সুনান নাসাঈ > কাযা সালাতের জামা’আত

সুনান নাসাঈ ৮৪৫

أنبأنا علي بن حجر، قال: أنبأنا إسماعيل، عن حميد، عن أنس قال: أقبل علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم بوجهه حين قام إلى الصلاة قبل أن يكبر فقال: «أقيموا صفوفكم وتراصوا؛ فإني أراكم من وراء ظهري»

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতে দাঁড়িয়ে তাক্‌বীর বলার পূর্বে আমাদের দিকে মুখ করে বললেনঃ তোমরা কাতার সোজা কর এবং পরস্পর মিলে দাঁড়াও। কেননা আমি তোমাদের আমার পিঠের পেছন দিক থেকে দেখে থাকি।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতে দাঁড়িয়ে তাক্‌বীর বলার পূর্বে আমাদের দিকে মুখ করে বললেনঃ তোমরা কাতার সোজা কর এবং পরস্পর মিলে দাঁড়াও। কেননা আমি তোমাদের আমার পিঠের পেছন দিক থেকে দেখে থাকি।

أنبأنا علي بن حجر، قال: أنبأنا إسماعيل، عن حميد، عن أنس قال: أقبل علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم بوجهه حين قام إلى الصلاة قبل أن يكبر فقال: «أقيموا صفوفكم وتراصوا؛ فإني أراكم من وراء ظهري»


সুনান নাসাঈ ৮৪৬

أخبرنا هناد بن السري، قال: حدثنا أبو زبيد واسمه عبثر بن القاسم، عن حصين، عن عبد الله بن أبي قتادة، عن أبيه قال: كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ قال بعض القوم: لو عرست بنا يا رسول الله، قال: «إني أخاف أن تناموا عن الصلاة». قال بلال: أنا أحفظكم، فاضطجعوا فناموا وأسند بلال ظهره إلى راحلته، فاستيقظ رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد طلع حاجب الشمس فقال: «يا بلال أين ما قلت؟» قال: ما ألقيت علي نومة مثلها قط. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن الله عز وجل قبض أرواحكم حين شاء فردها حين شاء، قم يا بلال فآذن الناس بالصلاة». فقام بلال فأذن فتوضئوا يعني حين ارتفعت الشمس، ثم قام فصلى بهم

আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম, হঠাৎ দলের একজন বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! যদি আরও বিলম্ব করে সালাত আদায় করতেন। তিনি বললেনঃ আমি ভয় করি তোমরা সালাত ছেড়ে শুয়ে পড়বে। বিলাল (রাঃ) বললেনঃ আমি আপনাদের দেখাশুনা করব। তারপর সকলেই শুয়ে পড়লেন এবং নিদ্রা গেলেন। বিলাল (রাঃ) তাঁর সওয়ারীর সাথে হেলান দিয়ে পিঠ লাগিয়ে রইলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জাগ্রত হয়ে দেখলেন সূর্য উদিত হচ্ছে। তিনি বললেনঃ হে বিলাল ! তুমি যা বলেছিলে তা কোথায় ? তিনি বললেন আমাকে এত গভীর নিদ্রা আর কখনো পায়নি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা যখন ইচ্ছা করলেন তখন তোমাদের রূহ কব্‌য করে নিলেন আর যখন ইচ্ছা, ফিরিয়ে দিলেন। হে বিলাল ! উঠ লোকদের সালাতের আহবান কর। তারপর বিলাল (রাঃ) উঠে আযান দিলেন, এরপর সকলে উযূ করলেন অর্থাৎ যখন সূর্য বেশ উপরে উঠলো। পরে তিনি দাঁড়িয়ে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন।

আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম, হঠাৎ দলের একজন বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! যদি আরও বিলম্ব করে সালাত আদায় করতেন। তিনি বললেনঃ আমি ভয় করি তোমরা সালাত ছেড়ে শুয়ে পড়বে। বিলাল (রাঃ) বললেনঃ আমি আপনাদের দেখাশুনা করব। তারপর সকলেই শুয়ে পড়লেন এবং নিদ্রা গেলেন। বিলাল (রাঃ) তাঁর সওয়ারীর সাথে হেলান দিয়ে পিঠ লাগিয়ে রইলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জাগ্রত হয়ে দেখলেন সূর্য উদিত হচ্ছে। তিনি বললেনঃ হে বিলাল ! তুমি যা বলেছিলে তা কোথায় ? তিনি বললেন আমাকে এত গভীর নিদ্রা আর কখনো পায়নি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা যখন ইচ্ছা করলেন তখন তোমাদের রূহ কব্‌য করে নিলেন আর যখন ইচ্ছা, ফিরিয়ে দিলেন। হে বিলাল ! উঠ লোকদের সালাতের আহবান কর। তারপর বিলাল (রাঃ) উঠে আযান দিলেন, এরপর সকলে উযূ করলেন অর্থাৎ যখন সূর্য বেশ উপরে উঠলো। পরে তিনি দাঁড়িয়ে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন।

أخبرنا هناد بن السري، قال: حدثنا أبو زبيد واسمه عبثر بن القاسم، عن حصين، عن عبد الله بن أبي قتادة، عن أبيه قال: كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ قال بعض القوم: لو عرست بنا يا رسول الله، قال: «إني أخاف أن تناموا عن الصلاة». قال بلال: أنا أحفظكم، فاضطجعوا فناموا وأسند بلال ظهره إلى راحلته، فاستيقظ رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد طلع حاجب الشمس فقال: «يا بلال أين ما قلت؟» قال: ما ألقيت علي نومة مثلها قط. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن الله عز وجل قبض أرواحكم حين شاء فردها حين شاء، قم يا بلال فآذن الناس بالصلاة». فقام بلال فأذن فتوضئوا يعني حين ارتفعت الشمس، ثم قام فصلى بهم


সুনান নাসাঈ > জামা’আত পরিত্যাগ করার পরিণতি সম্পর্কে কঠোর হুঁশিয়ারি

সুনান নাসাঈ ৮৪৭

أخبرنا سويد بن نصر قال: أنبأنا عبد الله بن المبارك، عن زائدة بن قدامة قال: حدثنا السائب بن حبيش الكلاعي، عن معدان بن أبي طلحة اليعمري قال: قال لي أبو الدرداء: أين مسكنك؟ قلت: في قرية دوين حمص، فقال أبو الدرداء: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «ما من ثلاثة في قرية ولا بدو لا تقام فيهم الصلاة إلا قد استحوذ عليهم الشيطان، فعليكم بالجماعة؛ فإنما يأكل الذئب القاصية» قال السائب: يعني بالجماعة الجماعة في الصلاة

মাদান ইব্‌ন আবূ তালহা ইয়া’মুরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূদ্-দারদা (রাঃ) আমাকে বললেনঃ তোমার বাড়ি কোথায় ? আমি বললামঃ আমার বাড়ি হিমসের নিকটবর্তী এক গ্রামে। তখন আবূদ্-দারদা বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, কোন গ্রামে অথবা অনাবাদী স্থানে তিনজন লোক থাকাবস্থায় সেখানে সালাত প্রতিষ্ঠিত না হলে তাদের উপর শয়তানের আধিপত্য বিস্তার লাভ করে। অতএব তোমরা জামা’আতকে অত্যাবশ্যকীয়রূপে গ্রহণ করবে। কেননা ব্যাঘ্র বিচ্ছিন্ন ছাগলকে খেয়ে ফেলে। সায়িব (রহঃ) বলেনঃ জামা’আত অর্থ সালাতের জামা’আত।

মাদান ইব্‌ন আবূ তালহা ইয়া’মুরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূদ্-দারদা (রাঃ) আমাকে বললেনঃ তোমার বাড়ি কোথায় ? আমি বললামঃ আমার বাড়ি হিমসের নিকটবর্তী এক গ্রামে। তখন আবূদ্-দারদা বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, কোন গ্রামে অথবা অনাবাদী স্থানে তিনজন লোক থাকাবস্থায় সেখানে সালাত প্রতিষ্ঠিত না হলে তাদের উপর শয়তানের আধিপত্য বিস্তার লাভ করে। অতএব তোমরা জামা’আতকে অত্যাবশ্যকীয়রূপে গ্রহণ করবে। কেননা ব্যাঘ্র বিচ্ছিন্ন ছাগলকে খেয়ে ফেলে। সায়িব (রহঃ) বলেনঃ জামা’আত অর্থ সালাতের জামা’আত।

أخبرنا سويد بن نصر قال: أنبأنا عبد الله بن المبارك، عن زائدة بن قدامة قال: حدثنا السائب بن حبيش الكلاعي، عن معدان بن أبي طلحة اليعمري قال: قال لي أبو الدرداء: أين مسكنك؟ قلت: في قرية دوين حمص، فقال أبو الدرداء: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «ما من ثلاثة في قرية ولا بدو لا تقام فيهم الصلاة إلا قد استحوذ عليهم الشيطان، فعليكم بالجماعة؛ فإنما يأكل الذئب القاصية» قال السائب: يعني بالجماعة الجماعة في الصلاة


সুনান নাসাঈ > জামা’আত থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার পরিণতি সম্পর্কে কঠোর হুঁশিয়ারি

সুনান নাসাঈ ৮৪৮

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «والذي نفسي بيده لقد هممت أن آمر بحطب فيحطب، ثم آمر بالصلاة فيؤذن لها، ثم آمر رجلا فيؤم الناس، ثم أخالف إلى رجال فأحرق عليهم بيوتهم، والذي نفسي بيده لو يعلم أحدهم أنه يجد عظما سمينا أو مرماتين حسنتين لشهد العشاء»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ করে বলছি, আমি ইচ্ছা করেছি যে, আমি কিছু জ্বালানি কাঠ আনতে আদেশ করব, তা সংগ্রহ হলে সালাতের আদেশ করব। তারপর তার জন্য আযান দেয়া হবে। পরে এক ব্যক্তিকে আদেশ করব সে লোকের ইমামতি করবে। আর আমি লোকদের পেছন থেকে তাদের ঘর জ্বালিয়ে দেব (যারা জামা’আতে আসে না)। যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ! যদি তাদের কেউ জানত যে, একখানা মাংসল হাড় অথবা দুই টুকরা বকরীর সুন্দর খুর পাবে, তাহলে তারা ইশার সালাতে অবশ্যই উপস্থিত হতো।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ করে বলছি, আমি ইচ্ছা করেছি যে, আমি কিছু জ্বালানি কাঠ আনতে আদেশ করব, তা সংগ্রহ হলে সালাতের আদেশ করব। তারপর তার জন্য আযান দেয়া হবে। পরে এক ব্যক্তিকে আদেশ করব সে লোকের ইমামতি করবে। আর আমি লোকদের পেছন থেকে তাদের ঘর জ্বালিয়ে দেব (যারা জামা’আতে আসে না)। যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ! যদি তাদের কেউ জানত যে, একখানা মাংসল হাড় অথবা দুই টুকরা বকরীর সুন্দর খুর পাবে, তাহলে তারা ইশার সালাতে অবশ্যই উপস্থিত হতো।

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «والذي نفسي بيده لقد هممت أن آمر بحطب فيحطب، ثم آمر بالصلاة فيؤذن لها، ثم آمر رجلا فيؤم الناس، ثم أخالف إلى رجال فأحرق عليهم بيوتهم، والذي نفسي بيده لو يعلم أحدهم أنه يجد عظما سمينا أو مرماتين حسنتين لشهد العشاء»


সুনান নাসাঈ > সালাতের আযান দিলে তার হিফাযত করা

সুনান নাসাঈ ৮৫১

أخبرنا هارون بن زيد بن أبي الزرقاء قال: حدثنا أبي قال: حدثنا سفيان، ح وأخبرني عبد الله بن محمد بن إسحاق قال: حدثنا قاسم بن يزيد قال: حدثنا سفيان، عن عبد الرحمن بن عابس، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن ابن أم مكتوم، أنه قال: يا رسول الله، إن المدينة كثيرة الهوام والسباع. قال: «هل تسمع حي على الصلاة حي على الفلاح؟» قال: نعم. قال: «فحي هلا». ولم يرخص له

ইব্‌ন উম্মে মাকতূম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! মদীনায় বহু সরীসৃপ জন্তু এবং হিংস্র প্রাণী রয়েছে। তিনি বললেনঃ তুমি কি “সালাতের দিকে আস, কল্যাণের দিকে আস” এ আওয়াজ শুনতে পাও ? তিনি বললেন, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে তুমি আসবে। তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন না।

ইব্‌ন উম্মে মাকতূম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! মদীনায় বহু সরীসৃপ জন্তু এবং হিংস্র প্রাণী রয়েছে। তিনি বললেনঃ তুমি কি “সালাতের দিকে আস, কল্যাণের দিকে আস” এ আওয়াজ শুনতে পাও ? তিনি বললেন, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে তুমি আসবে। তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন না।

أخبرنا هارون بن زيد بن أبي الزرقاء قال: حدثنا أبي قال: حدثنا سفيان، ح وأخبرني عبد الله بن محمد بن إسحاق قال: حدثنا قاسم بن يزيد قال: حدثنا سفيان، عن عبد الرحمن بن عابس، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن ابن أم مكتوم، أنه قال: يا رسول الله، إن المدينة كثيرة الهوام والسباع. قال: «هل تسمع حي على الصلاة حي على الفلاح؟» قال: نعم. قال: «فحي هلا». ولم يرخص له


সুনান নাসাঈ ৮৫০

أخبرنا إسحاق بن إبراهيم، قال: حدثنا مروان بن معاوية، قال: حدثنا عبيد الله بن عبد الله بن الأصم، عن عمه يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة قال: جاء أعمى إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: إنه ليس لي قائد يقودني إلى الصلاة، فسأله أن يرخص له أن يصلي في بيته، فأذن له، فلما ولى دعاه قال له: «أتسمع النداء بالصلاة؟» قال: نعم. قال: «فأجب»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একজন অন্ধ লোক রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, আমার এমন কোন পথপ্রদর্শক নেই, যে আমাকে সালাতে নিয়ে যাবে। সে ব্যক্তি তাঁর নিকট নিজ ঘরে সালাত আদায় করার অনুমতি চাইলেন। তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন। যখন ঐ ব্যক্তি চলে যাচ্ছিলেন তখন তাঁকে ডেকে বললেনঃ তুমি কি সালাতের আযান শুনতে পাও ? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তাহলে তার উত্তর দাও (অর্থাৎ আযানের উত্তর দাও এবং জামা’আতে উপস্থিত হও)।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একজন অন্ধ লোক রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, আমার এমন কোন পথপ্রদর্শক নেই, যে আমাকে সালাতে নিয়ে যাবে। সে ব্যক্তি তাঁর নিকট নিজ ঘরে সালাত আদায় করার অনুমতি চাইলেন। তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন। যখন ঐ ব্যক্তি চলে যাচ্ছিলেন তখন তাঁকে ডেকে বললেনঃ তুমি কি সালাতের আযান শুনতে পাও ? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তাহলে তার উত্তর দাও (অর্থাৎ আযানের উত্তর দাও এবং জামা’আতে উপস্থিত হও)।

أخبرنا إسحاق بن إبراهيم، قال: حدثنا مروان بن معاوية، قال: حدثنا عبيد الله بن عبد الله بن الأصم، عن عمه يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة قال: جاء أعمى إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: إنه ليس لي قائد يقودني إلى الصلاة، فسأله أن يرخص له أن يصلي في بيته، فأذن له، فلما ولى دعاه قال له: «أتسمع النداء بالصلاة؟» قال: نعم. قال: «فأجب»


সুনান নাসাঈ ৮৪৯

أخبرنا سويد بن نصر قال: أنبأنا عبد الله بن المبارك، عن المسعودي، عن علي بن الأقمر، عن أبي الأحوص، عن عبد الله، أنه كان يقول: «من سره أن يلقى الله عز وجل غدا مسلما فليحافظ على هؤلاء الصلوات الخمس حيث ينادى بهن، فإن الله عز وجل شرع لنبيه صلى الله عليه وسلم سنن الهدى وإنهن من سنن الهدى، وإني لا أحسب منكم أحدا إلا له مسجد يصلي فيه في بيته، فلو صليتم في بيوتكم وتركتم مساجدكم لتركتم سنة نبيكم ولو تركتم سنة نبيكم لضللتم، وما من عبد مسلم يتوضأ فيحسن الوضوء، ثم يمشي إلى صلاة إلا كتب الله عز وجل له بكل خطوة يخطوها حسنة أو يرفع له بها درجة أو يكفر عنه بها خطيئة، ولقد رأيتنا نقارب بين الخطا ولقد رأيتنا وما يتخلف عنها إلا منافق معلوم نفاقه، ولقد رأيت الرجل يهادى بين الرجلين حتى يقام في الصف»

আবদুল্লাহ ইব্‌ন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলতেন, যে ব্যক্তি কাল আল্লাহ্‌ তা’আলার সঙ্গে একজন মুসলমান হিসাবে সাক্ষাৎ করার আশা রাখে, সে যেন পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের হিফাযত করে, সেখানে তার আযান দেয়া হয়। আল্লাহ্‌ তা’আলা তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে হিদায়াতের নিয়মাবলী বর্ণনা করেছেন, আর ঐগুলো হিদায়াতের নিয়মের অন্তর্গত। আর আমি ধারণা করি, তোমাদের ঘরে প্রত্যেকের একটা সালাতের স্থান রয়েছে। অতএব যদি তোমরা তোমাদের ঘরে সালাত আদায় কর আর তোমাদের মসজিদ পরিত্যাগ কর, তাহলে তোমরা তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তরীকা পরিত্যাগ করলে। আর যদি তোমরা তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তরীকাই পরিত্যাগ করলে তাহলে তোমরা পথভ্রষ্ট হলে। আর যে মুসলিমই উত্তমরূপে উযূ করে, তারপর সে সালাতের জন্য পায়ে হেঁটে যায়, আল্লাহ্‌ তা’আলা তার প্রতি পদক্ষেপে একটি পুণ্য লেখেন, অথবা তার জন্য তার মর্যাদার একটি ধাপ উন্নত করে দেন। অথবা তদ্‌দ্বারা তার একটি পাপের প্রায়শ্চিত্ত করেন। আমি সেই সময়টা যেন দেখতে পাচ্ছি যখন আমরা (মসজিদে যাওয়ার সময়) কাছাকাছি পা ফেলে চলতাম (যাতে অধিক নেকী পাওয়া যায়) আর তা থেকে বিরত থাকত না কেউ ঐ মুনাফিক ব্যতীত যার নিফাক প্রকাশ্য। পক্ষান্তরে আমি দেখেছি, এক ব্যক্তি দুই ব্যক্তির সাহায্যে চলতে থাকত। অবশেষে তাকে কাতারে দাঁড় করান হতো।

আবদুল্লাহ ইব্‌ন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলতেন, যে ব্যক্তি কাল আল্লাহ্‌ তা’আলার সঙ্গে একজন মুসলমান হিসাবে সাক্ষাৎ করার আশা রাখে, সে যেন পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের হিফাযত করে, সেখানে তার আযান দেয়া হয়। আল্লাহ্‌ তা’আলা তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে হিদায়াতের নিয়মাবলী বর্ণনা করেছেন, আর ঐগুলো হিদায়াতের নিয়মের অন্তর্গত। আর আমি ধারণা করি, তোমাদের ঘরে প্রত্যেকের একটা সালাতের স্থান রয়েছে। অতএব যদি তোমরা তোমাদের ঘরে সালাত আদায় কর আর তোমাদের মসজিদ পরিত্যাগ কর, তাহলে তোমরা তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তরীকা পরিত্যাগ করলে। আর যদি তোমরা তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তরীকাই পরিত্যাগ করলে তাহলে তোমরা পথভ্রষ্ট হলে। আর যে মুসলিমই উত্তমরূপে উযূ করে, তারপর সে সালাতের জন্য পায়ে হেঁটে যায়, আল্লাহ্‌ তা’আলা তার প্রতি পদক্ষেপে একটি পুণ্য লেখেন, অথবা তার জন্য তার মর্যাদার একটি ধাপ উন্নত করে দেন। অথবা তদ্‌দ্বারা তার একটি পাপের প্রায়শ্চিত্ত করেন। আমি সেই সময়টা যেন দেখতে পাচ্ছি যখন আমরা (মসজিদে যাওয়ার সময়) কাছাকাছি পা ফেলে চলতাম (যাতে অধিক নেকী পাওয়া যায়) আর তা থেকে বিরত থাকত না কেউ ঐ মুনাফিক ব্যতীত যার নিফাক প্রকাশ্য। পক্ষান্তরে আমি দেখেছি, এক ব্যক্তি দুই ব্যক্তির সাহায্যে চলতে থাকত। অবশেষে তাকে কাতারে দাঁড় করান হতো।

أخبرنا سويد بن نصر قال: أنبأنا عبد الله بن المبارك، عن المسعودي، عن علي بن الأقمر، عن أبي الأحوص، عن عبد الله، أنه كان يقول: «من سره أن يلقى الله عز وجل غدا مسلما فليحافظ على هؤلاء الصلوات الخمس حيث ينادى بهن، فإن الله عز وجل شرع لنبيه صلى الله عليه وسلم سنن الهدى وإنهن من سنن الهدى، وإني لا أحسب منكم أحدا إلا له مسجد يصلي فيه في بيته، فلو صليتم في بيوتكم وتركتم مساجدكم لتركتم سنة نبيكم ولو تركتم سنة نبيكم لضللتم، وما من عبد مسلم يتوضأ فيحسن الوضوء، ثم يمشي إلى صلاة إلا كتب الله عز وجل له بكل خطوة يخطوها حسنة أو يرفع له بها درجة أو يكفر عنه بها خطيئة، ولقد رأيتنا نقارب بين الخطا ولقد رأيتنا وما يتخلف عنها إلا منافق معلوم نفاقه، ولقد رأيت الرجل يهادى بين الرجلين حتى يقام في الصف»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00