সুনান নাসাঈ > নিদ্রিত ব্যক্তির পেছনে সালাত আদায় করার অনুমতি
সুনান নাসাঈ ৭৫৯
أخبرنا عبيد الله بن سعيد قال: حدثنا يحيى، عن هشام قال: حدثنا أبي، عن عائشة قالت: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي من الليل وأنا راقدة معترضة بينه وبين القبلة على فراشه، فإذا أراد أن يوتر أيقظني فأوترت»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় করতেন, তখন আমি তাঁর ও কিবলার মধ্যস্থলে নিদ্রিত অবস্থায় তাঁর বিছানায় শুয়ে থাকতাম। যখন তিনি বিতরের সালাত আদায় করতে ইচ্ছা করতেন, তখন আমাকে জাগিয়ে দিতেন এবং আমি বিতরের সালাত আদায় করতাম।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় করতেন, তখন আমি তাঁর ও কিবলার মধ্যস্থলে নিদ্রিত অবস্থায় তাঁর বিছানায় শুয়ে থাকতাম। যখন তিনি বিতরের সালাত আদায় করতে ইচ্ছা করতেন, তখন আমাকে জাগিয়ে দিতেন এবং আমি বিতরের সালাত আদায় করতাম।
أخبرنا عبيد الله بن سعيد قال: حدثنا يحيى، عن هشام قال: حدثنا أبي، عن عائشة قالت: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي من الليل وأنا راقدة معترضة بينه وبين القبلة على فراشه، فإذا أراد أن يوتر أيقظني فأوترت»
সুনান নাসাঈ > কবরের দিকে সালাত আদায় করার নিষেধাজ্ঞা
সুনান নাসাঈ ৭৬০
أخبرنا علي بن حجر قال: حدثنا الوليد، عن ابن جابر، عن بسر بن عبيد الله، عن واثلة بن الأسقع، عن أبي مرثد الغنوي قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تصلوا إلى القبور ولا تجلسوا عليها»
আবূ মারসাদ গানাবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা কবরের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করবে না এবং তার উপর উপবেশন করবে না।
আবূ মারসাদ গানাবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা কবরের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করবে না এবং তার উপর উপবেশন করবে না।
أخبرنا علي بن حجر قال: حدثنا الوليد، عن ابن جابر، عن بسر بن عبيد الله، عن واثلة بن الأسقع، عن أبي مرثد الغنوي قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تصلوا إلى القبور ولا تجلسوا عليها»
সুনান নাসাঈ > ছবিওয়ালা কাপড়ের দিকে সালাত আদায় করা
সুনান নাসাঈ ৭৬১
أخبرنا محمد بن عبد الأعلى الصنعاني قال: حدثنا خالد قال: حدثنا شعبة، عن عبد الرحمن بن القاسم قال: سمعت القاسم يحدث، عن عائشة قالت: كان في بيتي ثوب فيه تصاوير فجعلته إلى سهوة في البيت، فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي إليه، ثم قال: «يا عائشة أخريه عني». فنزعته فجعلته وسائد
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : আমার ঘরে একখানা কাপড় ছিল যাতে ছবি ছিল। আমি তা ঘরের তাকের দিকে রাখলাম। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে সালাত আদায় করতেন। তারপর তিনি বলেছিলেন : হে আয়েশা ! ওটা আমার সম্মুখ থেকে সরাও। আমি সরিয়ে ফেললাম এবং তা দ্বারা বালিশ বানালাম।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : আমার ঘরে একখানা কাপড় ছিল যাতে ছবি ছিল। আমি তা ঘরের তাকের দিকে রাখলাম। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে সালাত আদায় করতেন। তারপর তিনি বলেছিলেন : হে আয়েশা ! ওটা আমার সম্মুখ থেকে সরাও। আমি সরিয়ে ফেললাম এবং তা দ্বারা বালিশ বানালাম।
أخبرنا محمد بن عبد الأعلى الصنعاني قال: حدثنا خالد قال: حدثنا شعبة، عن عبد الرحمن بن القاسم قال: سمعت القاسم يحدث، عن عائشة قالت: كان في بيتي ثوب فيه تصاوير فجعلته إلى سهوة في البيت، فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي إليه، ثم قال: «يا عائشة أخريه عني». فنزعته فجعلته وسائد
সুনান নাসাঈ > মুসল্লি এবং ইমামের মধ্যে আড়াল
সুনান নাসাঈ ৭৬২
أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن سعيد المقبري، عن أبي سلمة، عن عائشة قالت: كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم حصيرة يبسطها بالنهار ويحتجرها بالليل فيصلي فيها، ففطن له الناس فصلوا بصلاته وبينه وبينهم الحصيرة فقال: «اكلفوا من العمل ما تطيقون؛ فإن الله عز وجل لا يمل حتى تملوا، وإن أحب الأعمال إلى الله عز وجل أدومه وإن قل» ثم ترك مصلاه ذلك فما عاد له حتى قبضه الله عز وجل، وكان إذا عمل عملا أثبته --- [حكم الألباني] حسن صحيح
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একখানা মাদুর ছিল। তিনি দিনের বেলা তা বিছাতেন এবং রাতের বেলায় তা দ্বারা কুঠুরির মতো বানাতেন এবং তার ভেতর সালাত আদায় করতেন। লোক তা জানতে পেরে তাঁর সঙ্গে সালাতে শরীক হতেন, তখন তাঁর মধ্যে এবং তাদের মধ্যে থাকত ঐ মাদুর। তিনি বললেন, যতক্ষন সামর্থ্য হয়, খুশিমনে আমল করতে থাক। তোমরা যতক্ষণ ক্লান্ত না হও ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলাও তোমাদের থেকে অনুগ্রহের ধারা বন্ধ করেন না। আর আল্লাহর নিকট ঐ আমলই সবচেয়ে অধিক পছন্দনীয় যা স্থায়ীভাবে করা হয়। যদিও তা স্বল্প হয়। তারপর তিনি তাঁর এই সালাতের স্থান ত্যাগ করলেন। আল্লাহ তা’আলা তাঁকে তুলে নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি আর সেখানে ফিরে আসেন নি। তিনি যখন কোন কাজ আরম্ভ করতেন, তা সবসময় আদায় করতেন।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একখানা মাদুর ছিল। তিনি দিনের বেলা তা বিছাতেন এবং রাতের বেলায় তা দ্বারা কুঠুরির মতো বানাতেন এবং তার ভেতর সালাত আদায় করতেন। লোক তা জানতে পেরে তাঁর সঙ্গে সালাতে শরীক হতেন, তখন তাঁর মধ্যে এবং তাদের মধ্যে থাকত ঐ মাদুর। তিনি বললেন, যতক্ষন সামর্থ্য হয়, খুশিমনে আমল করতে থাক। তোমরা যতক্ষণ ক্লান্ত না হও ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলাও তোমাদের থেকে অনুগ্রহের ধারা বন্ধ করেন না। আর আল্লাহর নিকট ঐ আমলই সবচেয়ে অধিক পছন্দনীয় যা স্থায়ীভাবে করা হয়। যদিও তা স্বল্প হয়। তারপর তিনি তাঁর এই সালাতের স্থান ত্যাগ করলেন। আল্লাহ তা’আলা তাঁকে তুলে নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি আর সেখানে ফিরে আসেন নি। তিনি যখন কোন কাজ আরম্ভ করতেন, তা সবসময় আদায় করতেন।
أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن سعيد المقبري، عن أبي سلمة، عن عائشة قالت: كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم حصيرة يبسطها بالنهار ويحتجرها بالليل فيصلي فيها، ففطن له الناس فصلوا بصلاته وبينه وبينهم الحصيرة فقال: «اكلفوا من العمل ما تطيقون؛ فإن الله عز وجل لا يمل حتى تملوا، وإن أحب الأعمال إلى الله عز وجل أدومه وإن قل» ثم ترك مصلاه ذلك فما عاد له حتى قبضه الله عز وجل، وكان إذا عمل عملا أثبته --- [حكم الألباني] حسن صحيح
সুনান নাসাঈ ৭৬২
أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن سعيد المقبري، عن أبي سلمة، عن عائشة قالت: كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم حصيرة يبسطها بالنهار ويحتجرها بالليل فيصلي فيها، ففطن له الناس فصلوا بصلاته وبينه وبينهم الحصيرة فقال: «اكلفوا من العمل ما تطيقون؛ فإن الله عز وجل لا يمل حتى تملوا، وإن أحب الأعمال إلى الله عز وجل أدومه وإن قل» ثم ترك مصلاه ذلك فما عاد له حتى قبضه الله عز وجل، وكان إذا عمل عملا أثبته --- [حكم الألباني] حسن صحيح
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একখানা মাদুর ছিল। তিনি দিনের বেলা তা বিছাতেন এবং রাতের বেলায় তা দ্বারা কুঠুরির মতো বানাতেন এবং তার ভেতর সালাত আদায় করতেন। লোক তা জানতে পেরে তাঁর সঙ্গে সালাতে শরীক হতেন, তখন তাঁর মধ্যে এবং তাদের মধ্যে থাকত ঐ মাদুর। তিনি বললেন, যতক্ষন সামর্থ্য হয়, খুশিমনে আমল করতে থাক। তোমরা যতক্ষণ ক্লান্ত না হও ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলাও তোমাদের থেকে অনুগ্রহের ধারা বন্ধ করেন না। আর আল্লাহর নিকট ঐ আমলই সবচেয়ে অধিক পছন্দনীয় যা স্থায়ীভাবে করা হয়। যদিও তা স্বল্প হয়। তারপর তিনি তাঁর এই সালাতের স্থান ত্যাগ করলেন। আল্লাহ তা’আলা তাঁকে তুলে নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি আর সেখানে ফিরে আসেন নি। তিনি যখন কোন কাজ আরম্ভ করতেন, তা সবসময় আদায় করতেন।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একখানা মাদুর ছিল। তিনি দিনের বেলা তা বিছাতেন এবং রাতের বেলায় তা দ্বারা কুঠুরির মতো বানাতেন এবং তার ভেতর সালাত আদায় করতেন। লোক তা জানতে পেরে তাঁর সঙ্গে সালাতে শরীক হতেন, তখন তাঁর মধ্যে এবং তাদের মধ্যে থাকত ঐ মাদুর। তিনি বললেন, যতক্ষন সামর্থ্য হয়, খুশিমনে আমল করতে থাক। তোমরা যতক্ষণ ক্লান্ত না হও ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলাও তোমাদের থেকে অনুগ্রহের ধারা বন্ধ করেন না। আর আল্লাহর নিকট ঐ আমলই সবচেয়ে অধিক পছন্দনীয় যা স্থায়ীভাবে করা হয়। যদিও তা স্বল্প হয়। তারপর তিনি তাঁর এই সালাতের স্থান ত্যাগ করলেন। আল্লাহ তা’আলা তাঁকে তুলে নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি আর সেখানে ফিরে আসেন নি। তিনি যখন কোন কাজ আরম্ভ করতেন, তা সবসময় আদায় করতেন।
أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن سعيد المقبري، عن أبي سلمة، عن عائشة قالت: كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم حصيرة يبسطها بالنهار ويحتجرها بالليل فيصلي فيها، ففطن له الناس فصلوا بصلاته وبينه وبينهم الحصيرة فقال: «اكلفوا من العمل ما تطيقون؛ فإن الله عز وجل لا يمل حتى تملوا، وإن أحب الأعمال إلى الله عز وجل أدومه وإن قل» ثم ترك مصلاه ذلك فما عاد له حتى قبضه الله عز وجل، وكان إذا عمل عملا أثبته --- [حكم الألباني] حسن صحيح
সুনান নাসাঈ ৭৬২
أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن سعيد المقبري، عن أبي سلمة، عن عائشة قالت: كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم حصيرة يبسطها بالنهار ويحتجرها بالليل فيصلي فيها، ففطن له الناس فصلوا بصلاته وبينه وبينهم الحصيرة فقال: «اكلفوا من العمل ما تطيقون؛ فإن الله عز وجل لا يمل حتى تملوا، وإن أحب الأعمال إلى الله عز وجل أدومه وإن قل» ثم ترك مصلاه ذلك فما عاد له حتى قبضه الله عز وجل، وكان إذا عمل عملا أثبته --- [حكم الألباني] حسن صحيح
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একখানা মাদুর ছিল। তিনি দিনের বেলা তা বিছাতেন এবং রাতের বেলায় তা দ্বারা কুঠুরির মতো বানাতেন এবং তার ভেতর সালাত আদায় করতেন। লোক তা জানতে পেরে তাঁর সঙ্গে সালাতে শরীক হতেন, তখন তাঁর মধ্যে এবং তাদের মধ্যে থাকত ঐ মাদুর। তিনি বললেন, যতক্ষন সামর্থ্য হয়, খুশিমনে আমল করতে থাক। তোমরা যতক্ষণ ক্লান্ত না হও ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলাও তোমাদের থেকে অনুগ্রহের ধারা বন্ধ করেন না। আর আল্লাহর নিকট ঐ আমলই সবচেয়ে অধিক পছন্দনীয় যা স্থায়ীভাবে করা হয়। যদিও তা স্বল্প হয়। তারপর তিনি তাঁর এই সালাতের স্থান ত্যাগ করলেন। আল্লাহ তা’আলা তাঁকে তুলে নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি আর সেখানে ফিরে আসেন নি। তিনি যখন কোন কাজ আরম্ভ করতেন, তা সবসময় আদায় করতেন।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একখানা মাদুর ছিল। তিনি দিনের বেলা তা বিছাতেন এবং রাতের বেলায় তা দ্বারা কুঠুরির মতো বানাতেন এবং তার ভেতর সালাত আদায় করতেন। লোক তা জানতে পেরে তাঁর সঙ্গে সালাতে শরীক হতেন, তখন তাঁর মধ্যে এবং তাদের মধ্যে থাকত ঐ মাদুর। তিনি বললেন, যতক্ষন সামর্থ্য হয়, খুশিমনে আমল করতে থাক। তোমরা যতক্ষণ ক্লান্ত না হও ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলাও তোমাদের থেকে অনুগ্রহের ধারা বন্ধ করেন না। আর আল্লাহর নিকট ঐ আমলই সবচেয়ে অধিক পছন্দনীয় যা স্থায়ীভাবে করা হয়। যদিও তা স্বল্প হয়। তারপর তিনি তাঁর এই সালাতের স্থান ত্যাগ করলেন। আল্লাহ তা’আলা তাঁকে তুলে নেয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিনি আর সেখানে ফিরে আসেন নি। তিনি যখন কোন কাজ আরম্ভ করতেন, তা সবসময় আদায় করতেন।
أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن سعيد المقبري، عن أبي سلمة، عن عائشة قالت: كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم حصيرة يبسطها بالنهار ويحتجرها بالليل فيصلي فيها، ففطن له الناس فصلوا بصلاته وبينه وبينهم الحصيرة فقال: «اكلفوا من العمل ما تطيقون؛ فإن الله عز وجل لا يمل حتى تملوا، وإن أحب الأعمال إلى الله عز وجل أدومه وإن قل» ثم ترك مصلاه ذلك فما عاد له حتى قبضه الله عز وجل، وكان إذا عمل عملا أثبته --- [حكم الألباني] حسن صحيح