সুনান নাসাঈ > কিভাবে কাযা সালাত আদায় করতে হয়
সুনান নাসাঈ ৬২৫
أخبرنا أبو عاصم قال: حدثنا حبان بن هلال، حدثنا حبيب، عن عمرو بن هرم، عن جابر بن زيد، عن ابن عباس قال: «أدلج رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم عرس فلم يستيقظ حتى طلعت الشمس أو بعضها، فلم يصل حتى ارتفعت الشمس فصلى وهي صلاة الوسطى» --- [حكم الألباني] منكر بزيادة وهي صلاة الوسطى
আব্দুল্লাহ ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত্রে সফর করলেন এবং শেষরাতে একস্থানে অবতরণ করে ঘুমিয়ে পড়লেন। এমতাবস্থায় সূর্যোদয় হলো অথবা সূর্যের কিয়দাংশ উদিত হলো। তারপর পূর্ণরূপে সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করলেন না। তারপর সালাত আদায় করলেন। এই ‘সালাত’ ছিল উস্তা বা মধ্যবর্তী সালাত।
আব্দুল্লাহ ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত্রে সফর করলেন এবং শেষরাতে একস্থানে অবতরণ করে ঘুমিয়ে পড়লেন। এমতাবস্থায় সূর্যোদয় হলো অথবা সূর্যের কিয়দাংশ উদিত হলো। তারপর পূর্ণরূপে সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করলেন না। তারপর সালাত আদায় করলেন। এই ‘সালাত’ ছিল উস্তা বা মধ্যবর্তী সালাত।
أخبرنا أبو عاصم قال: حدثنا حبان بن هلال، حدثنا حبيب، عن عمرو بن هرم، عن جابر بن زيد، عن ابن عباس قال: «أدلج رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم عرس فلم يستيقظ حتى طلعت الشمس أو بعضها، فلم يصل حتى ارتفعت الشمس فصلى وهي صلاة الوسطى» --- [حكم الألباني] منكر بزيادة وهي صلاة الوسطى
সুনান নাসাঈ ৬২৩
أخبرنا يعقوب بن إبراهيم قال: حدثنا يحيى، عن يزيد بن كيسان قال: حدثني أبو حازم، عن أبي هريرة قال: عرسنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم نستيقظ حتى طلعت الشمس، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ليأخذ كل رجل برأس راحلته؛ فإن هذا منزل حضرنا فيه الشيطان». قال: ففعلنا، فدعا بالماء فتوضأ، ثم صلى سجدتين، ثم أقيمت الصلاة فصلى الغداة
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : আমরা রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে সারারাত সফর করার পর শেষরাতে অবতরণ করি এবং ঘুমিয়ে পড়ি, সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কারো নিদ্রাভঙ্গ হলো না। তারপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বললেন : প্রত্যেকেই নিজ নিজ বাহনের লাগাম ধরে এ স্থান ত্যাগ কর। কেননা এ স্থানে শয়তান আমাদের কাছে হাযির হয়েছে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন : আমরা এরূপই করলাম। তারপর কিছুদূর গিয়ে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পানি আনিয়ে উযূ করলেন। এরপর দুই রাকাআত ফজরের সুন্নত আদায় করলেন। তারপর ইকামত হলে ফজরের ফরয আদায় করলেন।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : আমরা রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে সারারাত সফর করার পর শেষরাতে অবতরণ করি এবং ঘুমিয়ে পড়ি, সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কারো নিদ্রাভঙ্গ হলো না। তারপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বললেন : প্রত্যেকেই নিজ নিজ বাহনের লাগাম ধরে এ স্থান ত্যাগ কর। কেননা এ স্থানে শয়তান আমাদের কাছে হাযির হয়েছে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন : আমরা এরূপই করলাম। তারপর কিছুদূর গিয়ে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পানি আনিয়ে উযূ করলেন। এরপর দুই রাকাআত ফজরের সুন্নত আদায় করলেন। তারপর ইকামত হলে ফজরের ফরয আদায় করলেন।
أخبرنا يعقوب بن إبراهيم قال: حدثنا يحيى، عن يزيد بن كيسان قال: حدثني أبو حازم، عن أبي هريرة قال: عرسنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم نستيقظ حتى طلعت الشمس، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ليأخذ كل رجل برأس راحلته؛ فإن هذا منزل حضرنا فيه الشيطان». قال: ففعلنا، فدعا بالماء فتوضأ، ثم صلى سجدتين، ثم أقيمت الصلاة فصلى الغداة
সুনান নাসাঈ ৬২১
أخبرنا هناد بن السري، عن أبي الأحوص، عن عطاء بن السائب، عن بريد بن أبي مريم، عن أبيه قال: «كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فأسرينا ليلة، فلما كان في وجه الصبح، نزل رسول الله صلى الله عليه وسلم فنام ونام الناس، فلم يستيقظ إلا بالشمس قد طلعت علينا، فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم المؤذن، فأذن، ثم صلى الركعتين قبل الفجر، ثم أمره فأقام فصلى بالناس، ثم حدثنا بما هو كائن حتى تقوم الساعة»
আবূ মারয়াম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : একদা আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে সারারাত্র সফর করলাম। পড়ে রাতের শেষাংশে ফজরের নিকটবর্তী সময়ে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক স্থানে অবতরণ করলেন এবং কিছুক্ষণ পরই ঘুমিয়ে পড়লেন। তার সঙ্গীগণও ঘুমিয়ে পড়লেন। সূর্যের আলোকরশ্মি স্পর্শ না করা পর্যন্ত কেউ জাগ্রত হলেন না। পরে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুয়ায্যিনকে আযান দিতে আদেশ করলেন। মুয়ায্যিন আযান দিলে, তিনি দুই রাকআত ফজরের সুন্নত আদায় করলেন। আবার ইকামত বললে তিনি সাহাবীদের নিয়ে ফরয আদায় করলেন। তারপর আমাদেরকে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য বড় বড় ঘটনাবলীর কথা বর্ণনা করলেন।
আবূ মারয়াম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : একদা আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে সারারাত্র সফর করলাম। পড়ে রাতের শেষাংশে ফজরের নিকটবর্তী সময়ে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক স্থানে অবতরণ করলেন এবং কিছুক্ষণ পরই ঘুমিয়ে পড়লেন। তার সঙ্গীগণও ঘুমিয়ে পড়লেন। সূর্যের আলোকরশ্মি স্পর্শ না করা পর্যন্ত কেউ জাগ্রত হলেন না। পরে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুয়ায্যিনকে আযান দিতে আদেশ করলেন। মুয়ায্যিন আযান দিলে, তিনি দুই রাকআত ফজরের সুন্নত আদায় করলেন। আবার ইকামত বললে তিনি সাহাবীদের নিয়ে ফরয আদায় করলেন। তারপর আমাদেরকে কিয়ামত পর্যন্ত সংঘটিতব্য বড় বড় ঘটনাবলীর কথা বর্ণনা করলেন।
أخبرنا هناد بن السري، عن أبي الأحوص، عن عطاء بن السائب، عن بريد بن أبي مريم، عن أبيه قال: «كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فأسرينا ليلة، فلما كان في وجه الصبح، نزل رسول الله صلى الله عليه وسلم فنام ونام الناس، فلم يستيقظ إلا بالشمس قد طلعت علينا، فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم المؤذن، فأذن، ثم صلى الركعتين قبل الفجر، ثم أمره فأقام فصلى بالناس، ثم حدثنا بما هو كائن حتى تقوم الساعة»
সুনান নাসাঈ ৬২২
أخبرنا سويد بن نصر قال: حدثنا عبد الله، عن هشام الدستوائي، عن أبي الزبير، عن نافع بن جبير بن مطعم، عن أبي عبيدة بن عبد الله، عن عبد الله بن مسعود قال: كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فحبسنا عن صلاة الظهر والعصر والمغرب والعشاء، فاشتد ذلك علي فقلت في نفسي: نحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي سبيل الله، فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بلالا، فأقام فصلى بنا الظهر، ثم أقام فصلى بنا العصر، ثم أقام فصلى بنا المغرب، ثم أقام فصلى بنا العشاء، ثم طاف علينا فقال: «ما على الأرض عصابة يذكرون الله عز وجل غيركم»
আব্দুল্লাহ ইব্ন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : একদা আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে ছিলাম। যোহর, আসর, মাগরিব ও ইশা এই চার ওয়াক্তের সালাত আদায় করা হতে আমরা বাধাপ্রাপ্ত হলাম।[১] এটা আমর নিকট কষ্টদায়ক হলো। মনে মনে ভাবলাম, আমরা তো রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে থেকে আল্লাহর পথে জিহাদ করছি (এরপরও কি আমাদের এরূপ দুর্ভাগ্য?) তারপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিলাল (রাঃ) -কে ইকামত দিতে আদেশ করলেন। ইকামত বললে আমাদের নিয়ে যোহরের সালাত আদায় করলেন। আবার ইকামত বললে আসরের সালাত আদায় করলেন। আবার ইকামত বললে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। পুনরায় ইকামত বললে ইশার সালাত আদায় করলেন। তারপর আমাদের উদ্দেশ্য করে বলতে লাগলেন : ভূ-পৃষ্ঠে তোমাদের ছাড়া এমন কোন জামাআত নেই যারা আল্লাহ তা’আলাকে স্মরণ করে।
আব্দুল্লাহ ইব্ন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : একদা আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে ছিলাম। যোহর, আসর, মাগরিব ও ইশা এই চার ওয়াক্তের সালাত আদায় করা হতে আমরা বাধাপ্রাপ্ত হলাম।[১] এটা আমর নিকট কষ্টদায়ক হলো। মনে মনে ভাবলাম, আমরা তো রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে থেকে আল্লাহর পথে জিহাদ করছি (এরপরও কি আমাদের এরূপ দুর্ভাগ্য?) তারপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিলাল (রাঃ) -কে ইকামত দিতে আদেশ করলেন। ইকামত বললে আমাদের নিয়ে যোহরের সালাত আদায় করলেন। আবার ইকামত বললে আসরের সালাত আদায় করলেন। আবার ইকামত বললে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। পুনরায় ইকামত বললে ইশার সালাত আদায় করলেন। তারপর আমাদের উদ্দেশ্য করে বলতে লাগলেন : ভূ-পৃষ্ঠে তোমাদের ছাড়া এমন কোন জামাআত নেই যারা আল্লাহ তা’আলাকে স্মরণ করে।
أخبرنا سويد بن نصر قال: حدثنا عبد الله، عن هشام الدستوائي، عن أبي الزبير، عن نافع بن جبير بن مطعم، عن أبي عبيدة بن عبد الله، عن عبد الله بن مسعود قال: كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فحبسنا عن صلاة الظهر والعصر والمغرب والعشاء، فاشتد ذلك علي فقلت في نفسي: نحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي سبيل الله، فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بلالا، فأقام فصلى بنا الظهر، ثم أقام فصلى بنا العصر، ثم أقام فصلى بنا المغرب، ثم أقام فصلى بنا العشاء، ثم طاف علينا فقال: «ما على الأرض عصابة يذكرون الله عز وجل غيركم»
সুনান নাসাঈ ৬২৪
أخبرنا أبو عاصم خشيش بن أصرم قال: حدثنا يحيى بن حسان قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن عمرو بن دينار، عن نافع بن جبير، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في سفر له: «من يكلؤنا الليلة لا نرقد عن صلاة الصبح؟» قال بلال: أنا. فاستقبل مطلع الشمس، فضرب على آذانهم حتى أيقظهم حر الشمس فقاموا فقال: «توضئوا». ثم أذن بلال فصلى ركعتين وصلوا ركعتي الفجر، ثم صلوا الفجر
জুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা কোন এক সফরে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : কে আমাদের আজ রাতে পাহারা দেবে? যাতে ফজরের সালাতের সময় ঘুমিয়ে না থাকি। বিলাল (রাঃ) বললেন, আমি এই বলে তিনি সূর্যের উদয়-অস্ত অভিমুখী হয়ে রইলেন। কিন্তু তাদেরকে নিদ্রাগ্রস্ত করে দেওয়া হল। পরিশেষে সূর্যের কিরণ তাদের জাগ্রত করল। তখন সকলে সরে পড়লেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা উযূ কর। পরে বিলাল (রাঃ) আযান দিলেন। তিনি দু’ রাকাআত সুন্নত আদায় করলেন এবং অন্যরাও দু’ রাকাআত সুন্নত আদায় করলেন। তারপর সকলে দু’রাকাআত ফজরের ফরয আদায় করলেন।
জুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা কোন এক সফরে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : কে আমাদের আজ রাতে পাহারা দেবে? যাতে ফজরের সালাতের সময় ঘুমিয়ে না থাকি। বিলাল (রাঃ) বললেন, আমি এই বলে তিনি সূর্যের উদয়-অস্ত অভিমুখী হয়ে রইলেন। কিন্তু তাদেরকে নিদ্রাগ্রস্ত করে দেওয়া হল। পরিশেষে সূর্যের কিরণ তাদের জাগ্রত করল। তখন সকলে সরে পড়লেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা উযূ কর। পরে বিলাল (রাঃ) আযান দিলেন। তিনি দু’ রাকাআত সুন্নত আদায় করলেন এবং অন্যরাও দু’ রাকাআত সুন্নত আদায় করলেন। তারপর সকলে দু’রাকাআত ফজরের ফরয আদায় করলেন।
أخبرنا أبو عاصم خشيش بن أصرم قال: حدثنا يحيى بن حسان قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن عمرو بن دينار، عن نافع بن جبير، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في سفر له: «من يكلؤنا الليلة لا نرقد عن صلاة الصبح؟» قال بلال: أنا. فاستقبل مطلع الشمس، فضرب على آذانهم حتى أيقظهم حر الشمس فقاموا فقال: «توضئوا». ثم أذن بلال فصلى ركعتين وصلوا ركعتي الفجر، ثم صلوا الفجر