাস্তাঘাটও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, অতএব আল্লাহ্‌ তা‘আলার সমীপে দোয়া করুন যেন তিনি আমাদের উপর থেকে বৃষ্টি বন্ধ করে দেন, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হস্তদ্বয় উঠালেন এবং বললেন, ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের আশে পাশে বৃষ্টি বর্ষণ কর, আমাদের উপর নয়। ইয়া আল্লাহ! পাহাড় এবং টিলার চূড়ায় চূড়ায় উপত্যকার মাঝে মাঝে এবং গাছপালার গোড়ায় গোড়ায় (বর্ষণ কর)। আনাস (রাঃ) বলেন, তারপর বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেল, আর আমরা সূর্যের আলোতে হেঁটে হেঁটে বের হলাম। রাবী শরীফ (রহঃ) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম সে ব্যক্তি কি পূর্বের ব্যক্তি ছিল? তিনি বললেন, না।

أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا إسمعيل بن جعفر، قال: حدثنا شريك بن عبد الله، عن أنس بن مالك، أن رجلا دخل المسجد ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم يخطب، فاستقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم قائما وقال: يا رسول الله، هلكت الأموال، وانقطعت السبل، فادع الله أن يغيثنا، فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه ثم قال: «اللهم أغثنا، اللهم أغثنا»، قال أنس: ولا والله ما نرى في السماء من سحابة ولا قزعة وما بيننا وبين سلع من بيت ولا دار، فطلعت سحابة مثل الترس، فلما توسطت السماء انتشرت وأمطرت، قال أنس: ولا والله ما رأينا الشمس سبتا، قال: ثم دخل رجل من ذلك الباب في الجمعة المقبلة ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم يخطب، فاستقبله قائما فقال: يا رسول الله صلى الله وسلم عليك، هلكت الأموال، وانقطعت السبل، فادع الله أن يمسكها عنا، فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه، فقال: «اللهم حوالينا ولا علينا، اللهم على الآكام والظراب، وبطون الأودية، ومنابت الشجر»، قال: فأقلعت، وخرجنا نمشي في الشمس قال شريك: سألت أنسا: أهو الرجل الأول؟ قال: لا --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ > দোয়ার পরে সালাত আদায় করা

সুনান নাসাঈ ১৫১৯

قال الحارث بن مسكين: قراءة عليه وأنا أسمع، عن ابن وهب، عن ابن أبي ذئب، ويونس، عن ابن شهاب، قال: أخبرني عباد بن تميم، أنه سمع عمه، وكان من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: «خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما يستسقي، فحول إلى الناس ظهره، يدعو الله ويستقبل القبلة، وحول رداءه، ثم صلى ركعتين» قال ابن أبي ذئب في الحديث: وقرأ فيهما

আব্বাদ ইব্‌ন তামীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাঁর চাচাকে যিনি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের অন্তর্ভূক্ত ছিলেন, তাঁকে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা ইস্তিস্কার জন্য বের হলেন। তিনি মানুষের দিকে তাঁর পিঠ ফিরিয়ে আল্লাহর সমীপে দোয়া করতে লাগলেন আর তিনি কিবলামুখী হয়ে চাদর উল্টিয়ে দিলেন, তারপর দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন। ইব্‌ন আবূ যি’ব (রহঃ) হাদীস সম্পর্কে বলেন, আর ঐ দু’রাকাআতে কিরাআত পড়েছিলেন।

আব্বাদ ইব্‌ন তামীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাঁর চাচাকে যিনি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের অন্তর্ভূক্ত ছিলেন, তাঁকে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা ইস্তিস্কার জন্য বের হলেন। তিনি মানুষের দিকে তাঁর পিঠ ফিরিয়ে আল্লাহর সমীপে দোয়া করতে লাগলেন আর তিনি কিবলামুখী হয়ে চাদর উল্টিয়ে দিলেন, তারপর দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন। ইব্‌ন আবূ যি’ব (রহঃ) হাদীস সম্পর্কে বলেন, আর ঐ দু’রাকাআতে কিরাআত পড়েছিলেন।

قال الحارث بن مسكين: قراءة عليه وأنا أسمع، عن ابن وهب، عن ابن أبي ذئب، ويونس، عن ابن شهاب، قال: أخبرني عباد بن تميم، أنه سمع عمه، وكان من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: «خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما يستسقي، فحول إلى الناس ظهره، يدعو الله ويستقبل القبلة، وحول رداءه، ثم صلى ركعتين» قال ابن أبي ذئب في الحديث: وقرأ فيهما


সুনান নাসাঈ > ইস্তিস্কার সালাত কত রাকআত?

সুনান নাসাঈ ১৫২০

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن يحيى، عن أبي بكر بن محمد، عن عباد بن تميم، عن عبد الله بن زيد، «أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج يستسقي، فصلى ركعتين، واستقبل القبلة»

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইস্তিস্কার উদ্দেশ্যে বের হয়ে কিবলামুখী হয়ে দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন।

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইস্তিস্কার উদ্দেশ্যে বের হয়ে কিবলামুখী হয়ে দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন।

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن يحيى، عن أبي بكر بن محمد، عن عباد بن تميم، عن عبد الله بن زيد، «أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج يستسقي، فصلى ركعتين، واستقبل القبلة»


সুনান নাসাঈ > ইস্তিস্কার সালাত কিরূপ?

সুনান নাসাঈ ১৫২১

أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا وكيع، قال: حدثنا سفيان، عن هشام بن إسحق بن عبد الله بن كنانة، عن أبيه، قال: أرسلني أمير من الأمراء إلى ابن عباس أسأله عن الاستسقاء، فقال ابن عباس: ما منعه أن يسألني؟ «خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم متواضعا متبذلا، متخشعا، متضرعا، فصلى ركعتين كما يصلي في العيدين، ولم يخطب خطبتكم هذه»

ইসহাক ইব্‌ন আব্দুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমীরদের মধ্যে কেউ আমাকে (একবার) ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে পাঠালেন, আমি যেন তাঁকে ইস্তিস্কা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তখন ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) বললেন, আমার কাছে সরাসরি জিজ্ঞাস করতে ঐ আমীরকে কে বারণ করেছে? (তারপর বললেন) একবার রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিনীতভাবে ছিন্ন বস্ত্রে মিনতি সহকারে বের হলেন এবং দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন যেমনভাবে তিনি উভয় ঈদে আদায় করতেন। কিন্তু তিনি তোমাদের ঈদের খুতবায় ন্যায় খুতবা দেননি।

ইসহাক ইব্‌ন আব্দুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমীরদের মধ্যে কেউ আমাকে (একবার) ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে পাঠালেন, আমি যেন তাঁকে ইস্তিস্কা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তখন ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) বললেন, আমার কাছে সরাসরি জিজ্ঞাস করতে ঐ আমীরকে কে বারণ করেছে? (তারপর বললেন) একবার রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিনীতভাবে ছিন্ন বস্ত্রে মিনতি সহকারে বের হলেন এবং দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন যেমনভাবে তিনি উভয় ঈদে আদায় করতেন। কিন্তু তিনি তোমাদের ঈদের খুতবায় ন্যায় খুতবা দেননি।

أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا وكيع، قال: حدثنا سفيان، عن هشام بن إسحق بن عبد الله بن كنانة، عن أبيه، قال: أرسلني أمير من الأمراء إلى ابن عباس أسأله عن الاستسقاء، فقال ابن عباس: ما منعه أن يسألني؟ «خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم متواضعا متبذلا، متخشعا، متضرعا، فصلى ركعتين كما يصلي في العيدين، ولم يخطب خطبتكم هذه»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00