সুনান নাসাঈ > নফল সালাতের জামা’আত
সুনান নাসাঈ ৮৪৪
أخبرنا نصر بن علي قال: أنبأنا عبد الأعلى قال: حدثنا معمر، عن الزهري، عن محمود، عن عتبان بن مالك أنه قال: يا رسول الله إن السيول لتحول بيني وبين مسجد قومي فأحب أن تأتيني فتصلي في مكان من بيتي أتخذه مسجدا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «سنفعل». فلما دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «أين تريد؟»، فأشرت إلى ناحية من البيت، فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فصففنا خلفه فصلى بنا ركعتين
ইত্বান ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার কওমের মসজিদ এবং আমার মধ্যে পানির স্রোত বাধা সৃষ্টি করে। অতএব আমার মনের বাসনা, আপনি আমার বাড়ি এসে আমার ঘরের এক স্থানে সালাত আদায় করেন এবং আমি সে স্থানটিকে মসজিদ বানিয়ে নিই। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি তাই করব, তারপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে বললেনঃ কোথায় সালাত আদায় করা তুমি পছন্দ কর ? আমি ঘরের এক কোণের দিকে ইঙ্গিত করলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে দাঁড়ালেন, আমরা তাঁর পেছনে কাতার বেঁধে দাঁড়ালাম। তিনি আমাদের নিয়ে দুই রাকা’আত সালাত আদায় করলেন।
ইত্বান ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার কওমের মসজিদ এবং আমার মধ্যে পানির স্রোত বাধা সৃষ্টি করে। অতএব আমার মনের বাসনা, আপনি আমার বাড়ি এসে আমার ঘরের এক স্থানে সালাত আদায় করেন এবং আমি সে স্থানটিকে মসজিদ বানিয়ে নিই। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি তাই করব, তারপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে বললেনঃ কোথায় সালাত আদায় করা তুমি পছন্দ কর ? আমি ঘরের এক কোণের দিকে ইঙ্গিত করলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে দাঁড়ালেন, আমরা তাঁর পেছনে কাতার বেঁধে দাঁড়ালাম। তিনি আমাদের নিয়ে দুই রাকা’আত সালাত আদায় করলেন।
أخبرنا نصر بن علي قال: أنبأنا عبد الأعلى قال: حدثنا معمر، عن الزهري، عن محمود، عن عتبان بن مالك أنه قال: يا رسول الله إن السيول لتحول بيني وبين مسجد قومي فأحب أن تأتيني فتصلي في مكان من بيتي أتخذه مسجدا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «سنفعل». فلما دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «أين تريد؟»، فأشرت إلى ناحية من البيت، فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فصففنا خلفه فصلى بنا ركعتين
সুনান নাসাঈ > কাযা সালাতের জামা’আত
সুনান নাসাঈ ৮৪৫
أنبأنا علي بن حجر، قال: أنبأنا إسماعيل، عن حميد، عن أنس قال: أقبل علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم بوجهه حين قام إلى الصلاة قبل أن يكبر فقال: «أقيموا صفوفكم وتراصوا؛ فإني أراكم من وراء ظهري»
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতে দাঁড়িয়ে তাক্বীর বলার পূর্বে আমাদের দিকে মুখ করে বললেনঃ তোমরা কাতার সোজা কর এবং পরস্পর মিলে দাঁড়াও। কেননা আমি তোমাদের আমার পিঠের পেছন দিক থেকে দেখে থাকি।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতে দাঁড়িয়ে তাক্বীর বলার পূর্বে আমাদের দিকে মুখ করে বললেনঃ তোমরা কাতার সোজা কর এবং পরস্পর মিলে দাঁড়াও। কেননা আমি তোমাদের আমার পিঠের পেছন দিক থেকে দেখে থাকি।
أنبأنا علي بن حجر، قال: أنبأنا إسماعيل، عن حميد، عن أنس قال: أقبل علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم بوجهه حين قام إلى الصلاة قبل أن يكبر فقال: «أقيموا صفوفكم وتراصوا؛ فإني أراكم من وراء ظهري»
সুনান নাসাঈ ৮৪৬
أخبرنا هناد بن السري، قال: حدثنا أبو زبيد واسمه عبثر بن القاسم، عن حصين، عن عبد الله بن أبي قتادة، عن أبيه قال: كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ قال بعض القوم: لو عرست بنا يا رسول الله، قال: «إني أخاف أن تناموا عن الصلاة». قال بلال: أنا أحفظكم، فاضطجعوا فناموا وأسند بلال ظهره إلى راحلته، فاستيقظ رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد طلع حاجب الشمس فقال: «يا بلال أين ما قلت؟» قال: ما ألقيت علي نومة مثلها قط. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن الله عز وجل قبض أرواحكم حين شاء فردها حين شاء، قم يا بلال فآذن الناس بالصلاة». فقام بلال فأذن فتوضئوا يعني حين ارتفعت الشمس، ثم قام فصلى بهم
আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম, হঠাৎ দলের একজন বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! যদি আরও বিলম্ব করে সালাত আদায় করতেন। তিনি বললেনঃ আমি ভয় করি তোমরা সালাত ছেড়ে শুয়ে পড়বে। বিলাল (রাঃ) বললেনঃ আমি আপনাদের দেখাশুনা করব। তারপর সকলেই শুয়ে পড়লেন এবং নিদ্রা গেলেন। বিলাল (রাঃ) তাঁর সওয়ারীর সাথে হেলান দিয়ে পিঠ লাগিয়ে রইলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জাগ্রত হয়ে দেখলেন সূর্য উদিত হচ্ছে। তিনি বললেনঃ হে বিলাল ! তুমি যা বলেছিলে তা কোথায় ? তিনি বললেন আমাকে এত গভীর নিদ্রা আর কখনো পায়নি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা যখন ইচ্ছা করলেন তখন তোমাদের রূহ কব্য করে নিলেন আর যখন ইচ্ছা, ফিরিয়ে দিলেন। হে বিলাল ! উঠ লোকদের সালাতের আহবান কর। তারপর বিলাল (রাঃ) উঠে আযান দিলেন, এরপর সকলে উযূ করলেন অর্থাৎ যখন সূর্য বেশ উপরে উঠলো। পরে তিনি দাঁড়িয়ে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন।
আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম, হঠাৎ দলের একজন বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! যদি আরও বিলম্ব করে সালাত আদায় করতেন। তিনি বললেনঃ আমি ভয় করি তোমরা সালাত ছেড়ে শুয়ে পড়বে। বিলাল (রাঃ) বললেনঃ আমি আপনাদের দেখাশুনা করব। তারপর সকলেই শুয়ে পড়লেন এবং নিদ্রা গেলেন। বিলাল (রাঃ) তাঁর সওয়ারীর সাথে হেলান দিয়ে পিঠ লাগিয়ে রইলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জাগ্রত হয়ে দেখলেন সূর্য উদিত হচ্ছে। তিনি বললেনঃ হে বিলাল ! তুমি যা বলেছিলে তা কোথায় ? তিনি বললেন আমাকে এত গভীর নিদ্রা আর কখনো পায়নি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা যখন ইচ্ছা করলেন তখন তোমাদের রূহ কব্য করে নিলেন আর যখন ইচ্ছা, ফিরিয়ে দিলেন। হে বিলাল ! উঠ লোকদের সালাতের আহবান কর। তারপর বিলাল (রাঃ) উঠে আযান দিলেন, এরপর সকলে উযূ করলেন অর্থাৎ যখন সূর্য বেশ উপরে উঠলো। পরে তিনি দাঁড়িয়ে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন।
أخبرنا هناد بن السري، قال: حدثنا أبو زبيد واسمه عبثر بن القاسم، عن حصين، عن عبد الله بن أبي قتادة، عن أبيه قال: كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ قال بعض القوم: لو عرست بنا يا رسول الله، قال: «إني أخاف أن تناموا عن الصلاة». قال بلال: أنا أحفظكم، فاضطجعوا فناموا وأسند بلال ظهره إلى راحلته، فاستيقظ رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد طلع حاجب الشمس فقال: «يا بلال أين ما قلت؟» قال: ما ألقيت علي نومة مثلها قط. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن الله عز وجل قبض أرواحكم حين شاء فردها حين شاء، قم يا بلال فآذن الناس بالصلاة». فقام بلال فأذن فتوضئوا يعني حين ارتفعت الشمس، ثم قام فصلى بهم
সুনান নাসাঈ > জামা’আত পরিত্যাগ করার পরিণতি সম্পর্কে কঠোর হুঁশিয়ারি
সুনান নাসাঈ ৮৪৭
أخبرنا سويد بن نصر قال: أنبأنا عبد الله بن المبارك، عن زائدة بن قدامة قال: حدثنا السائب بن حبيش الكلاعي، عن معدان بن أبي طلحة اليعمري قال: قال لي أبو الدرداء: أين مسكنك؟ قلت: في قرية دوين حمص، فقال أبو الدرداء: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «ما من ثلاثة في قرية ولا بدو لا تقام فيهم الصلاة إلا قد استحوذ عليهم الشيطان، فعليكم بالجماعة؛ فإنما يأكل الذئب القاصية» قال السائب: يعني بالجماعة الجماعة في الصلاة
মাদান ইব্ন আবূ তালহা ইয়া’মুরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আবূদ্-দারদা (রাঃ) আমাকে বললেনঃ তোমার বাড়ি কোথায় ? আমি বললামঃ আমার বাড়ি হিমসের নিকটবর্তী এক গ্রামে। তখন আবূদ্-দারদা বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, কোন গ্রামে অথবা অনাবাদী স্থানে তিনজন লোক থাকাবস্থায় সেখানে সালাত প্রতিষ্ঠিত না হলে তাদের উপর শয়তানের আধিপত্য বিস্তার লাভ করে। অতএব তোমরা জামা’আতকে অত্যাবশ্যকীয়রূপে গ্রহণ করবে। কেননা ব্যাঘ্র বিচ্ছিন্ন ছাগলকে খেয়ে ফেলে। সায়িব (রহঃ) বলেনঃ জামা’আত অর্থ সালাতের জামা’আত।
মাদান ইব্ন আবূ তালহা ইয়া’মুরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আবূদ্-দারদা (রাঃ) আমাকে বললেনঃ তোমার বাড়ি কোথায় ? আমি বললামঃ আমার বাড়ি হিমসের নিকটবর্তী এক গ্রামে। তখন আবূদ্-দারদা বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, কোন গ্রামে অথবা অনাবাদী স্থানে তিনজন লোক থাকাবস্থায় সেখানে সালাত প্রতিষ্ঠিত না হলে তাদের উপর শয়তানের আধিপত্য বিস্তার লাভ করে। অতএব তোমরা জামা’আতকে অত্যাবশ্যকীয়রূপে গ্রহণ করবে। কেননা ব্যাঘ্র বিচ্ছিন্ন ছাগলকে খেয়ে ফেলে। সায়িব (রহঃ) বলেনঃ জামা’আত অর্থ সালাতের জামা’আত।
أخبرنا سويد بن نصر قال: أنبأنا عبد الله بن المبارك، عن زائدة بن قدامة قال: حدثنا السائب بن حبيش الكلاعي، عن معدان بن أبي طلحة اليعمري قال: قال لي أبو الدرداء: أين مسكنك؟ قلت: في قرية دوين حمص، فقال أبو الدرداء: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «ما من ثلاثة في قرية ولا بدو لا تقام فيهم الصلاة إلا قد استحوذ عليهم الشيطان، فعليكم بالجماعة؛ فإنما يأكل الذئب القاصية» قال السائب: يعني بالجماعة الجماعة في الصلاة
সুনান নাসাঈ > জামা’আত থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার পরিণতি সম্পর্কে কঠোর হুঁশিয়ারি
সুনান নাসাঈ ৮৪৮
أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «والذي نفسي بيده لقد هممت أن آمر بحطب فيحطب، ثم آمر بالصلاة فيؤذن لها، ثم آمر رجلا فيؤم الناس، ثم أخالف إلى رجال فأحرق عليهم بيوتهم، والذي نفسي بيده لو يعلم أحدهم أنه يجد عظما سمينا أو مرماتين حسنتين لشهد العشاء»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ করে বলছি, আমি ইচ্ছা করেছি যে, আমি কিছু জ্বালানি কাঠ আনতে আদেশ করব, তা সংগ্রহ হলে সালাতের আদেশ করব। তারপর তার জন্য আযান দেয়া হবে। পরে এক ব্যক্তিকে আদেশ করব সে লোকের ইমামতি করবে। আর আমি লোকদের পেছন থেকে তাদের ঘর জ্বালিয়ে দেব (যারা জামা’আতে আসে না)। যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ! যদি তাদের কেউ জানত যে, একখানা মাংসল হাড় অথবা দুই টুকরা বকরীর সুন্দর খুর পাবে, তাহলে তারা ইশার সালাতে অবশ্যই উপস্থিত হতো।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ করে বলছি, আমি ইচ্ছা করেছি যে, আমি কিছু জ্বালানি কাঠ আনতে আদেশ করব, তা সংগ্রহ হলে সালাতের আদেশ করব। তারপর তার জন্য আযান দেয়া হবে। পরে এক ব্যক্তিকে আদেশ করব সে লোকের ইমামতি করবে। আর আমি লোকদের পেছন থেকে তাদের ঘর জ্বালিয়ে দেব (যারা জামা’আতে আসে না)। যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ! যদি তাদের কেউ জানত যে, একখানা মাংসল হাড় অথবা দুই টুকরা বকরীর সুন্দর খুর পাবে, তাহলে তারা ইশার সালাতে অবশ্যই উপস্থিত হতো।
أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «والذي نفسي بيده لقد هممت أن آمر بحطب فيحطب، ثم آمر بالصلاة فيؤذن لها، ثم آمر رجلا فيؤم الناس، ثم أخالف إلى رجال فأحرق عليهم بيوتهم، والذي نفسي بيده لو يعلم أحدهم أنه يجد عظما سمينا أو مرماتين حسنتين لشهد العشاء»