সুনান নাসাঈ > বসে সালাত আদায়কারী ইমামের পেছনে ইকতিদা করা

সুনান নাসাঈ ৮৩২

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ركب فرسا، فصرع عنه فجحش شقه الأيمن، فصلى صلاة من الصلوات وهو قاعد، فصلينا وراءه قعودا، فلما انصرف قال: " إنما جعل الإمام ليؤتم به، فإذا صلى قائما فصلوا قياما، وإذا ركع فاركعوا، وإذا قال: سمع الله لمن حمده، فقولوا: ربنا لك الحمد، وإذا صلى جالسا فصلوا جلوسا أجمعون "

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ঘোড়ায় আরোহণ করলেন এবং তা থেকে পড়ে তাঁর ডান পাঁজরে আঘাত পেলেন। এরপর এক ওয়াক্ত সালাত বসে আদায় করলেন, আমরাও তাঁর পেছনে বসে সালাত আদায় করি। সালাত শেষ করে তিনি বললেনঃ ইমাম নিযুক্ত হয় তার অনুসরণ করার জন্য। ইমাম যখন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করেন, তখন তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে। যখন ইমাম (আরবী) বলেন, তখন তোমরা বলবে (আরবী) আর যখন ইমাম বসে সালাত আদায় করেন, তখন তোমরা সকলেই বসে সালাত আদায় করবে। [১]

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ঘোড়ায় আরোহণ করলেন এবং তা থেকে পড়ে তাঁর ডান পাঁজরে আঘাত পেলেন। এরপর এক ওয়াক্ত সালাত বসে আদায় করলেন, আমরাও তাঁর পেছনে বসে সালাত আদায় করি। সালাত শেষ করে তিনি বললেনঃ ইমাম নিযুক্ত হয় তার অনুসরণ করার জন্য। ইমাম যখন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করেন, তখন তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে। যখন ইমাম (আরবী) বলেন, তখন তোমরা বলবে (আরবী) আর যখন ইমাম বসে সালাত আদায় করেন, তখন তোমরা সকলেই বসে সালাত আদায় করবে। [১]

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ركب فرسا، فصرع عنه فجحش شقه الأيمن، فصلى صلاة من الصلوات وهو قاعد، فصلينا وراءه قعودا، فلما انصرف قال: " إنما جعل الإمام ليؤتم به، فإذا صلى قائما فصلوا قياما، وإذا ركع فاركعوا، وإذا قال: سمع الله لمن حمده، فقولوا: ربنا لك الحمد، وإذا صلى جالسا فصلوا جلوسا أجمعون "


সুনান নাসাঈ ৮৩৩

أخبرنا محمد بن العلاء قال: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة قالت: لما ثقل رسول الله صلى الله عليه وسلم جاء بلال يؤذنه بالصلاة فقال: «مروا أبا بكر فليصل بالناس». قالت: قلت: يا رسول الله إن أبا بكر رجل أسيف وإنه متى يقوم في مقامك لا يسمع الناس فلو أمرت عمر. فقال: «مروا أبا بكر فليصل بالناس». فقلت لحفصة: قولي له، فقالت له فقال: «إنكن لأنتن صواحبات يوسف، مروا أبا بكر فليصل بالناس». قالت: فأمروا أبا بكر، فلما دخل في الصلاة وجد رسول الله صلى الله عليه وسلم من نفسه خفة قالت: فقام يهادى بين رجلين، ورجلاه تخطان في الأرض، فلما دخل المسجد سمع أبو بكر حسه فذهب ليتأخر، فأومأ إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم أن قم كما أنت. قالت: فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى قام عن يسار أبي بكر جالسا، فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي بالناس جالسا، وأبو بكر قائما يقتدي أبو بكر برسول الله صلى الله عليه وسلم، والناس يقتدون بصلاة أبي بكر رضي الله عنه

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ যখন বেড়ে গেল, তখন বিলাল (রাঃ) তাঁকে সালাতের খবর দিতে আসলেন। তিনি বললেনঃ আবূ বকর (রাঃ)-কে বল, সে যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আবূ বকর একজন কোমল-হৃদয় লোক। তিনি যখন আপনার স্থানে দাঁড়াবেন, তখন তিনি লোকদের কির’আত শোনাতে পারবেন না। অতএব যদি আপনি উমর (রাঃ)-কে আদেশ করতেন তবে ভাল হত। তিনি বললেনঃ আবূ বকর (রাঃ)-কে বল, যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। তারপর আমি হাফসা (রাঃ)-কে আমার কথা বলার জন্য বললাম। তিনিও তাঁকে তা বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা (পীড়াপীড়ি করার ব্যাপারে) ঐ সকল নারীর ন্যায় যারা ইউসুফ (আঃ)-এর ব্যাপারে জড়িত ছিল। আবূ বকর (রাঃ)-কে বল, লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে। তিনি [আয়েশা (রাঃ)] বলেনঃ তাঁকে অনুরোধ করা হলে যখন তিনি সালাত আরম্ভ করলেন, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুটা স্বস্তিবোধ করলেন, তিনি দাঁড়িয়ে দু’জন লোকের সহায়তায় চললেন আর তাঁর পদ্বদয় মাটিতে হেঁচড়াচ্ছিল। যখন তিনি মসজিদে প্রবেশ করলেন, আবূ বকর (রাঃ) তাঁর আগমন অনুভব করে পেছনে হটতে চাইলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ইঙ্গিতে নিজ অবস্থায় থাকতে বললেন। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ তারপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে আবূ বকর (রাঃ)-এর বামদিকে দাঁড়ালেন এবং লোকদের সাথে বসে সালাত আদায় করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করছিলেন বসে, আবূ বকর (রাঃ) ছিলেন দাঁড়ানো। আবূ বকর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইকতিদা করছিলেন আর অন্যান্য লোক ইকতিদা করছিল আবূ বকর (রাঃ)-এর সালাতের। [১]

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ যখন বেড়ে গেল, তখন বিলাল (রাঃ) তাঁকে সালাতের খবর দিতে আসলেন। তিনি বললেনঃ আবূ বকর (রাঃ)-কে বল, সে যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আবূ বকর একজন কোমল-হৃদয় লোক। তিনি যখন আপনার স্থানে দাঁড়াবেন, তখন তিনি লোকদের কির’আত শোনাতে পারবেন না। অতএব যদি আপনি উমর (রাঃ)-কে আদেশ করতেন তবে ভাল হত। তিনি বললেনঃ আবূ বকর (রাঃ)-কে বল, যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। তারপর আমি হাফসা (রাঃ)-কে আমার কথা বলার জন্য বললাম। তিনিও তাঁকে তা বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা (পীড়াপীড়ি করার ব্যাপারে) ঐ সকল নারীর ন্যায় যারা ইউসুফ (আঃ)-এর ব্যাপারে জড়িত ছিল। আবূ বকর (রাঃ)-কে বল, লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে। তিনি [আয়েশা (রাঃ)] বলেনঃ তাঁকে অনুরোধ করা হলে যখন তিনি সালাত আরম্ভ করলেন, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুটা স্বস্তিবোধ করলেন, তিনি দাঁড়িয়ে দু’জন লোকের সহায়তায় চললেন আর তাঁর পদ্বদয় মাটিতে হেঁচড়াচ্ছিল। যখন তিনি মসজিদে প্রবেশ করলেন, আবূ বকর (রাঃ) তাঁর আগমন অনুভব করে পেছনে হটতে চাইলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ইঙ্গিতে নিজ অবস্থায় থাকতে বললেন। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ তারপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে আবূ বকর (রাঃ)-এর বামদিকে দাঁড়ালেন এবং লোকদের সাথে বসে সালাত আদায় করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করছিলেন বসে, আবূ বকর (রাঃ) ছিলেন দাঁড়ানো। আবূ বকর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইকতিদা করছিলেন আর অন্যান্য লোক ইকতিদা করছিল আবূ বকর (রাঃ)-এর সালাতের। [১]

أخبرنا محمد بن العلاء قال: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة قالت: لما ثقل رسول الله صلى الله عليه وسلم جاء بلال يؤذنه بالصلاة فقال: «مروا أبا بكر فليصل بالناس». قالت: قلت: يا رسول الله إن أبا بكر رجل أسيف وإنه متى يقوم في مقامك لا يسمع الناس فلو أمرت عمر. فقال: «مروا أبا بكر فليصل بالناس». فقلت لحفصة: قولي له، فقالت له فقال: «إنكن لأنتن صواحبات يوسف، مروا أبا بكر فليصل بالناس». قالت: فأمروا أبا بكر، فلما دخل في الصلاة وجد رسول الله صلى الله عليه وسلم من نفسه خفة قالت: فقام يهادى بين رجلين، ورجلاه تخطان في الأرض، فلما دخل المسجد سمع أبو بكر حسه فذهب ليتأخر، فأومأ إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم أن قم كما أنت. قالت: فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى قام عن يسار أبي بكر جالسا، فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي بالناس جالسا، وأبو بكر قائما يقتدي أبو بكر برسول الله صلى الله عليه وسلم، والناس يقتدون بصلاة أبي بكر رضي الله عنه


সুনান নাসাঈ ৮৩৪

أخبرنا العباس بن عبد العظيم العنبري قال: حدثنا عبد الرحمن بن مهدي قال: حدثنا زائدة، عن موسى بن أبي عائشة، عن عبيد الله بن عبد الله قال: دخلت على عائشة فقلت: ألا تحدثيني عن مرض رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ قالت: لما ثقل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «أصلى الناس؟» فقلنا: لا. وهم ينتظرونك يا رسول الله. فقال: ضعوا لي ماء في المخضب ففعلنا، فاغتسل، ثم ذهب لينوء فأغمي عليه، ثم أفاق فقال: «أصلى الناس؟» قلنا: لا. هم ينتظرونك يا رسول الله. فقال: «ضعوا لي ماء في المخضب». ففعلنا فاغتسل، ثم ذهب لينوء، ثم أغمي عليه، ثم قال في الثالثة مثل قوله قالت: والناس عكوف في المسجد ينتظرون رسول الله صلى الله عليه وسلم لصلاة العشاء، فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى أبي بكر أن صل بالناس، فجاءه الرسول فقال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم يأمرك أن تصلي بالناس، وكان أبو بكر رجلا رقيقا فقال: يا عمر صل بالناس. فقال: أنت أحق بذلك فصلى بهم أبو بكر تلك الأيام، ثم إن رسول الله صلى الله عليه وسلم وجد من نفسه خفة، فجاء يهادى بين رجلين أحدهما العباس لصلاة الظهر، فلما رآه أبو بكر ذهب ليتأخر، فأومأ إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم أن لا يتأخر وأمرهما فأجلساه إلى جنبه، فجعل أبو بكر يصلي قائما والناس يصلون بصلاة أبي بكر ورسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي قاعدا " فدخلت على ابن عباس فقلت: ألا أعرض عليك ما حدثتني عائشة عن مرض رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: نعم. فحدثته , فما أنكر منه شيئا غير أنه قال: أسمت لك الرجل الذي كان مع العباس؟ قلت: لا. قال: هو علي كرم الله وجهه

উবায়দুল্লাহ্‌ ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, আপনি কি আমাকে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ সম্বন্ধে অবহিত করবেন না? তিনি বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ যখন বেড়ে গেল তখন তিনি বললেন, লোকেরা কি সালাত আদায় করে ফেলেছে? আমরা বললাম; না, আপনার অপেক্ষা করছে ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! তিনি বললেন, আমার জন্য পাত্রে কিছু পানি রাখ। আমরা তা করলে তিনি গোসল করলেন এবং মসজিদে যাওয়ার ইচ্ছা করলেন। ইত্যবসরে তিনি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। তারপর কিছুটা সুস্থ হয়ে বললেন, লোকগণ কি সালাত আদায় করে ফেলেছে? আমরা বললাম, না, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! তারা আপনার অপেক্ষা করছে। তিনি বললেন, আমার জন্য পাত্রে কিছু পানি রাখ। আমরা যখন পানি রাখলাম তিনি গোসল করলেন। তারপর দাঁড়াবার ইচ্ছা করলে আবার তিনি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। এরপর তৃতীয়বারও তিনি ঐরূপ বললেন। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ তখন লোকেরা মসজিদে ইশার সালাতের জন্য রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অপেক্ষায় অবস্থান করছিলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠিয়ে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে বললেন। সেই লোক এসে তাঁকে সংবাদ দিল যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনাকে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে বলেছেন। আবূ বকর (রাঃ) ছিলেন কোমল হৃদয়ের লোক। তিনি উমর (রাঃ)-কে বললেন, হে উমর! লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করুন। তিনি বললেন, এ কাজের জন্য আপনিই উপযুক্ত। তারপর আবূ বকর (রাঃ) এই কয়দিন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুটা সুস্থতা অনুভব করলেন এবং তিনি দু’জন লোকের সাহায্য নিয়ে যোহরের সালাতের জন্য আসলেন। তাঁদের একজন ছিলেন আব্বাস (রাঃ)। যখন আবূ বকর (রাঃ) তাঁকে দেখলেন তখন তিনি পিছে হটতে চাইলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ইঙ্গিতে পিছু হটতে নিষেধ করলেন এবং ঐ দুই ব্যক্তিকে আদেশ করলে তাঁরা তাঁকে আবূ বকরের পাশে বসিয়ে দিলেন। তখন আবূ বকর (রাঃ) দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিলেন আর লোকগণ আবূ বকরের ইকতিদা করছিলেন। আর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসে সালাত আদায় করছিলেন। বর্ণনাকারী বলেনঃ তারপর আমি ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে বললাম, আয়েশা (রাঃ) আমাকে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ সম্বন্ধে যা বলেছেন, তা কি আপনার নিকট বর্ণনা করব? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি তাঁর নিকট বর্ণনা করলাম। তিনি তার কোন কিছুই অস্বীকার করলেন না। কিন্তু তিনি বললেন, তিনি তোমার নিকট ঐ ব্যক্তির নাম বলেছেন কি, যিনি আব্বাসের সঙ্গে ছিলেন? আমি বললাম, না। ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) বললেন, তিনি ছিলেন আলী (রাঃ)।

উবায়দুল্লাহ্‌ ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, আপনি কি আমাকে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ সম্বন্ধে অবহিত করবেন না? তিনি বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ যখন বেড়ে গেল তখন তিনি বললেন, লোকেরা কি সালাত আদায় করে ফেলেছে? আমরা বললাম; না, আপনার অপেক্ষা করছে ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! তিনি বললেন, আমার জন্য পাত্রে কিছু পানি রাখ। আমরা তা করলে তিনি গোসল করলেন এবং মসজিদে যাওয়ার ইচ্ছা করলেন। ইত্যবসরে তিনি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। তারপর কিছুটা সুস্থ হয়ে বললেন, লোকগণ কি সালাত আদায় করে ফেলেছে? আমরা বললাম, না, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! তারা আপনার অপেক্ষা করছে। তিনি বললেন, আমার জন্য পাত্রে কিছু পানি রাখ। আমরা যখন পানি রাখলাম তিনি গোসল করলেন। তারপর দাঁড়াবার ইচ্ছা করলে আবার তিনি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। এরপর তৃতীয়বারও তিনি ঐরূপ বললেন। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ তখন লোকেরা মসজিদে ইশার সালাতের জন্য রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অপেক্ষায় অবস্থান করছিলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠিয়ে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে বললেন। সেই লোক এসে তাঁকে সংবাদ দিল যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনাকে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে বলেছেন। আবূ বকর (রাঃ) ছিলেন কোমল হৃদয়ের লোক। তিনি উমর (রাঃ)-কে বললেন, হে উমর! লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করুন। তিনি বললেন, এ কাজের জন্য আপনিই উপযুক্ত। তারপর আবূ বকর (রাঃ) এই কয়দিন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুটা সুস্থতা অনুভব করলেন এবং তিনি দু’জন লোকের সাহায্য নিয়ে যোহরের সালাতের জন্য আসলেন। তাঁদের একজন ছিলেন আব্বাস (রাঃ)। যখন আবূ বকর (রাঃ) তাঁকে দেখলেন তখন তিনি পিছে হটতে চাইলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ইঙ্গিতে পিছু হটতে নিষেধ করলেন এবং ঐ দুই ব্যক্তিকে আদেশ করলে তাঁরা তাঁকে আবূ বকরের পাশে বসিয়ে দিলেন। তখন আবূ বকর (রাঃ) দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিলেন আর লোকগণ আবূ বকরের ইকতিদা করছিলেন। আর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসে সালাত আদায় করছিলেন। বর্ণনাকারী বলেনঃ তারপর আমি ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে বললাম, আয়েশা (রাঃ) আমাকে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ সম্বন্ধে যা বলেছেন, তা কি আপনার নিকট বর্ণনা করব? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি তাঁর নিকট বর্ণনা করলাম। তিনি তার কোন কিছুই অস্বীকার করলেন না। কিন্তু তিনি বললেন, তিনি তোমার নিকট ঐ ব্যক্তির নাম বলেছেন কি, যিনি আব্বাসের সঙ্গে ছিলেন? আমি বললাম, না। ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) বললেন, তিনি ছিলেন আলী (রাঃ)।

أخبرنا العباس بن عبد العظيم العنبري قال: حدثنا عبد الرحمن بن مهدي قال: حدثنا زائدة، عن موسى بن أبي عائشة، عن عبيد الله بن عبد الله قال: دخلت على عائشة فقلت: ألا تحدثيني عن مرض رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ قالت: لما ثقل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «أصلى الناس؟» فقلنا: لا. وهم ينتظرونك يا رسول الله. فقال: ضعوا لي ماء في المخضب ففعلنا، فاغتسل، ثم ذهب لينوء فأغمي عليه، ثم أفاق فقال: «أصلى الناس؟» قلنا: لا. هم ينتظرونك يا رسول الله. فقال: «ضعوا لي ماء في المخضب». ففعلنا فاغتسل، ثم ذهب لينوء، ثم أغمي عليه، ثم قال في الثالثة مثل قوله قالت: والناس عكوف في المسجد ينتظرون رسول الله صلى الله عليه وسلم لصلاة العشاء، فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى أبي بكر أن صل بالناس، فجاءه الرسول فقال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم يأمرك أن تصلي بالناس، وكان أبو بكر رجلا رقيقا فقال: يا عمر صل بالناس. فقال: أنت أحق بذلك فصلى بهم أبو بكر تلك الأيام، ثم إن رسول الله صلى الله عليه وسلم وجد من نفسه خفة، فجاء يهادى بين رجلين أحدهما العباس لصلاة الظهر، فلما رآه أبو بكر ذهب ليتأخر، فأومأ إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم أن لا يتأخر وأمرهما فأجلساه إلى جنبه، فجعل أبو بكر يصلي قائما والناس يصلون بصلاة أبي بكر ورسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي قاعدا " فدخلت على ابن عباس فقلت: ألا أعرض عليك ما حدثتني عائشة عن مرض رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: نعم. فحدثته , فما أنكر منه شيئا غير أنه قال: أسمت لك الرجل الذي كان مع العباس؟ قلت: لا. قال: هو علي كرم الله وجهه


সুনান নাসাঈ > ইমাম ও মুকতাদীর নিয়্যতের ভিন্নতা

সুনান নাসাঈ ৮৩৬

أخبرنا عمرو بن علي قال: حدثنا يحيى، عن أشعث، عن الحسن، عن أبي بكرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم: «أنه صلى صلاة الخوف، فصلى بالذين خلفه ركعتين وبالذين جاءوا ركعتين، فكانت للنبي صلى الله عليه وسلم أربعا ولهؤلاء ركعتين ركعتين»

আবূ বাকরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। একবার তিনি ভয়কালীন সালাত আদায় করলেন। তিনি প্রথমে তাঁর পেছনের লোকদের নিয়ে দুই রাক’আত সালাত আদায় করলেন। আর যারা পরে আসল তাদের নিয়ে দুই রাক’আত সালাত আদায় করলেন। ফলে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাত চার রাক’আত হল আর অন্যদের হলো দুই দুই রাক’আত।

আবূ বাকরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। একবার তিনি ভয়কালীন সালাত আদায় করলেন। তিনি প্রথমে তাঁর পেছনের লোকদের নিয়ে দুই রাক’আত সালাত আদায় করলেন। আর যারা পরে আসল তাদের নিয়ে দুই রাক’আত সালাত আদায় করলেন। ফলে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাত চার রাক’আত হল আর অন্যদের হলো দুই দুই রাক’আত।

أخبرنا عمرو بن علي قال: حدثنا يحيى، عن أشعث، عن الحسن، عن أبي بكرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم: «أنه صلى صلاة الخوف، فصلى بالذين خلفه ركعتين وبالذين جاءوا ركعتين، فكانت للنبي صلى الله عليه وسلم أربعا ولهؤلاء ركعتين ركعتين»


সুনান নাসাঈ ৮৩৫

أخبرنا محمد بن منصور قال: حدثنا سفيان، عن عمرو قال: سمعت جابر بن عبد الله يقول: كان معاذ يصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم، ثم يرجع إلى قومه يؤمهم، فأخر ذات ليلة الصلاة، وصلى مع النبي صلى الله عليه وسلم، ثم رجع إلى قومه يؤمهم فقرأ سورة البقرة، فلما سمع رجل من القوم تأخر فصلى، ثم خرج فقالوا: نافقت يا فلان. فقال: والله ما نافقت ولآتين النبي صلى الله عليه وسلم فأخبره، فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله، إن معاذا يصلي معك ثم يأتينا فيؤمنا، وإنك أخرت الصلاة البارحة فصلى معك ثم رجع فأمنا فاستفتح بسورة البقرة فلما سمعت ذلك تأخرت فصليت، وإنما نحن أصحاب نواضح نعمل بأيدينا "، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم: «يا معاذ أفتان أنت، اقرأ بسورة كذا وسورة كذا»

আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, মু’আয (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সালাত আদায় করে স্বীয় গোত্রের নিকট ফিরে যেতেন এবং তাদের ইমাম হয়ে সালাত আদায় করতেন। [১] একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে তিনি বিলম্বে সালাত আদায় করলেন। তারপর নিজ গোত্রের নিকট ফিরে তাদের ইমামতি করেন এবং তিনি তাতে সূরা বাকারা পাঠ করেন। গোত্রের এক ব্যক্তি এরূপ কিরাআত শুনে সালাত থেকে সরে পড়ল এবং একা সালাত আদায় করে বেরিয়ে পড়ল। তখন লোকগণ তাকে বললেন, হে অমুক! তুমি কি মুনাফিক হয়ে গেছ? সে বলল, আল্লাহ্‌র শপথ! আমি মুনাফিক হইনি। আমি নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে তাঁকে বলব। তারপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! মু’আয আপনার সঙ্গে সালাত আদায় করেন। তারপর আমাদের নিকট এসে আমাদের ইমামতি করেন। গত রাতে আপনি সালাত দেরি করে আদায় করেন। তিনি আপনার সঙ্গে সালাত আদায় করার পর আমাদের ইমামতি করতে যান এবং তিনি সূরা বাকারা শুরু করে দেন। আমি তা শুনে পেছনে হটে যাই এবং একা সালাত আদায় করি। আমরা উটের রাখাল, আমরা নিজ হাতে কাজ করি। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে মু’আয ! তুমি কি ফিতনা সৃষ্টিকারী হবে ? তুমি অমুক অমুক সূরা পাঠ করবে।

আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, মু’আয (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সালাত আদায় করে স্বীয় গোত্রের নিকট ফিরে যেতেন এবং তাদের ইমাম হয়ে সালাত আদায় করতেন। [১] একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে তিনি বিলম্বে সালাত আদায় করলেন। তারপর নিজ গোত্রের নিকট ফিরে তাদের ইমামতি করেন এবং তিনি তাতে সূরা বাকারা পাঠ করেন। গোত্রের এক ব্যক্তি এরূপ কিরাআত শুনে সালাত থেকে সরে পড়ল এবং একা সালাত আদায় করে বেরিয়ে পড়ল। তখন লোকগণ তাকে বললেন, হে অমুক! তুমি কি মুনাফিক হয়ে গেছ? সে বলল, আল্লাহ্‌র শপথ! আমি মুনাফিক হইনি। আমি নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে তাঁকে বলব। তারপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! মু’আয আপনার সঙ্গে সালাত আদায় করেন। তারপর আমাদের নিকট এসে আমাদের ইমামতি করেন। গত রাতে আপনি সালাত দেরি করে আদায় করেন। তিনি আপনার সঙ্গে সালাত আদায় করার পর আমাদের ইমামতি করতে যান এবং তিনি সূরা বাকারা শুরু করে দেন। আমি তা শুনে পেছনে হটে যাই এবং একা সালাত আদায় করি। আমরা উটের রাখাল, আমরা নিজ হাতে কাজ করি। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে মু’আয ! তুমি কি ফিতনা সৃষ্টিকারী হবে ? তুমি অমুক অমুক সূরা পাঠ করবে।

أخبرنا محمد بن منصور قال: حدثنا سفيان، عن عمرو قال: سمعت جابر بن عبد الله يقول: كان معاذ يصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم، ثم يرجع إلى قومه يؤمهم، فأخر ذات ليلة الصلاة، وصلى مع النبي صلى الله عليه وسلم، ثم رجع إلى قومه يؤمهم فقرأ سورة البقرة، فلما سمع رجل من القوم تأخر فصلى، ثم خرج فقالوا: نافقت يا فلان. فقال: والله ما نافقت ولآتين النبي صلى الله عليه وسلم فأخبره، فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله، إن معاذا يصلي معك ثم يأتينا فيؤمنا، وإنك أخرت الصلاة البارحة فصلى معك ثم رجع فأمنا فاستفتح بسورة البقرة فلما سمعت ذلك تأخرت فصليت، وإنما نحن أصحاب نواضح نعمل بأيدينا "، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم: «يا معاذ أفتان أنت، اقرأ بسورة كذا وسورة كذا»


সুনান নাসাঈ > জামা’আতের ফযীলত

সুনান নাসাঈ ৮৩৭

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن نافع، عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «صلاة الجماعة تفضل على صلاة الفذ بسبع وعشرين درجة»

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জামা’আতের সালাত একাকী সালাত অপেক্ষা সাতাশ গুণ মর্যাদাপূর্ণ।

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জামা’আতের সালাত একাকী সালাত অপেক্ষা সাতাশ গুণ মর্যাদাপূর্ণ।

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن نافع، عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «صلاة الجماعة تفضل على صلاة الفذ بسبع وعشرين درجة»


সুনান নাসাঈ ৮৩৮

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «صلاة الجماعة أفضل من صلاة أحدكم وحده خمسا وعشرين جزءا»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জামা’আতের সালাত তোমাদের একাকী সালাত থেকে পঁচিশ গুণ উত্তম।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জামা’আতের সালাত তোমাদের একাকী সালাত থেকে পঁচিশ গুণ উত্তম।

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «صلاة الجماعة أفضل من صلاة أحدكم وحده خمسا وعشرين جزءا»


সুনান নাসাঈ ৮৩৯

أخبرنا عبيد الله بن سعيد قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن عبد الرحمن بن عمار قال: حدثني القاسم بن محمد، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «صلاة الجماعة تزيد على صلاة الفذ خمسا وعشرين درجة»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ জামা’আতের সালাত একাকী সালাত অপেক্ষা পঁচিশ গুণ মর্যাদাশালী।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ জামা’আতের সালাত একাকী সালাত অপেক্ষা পঁচিশ গুণ মর্যাদাশালী।

أخبرنا عبيد الله بن سعيد قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن عبد الرحمن بن عمار قال: حدثني القاسم بن محمد، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «صلاة الجماعة تزيد على صلاة الفذ خمسا وعشرين درجة»


সুনান নাসাঈ > তিনজনের জামা’আত

সুনান নাসাঈ ৮৪০

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إذا كانوا ثلاثة فليؤمهم أحدهم وأحقهم بالإمامة أقرؤهم»

আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তিনজন লোক হবে তখন তাদের একজন ইমামতি করবে, আর তাদের মধ্যে ইমামতের সর্বাপেক্ষা উপযুক্ত ব্যক্তি যে অধিক কিরাআত জানে (আল্লাহর কিতাব সম্বন্ধে অধিক জ্ঞানসম্পন্ন)।

আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তিনজন লোক হবে তখন তাদের একজন ইমামতি করবে, আর তাদের মধ্যে ইমামতের সর্বাপেক্ষা উপযুক্ত ব্যক্তি যে অধিক কিরাআত জানে (আল্লাহর কিতাব সম্বন্ধে অধিক জ্ঞানসম্পন্ন)।

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إذا كانوا ثلاثة فليؤمهم أحدهم وأحقهم بالإمامة أقرؤهم»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00