সুনান নাসাঈ > তাশাহহুদের পর আর এক প্রকার যিকির

সুনান নাসাঈ ১৩১১

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن جابر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول في صلاته بعد التشهد: «أحسن الكلام كلام الله، وأحسن الهدي هدي محمد صلى الله عليه وسلم»

জাবির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতে তাশাহহুদের পর বলতেনঃ (আরবি)।

জাবির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতে তাশাহহুদের পর বলতেনঃ (আরবি)।

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن جابر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول في صلاته بعد التشهد: «أحسن الكلام كلام الله، وأحسن الهدي هدي محمد صلى الله عليه وسلم»


সুনান নাসাঈ > সালাত সংক্ষেপ করা

সুনান নাসাঈ ১৩১২

أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: حدثنا يحيى بن آدم، قال: حدثنا مالك وهو ابن مغول، عن طلحة بن مصرف، عن زيد بن وهب، عن حذيفة، أنه رأى رجلا يصلي فطفف، فقال له حذيفة: منذ كم تصلي هذه الصلاة؟ قال: منذ أربعين عاما، قال: «ما صليت منذ أربعين سنة، ولو مت وأنت تصلي هذه الصلاة لمت على غير فطرة محمد صلى الله عليه وسلم»، ثم قال: «إن الرجل ليخفف ويتم ويحسن»

হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, তিনি এক ব্যক্তিকে দেখলেন সে সালাত সংক্ষেপে আদায় করছে। হুযায়ফা (রাঃ) তাকে বললেন, তুমি কতদিন থেকে এভাবে সালাত আদায় করছ? সে বলল, চল্লিশ বছর যাবত। তিনি বললেন, তুমি চল্লিশ বছর যাবত সালাত আদায় করছ না (পরিপূর্ণরূপে)। যদি তুমি এভাবে সালাত আদায় করতে করতে মৃত্যুবরণ কর তা হলে তুমি মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সালাতের তরীকা ব্যতীত মৃত্যুবরণ করবে। তারপর তিনি বললেন, কোন ব্যক্তি সালাতে কিরাআত সংক্ষিপ্ত করতে পারে এভাবে যে, সে সালাতের ফরয ওয়াজিবসমূহ ঠিকমত আদায় করবে এবং সালাত সুন্দরভাবে আদায় করবে। (সুন্নত ও মুস্তাহাব আমলগুলো পালনের মাধ্যমে)।

হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, তিনি এক ব্যক্তিকে দেখলেন সে সালাত সংক্ষেপে আদায় করছে। হুযায়ফা (রাঃ) তাকে বললেন, তুমি কতদিন থেকে এভাবে সালাত আদায় করছ? সে বলল, চল্লিশ বছর যাবত। তিনি বললেন, তুমি চল্লিশ বছর যাবত সালাত আদায় করছ না (পরিপূর্ণরূপে)। যদি তুমি এভাবে সালাত আদায় করতে করতে মৃত্যুবরণ কর তা হলে তুমি মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সালাতের তরীকা ব্যতীত মৃত্যুবরণ করবে। তারপর তিনি বললেন, কোন ব্যক্তি সালাতে কিরাআত সংক্ষিপ্ত করতে পারে এভাবে যে, সে সালাতের ফরয ওয়াজিবসমূহ ঠিকমত আদায় করবে এবং সালাত সুন্দরভাবে আদায় করবে। (সুন্নত ও মুস্তাহাব আমলগুলো পালনের মাধ্যমে)।

أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: حدثنا يحيى بن آدم، قال: حدثنا مالك وهو ابن مغول، عن طلحة بن مصرف، عن زيد بن وهب، عن حذيفة، أنه رأى رجلا يصلي فطفف، فقال له حذيفة: منذ كم تصلي هذه الصلاة؟ قال: منذ أربعين عاما، قال: «ما صليت منذ أربعين سنة، ولو مت وأنت تصلي هذه الصلاة لمت على غير فطرة محمد صلى الله عليه وسلم»، ثم قال: «إن الرجل ليخفف ويتم ويحسن»


সুনান নাসাঈ > সর্বনিম্ন পর্যায়ের সংক্ষিপ্ত করণ যদ্বারা সালাত শুদ্ধ হয়ে যায়

সুনান নাসাঈ ১৩১৫

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا يحيى، عن سعيد، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن سعد بن هشام، قال: قلت: يا أم المؤمنين أنبئيني عن وتر رسول الله صلى الله عليه وسلم، قالت: «كنا نعد له سواكه وطهوره، فيبعثه الله لما شاء أن يبعثه من الليل، فيتسوك ويتوضأ، ويصلي ثمان ركعات لا يجلس فيهن إلا عند الثامنة، فيجلس، فيذكر الله عز وجل ويدعو، ثم يسلم تسليما يسمعنا»

সা’দ ইব্‌ন হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে উম্মুল মুমিনীন! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিত্‌র-এর সালাত সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন। তিনি বললেন, আমরা তাঁর জন্য মিসওয়াক প্রস্তুত রাখতাম এবং ওযূর পানি রাখতাম। তারপর যখন রাতে আল্লাহর ইচ্ছা হত তাঁকে তুলে দিতেন, তখন তিনি মিসওয়াক করে ওযূ করতেন এবং আট রাকআত সালাত আদায় করতেন। তাতে তিনি অষ্টম রাকআতের শেষে বসতেন, এবং আল্লাহর যিকির ও দোয়া করতেন। তারপর এমনভাবে সালাম ফিরাতেন যা আমরা শুনতে পেতাম।

সা’দ ইব্‌ন হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে উম্মুল মুমিনীন! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিত্‌র-এর সালাত সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন। তিনি বললেন, আমরা তাঁর জন্য মিসওয়াক প্রস্তুত রাখতাম এবং ওযূর পানি রাখতাম। তারপর যখন রাতে আল্লাহর ইচ্ছা হত তাঁকে তুলে দিতেন, তখন তিনি মিসওয়াক করে ওযূ করতেন এবং আট রাকআত সালাত আদায় করতেন। তাতে তিনি অষ্টম রাকআতের শেষে বসতেন, এবং আল্লাহর যিকির ও দোয়া করতেন। তারপর এমনভাবে সালাম ফিরাতেন যা আমরা শুনতে পেতাম।

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا يحيى، عن سعيد، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن سعد بن هشام، قال: قلت: يا أم المؤمنين أنبئيني عن وتر رسول الله صلى الله عليه وسلم، قالت: «كنا نعد له سواكه وطهوره، فيبعثه الله لما شاء أن يبعثه من الليل، فيتسوك ويتوضأ، ويصلي ثمان ركعات لا يجلس فيهن إلا عند الثامنة، فيجلس، فيذكر الله عز وجل ويدعو، ثم يسلم تسليما يسمعنا»


সুনান নাসাঈ ১৩১৩

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن علي وهو ابن يحيى، عن أبيه، عن عم له بدري أنه حدثه، أن رجلا دخل المسجد فصلى ورسول الله صلى الله عليه وسلم يرمقه، ونحن لا نشعر، فلما فرغ أقبل فسلم على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «ارجع فصل، فإنك لم تصل»، فرجع فصلى، ثم أقبل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «ارجع فصل، فإنك لم تصل»، مرتين أو ثلاثا، فقال له الرجل: والذي أكرمك يا رسول الله، لقد جهدت، فعلمني، فقال: «إذا قمت تريد الصلاة فتوضأ، فأحسن وضوءك، ثم استقبل القبلة فكبر، ثم اقرأ، ثم اركع فاطمئن راكعا، ثم ارفع حتى تعتدل قائما، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع حتى تطمئن قاعدا، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع، ثم افعل كذلك حتى تفرغ من صلاتك» --- [حكم الألباني] حسن صحيح

রিফা'আ ইবন রাফি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি একদা মসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করতে লাগাল আর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার প্রতি লক্ষ্য রাখছিলেন অথচ আমরা তা জানতামও না। সে ব্যক্তি সালাত শেষ করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম করলে তিনি বললেন, তুমি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় কর। কেননা, তুমি সালাত আদায় করনি। সে ব্যক্তি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলে তিনি বললেন, তুমি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় কর। কেননা তুমি সালাত আদায় করনি। রাসুলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ তিনবার কি চার বার করলে ঐ ব্যক্তি তাঁকে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! সেই আল্লাহর শপথ, যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন, আমি তো খুব চেষ্টা করে দেখলাম, আপনি আমাকে শিখিয়ে দিন। তখন তিনি বললেন, তুমি যখন সালাত আদায়ের ইচ্ছা কর, তখন উত্তমরূপে ওযু করবে। তারপর কিবলামুখী হয়ে তাকবীর বলবে। তারপর কুরআন পাঠ করে তাকবীর বলে রুকূতে যাবে এবং খুব স্থিরতার সাথে রুকূ করবে। তারপর মাথা উঠিয়ে সোজা হয়ে দাড়িয়ে যাবে। তারপর সিজদা করবে এবং স্থিরতার সাথে সিজদা করে মাথা ওঠাবে। পরে মাথা উঠিয়ে স্থিরতার সাথে বসবে। পুনরায় সিজদা করবে এবং স্থিরতার সাথে সিজদা করে মাথা ওঠাবে। তারপর তুমি এরূপ করে স্বীয় সালাত সমাপ্ত করবে।

রিফা'আ ইবন রাফি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি একদা মসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করতে লাগাল আর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার প্রতি লক্ষ্য রাখছিলেন অথচ আমরা তা জানতামও না। সে ব্যক্তি সালাত শেষ করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম করলে তিনি বললেন, তুমি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় কর। কেননা, তুমি সালাত আদায় করনি। সে ব্যক্তি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলে তিনি বললেন, তুমি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় কর। কেননা তুমি সালাত আদায় করনি। রাসুলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ তিনবার কি চার বার করলে ঐ ব্যক্তি তাঁকে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! সেই আল্লাহর শপথ, যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন, আমি তো খুব চেষ্টা করে দেখলাম, আপনি আমাকে শিখিয়ে দিন। তখন তিনি বললেন, তুমি যখন সালাত আদায়ের ইচ্ছা কর, তখন উত্তমরূপে ওযু করবে। তারপর কিবলামুখী হয়ে তাকবীর বলবে। তারপর কুরআন পাঠ করে তাকবীর বলে রুকূতে যাবে এবং খুব স্থিরতার সাথে রুকূ করবে। তারপর মাথা উঠিয়ে সোজা হয়ে দাড়িয়ে যাবে। তারপর সিজদা করবে এবং স্থিরতার সাথে সিজদা করে মাথা ওঠাবে। পরে মাথা উঠিয়ে স্থিরতার সাথে বসবে। পুনরায় সিজদা করবে এবং স্থিরতার সাথে সিজদা করে মাথা ওঠাবে। তারপর তুমি এরূপ করে স্বীয় সালাত সমাপ্ত করবে।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن علي وهو ابن يحيى، عن أبيه، عن عم له بدري أنه حدثه، أن رجلا دخل المسجد فصلى ورسول الله صلى الله عليه وسلم يرمقه، ونحن لا نشعر، فلما فرغ أقبل فسلم على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «ارجع فصل، فإنك لم تصل»، فرجع فصلى، ثم أقبل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «ارجع فصل، فإنك لم تصل»، مرتين أو ثلاثا، فقال له الرجل: والذي أكرمك يا رسول الله، لقد جهدت، فعلمني، فقال: «إذا قمت تريد الصلاة فتوضأ، فأحسن وضوءك، ثم استقبل القبلة فكبر، ثم اقرأ، ثم اركع فاطمئن راكعا، ثم ارفع حتى تعتدل قائما، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع حتى تطمئن قاعدا، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع، ثم افعل كذلك حتى تفرغ من صلاتك» --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ ১৩১৩

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن علي وهو ابن يحيى، عن أبيه، عن عم له بدري أنه حدثه، أن رجلا دخل المسجد فصلى ورسول الله صلى الله عليه وسلم يرمقه، ونحن لا نشعر، فلما فرغ أقبل فسلم على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «ارجع فصل، فإنك لم تصل»، فرجع فصلى، ثم أقبل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «ارجع فصل، فإنك لم تصل»، مرتين أو ثلاثا، فقال له الرجل: والذي أكرمك يا رسول الله، لقد جهدت، فعلمني، فقال: «إذا قمت تريد الصلاة فتوضأ، فأحسن وضوءك، ثم استقبل القبلة فكبر، ثم اقرأ، ثم اركع فاطمئن راكعا، ثم ارفع حتى تعتدل قائما، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع حتى تطمئن قاعدا، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع، ثم افعل كذلك حتى تفرغ من صلاتك» --- [حكم الألباني] حسن صحيح

রিফা'আ ইবন রাফি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি একদা মসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করতে লাগাল আর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার প্রতি লক্ষ্য রাখছিলেন অথচ আমরা তা জানতামও না। সে ব্যক্তি সালাত শেষ করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম করলে তিনি বললেন, তুমি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় কর। কেননা, তুমি সালাত আদায় করনি। সে ব্যক্তি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলে তিনি বললেন, তুমি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় কর। কেননা তুমি সালাত আদায় করনি। রাসুলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ তিনবার কি চার বার করলে ঐ ব্যক্তি তাঁকে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! সেই আল্লাহর শপথ, যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন, আমি তো খুব চেষ্টা করে দেখলাম, আপনি আমাকে শিখিয়ে দিন। তখন তিনি বললেন, তুমি যখন সালাত আদায়ের ইচ্ছা কর, তখন উত্তমরূপে ওযু করবে। তারপর কিবলামুখী হয়ে তাকবীর বলবে। তারপর কুরআন পাঠ করে তাকবীর বলে রুকূতে যাবে এবং খুব স্থিরতার সাথে রুকূ করবে। তারপর মাথা উঠিয়ে সোজা হয়ে দাড়িয়ে যাবে। তারপর সিজদা করবে এবং স্থিরতার সাথে সিজদা করে মাথা ওঠাবে। পরে মাথা উঠিয়ে স্থিরতার সাথে বসবে। পুনরায় সিজদা করবে এবং স্থিরতার সাথে সিজদা করে মাথা ওঠাবে। তারপর তুমি এরূপ করে স্বীয় সালাত সমাপ্ত করবে।

রিফা'আ ইবন রাফি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি একদা মসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করতে লাগাল আর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার প্রতি লক্ষ্য রাখছিলেন অথচ আমরা তা জানতামও না। সে ব্যক্তি সালাত শেষ করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম করলে তিনি বললেন, তুমি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় কর। কেননা, তুমি সালাত আদায় করনি। সে ব্যক্তি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলে তিনি বললেন, তুমি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় কর। কেননা তুমি সালাত আদায় করনি। রাসুলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ তিনবার কি চার বার করলে ঐ ব্যক্তি তাঁকে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! সেই আল্লাহর শপথ, যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন, আমি তো খুব চেষ্টা করে দেখলাম, আপনি আমাকে শিখিয়ে দিন। তখন তিনি বললেন, তুমি যখন সালাত আদায়ের ইচ্ছা কর, তখন উত্তমরূপে ওযু করবে। তারপর কিবলামুখী হয়ে তাকবীর বলবে। তারপর কুরআন পাঠ করে তাকবীর বলে রুকূতে যাবে এবং খুব স্থিরতার সাথে রুকূ করবে। তারপর মাথা উঠিয়ে সোজা হয়ে দাড়িয়ে যাবে। তারপর সিজদা করবে এবং স্থিরতার সাথে সিজদা করে মাথা ওঠাবে। পরে মাথা উঠিয়ে স্থিরতার সাথে বসবে। পুনরায় সিজদা করবে এবং স্থিরতার সাথে সিজদা করে মাথা ওঠাবে। তারপর তুমি এরূপ করে স্বীয় সালাত সমাপ্ত করবে।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن علي وهو ابن يحيى، عن أبيه، عن عم له بدري أنه حدثه، أن رجلا دخل المسجد فصلى ورسول الله صلى الله عليه وسلم يرمقه، ونحن لا نشعر، فلما فرغ أقبل فسلم على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «ارجع فصل، فإنك لم تصل»، فرجع فصلى، ثم أقبل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «ارجع فصل، فإنك لم تصل»، مرتين أو ثلاثا، فقال له الرجل: والذي أكرمك يا رسول الله، لقد جهدت، فعلمني، فقال: «إذا قمت تريد الصلاة فتوضأ، فأحسن وضوءك، ثم استقبل القبلة فكبر، ثم اقرأ، ثم اركع فاطمئن راكعا، ثم ارفع حتى تعتدل قائما، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع حتى تطمئن قاعدا، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع، ثم افعل كذلك حتى تفرغ من صلاتك» --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ ১৩১৩

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن علي وهو ابن يحيى، عن أبيه، عن عم له بدري أنه حدثه، أن رجلا دخل المسجد فصلى ورسول الله صلى الله عليه وسلم يرمقه، ونحن لا نشعر، فلما فرغ أقبل فسلم على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «ارجع فصل، فإنك لم تصل»، فرجع فصلى، ثم أقبل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «ارجع فصل، فإنك لم تصل»، مرتين أو ثلاثا، فقال له الرجل: والذي أكرمك يا رسول الله، لقد جهدت، فعلمني، فقال: «إذا قمت تريد الصلاة فتوضأ، فأحسن وضوءك، ثم استقبل القبلة فكبر، ثم اقرأ، ثم اركع فاطمئن راكعا، ثم ارفع حتى تعتدل قائما، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع حتى تطمئن قاعدا، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع، ثم افعل كذلك حتى تفرغ من صلاتك» --- [حكم الألباني] حسن صحيح

রিফা'আ ইবন রাফি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি একদা মসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করতে লাগাল আর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার প্রতি লক্ষ্য রাখছিলেন অথচ আমরা তা জানতামও না। সে ব্যক্তি সালাত শেষ করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম করলে তিনি বললেন, তুমি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় কর। কেননা, তুমি সালাত আদায় করনি। সে ব্যক্তি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলে তিনি বললেন, তুমি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় কর। কেননা তুমি সালাত আদায় করনি। রাসুলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ তিনবার কি চার বার করলে ঐ ব্যক্তি তাঁকে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! সেই আল্লাহর শপথ, যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন, আমি তো খুব চেষ্টা করে দেখলাম, আপনি আমাকে শিখিয়ে দিন। তখন তিনি বললেন, তুমি যখন সালাত আদায়ের ইচ্ছা কর, তখন উত্তমরূপে ওযু করবে। তারপর কিবলামুখী হয়ে তাকবীর বলবে। তারপর কুরআন পাঠ করে তাকবীর বলে রুকূতে যাবে এবং খুব স্থিরতার সাথে রুকূ করবে। তারপর মাথা উঠিয়ে সোজা হয়ে দাড়িয়ে যাবে। তারপর সিজদা করবে এবং স্থিরতার সাথে সিজদা করে মাথা ওঠাবে। পরে মাথা উঠিয়ে স্থিরতার সাথে বসবে। পুনরায় সিজদা করবে এবং স্থিরতার সাথে সিজদা করে মাথা ওঠাবে। তারপর তুমি এরূপ করে স্বীয় সালাত সমাপ্ত করবে।

রিফা'আ ইবন রাফি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি একদা মসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করতে লাগাল আর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার প্রতি লক্ষ্য রাখছিলেন অথচ আমরা তা জানতামও না। সে ব্যক্তি সালাত শেষ করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম করলে তিনি বললেন, তুমি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় কর। কেননা, তুমি সালাত আদায় করনি। সে ব্যক্তি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলে তিনি বললেন, তুমি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় কর। কেননা তুমি সালাত আদায় করনি। রাসুলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ তিনবার কি চার বার করলে ঐ ব্যক্তি তাঁকে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! সেই আল্লাহর শপথ, যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন, আমি তো খুব চেষ্টা করে দেখলাম, আপনি আমাকে শিখিয়ে দিন। তখন তিনি বললেন, তুমি যখন সালাত আদায়ের ইচ্ছা কর, তখন উত্তমরূপে ওযু করবে। তারপর কিবলামুখী হয়ে তাকবীর বলবে। তারপর কুরআন পাঠ করে তাকবীর বলে রুকূতে যাবে এবং খুব স্থিরতার সাথে রুকূ করবে। তারপর মাথা উঠিয়ে সোজা হয়ে দাড়িয়ে যাবে। তারপর সিজদা করবে এবং স্থিরতার সাথে সিজদা করে মাথা ওঠাবে। পরে মাথা উঠিয়ে স্থিরতার সাথে বসবে। পুনরায় সিজদা করবে এবং স্থিরতার সাথে সিজদা করে মাথা ওঠাবে। তারপর তুমি এরূপ করে স্বীয় সালাত সমাপ্ত করবে।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن علي وهو ابن يحيى، عن أبيه، عن عم له بدري أنه حدثه، أن رجلا دخل المسجد فصلى ورسول الله صلى الله عليه وسلم يرمقه، ونحن لا نشعر، فلما فرغ أقبل فسلم على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «ارجع فصل، فإنك لم تصل»، فرجع فصلى، ثم أقبل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «ارجع فصل، فإنك لم تصل»، مرتين أو ثلاثا، فقال له الرجل: والذي أكرمك يا رسول الله، لقد جهدت، فعلمني، فقال: «إذا قمت تريد الصلاة فتوضأ، فأحسن وضوءك، ثم استقبل القبلة فكبر، ثم اقرأ، ثم اركع فاطمئن راكعا، ثم ارفع حتى تعتدل قائما، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع حتى تطمئن قاعدا، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع، ثم افعل كذلك حتى تفرغ من صلاتك» --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ ১৩১৪

أخبرنا سويد بن نصر، قال: أنبأنا عبد الله بن المبارك، عن داود بن قيس، قال: حدثني علي بن يحيى بن خلاد بن رافع بن مالك الأنصاري، قال: حدثني أبي، عن عم له بدري، قال: كنت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم جالسا في المسجد، فدخل رجل فصلى ركعتين، ثم جاء فسلم على النبي صلى الله عليه وسلم وقد كان النبي صلى الله عليه وسلم يرمقه في صلاته، فرد عليه السلام، ثم قال له: «ارجع فصل فإنك لم تصل»، فرجع فصلى، ثم جاء فسلم على النبي صلى الله عليه وسلم فرد عليه السلام، ثم قال: «ارجع فصل فإنك لم تصل»، حتى كان عند الثالثة أو الرابعة، فقال: والذي أنزل عليك الكتاب لقد جهدت وحرصت فأرني وعلمني، قال: «إذا أردت أن تصلي فتوضأ فأحسن وضوءك، ثم استقبل القبلة فكبر، ثم اقرأ، ثم اركع حتى تطمئن راكعا، ثم ارفع حتى تعتدل قائما، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع حتى تطمئن قاعدا، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع، فإذا أتممت صلاتك على هذا فقد تمت، وما انتقصت من هذا فإنما تنتقصه من صلاتك»

রিফা'আ ইবন রাফি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সঙ্গে মসজিদে বসা ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি এসে দু’রাকআত সালাত আদায় করল। তারপর এসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে সালাম করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সালাতের প্রতি লক্ষ্য রাখছিলেন। তিনি তাঁর সালামের উত্তর দিয়ে তাঁকে বললেন, তুমি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় কর, যেহেতু তুমি সালাত আদায় করনি। তারপর সে ফিরে গিয়ে সালাত আদায় করলো। পরে এসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম করলোঃ তিনি সালামের জবাব দিয়ে বললেন, তুমি ফিরে গিয়ে সালাত আদায় কর। কারণ তুমি সালাত আদায় করনি। এমনিভাবে তৃতীয় অথবা চতুর্থবারে সে বলল, সেই আল্লাহর শপথ, যিনি আপনার উপর কিতাব (কুরআন) অবতীর্ণ করেছেন, আমি তো খুব চেষ্টা করলাম এবং আমি সালাত আদায় করতে চাইও, আপনি আমাকে শিখিয়ে দিন। তখন তিনি বললেন, তুমি যখন সালাত আদায় করতে ইচ্ছা কর তখন উত্তমরূপে ওযূ করবে, তারপর কিবলার দিকে মুখ করে তাকবীর বলবে, তারপর কুরআন পড়ে (তাকবীর বলে) রুকূতে যাবে। রুকূতে স্থির হবে। তারপর মাথা উঠিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যাবে। তারপর সিজদায় গিয়ে স্থিরভাবে সিজদা করবে তারপর সিজদা থেকে মাথা উঠিয়ে স্থিরভাবে বসবে। আবার সিজদায় গিয়ে স্থিরভাবে সিজদা করবে। তারপর মাথা ওঠাবে। যদি তুমি এই নিয়মে তোমার সালাত শেষ কর, তবে তোমার সালাত পূর্ণ হবে। আর যদি এই নিয়মে কোন ত্রুটি হয় তবে তোমার সালাতও ততটুকু ত্রুটি যুক্ত হবে।

রিফা'আ ইবন রাফি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সঙ্গে মসজিদে বসা ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি এসে দু’রাকআত সালাত আদায় করল। তারপর এসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে সালাম করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সালাতের প্রতি লক্ষ্য রাখছিলেন। তিনি তাঁর সালামের উত্তর দিয়ে তাঁকে বললেন, তুমি ফিরে গিয়ে পুনরায় সালাত আদায় কর, যেহেতু তুমি সালাত আদায় করনি। তারপর সে ফিরে গিয়ে সালাত আদায় করলো। পরে এসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম করলোঃ তিনি সালামের জবাব দিয়ে বললেন, তুমি ফিরে গিয়ে সালাত আদায় কর। কারণ তুমি সালাত আদায় করনি। এমনিভাবে তৃতীয় অথবা চতুর্থবারে সে বলল, সেই আল্লাহর শপথ, যিনি আপনার উপর কিতাব (কুরআন) অবতীর্ণ করেছেন, আমি তো খুব চেষ্টা করলাম এবং আমি সালাত আদায় করতে চাইও, আপনি আমাকে শিখিয়ে দিন। তখন তিনি বললেন, তুমি যখন সালাত আদায় করতে ইচ্ছা কর তখন উত্তমরূপে ওযূ করবে, তারপর কিবলার দিকে মুখ করে তাকবীর বলবে, তারপর কুরআন পড়ে (তাকবীর বলে) রুকূতে যাবে। রুকূতে স্থির হবে। তারপর মাথা উঠিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যাবে। তারপর সিজদায় গিয়ে স্থিরভাবে সিজদা করবে তারপর সিজদা থেকে মাথা উঠিয়ে স্থিরভাবে বসবে। আবার সিজদায় গিয়ে স্থিরভাবে সিজদা করবে। তারপর মাথা ওঠাবে। যদি তুমি এই নিয়মে তোমার সালাত শেষ কর, তবে তোমার সালাত পূর্ণ হবে। আর যদি এই নিয়মে কোন ত্রুটি হয় তবে তোমার সালাতও ততটুকু ত্রুটি যুক্ত হবে।

أخبرنا سويد بن نصر، قال: أنبأنا عبد الله بن المبارك، عن داود بن قيس، قال: حدثني علي بن يحيى بن خلاد بن رافع بن مالك الأنصاري، قال: حدثني أبي، عن عم له بدري، قال: كنت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم جالسا في المسجد، فدخل رجل فصلى ركعتين، ثم جاء فسلم على النبي صلى الله عليه وسلم وقد كان النبي صلى الله عليه وسلم يرمقه في صلاته، فرد عليه السلام، ثم قال له: «ارجع فصل فإنك لم تصل»، فرجع فصلى، ثم جاء فسلم على النبي صلى الله عليه وسلم فرد عليه السلام، ثم قال: «ارجع فصل فإنك لم تصل»، حتى كان عند الثالثة أو الرابعة، فقال: والذي أنزل عليك الكتاب لقد جهدت وحرصت فأرني وعلمني، قال: «إذا أردت أن تصلي فتوضأ فأحسن وضوءك، ثم استقبل القبلة فكبر، ثم اقرأ، ثم اركع حتى تطمئن راكعا، ثم ارفع حتى تعتدل قائما، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع حتى تطمئن قاعدا، ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا، ثم ارفع، فإذا أتممت صلاتك على هذا فقد تمت، وما انتقصت من هذا فإنما تنتقصه من صلاتك»


সুনান নাসাঈ > সালাতে সালাম ফিরানো

সুনান নাসাঈ ১৩১৬

أخبرنا محمد بن إسمعيل بن إبراهيم، قال: حدثنا سليمان يعني ابن داود الهاشمي، قال: حدثنا إبراهيم وهو ابن سعد، قال: حدثني عبد الله بن جعفر وهو ابن المسور المخرمي، عن إسمعيل بن محمد، قال: حدثني عامر بن سعد، عن أبيه، «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يسلم عن يمينه وعن يساره»

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সালাতে) তাঁর ডান দিকে এবং বাম দিকে সালাম ফিরাতেন।

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সালাতে) তাঁর ডান দিকে এবং বাম দিকে সালাম ফিরাতেন।

أخبرنا محمد بن إسمعيل بن إبراهيم، قال: حدثنا سليمان يعني ابن داود الهاشمي، قال: حدثنا إبراهيم وهو ابن سعد، قال: حدثني عبد الله بن جعفر وهو ابن المسور المخرمي، عن إسمعيل بن محمد، قال: حدثني عامر بن سعد، عن أبيه، «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يسلم عن يمينه وعن يساره»


সুনান নাসাঈ ১৩১৭

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا أبو عامر العقدي، قال: حدثنا عبد الله بن جعفر المخرمي، عن إسمعيل بن محمد بن سعد، عن عامر بن سعد، عن سعد قال: «كنت أرى رسول الله صلى الله عليه وسلم يسلم عن يمينه وعن يساره حتى يرى بياض خده»، قال أبو عبد الرحمن: عبد الله بن جعفر هذا ليس به بأس، وعبد الله بن جعفر بن نجيح والد علي بن المديني متروك الحديث

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখতাম যে, তিনি তাঁর ডান দিকে এবং বাম দিকে সালাম ফিরাতেন তখন তাঁর গণ্ডদেশের শুভ্রতা দেখা যেত।

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখতাম যে, তিনি তাঁর ডান দিকে এবং বাম দিকে সালাম ফিরাতেন তখন তাঁর গণ্ডদেশের শুভ্রতা দেখা যেত।

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا أبو عامر العقدي، قال: حدثنا عبد الله بن جعفر المخرمي، عن إسمعيل بن محمد بن سعد، عن عامر بن سعد، عن سعد قال: «كنت أرى رسول الله صلى الله عليه وسلم يسلم عن يمينه وعن يساره حتى يرى بياض خده»، قال أبو عبد الرحمن: عبد الله بن جعفر هذا ليس به بأس، وعبد الله بن جعفر بن نجيح والد علي بن المديني متروك الحديث


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00