সুনান নাসাঈ > সালাত শেষে ফিরে যাওয়ার সময় ইমামের অগ্রে গমনের নিষেধাজ্ঞা
সুনান নাসাঈ ১৩৬৩
أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا علي بن مسهر، عن المختار ابن فلفل، عن أنس بن مالك، قال: صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم، ثم أقبل علينا بوجهه فقال: «إني إمامكم، فلا تبادروني بالركوع ولا بالسجود، ولا بالقيام ولا بالانصراف، فإني أراكم من أمامي ومن خلفي»، ثم قال: «والذي نفسي بيده، لو رأيتم ما رأيت لضحكتم قليلا ولبكيتم كثيرا» قلنا: ما رأيت يا رسول الله؟ قال: «رأيت الجنة والنار»
আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন, তারপর তিনি আমাদের দিকে তাঁর চেহারা ফিরিয়ে বললেন, আমি হলাম তোমাদের ইমাম। অতএব, তোমরা রুকুতে আমার আগে যাবে না। সিজদাতেও না, দাঁড়ানোতেও না এবং ফিরে যাবার সময়েও না। কেননা, আমি তোমাদের আমার সামনের দিক থেকেও দেখি এবং পেছনের দিক থেকেও। তারপর তিনি বললেন, ঐ আল্লাহর শপথ যাঁর কুদরতী হাতে আমার প্রাণ! যদি তোমরা ঐ জিনিস দেখতে যা আমি দেখেছি, তাহলে তোমরা অবশ্যই কম হাসতে এবং অধিক কাঁদতে। আমরা বললাম, আপনি কি দেখেছেন ইয়া রাসূলুল্লাহ ! তিনি বললেন, জান্নাত এবং জাহান্নাম।
আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন, তারপর তিনি আমাদের দিকে তাঁর চেহারা ফিরিয়ে বললেন, আমি হলাম তোমাদের ইমাম। অতএব, তোমরা রুকুতে আমার আগে যাবে না। সিজদাতেও না, দাঁড়ানোতেও না এবং ফিরে যাবার সময়েও না। কেননা, আমি তোমাদের আমার সামনের দিক থেকেও দেখি এবং পেছনের দিক থেকেও। তারপর তিনি বললেন, ঐ আল্লাহর শপথ যাঁর কুদরতী হাতে আমার প্রাণ! যদি তোমরা ঐ জিনিস দেখতে যা আমি দেখেছি, তাহলে তোমরা অবশ্যই কম হাসতে এবং অধিক কাঁদতে। আমরা বললাম, আপনি কি দেখেছেন ইয়া রাসূলুল্লাহ ! তিনি বললেন, জান্নাত এবং জাহান্নাম।
أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا علي بن مسهر، عن المختار ابن فلفل، عن أنس بن مالك، قال: صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم، ثم أقبل علينا بوجهه فقال: «إني إمامكم، فلا تبادروني بالركوع ولا بالسجود، ولا بالقيام ولا بالانصراف، فإني أراكم من أمامي ومن خلفي»، ثم قال: «والذي نفسي بيده، لو رأيتم ما رأيت لضحكتم قليلا ولبكيتم كثيرا» قلنا: ما رأيت يا رسول الله؟ قال: «رأيت الجنة والنار»
সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তি ইমামের সাথে তাঁর সালাম ফিরানো পর্যন্ত সালাত আদায় করে তাঁর সওয়াব
সুনান নাসাঈ ১৩৬৪
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا بشر وهو ابن المفضل قال: حدثنا داود بن أبي هند، عن الوليد بن عبد الرحمن، عن جبير بن نفير، عن أبي ذر، قال: صمنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم رمضان فلم يقم بنا النبي صلى الله عليه وسلم حتى بقي سبع من الشهر، فقام بنا حتى ذهب نحو من ثلث الليل، ثم كانت سادسة فلم يقم بنا، فلما كانت الخامسة قام بنا حتى ذهب نحو من شطر الليل، قلنا: يا رسول الله، لو نفلتنا قيام هذه الليلة، قال: «إن الرجل إذا صلى مع الإمام حتى ينصرف حسب له قيام ليلة»، قال: ثم كانت الرابعة فلم يقم بنا، فلما بقي ثلث من الشهر أرسل إلى بناته ونسائه، وحشد الناس، فقام بنا حتى خشينا أن يفوتنا الفلاح، ثم لم يقم بنا شيئا من الشهر، قال داود: قلت: ما الفلاح؟ قال: السحور
আবূ যর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা এক রমযানে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সিয়াম পালন করলাম, সেবার তিনি আমাদের সাথে তারাবীহ্র সালাত আদায় করলেন না, যত দিন পর্যন্ত না মাসের সাত দিন অবশিষ্ট রইল; তখন তিনি আমাদের সাথে তারাবীহ্র সালাত আদায় করলেন তাতে রাতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অতিবাহিত হয়ে গেল। তারপর যখন ছয়দিন অবশিষ্ট রইল, তখনও তিনি আমাদের সাথে তারাবীহ্র সালাত আদায় করলেন না। পরে যখন পাঁচ দিন অবশিষ্ট রইলো আবার তিনি আমাদের সাথে তারাবীহ্র সালাত আদায় করলেন এবং তাতে রাত্রের প্রায় অর্ধেক অতিবাহিত হয়ে গেল। আমরা বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ ! যদি আপনি আমাদের নিয়ে পুরো রাত তারাবীহ্র সালাত আদায় করতেন! তিনি বললেন, কোন ব্যক্তি যখন ইমামের সাথে সালাম ফিরিয়ে সালাত থেকে বের হওয়া পর্যন্ত তার সালাত আদায় করে তার জন্য এক পূর্ণ রাত সালাত আদায় করার সওয়াব লেখা হয়। তারপর যখন চারদিন অবশিষ্ট রইল তিনি তখনও আমাদের নিয়ে তারাবীহ্র সালাত আদায় করলেন না। তারপর যখন মাসের তিনদিন অবশিষ্ট রইল, তিনি তাঁর কন্যা এবং স্ত্রীগণের কাছে লোক পাঠালেন এবং সাহাবীগণকে একত্র করলেন এবং আমাদের নিয়ে তারাবীহ্র সালাত এমনিভাবে আদায় করলেন যে, আমরা ভয় পেয়ে গেলাম- আমরা ফালাহ-এর সময় না হারিয়ে ফেলি। তারপর তিনি আমাদের নিয়ে ঐ মাসের আর কোনদিন তারাবীহ্র সালাত আদায় করেননি। রাবী দাঊদ (রহঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ‘ফালাহ’-এর অর্থ কি? তিনি বললেন, সাহরী খাওয়া।
আবূ যর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা এক রমযানে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সিয়াম পালন করলাম, সেবার তিনি আমাদের সাথে তারাবীহ্র সালাত আদায় করলেন না, যত দিন পর্যন্ত না মাসের সাত দিন অবশিষ্ট রইল; তখন তিনি আমাদের সাথে তারাবীহ্র সালাত আদায় করলেন তাতে রাতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অতিবাহিত হয়ে গেল। তারপর যখন ছয়দিন অবশিষ্ট রইল, তখনও তিনি আমাদের সাথে তারাবীহ্র সালাত আদায় করলেন না। পরে যখন পাঁচ দিন অবশিষ্ট রইলো আবার তিনি আমাদের সাথে তারাবীহ্র সালাত আদায় করলেন এবং তাতে রাত্রের প্রায় অর্ধেক অতিবাহিত হয়ে গেল। আমরা বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ ! যদি আপনি আমাদের নিয়ে পুরো রাত তারাবীহ্র সালাত আদায় করতেন! তিনি বললেন, কোন ব্যক্তি যখন ইমামের সাথে সালাম ফিরিয়ে সালাত থেকে বের হওয়া পর্যন্ত তার সালাত আদায় করে তার জন্য এক পূর্ণ রাত সালাত আদায় করার সওয়াব লেখা হয়। তারপর যখন চারদিন অবশিষ্ট রইল তিনি তখনও আমাদের নিয়ে তারাবীহ্র সালাত আদায় করলেন না। তারপর যখন মাসের তিনদিন অবশিষ্ট রইল, তিনি তাঁর কন্যা এবং স্ত্রীগণের কাছে লোক পাঠালেন এবং সাহাবীগণকে একত্র করলেন এবং আমাদের নিয়ে তারাবীহ্র সালাত এমনিভাবে আদায় করলেন যে, আমরা ভয় পেয়ে গেলাম- আমরা ফালাহ-এর সময় না হারিয়ে ফেলি। তারপর তিনি আমাদের নিয়ে ঐ মাসের আর কোনদিন তারাবীহ্র সালাত আদায় করেননি। রাবী দাঊদ (রহঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ‘ফালাহ’-এর অর্থ কি? তিনি বললেন, সাহরী খাওয়া।
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا بشر وهو ابن المفضل قال: حدثنا داود بن أبي هند، عن الوليد بن عبد الرحمن، عن جبير بن نفير، عن أبي ذر، قال: صمنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم رمضان فلم يقم بنا النبي صلى الله عليه وسلم حتى بقي سبع من الشهر، فقام بنا حتى ذهب نحو من ثلث الليل، ثم كانت سادسة فلم يقم بنا، فلما كانت الخامسة قام بنا حتى ذهب نحو من شطر الليل، قلنا: يا رسول الله، لو نفلتنا قيام هذه الليلة، قال: «إن الرجل إذا صلى مع الإمام حتى ينصرف حسب له قيام ليلة»، قال: ثم كانت الرابعة فلم يقم بنا، فلما بقي ثلث من الشهر أرسل إلى بناته ونسائه، وحشد الناس، فقام بنا حتى خشينا أن يفوتنا الفلاح، ثم لم يقم بنا شيئا من الشهر، قال داود: قلت: ما الفلاح؟ قال: السحور
সুনান নাসাঈ > ইমামের জন্য মুসল্লীদের ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনে যাওয়ার অনুমতি
সুনান নাসাঈ ১৩৬৫
أخبرنا أحمد بن بكار الحراني، قال: حدثنا بشر بن السري، عن عمر بن سعيد بن أبي حسين النوفلي، عن ابن أبي مليكة، عن عقبة بن الحارث، قال: صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم العصر بالمدينة، ثم انصرف يتخطى رقاب الناس سريعا حتى تعجب الناس لسرعته، فتبعه بعض أصحابه، فدخل على بعض أزواجه، ثم خرج، فقال: «إني ذكرت وأنا في العصر شيئا من تبر كان عندنا، فكرهت أن يبيت عندنا فأمرت بقسمته»
উকবা ইব্ন হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে মদীনাতে একবার আসরের সালাত আদায় করলাম। তারপর তিনি সালাম ফিরিয়ে দ্রুত মুসল্লীদের ঘাড় ডিঙ্গিয়ে চলে গেলেন। মুসল্লীরা তাঁর দ্রুততায় আশ্চর্যান্বিত হয়ে গেলে, তাঁর কিছু সাহাবী তাঁকে অনুসরণ করলেন। পরে তিনি তাঁর কোনো এক বিবির কাছে গিয়ে বের হয়ে এলেন এবং বললেন, আসরের সালাত আদায়রত অবস্থায় আমার কাছে থাকা কিছু স্বর্ণের কথা মনে পড়লো। আমি সমীচীন মনে করলাম না যে, সেগুলো আমার কাছে রাতে থাকুক। অতএব, আমি সেগুলো বন্টন করে দেওয়ার আদেশ দিয়ে এসেছি।
উকবা ইব্ন হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে মদীনাতে একবার আসরের সালাত আদায় করলাম। তারপর তিনি সালাম ফিরিয়ে দ্রুত মুসল্লীদের ঘাড় ডিঙ্গিয়ে চলে গেলেন। মুসল্লীরা তাঁর দ্রুততায় আশ্চর্যান্বিত হয়ে গেলে, তাঁর কিছু সাহাবী তাঁকে অনুসরণ করলেন। পরে তিনি তাঁর কোনো এক বিবির কাছে গিয়ে বের হয়ে এলেন এবং বললেন, আসরের সালাত আদায়রত অবস্থায় আমার কাছে থাকা কিছু স্বর্ণের কথা মনে পড়লো। আমি সমীচীন মনে করলাম না যে, সেগুলো আমার কাছে রাতে থাকুক। অতএব, আমি সেগুলো বন্টন করে দেওয়ার আদেশ দিয়ে এসেছি।
أخبرنا أحمد بن بكار الحراني، قال: حدثنا بشر بن السري، عن عمر بن سعيد بن أبي حسين النوفلي، عن ابن أبي مليكة، عن عقبة بن الحارث، قال: صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم العصر بالمدينة، ثم انصرف يتخطى رقاب الناس سريعا حتى تعجب الناس لسرعته، فتبعه بعض أصحابه، فدخل على بعض أزواجه، ثم خرج، فقال: «إني ذكرت وأنا في العصر شيئا من تبر كان عندنا، فكرهت أن يبيت عندنا فأمرت بقسمته»
সুনান নাসাঈ > যখন কাউকে জিজ্ঞাসা করা হয় তুমি কি সালাত আদায় করেছ ? তখন সে কি ‘না’ বলবে?
সুনান নাসাঈ ১৩৬৬
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، ومحمد بن عبد الأعلى، قالا: حدثنا خالد وهو ابن الحارث، عن هشام، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن جابر بن عبد الله، أن عمر بن الخطاب، يوم الخندق بعد ما غربت الشمس جعل يسب كفار قريش، وقال: يا رسول الله، ما كدت أن أصلي حتى كادت الشمس تغرب، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فوالله ما صليتها»، فنزلنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى بطحان «فتوضأ للصلاة وتوضأنا لها، فصلى العصر بعد ما غربت الشمس، ثم صلى بعدها المغرب»
জাবির ইব্ন আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, উমর ইব্ন খাত্তাব (রাঃ) খন্দকের যুদ্ধের দিন সুর্যাস্তের পর কাফির কুরাইশদের গালমন্দ করতে লাগলেন এবং বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি আসরের সালাত আদায় না করতেই সূর্য অস্তমিত হওয়ার উপক্রম হয়ে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহর শপথ! আমিও তো উক্ত সালাত আদায় করিনি। তারপর আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে বুতহান১ নামক স্থানে অবতরণ করলাম। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতের জন্য ওযূ করলেন, আমরাও সালাতের জন্য ওযূ করলাম। তারপর তিনি সূর্য অস্ত যাওয়ার পর আসরের সালাত আদায় করলেন। পরে তিনি মাগরিবের সালাত আদায় করলেন।
জাবির ইব্ন আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, উমর ইব্ন খাত্তাব (রাঃ) খন্দকের যুদ্ধের দিন সুর্যাস্তের পর কাফির কুরাইশদের গালমন্দ করতে লাগলেন এবং বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি আসরের সালাত আদায় না করতেই সূর্য অস্তমিত হওয়ার উপক্রম হয়ে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহর শপথ! আমিও তো উক্ত সালাত আদায় করিনি। তারপর আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে বুতহান১ নামক স্থানে অবতরণ করলাম। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতের জন্য ওযূ করলেন, আমরাও সালাতের জন্য ওযূ করলাম। তারপর তিনি সূর্য অস্ত যাওয়ার পর আসরের সালাত আদায় করলেন। পরে তিনি মাগরিবের সালাত আদায় করলেন।
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، ومحمد بن عبد الأعلى، قالا: حدثنا خالد وهو ابن الحارث، عن هشام، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن جابر بن عبد الله، أن عمر بن الخطاب، يوم الخندق بعد ما غربت الشمس جعل يسب كفار قريش، وقال: يا رسول الله، ما كدت أن أصلي حتى كادت الشمس تغرب، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فوالله ما صليتها»، فنزلنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى بطحان «فتوضأ للصلاة وتوضأنا لها، فصلى العصر بعد ما غربت الشمس، ثم صلى بعدها المغرب»