সুনান নাসাঈ > মুসল্লি এবং ইমামের মধ্যে আড়াল

সুনান নাসাঈ ৭৬২

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن سعيد المقبري، عن أبي سلمة، عن عائشة قالت: كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم حصيرة يبسطها بالنهار ويحتجرها بالليل فيصلي فيها، ففطن له الناس فصلوا بصلاته وبينه وبينهم الحصيرة فقال: «اكلفوا من العمل ما تطيقون؛ فإن الله عز وجل لا يمل حتى تملوا، وإن أحب الأعمال إلى الله عز وجل أدومه وإن قل» ثم ترك مصلاه ذلك فما عاد له حتى قبضه الله عز وجل، وكان إذا عمل عملا أثبته --- [حكم الألباني] حسن صحيح

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একখানা মাদুর ছিল। তিনি দিনের বেলা তা বিছাতেন এবং রাতের বেলায় তা দ্বারা কুঠুরির মতো বানাতেন এবং তার ভেতর সালাত আদায় করতেন। লোক তা জানতে পেরে তাঁর সঙ্গে সালাতে শরীক হতেন, তখন তাঁর মধ্যে এবং তাদের মধ্যে থাকত ঐ মাদুর। তিনি বললেন, যতক্ষন সামর্থ্য হয়, খুশিমনে আমল করতে থাক। তোমরা যতক্ষণ ক্লান্ত না হও ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলাও তোমাদের থেকে অনুগ্রহের ধারা বন্ধ করেন না। আর আল্লাহর নিকট ঐ আমলই সবচেয়ে অধিক পছন্দনীয় যা স্থায়ীভাবে করা হয়। যদিও তা স্বল্প হয়। তারপর তিনি তাঁর এই সালাতের স্থান ত্যাগ করলেন। আল্লাহ তা’আলা তাঁকে তুলে নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি আর সেখানে ফিরে আসেন নি। তিনি যখন কোন কাজ আরম্ভ করতেন, তা সবসময় আদায় করতেন।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একখানা মাদুর ছিল। তিনি দিনের বেলা তা বিছাতেন এবং রাতের বেলায় তা দ্বারা কুঠুরির মতো বানাতেন এবং তার ভেতর সালাত আদায় করতেন। লোক তা জানতে পেরে তাঁর সঙ্গে সালাতে শরীক হতেন, তখন তাঁর মধ্যে এবং তাদের মধ্যে থাকত ঐ মাদুর। তিনি বললেন, যতক্ষন সামর্থ্য হয়, খুশিমনে আমল করতে থাক। তোমরা যতক্ষণ ক্লান্ত না হও ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলাও তোমাদের থেকে অনুগ্রহের ধারা বন্ধ করেন না। আর আল্লাহর নিকট ঐ আমলই সবচেয়ে অধিক পছন্দনীয় যা স্থায়ীভাবে করা হয়। যদিও তা স্বল্প হয়। তারপর তিনি তাঁর এই সালাতের স্থান ত্যাগ করলেন। আল্লাহ তা’আলা তাঁকে তুলে নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি আর সেখানে ফিরে আসেন নি। তিনি যখন কোন কাজ আরম্ভ করতেন, তা সবসময় আদায় করতেন।

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن سعيد المقبري، عن أبي سلمة، عن عائشة قالت: كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم حصيرة يبسطها بالنهار ويحتجرها بالليل فيصلي فيها، ففطن له الناس فصلوا بصلاته وبينه وبينهم الحصيرة فقال: «اكلفوا من العمل ما تطيقون؛ فإن الله عز وجل لا يمل حتى تملوا، وإن أحب الأعمال إلى الله عز وجل أدومه وإن قل» ثم ترك مصلاه ذلك فما عاد له حتى قبضه الله عز وجل، وكان إذا عمل عملا أثبته --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ ৭৬২

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن سعيد المقبري، عن أبي سلمة، عن عائشة قالت: كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم حصيرة يبسطها بالنهار ويحتجرها بالليل فيصلي فيها، ففطن له الناس فصلوا بصلاته وبينه وبينهم الحصيرة فقال: «اكلفوا من العمل ما تطيقون؛ فإن الله عز وجل لا يمل حتى تملوا، وإن أحب الأعمال إلى الله عز وجل أدومه وإن قل» ثم ترك مصلاه ذلك فما عاد له حتى قبضه الله عز وجل، وكان إذا عمل عملا أثبته --- [حكم الألباني] حسن صحيح

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একখানা মাদুর ছিল। তিনি দিনের বেলা তা বিছাতেন এবং রাতের বেলায় তা দ্বারা কুঠুরির মতো বানাতেন এবং তার ভেতর সালাত আদায় করতেন। লোক তা জানতে পেরে তাঁর সঙ্গে সালাতে শরীক হতেন, তখন তাঁর মধ্যে এবং তাদের মধ্যে থাকত ঐ মাদুর। তিনি বললেন, যতক্ষন সামর্থ্য হয়, খুশিমনে আমল করতে থাক। তোমরা যতক্ষণ ক্লান্ত না হও ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলাও তোমাদের থেকে অনুগ্রহের ধারা বন্ধ করেন না। আর আল্লাহর নিকট ঐ আমলই সবচেয়ে অধিক পছন্দনীয় যা স্থায়ীভাবে করা হয়। যদিও তা স্বল্প হয়। তারপর তিনি তাঁর এই সালাতের স্থান ত্যাগ করলেন। আল্লাহ তা’আলা তাঁকে তুলে নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি আর সেখানে ফিরে আসেন নি। তিনি যখন কোন কাজ আরম্ভ করতেন, তা সবসময় আদায় করতেন।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একখানা মাদুর ছিল। তিনি দিনের বেলা তা বিছাতেন এবং রাতের বেলায় তা দ্বারা কুঠুরির মতো বানাতেন এবং তার ভেতর সালাত আদায় করতেন। লোক তা জানতে পেরে তাঁর সঙ্গে সালাতে শরীক হতেন, তখন তাঁর মধ্যে এবং তাদের মধ্যে থাকত ঐ মাদুর। তিনি বললেন, যতক্ষন সামর্থ্য হয়, খুশিমনে আমল করতে থাক। তোমরা যতক্ষণ ক্লান্ত না হও ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলাও তোমাদের থেকে অনুগ্রহের ধারা বন্ধ করেন না। আর আল্লাহর নিকট ঐ আমলই সবচেয়ে অধিক পছন্দনীয় যা স্থায়ীভাবে করা হয়। যদিও তা স্বল্প হয়। তারপর তিনি তাঁর এই সালাতের স্থান ত্যাগ করলেন। আল্লাহ তা’আলা তাঁকে তুলে নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি আর সেখানে ফিরে আসেন নি। তিনি যখন কোন কাজ আরম্ভ করতেন, তা সবসময় আদায় করতেন।

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن سعيد المقبري، عن أبي سلمة، عن عائشة قالت: كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم حصيرة يبسطها بالنهار ويحتجرها بالليل فيصلي فيها، ففطن له الناس فصلوا بصلاته وبينه وبينهم الحصيرة فقال: «اكلفوا من العمل ما تطيقون؛ فإن الله عز وجل لا يمل حتى تملوا، وإن أحب الأعمال إلى الله عز وجل أدومه وإن قل» ثم ترك مصلاه ذلك فما عاد له حتى قبضه الله عز وجل، وكان إذا عمل عملا أثبته --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ ৭৬২

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن سعيد المقبري، عن أبي سلمة، عن عائشة قالت: كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم حصيرة يبسطها بالنهار ويحتجرها بالليل فيصلي فيها، ففطن له الناس فصلوا بصلاته وبينه وبينهم الحصيرة فقال: «اكلفوا من العمل ما تطيقون؛ فإن الله عز وجل لا يمل حتى تملوا، وإن أحب الأعمال إلى الله عز وجل أدومه وإن قل» ثم ترك مصلاه ذلك فما عاد له حتى قبضه الله عز وجل، وكان إذا عمل عملا أثبته --- [حكم الألباني] حسن صحيح

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একখানা মাদুর ছিল। তিনি দিনের বেলা তা বিছাতেন এবং রাতের বেলায় তা দ্বারা কুঠুরির মতো বানাতেন এবং তার ভেতর সালাত আদায় করতেন। লোক তা জানতে পেরে তাঁর সঙ্গে সালাতে শরীক হতেন, তখন তাঁর মধ্যে এবং তাদের মধ্যে থাকত ঐ মাদুর। তিনি বললেন, যতক্ষন সামর্থ্য হয়, খুশিমনে আমল করতে থাক। তোমরা যতক্ষণ ক্লান্ত না হও ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলাও তোমাদের থেকে অনুগ্রহের ধারা বন্ধ করেন না। আর আল্লাহর নিকট ঐ আমলই সবচেয়ে অধিক পছন্দনীয় যা স্থায়ীভাবে করা হয়। যদিও তা স্বল্প হয়। তারপর তিনি তাঁর এই সালাতের স্থান ত্যাগ করলেন। আল্লাহ তা’আলা তাঁকে তুলে নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি আর সেখানে ফিরে আসেন নি। তিনি যখন কোন কাজ আরম্ভ করতেন, তা সবসময় আদায় করতেন।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একখানা মাদুর ছিল। তিনি দিনের বেলা তা বিছাতেন এবং রাতের বেলায় তা দ্বারা কুঠুরির মতো বানাতেন এবং তার ভেতর সালাত আদায় করতেন। লোক তা জানতে পেরে তাঁর সঙ্গে সালাতে শরীক হতেন, তখন তাঁর মধ্যে এবং তাদের মধ্যে থাকত ঐ মাদুর। তিনি বললেন, যতক্ষন সামর্থ্য হয়, খুশিমনে আমল করতে থাক। তোমরা যতক্ষণ ক্লান্ত না হও ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলাও তোমাদের থেকে অনুগ্রহের ধারা বন্ধ করেন না। আর আল্লাহর নিকট ঐ আমলই সবচেয়ে অধিক পছন্দনীয় যা স্থায়ীভাবে করা হয়। যদিও তা স্বল্প হয়। তারপর তিনি তাঁর এই সালাতের স্থান ত্যাগ করলেন। আল্লাহ তা’আলা তাঁকে তুলে নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি আর সেখানে ফিরে আসেন নি। তিনি যখন কোন কাজ আরম্ভ করতেন, তা সবসময় আদায় করতেন।

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن سعيد المقبري، عن أبي سلمة، عن عائشة قالت: كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم حصيرة يبسطها بالنهار ويحتجرها بالليل فيصلي فيها، ففطن له الناس فصلوا بصلاته وبينه وبينهم الحصيرة فقال: «اكلفوا من العمل ما تطيقون؛ فإن الله عز وجل لا يمل حتى تملوا، وإن أحب الأعمال إلى الله عز وجل أدومه وإن قل» ثم ترك مصلاه ذلك فما عاد له حتى قبضه الله عز وجل، وكان إذا عمل عملا أثبته --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ > এক বস্ত্রে সালাত

সুনান নাসাঈ ৭৬৩

أخبرنا قتيبة بن سعيد، عن مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أن سائلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الصلاة في الثوب الواحد فقال: «أولكلكم ثوبان»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, এক প্রশ্নকারী রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এক বস্ত্রে সালাত আদায় করা সম্বন্ধে প্রশ্ন করলে তিনি বললেন : তোমাদের প্রত্যেকের কি দু’খানা কাপড় রয়েছে ? [১]

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, এক প্রশ্নকারী রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এক বস্ত্রে সালাত আদায় করা সম্বন্ধে প্রশ্ন করলে তিনি বললেন : তোমাদের প্রত্যেকের কি দু’খানা কাপড় রয়েছে ? [১]

أخبرنا قتيبة بن سعيد، عن مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أن سائلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الصلاة في الثوب الواحد فقال: «أولكلكم ثوبان»


সুনান নাসাঈ ৭৬৪

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عمر بن أبي سلمة أنه «رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في ثوب واحد في بيت أم سلمة واضعا طرفيه على عاتقيه»

উমর ইব্‌ন আবূ সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এক বস্ত্রে তার দু’দিক তাঁর দুই কাধের উপর রেখে উম্মে সালামার ঘরে সালাত আদায় করতে দেখেছেন।

উমর ইব্‌ন আবূ সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এক বস্ত্রে তার দু’দিক তাঁর দুই কাধের উপর রেখে উম্মে সালামার ঘরে সালাত আদায় করতে দেখেছেন।

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عمر بن أبي سلمة أنه «رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في ثوب واحد في بيت أم سلمة واضعا طرفيه على عاتقيه»


সুনান নাসাঈ > এক জামায় সালাত আদায় করা

সুনান নাসাঈ ৭৬৫

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا العطاف، عن موسى بن إبراهيم، عن سلمة بن الأكوع قال: قلت: يا رسول الله، إني لأكون في الصيد وليس علي إلا القميص أفأصلي فيه؟ قال: «وزره عليك ولو بشوكة»

সালামা ইব্‌ন আক্‌ওয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আমি শিকার করতে যাই তখন জামা ছাড়া আমার গায়ে আর কিছু থাকে না। আমি কি তাতেই সালাত আদায় করব ? তিনি বললেন : তার গেরেবান বন্ধ করে নেবে কাঁটা দ্বারা হলেও। [২]

সালামা ইব্‌ন আক্‌ওয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আমি শিকার করতে যাই তখন জামা ছাড়া আমার গায়ে আর কিছু থাকে না। আমি কি তাতেই সালাত আদায় করব ? তিনি বললেন : তার গেরেবান বন্ধ করে নেবে কাঁটা দ্বারা হলেও। [২]

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا العطاف، عن موسى بن إبراهيم، عن سلمة بن الأكوع قال: قلت: يا رسول الله، إني لأكون في الصيد وليس علي إلا القميص أفأصلي فيه؟ قال: «وزره عليك ولو بشوكة»


সুনান নাসাঈ > ইযার পরিধান করে সালাত আদায় করা

সুনান নাসাঈ ৭৬৬

أخبرنا عبيد الله بن سعيد قال: حدثنا يحيى، عن سفيان قال: حدثني أبو حازم، عن سهل بن سعد قال: كان رجال يصلون مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عاقدين أزرهم كهيئة الصبيان، فقيل للنساء: «لا ترفعن رءوسكن حتى يستوي الرجال جلوسا»

সাহল ইব্‌ন সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : কিছু লোক রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে শিশুদের মত ইযারে গিরা দিয়ে সালাত আদায় করতেন। মহিলাদের বলা হতো, পুরুষেরা সোজা হয়ে বসার পূর্বে তোমরা তোমাদের মাথা সিজদা থেকে ওঠাবে না।

সাহল ইব্‌ন সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : কিছু লোক রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে শিশুদের মত ইযারে গিরা দিয়ে সালাত আদায় করতেন। মহিলাদের বলা হতো, পুরুষেরা সোজা হয়ে বসার পূর্বে তোমরা তোমাদের মাথা সিজদা থেকে ওঠাবে না।

أخبرنا عبيد الله بن سعيد قال: حدثنا يحيى، عن سفيان قال: حدثني أبو حازم، عن سهل بن سعد قال: كان رجال يصلون مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عاقدين أزرهم كهيئة الصبيان، فقيل للنساء: «لا ترفعن رءوسكن حتى يستوي الرجال جلوسا»


সুনান নাসাঈ ৭৬৭

أخبرنا شعيب بن يوسف قال: حدثنا يزيد بن هارون قال: أنبأنا عاصم، عن عمرو بن سلمة قال: لما رجع قومي من عند النبي صلى الله عليه وسلم قالوا إنه قال: «ليؤمكم أكثركم قراءة للقرآن» قال: فدعوني فعلموني الركوع والسجود، فكنت أصلي بهم وكانت علي بردة مفتوقة فكانوا يقولون لأبي: ألا تغطي عنا است ابنك

আমর ইব্‌ন সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : যখন আমার সম্প্রদায় রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট থেকে প্রত্যাবর্তন করল, তখন তারা বলল যে, তিনি বলেছেন : তোমাদের ইমামতি করবে সে-ই, যে তোমাদের মধ্যে কুরআন বেশি পড়তে পারে। তিনি আরো বলেন : তখন তারা আমাকে ডাকল এবং আমাকে রুকূ-সিজদা শিখিয়ে দিল। তারপর আমি তাদের নিয়ে সালাত আদায় করতাম। তখন আমার গায়ে থাকত একখানা কাটা চাদর। তারা আমার পিতাকে বলতো, আপনি কি আমাদের থেকে আপনার ছেলের নিতম্ব ঢাকবেন না ?

আমর ইব্‌ন সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : যখন আমার সম্প্রদায় রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট থেকে প্রত্যাবর্তন করল, তখন তারা বলল যে, তিনি বলেছেন : তোমাদের ইমামতি করবে সে-ই, যে তোমাদের মধ্যে কুরআন বেশি পড়তে পারে। তিনি আরো বলেন : তখন তারা আমাকে ডাকল এবং আমাকে রুকূ-সিজদা শিখিয়ে দিল। তারপর আমি তাদের নিয়ে সালাত আদায় করতাম। তখন আমার গায়ে থাকত একখানা কাটা চাদর। তারা আমার পিতাকে বলতো, আপনি কি আমাদের থেকে আপনার ছেলের নিতম্ব ঢাকবেন না ?

أخبرنا شعيب بن يوسف قال: حدثنا يزيد بن هارون قال: أنبأنا عاصم، عن عمرو بن سلمة قال: لما رجع قومي من عند النبي صلى الله عليه وسلم قالوا إنه قال: «ليؤمكم أكثركم قراءة للقرآن» قال: فدعوني فعلموني الركوع والسجود، فكنت أصلي بهم وكانت علي بردة مفتوقة فكانوا يقولون لأبي: ألا تغطي عنا است ابنك


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00