সুনান নাসাঈ > ইকামতের পর ইমামের কোন প্রয়োজন দেখা দিলে
সুনান নাসাঈ ৭৯১
أخبرنا زياد بن أيوب قال: حدثنا إسماعيل قال: حدثنا عبد العزيز، عن أنس قال: «أقيمت الصلاة ورسول الله صلى الله عليه وسلم نجي لرجل فما قام إلى الصلاة حتى نام القوم»
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ সালাতের ইকামত বলা হলো আর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তির সাথে একান্তে কথা বলেছিলেন। তারপর তিনি সালাতে দাঁড়ালেন না, যতক্ষণ না লোকেরা ঘুমিয়ে পড়ল। [১]
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ সালাতের ইকামত বলা হলো আর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তির সাথে একান্তে কথা বলেছিলেন। তারপর তিনি সালাতে দাঁড়ালেন না, যতক্ষণ না লোকেরা ঘুমিয়ে পড়ল। [১]
أخبرنا زياد بن أيوب قال: حدثنا إسماعيل قال: حدثنا عبد العزيز، عن أنس قال: «أقيمت الصلاة ورسول الله صلى الله عليه وسلم نجي لرجل فما قام إلى الصلاة حتى نام القوم»
সুনান নাসাঈ > মুসাল্লায় দাঁড়ানোর পর ইমামের স্মরণ হলো, তিনি পবিত্র নন
সুনান নাসাঈ ৭৯২
أخبرنا عمرو بن عثمان بن سعيد بن كثير قال: حدثنا محمد بن حرب، عن الزبيدي، عن الزهري والوليد، عن الأوزاعي، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة قال: " أقيمت الصلاة فصف الناس صفوفهم وخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى إذا قام في مصلاه ذكر أنه لم يغتسل فقال للناس: «مكانكم»، ثم رجع إلى بيته فخرج علينا ينطف رأسه فاغتسل ونحن صفوف
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ সালাতের ইকামত বলা হলো, লোক তাদের কাতার ঠিক করল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন, যখন তিনি তাঁর মুসাল্লায় দাঁড়ালেন, তখন তাঁর স্মরণ হলো, তিনি গোসল করেন নি। তখন তিনি লোকদের বললেন, তোমরা তোমাদের জায়গায় থাক। তারপর তিনি ঘরে গেলেন। পরে বের হলেন, তখন তাঁর মাথা থেকে পানি বেয়ে পড়ছিল। তিনি গোসল করলেন, তখন আমরা কাতারে ছিলাম।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ সালাতের ইকামত বলা হলো, লোক তাদের কাতার ঠিক করল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন, যখন তিনি তাঁর মুসাল্লায় দাঁড়ালেন, তখন তাঁর স্মরণ হলো, তিনি গোসল করেন নি। তখন তিনি লোকদের বললেন, তোমরা তোমাদের জায়গায় থাক। তারপর তিনি ঘরে গেলেন। পরে বের হলেন, তখন তাঁর মাথা থেকে পানি বেয়ে পড়ছিল। তিনি গোসল করলেন, তখন আমরা কাতারে ছিলাম।
أخبرنا عمرو بن عثمان بن سعيد بن كثير قال: حدثنا محمد بن حرب، عن الزبيدي، عن الزهري والوليد، عن الأوزاعي، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة قال: " أقيمت الصلاة فصف الناس صفوفهم وخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى إذا قام في مصلاه ذكر أنه لم يغتسل فقال للناس: «مكانكم»، ثم رجع إلى بيته فخرج علينا ينطف رأسه فاغتسل ونحن صفوف
সুনান নাসাঈ > ইমাম অনুপস্থিত থাকলে স্থলাভিষিক্ত নিযুক্ত করা
সুনান নাসাঈ ৭৯৩
أخبرنا أحمد بن عبدة، عن حماد بن زيد ثم ذكر كلمة معناها قال: حدثنا أبو حازم قال: سهل بن سعد: كان قتال بين بني عمرو بن عوف، فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فصلى الظهر، ثم أتاهم ليصلح بينهم، ثم قال لبلال: «يا بلال إذا حضر العصر ولم آت فمر أبا بكر فليصل بالناس». فلما حضرت أذن بلال ثم أقام، فقال لأبي بكر رضي الله عنه: تقدم , فتقدم أبو بكر فدخل في الصلاة، ثم جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم , فجعل يشق الناس حتى قام خلف أبي بكر وصفح القوم، وكان أبو بكر إذا دخل في الصلاة لم يلتفت، فلما رأى أبو بكر التصفيح لا يمسك عنه التفت، فأومأ إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده، فحمد الله عز وجل على قول رسول الله صلى الله عليه وسلم له: امضه، ثم مشى أبو بكر القهقرى على عقبيه فتأخر، فلما رأى ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم تقدم فصلى بالناس، فلما قضى صلاته قال: «يا أبا بكر ما منعك إذ أومأت إليك أن لا تكون مضيت؟» فقال: لم يكن لابن أبي قحافة أن يؤم رسول الله صلى الله عليه وسلم. وقال للناس: «إذا نابكم شيء فليسبح الرجال، وليصفح النساء»
সাহল ইব্ন সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, বনূ আমর ইব্ন আউফ-এর মধ্যে মারামারি হচ্ছিল। এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছলো। তিনি যোহরের সালাত আদায় করে তাদের মধ্যে আপস করে দেবার জন্য তাদের নিকট গেলেন। তিনি বিলাল (রাঃ)-কে বললেন, বিলাল ! যদি আসরের সালাতের সময় হয় আর আমি আসতে না পারি তবে আবূ বকর (রাঃ)-কে বলবে সে যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। যখন সালাতের সময় উপস্থিত হলো তখন বিলাল (রাঃ) আযান দিলেন। তারপর ইকামত বললেন এবং আবূ বকর (রাঃ)-কে বললেন, সামনে যান। তখন আবূ বকর (রাঃ) সামনে গিয়ে সালাত আরম্ভ করলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগমন করলেন এবং লোকদের কাতারের মধ্য দিয়ে এসে আবূ বকরের পেছনে দাঁড়ালেন। লোকজন হাততালি দিয়ে ইংগিত করলেন। আর আবূ বকর (রাঃ) সালাতে দাঁড়ালে কোনদিকে লক্ষ্য করতেন না। যখন তিনি দেখলেন তাদের হাততালি বন্ধ হচ্ছে না, তখন তিনি লক্ষ্য করলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিজ হাত দ্বারা ইঙ্গিত করলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাত চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিতের জন্য তিনি আল্লাহর শোকর আদায় করলেন। তারপর আবূ বকর (রাঃ) পেছনে সরে আসলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা দেখে সম্মুখে অগ্রসর হলেন এবং লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। যখন সালাত শেষ করলেন তখন তিনি বললেনঃ হে আবূ বকর ! আমি যখন তোমাকে ইঙ্গিত করলাম, তখন তুমি পিছে সরে আসা থেকে কেন বিরত থাকলে না ? তিনি বললেনঃ আবূ কুহাফার পুত্রের জন্য রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইমামত করা শোভা পায় না। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের বললেনঃ যখন তোমাদের কোন সমস্যা দেখা দেয়, তখন পুরুষরা সুবহানাল্লাহ বলবে আর মহিলারা হাততালি দিবে।
সাহল ইব্ন সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, বনূ আমর ইব্ন আউফ-এর মধ্যে মারামারি হচ্ছিল। এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছলো। তিনি যোহরের সালাত আদায় করে তাদের মধ্যে আপস করে দেবার জন্য তাদের নিকট গেলেন। তিনি বিলাল (রাঃ)-কে বললেন, বিলাল ! যদি আসরের সালাতের সময় হয় আর আমি আসতে না পারি তবে আবূ বকর (রাঃ)-কে বলবে সে যেন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে। যখন সালাতের সময় উপস্থিত হলো তখন বিলাল (রাঃ) আযান দিলেন। তারপর ইকামত বললেন এবং আবূ বকর (রাঃ)-কে বললেন, সামনে যান। তখন আবূ বকর (রাঃ) সামনে গিয়ে সালাত আরম্ভ করলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগমন করলেন এবং লোকদের কাতারের মধ্য দিয়ে এসে আবূ বকরের পেছনে দাঁড়ালেন। লোকজন হাততালি দিয়ে ইংগিত করলেন। আর আবূ বকর (রাঃ) সালাতে দাঁড়ালে কোনদিকে লক্ষ্য করতেন না। যখন তিনি দেখলেন তাদের হাততালি বন্ধ হচ্ছে না, তখন তিনি লক্ষ্য করলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিজ হাত দ্বারা ইঙ্গিত করলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাত চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিতের জন্য তিনি আল্লাহর শোকর আদায় করলেন। তারপর আবূ বকর (রাঃ) পেছনে সরে আসলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা দেখে সম্মুখে অগ্রসর হলেন এবং লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। যখন সালাত শেষ করলেন তখন তিনি বললেনঃ হে আবূ বকর ! আমি যখন তোমাকে ইঙ্গিত করলাম, তখন তুমি পিছে সরে আসা থেকে কেন বিরত থাকলে না ? তিনি বললেনঃ আবূ কুহাফার পুত্রের জন্য রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইমামত করা শোভা পায় না। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের বললেনঃ যখন তোমাদের কোন সমস্যা দেখা দেয়, তখন পুরুষরা সুবহানাল্লাহ বলবে আর মহিলারা হাততালি দিবে।
أخبرنا أحمد بن عبدة، عن حماد بن زيد ثم ذكر كلمة معناها قال: حدثنا أبو حازم قال: سهل بن سعد: كان قتال بين بني عمرو بن عوف، فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فصلى الظهر، ثم أتاهم ليصلح بينهم، ثم قال لبلال: «يا بلال إذا حضر العصر ولم آت فمر أبا بكر فليصل بالناس». فلما حضرت أذن بلال ثم أقام، فقال لأبي بكر رضي الله عنه: تقدم , فتقدم أبو بكر فدخل في الصلاة، ثم جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم , فجعل يشق الناس حتى قام خلف أبي بكر وصفح القوم، وكان أبو بكر إذا دخل في الصلاة لم يلتفت، فلما رأى أبو بكر التصفيح لا يمسك عنه التفت، فأومأ إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده، فحمد الله عز وجل على قول رسول الله صلى الله عليه وسلم له: امضه، ثم مشى أبو بكر القهقرى على عقبيه فتأخر، فلما رأى ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم تقدم فصلى بالناس، فلما قضى صلاته قال: «يا أبا بكر ما منعك إذ أومأت إليك أن لا تكون مضيت؟» فقال: لم يكن لابن أبي قحافة أن يؤم رسول الله صلى الله عليه وسلم. وقال للناس: «إذا نابكم شيء فليسبح الرجال، وليصفح النساء»
সুনান নাসাঈ > ইমামের অনুসরণ করা
সুনান নাসাঈ ৭৯৪
أخبرنا هناد بن السري، عن ابن عيينة، عن الزهري، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سقط من فرس على شقه الأيمن فدخلوا عليه يعودونه فحضرت الصلاة، فلما قضى الصلاة قال: " إنما جعل الإمام ليؤتم به، فإذا ركع فاركعوا، وإذا رفع فارفعوا، وإذا سجد فاسجدوا، وإذا قال: سمع الله لمن حمده فقولوا: ربنا لك الحمد "
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(একদা) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়া থেকে ডানদিকে পড়ে গেলেন। লোক তাঁকে দেখতে (তাঁর ঘরে) প্রবেশ করল। ইতিমধ্যে সালাতের সময় উপস্থিত হল। তিনি সালাত শেষ করে বললেনঃ ইমাম বানানো হয় তার অনুসরণ করার জন্য। যখন তিনি রুকূ করেন, তখন তোমরাও রুকূ করবে। আর যখন মাথা উঠান, তোমরাও মাথা উঠাবে আর যখন সিজদা করেন, তোমরাও সিজদা করবে। আর যখন ইমাম সামিআল্লাহু লিমান হামিদা বলেন, তখন তোমরা বলবে রাব্বানা লাকাল্ হাম্দ।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(একদা) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়া থেকে ডানদিকে পড়ে গেলেন। লোক তাঁকে দেখতে (তাঁর ঘরে) প্রবেশ করল। ইতিমধ্যে সালাতের সময় উপস্থিত হল। তিনি সালাত শেষ করে বললেনঃ ইমাম বানানো হয় তার অনুসরণ করার জন্য। যখন তিনি রুকূ করেন, তখন তোমরাও রুকূ করবে। আর যখন মাথা উঠান, তোমরাও মাথা উঠাবে আর যখন সিজদা করেন, তোমরাও সিজদা করবে। আর যখন ইমাম সামিআল্লাহু লিমান হামিদা বলেন, তখন তোমরা বলবে রাব্বানা লাকাল্ হাম্দ।
أخبرنا هناد بن السري، عن ابن عيينة، عن الزهري، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سقط من فرس على شقه الأيمن فدخلوا عليه يعودونه فحضرت الصلاة، فلما قضى الصلاة قال: " إنما جعل الإمام ليؤتم به، فإذا ركع فاركعوا، وإذا رفع فارفعوا، وإذا سجد فاسجدوا، وإذا قال: سمع الله لمن حمده فقولوا: ربنا لك الحمد "