সুনান নাসাঈ > ইমামের জন্য সালাতে যা বৈধ

সুনান নাসাঈ ৮২৭

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا سفيان، عن عثمان بن أبي سليمان، عن عامر بن عبد الله بن الزبير، عن عمرو بن سليم الزرقي، عن أبي قتادة قال: «رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يؤم الناس وهو حامل أمامة بنت أبي العاص على عاتقه، فإذا ركع وضعها، وإذا رفع من سجوده أعادها»

আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখেছি, তিনি লোকের ইমামতি করছেন। আর তখন তিনি উমামা বিনত আবুল আসকে তাঁর কাঁধে উঠিয়ে রাখছেন। যখন তিনি রুকূ করছেন, তাকে রেখে দিচ্ছেন, আর যখন সিজদা থেকে উঠছেন, তাকে পুনরায় তুলে নিচ্ছেন।

আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখেছি, তিনি লোকের ইমামতি করছেন। আর তখন তিনি উমামা বিনত আবুল আসকে তাঁর কাঁধে উঠিয়ে রাখছেন। যখন তিনি রুকূ করছেন, তাকে রেখে দিচ্ছেন, আর যখন সিজদা থেকে উঠছেন, তাকে পুনরায় তুলে নিচ্ছেন।

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا سفيان، عن عثمان بن أبي سليمان، عن عامر بن عبد الله بن الزبير، عن عمرو بن سليم الزرقي، عن أبي قتادة قال: «رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يؤم الناس وهو حامل أمامة بنت أبي العاص على عاتقه، فإذا ركع وضعها، وإذا رفع من سجوده أعادها»


সুনান নাসাঈ > ইমাম থেকে অগ্রগামী হওয়া

সুনান নাসাঈ ৮২৮

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا حماد، عن محمد بن زياد، عن أبي هريرة قال: قال محمد صلى الله عليه وسلم: «ألا يخشى الذي يرفع رأسه قبل الإمام أن يحول الله رأسه رأس حمار»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ইমামের আগে মাথা উঠায়, সে কি ভয় করে না যে, আল্লাহ তা’আলা তার মাথাকে গাধার মাথায় পরিবর্তিত করে দিবেন ?

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ইমামের আগে মাথা উঠায়, সে কি ভয় করে না যে, আল্লাহ তা’আলা তার মাথাকে গাধার মাথায় পরিবর্তিত করে দিবেন ?

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا حماد، عن محمد بن زياد، عن أبي هريرة قال: قال محمد صلى الله عليه وسلم: «ألا يخشى الذي يرفع رأسه قبل الإمام أن يحول الله رأسه رأس حمار»


সুনান নাসাঈ ৮২৯

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم قال: حدثنا ابن علية قال: أنبأنا شعبة، عن أبي إسحاق قال: سمعت عبد الله بن يزيد يخطب قال: حدثنا البراء وكان غير كذوب: «أنهم كانوا إذا صلوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فرفع رأسه من الركوع قاموا قياما حتى يروه ساجدا، ثم سجدوا»

আবদুল্লাহ ইব্‌ন ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ বাবা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, আর তিনি মিথ্যাবাদী ছিলেন না, তাঁরা যখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সালাত আদায় করতেন তখন তিনি রুকূ থেকে মাথা উঠাতেন আর তাঁরা দাঁড়িয়ে যেতেন। তারপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সিজদা করতে দেখে তাঁরা সিজদা করতেন।

আবদুল্লাহ ইব্‌ন ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ বাবা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, আর তিনি মিথ্যাবাদী ছিলেন না, তাঁরা যখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সালাত আদায় করতেন তখন তিনি রুকূ থেকে মাথা উঠাতেন আর তাঁরা দাঁড়িয়ে যেতেন। তারপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সিজদা করতে দেখে তাঁরা সিজদা করতেন।

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم قال: حدثنا ابن علية قال: أنبأنا شعبة، عن أبي إسحاق قال: سمعت عبد الله بن يزيد يخطب قال: حدثنا البراء وكان غير كذوب: «أنهم كانوا إذا صلوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فرفع رأسه من الركوع قاموا قياما حتى يروه ساجدا، ثم سجدوا»


সুনান নাসাঈ ৮৩০

أخبرنا مؤمل بن هشام قال: حدثنا إسماعيل ابن علية، عن سعيد، عن قتادة، عن يونس بن جبير، عن حطان بن عبد الله قال: صلى بنا أبو موسى، فلما كان في القعدة دخل رجل من القوم فقال: أقرت الصلاة بالبر والزكاة، فلما سلم أبو موسى أقبل على القوم فقال: أيكم القائل هذه الكلمة؟ فأرم القوم. قال: يا حطان، لعلك قلتها. قال: لا وقد خشيت أن تبكعني بها فقال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يعلمنا صلاتنا وسنتنا فقال: " إنما الإمام ليؤتم به، فإذا كبر فكبروا، وإذا قال: {غير المغضوب عليهم ولا الضالين} [الفاتحة: 7] فقولوا: آمين. يجبكم الله، وإذا ركع فاركعوا، وإذا رفع فقال: سمع الله لمن حمده. فقولوا: ربنا لك الحمد يسمع الله لكم، وإذا سجد فاسجدوا، وإذا رفع فارفعوا؛ فإن الإمام يسجد قبلكم ويرفع قبلكم ". قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فتلك بتلك»

হিত্তান ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ মূসা (রাঃ) আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তিনি বৈঠকে থাকাকালে এক ব্যক্তি প্রবেশ করে বলল, “নামায নেকী এবং যাকাত-এর সাথে মিলিত হয়েছে,” আবূ মূসা (রাঃ) যখন সালাম ফিরালেন তখন তিনি লোকের দিকে ফিরে বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে একথা বলেছে ? তখন লোক চুপ হয়ে গেল আর তিনি বললেনঃ হে হিত্তান! তুমি এটা বলে থাকবে। তিনি বললেনঃ না, আমি ভয় করছিলাম, আপনি এর জন্য আমাকে দোষারোপ করবেন। তিনি বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সালাত ও তার নিয়ম-কানুন শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বলেছেনঃ ইমাম এজন্য যে, তার ইকতেদা করা হবে। যখন তিনি তাকবীর বলেন, তোমরাও তাকবীর বলবে, আর যখন তিনি (আরবী) বলেন, তখন তোমরা (আরবী) বলবে। তাহলে আল্লাহ তোমাদের দোয়া কবূল করবেন। আর যখন তিনি রুকূ করেন, তখন তোমরাও রুকূ করবে। আর যখন তিনি মাথা উঠিয়ে (আরবী) বলেন, তখন তোমরা বলবে (আরবী) আল্লাহ তোমাদের কথা শুনবেন। আর যখন ইমাম সিজদা করেন, তোমরাও সিজদা করবে, যখন সিজদা থেকে মাথা উঠাবেন, তোমরাও মাথা উঠাবে। কেননা ইমাম তোমাদের পূর্বে সিজদা করবেন এবং তোমাদের পূর্বে মাথা উঠাবেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এটা তার সমান হয়ে যাবে।

হিত্তান ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ মূসা (রাঃ) আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তিনি বৈঠকে থাকাকালে এক ব্যক্তি প্রবেশ করে বলল, “নামায নেকী এবং যাকাত-এর সাথে মিলিত হয়েছে,” আবূ মূসা (রাঃ) যখন সালাম ফিরালেন তখন তিনি লোকের দিকে ফিরে বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে একথা বলেছে ? তখন লোক চুপ হয়ে গেল আর তিনি বললেনঃ হে হিত্তান! তুমি এটা বলে থাকবে। তিনি বললেনঃ না, আমি ভয় করছিলাম, আপনি এর জন্য আমাকে দোষারোপ করবেন। তিনি বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সালাত ও তার নিয়ম-কানুন শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বলেছেনঃ ইমাম এজন্য যে, তার ইকতেদা করা হবে। যখন তিনি তাকবীর বলেন, তোমরাও তাকবীর বলবে, আর যখন তিনি (আরবী) বলেন, তখন তোমরা (আরবী) বলবে। তাহলে আল্লাহ তোমাদের দোয়া কবূল করবেন। আর যখন তিনি রুকূ করেন, তখন তোমরাও রুকূ করবে। আর যখন তিনি মাথা উঠিয়ে (আরবী) বলেন, তখন তোমরা বলবে (আরবী) আল্লাহ তোমাদের কথা শুনবেন। আর যখন ইমাম সিজদা করেন, তোমরাও সিজদা করবে, যখন সিজদা থেকে মাথা উঠাবেন, তোমরাও মাথা উঠাবে। কেননা ইমাম তোমাদের পূর্বে সিজদা করবেন এবং তোমাদের পূর্বে মাথা উঠাবেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এটা তার সমান হয়ে যাবে।

أخبرنا مؤمل بن هشام قال: حدثنا إسماعيل ابن علية، عن سعيد، عن قتادة، عن يونس بن جبير، عن حطان بن عبد الله قال: صلى بنا أبو موسى، فلما كان في القعدة دخل رجل من القوم فقال: أقرت الصلاة بالبر والزكاة، فلما سلم أبو موسى أقبل على القوم فقال: أيكم القائل هذه الكلمة؟ فأرم القوم. قال: يا حطان، لعلك قلتها. قال: لا وقد خشيت أن تبكعني بها فقال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يعلمنا صلاتنا وسنتنا فقال: " إنما الإمام ليؤتم به، فإذا كبر فكبروا، وإذا قال: {غير المغضوب عليهم ولا الضالين} [الفاتحة: 7] فقولوا: آمين. يجبكم الله، وإذا ركع فاركعوا، وإذا رفع فقال: سمع الله لمن حمده. فقولوا: ربنا لك الحمد يسمع الله لكم، وإذا سجد فاسجدوا، وإذا رفع فارفعوا؛ فإن الإمام يسجد قبلكم ويرفع قبلكم ". قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فتلك بتلك»


সুনান নাসাঈ > মুসল্লী কর্তৃক ইমামের সালাত থেকে বের হয়ে মসজিদের কোন প্রান্তে পৃথক সালাত আদায় করা

সুনান নাসাঈ ৮৩১

أخبرنا واصل بن عبد الأعلى قال: حدثنا ابن فضيل، عن الأعمش، عن محارب بن دثار وأبي صالح، عن جابر قال: جاء رجل من الأنصار وقد أقيمت الصلاة، فدخل المسجد فصلى خلف معاذ فطول بهم، فانصرف الرجل فصلى في ناحية المسجد ثم انطلق، فلما قضى معاذ الصلاة قيل له: إن فلانا فعل كذا وكذا، فقال معاذ: لئن أصبحت لأذكرن ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فأتى معاذ النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له، فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إليه فقال: «ما حملك على الذي صنعت؟» فقال: يا رسول الله، عملت على ناضحي من النهار، فجئت وقد أقيمت الصلاة، فدخلت المسجد، فدخلت معه في الصلاة، فقرأ سورة كذا وكذا فطول، فانصرفت فصليت في ناحية المسجد، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أفتان يا معاذ؟ أفتان يا معاذ؟ أفتان يا معاذ؟»

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ সালাতের ইকামত বলার পরে এক আনসারী ব্যক্তি আগমন করল। সে মসজিদে প্রবেশ করে মু’আয (রাঃ)-এর পেছনে সালাতে দাঁড়াল। তিনি কিরা’আত লম্বা করলেন। লোকটি সালাত থেকে বের হয়ে মসজিদের এক কোণে সালাত আদায় করে চলে গেল। মু’আয (রাঃ) যখন সালাত শেষ করলেন, তাঁকে বলা হল, অমুক ব্যক্তি এরূপ এরূপ করেছে। মু’আয (রাঃ) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ ব্যাপারে অবশ্যই অবহিত করব। মু’আয (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে ঘটনা ব্যক্ত করলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকটির নিকট লোক পাঠিয়ে তাকে ডেকে আনলেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি যা করেছ তা করতে তোমাকে কিসে বাধ্য করেছে? সে ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আমি দিনের বেলায় আমার উটের কাজে ব্যস্ত ছিলাম। এরপর আমি আসলাম এবং পূর্বেই সালাতের ইকামত বলা হয়েছিল। আমি মসজিদে প্রবেশ করে তাঁর সঙ্গে সালাতে শরীক হলাম। কিন্তু তিনি সালাতে অমুক অমুক সূরা আরম্ভ করে সালাত লম্বা করে দিলেন। এজন্য আমি সালাত থেকে বের হয়ে মসজিদের এক কোণে সালাত আদায় করি। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে মু’আয! তুমি কি ফিতনা সৃষ্টিকারী হবে? হে মু’আয! তুমি কি ফিতনা সৃষ্টিকারী হবে? হে মু’আয! তুমি কি ফিতনা সৃষ্টিকারী হবে?

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ সালাতের ইকামত বলার পরে এক আনসারী ব্যক্তি আগমন করল। সে মসজিদে প্রবেশ করে মু’আয (রাঃ)-এর পেছনে সালাতে দাঁড়াল। তিনি কিরা’আত লম্বা করলেন। লোকটি সালাত থেকে বের হয়ে মসজিদের এক কোণে সালাত আদায় করে চলে গেল। মু’আয (রাঃ) যখন সালাত শেষ করলেন, তাঁকে বলা হল, অমুক ব্যক্তি এরূপ এরূপ করেছে। মু’আয (রাঃ) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ ব্যাপারে অবশ্যই অবহিত করব। মু’আয (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে ঘটনা ব্যক্ত করলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকটির নিকট লোক পাঠিয়ে তাকে ডেকে আনলেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি যা করেছ তা করতে তোমাকে কিসে বাধ্য করেছে? সে ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আমি দিনের বেলায় আমার উটের কাজে ব্যস্ত ছিলাম। এরপর আমি আসলাম এবং পূর্বেই সালাতের ইকামত বলা হয়েছিল। আমি মসজিদে প্রবেশ করে তাঁর সঙ্গে সালাতে শরীক হলাম। কিন্তু তিনি সালাতে অমুক অমুক সূরা আরম্ভ করে সালাত লম্বা করে দিলেন। এজন্য আমি সালাত থেকে বের হয়ে মসজিদের এক কোণে সালাত আদায় করি। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে মু’আয! তুমি কি ফিতনা সৃষ্টিকারী হবে? হে মু’আয! তুমি কি ফিতনা সৃষ্টিকারী হবে? হে মু’আয! তুমি কি ফিতনা সৃষ্টিকারী হবে?

أخبرنا واصل بن عبد الأعلى قال: حدثنا ابن فضيل، عن الأعمش، عن محارب بن دثار وأبي صالح، عن جابر قال: جاء رجل من الأنصار وقد أقيمت الصلاة، فدخل المسجد فصلى خلف معاذ فطول بهم، فانصرف الرجل فصلى في ناحية المسجد ثم انطلق، فلما قضى معاذ الصلاة قيل له: إن فلانا فعل كذا وكذا، فقال معاذ: لئن أصبحت لأذكرن ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فأتى معاذ النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له، فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إليه فقال: «ما حملك على الذي صنعت؟» فقال: يا رسول الله، عملت على ناضحي من النهار، فجئت وقد أقيمت الصلاة، فدخلت المسجد، فدخلت معه في الصلاة، فقرأ سورة كذا وكذا فطول، فانصرفت فصليت في ناحية المسجد، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أفتان يا معاذ؟ أفتان يا معاذ؟ أفتان يا معاذ؟»


সুনান নাসাঈ > বসে সালাত আদায়কারী ইমামের পেছনে ইকতিদা করা

সুনান নাসাঈ ৮৩২

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ركب فرسا، فصرع عنه فجحش شقه الأيمن، فصلى صلاة من الصلوات وهو قاعد، فصلينا وراءه قعودا، فلما انصرف قال: " إنما جعل الإمام ليؤتم به، فإذا صلى قائما فصلوا قياما، وإذا ركع فاركعوا، وإذا قال: سمع الله لمن حمده، فقولوا: ربنا لك الحمد، وإذا صلى جالسا فصلوا جلوسا أجمعون "

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ঘোড়ায় আরোহণ করলেন এবং তা থেকে পড়ে তাঁর ডান পাঁজরে আঘাত পেলেন। এরপর এক ওয়াক্ত সালাত বসে আদায় করলেন, আমরাও তাঁর পেছনে বসে সালাত আদায় করি। সালাত শেষ করে তিনি বললেনঃ ইমাম নিযুক্ত হয় তার অনুসরণ করার জন্য। ইমাম যখন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করেন, তখন তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে। যখন ইমাম (আরবী) বলেন, তখন তোমরা বলবে (আরবী) আর যখন ইমাম বসে সালাত আদায় করেন, তখন তোমরা সকলেই বসে সালাত আদায় করবে। [১]

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ঘোড়ায় আরোহণ করলেন এবং তা থেকে পড়ে তাঁর ডান পাঁজরে আঘাত পেলেন। এরপর এক ওয়াক্ত সালাত বসে আদায় করলেন, আমরাও তাঁর পেছনে বসে সালাত আদায় করি। সালাত শেষ করে তিনি বললেনঃ ইমাম নিযুক্ত হয় তার অনুসরণ করার জন্য। ইমাম যখন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করেন, তখন তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে। যখন ইমাম (আরবী) বলেন, তখন তোমরা বলবে (আরবী) আর যখন ইমাম বসে সালাত আদায় করেন, তখন তোমরা সকলেই বসে সালাত আদায় করবে। [১]

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ركب فرسا، فصرع عنه فجحش شقه الأيمن، فصلى صلاة من الصلوات وهو قاعد، فصلينا وراءه قعودا، فلما انصرف قال: " إنما جعل الإمام ليؤتم به، فإذا صلى قائما فصلوا قياما، وإذا ركع فاركعوا، وإذا قال: سمع الله لمن حمده، فقولوا: ربنا لك الحمد، وإذا صلى جالسا فصلوا جلوسا أجمعون "


সুনান নাসাঈ ৮৩৩

أخبرنا محمد بن العلاء قال: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة قالت: لما ثقل رسول الله صلى الله عليه وسلم جاء بلال يؤذنه بالصلاة فقال: «مروا أبا بكر فليصل بالناس». قالت: قلت: يا رسول الله إن أبا بكر رجل أسيف وإنه متى يقوم في مقامك لا يسمع الناس فلو أمرت عمر. فقال: «مروا أبا بكر فليصل بالناس». فقلت لحفصة: قولي له، فقالت له فقال: «إنكن لأنتن صواحبات يوسف، مروا أبا بكر فليصل بالناس». قالت: فأمروا أبا بكر، فلما دخل في الصلاة وجد رسول الله صلى الله عليه وسلم من نفسه خفة قالت: فقام يهادى بين رجلين، ورجلاه تخطان في الأرض، فلما دخل المسجد سمع أبو بكر حسه فذهب ليتأخر، فأومأ إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم أن قم كما أنت. قالت: فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى قام عن يسار أبي بكر جالسا، فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي بالناس جالسا، وأبو بكر قائما يقتدي أبو بكر برسول الله صلى الله عليه وسلم، والناس يقتدون بصلاة أبي بكر رضي الله عنه

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ যখন বেড়ে গেল, তখন বিলাল (রাঃ) তাঁকে সালাতের খবর দিতে আসলেন। তিনি বললেনঃ আবূ বকর (রাঃ)-কে বল, সে যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আবূ বকর একজন কোমল-হৃদয় লোক। তিনি যখন আপনার স্থানে দাঁড়াবেন, তখন তিনি লোকদের কির’আত শোনাতে পারবেন না। অতএব যদি আপনি উমর (রাঃ)-কে আদেশ করতেন তবে ভাল হত। তিনি বললেনঃ আবূ বকর (রাঃ)-কে বল, যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। তারপর আমি হাফসা (রাঃ)-কে আমার কথা বলার জন্য বললাম। তিনিও তাঁকে তা বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা (পীড়াপীড়ি করার ব্যাপারে) ঐ সকল নারীর ন্যায় যারা ইউসুফ (আঃ)-এর ব্যাপারে জড়িত ছিল। আবূ বকর (রাঃ)-কে বল, লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে। তিনি [আয়েশা (রাঃ)] বলেনঃ তাঁকে অনুরোধ করা হলে যখন তিনি সালাত আরম্ভ করলেন, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুটা স্বস্তিবোধ করলেন, তিনি দাঁড়িয়ে দু’জন লোকের সহায়তায় চললেন আর তাঁর পদ্বদয় মাটিতে হেঁচড়াচ্ছিল। যখন তিনি মসজিদে প্রবেশ করলেন, আবূ বকর (রাঃ) তাঁর আগমন অনুভব করে পেছনে হটতে চাইলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ইঙ্গিতে নিজ অবস্থায় থাকতে বললেন। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ তারপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে আবূ বকর (রাঃ)-এর বামদিকে দাঁড়ালেন এবং লোকদের সাথে বসে সালাত আদায় করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করছিলেন বসে, আবূ বকর (রাঃ) ছিলেন দাঁড়ানো। আবূ বকর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইকতিদা করছিলেন আর অন্যান্য লোক ইকতিদা করছিল আবূ বকর (রাঃ)-এর সালাতের। [১]

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ যখন বেড়ে গেল, তখন বিলাল (রাঃ) তাঁকে সালাতের খবর দিতে আসলেন। তিনি বললেনঃ আবূ বকর (রাঃ)-কে বল, সে যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আবূ বকর একজন কোমল-হৃদয় লোক। তিনি যখন আপনার স্থানে দাঁড়াবেন, তখন তিনি লোকদের কির’আত শোনাতে পারবেন না। অতএব যদি আপনি উমর (রাঃ)-কে আদেশ করতেন তবে ভাল হত। তিনি বললেনঃ আবূ বকর (রাঃ)-কে বল, যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। তারপর আমি হাফসা (রাঃ)-কে আমার কথা বলার জন্য বললাম। তিনিও তাঁকে তা বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা (পীড়াপীড়ি করার ব্যাপারে) ঐ সকল নারীর ন্যায় যারা ইউসুফ (আঃ)-এর ব্যাপারে জড়িত ছিল। আবূ বকর (রাঃ)-কে বল, লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে। তিনি [আয়েশা (রাঃ)] বলেনঃ তাঁকে অনুরোধ করা হলে যখন তিনি সালাত আরম্ভ করলেন, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুটা স্বস্তিবোধ করলেন, তিনি দাঁড়িয়ে দু’জন লোকের সহায়তায় চললেন আর তাঁর পদ্বদয় মাটিতে হেঁচড়াচ্ছিল। যখন তিনি মসজিদে প্রবেশ করলেন, আবূ বকর (রাঃ) তাঁর আগমন অনুভব করে পেছনে হটতে চাইলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ইঙ্গিতে নিজ অবস্থায় থাকতে বললেন। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ তারপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে আবূ বকর (রাঃ)-এর বামদিকে দাঁড়ালেন এবং লোকদের সাথে বসে সালাত আদায় করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করছিলেন বসে, আবূ বকর (রাঃ) ছিলেন দাঁড়ানো। আবূ বকর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইকতিদা করছিলেন আর অন্যান্য লোক ইকতিদা করছিল আবূ বকর (রাঃ)-এর সালাতের। [১]

أخبرنا محمد بن العلاء قال: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة قالت: لما ثقل رسول الله صلى الله عليه وسلم جاء بلال يؤذنه بالصلاة فقال: «مروا أبا بكر فليصل بالناس». قالت: قلت: يا رسول الله إن أبا بكر رجل أسيف وإنه متى يقوم في مقامك لا يسمع الناس فلو أمرت عمر. فقال: «مروا أبا بكر فليصل بالناس». فقلت لحفصة: قولي له، فقالت له فقال: «إنكن لأنتن صواحبات يوسف، مروا أبا بكر فليصل بالناس». قالت: فأمروا أبا بكر، فلما دخل في الصلاة وجد رسول الله صلى الله عليه وسلم من نفسه خفة قالت: فقام يهادى بين رجلين، ورجلاه تخطان في الأرض، فلما دخل المسجد سمع أبو بكر حسه فذهب ليتأخر، فأومأ إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم أن قم كما أنت. قالت: فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى قام عن يسار أبي بكر جالسا، فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي بالناس جالسا، وأبو بكر قائما يقتدي أبو بكر برسول الله صلى الله عليه وسلم، والناس يقتدون بصلاة أبي بكر رضي الله عنه


সুনান নাসাঈ ৮৩৪

أخبرنا العباس بن عبد العظيم العنبري قال: حدثنا عبد الرحمن بن مهدي قال: حدثنا زائدة، عن موسى بن أبي عائشة، عن عبيد الله بن عبد الله قال: دخلت على عائشة فقلت: ألا تحدثيني عن مرض رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ قالت: لما ثقل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «أصلى الناس؟» فقلنا: لا. وهم ينتظرونك يا رسول الله. فقال: ضعوا لي ماء في المخضب ففعلنا، فاغتسل، ثم ذهب لينوء فأغمي عليه، ثم أفاق فقال: «أصلى الناس؟» قلنا: لا. هم ينتظرونك يا رسول الله. فقال: «ضعوا لي ماء في المخضب». ففعلنا فاغتسل، ثم ذهب لينوء، ثم أغمي عليه، ثم قال في الثالثة مثل قوله قالت: والناس عكوف في المسجد ينتظرون رسول الله صلى الله عليه وسلم لصلاة العشاء، فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى أبي بكر أن صل بالناس، فجاءه الرسول فقال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم يأمرك أن تصلي بالناس، وكان أبو بكر رجلا رقيقا فقال: يا عمر صل بالناس. فقال: أنت أحق بذلك فصلى بهم أبو بكر تلك الأيام، ثم إن رسول الله صلى الله عليه وسلم وجد من نفسه خفة، فجاء يهادى بين رجلين أحدهما العباس لصلاة الظهر، فلما رآه أبو بكر ذهب ليتأخر، فأومأ إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم أن لا يتأخر وأمرهما فأجلساه إلى جنبه، فجعل أبو بكر يصلي قائما والناس يصلون بصلاة أبي بكر ورسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي قاعدا " فدخلت على ابن عباس فقلت: ألا أعرض عليك ما حدثتني عائشة عن مرض رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: نعم. فحدثته , فما أنكر منه شيئا غير أنه قال: أسمت لك الرجل الذي كان مع العباس؟ قلت: لا. قال: هو علي كرم الله وجهه

উবায়দুল্লাহ্‌ ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, আপনি কি আমাকে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ সম্বন্ধে অবহিত করবেন না? তিনি বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ যখন বেড়ে গেল তখন তিনি বললেন, লোকেরা কি সালাত আদায় করে ফেলেছে? আমরা বললাম; না, আপনার অপেক্ষা করছে ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! তিনি বললেন, আমার জন্য পাত্রে কিছু পানি রাখ। আমরা তা করলে তিনি গোসল করলেন এবং মসজিদে যাওয়ার ইচ্ছা করলেন। ইত্যবসরে তিনি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। তারপর কিছুটা সুস্থ হয়ে বললেন, লোকগণ কি সালাত আদায় করে ফেলেছে? আমরা বললাম, না, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! তারা আপনার অপেক্ষা করছে। তিনি বললেন, আমার জন্য পাত্রে কিছু পানি রাখ। আমরা যখন পানি রাখলাম তিনি গোসল করলেন। তারপর দাঁড়াবার ইচ্ছা করলে আবার তিনি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। এরপর তৃতীয়বারও তিনি ঐরূপ বললেন। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ তখন লোকেরা মসজিদে ইশার সালাতের জন্য রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অপেক্ষায় অবস্থান করছিলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠিয়ে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে বললেন। সেই লোক এসে তাঁকে সংবাদ দিল যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনাকে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে বলেছেন। আবূ বকর (রাঃ) ছিলেন কোমল হৃদয়ের লোক। তিনি উমর (রাঃ)-কে বললেন, হে উমর! লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করুন। তিনি বললেন, এ কাজের জন্য আপনিই উপযুক্ত। তারপর আবূ বকর (রাঃ) এই কয়দিন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুটা সুস্থতা অনুভব করলেন এবং তিনি দু’জন লোকের সাহায্য নিয়ে যোহরের সালাতের জন্য আসলেন। তাঁদের একজন ছিলেন আব্বাস (রাঃ)। যখন আবূ বকর (রাঃ) তাঁকে দেখলেন তখন তিনি পিছে হটতে চাইলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ইঙ্গিতে পিছু হটতে নিষেধ করলেন এবং ঐ দুই ব্যক্তিকে আদেশ করলে তাঁরা তাঁকে আবূ বকরের পাশে বসিয়ে দিলেন। তখন আবূ বকর (রাঃ) দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিলেন আর লোকগণ আবূ বকরের ইকতিদা করছিলেন। আর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসে সালাত আদায় করছিলেন। বর্ণনাকারী বলেনঃ তারপর আমি ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে বললাম, আয়েশা (রাঃ) আমাকে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ সম্বন্ধে যা বলেছেন, তা কি আপনার নিকট বর্ণনা করব? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি তাঁর নিকট বর্ণনা করলাম। তিনি তার কোন কিছুই অস্বীকার করলেন না। কিন্তু তিনি বললেন, তিনি তোমার নিকট ঐ ব্যক্তির নাম বলেছেন কি, যিনি আব্বাসের সঙ্গে ছিলেন? আমি বললাম, না। ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) বললেন, তিনি ছিলেন আলী (রাঃ)।

উবায়দুল্লাহ্‌ ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, আপনি কি আমাকে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ সম্বন্ধে অবহিত করবেন না? তিনি বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ যখন বেড়ে গেল তখন তিনি বললেন, লোকেরা কি সালাত আদায় করে ফেলেছে? আমরা বললাম; না, আপনার অপেক্ষা করছে ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! তিনি বললেন, আমার জন্য পাত্রে কিছু পানি রাখ। আমরা তা করলে তিনি গোসল করলেন এবং মসজিদে যাওয়ার ইচ্ছা করলেন। ইত্যবসরে তিনি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। তারপর কিছুটা সুস্থ হয়ে বললেন, লোকগণ কি সালাত আদায় করে ফেলেছে? আমরা বললাম, না, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! তারা আপনার অপেক্ষা করছে। তিনি বললেন, আমার জন্য পাত্রে কিছু পানি রাখ। আমরা যখন পানি রাখলাম তিনি গোসল করলেন। তারপর দাঁড়াবার ইচ্ছা করলে আবার তিনি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। এরপর তৃতীয়বারও তিনি ঐরূপ বললেন। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ তখন লোকেরা মসজিদে ইশার সালাতের জন্য রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অপেক্ষায় অবস্থান করছিলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠিয়ে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে বললেন। সেই লোক এসে তাঁকে সংবাদ দিল যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনাকে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতে বলেছেন। আবূ বকর (রাঃ) ছিলেন কোমল হৃদয়ের লোক। তিনি উমর (রাঃ)-কে বললেন, হে উমর! লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করুন। তিনি বললেন, এ কাজের জন্য আপনিই উপযুক্ত। তারপর আবূ বকর (রাঃ) এই কয়দিন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুটা সুস্থতা অনুভব করলেন এবং তিনি দু’জন লোকের সাহায্য নিয়ে যোহরের সালাতের জন্য আসলেন। তাঁদের একজন ছিলেন আব্বাস (রাঃ)। যখন আবূ বকর (রাঃ) তাঁকে দেখলেন তখন তিনি পিছে হটতে চাইলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ইঙ্গিতে পিছু হটতে নিষেধ করলেন এবং ঐ দুই ব্যক্তিকে আদেশ করলে তাঁরা তাঁকে আবূ বকরের পাশে বসিয়ে দিলেন। তখন আবূ বকর (রাঃ) দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিলেন আর লোকগণ আবূ বকরের ইকতিদা করছিলেন। আর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসে সালাত আদায় করছিলেন। বর্ণনাকারী বলেনঃ তারপর আমি ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে বললাম, আয়েশা (রাঃ) আমাকে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ সম্বন্ধে যা বলেছেন, তা কি আপনার নিকট বর্ণনা করব? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি তাঁর নিকট বর্ণনা করলাম। তিনি তার কোন কিছুই অস্বীকার করলেন না। কিন্তু তিনি বললেন, তিনি তোমার নিকট ঐ ব্যক্তির নাম বলেছেন কি, যিনি আব্বাসের সঙ্গে ছিলেন? আমি বললাম, না। ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) বললেন, তিনি ছিলেন আলী (রাঃ)।

أخبرنا العباس بن عبد العظيم العنبري قال: حدثنا عبد الرحمن بن مهدي قال: حدثنا زائدة، عن موسى بن أبي عائشة، عن عبيد الله بن عبد الله قال: دخلت على عائشة فقلت: ألا تحدثيني عن مرض رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ قالت: لما ثقل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «أصلى الناس؟» فقلنا: لا. وهم ينتظرونك يا رسول الله. فقال: ضعوا لي ماء في المخضب ففعلنا، فاغتسل، ثم ذهب لينوء فأغمي عليه، ثم أفاق فقال: «أصلى الناس؟» قلنا: لا. هم ينتظرونك يا رسول الله. فقال: «ضعوا لي ماء في المخضب». ففعلنا فاغتسل، ثم ذهب لينوء، ثم أغمي عليه، ثم قال في الثالثة مثل قوله قالت: والناس عكوف في المسجد ينتظرون رسول الله صلى الله عليه وسلم لصلاة العشاء، فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى أبي بكر أن صل بالناس، فجاءه الرسول فقال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم يأمرك أن تصلي بالناس، وكان أبو بكر رجلا رقيقا فقال: يا عمر صل بالناس. فقال: أنت أحق بذلك فصلى بهم أبو بكر تلك الأيام، ثم إن رسول الله صلى الله عليه وسلم وجد من نفسه خفة، فجاء يهادى بين رجلين أحدهما العباس لصلاة الظهر، فلما رآه أبو بكر ذهب ليتأخر، فأومأ إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم أن لا يتأخر وأمرهما فأجلساه إلى جنبه، فجعل أبو بكر يصلي قائما والناس يصلون بصلاة أبي بكر ورسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي قاعدا " فدخلت على ابن عباس فقلت: ألا أعرض عليك ما حدثتني عائشة عن مرض رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: نعم. فحدثته , فما أنكر منه شيئا غير أنه قال: أسمت لك الرجل الذي كان مع العباس؟ قلت: لا. قال: هو علي كرم الله وجهه


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00