সুনান নাসাঈ > সালাতে হস্তদ্বয় ওঠানো এবং হামদ (আলহামদুলিল্লাহ) ও ছানা (সুবহানা-কাল্লাহ) পাঠ করা

সুনান নাসাঈ ১১৮৩

أخبرنا محمد بن عبد الله بن بزيع قال: حدثنا عبد الأعلى بن عبد الأعلى، قال: حدثنا عبد الله وهو ابن عمر، عن أبي حازم، عن سهل بن سعد قال: انطلق رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلح بين بني عمرو بن عوف، فحضرت الصلاة، فجاء المؤذن إلى أبي بكر فأمره أن يجمع الناس ويؤمهم، فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم، فخرق الصفوف حتى قام في الصف المقدم، وصفح الناس بأبي بكر ليؤذنوه برسول الله صلى الله عليه وسلم وكان أبو بكر لا يلتفت في الصلاة، فلما أكثروا علم أنه قد نابهم شيء في صلاتهم، فالتفت فإذا هو برسول الله صلى الله عليه وسلم، فأومأ إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم أي كما أنت، فرفع أبو بكر يديه فحمد الله وأثنى عليه لقول رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم رجع القهقرى، وتقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى، فلما انصرف قال لأبي بكر: «ما منعك إذ أومأت إليك أن تصلي؟» فقال أبو بكر رضي الله عنه: ما كان ينبغي لابن أبي قحافة أن يؤم رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم قال للناس: «ما بالكم صفحتم؟ إنما التصفيح للنساء»، ثم قال: «إذا نابكم شيء في صلاتكم فسبحوا»

সহল ইবন সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বনূ আমর ইবন আউফে (কোন সঙ্কট) মীমাংসার জন্য গেলেন। এরপর সালাতের সময় হলে মুয়াযযিন আবু বকর (রা)-এর কাছে এসে সাহাবীগণকে একত্র করে তাঁদের ইমামতি করতে অনুরোধ করলেন। ইতিমধ্যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে কাতার ফাঁক করে প্রথম সারিতে দাড়িয়ে গেলেন। সাহাবীগণ আবু বকর (রা)-কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আগমন সম্পর্কে অবহিত করার জন্য হাতে তালি দিলেন। আবু বকর (রাঃ) সালাতে (একাগ্রচিত্ততার কারণে) অন্য দিকে লক্ষ্য করতেন না। যখন হাত তালির মাত্রা বেড়ে গেল তিনি বুঝতে পারলেন যে, তাঁদের সালাতে কোন কিছু ঘটেছে। তিনি লক্ষ্য করে রাসূলু্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আগমন সম্বন্ধে অবহিত হলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর দিকে ইশারা করলেন যে, তুমি নিজ অবস্থায় থাক। তখন আবু বকর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এ কথার জন্য তাঁর হস্তদ্বয় উত্তোলন পূর্বক আল্লাহ তা’আলার প্রশংসা ও তাঁর গুণগান করলেন এবং পিছু হটে গেলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অগ্রসর হয়ে সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষ করে তিনি আবু বকর (রাঃ) কে বললেন, আমি যখন তোমার প্রতি ইশারা করেছিলাম তখন তোমাকে সালাত আদায় করতে কিসে বারণ করেছিল? তিনি বললেন, ইবন আবু কোহাফার (আবু বকর) জন্য রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সামনে ইমামতি করা সমীচীন ছিল না। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীগণকে বললেন, তোমাদের কি হয়েছিল? তোমরা হাতে তালি দিয়েছিলে কেন? হাতে তালি দেওয়া তো নারীদের জন্য। এরপর বললেন, যদি তোমাদের সালাতে কিছু ঘটে যায় তবে তোমরা তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ) পড়বে।

সহল ইবন সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বনূ আমর ইবন আউফে (কোন সঙ্কট) মীমাংসার জন্য গেলেন। এরপর সালাতের সময় হলে মুয়াযযিন আবু বকর (রা)-এর কাছে এসে সাহাবীগণকে একত্র করে তাঁদের ইমামতি করতে অনুরোধ করলেন। ইতিমধ্যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে কাতার ফাঁক করে প্রথম সারিতে দাড়িয়ে গেলেন। সাহাবীগণ আবু বকর (রা)-কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আগমন সম্পর্কে অবহিত করার জন্য হাতে তালি দিলেন। আবু বকর (রাঃ) সালাতে (একাগ্রচিত্ততার কারণে) অন্য দিকে লক্ষ্য করতেন না। যখন হাত তালির মাত্রা বেড়ে গেল তিনি বুঝতে পারলেন যে, তাঁদের সালাতে কোন কিছু ঘটেছে। তিনি লক্ষ্য করে রাসূলু্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আগমন সম্বন্ধে অবহিত হলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর দিকে ইশারা করলেন যে, তুমি নিজ অবস্থায় থাক। তখন আবু বকর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এ কথার জন্য তাঁর হস্তদ্বয় উত্তোলন পূর্বক আল্লাহ তা’আলার প্রশংসা ও তাঁর গুণগান করলেন এবং পিছু হটে গেলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অগ্রসর হয়ে সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষ করে তিনি আবু বকর (রাঃ) কে বললেন, আমি যখন তোমার প্রতি ইশারা করেছিলাম তখন তোমাকে সালাত আদায় করতে কিসে বারণ করেছিল? তিনি বললেন, ইবন আবু কোহাফার (আবু বকর) জন্য রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সামনে ইমামতি করা সমীচীন ছিল না। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীগণকে বললেন, তোমাদের কি হয়েছিল? তোমরা হাতে তালি দিয়েছিলে কেন? হাতে তালি দেওয়া তো নারীদের জন্য। এরপর বললেন, যদি তোমাদের সালাতে কিছু ঘটে যায় তবে তোমরা তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ) পড়বে।

أخبرنا محمد بن عبد الله بن بزيع قال: حدثنا عبد الأعلى بن عبد الأعلى، قال: حدثنا عبد الله وهو ابن عمر، عن أبي حازم، عن سهل بن سعد قال: انطلق رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلح بين بني عمرو بن عوف، فحضرت الصلاة، فجاء المؤذن إلى أبي بكر فأمره أن يجمع الناس ويؤمهم، فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم، فخرق الصفوف حتى قام في الصف المقدم، وصفح الناس بأبي بكر ليؤذنوه برسول الله صلى الله عليه وسلم وكان أبو بكر لا يلتفت في الصلاة، فلما أكثروا علم أنه قد نابهم شيء في صلاتهم، فالتفت فإذا هو برسول الله صلى الله عليه وسلم، فأومأ إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم أي كما أنت، فرفع أبو بكر يديه فحمد الله وأثنى عليه لقول رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم رجع القهقرى، وتقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى، فلما انصرف قال لأبي بكر: «ما منعك إذ أومأت إليك أن تصلي؟» فقال أبو بكر رضي الله عنه: ما كان ينبغي لابن أبي قحافة أن يؤم رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم قال للناس: «ما بالكم صفحتم؟ إنما التصفيح للنساء»، ثم قال: «إذا نابكم شيء في صلاتكم فسبحوا»


সুনান নাসাঈ > সালাতের শেষে হাত উত্তোলন করে সালাম ফিরানো।

সুনান নাসাঈ ১১৮৪

أخبرنا قتيبة بن سعيد قال: حدثنا عبثر، عن الأعمش، عن المسيب بن رافع، عن تميم بن طرفة، عن جابر بن سمرة قال: خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن رافعو أيدينا في الصلاة فقال: «ما بالهم رافعين أيديهم في الصلاة كأنها أذناب الخيل الشمس، اسكنوا في الصلاة»

জাবির ইবন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা আমাদের কাছে আসলেন। তখন আমরা অর্থাৎ সালাত শেষে সালাম ফিরাবার সময় স্বীয় হস্ত উঠিয়ে রেখেছিলাম। তখন তিনি বললেন, এদের কি হল যে এরা সালাতের শেষে স্বীয় হস্ত উঠিয়ে রেখেছে? যেন সালাতের অবাধ্য ঘোড়ার লেজ। তোমরা সালাতে ধীর স্থির থাকবে।

জাবির ইবন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা আমাদের কাছে আসলেন। তখন আমরা অর্থাৎ সালাত শেষে সালাম ফিরাবার সময় স্বীয় হস্ত উঠিয়ে রেখেছিলাম। তখন তিনি বললেন, এদের কি হল যে এরা সালাতের শেষে স্বীয় হস্ত উঠিয়ে রেখেছে? যেন সালাতের অবাধ্য ঘোড়ার লেজ। তোমরা সালাতে ধীর স্থির থাকবে।

أخبرنا قتيبة بن سعيد قال: حدثنا عبثر، عن الأعمش، عن المسيب بن رافع، عن تميم بن طرفة، عن جابر بن سمرة قال: خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن رافعو أيدينا في الصلاة فقال: «ما بالهم رافعين أيديهم في الصلاة كأنها أذناب الخيل الشمس، اسكنوا في الصلاة»


সুনান নাসাঈ ১১৮৫

أخبرنا أحمد بن سليمان قال: حدثنا يحيى بن آدم، عن مسعر، عن عبيد الله ابن القبطية، عن جابر بن سمرة قال: كنا نصلي خلف النبي صلى الله عليه وسلم فنسلم بأيدينا فقال: " ما بال هؤلاء يسلمون بأيديهم كأنها أذناب خيل شمس؟ أما يكفي أحدهم أن يضع يده على فخذه ثم يقول: السلام عليكم، السلام عليكم "

জাবির ইবন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পেছনে সালাত আদায় করছিলাম। তারপর আমরা (সালাত শেষে) হস্ত দ্বারা (ইশারা করে) সালাম ফেরাচ্ছিলাম। তখন তিনি বললেন, এদের কি হল যে, এরা স্বীয় হস্ত দ্বারা সালাম ফিরাচ্ছে? যেন সালাত অবাধ্য অস্থির ঘোড়ার লেজ। এদের প্রত্যেকের জন্য কি এটাই যথেষ্ট নয় যে, সে উরুর উপর হাত রেখে বলে, ‘আসসালামু আলাইকুম, আসসালামু আলাইকুম’।

জাবির ইবন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পেছনে সালাত আদায় করছিলাম। তারপর আমরা (সালাত শেষে) হস্ত দ্বারা (ইশারা করে) সালাম ফেরাচ্ছিলাম। তখন তিনি বললেন, এদের কি হল যে, এরা স্বীয় হস্ত দ্বারা সালাম ফিরাচ্ছে? যেন সালাত অবাধ্য অস্থির ঘোড়ার লেজ। এদের প্রত্যেকের জন্য কি এটাই যথেষ্ট নয় যে, সে উরুর উপর হাত রেখে বলে, ‘আসসালামু আলাইকুম, আসসালামু আলাইকুম’।

أخبرنا أحمد بن سليمان قال: حدثنا يحيى بن آدم، عن مسعر، عن عبيد الله ابن القبطية، عن جابر بن سمرة قال: كنا نصلي خلف النبي صلى الله عليه وسلم فنسلم بأيدينا فقال: " ما بال هؤلاء يسلمون بأيديهم كأنها أذناب خيل شمس؟ أما يكفي أحدهم أن يضع يده على فخذه ثم يقول: السلام عليكم، السلام عليكم "


সুনান নাসাঈ > সালাত আদায়কালীন ইশারায় সালামের উত্তর দেওয়া

সুনান নাসাঈ ১১৮৭

أخبرنا محمد بن منصور المكي قال: حدثنا سفيان، عن زيد ابن أسلم قال: قال ابن عمر: دخل النبي صلى الله عليه وسلم مسجد قباء ليصلي فيه، فدخل عليه رجال يسلمون عليه، فسألت صهيبا وكان معه: كيف كان النبي صلى الله عليه وسلم يصنع إذا سلم عليه؟ قال: «كان يشير بيده»

যায়দ ইবন আসলাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (আবদুল্লাহ) ইবন উমর (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করার জন্য একদা মসজিদে কুবায় প্রবেশ করলেন। এরপর কয়েকজন সাহাবী তাঁকে সালাম করার জন্য তাঁর কাছে আসলেন। সুহায়ব (রা)-ও তাঁদের সঙ্গে ছিলেন। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম করা হল, তখন তিনি কি করলেন? তিনি বললেন, তিনি হাত দ্বারা ইশারা করলেন।

যায়দ ইবন আসলাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (আবদুল্লাহ) ইবন উমর (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করার জন্য একদা মসজিদে কুবায় প্রবেশ করলেন। এরপর কয়েকজন সাহাবী তাঁকে সালাম করার জন্য তাঁর কাছে আসলেন। সুহায়ব (রা)-ও তাঁদের সঙ্গে ছিলেন। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম করা হল, তখন তিনি কি করলেন? তিনি বললেন, তিনি হাত দ্বারা ইশারা করলেন।

أخبرنا محمد بن منصور المكي قال: حدثنا سفيان، عن زيد ابن أسلم قال: قال ابن عمر: دخل النبي صلى الله عليه وسلم مسجد قباء ليصلي فيه، فدخل عليه رجال يسلمون عليه، فسألت صهيبا وكان معه: كيف كان النبي صلى الله عليه وسلم يصنع إذا سلم عليه؟ قال: «كان يشير بيده»


সুনান নাসাঈ ১১৮৮

أخبرنا محمد بن بشار قال: حدثنا وهب يعني ابن جرير، قال: حدثنا أبي، عن قيس بن سعد، عن عطاء، عن محمد بن علي، عن عمار بن ياسر، أنه «سلم على رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يصلي فرد عليه»

আম্মার ইবন ইয়াসির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সালাত আদায়কালে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম করলেন, তিনি তাঁর সালামের জবাব দিলেন।

আম্মার ইবন ইয়াসির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সালাত আদায়কালে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাম করলেন, তিনি তাঁর সালামের জবাব দিলেন।

أخبرنا محمد بن بشار قال: حدثنا وهب يعني ابن جرير، قال: حدثنا أبي، عن قيس بن سعد، عن عطاء، عن محمد بن علي، عن عمار بن ياسر، أنه «سلم على رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يصلي فرد عليه»


সুনান নাসাঈ ১১৮৬

أخبرنا قتيبة بن سعيد قال: حدثنا الليث، عن بكير، عن نابل، صاحب العباء، عن ابن عمر، عن صهيب صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «مررت على رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يصلي فسلمت عليه، فرد علي إشارة، ولا أعلم إلا أنه قال بإصبعه»

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পাশ দিয়ে (একদা) যাচ্ছিলাম, তখন তিনি সালাত আদায় করছিলেন। আমি তাঁকে সালাম করলে তিনি ইশারায় আমার সালামের উত্তর দিলেন। আমি এর বেশি কিছুই জানি না যে, তিনি [সুহায়ব (রা)] বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আঙ্গুলী দ্বারা ইশারা করেছিলেন।

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পাশ দিয়ে (একদা) যাচ্ছিলাম, তখন তিনি সালাত আদায় করছিলেন। আমি তাঁকে সালাম করলে তিনি ইশারায় আমার সালামের উত্তর দিলেন। আমি এর বেশি কিছুই জানি না যে, তিনি [সুহায়ব (রা)] বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আঙ্গুলী দ্বারা ইশারা করেছিলেন।

أخبرنا قتيبة بن سعيد قال: حدثنا الليث، عن بكير، عن نابل، صاحب العباء، عن ابن عمر، عن صهيب صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «مررت على رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يصلي فسلمت عليه، فرد علي إشارة، ولا أعلم إلا أنه قال بإصبعه»


সুনান নাসাঈ ১১৮৯

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر قال: بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم لحاجة ثم أدركته وهو يصلي، فسلمت عليه فأشار إلي، فلما فرغ دعاني فقال: «إنك سلمت علي آنفا وأنا أصلي»، وإنما هو موجه يومئذ إلى المشرق

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে (কোথাও) কোন প্রয়োজনে পাঠালেন, এরপর আমি (এসে) তাঁকে সালাত আদায়রত পেলাম। তখন আমি তাঁকে সালাম করলে তিনি আমার দিকে ইশারা করলেন। যখন সালাত শেষ করলেন, আমাকে ডেকে বললেন যে, তুমি কি আমাকে সালাত আদায় রত অবস্থায় সালাম করেছিলে? [জাবির (রাঃ)বলেন] তখন তিনি পূর্ব দিকে মুখ করে ছিলেন। (কারণ তখন তিনি বাহনের উপর ছিলেন।)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে (কোথাও) কোন প্রয়োজনে পাঠালেন, এরপর আমি (এসে) তাঁকে সালাত আদায়রত পেলাম। তখন আমি তাঁকে সালাম করলে তিনি আমার দিকে ইশারা করলেন। যখন সালাত শেষ করলেন, আমাকে ডেকে বললেন যে, তুমি কি আমাকে সালাত আদায় রত অবস্থায় সালাম করেছিলে? [জাবির (রাঃ)বলেন] তখন তিনি পূর্ব দিকে মুখ করে ছিলেন। (কারণ তখন তিনি বাহনের উপর ছিলেন।)

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر قال: بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم لحاجة ثم أدركته وهو يصلي، فسلمت عليه فأشار إلي، فلما فرغ دعاني فقال: «إنك سلمت علي آنفا وأنا أصلي»، وإنما هو موجه يومئذ إلى المشرق


সুনান নাসাঈ ১১৯০

أخبرنا محمد بن هاشم البعلبكي قال: حدثنا محمد بن شعيب بن شابور، عن عمرو بن الحارث قال: أخبرني أبو الزبير، عن جابر قال: بعثني النبي صلى الله عليه وسلم فأتيته وهو يسير مشرقا أو مغربا، فسلمت عليه، فأشار بيده، ثم سلمت عليه، فأشار بيده، فانصرفت، فناداني: «يا جابر»، فناداني الناس: يا جابر، فأتيته فقلت: يا رسول الله، إني سلمت عليك فلم ترد علي، قال: «إني كنت أصلي» --- [حكم الألباني] صحيح لغيره

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে (কোন প্রয়োজনে কোথাও) পাঠালেন। তারপর আমি তাঁর কাছে ফিরে আসলাম। তিনি তখন পূর্ব দিকে বা পশ্চিম দিকে সফর করছিলেন। আমি তাঁকে সালাম করলে তিনি হাত দ্বারা ইশারা করলেন। আমি পুনরায় তাঁকে সালাম করলে তিনি হাত দ্বারা ইশারা করলেন। আমি চলে যেতে থাকলে তিনি আমাকে ডাকলেন, হে জাবির! এরপর সাহাবীগণও ডাকলেন, হে জাবির! আমি তাঁর কাছে এসে বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি আপনাকে সালাম করলে আপনি তাঁর উত্তর দেন নি (শব্দের মাধ্যমে)। তখন তিনি বললেন, আমি তখন সালাত আদায় করছিলাম।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে (কোন প্রয়োজনে কোথাও) পাঠালেন। তারপর আমি তাঁর কাছে ফিরে আসলাম। তিনি তখন পূর্ব দিকে বা পশ্চিম দিকে সফর করছিলেন। আমি তাঁকে সালাম করলে তিনি হাত দ্বারা ইশারা করলেন। আমি পুনরায় তাঁকে সালাম করলে তিনি হাত দ্বারা ইশারা করলেন। আমি চলে যেতে থাকলে তিনি আমাকে ডাকলেন, হে জাবির! এরপর সাহাবীগণও ডাকলেন, হে জাবির! আমি তাঁর কাছে এসে বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি আপনাকে সালাম করলে আপনি তাঁর উত্তর দেন নি (শব্দের মাধ্যমে)। তখন তিনি বললেন, আমি তখন সালাত আদায় করছিলাম।

أخبرنا محمد بن هاشم البعلبكي قال: حدثنا محمد بن شعيب بن شابور، عن عمرو بن الحارث قال: أخبرني أبو الزبير، عن جابر قال: بعثني النبي صلى الله عليه وسلم فأتيته وهو يسير مشرقا أو مغربا، فسلمت عليه، فأشار بيده، ثم سلمت عليه، فأشار بيده، فانصرفت، فناداني: «يا جابر»، فناداني الناس: يا جابر، فأتيته فقلت: يا رسول الله، إني سلمت عليك فلم ترد علي، قال: «إني كنت أصلي» --- [حكم الألباني] صحيح لغيره


সুনান নাসাঈ > সালাতে কংকর স্পর্শ করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা

সুনান নাসাঈ ১১৯১

أخبرنا قتيبة بن سعيد، والحسين بن حريث، واللفظ له، عن سفيان، عن الزهري، عن أبي الأحوص، عن أبي ذر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إذا قام أحدكم في الصلاة فلا يمسح الحصى، فإن الرحمة تواجهه»

আবু যর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ সালাতে দাঁড়ায় তখন সে যেন কংকর স্পর্শ না করে। কেননা, তখন তাঁর প্রতি (আল্লাহর) রহমত মুতাওজ্জাহ থাকে।

আবু যর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ সালাতে দাঁড়ায় তখন সে যেন কংকর স্পর্শ না করে। কেননা, তখন তাঁর প্রতি (আল্লাহর) রহমত মুতাওজ্জাহ থাকে।

أخبرنا قتيبة بن سعيد، والحسين بن حريث، واللفظ له، عن سفيان، عن الزهري، عن أبي الأحوص، عن أبي ذر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إذا قام أحدكم في الصلاة فلا يمسح الحصى، فإن الرحمة تواجهه»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00