সুনান নাসাঈ > গ্রহণকালীন সালাতে সিজদায় কথা বলা

সুনান নাসাঈ ১৪৯৬

أخبرنا عبد الله بن محمد بن عبد الرحمن بن المسور الزهري، قال: حدثنا غندر، عن شعبة، عن عطاء بن السائب، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، قال: كسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأطال القيام، ثم ركع فأطال الركوع، ثم رفع فأطال ـ قال شعبة: وأحسبه قال: في السجود نحو ذلك ـ وجعل يبكي في سجوده وينفخ ويقول: «رب لم تعدني هذا وأنا أستغفرك، لم تعدني هذا وأنا فيهم»، فلما صلى قال: " عرضت علي الجنة حتى لو مددت يدي تناولت من قطوفها، وعرضت علي النار فجعلت أنفخ خشية أن يغشاكم حرها، ورأيت فيها سارق بدنتي رسول الله صلى الله عليه وسلم، ورأيت فيها أخا بني دعدع سارق الحجيج، فإذا فطن له قال: هذا عمل المحجن، ورأيت فيها امرأة طويلة سوداء تعذب في هرة ربطتها، فلم تطعمها ولم تسقها، ولم تدعها تأكل من خشاش الأرض حتى ماتت، وإن الشمس والقمر لا ينكسفان لموت أحد ولا لحياته، ولكنهما آيتان من آيات الله، فإذا انكسفت إحداهما ـ أو قال: فعل أحدهما شيئا من ذلك ـ فاسعوا إلى ذكر الله عز وجل "

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে সূর্য গ্রহণ লেগে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করলেন, আর দাঁড়ানোকে দীর্ঘায়িত করলেন। তারপর রুকূ করলেন আর রুকূকেও দীর্ঘায়িত করলেন। তারপর মাথা উঠালেন এবং তাও (দাঁড়ানো) দীর্ঘায়িত করলেন। রাবী শু’বা (রহঃ) বলেন, আমি মনে করি যে, তিনি সিজদার ব্যাপারেও অনুরূপ বলেছেন এবং তিনি সিজদায় ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলেন। বলতে লাগলেন, ‘হে রব! আমি তোমার কাছে মাগফিরাত চাওয়াকালীন তুমি তো এরূপ আযাবের ওয়াদা করনি? আমি তাদের মাঝে অবস্থানকালীন তুমি তো আমার কাছে এরূপ আযাবের প্রতিশ্রুতি করনি।’ যখন তিনি সালাত আদায় করে নিলেন তখন বললেন, আমার সামনে জান্নাত উপস্থাপন করা হলো, এমনকি যদি আমি হস্ত প্রসারিত করতাম তাহলে তার ফল স্পর্শ করতে পারতাম। আমার সামনে জাহান্নামও উপস্থাপন করা হলো, আমি তাতে এই ভয়ে ফুঁক দিতে লাগলাম যে, তার তাপ তোমাদের গ্রাস করে ফেলে। আমি তাতে আমার (রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর) দুই উটনীর চোরকেও দেখলাম, আর আমি তাতে দা‘দা‘ গোত্রের এক ব্যক্তিকেও দেখলাম, যে হাজীদের মাল চুরি করত। যখন তার শাস্তি অনুভব হলো তখন সে বললো, এতো হল বক্র লাঠির কাজ। আমি তাতে এক দীর্ঘাকৃতির কৃষ্ণবর্ণের মহিলাকেও দেখলাম, তাকে এক বিড়ালের ব্যাপারে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। সে বিড়ালকে বেঁধে রেখেছিল। তাকে সে খাদ্যও খাওয়াত না এবং পানিও পান করাত না এবং ছেড়েও দিত না সে যমীনের পোকা-মাকড় খেয়ে জীবন ধারণ করতে পারতো। এমনিভাবে বিড়ালটি মারা গিয়েছিল। আর চন্দ্র-সূর্যের গ্রহণ কারো জন্ম মৃত্যুর কারণে হয় না বরং তারা হল আল্লাহ্‌র নিদর্শন সমূহের দু’টি নিদর্শন। অতএব, যখন তাদের কারো গ্রহণ লেগে যায় অথবা বলেছেন যে, তাদের কারো এমন ধরনের কিছু ঘটে যায় তখন তোমরা আল্লাহ্‌র স্মরণে ধাবিত হও।

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে সূর্য গ্রহণ লেগে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করলেন, আর দাঁড়ানোকে দীর্ঘায়িত করলেন। তারপর রুকূ করলেন আর রুকূকেও দীর্ঘায়িত করলেন। তারপর মাথা উঠালেন এবং তাও (দাঁড়ানো) দীর্ঘায়িত করলেন। রাবী শু’বা (রহঃ) বলেন, আমি মনে করি যে, তিনি সিজদার ব্যাপারেও অনুরূপ বলেছেন এবং তিনি সিজদায় ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলেন। বলতে লাগলেন, ‘হে রব! আমি তোমার কাছে মাগফিরাত চাওয়াকালীন তুমি তো এরূপ আযাবের ওয়াদা করনি? আমি তাদের মাঝে অবস্থানকালীন তুমি তো আমার কাছে এরূপ আযাবের প্রতিশ্রুতি করনি।’ যখন তিনি সালাত আদায় করে নিলেন তখন বললেন, আমার সামনে জান্নাত উপস্থাপন করা হলো, এমনকি যদি আমি হস্ত প্রসারিত করতাম তাহলে তার ফল স্পর্শ করতে পারতাম। আমার সামনে জাহান্নামও উপস্থাপন করা হলো, আমি তাতে এই ভয়ে ফুঁক দিতে লাগলাম যে, তার তাপ তোমাদের গ্রাস করে ফেলে। আমি তাতে আমার (রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর) দুই উটনীর চোরকেও দেখলাম, আর আমি তাতে দা‘দা‘ গোত্রের এক ব্যক্তিকেও দেখলাম, যে হাজীদের মাল চুরি করত। যখন তার শাস্তি অনুভব হলো তখন সে বললো, এতো হল বক্র লাঠির কাজ। আমি তাতে এক দীর্ঘাকৃতির কৃষ্ণবর্ণের মহিলাকেও দেখলাম, তাকে এক বিড়ালের ব্যাপারে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। সে বিড়ালকে বেঁধে রেখেছিল। তাকে সে খাদ্যও খাওয়াত না এবং পানিও পান করাত না এবং ছেড়েও দিত না সে যমীনের পোকা-মাকড় খেয়ে জীবন ধারণ করতে পারতো। এমনিভাবে বিড়ালটি মারা গিয়েছিল। আর চন্দ্র-সূর্যের গ্রহণ কারো জন্ম মৃত্যুর কারণে হয় না বরং তারা হল আল্লাহ্‌র নিদর্শন সমূহের দু’টি নিদর্শন। অতএব, যখন তাদের কারো গ্রহণ লেগে যায় অথবা বলেছেন যে, তাদের কারো এমন ধরনের কিছু ঘটে যায় তখন তোমরা আল্লাহ্‌র স্মরণে ধাবিত হও।

أخبرنا عبد الله بن محمد بن عبد الرحمن بن المسور الزهري، قال: حدثنا غندر، عن شعبة، عن عطاء بن السائب، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، قال: كسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأطال القيام، ثم ركع فأطال الركوع، ثم رفع فأطال ـ قال شعبة: وأحسبه قال: في السجود نحو ذلك ـ وجعل يبكي في سجوده وينفخ ويقول: «رب لم تعدني هذا وأنا أستغفرك، لم تعدني هذا وأنا فيهم»، فلما صلى قال: " عرضت علي الجنة حتى لو مددت يدي تناولت من قطوفها، وعرضت علي النار فجعلت أنفخ خشية أن يغشاكم حرها، ورأيت فيها سارق بدنتي رسول الله صلى الله عليه وسلم، ورأيت فيها أخا بني دعدع سارق الحجيج، فإذا فطن له قال: هذا عمل المحجن، ورأيت فيها امرأة طويلة سوداء تعذب في هرة ربطتها، فلم تطعمها ولم تسقها، ولم تدعها تأكل من خشاش الأرض حتى ماتت، وإن الشمس والقمر لا ينكسفان لموت أحد ولا لحياته، ولكنهما آيتان من آيات الله، فإذا انكسفت إحداهما ـ أو قال: فعل أحدهما شيئا من ذلك ـ فاسعوا إلى ذكر الله عز وجل "


সুনান নাসাঈ > গ্রহণকালীন সালাতে তাশাহ্‌হুদ পড়া ও সালাম ফিরানো

সুনান নাসাঈ ১৪৯৮

أخبرني إبراهيم بن يعقوب، قال: حدثنا موسى بن داود، قال: حدثنا نافع بن عمر، عن ابن أبي مليكة، عن أسماء بنت أبي بكر، قالت: «صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في الكسوف، فقام فأطال القيام، ثم ركع فأطال الركوع، ثم رفع فأطال القيام، ثم ركع فأطال الركوع، ثم رفع، ثم سجد فأطال السجود، ثم رفع، ثم سجد فأطال السجود، ثم قام فأطال القيام، ثم ركع فأطال الركوع، ثم رفع فأطال القيام، ثم ركع فأطال الركوع، ثم رفع، ثم سجد فأطال السجود، ثم رفع ثم سجد فأطال السجود، ثم رفع، ثم انصرف»

আসমা বিন্‌ত আবূ বক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার গ্রহণ কালে সালাত আদায় করলেন। তিনি সালাতে দীর্ঘক্ষণ কিয়াম করলেন। তারপর রুকূ করলেন আর তাও দীর্ঘ করলেন। তারপর মাথা উঠিয়ে দীর্ঘক্ষণ কিয়াম করলেন। তারপর রুকূ করলেন আর তাও দীর্ঘ করলেন। তারপর মাথা উঠালেন এবং সিজদা করলেন আর তাও দীর্ঘ করলেন। তারপর মাথা উঠালেন ও সিজদা করলেন এবং তাও দীর্ঘ করলেন। তারপর দাঁড়ালেন এবং দীর্ঘক্ষণ কিয়াম করলেন। তারপর রুকূ করলেন এবং তাও দীর্ঘ করলেন। অতঃপর মাথা উঠালেন এবং কিয়ামকেও দীর্ঘ করলেন। অতঃপর রুকূ করলেন এবং তাও দীর্ঘ করলেন। এরপর মাথা উঠালেন ও সিজদা করলেন। আর তাও দীর্ঘ করলেন। তারপর মাথা উঠালেন ও সিজদা করলেন এবং তাও দীর্ঘ করলেন। অতঃপর মাথা উঠালেন ও সালাম ফিরিয়ে সালাত শেষ করলেন।

আসমা বিন্‌ত আবূ বক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার গ্রহণ কালে সালাত আদায় করলেন। তিনি সালাতে দীর্ঘক্ষণ কিয়াম করলেন। তারপর রুকূ করলেন আর তাও দীর্ঘ করলেন। তারপর মাথা উঠিয়ে দীর্ঘক্ষণ কিয়াম করলেন। তারপর রুকূ করলেন আর তাও দীর্ঘ করলেন। তারপর মাথা উঠালেন এবং সিজদা করলেন আর তাও দীর্ঘ করলেন। তারপর মাথা উঠালেন ও সিজদা করলেন এবং তাও দীর্ঘ করলেন। তারপর দাঁড়ালেন এবং দীর্ঘক্ষণ কিয়াম করলেন। তারপর রুকূ করলেন এবং তাও দীর্ঘ করলেন। অতঃপর মাথা উঠালেন এবং কিয়ামকেও দীর্ঘ করলেন। অতঃপর রুকূ করলেন এবং তাও দীর্ঘ করলেন। এরপর মাথা উঠালেন ও সিজদা করলেন। আর তাও দীর্ঘ করলেন। তারপর মাথা উঠালেন ও সিজদা করলেন এবং তাও দীর্ঘ করলেন। অতঃপর মাথা উঠালেন ও সালাম ফিরিয়ে সালাত শেষ করলেন।

أخبرني إبراهيم بن يعقوب، قال: حدثنا موسى بن داود، قال: حدثنا نافع بن عمر، عن ابن أبي مليكة، عن أسماء بنت أبي بكر، قالت: «صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في الكسوف، فقام فأطال القيام، ثم ركع فأطال الركوع، ثم رفع فأطال القيام، ثم ركع فأطال الركوع، ثم رفع، ثم سجد فأطال السجود، ثم رفع، ثم سجد فأطال السجود، ثم قام فأطال القيام، ثم ركع فأطال الركوع، ثم رفع فأطال القيام، ثم ركع فأطال الركوع، ثم رفع، ثم سجد فأطال السجود، ثم رفع ثم سجد فأطال السجود، ثم رفع، ثم انصرف»


সুনান নাসাঈ ১৪৯৭

أخبرني عمرو بن عثمان بن سعيد بن كثير، عن الوليد، عن عبد الرحمن بن نمر، أنه سأل الزهري، عن سنة صلاة الكسوف، فقال: أخبرني عروة بن الزبير، عن عائشة، قالت: كسفت الشمس فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا فنادى: أن الصلاة جامعة، فاجتمع الناس، فصلى بهم رسول الله صلى الله عليه وسلم، فكبر، ثم قرأ قراءة طويلة، ثم كبر فركع ركوعا طويلا مثل قيامه أو أطول، ثم رفع رأسه، وقال: «سمع الله لمن حمده»، ثم قرأ قراءة طويلة هي أدنى من القراءة الأولى، ثم كبر فركع ركوعا طويلا هو أدنى من الركوع الأول، ثم رفع رأسه، فقال: «سمع الله لمن حمده»، ثم كبر فسجد سجودا طويلا مثل ركوعه أو أطول، ثم كبر فرفع رأسه، ثم كبر فسجد، ثم كبر، فقام، فقرأ قراءة طويلة هي أدنى من الأولى، ثم كبر، ثم ركع ركوعا طويلا هو أدنى من الركوع الأول، ثم رفع رأسه، فقال: «سمع الله لمن حمده»، ثم قرأ قراءة طويلة وهي أدنى من القراءة الأولى في القيام الثاني، ثم كبر فركع ركوعا طويلا دون الركوع الأول، ثم كبر فرفع رأسه، فقال: «سمع الله لمن حمده»، ثم كبر فسجد أدنى من سجوده الأول، ثم تشهد، ثم سلم فقام فيهم فحمد الله وأثنى عليه، ثم قال: «إن الشمس والقمر لا ينخسفان لموت أحد ولا لحياته، ولكنهما آيتان من آيات الله، فأيهما خسف به أو بأحدهما فافزعوا إلى الله عز وجل بذكر الصلاة»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার সূর্য গ্রহণ লেগে গেলে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে নির্দেশ দিলে সে আওয়াজ দিল যে, সালাত অনুষ্ঠিত হবে। অতএব লোকেরা একত্রিত হয়ে গেলে তিনি তাঁদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তারপর তিনি তাকবীর বললেন এবং দীর্ঘ কিরাআত পড়লেন। তারপর তাকবীর বললেন ও দীর্ঘ রুকূ করলেন। তাঁর কিয়ামের ন্যায় অথবা তার চেয়েও দীর্ঘ। তারপর তাঁর মাথা উঠিয়ে “সামি আল্লাহু লিমান হামিদা” বললেন। পরে দীর্ঘ কিরাআত পড়লেন কিন্তু তা পূর্ববর্তী কিরাআত থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তাকবীর বললেন ও দীর্ঘ রুকূ করলেন কিন্তু তা পূর্ববর্তী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তাঁর মাথা উঠিয়ে “সামিআল্লাহু লিমান হামিদা” বললেন। তারপর তাকবীর বললেন ও দীর্ঘ সিজদা করলেন তাঁর রুকূর ন্যায় অথবা তার চেয়েও দীর্ঘ। তারপর তাকবীর বললেন ও তাঁর মাথা উঠালেন পরে তাকবীর বললেন ও সিজদায় গেলেন। তারপর তাকবীর বলে দাঁড়ালেন এবং দীর্ঘ কিরাআত পড়লেন। কিন্তু তা পূর্ববর্তী কিরাআত থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তাকবীর বললেন ও দীর্ঘ রুকূ করলেন কিন্তু তা পূর্ববর্তী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তাঁর মাথা উঠিয়ে বললেন “সামিআল্লাহু লিমান হামিদা” তারপর দীর্ঘ কিরাআত পড়লেন কিন্তু তা দ্বিতীয় কিয়ামের প্রথম কিরাআত থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তাকবীর বললেন ও দীর্ঘ রুকূ করলেন কিন্তু তা পূর্ববর্তী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তাকবীর বললেন ও তাঁর মাথা উঠালেন এবং বললেন, “সামিআল্লাহু লিমান হামিদা”। পরে তাকবীর বললেন ও সিজদা করলেন আর তা তাঁর পূর্ববর্তী সিজদা থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তাশাহুদ পড়লেন ও সালাম ফিরালেন। পরে তাঁদের সামনে দাঁড়ালেন এবং আল্লাহ্‌ তা‘আলার প্রশংসা ও তা’রীফ করলেন। পরে বললেন, চন্দ্র-সূর্যের গ্রহণ কারো জন্ম-মৃত্যুর কারণে হয় না, বরং তারা হল আল্লাহ্‌র নিদর্শনসমূহের দু’টি নিদর্শন। অতএব, তাদের যে কোন একটিতে যদি গ্রহণ লেগে যায়, তা হলে তোমরা সালাত আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার সূর্য গ্রহণ লেগে গেলে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে নির্দেশ দিলে সে আওয়াজ দিল যে, সালাত অনুষ্ঠিত হবে। অতএব লোকেরা একত্রিত হয়ে গেলে তিনি তাঁদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তারপর তিনি তাকবীর বললেন এবং দীর্ঘ কিরাআত পড়লেন। তারপর তাকবীর বললেন ও দীর্ঘ রুকূ করলেন। তাঁর কিয়ামের ন্যায় অথবা তার চেয়েও দীর্ঘ। তারপর তাঁর মাথা উঠিয়ে “সামি আল্লাহু লিমান হামিদা” বললেন। পরে দীর্ঘ কিরাআত পড়লেন কিন্তু তা পূর্ববর্তী কিরাআত থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তাকবীর বললেন ও দীর্ঘ রুকূ করলেন কিন্তু তা পূর্ববর্তী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তাঁর মাথা উঠিয়ে “সামিআল্লাহু লিমান হামিদা” বললেন। তারপর তাকবীর বললেন ও দীর্ঘ সিজদা করলেন তাঁর রুকূর ন্যায় অথবা তার চেয়েও দীর্ঘ। তারপর তাকবীর বললেন ও তাঁর মাথা উঠালেন পরে তাকবীর বললেন ও সিজদায় গেলেন। তারপর তাকবীর বলে দাঁড়ালেন এবং দীর্ঘ কিরাআত পড়লেন। কিন্তু তা পূর্ববর্তী কিরাআত থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তাকবীর বললেন ও দীর্ঘ রুকূ করলেন কিন্তু তা পূর্ববর্তী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তাঁর মাথা উঠিয়ে বললেন “সামিআল্লাহু লিমান হামিদা” তারপর দীর্ঘ কিরাআত পড়লেন কিন্তু তা দ্বিতীয় কিয়ামের প্রথম কিরাআত থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তাকবীর বললেন ও দীর্ঘ রুকূ করলেন কিন্তু তা পূর্ববর্তী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তাকবীর বললেন ও তাঁর মাথা উঠালেন এবং বললেন, “সামিআল্লাহু লিমান হামিদা”। পরে তাকবীর বললেন ও সিজদা করলেন আর তা তাঁর পূর্ববর্তী সিজদা থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর তাশাহুদ পড়লেন ও সালাম ফিরালেন। পরে তাঁদের সামনে দাঁড়ালেন এবং আল্লাহ্‌ তা‘আলার প্রশংসা ও তা’রীফ করলেন। পরে বললেন, চন্দ্র-সূর্যের গ্রহণ কারো জন্ম-মৃত্যুর কারণে হয় না, বরং তারা হল আল্লাহ্‌র নিদর্শনসমূহের দু’টি নিদর্শন। অতএব, তাদের যে কোন একটিতে যদি গ্রহণ লেগে যায়, তা হলে তোমরা সালাত আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও।

أخبرني عمرو بن عثمان بن سعيد بن كثير، عن الوليد، عن عبد الرحمن بن نمر، أنه سأل الزهري، عن سنة صلاة الكسوف، فقال: أخبرني عروة بن الزبير، عن عائشة، قالت: كسفت الشمس فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا فنادى: أن الصلاة جامعة، فاجتمع الناس، فصلى بهم رسول الله صلى الله عليه وسلم، فكبر، ثم قرأ قراءة طويلة، ثم كبر فركع ركوعا طويلا مثل قيامه أو أطول، ثم رفع رأسه، وقال: «سمع الله لمن حمده»، ثم قرأ قراءة طويلة هي أدنى من القراءة الأولى، ثم كبر فركع ركوعا طويلا هو أدنى من الركوع الأول، ثم رفع رأسه، فقال: «سمع الله لمن حمده»، ثم كبر فسجد سجودا طويلا مثل ركوعه أو أطول، ثم كبر فرفع رأسه، ثم كبر فسجد، ثم كبر، فقام، فقرأ قراءة طويلة هي أدنى من الأولى، ثم كبر، ثم ركع ركوعا طويلا هو أدنى من الركوع الأول، ثم رفع رأسه، فقال: «سمع الله لمن حمده»، ثم قرأ قراءة طويلة وهي أدنى من القراءة الأولى في القيام الثاني، ثم كبر فركع ركوعا طويلا دون الركوع الأول، ثم كبر فرفع رأسه، فقال: «سمع الله لمن حمده»، ثم كبر فسجد أدنى من سجوده الأول، ثم تشهد، ثم سلم فقام فيهم فحمد الله وأثنى عليه، ثم قال: «إن الشمس والقمر لا ينخسفان لموت أحد ولا لحياته، ولكنهما آيتان من آيات الله، فأيهما خسف به أو بأحدهما فافزعوا إلى الله عز وجل بذكر الصلاة»


সুনান নাসাঈ > গ্রহণকালীন সালাত আদায় করার পর মিম্বরে বসা

সুনান নাসাঈ ১৪৯৯

أخبرنا محمد بن سلمة، عن ابن وهب، عن عمرو بن الحارث، عن يحيى بن سعيد، أن عمرة حدثته، أن عائشة، قالت: إن النبي صلى الله عليه وسلم خرج مخرجا فخسف بالشمس، فخرجنا إلى الحجرة فاجتمع إلينا نساء، وأقبل إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم وذلك ضحوة، فقام قياما طويلا، ثم ركع ركوعا طويلا، ثم رفع رأسه فقام دون القيام الأول، ثم ركع دون ركوعه، ثم سجد، ثم قام الثانية فصنع مثل ذلك إلا أن قيامه وركوعه دون الركعة الأولى، ثم سجد وتجلت الشمس، فلما انصرف قعد على المنبر، فقال فيما يقول: «إن الناس يفتنون في قبورهم كفتنة الدجال» مختصر

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার কিছুক্ষণের জন্য বের হয়ে গেলেন। ইত্যবসরে সূর্যগ্রহণ লেগে গেল। তখন আমরা হুজরা অভিমুখে বের হয়ে গেলাম। আমাদের কাছে অন্যান্য মহিলারাও একত্রিত হয়ে গেল, আর রাসূলু্ল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও আমাদের কাছে আসলেন, তখন ছিল সূর্যোদয় এবং দ্বিপ্রহরের মধ্যবর্তী সময়। তিনি কিয়াম করলেন এবং তা দীর্ঘ করলেন। তারপর রুকূ করলেন এবং তাও দীর্ঘ করলেন। তারপর তাঁর মাথা উঠালেন ও দাঁড়ালেন, কিন্তু তা পূর্ববর্তী দাঁড়ানো অপেক্ষা সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর রুকূ করলেন তাঁর (পূর্ববর্তী) রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত। এরপর সিজদা করলেন ও দ্বিতীয় রাকাআতে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং তাতে অনৃরূপই করলেন। কিন্তু তাঁর কিয়াম এবং রুকূ প্রথম রাকাআত থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর সিজদা করলেন আর সূর্য আলোকিত হয়ে গেল। পরে যখন সালাম ফিরালেন, তখন মিম্বরের উপর বসলেন এবং তাঁর বক্তব্য বললেন, মানুষ তাদের কবরে দাজ্জালের পরীক্ষার ন্যায় পরীক্ষার সম্মুখীন হবে।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার কিছুক্ষণের জন্য বের হয়ে গেলেন। ইত্যবসরে সূর্যগ্রহণ লেগে গেল। তখন আমরা হুজরা অভিমুখে বের হয়ে গেলাম। আমাদের কাছে অন্যান্য মহিলারাও একত্রিত হয়ে গেল, আর রাসূলু্ল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও আমাদের কাছে আসলেন, তখন ছিল সূর্যোদয় এবং দ্বিপ্রহরের মধ্যবর্তী সময়। তিনি কিয়াম করলেন এবং তা দীর্ঘ করলেন। তারপর রুকূ করলেন এবং তাও দীর্ঘ করলেন। তারপর তাঁর মাথা উঠালেন ও দাঁড়ালেন, কিন্তু তা পূর্ববর্তী দাঁড়ানো অপেক্ষা সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর রুকূ করলেন তাঁর (পূর্ববর্তী) রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত। এরপর সিজদা করলেন ও দ্বিতীয় রাকাআতে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং তাতে অনৃরূপই করলেন। কিন্তু তাঁর কিয়াম এবং রুকূ প্রথম রাকাআত থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর সিজদা করলেন আর সূর্য আলোকিত হয়ে গেল। পরে যখন সালাম ফিরালেন, তখন মিম্বরের উপর বসলেন এবং তাঁর বক্তব্য বললেন, মানুষ তাদের কবরে দাজ্জালের পরীক্ষার ন্যায় পরীক্ষার সম্মুখীন হবে।

أخبرنا محمد بن سلمة، عن ابن وهب، عن عمرو بن الحارث، عن يحيى بن سعيد، أن عمرة حدثته، أن عائشة، قالت: إن النبي صلى الله عليه وسلم خرج مخرجا فخسف بالشمس، فخرجنا إلى الحجرة فاجتمع إلينا نساء، وأقبل إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم وذلك ضحوة، فقام قياما طويلا، ثم ركع ركوعا طويلا، ثم رفع رأسه فقام دون القيام الأول، ثم ركع دون ركوعه، ثم سجد، ثم قام الثانية فصنع مثل ذلك إلا أن قيامه وركوعه دون الركعة الأولى، ثم سجد وتجلت الشمس، فلما انصرف قعد على المنبر، فقال فيما يقول: «إن الناس يفتنون في قبورهم كفتنة الدجال» مختصر


সুনান নাসাঈ > গ্রহণকালীন (সালাতের পর) খুৎবার প্রকার

সুনান নাসাঈ ১৫০১

أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: حدثنا أبو داود الحفري، عن سفيان، عن الأسود بن قيس، عن ثعلبة بن عباد، عن سمرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم خطب حين انكسفت الشمس فقال: «أما بعد

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুৎবা দিলেন যখন সূর্য গ্রহণ লেগে গেল। খুৎবাতে তিনি হাম্‌দ ও ছানার পর বললেন : أَمَّا بَعْدُ

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুৎবা দিলেন যখন সূর্য গ্রহণ লেগে গেল। খুৎবাতে তিনি হাম্‌দ ও ছানার পর বললেন : أَمَّا بَعْدُ

أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: حدثنا أبو داود الحفري، عن سفيان، عن الأسود بن قيس، عن ثعلبة بن عباد، عن سمرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم خطب حين انكسفت الشمس فقال: «أما بعد


সুনান নাসাঈ ১৫০০

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: حدثنا عبدة، قال: حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت: خسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقام فصلى، فأطال القيام جدا، ثم ركع، فأطال الركوع جدا، ثم رفع، فأطال القيام جدا وهو دون القيام الأول، ثم ركع، فأطال الركوع وهو دون الركوع الأول، ثم سجد، ثم رفع رأسه، فأطال القيام وهو دون القيام الأول، ثم ركع، فأطال الركوع وهو دون الركوع الأول، ثم رفع، فأطال القيام وهو دون القيام الأول، ثم ركع، فأطال الركوع وهو دون الركوع الأول، ثم سجد، ففرغ من صلاته وقد جلي عن الشمس، فخطب الناس، فحمد الله وأثنى عليه، ثم قال: «إن الشمس والقمر لا ينكسفان لموت أحد ولا لحياته، فإذا رأيتم ذلك فصلوا وتصدقوا، واذكروا الله عز وجل»، وقال: «يا أمة محمد، إنه ليس أحد أغير من الله عز وجل أن يزني عبده أو أمته، يا أمة محمد، لو تعلمون ما أعلم لضحكتم قليلا ولبكيتم كثيرا»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে সূর্য গ্রহণ লেগে গেল। তখন তিনি দাঁড়ালেন ও সালাত আদায় করতে লাগলেন। তিনি কিয়ামকে খুব দীর্ঘ করলেন। তারপর রুকূ করলেন এবং রুকূকেও খুব দীর্ঘ করলেন। তারপর মাথা উঠালেন আর কিয়ামকেও খুব দীর্ঘ করলেন, কিন্তু তা পূর্ববর্তী কিয়াম থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর রুকূ করলেন এবং রুকূকেও দীর্ঘ করলেন কিন্তু তা পূর্ববর্তী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। এরপর সিজদা করলেন। পরে তাঁর মাথা উঠালেন আর কিয়ামকে দীর্ঘ করলেন। কিন্তু তা পূর্ববর্তী কিয়াম থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর রুকূ করলেন এবং রুকূকেও দীর্ঘ করলেন, কিন্তু তা পূর্ববর্তী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। এরপর মাথা উঠালেন এবং কিয়ামকে দীর্ঘ করলেন, কিন্তু তা পূর্ববর্তী কিয়াম থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর রুকূ করলেন এবং রুকূকে দীর্ঘ করলেন আর তা পূর্ববর্তী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। এরপর সিজদা করলেন। তারপর সালাত থেকে অবসর হয়ে গেলেন। ইত্যবসরে সূর্য আলোকিত হয়ে গেল। এরপর তিনি মানুষদের লক্ষ্য করে খুতবা দিলেন এবং আল্লাহ্‌ তাআলার তা‘রীফ ও প্রশংসা করলেন। তারপর বললেন, কারো জন্ম-মৃত্যুর কারণে চন্দ্র-সূর্যের গ্রহণ হয় না। অতএব যখন তোমরা তা দেখবে, তখন সালাত আদায় করবে এবং সদকা করবে ও আল্লাহ্‌র স্মরণ করবে। তিনি আরও বললেন, হে উম্মাতে মুহাম্মাদী! কেউ আল্লাহ্‌ তাআলা থেকে বেশী আত্মমর্যাদাশীল নয় যে, তাঁর কোন বান্দা অথবা বাঁদী ব্যভিচার করবে। হে উম্মাতে মুহাম্মাদী! আমি যা জানি তা যদি তোমরা জানতে তাহলে অবশ্যই তোমরা কম হাসতে এবং অধিক কাঁদতে।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে সূর্য গ্রহণ লেগে গেল। তখন তিনি দাঁড়ালেন ও সালাত আদায় করতে লাগলেন। তিনি কিয়ামকে খুব দীর্ঘ করলেন। তারপর রুকূ করলেন এবং রুকূকেও খুব দীর্ঘ করলেন। তারপর মাথা উঠালেন আর কিয়ামকেও খুব দীর্ঘ করলেন, কিন্তু তা পূর্ববর্তী কিয়াম থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর রুকূ করলেন এবং রুকূকেও দীর্ঘ করলেন কিন্তু তা পূর্ববর্তী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। এরপর সিজদা করলেন। পরে তাঁর মাথা উঠালেন আর কিয়ামকে দীর্ঘ করলেন। কিন্তু তা পূর্ববর্তী কিয়াম থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর রুকূ করলেন এবং রুকূকেও দীর্ঘ করলেন, কিন্তু তা পূর্ববর্তী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। এরপর মাথা উঠালেন এবং কিয়ামকে দীর্ঘ করলেন, কিন্তু তা পূর্ববর্তী কিয়াম থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর রুকূ করলেন এবং রুকূকে দীর্ঘ করলেন আর তা পূর্ববর্তী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। এরপর সিজদা করলেন। তারপর সালাত থেকে অবসর হয়ে গেলেন। ইত্যবসরে সূর্য আলোকিত হয়ে গেল। এরপর তিনি মানুষদের লক্ষ্য করে খুতবা দিলেন এবং আল্লাহ্‌ তাআলার তা‘রীফ ও প্রশংসা করলেন। তারপর বললেন, কারো জন্ম-মৃত্যুর কারণে চন্দ্র-সূর্যের গ্রহণ হয় না। অতএব যখন তোমরা তা দেখবে, তখন সালাত আদায় করবে এবং সদকা করবে ও আল্লাহ্‌র স্মরণ করবে। তিনি আরও বললেন, হে উম্মাতে মুহাম্মাদী! কেউ আল্লাহ্‌ তাআলা থেকে বেশী আত্মমর্যাদাশীল নয় যে, তাঁর কোন বান্দা অথবা বাঁদী ব্যভিচার করবে। হে উম্মাতে মুহাম্মাদী! আমি যা জানি তা যদি তোমরা জানতে তাহলে অবশ্যই তোমরা কম হাসতে এবং অধিক কাঁদতে।

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: حدثنا عبدة، قال: حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت: خسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقام فصلى، فأطال القيام جدا، ثم ركع، فأطال الركوع جدا، ثم رفع، فأطال القيام جدا وهو دون القيام الأول، ثم ركع، فأطال الركوع وهو دون الركوع الأول، ثم سجد، ثم رفع رأسه، فأطال القيام وهو دون القيام الأول، ثم ركع، فأطال الركوع وهو دون الركوع الأول، ثم رفع، فأطال القيام وهو دون القيام الأول، ثم ركع، فأطال الركوع وهو دون الركوع الأول، ثم سجد، ففرغ من صلاته وقد جلي عن الشمس، فخطب الناس، فحمد الله وأثنى عليه، ثم قال: «إن الشمس والقمر لا ينكسفان لموت أحد ولا لحياته، فإذا رأيتم ذلك فصلوا وتصدقوا، واذكروا الله عز وجل»، وقال: «يا أمة محمد، إنه ليس أحد أغير من الله عز وجل أن يزني عبده أو أمته، يا أمة محمد، لو تعلمون ما أعلم لضحكتم قليلا ولبكيتم كثيرا»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00