সুনান নাসাঈ > ইমামের জন্য লম্বা করার অনুমতি

সুনান নাসাঈ ৮২৬

أخبرنا إسماعيل بن مسعود قال: حدثنا خالد بن الحارث، عن ابن أبي ذئب قال: أخبرني الحارث بن عبد الرحمن، عن سالم بن عبد الله، عن عبد الله بن عمر قال: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يأمر بالتخفيف ويؤمنا بالصافات»

আবদুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে সালাত সহজ করতে বলতেন, আর তিনি আমাদের ইমামতি করতেন, ‘সূরা সাফ্‌ফাত’ দিয়ে।

আবদুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে সালাত সহজ করতে বলতেন, আর তিনি আমাদের ইমামতি করতেন, ‘সূরা সাফ্‌ফাত’ দিয়ে।

أخبرنا إسماعيل بن مسعود قال: حدثنا خالد بن الحارث، عن ابن أبي ذئب قال: أخبرني الحارث بن عبد الرحمن، عن سالم بن عبد الله، عن عبد الله بن عمر قال: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يأمر بالتخفيف ويؤمنا بالصافات»


সুনান নাসাঈ > ইমামের জন্য সালাতে যা বৈধ

সুনান নাসাঈ ৮২৭

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا سفيان، عن عثمان بن أبي سليمان، عن عامر بن عبد الله بن الزبير، عن عمرو بن سليم الزرقي، عن أبي قتادة قال: «رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يؤم الناس وهو حامل أمامة بنت أبي العاص على عاتقه، فإذا ركع وضعها، وإذا رفع من سجوده أعادها»

আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখেছি, তিনি লোকের ইমামতি করছেন। আর তখন তিনি উমামা বিনত আবুল আসকে তাঁর কাঁধে উঠিয়ে রাখছেন। যখন তিনি রুকূ করছেন, তাকে রেখে দিচ্ছেন, আর যখন সিজদা থেকে উঠছেন, তাকে পুনরায় তুলে নিচ্ছেন।

আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখেছি, তিনি লোকের ইমামতি করছেন। আর তখন তিনি উমামা বিনত আবুল আসকে তাঁর কাঁধে উঠিয়ে রাখছেন। যখন তিনি রুকূ করছেন, তাকে রেখে দিচ্ছেন, আর যখন সিজদা থেকে উঠছেন, তাকে পুনরায় তুলে নিচ্ছেন।

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا سفيان، عن عثمان بن أبي سليمان، عن عامر بن عبد الله بن الزبير، عن عمرو بن سليم الزرقي، عن أبي قتادة قال: «رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يؤم الناس وهو حامل أمامة بنت أبي العاص على عاتقه، فإذا ركع وضعها، وإذا رفع من سجوده أعادها»


সুনান নাসাঈ > ইমাম থেকে অগ্রগামী হওয়া

সুনান নাসাঈ ৮২৮

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا حماد، عن محمد بن زياد، عن أبي هريرة قال: قال محمد صلى الله عليه وسلم: «ألا يخشى الذي يرفع رأسه قبل الإمام أن يحول الله رأسه رأس حمار»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ইমামের আগে মাথা উঠায়, সে কি ভয় করে না যে, আল্লাহ তা’আলা তার মাথাকে গাধার মাথায় পরিবর্তিত করে দিবেন ?

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ইমামের আগে মাথা উঠায়, সে কি ভয় করে না যে, আল্লাহ তা’আলা তার মাথাকে গাধার মাথায় পরিবর্তিত করে দিবেন ?

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا حماد، عن محمد بن زياد، عن أبي هريرة قال: قال محمد صلى الله عليه وسلم: «ألا يخشى الذي يرفع رأسه قبل الإمام أن يحول الله رأسه رأس حمار»


সুনান নাসাঈ ৮২৯

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم قال: حدثنا ابن علية قال: أنبأنا شعبة، عن أبي إسحاق قال: سمعت عبد الله بن يزيد يخطب قال: حدثنا البراء وكان غير كذوب: «أنهم كانوا إذا صلوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فرفع رأسه من الركوع قاموا قياما حتى يروه ساجدا، ثم سجدوا»

আবদুল্লাহ ইব্‌ন ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ বাবা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, আর তিনি মিথ্যাবাদী ছিলেন না, তাঁরা যখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সালাত আদায় করতেন তখন তিনি রুকূ থেকে মাথা উঠাতেন আর তাঁরা দাঁড়িয়ে যেতেন। তারপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সিজদা করতে দেখে তাঁরা সিজদা করতেন।

আবদুল্লাহ ইব্‌ন ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ বাবা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, আর তিনি মিথ্যাবাদী ছিলেন না, তাঁরা যখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সালাত আদায় করতেন তখন তিনি রুকূ থেকে মাথা উঠাতেন আর তাঁরা দাঁড়িয়ে যেতেন। তারপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সিজদা করতে দেখে তাঁরা সিজদা করতেন।

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم قال: حدثنا ابن علية قال: أنبأنا شعبة، عن أبي إسحاق قال: سمعت عبد الله بن يزيد يخطب قال: حدثنا البراء وكان غير كذوب: «أنهم كانوا إذا صلوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فرفع رأسه من الركوع قاموا قياما حتى يروه ساجدا، ثم سجدوا»


সুনান নাসাঈ ৮৩০

أخبرنا مؤمل بن هشام قال: حدثنا إسماعيل ابن علية، عن سعيد، عن قتادة، عن يونس بن جبير، عن حطان بن عبد الله قال: صلى بنا أبو موسى، فلما كان في القعدة دخل رجل من القوم فقال: أقرت الصلاة بالبر والزكاة، فلما سلم أبو موسى أقبل على القوم فقال: أيكم القائل هذه الكلمة؟ فأرم القوم. قال: يا حطان، لعلك قلتها. قال: لا وقد خشيت أن تبكعني بها فقال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يعلمنا صلاتنا وسنتنا فقال: " إنما الإمام ليؤتم به، فإذا كبر فكبروا، وإذا قال: {غير المغضوب عليهم ولا الضالين} [الفاتحة: 7] فقولوا: آمين. يجبكم الله، وإذا ركع فاركعوا، وإذا رفع فقال: سمع الله لمن حمده. فقولوا: ربنا لك الحمد يسمع الله لكم، وإذا سجد فاسجدوا، وإذا رفع فارفعوا؛ فإن الإمام يسجد قبلكم ويرفع قبلكم ". قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فتلك بتلك»

হিত্তান ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ মূসা (রাঃ) আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তিনি বৈঠকে থাকাকালে এক ব্যক্তি প্রবেশ করে বলল, “নামায নেকী এবং যাকাত-এর সাথে মিলিত হয়েছে,” আবূ মূসা (রাঃ) যখন সালাম ফিরালেন তখন তিনি লোকের দিকে ফিরে বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে একথা বলেছে ? তখন লোক চুপ হয়ে গেল আর তিনি বললেনঃ হে হিত্তান! তুমি এটা বলে থাকবে। তিনি বললেনঃ না, আমি ভয় করছিলাম, আপনি এর জন্য আমাকে দোষারোপ করবেন। তিনি বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সালাত ও তার নিয়ম-কানুন শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বলেছেনঃ ইমাম এজন্য যে, তার ইকতেদা করা হবে। যখন তিনি তাকবীর বলেন, তোমরাও তাকবীর বলবে, আর যখন তিনি (আরবী) বলেন, তখন তোমরা (আরবী) বলবে। তাহলে আল্লাহ তোমাদের দোয়া কবূল করবেন। আর যখন তিনি রুকূ করেন, তখন তোমরাও রুকূ করবে। আর যখন তিনি মাথা উঠিয়ে (আরবী) বলেন, তখন তোমরা বলবে (আরবী) আল্লাহ তোমাদের কথা শুনবেন। আর যখন ইমাম সিজদা করেন, তোমরাও সিজদা করবে, যখন সিজদা থেকে মাথা উঠাবেন, তোমরাও মাথা উঠাবে। কেননা ইমাম তোমাদের পূর্বে সিজদা করবেন এবং তোমাদের পূর্বে মাথা উঠাবেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এটা তার সমান হয়ে যাবে।

হিত্তান ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ মূসা (রাঃ) আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তিনি বৈঠকে থাকাকালে এক ব্যক্তি প্রবেশ করে বলল, “নামায নেকী এবং যাকাত-এর সাথে মিলিত হয়েছে,” আবূ মূসা (রাঃ) যখন সালাম ফিরালেন তখন তিনি লোকের দিকে ফিরে বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে একথা বলেছে ? তখন লোক চুপ হয়ে গেল আর তিনি বললেনঃ হে হিত্তান! তুমি এটা বলে থাকবে। তিনি বললেনঃ না, আমি ভয় করছিলাম, আপনি এর জন্য আমাকে দোষারোপ করবেন। তিনি বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সালাত ও তার নিয়ম-কানুন শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বলেছেনঃ ইমাম এজন্য যে, তার ইকতেদা করা হবে। যখন তিনি তাকবীর বলেন, তোমরাও তাকবীর বলবে, আর যখন তিনি (আরবী) বলেন, তখন তোমরা (আরবী) বলবে। তাহলে আল্লাহ তোমাদের দোয়া কবূল করবেন। আর যখন তিনি রুকূ করেন, তখন তোমরাও রুকূ করবে। আর যখন তিনি মাথা উঠিয়ে (আরবী) বলেন, তখন তোমরা বলবে (আরবী) আল্লাহ তোমাদের কথা শুনবেন। আর যখন ইমাম সিজদা করেন, তোমরাও সিজদা করবে, যখন সিজদা থেকে মাথা উঠাবেন, তোমরাও মাথা উঠাবে। কেননা ইমাম তোমাদের পূর্বে সিজদা করবেন এবং তোমাদের পূর্বে মাথা উঠাবেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এটা তার সমান হয়ে যাবে।

أخبرنا مؤمل بن هشام قال: حدثنا إسماعيل ابن علية، عن سعيد، عن قتادة، عن يونس بن جبير، عن حطان بن عبد الله قال: صلى بنا أبو موسى، فلما كان في القعدة دخل رجل من القوم فقال: أقرت الصلاة بالبر والزكاة، فلما سلم أبو موسى أقبل على القوم فقال: أيكم القائل هذه الكلمة؟ فأرم القوم. قال: يا حطان، لعلك قلتها. قال: لا وقد خشيت أن تبكعني بها فقال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يعلمنا صلاتنا وسنتنا فقال: " إنما الإمام ليؤتم به، فإذا كبر فكبروا، وإذا قال: {غير المغضوب عليهم ولا الضالين} [الفاتحة: 7] فقولوا: آمين. يجبكم الله، وإذا ركع فاركعوا، وإذا رفع فقال: سمع الله لمن حمده. فقولوا: ربنا لك الحمد يسمع الله لكم، وإذا سجد فاسجدوا، وإذا رفع فارفعوا؛ فإن الإمام يسجد قبلكم ويرفع قبلكم ". قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فتلك بتلك»


সুনান নাসাঈ > মুসল্লী কর্তৃক ইমামের সালাত থেকে বের হয়ে মসজিদের কোন প্রান্তে পৃথক সালাত আদায় করা

সুনান নাসাঈ ৮৩১

أخبرنا واصل بن عبد الأعلى قال: حدثنا ابن فضيل، عن الأعمش، عن محارب بن دثار وأبي صالح، عن جابر قال: جاء رجل من الأنصار وقد أقيمت الصلاة، فدخل المسجد فصلى خلف معاذ فطول بهم، فانصرف الرجل فصلى في ناحية المسجد ثم انطلق، فلما قضى معاذ الصلاة قيل له: إن فلانا فعل كذا وكذا، فقال معاذ: لئن أصبحت لأذكرن ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فأتى معاذ النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له، فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إليه فقال: «ما حملك على الذي صنعت؟» فقال: يا رسول الله، عملت على ناضحي من النهار، فجئت وقد أقيمت الصلاة، فدخلت المسجد، فدخلت معه في الصلاة، فقرأ سورة كذا وكذا فطول، فانصرفت فصليت في ناحية المسجد، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أفتان يا معاذ؟ أفتان يا معاذ؟ أفتان يا معاذ؟»

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ সালাতের ইকামত বলার পরে এক আনসারী ব্যক্তি আগমন করল। সে মসজিদে প্রবেশ করে মু’আয (রাঃ)-এর পেছনে সালাতে দাঁড়াল। তিনি কিরা’আত লম্বা করলেন। লোকটি সালাত থেকে বের হয়ে মসজিদের এক কোণে সালাত আদায় করে চলে গেল। মু’আয (রাঃ) যখন সালাত শেষ করলেন, তাঁকে বলা হল, অমুক ব্যক্তি এরূপ এরূপ করেছে। মু’আয (রাঃ) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ ব্যাপারে অবশ্যই অবহিত করব। মু’আয (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে ঘটনা ব্যক্ত করলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকটির নিকট লোক পাঠিয়ে তাকে ডেকে আনলেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি যা করেছ তা করতে তোমাকে কিসে বাধ্য করেছে? সে ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আমি দিনের বেলায় আমার উটের কাজে ব্যস্ত ছিলাম। এরপর আমি আসলাম এবং পূর্বেই সালাতের ইকামত বলা হয়েছিল। আমি মসজিদে প্রবেশ করে তাঁর সঙ্গে সালাতে শরীক হলাম। কিন্তু তিনি সালাতে অমুক অমুক সূরা আরম্ভ করে সালাত লম্বা করে দিলেন। এজন্য আমি সালাত থেকে বের হয়ে মসজিদের এক কোণে সালাত আদায় করি। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে মু’আয! তুমি কি ফিতনা সৃষ্টিকারী হবে? হে মু’আয! তুমি কি ফিতনা সৃষ্টিকারী হবে? হে মু’আয! তুমি কি ফিতনা সৃষ্টিকারী হবে?

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ সালাতের ইকামত বলার পরে এক আনসারী ব্যক্তি আগমন করল। সে মসজিদে প্রবেশ করে মু’আয (রাঃ)-এর পেছনে সালাতে দাঁড়াল। তিনি কিরা’আত লম্বা করলেন। লোকটি সালাত থেকে বের হয়ে মসজিদের এক কোণে সালাত আদায় করে চলে গেল। মু’আয (রাঃ) যখন সালাত শেষ করলেন, তাঁকে বলা হল, অমুক ব্যক্তি এরূপ এরূপ করেছে। মু’আয (রাঃ) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ ব্যাপারে অবশ্যই অবহিত করব। মু’আয (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে ঘটনা ব্যক্ত করলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকটির নিকট লোক পাঠিয়ে তাকে ডেকে আনলেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি যা করেছ তা করতে তোমাকে কিসে বাধ্য করেছে? সে ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আমি দিনের বেলায় আমার উটের কাজে ব্যস্ত ছিলাম। এরপর আমি আসলাম এবং পূর্বেই সালাতের ইকামত বলা হয়েছিল। আমি মসজিদে প্রবেশ করে তাঁর সঙ্গে সালাতে শরীক হলাম। কিন্তু তিনি সালাতে অমুক অমুক সূরা আরম্ভ করে সালাত লম্বা করে দিলেন। এজন্য আমি সালাত থেকে বের হয়ে মসজিদের এক কোণে সালাত আদায় করি। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে মু’আয! তুমি কি ফিতনা সৃষ্টিকারী হবে? হে মু’আয! তুমি কি ফিতনা সৃষ্টিকারী হবে? হে মু’আয! তুমি কি ফিতনা সৃষ্টিকারী হবে?

أخبرنا واصل بن عبد الأعلى قال: حدثنا ابن فضيل، عن الأعمش، عن محارب بن دثار وأبي صالح، عن جابر قال: جاء رجل من الأنصار وقد أقيمت الصلاة، فدخل المسجد فصلى خلف معاذ فطول بهم، فانصرف الرجل فصلى في ناحية المسجد ثم انطلق، فلما قضى معاذ الصلاة قيل له: إن فلانا فعل كذا وكذا، فقال معاذ: لئن أصبحت لأذكرن ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فأتى معاذ النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له، فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إليه فقال: «ما حملك على الذي صنعت؟» فقال: يا رسول الله، عملت على ناضحي من النهار، فجئت وقد أقيمت الصلاة، فدخلت المسجد، فدخلت معه في الصلاة، فقرأ سورة كذا وكذا فطول، فانصرفت فصليت في ناحية المسجد، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أفتان يا معاذ؟ أفتان يا معاذ؟ أفتان يا معاذ؟»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00