সুনান নাসাঈ > সূর্য গ্রহণকালীন সালাতে কিরাআতের পরিমাণ

সুনান নাসাঈ ১৪৯৩

أخبرنا محمد بن سلمة، قال: حدثنا ابن القاسم، عن مالك، قال: حدثني زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن عبد الله بن عباس، قال: خسفت الشمس، فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم والناس معه، فقام قياما طويلا، قرأ نحوا من سورة البقرة قال: ثم ركع ركوعا طويلا، ثم رفع فقام قياما طويلا وهو دون القيام الأول، ثم ركع ركوعا طويلا وهو دون الركوع الأول، ثم سجد، ثم قام قياما طويلا وهو دون القيام الأول، ثم ركع ركوعا طويلا وهو دون الركوع الأول، ثم رفع فقام قياما طويلا وهو دون القيام الأول، ثم ركع ركوعا طويلا وهو دون الركوع الأول، ثم سجد، ثم انصرف، وقد تجلت الشمس، فقال: «إن الشمس والقمر آيتان من آيات الله لا يخسفان لموت أحد ولا لحياته، فإذا رأيتم ذلك فاذكروا الله عز وجل» قالوا: يا رسول الله، رأيناك تناولت شيئا في مقامك هذا، ثم رأيناك تكعكعت، قال: «إني رأيت الجنة - أو أريت الجنة - فتناولت منها عنقودا، ولو أخذته لأكلتم منه ما بقيت الدنيا، ورأيت النار فلم أر كاليوم منظرا قط، ورأيت أكثر أهلها النساء» قالوا: لم يا رسول الله؟ قال: «بكفرهن»، قيل: يكفرن بالله؟ قال: " يكفرن العشير، ويكفرن الإحسان، لو أحسنت إلى إحداهن الدهر ثم رأت منك شيئا قالت: ما رأيت منك خيرا قط "

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার সূর্যগ্রহণ লেগে গেল, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন। অন্যান্য মানুষও তাঁর সাথে ছিল, তিনি দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে তাতে সূরা বাকারার পরিমাণ কিরাআত আদায় করলেন। তিনি বলেন, তারপর দীর্ঘক্ষণ রুকূ করলেন, তারপর মাথা উঠিয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ালেন কিন্তু তা পূর্ববর্তী দাঁড়ানো থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর দীর্ঘক্ষণ রূকু করলেন আর তা পূর্ববর্তী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল, তারপর সিজদা করলেন, পরে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ালেন। কিন্তু তা পূর্ববর্তী দাঁড়ানো থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। এরপর দীর্ঘক্ষণ রুকূ করলেন, আর তা পূর্ববর্তী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল, এরপর মাথা উঠিয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ালেন আর তা পূর্ববর্তী দাঁড়ানো থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। পুনরায় দীর্ঘ রুকূ করলেন, আর তা পূর্ববর্তী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর সিজদা করলেন, আর এভাবে সালাত শেষ করলেন। ইত্যবসরে সূর্য আলোকিত হয়ে গিয়েছিল। তিনি বললেন, চন্দ্র-সূর্য আল্লাহ্‌র নিদর্শন সমূহের দু’টি নিদর্শন, কারো জন্ম মৃত্যুর কারণে তাদের গ্রহণ হয় না। অতএব, তোমরা যখন তা দেখবে তখন তোমরা আল্লাহ্‌র স্মরণ করবে। তাঁরা (সাহাবীগণ) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা দেখলাম যে, আপনি আপনার এ স্থানে কোন কিছু ধরতে চাইলেন। তারপর আপনাকে দেখলাম যে, আপনি পিছু হটে গেলেন। তিনি বললেন, আমি জান্নাত দেখলাম অথবা আমাকে তা দেখানো হলো। আমি তা থেকে একটি আঙ্গুরের ছড়া নিতে চাইলাম। যদি আমি তা নিতাম তাহলে অবশ্যই তোমরা তা থেকে পৃথিবী বিদ্যমান থাকা অবধি খেতে পারতে, আর আমি জাহান্নামও দেখলাম। আমি আজ যে দৃশ্য দেখেছি তা আর কখনো দেখিনি। আর আমি তার অধিকাংশ অধিবাসী নারীদেরকে দেখেছি, তাঁরা বলল, (এরূপ) কেন? ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বললেন, তাদের নাশোকরীর কারণে। বলা হল, তারা কি আল্লাহ্‌র না শোকরী করে? তিনি বললেন, তারা স্বামীর না শোকরী করে, তারা অনুগ্রহের না শোকরী করে। যদি তুমি তাদের কারো প্রতি সুদীর্ঘকাল অনুগ্রহ করে থাক, তারপর যদি তোমার কাছে অমনোপূত সামান্য কোন কিছুও দেখতে পায়, তাহলে বলবে, আমি তোমার কাছে মনোপূত কোন কিছু কখনো দেখিনি।

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার সূর্যগ্রহণ লেগে গেল, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন। অন্যান্য মানুষও তাঁর সাথে ছিল, তিনি দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে তাতে সূরা বাকারার পরিমাণ কিরাআত আদায় করলেন। তিনি বলেন, তারপর দীর্ঘক্ষণ রুকূ করলেন, তারপর মাথা উঠিয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ালেন কিন্তু তা পূর্ববর্তী দাঁড়ানো থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর দীর্ঘক্ষণ রূকু করলেন আর তা পূর্ববর্তী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল, তারপর সিজদা করলেন, পরে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ালেন। কিন্তু তা পূর্ববর্তী দাঁড়ানো থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। এরপর দীর্ঘক্ষণ রুকূ করলেন, আর তা পূর্ববর্তী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল, এরপর মাথা উঠিয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ালেন আর তা পূর্ববর্তী দাঁড়ানো থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। পুনরায় দীর্ঘ রুকূ করলেন, আর তা পূর্ববর্তী রুকূ থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর সিজদা করলেন, আর এভাবে সালাত শেষ করলেন। ইত্যবসরে সূর্য আলোকিত হয়ে গিয়েছিল। তিনি বললেন, চন্দ্র-সূর্য আল্লাহ্‌র নিদর্শন সমূহের দু’টি নিদর্শন, কারো জন্ম মৃত্যুর কারণে তাদের গ্রহণ হয় না। অতএব, তোমরা যখন তা দেখবে তখন তোমরা আল্লাহ্‌র স্মরণ করবে। তাঁরা (সাহাবীগণ) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা দেখলাম যে, আপনি আপনার এ স্থানে কোন কিছু ধরতে চাইলেন। তারপর আপনাকে দেখলাম যে, আপনি পিছু হটে গেলেন। তিনি বললেন, আমি জান্নাত দেখলাম অথবা আমাকে তা দেখানো হলো। আমি তা থেকে একটি আঙ্গুরের ছড়া নিতে চাইলাম। যদি আমি তা নিতাম তাহলে অবশ্যই তোমরা তা থেকে পৃথিবী বিদ্যমান থাকা অবধি খেতে পারতে, আর আমি জাহান্নামও দেখলাম। আমি আজ যে দৃশ্য দেখেছি তা আর কখনো দেখিনি। আর আমি তার অধিকাংশ অধিবাসী নারীদেরকে দেখেছি, তাঁরা বলল, (এরূপ) কেন? ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বললেন, তাদের নাশোকরীর কারণে। বলা হল, তারা কি আল্লাহ্‌র না শোকরী করে? তিনি বললেন, তারা স্বামীর না শোকরী করে, তারা অনুগ্রহের না শোকরী করে। যদি তুমি তাদের কারো প্রতি সুদীর্ঘকাল অনুগ্রহ করে থাক, তারপর যদি তোমার কাছে অমনোপূত সামান্য কোন কিছুও দেখতে পায়, তাহলে বলবে, আমি তোমার কাছে মনোপূত কোন কিছু কখনো দেখিনি।

أخبرنا محمد بن سلمة، قال: حدثنا ابن القاسم، عن مالك، قال: حدثني زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن عبد الله بن عباس، قال: خسفت الشمس، فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم والناس معه، فقام قياما طويلا، قرأ نحوا من سورة البقرة قال: ثم ركع ركوعا طويلا، ثم رفع فقام قياما طويلا وهو دون القيام الأول، ثم ركع ركوعا طويلا وهو دون الركوع الأول، ثم سجد، ثم قام قياما طويلا وهو دون القيام الأول، ثم ركع ركوعا طويلا وهو دون الركوع الأول، ثم رفع فقام قياما طويلا وهو دون القيام الأول، ثم ركع ركوعا طويلا وهو دون الركوع الأول، ثم سجد، ثم انصرف، وقد تجلت الشمس، فقال: «إن الشمس والقمر آيتان من آيات الله لا يخسفان لموت أحد ولا لحياته، فإذا رأيتم ذلك فاذكروا الله عز وجل» قالوا: يا رسول الله، رأيناك تناولت شيئا في مقامك هذا، ثم رأيناك تكعكعت، قال: «إني رأيت الجنة - أو أريت الجنة - فتناولت منها عنقودا، ولو أخذته لأكلتم منه ما بقيت الدنيا، ورأيت النار فلم أر كاليوم منظرا قط، ورأيت أكثر أهلها النساء» قالوا: لم يا رسول الله؟ قال: «بكفرهن»، قيل: يكفرن بالله؟ قال: " يكفرن العشير، ويكفرن الإحسان، لو أحسنت إلى إحداهن الدهر ثم رأت منك شيئا قالت: ما رأيت منك خيرا قط "


সুনান নাসাঈ > গ্রহণকালীন সালাতে উচ্চস্বরে কিরাআত পড়া

সুনান নাসাঈ ১৪৯৪

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا الوليد، قال: حدثنا عبد الرحمن بن نمر، أنه سمع الزهري يحدث، عن عروة، عن عائشة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، أنه صلى أربع ركعات في أربع سجدات، وجهر فيها بالقراءة كلما رفع رأسه قال: «سمع الله لمن حمده ربنا ولك الحمد»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, তিনি চার রাকাআত সালাত আদায় করেছিলেন চার সিজদা দ্বারা এবং তাতে কিরাআত উচ্চস্বরে পড়েছিলেন। যখন মাথা তুলতেন বলতেন, “সামি আল্লাহু লিমান হামিদা, রাব্বানা ওয়া লাকাল হাম্‌দ।”

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, তিনি চার রাকাআত সালাত আদায় করেছিলেন চার সিজদা দ্বারা এবং তাতে কিরাআত উচ্চস্বরে পড়েছিলেন। যখন মাথা তুলতেন বলতেন, “সামি আল্লাহু লিমান হামিদা, রাব্বানা ওয়া লাকাল হাম্‌দ।”

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا الوليد، قال: حدثنا عبد الرحمن بن نمر، أنه سمع الزهري يحدث، عن عروة، عن عائشة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، أنه صلى أربع ركعات في أربع سجدات، وجهر فيها بالقراءة كلما رفع رأسه قال: «سمع الله لمن حمده ربنا ولك الحمد»


সুনান নাসাঈ > গ্রহণকালীন সালাতে উচ্চস্বরে কিরাআত না পড়া

সুনান নাসাঈ ১৪৯৫

أخبرنا عمرو بن منصور، قال: حدثنا أبو نعيم، قال: حدثنا سفيان، عن الأسود بن قيس، عن ابن عباد، رجل من بني عبد القيس، عن سمرة، «أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى بهم في كسوف الشمس لا نسمع له صوتا»

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁদের নিয়ে সূর্য-গ্রহণকালীন সালাত আদায় করলেন, আমরা (তাতে) তাঁর আওয়াজ শুনিনি।

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁদের নিয়ে সূর্য-গ্রহণকালীন সালাত আদায় করলেন, আমরা (তাতে) তাঁর আওয়াজ শুনিনি।

أخبرنا عمرو بن منصور، قال: حدثنا أبو نعيم، قال: حدثنا سفيان، عن الأسود بن قيس، عن ابن عباد، رجل من بني عبد القيس، عن سمرة، «أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى بهم في كسوف الشمس لا نسمع له صوتا»


সুনান নাসাঈ > গ্রহণকালীন সালাতে সিজদায় কথা বলা

সুনান নাসাঈ ১৪৯৬

أخبرنا عبد الله بن محمد بن عبد الرحمن بن المسور الزهري، قال: حدثنا غندر، عن شعبة، عن عطاء بن السائب، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، قال: كسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأطال القيام، ثم ركع فأطال الركوع، ثم رفع فأطال ـ قال شعبة: وأحسبه قال: في السجود نحو ذلك ـ وجعل يبكي في سجوده وينفخ ويقول: «رب لم تعدني هذا وأنا أستغفرك، لم تعدني هذا وأنا فيهم»، فلما صلى قال: " عرضت علي الجنة حتى لو مددت يدي تناولت من قطوفها، وعرضت علي النار فجعلت أنفخ خشية أن يغشاكم حرها، ورأيت فيها سارق بدنتي رسول الله صلى الله عليه وسلم، ورأيت فيها أخا بني دعدع سارق الحجيج، فإذا فطن له قال: هذا عمل المحجن، ورأيت فيها امرأة طويلة سوداء تعذب في هرة ربطتها، فلم تطعمها ولم تسقها، ولم تدعها تأكل من خشاش الأرض حتى ماتت، وإن الشمس والقمر لا ينكسفان لموت أحد ولا لحياته، ولكنهما آيتان من آيات الله، فإذا انكسفت إحداهما ـ أو قال: فعل أحدهما شيئا من ذلك ـ فاسعوا إلى ذكر الله عز وجل "

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে সূর্য গ্রহণ লেগে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করলেন, আর দাঁড়ানোকে দীর্ঘায়িত করলেন। তারপর রুকূ করলেন আর রুকূকেও দীর্ঘায়িত করলেন। তারপর মাথা উঠালেন এবং তাও (দাঁড়ানো) দীর্ঘায়িত করলেন। রাবী শু’বা (রহঃ) বলেন, আমি মনে করি যে, তিনি সিজদার ব্যাপারেও অনুরূপ বলেছেন এবং তিনি সিজদায় ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলেন। বলতে লাগলেন, ‘হে রব! আমি তোমার কাছে মাগফিরাত চাওয়াকালীন তুমি তো এরূপ আযাবের ওয়াদা করনি? আমি তাদের মাঝে অবস্থানকালীন তুমি তো আমার কাছে এরূপ আযাবের প্রতিশ্রুতি করনি।’ যখন তিনি সালাত আদায় করে নিলেন তখন বললেন, আমার সামনে জান্নাত উপস্থাপন করা হলো, এমনকি যদি আমি হস্ত প্রসারিত করতাম তাহলে তার ফল স্পর্শ করতে পারতাম। আমার সামনে জাহান্নামও উপস্থাপন করা হলো, আমি তাতে এই ভয়ে ফুঁক দিতে লাগলাম যে, তার তাপ তোমাদের গ্রাস করে ফেলে। আমি তাতে আমার (রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর) দুই উটনীর চোরকেও দেখলাম, আর আমি তাতে দা‘দা‘ গোত্রের এক ব্যক্তিকেও দেখলাম, যে হাজীদের মাল চুরি করত। যখন তার শাস্তি অনুভব হলো তখন সে বললো, এতো হল বক্র লাঠির কাজ। আমি তাতে এক দীর্ঘাকৃতির কৃষ্ণবর্ণের মহিলাকেও দেখলাম, তাকে এক বিড়ালের ব্যাপারে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। সে বিড়ালকে বেঁধে রেখেছিল। তাকে সে খাদ্যও খাওয়াত না এবং পানিও পান করাত না এবং ছেড়েও দিত না সে যমীনের পোকা-মাকড় খেয়ে জীবন ধারণ করতে পারতো। এমনিভাবে বিড়ালটি মারা গিয়েছিল। আর চন্দ্র-সূর্যের গ্রহণ কারো জন্ম মৃত্যুর কারণে হয় না বরং তারা হল আল্লাহ্‌র নিদর্শন সমূহের দু’টি নিদর্শন। অতএব, যখন তাদের কারো গ্রহণ লেগে যায় অথবা বলেছেন যে, তাদের কারো এমন ধরনের কিছু ঘটে যায় তখন তোমরা আল্লাহ্‌র স্মরণে ধাবিত হও।

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে সূর্য গ্রহণ লেগে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করলেন, আর দাঁড়ানোকে দীর্ঘায়িত করলেন। তারপর রুকূ করলেন আর রুকূকেও দীর্ঘায়িত করলেন। তারপর মাথা উঠালেন এবং তাও (দাঁড়ানো) দীর্ঘায়িত করলেন। রাবী শু’বা (রহঃ) বলেন, আমি মনে করি যে, তিনি সিজদার ব্যাপারেও অনুরূপ বলেছেন এবং তিনি সিজদায় ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলেন। বলতে লাগলেন, ‘হে রব! আমি তোমার কাছে মাগফিরাত চাওয়াকালীন তুমি তো এরূপ আযাবের ওয়াদা করনি? আমি তাদের মাঝে অবস্থানকালীন তুমি তো আমার কাছে এরূপ আযাবের প্রতিশ্রুতি করনি।’ যখন তিনি সালাত আদায় করে নিলেন তখন বললেন, আমার সামনে জান্নাত উপস্থাপন করা হলো, এমনকি যদি আমি হস্ত প্রসারিত করতাম তাহলে তার ফল স্পর্শ করতে পারতাম। আমার সামনে জাহান্নামও উপস্থাপন করা হলো, আমি তাতে এই ভয়ে ফুঁক দিতে লাগলাম যে, তার তাপ তোমাদের গ্রাস করে ফেলে। আমি তাতে আমার (রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর) দুই উটনীর চোরকেও দেখলাম, আর আমি তাতে দা‘দা‘ গোত্রের এক ব্যক্তিকেও দেখলাম, যে হাজীদের মাল চুরি করত। যখন তার শাস্তি অনুভব হলো তখন সে বললো, এতো হল বক্র লাঠির কাজ। আমি তাতে এক দীর্ঘাকৃতির কৃষ্ণবর্ণের মহিলাকেও দেখলাম, তাকে এক বিড়ালের ব্যাপারে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। সে বিড়ালকে বেঁধে রেখেছিল। তাকে সে খাদ্যও খাওয়াত না এবং পানিও পান করাত না এবং ছেড়েও দিত না সে যমীনের পোকা-মাকড় খেয়ে জীবন ধারণ করতে পারতো। এমনিভাবে বিড়ালটি মারা গিয়েছিল। আর চন্দ্র-সূর্যের গ্রহণ কারো জন্ম মৃত্যুর কারণে হয় না বরং তারা হল আল্লাহ্‌র নিদর্শন সমূহের দু’টি নিদর্শন। অতএব, যখন তাদের কারো গ্রহণ লেগে যায় অথবা বলেছেন যে, তাদের কারো এমন ধরনের কিছু ঘটে যায় তখন তোমরা আল্লাহ্‌র স্মরণে ধাবিত হও।

أخبرنا عبد الله بن محمد بن عبد الرحمن بن المسور الزهري، قال: حدثنا غندر، عن شعبة، عن عطاء بن السائب، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، قال: كسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأطال القيام، ثم ركع فأطال الركوع، ثم رفع فأطال ـ قال شعبة: وأحسبه قال: في السجود نحو ذلك ـ وجعل يبكي في سجوده وينفخ ويقول: «رب لم تعدني هذا وأنا أستغفرك، لم تعدني هذا وأنا فيهم»، فلما صلى قال: " عرضت علي الجنة حتى لو مددت يدي تناولت من قطوفها، وعرضت علي النار فجعلت أنفخ خشية أن يغشاكم حرها، ورأيت فيها سارق بدنتي رسول الله صلى الله عليه وسلم، ورأيت فيها أخا بني دعدع سارق الحجيج، فإذا فطن له قال: هذا عمل المحجن، ورأيت فيها امرأة طويلة سوداء تعذب في هرة ربطتها، فلم تطعمها ولم تسقها، ولم تدعها تأكل من خشاش الأرض حتى ماتت، وإن الشمس والقمر لا ينكسفان لموت أحد ولا لحياته، ولكنهما آيتان من آيات الله، فإذا انكسفت إحداهما ـ أو قال: فعل أحدهما شيئا من ذلك ـ فاسعوا إلى ذكر الله عز وجل "


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00