সুনান নাসাঈ > যে মসজিদের জন্য সওয়ারী প্রস্তুত করা যায়
সুনান নাসাঈ ৭০০
أخبرنا محمد بن منصور قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سعيد، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " لا تشد الرحال إلا إلى ثلاثة مساجد: مسجد الحرام ومسجدي هذا ومسجد الأقصى "
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : তিন মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদের দিকে ভ্রমণ করা যাবে না। মসজিদে হারাম, আমার এই মসজিদ এবং মসজিদে আকসা।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : তিন মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদের দিকে ভ্রমণ করা যাবে না। মসজিদে হারাম, আমার এই মসজিদ এবং মসজিদে আকসা।
أخبرنا محمد بن منصور قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سعيد، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " لا تشد الرحال إلا إلى ثلاثة مساجد: مسجد الحرام ومسجدي هذا ومسجد الأقصى "
সুনান নাসাঈ > গির্জাকে মসজিদ বানানো
সুনান নাসাঈ ৭০১
أخبرنا هناد بن السري، عن ملازم قال: حدثني عبد الله بن بدر، عن قيس بن طلق، عن أبيه طلق بن علي قال: خرجنا وفدا إلى النبي صلى الله عليه وسلم فبايعناه، وصلينا معه وأخبرناه أن بأرضنا بيعة لنا، فاستوهبناه من فضل طهوره فدعا بماء فتوضأ وتمضمض، ثم صبه في إداوة وأمرنا فقال: «اخرجوا فإذا أتيتم أرضكم فاكسروا بيعتكم وانضحوا مكانها بهذا الماء واتخذوها مسجدا» قلنا: إن البلد بعيد , والحر شديد , والماء ينشف فقال: «مدوه من الماء؛ فإنه لا يزيده إلا طيبا» فخرجنا حتى قدمنا بلدنا فكسرنا بيعتنا، ثم نضحنا مكانها , واتخذناها مسجدا، فنادينا فيه بالأذان , قال: والراهب رجل من طيئ، فلما سمع الأذان قال: دعوة حق، ثم استقبل تلعة من تلاعنا فلم نره بعد
তালাক্ ইব্ন আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : আমরা প্রতিনিধি হিসাবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আগমনের উদ্দেশ্যে বের হলাম। পরে তাঁর নিকট বায়আত গ্রহন করলাম এবং তাঁর সাথে সালাত আদায় করলাম। তারপর আমরা তাঁকে অবহিত করলাম যে, দেশে আমাদের একটা গির্জা রয়েছে। আমরা তাঁকে উযূর উদ্ধৃত্ত পানি দিতে অনুরোধ জানালাম। তিনি কিছু পানি আনিয়ে উযূ এবং কুল্লি করলেন, তারপর একটি পাত্রে তা ঢেলে দিলেন। আর আমাদের তা নিতে নির্দেশ দিলেন এবং বললেন, তোমরা যাও। যখন তোমরা তোমাদের দেশে পৌছাবে, তখন তোমাদের ঐ গির্জাটি ভেঙ্গে ফেলবে আর সেখানে এ পানি ঢেলে দেবে। তারপর সেটাকে মসজিদ বানাবে। আমরা বললাম, আমাদের দেশ অনেক দূরে, গরমও অত্যধিক, পানি শুকিয়ে যাবে। তিনি বললেন, এর সাথে আরও পানি মিশ্রিত করে নেবে। তাতে ঐ পানির সুঘ্রাণ আরও বাড়বে। আমরা সেখানে থেকে বের হয়ে আমাদের দেশে পৌছালাম এবং আমাদের গির্জটি ভেঙ্গে ফেললাম। তারপর তার স্থানে পানি ঢেলে দিলাম আর ওটাকে মসজিদরূপে ব্যবহার করলাম। আমরা তাতে আযান দিলাম। রাবী বলেন : পাদ্রী ছিল তার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি। সে আযান ধ্বনি শুনে বলল, এ তো সত্যের প্রতি আহবান। তারপর সে ঢালু স্থানের দিকে চলে গেল। তাকে আমরা আর দেখিনি।
তালাক্ ইব্ন আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : আমরা প্রতিনিধি হিসাবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আগমনের উদ্দেশ্যে বের হলাম। পরে তাঁর নিকট বায়আত গ্রহন করলাম এবং তাঁর সাথে সালাত আদায় করলাম। তারপর আমরা তাঁকে অবহিত করলাম যে, দেশে আমাদের একটা গির্জা রয়েছে। আমরা তাঁকে উযূর উদ্ধৃত্ত পানি দিতে অনুরোধ জানালাম। তিনি কিছু পানি আনিয়ে উযূ এবং কুল্লি করলেন, তারপর একটি পাত্রে তা ঢেলে দিলেন। আর আমাদের তা নিতে নির্দেশ দিলেন এবং বললেন, তোমরা যাও। যখন তোমরা তোমাদের দেশে পৌছাবে, তখন তোমাদের ঐ গির্জাটি ভেঙ্গে ফেলবে আর সেখানে এ পানি ঢেলে দেবে। তারপর সেটাকে মসজিদ বানাবে। আমরা বললাম, আমাদের দেশ অনেক দূরে, গরমও অত্যধিক, পানি শুকিয়ে যাবে। তিনি বললেন, এর সাথে আরও পানি মিশ্রিত করে নেবে। তাতে ঐ পানির সুঘ্রাণ আরও বাড়বে। আমরা সেখানে থেকে বের হয়ে আমাদের দেশে পৌছালাম এবং আমাদের গির্জটি ভেঙ্গে ফেললাম। তারপর তার স্থানে পানি ঢেলে দিলাম আর ওটাকে মসজিদরূপে ব্যবহার করলাম। আমরা তাতে আযান দিলাম। রাবী বলেন : পাদ্রী ছিল তার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি। সে আযান ধ্বনি শুনে বলল, এ তো সত্যের প্রতি আহবান। তারপর সে ঢালু স্থানের দিকে চলে গেল। তাকে আমরা আর দেখিনি।
أخبرنا هناد بن السري، عن ملازم قال: حدثني عبد الله بن بدر، عن قيس بن طلق، عن أبيه طلق بن علي قال: خرجنا وفدا إلى النبي صلى الله عليه وسلم فبايعناه، وصلينا معه وأخبرناه أن بأرضنا بيعة لنا، فاستوهبناه من فضل طهوره فدعا بماء فتوضأ وتمضمض، ثم صبه في إداوة وأمرنا فقال: «اخرجوا فإذا أتيتم أرضكم فاكسروا بيعتكم وانضحوا مكانها بهذا الماء واتخذوها مسجدا» قلنا: إن البلد بعيد , والحر شديد , والماء ينشف فقال: «مدوه من الماء؛ فإنه لا يزيده إلا طيبا» فخرجنا حتى قدمنا بلدنا فكسرنا بيعتنا، ثم نضحنا مكانها , واتخذناها مسجدا، فنادينا فيه بالأذان , قال: والراهب رجل من طيئ، فلما سمع الأذان قال: دعوة حق، ثم استقبل تلعة من تلاعنا فلم نره بعد
সুনান নাসাঈ > কবরের স্থান সমান করে মসজিদ বানানো
সুনান নাসাঈ ৭০২
أخبرنا عمران بن موسى قال: حدثنا عبد الوارث، عن أبي التياح، عن أنس بن مالك قال: لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم نزل في عرض المدينة في حي يقال لهم بنو عمرو بن عوف، فأقام فيهم أربع عشرة ليلة، ثم أرسل إلى ملإ من بني النجار فجاءوا متقلدي سيوفهم، كأني أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم على راحلته وأبو بكر رضي الله عنه رديفه، وملأ من بني النجار حوله حتى ألقى بفناء أبي أيوب، وكان يصلي حيث أدركته الصلاة فيصلي في مرابض الغنم، ثم أمر بالمسجد فأرسل إلى ملإ من بني النجار فجاءوا فقال: «يا بني النجار ثامنوني بحائطكم هذا». قالوا: والله لا نطلب ثمنه إلا إلى الله عز وجل. قال أنس: وكانت فيه قبور المشركين، وكانت فيه خرب، وكان فيه نخل، فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بقبور المشركين فنبشت، وبالنخل فقطعت، وبالخرب فسويت فصفوا النخل قبلة المسجد وجعلوا عضادتيه الحجارة وجعلوا ينقلون الصخر وهم يرتجزون، ورسول الله صلى الله عليه وسلم معهم وهم يقولون: اللهم لا خير إلا خير الآخره، فانصر الأنصار والمهاجره "
আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদীনায় আগমন করলেন তখন তিনি মদীনার এক প্রান্তে বনূ আমর ইব্ন আওফ নামক এক গোত্রে অবতরণ করলেন। তিনি সেখানে চৌদ্দ দিন অবস্থান করেন। তারপর তিনি বনূ নাজ্জারের নেতৃস্থানীয় লোকদের কাছে লোক পাঠালেন। তারা তাদের তলোয়ার লটকিয়ে আগমন করলেন, আমি যেন এখনও দেখছি যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সওয়ারীর উপর আর আবূ বকর (রাঃ) তাঁর পেছনে উপবিষ্ট। আর বনূ নাজ্জারের নেতৃস্থানীয় লোকেরা তাঁর চতুস্পার্শ্বে চলতে চলতে তিনি আবূ আইয়্যূব (রাঃ)-এর ঘরের সামনে অবতরন করলেন। তিনি সালাতের সময় যেখানেই থাকতেন, সেখানেই সালাত আদায় করতেন। তিনি বকরীর পালের স্থানেও সালাত আদায় করতেন। তারপর তাঁকে মসজিদ তৈরি করার আদেশ দেয়া হলে তিনি নাজ্জার গোত্রের নেতৃস্থানীয় লোকদের কাছে লোক পাঠালেন। তারা আগমন করলে তিনি বললেন, হে বনূ নাজ্জারের লোক সকল ! তোমরা তোমাদের এ স্থানটি আমার নিকট বিক্রয় কর। তারা বলল, আল্লাহর শপথ ! আমরা এর মূল্য গ্রহণ করব না। এর মূল্য আমরা আল্লাহ তা’আলার নিকট চাইব। আনাস (রাঃ) বলেন : সেখানে মুশরিকদের কবর, ভগ্ন গৃহ এবং খেজুর গাছ ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদেশ করলে ঐ সকল কবর সমতল করে দেয়া হল আর খেজুর গাছ কেটে ফেলা হল এবং বিধ্বস্ত ঘরগুলো ভেঙ্গে সমান করে দেয়া হলো। সাহাবীগণ কিবলার দিকে সারিবদ্ধ করে খেজুর গাছ রাখলেন এবং পাথর দ্বারা তার গোড়া ভরাট করলেন। তারপর শিলাখন্ডগুলো সরাচ্ছিলেন আর ছড়া গাচ্ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁদের সঙ্গে ছিলেন, তাঁরা বলছিলেন : (আরবী) “হে আল্লাহ্ ! আখিরাতের মঙ্গলই প্রকৃত মঙ্গল, আপনি আনসার ও মুহাজিরদেরকে সাহায্য করুন।”
আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদীনায় আগমন করলেন তখন তিনি মদীনার এক প্রান্তে বনূ আমর ইব্ন আওফ নামক এক গোত্রে অবতরণ করলেন। তিনি সেখানে চৌদ্দ দিন অবস্থান করেন। তারপর তিনি বনূ নাজ্জারের নেতৃস্থানীয় লোকদের কাছে লোক পাঠালেন। তারা তাদের তলোয়ার লটকিয়ে আগমন করলেন, আমি যেন এখনও দেখছি যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সওয়ারীর উপর আর আবূ বকর (রাঃ) তাঁর পেছনে উপবিষ্ট। আর বনূ নাজ্জারের নেতৃস্থানীয় লোকেরা তাঁর চতুস্পার্শ্বে চলতে চলতে তিনি আবূ আইয়্যূব (রাঃ)-এর ঘরের সামনে অবতরন করলেন। তিনি সালাতের সময় যেখানেই থাকতেন, সেখানেই সালাত আদায় করতেন। তিনি বকরীর পালের স্থানেও সালাত আদায় করতেন। তারপর তাঁকে মসজিদ তৈরি করার আদেশ দেয়া হলে তিনি নাজ্জার গোত্রের নেতৃস্থানীয় লোকদের কাছে লোক পাঠালেন। তারা আগমন করলে তিনি বললেন, হে বনূ নাজ্জারের লোক সকল ! তোমরা তোমাদের এ স্থানটি আমার নিকট বিক্রয় কর। তারা বলল, আল্লাহর শপথ ! আমরা এর মূল্য গ্রহণ করব না। এর মূল্য আমরা আল্লাহ তা’আলার নিকট চাইব। আনাস (রাঃ) বলেন : সেখানে মুশরিকদের কবর, ভগ্ন গৃহ এবং খেজুর গাছ ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদেশ করলে ঐ সকল কবর সমতল করে দেয়া হল আর খেজুর গাছ কেটে ফেলা হল এবং বিধ্বস্ত ঘরগুলো ভেঙ্গে সমান করে দেয়া হলো। সাহাবীগণ কিবলার দিকে সারিবদ্ধ করে খেজুর গাছ রাখলেন এবং পাথর দ্বারা তার গোড়া ভরাট করলেন। তারপর শিলাখন্ডগুলো সরাচ্ছিলেন আর ছড়া গাচ্ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁদের সঙ্গে ছিলেন, তাঁরা বলছিলেন : (আরবী) “হে আল্লাহ্ ! আখিরাতের মঙ্গলই প্রকৃত মঙ্গল, আপনি আনসার ও মুহাজিরদেরকে সাহায্য করুন।”
أخبرنا عمران بن موسى قال: حدثنا عبد الوارث، عن أبي التياح، عن أنس بن مالك قال: لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم نزل في عرض المدينة في حي يقال لهم بنو عمرو بن عوف، فأقام فيهم أربع عشرة ليلة، ثم أرسل إلى ملإ من بني النجار فجاءوا متقلدي سيوفهم، كأني أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم على راحلته وأبو بكر رضي الله عنه رديفه، وملأ من بني النجار حوله حتى ألقى بفناء أبي أيوب، وكان يصلي حيث أدركته الصلاة فيصلي في مرابض الغنم، ثم أمر بالمسجد فأرسل إلى ملإ من بني النجار فجاءوا فقال: «يا بني النجار ثامنوني بحائطكم هذا». قالوا: والله لا نطلب ثمنه إلا إلى الله عز وجل. قال أنس: وكانت فيه قبور المشركين، وكانت فيه خرب، وكان فيه نخل، فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بقبور المشركين فنبشت، وبالنخل فقطعت، وبالخرب فسويت فصفوا النخل قبلة المسجد وجعلوا عضادتيه الحجارة وجعلوا ينقلون الصخر وهم يرتجزون، ورسول الله صلى الله عليه وسلم معهم وهم يقولون: اللهم لا خير إلا خير الآخره، فانصر الأنصار والمهاجره "
সুনান নাসাঈ > কবরকে মসজিদরূপে ব্যবহার করার নিষেধাজ্ঞা
সুনান নাসাঈ ৭০৩
أخبرنا سويد بن نصر قال: أنبأنا عبد الله بن المبارك، عن معمر ويونس قالا: قال الزهري: أخبرني عبيد الله بن عبد الله، أن عائشة وابن عباس قالا: لما نزل برسول الله صلى الله عليه وسلم فطفق يطرح خميصة له على وجهه، فإذا اغتم كشفها عن وجهه قال وهو كذلك: «لعنة الله على اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد»
আয়েশা (রাঃ) ও ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা বলেন : যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওফাতের সময় নিকটবর্তী হয়ছিল, তখন তিনি তাঁর চেহারার উপর চাদর ফেলেছিলেন আর যখন শ্বাসরুদ্ধ হয়ে আসছিল, তখন তিনি তাঁর চেহারা হতে তা সরিয়ে ফেলেছিলেন, আর ঐ অবস্থায় তিনি বলছিলেন, ইয়াহূদী এবং খ্রিস্টানদের ওপর আল্লাহ’র লা’নত, তারা তাদের নবীগনের কবরসমূহকে মসজিদে পরিণত করেছে।
আয়েশা (রাঃ) ও ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা বলেন : যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওফাতের সময় নিকটবর্তী হয়ছিল, তখন তিনি তাঁর চেহারার উপর চাদর ফেলেছিলেন আর যখন শ্বাসরুদ্ধ হয়ে আসছিল, তখন তিনি তাঁর চেহারা হতে তা সরিয়ে ফেলেছিলেন, আর ঐ অবস্থায় তিনি বলছিলেন, ইয়াহূদী এবং খ্রিস্টানদের ওপর আল্লাহ’র লা’নত, তারা তাদের নবীগনের কবরসমূহকে মসজিদে পরিণত করেছে।
أخبرنا سويد بن نصر قال: أنبأنا عبد الله بن المبارك، عن معمر ويونس قالا: قال الزهري: أخبرني عبيد الله بن عبد الله، أن عائشة وابن عباس قالا: لما نزل برسول الله صلى الله عليه وسلم فطفق يطرح خميصة له على وجهه، فإذا اغتم كشفها عن وجهه قال وهو كذلك: «لعنة الله على اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد»
সুনান নাসাঈ ৭০৪
أخبرنا يعقوب بن إبراهيم قال: حدثنا يحيى قال: حدثنا هشام بن عروة قال: حدثني أبي، عن عائشة، أن أم حبيبة وأم سلمة ذكرتا كنيسة رأتاها بالحبشة فيها تصاوير فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن أولئك إذا كان فيهم الرجل الصالح فمات بنوا على قبره مسجدا، وصوروا تيك الصور، أولئك شرار الخلق عند الله يوم القيامة»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মে হাবীবা এবং উম্মে সালামা (রাঃ) একটি গির্জার উল্লেখ করেছিলেন, যা তারা হাবশায় দেখেছেন, যাতে অনেক ছবি ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : তাদের মধ্যে যখন কোন নেককার লোক মৃত্যুবরণ করত, তখন তারা তার কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করত এবং ঐ সকল লোকের ছবি তৈরি করে রাখত। কিয়ামতে তারা আল্লাহর নিকট নিকৃষ্টতম সৃষ্টি বলে পরিগণিত হবে।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মে হাবীবা এবং উম্মে সালামা (রাঃ) একটি গির্জার উল্লেখ করেছিলেন, যা তারা হাবশায় দেখেছেন, যাতে অনেক ছবি ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : তাদের মধ্যে যখন কোন নেককার লোক মৃত্যুবরণ করত, তখন তারা তার কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করত এবং ঐ সকল লোকের ছবি তৈরি করে রাখত। কিয়ামতে তারা আল্লাহর নিকট নিকৃষ্টতম সৃষ্টি বলে পরিগণিত হবে।
أخبرنا يعقوب بن إبراهيم قال: حدثنا يحيى قال: حدثنا هشام بن عروة قال: حدثني أبي، عن عائشة، أن أم حبيبة وأم سلمة ذكرتا كنيسة رأتاها بالحبشة فيها تصاوير فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن أولئك إذا كان فيهم الرجل الصالح فمات بنوا على قبره مسجدا، وصوروا تيك الصور، أولئك شرار الخلق عند الله يوم القيامة»