সুনান নাসাঈ > যে সময় মুসাফির যোহর ও আসরের সালাত একত্রে আদায় করবে

সুনান নাসাঈ ৫৮৬

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا مفضل، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك قال: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ارتحل قبل أن تزيغ الشمس أخر الظهر إلى وقت العصر، ثم نزل فجمع بينهما، فإن زاغت الشمس قبل أن يرتحل صلى الظهر، ثم ركب»

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দ্বি-প্রহরের পূর্বে সফরে রওয়ানা হলে আসর পর্যন্ত যোহরের সালাতকে বিলম্বিত করতেন। তারপর অবতরণ করে উভয় সালাত একত্রে আদায় করতেন। দ্বি-প্রহরের পর রওয়ানা হলে যোহরের সালাত আদায় করে আরোহণ করতেন।

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দ্বি-প্রহরের পূর্বে সফরে রওয়ানা হলে আসর পর্যন্ত যোহরের সালাতকে বিলম্বিত করতেন। তারপর অবতরণ করে উভয় সালাত একত্রে আদায় করতেন। দ্বি-প্রহরের পর রওয়ানা হলে যোহরের সালাত আদায় করে আরোহণ করতেন।

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا مفضل، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك قال: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ارتحل قبل أن تزيغ الشمس أخر الظهر إلى وقت العصر، ثم نزل فجمع بينهما، فإن زاغت الشمس قبل أن يرتحل صلى الظهر، ثم ركب»


সুনান নাসাঈ ৫৮৭

أخبرنا محمد بن سلمة والحارث بن مسكين قراءة عليه وأنا أسمع واللفظ له، عن ابن القاسم قال: حدثني مالك، عن أبي الزبير المكي، عن أبي الطفيل عامر بن واثلة، أن معاذ بن جبل أخبره: «أنهم خرجوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام تبوك، فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يجمع بين الظهر والعصر والمغرب والعشاء فأخر الصلاة يوما، ثم خرج فصلى الظهر والعصر جميعا، ثم دخل ثم خرج فصلى المغرب والعشاء»

আবূ তুফায়ল আমির ইব্‌ন ওয়াসিলা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুআয ইব্‌ন জাবাল (রাঃ) তাঁকে বলেছেন যে, তাবূকের যুদ্ধে সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে রওয়ানা হলেন। পরে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যোহর এবং আসরের সালাত একত্রে আদায় করলেন। আবার মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করলেন। একদিন যোহরের সালাতকে বিলম্বিত করে বের হলেন। তারপর যোহর ও আসর একত্রে আদায় করলেন। তারপর ভিতরে প্রবেশ করলেন। তারপর বের হলেন এবং মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করলেন।

আবূ তুফায়ল আমির ইব্‌ন ওয়াসিলা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুআয ইব্‌ন জাবাল (রাঃ) তাঁকে বলেছেন যে, তাবূকের যুদ্ধে সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে রওয়ানা হলেন। পরে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যোহর এবং আসরের সালাত একত্রে আদায় করলেন। আবার মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করলেন। একদিন যোহরের সালাতকে বিলম্বিত করে বের হলেন। তারপর যোহর ও আসর একত্রে আদায় করলেন। তারপর ভিতরে প্রবেশ করলেন। তারপর বের হলেন এবং মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করলেন।

أخبرنا محمد بن سلمة والحارث بن مسكين قراءة عليه وأنا أسمع واللفظ له، عن ابن القاسم قال: حدثني مالك، عن أبي الزبير المكي، عن أبي الطفيل عامر بن واثلة، أن معاذ بن جبل أخبره: «أنهم خرجوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام تبوك، فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يجمع بين الظهر والعصر والمغرب والعشاء فأخر الصلاة يوما، ثم خرج فصلى الظهر والعصر جميعا، ثم دخل ثم خرج فصلى المغرب والعشاء»


সুনান নাসাঈ > এর বিবরণ

সুনান নাসাঈ ৫৮৮

أخبرنا محمد بن عبد الله بن بزيع قال: حدثنا يزيد بن زريع قال: حدثنا كثير بن قاروندا قال: سألت سالم بن عبد الله عن صلاة أبيه في السفر، وسألناه هل كان يجمع بين شيء من صلاته في سفره؟ فذكر أن صفية بنت أبي عبيد كانت تحته، فكتبت إليه وهو في زراعة له: أني في آخر يوم من أيام الدنيا، وأول يوم من الآخرة، فركب فأسرع السير إليها حتى إذا حانت صلاة الظهر قال له المؤذن: الصلاة يا أبا عبد الرحمن. فلم يلتفت حتى إذا كان بين الصلاتين نزل فقال: أقم. فإذا سلمت فأقم فصلى، ثم ركب حتى إذا غابت الشمس قال له المؤذن: الصلاة. فقال: كفعلك في صلاة الظهر والعصر، ثم سار حتى إذا اشتبكت النجوم نزل، ثم قال للمؤذن: أقم. فإذا سلمت فأقم فصلى، ثم انصرف فالتفت إلينا فقال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إذا حضر أحدكم الأمر الذي يخاف فوته فليصل هذه الصلاة»

কাছীর ইব্‌ন ক্বারাওয়ান্দা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: আমি সালিম ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রহঃ) -কে তাঁর পিতার সফরের সালাত সম্বন্ধে জানতে চাইলাম এবং তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি সফরে দু’ ওয়াক্তের সালাত একত্রে আদায় করতেন কি? তখন সালিম (রহঃ) এই ঘটনা উল্লেখ করলেন যে, সফিয়্যা বিনত আবূ উবায়দ (রাঃ) তাঁর (আবদুল্লাহর) সহধর্মিনী ছিলেন। সফিয়্যা অসুস্থ হয়ে আবদুল্লাহ (রাঃ) -এর নিকট পত্র লিখলেন। তখন আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁর দূরবর্তী যমীনে কৃষিকাজ করছিলেন। পত্রে লিখলেন যে, আমি মনে করি আমার পার্থিব জীবনের শেষ দিনে এবং আখিরাতের প্রথম দিনে উপনীত হয়েছি। সংবাদ পাওয়ামাত্রই তিনি অশ্বারোহণ করে দ্রুতগতিতে আসতে লাগলেন। যখন যোহরের সালাতের সময় হলো, মুয়াযযিন বলল, হে আবূ আবদুর রহমান! সালাত। তিনি ভ্রুক্ষেপ না করে চলতে লাগলেন। যখন দুই সালাতের মধ্যবর্তী সময়ে উপনীত হলো, (অর্থাৎ যোহরের শেষ ওয়াক্ত আসরের প্রথম ওয়াক্ত) তখন অবতরণ করলেন এবং বললেন, ইকামত দাও। যখন আমি সালাত সমাপ্ত করি তখন আবার ইকামত দিবে। তারপর সালাত আদায় করে আরোহণ করলাম। আবার যখন সূর্যাস্ত গেল, মুয়াযযিন তাঁকে বললেন, সালাত। তিনি বললেন, ঐরূপ আমল কর যেরূপ যোহর ও আসরের সালাতে করেছিলে। আবার পথ চললেন। তারপর যখন সমুজ্জ্বল তারকা আকাশে উদ্ভাসিত হলো, তখন অবতরণ করে মুয়াযযিনকে বললেন, ইকামত বল। যখন সালাত সমাপ্ত করি তখন আবার ইকামত বলবে। এবার সালাত আদায় করে তাদের দিকে ফিরলেন এবং বললেন: রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলছেন: যখন তোমাদের কারও সামনে এমন কোন জটিল কাজ দেখা দিবে যা ফওত হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকবে, তখন এভাবে দু’ ওয়াক্তের সালাত একত্রে আদায় করে নেবে।

কাছীর ইব্‌ন ক্বারাওয়ান্দা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: আমি সালিম ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রহঃ) -কে তাঁর পিতার সফরের সালাত সম্বন্ধে জানতে চাইলাম এবং তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি সফরে দু’ ওয়াক্তের সালাত একত্রে আদায় করতেন কি? তখন সালিম (রহঃ) এই ঘটনা উল্লেখ করলেন যে, সফিয়্যা বিনত আবূ উবায়দ (রাঃ) তাঁর (আবদুল্লাহর) সহধর্মিনী ছিলেন। সফিয়্যা অসুস্থ হয়ে আবদুল্লাহ (রাঃ) -এর নিকট পত্র লিখলেন। তখন আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁর দূরবর্তী যমীনে কৃষিকাজ করছিলেন। পত্রে লিখলেন যে, আমি মনে করি আমার পার্থিব জীবনের শেষ দিনে এবং আখিরাতের প্রথম দিনে উপনীত হয়েছি। সংবাদ পাওয়ামাত্রই তিনি অশ্বারোহণ করে দ্রুতগতিতে আসতে লাগলেন। যখন যোহরের সালাতের সময় হলো, মুয়াযযিন বলল, হে আবূ আবদুর রহমান! সালাত। তিনি ভ্রুক্ষেপ না করে চলতে লাগলেন। যখন দুই সালাতের মধ্যবর্তী সময়ে উপনীত হলো, (অর্থাৎ যোহরের শেষ ওয়াক্ত আসরের প্রথম ওয়াক্ত) তখন অবতরণ করলেন এবং বললেন, ইকামত দাও। যখন আমি সালাত সমাপ্ত করি তখন আবার ইকামত দিবে। তারপর সালাত আদায় করে আরোহণ করলাম। আবার যখন সূর্যাস্ত গেল, মুয়াযযিন তাঁকে বললেন, সালাত। তিনি বললেন, ঐরূপ আমল কর যেরূপ যোহর ও আসরের সালাতে করেছিলে। আবার পথ চললেন। তারপর যখন সমুজ্জ্বল তারকা আকাশে উদ্ভাসিত হলো, তখন অবতরণ করে মুয়াযযিনকে বললেন, ইকামত বল। যখন সালাত সমাপ্ত করি তখন আবার ইকামত বলবে। এবার সালাত আদায় করে তাদের দিকে ফিরলেন এবং বললেন: রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলছেন: যখন তোমাদের কারও সামনে এমন কোন জটিল কাজ দেখা দিবে যা ফওত হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকবে, তখন এভাবে দু’ ওয়াক্তের সালাত একত্রে আদায় করে নেবে।

أخبرنا محمد بن عبد الله بن بزيع قال: حدثنا يزيد بن زريع قال: حدثنا كثير بن قاروندا قال: سألت سالم بن عبد الله عن صلاة أبيه في السفر، وسألناه هل كان يجمع بين شيء من صلاته في سفره؟ فذكر أن صفية بنت أبي عبيد كانت تحته، فكتبت إليه وهو في زراعة له: أني في آخر يوم من أيام الدنيا، وأول يوم من الآخرة، فركب فأسرع السير إليها حتى إذا حانت صلاة الظهر قال له المؤذن: الصلاة يا أبا عبد الرحمن. فلم يلتفت حتى إذا كان بين الصلاتين نزل فقال: أقم. فإذا سلمت فأقم فصلى، ثم ركب حتى إذا غابت الشمس قال له المؤذن: الصلاة. فقال: كفعلك في صلاة الظهر والعصر، ثم سار حتى إذا اشتبكت النجوم نزل، ثم قال للمؤذن: أقم. فإذا سلمت فأقم فصلى، ثم انصرف فالتفت إلينا فقال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إذا حضر أحدكم الأمر الذي يخاف فوته فليصل هذه الصلاة»


সুনান নাসাঈ > যে ওয়াক্তে মুকীম দুই সালাত একত্রে আদায় করতে পারে

সুনান নাসাঈ ৫৮৯

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا سفيان، عن عمرو، عن جابر بن زيد، عن ابن عباس قال: «صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم بالمدينة ثمانيا جميعا وسبعا جميعا، أخر الظهر وعجل العصر، وأخر المغرب وعجل العشاء» --- [حكم الألباني] صحيح دون قوله أخر الظهر إلخ فإنه مدرج

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: আমি মদীনায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে আট রাকআত একত্রে এবং সাত রাকআত একত্রে এভাবে আদায় করেছি যে, তিনি যোহরকে শেষ ওয়াক্তে ও আসরকে প্রথম ওয়াক্তে, আবার মাগরিবকে শেষ ওয়াক্তে ও ইশাকে প্রথম ওয়াক্তে আদায় করলেন।

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: আমি মদীনায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে আট রাকআত একত্রে এবং সাত রাকআত একত্রে এভাবে আদায় করেছি যে, তিনি যোহরকে শেষ ওয়াক্তে ও আসরকে প্রথম ওয়াক্তে, আবার মাগরিবকে শেষ ওয়াক্তে ও ইশাকে প্রথম ওয়াক্তে আদায় করলেন।

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا سفيان، عن عمرو، عن جابر بن زيد، عن ابن عباس قال: «صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم بالمدينة ثمانيا جميعا وسبعا جميعا، أخر الظهر وعجل العصر، وأخر المغرب وعجل العشاء» --- [حكم الألباني] صحيح دون قوله أخر الظهر إلخ فإنه مدرج


সুনান নাসাঈ ৫৯০

أخبرني أبو عاصم خشيش بن أصرم قال: حدثنا حبان بن هلال، حدثنا حبيب وهو ابن أبي حبيب، عن عمرو بن هرم، عن جابر بن زيد، عن ابن عباس: «أنه صلى بالبصرة الأولى، والعصر ليس بينهما شيء، والمغرب والعشاء ليس بينهما شيء فعل ذلك من شغل». وزعم ابن عباس «أنه صلى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بالمدينة الأولى، والعصر ثمان سجدات ليس بينهما شيء»

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বসরায় যোহর এবং আসর একত্রে আদায় করেন। তাকে কোন সময়ের ব্যবধান ছিল না আর মাগরিব ও ইশাও একত্রে আদায় করলেন, তাতেও কোন ব্যবধান ছিল না। কর্মব্যস্ততার কারণেই তিনি এরূপ করেছিলেন। আর ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, তিনি মদীনায় রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে যোহর ও আসর একত্রে আট রাকআত আদায় করেছেন। দুই সালাতের মধ্যে সময়ের কোন ব্যবধান ছিল না।

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বসরায় যোহর এবং আসর একত্রে আদায় করেন। তাকে কোন সময়ের ব্যবধান ছিল না আর মাগরিব ও ইশাও একত্রে আদায় করলেন, তাতেও কোন ব্যবধান ছিল না। কর্মব্যস্ততার কারণেই তিনি এরূপ করেছিলেন। আর ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, তিনি মদীনায় রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে যোহর ও আসর একত্রে আট রাকআত আদায় করেছেন। দুই সালাতের মধ্যে সময়ের কোন ব্যবধান ছিল না।

أخبرني أبو عاصم خشيش بن أصرم قال: حدثنا حبان بن هلال، حدثنا حبيب وهو ابن أبي حبيب، عن عمرو بن هرم، عن جابر بن زيد، عن ابن عباس: «أنه صلى بالبصرة الأولى، والعصر ليس بينهما شيء، والمغرب والعشاء ليس بينهما شيء فعل ذلك من شغل». وزعم ابن عباس «أنه صلى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بالمدينة الأولى، والعصر ثمان سجدات ليس بينهما شيء»


সুনান নাসাঈ > যে ওয়াক্তে মুসাফির মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করতে পারে

সুনান নাসাঈ ৫৯২

أخبرني عمرو بن عثمان قال: حدثنا بقية، عن ابن أبي حمزة، وأنبأنا أحمد بن محمد بن المغيرة قال: حدثنا عثمان واللفظ له، عن شعيب، عن الزهري قال: أخبرني سالم، عن أبيه قال: «رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا عجله السير في السفر يؤخر صلاة المغرب حتى يجمع بينها وبين العشاء»

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে দেখেছি যে, যখন কোন সফরে তাঁর ত্বরা থাকত তখন মাগরিবের সালাত এভাবে বিলম্বে আদায় করতেন যে, মাগরিব ও ইশাকে একত্রিত করে ফেলতেন।

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে দেখেছি যে, যখন কোন সফরে তাঁর ত্বরা থাকত তখন মাগরিবের সালাত এভাবে বিলম্বে আদায় করতেন যে, মাগরিব ও ইশাকে একত্রিত করে ফেলতেন।

أخبرني عمرو بن عثمان قال: حدثنا بقية، عن ابن أبي حمزة، وأنبأنا أحمد بن محمد بن المغيرة قال: حدثنا عثمان واللفظ له، عن شعيب، عن الزهري قال: أخبرني سالم، عن أبيه قال: «رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا عجله السير في السفر يؤخر صلاة المغرب حتى يجمع بينها وبين العشاء»


সুনান নাসাঈ ৫৯৩

أخبرنا المؤمل بن إهاب قال: حدثني يحيى بن محمد الجاري قال: حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن مالك بن أنس، عن أبي الزبير، عن جابر قال: «غابت الشمس ورسول الله صلى الله عليه وسلم بمكة فجمع بين الصلاتين بسرف»

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: সূর্য অস্তমিত হলো এবং রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন মক্কাতেই ছিলেন। তারপর ‘সারিফ’ নামক স্থানে তিনি (মাগরিব ও ইশা) দুই সালাত একত্রে আদায় করলেন।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: সূর্য অস্তমিত হলো এবং রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন মক্কাতেই ছিলেন। তারপর ‘সারিফ’ নামক স্থানে তিনি (মাগরিব ও ইশা) দুই সালাত একত্রে আদায় করলেন।

أخبرنا المؤمل بن إهاب قال: حدثني يحيى بن محمد الجاري قال: حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن مالك بن أنس، عن أبي الزبير، عن جابر قال: «غابت الشمس ورسول الله صلى الله عليه وسلم بمكة فجمع بين الصلاتين بسرف»


সুনান নাসাঈ ৫৯৪

أخبرني عمرو بن سواد بن الأسود بن عمرو قال: أنبأنا ابن وهب قال: حدثنا جابر بن إسماعيل، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن أنس، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أنه كان إذا عجل به السير يؤخر الظهر إلى وقت العصر فيجمع بينهما، ويؤخر المغرب حتى يجمع بينها وبين العشاء حتى يغيب الشفق»

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সফরে থাকতেন, তখন যোহরের সালাত আসর পর্যন্ত বিলম্ব করতেন। তারপর উভয়কে একত্রে আদায় করতেন এবং মাগরিবকে বিলম্ব করে মাগরিব ও ইশাকে একত্রে আদায় করতেন।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সফরে থাকতেন, তখন যোহরের সালাত আসর পর্যন্ত বিলম্ব করতেন। তারপর উভয়কে একত্রে আদায় করতেন এবং মাগরিবকে বিলম্ব করে মাগরিব ও ইশাকে একত্রে আদায় করতেন।

أخبرني عمرو بن سواد بن الأسود بن عمرو قال: أنبأنا ابن وهب قال: حدثنا جابر بن إسماعيل، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن أنس، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أنه كان إذا عجل به السير يؤخر الظهر إلى وقت العصر فيجمع بينهما، ويؤخر المغرب حتى يجمع بينها وبين العشاء حتى يغيب الشفق»


সুনান নাসাঈ ৫৯১

أخبرني إسحاق بن إبراهيم قال: أنبأنا سفيان، عن ابن أبي نجيح، عن إسماعيل بن عبد الرحمن شيخ من قريش قال: صحبت ابن عمر إلى الحمى، فلما غربت الشمس هبت أن أقول له الصلاة «فسار حتى ذهب بياض الأفق وفحمة العشاء، ثم نزل فصلى المغرب ثلاث ركعات، ثم صلى ركعتين على إثرها». ثم قال: «هكذا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يفعل»

ইসমাঈল ইব্‌ন আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: আমি হিমা[১] পর্যন্ত ইব্‌ন উমর (রাঃ) -এর সঙ্গে ছিলাম। যখন সূর্য ডুবে গেল, আমি তাঁকে সালাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে সাহস পেলাম না। তিনি চলতে চলতে যখন আকাশ দিগন্তে শুভ্র রেখা অদৃশ্য হওয়ার নিকটবর্তী হল এবং রাতের প্রথমাংশের অন্ধকার অর্থাৎ শফক অদৃশ্য হওয়ার উপক্রম হলো, তখন অবতরণ করে মাগরিবের তিন রাকআত এবং তার সাথে আরও দু’রাক‘আত আদায় করলেন। তারপর বললেন: রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে আমি এভাবেই আদায় করতে দেখেছি।

ইসমাঈল ইব্‌ন আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: আমি হিমা[১] পর্যন্ত ইব্‌ন উমর (রাঃ) -এর সঙ্গে ছিলাম। যখন সূর্য ডুবে গেল, আমি তাঁকে সালাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে সাহস পেলাম না। তিনি চলতে চলতে যখন আকাশ দিগন্তে শুভ্র রেখা অদৃশ্য হওয়ার নিকটবর্তী হল এবং রাতের প্রথমাংশের অন্ধকার অর্থাৎ শফক অদৃশ্য হওয়ার উপক্রম হলো, তখন অবতরণ করে মাগরিবের তিন রাকআত এবং তার সাথে আরও দু’রাক‘আত আদায় করলেন। তারপর বললেন: রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে আমি এভাবেই আদায় করতে দেখেছি।

أخبرني إسحاق بن إبراهيم قال: أنبأنا سفيان، عن ابن أبي نجيح، عن إسماعيل بن عبد الرحمن شيخ من قريش قال: صحبت ابن عمر إلى الحمى، فلما غربت الشمس هبت أن أقول له الصلاة «فسار حتى ذهب بياض الأفق وفحمة العشاء، ثم نزل فصلى المغرب ثلاث ركعات، ثم صلى ركعتين على إثرها». ثم قال: «هكذا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يفعل»


সুনান নাসাঈ ৫৯৫

أخبرنا محمود بن خالد قال: حدثنا الوليد قال: حدثنا ابن جابر قال: حدثني نافع قال: خرجت مع عبد الله بن عمر في سفر يريد أرضا، فأتاه آت فقال: إن صفية بنت أبي عبيد لما بها، فانظر أن تدركها، فخرج مسرعا ومعه رجل من قريش يسايره، وغابت الشمس فلم يصل الصلاة، وكان عهدي به وهو يحافظ على الصلاة، فلما أبطأ قلت: الصلاة يرحمك الله فالتفت إلي ومضى، حتى إذا كان في آخر الشفق «نزل فصلى المغرب، ثم أقام العشاء وقد توارى الشفق فصلى بنا»، ثم أقبل علينا فقال: «إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا عجل به السير صنع هكذا»

নাফি (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইব্‌ন উমরের কিছু জমি ছিল। সেখানে কৃষিকাজের উদ্দেশ্যে আমি আবদুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) -এর সঙ্গে রওয়ানা হলাম ও সেখানে পৌছার পরে হঠাৎ একদিন এক সংবাদদাতা বললো যে, আপনার স্ত্রী সফিয়্যা বিনত আবূ উবায়দ (রাঃ) মুমূর্ষু অবস্থায়, দেখতে চাইলে যেতে পারেন। তারপর তিনি দ্রুতবেগে চললেন। এক কুরায়শী ব্যক্তি সফরসংগী ছিলেন। সূর্য অস্তমিত হলেও কিন্তু মাগরিবের সালাত আদায় করলেন না। আমি তাঁকে যতদিন ধরে জানি, যথাসময়ে সালাত আদায়ে যত্নবান থাকতেন। এরপরও যখন দেরী করছেন, তখন আমি বললাম: সালাত, আল্লাহপাক আপনাকে রহম করুন। তিনি আমার দিকে তাকালেন এবং চলতে লাগলেন। এ অবস্থায় যখন পশ্চিম আকাশের লালিমা প্রায় অদৃশ্য হলো, তখন মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। এরপর ইশার ইকামত বলে আমাদের সহ ইশা্র সালাত আদায় করলেন। তারপর আমাদের দিকে লক্ষ্য করে বললেন: যখন সফরে কোন ত্বরা থাকত, তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করতেন।

নাফি (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইব্‌ন উমরের কিছু জমি ছিল। সেখানে কৃষিকাজের উদ্দেশ্যে আমি আবদুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) -এর সঙ্গে রওয়ানা হলাম ও সেখানে পৌছার পরে হঠাৎ একদিন এক সংবাদদাতা বললো যে, আপনার স্ত্রী সফিয়্যা বিনত আবূ উবায়দ (রাঃ) মুমূর্ষু অবস্থায়, দেখতে চাইলে যেতে পারেন। তারপর তিনি দ্রুতবেগে চললেন। এক কুরায়শী ব্যক্তি সফরসংগী ছিলেন। সূর্য অস্তমিত হলেও কিন্তু মাগরিবের সালাত আদায় করলেন না। আমি তাঁকে যতদিন ধরে জানি, যথাসময়ে সালাত আদায়ে যত্নবান থাকতেন। এরপরও যখন দেরী করছেন, তখন আমি বললাম: সালাত, আল্লাহপাক আপনাকে রহম করুন। তিনি আমার দিকে তাকালেন এবং চলতে লাগলেন। এ অবস্থায় যখন পশ্চিম আকাশের লালিমা প্রায় অদৃশ্য হলো, তখন মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। এরপর ইশার ইকামত বলে আমাদের সহ ইশা্র সালাত আদায় করলেন। তারপর আমাদের দিকে লক্ষ্য করে বললেন: যখন সফরে কোন ত্বরা থাকত, তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করতেন।

أخبرنا محمود بن خالد قال: حدثنا الوليد قال: حدثنا ابن جابر قال: حدثني نافع قال: خرجت مع عبد الله بن عمر في سفر يريد أرضا، فأتاه آت فقال: إن صفية بنت أبي عبيد لما بها، فانظر أن تدركها، فخرج مسرعا ومعه رجل من قريش يسايره، وغابت الشمس فلم يصل الصلاة، وكان عهدي به وهو يحافظ على الصلاة، فلما أبطأ قلت: الصلاة يرحمك الله فالتفت إلي ومضى، حتى إذا كان في آخر الشفق «نزل فصلى المغرب، ثم أقام العشاء وقد توارى الشفق فصلى بنا»، ثم أقبل علينا فقال: «إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا عجل به السير صنع هكذا»


সুনান নাসাঈ ৫৯৬

أخبرنا قتيبة بن سعيد، حدثنا العطاف، عن نافع قال: أقبلنا مع ابن عمر من مكة، فلما كان تلك الليلة سار بنا حتى أمسينا، فظننا أنه نسي الصلاة فقلنا له: الصلاة فسكت «وسار حتى كاد الشفق أن يغيب، ثم نزل فصلى، وغاب الشفق فصلى العشاء». ثم أقبل علينا فقال: «هكذا كنا نصنع مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا جد به السير»

নাফি (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : আমরা ইব্‌ন উমর (রাঃ) -এর সঙ্গে মক্কা হতে আসছিলাম। যখন ঐ রাত হলো (তাঁর স্ত্রীর মুমূর্ষতার সংবাদ পাওয়ার রাত) তিনি আমাদের নিয়ে দ্রুত চললেন। যখন সন্ধ্যা হলো, আমরা ধারণা করলাম, তিনি সালাতের কথা ভুলে গেছেন, এজন্য আমরা তাঁকে সালাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিলাম। তিনি চুপ রইলেন এবং আরও অগ্রসর হলেন। তারপর আকাশের লালিমা অদৃশ্য হওয়ার উপক্রম হলে অবতরণ করে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। আবার যখন শফক অদৃশ্য হয়ে গেল তখন তিনি ইশার সালাত আদায় করলেন। তারপর আমাদের লক্ষ্য করে বললেন : রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে যখন সফরে তাঁর কোন ত্বরা থাকত, তখন আমরা এরূপ করতাম।

নাফি (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : আমরা ইব্‌ন উমর (রাঃ) -এর সঙ্গে মক্কা হতে আসছিলাম। যখন ঐ রাত হলো (তাঁর স্ত্রীর মুমূর্ষতার সংবাদ পাওয়ার রাত) তিনি আমাদের নিয়ে দ্রুত চললেন। যখন সন্ধ্যা হলো, আমরা ধারণা করলাম, তিনি সালাতের কথা ভুলে গেছেন, এজন্য আমরা তাঁকে সালাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিলাম। তিনি চুপ রইলেন এবং আরও অগ্রসর হলেন। তারপর আকাশের লালিমা অদৃশ্য হওয়ার উপক্রম হলে অবতরণ করে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। আবার যখন শফক অদৃশ্য হয়ে গেল তখন তিনি ইশার সালাত আদায় করলেন। তারপর আমাদের লক্ষ্য করে বললেন : রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে যখন সফরে তাঁর কোন ত্বরা থাকত, তখন আমরা এরূপ করতাম।

أخبرنا قتيبة بن سعيد، حدثنا العطاف، عن نافع قال: أقبلنا مع ابن عمر من مكة، فلما كان تلك الليلة سار بنا حتى أمسينا، فظننا أنه نسي الصلاة فقلنا له: الصلاة فسكت «وسار حتى كاد الشفق أن يغيب، ثم نزل فصلى، وغاب الشفق فصلى العشاء». ثم أقبل علينا فقال: «هكذا كنا نصنع مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا جد به السير»


সুনান নাসাঈ ৫৯৭

أخبرنا عبدة بن عبد الرحيم قال: حدثنا ابن شميل قال: حدثنا كثير بن قاروندا قال: سألنا سالم بن عبد الله عن الصلاة في السفر فقلنا: أكان عبد الله يجمع بين شيء من الصلوات في السفر؟ فقال: لا. إلا بجمع، ثم أتيته فقال: كانت عنده صفية فأرسلت إليه: أني في آخر يوم من الدنيا وأول يوم من الآخرة، فركب وأنا معه فأسرع السير حتى حانت الصلاة، فقال له المؤذن: الصلاة يا أبا عبد الرحمن فسار حتى إذا كان بين الصلاتين نزل فقال للمؤذن: «أقم. فإذا سلمت من الظهر فأقم مكانك، فأقام فصلى الظهر ركعتين ثم سلم، ثم أقام مكانه فصلى العصر ركعتين، ثم ركب فأسرع السير حتى غابت الشمس» فقال له المؤذن: الصلاة يا أبا عبد الرحمن فقال: كفعلك الأول فسار حتى إذا اشتبكت النجوم نزل فقال: " أقم، فإذا سلمت فأقم فصلى المغرب ثلاثا، ثم أقام مكانه فصلى العشاء الآخرة ثم سلم واحدة تلقاء وجهه، ثم قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إذا حضر أحدكم أمر يخشى فوته فليصل هذه الصلاة»

কাছীর ইব্‌ন কারাওয়ান্দা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : আমরা সফরে সালাত সম্বন্ধে সালিম ইব্‌ন আবদুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলাম যে, আপনার পিতা আবদুল্লাহ (রাঃ) সফরে একাধিক সালাত একত্রে আদায় করেছেন কি? উত্তরে বললেন : না, মুযদালাফা ব্যতীত আর কোথাও একত্রে আদায় করেননি। পুনরায় সতর্ক হয়ে ঘটনার উল্লেখ করে বললেন : সাফিয়্যা (রাঃ) আবদুল্লাহ (রাঃ) -এর স্ত্রী ছিলেন। সাফিয়্যা (রাঃ) তাঁর নিকট খবর পাঠালেন যে, আমি পার্থিব জীবনের শেষ দিনে এবং আখিরাতের প্রথম দিনে উপনীত হয়েছি। সংবাদ পাওয়া মাত্রই তিনি আরোহণ করলেন, আমিও তাঁর সঙ্গে ছিলাম। তিনি অত্যন্ত দ্রুতবেগে চললেন। পরে যখন সালাতের সময় হলো, মুয়ায্‌যিন বললেন, হে আবদুর রহমান! সালাত। তিনি চলতে লাগলেন। তারপর দুই সালাতের মাঝামাঝি সময়ে উপনীত হলেন, তখন অবতরণ করে মুয়ায্‌যিনকে বললেন : ইকামত বল। যখন যোহরের সালাত আদায় সমাপ্ত করি তখন আবার সেখানে দাঁড়িয়েই ইকামত বলবে। ইকামত বলা হলে যোহরের দু’রাকা’আত আদায় করলেন। আবার সেখানেই ইকামত দিলে আসরের দু’রাকা’আত আদায় করে আরোহণ করলেন এবং সূর্য অস্ত যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত দ্রুত চললেন। আবার মুয়ায্‌যিন বললেন, হে আবদুর রহমান! সালাত। তিনি বললেন : পূর্বের মতই কাজ কর, এই বলে চলতে লাগলেন। তারপর যখন আমাশে তারকারাশি ছেয়ে গেল, তখন অবতরণ করেন এবং ইকামতের আদেশ দিলেন। বললেন : যখন সালাম ফিরাব, আবার ইকামত বলবে। তারপর মাগরিবের তিন রাকা’আত আদায় করলেন। তারপর সেখানেই ইকামত বলে ইশার সালাত আদায় করলেন। তারপর একদিকে সালাম ফিরিয়ে বললেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : যখন তোমাদের কারও সামনে এমন কোন কাজ দেখা দেয়, যা ফওত হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে, এভাবেই সালাত আদায় করে নেবে।

কাছীর ইব্‌ন কারাওয়ান্দা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : আমরা সফরে সালাত সম্বন্ধে সালিম ইব্‌ন আবদুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলাম যে, আপনার পিতা আবদুল্লাহ (রাঃ) সফরে একাধিক সালাত একত্রে আদায় করেছেন কি? উত্তরে বললেন : না, মুযদালাফা ব্যতীত আর কোথাও একত্রে আদায় করেননি। পুনরায় সতর্ক হয়ে ঘটনার উল্লেখ করে বললেন : সাফিয়্যা (রাঃ) আবদুল্লাহ (রাঃ) -এর স্ত্রী ছিলেন। সাফিয়্যা (রাঃ) তাঁর নিকট খবর পাঠালেন যে, আমি পার্থিব জীবনের শেষ দিনে এবং আখিরাতের প্রথম দিনে উপনীত হয়েছি। সংবাদ পাওয়া মাত্রই তিনি আরোহণ করলেন, আমিও তাঁর সঙ্গে ছিলাম। তিনি অত্যন্ত দ্রুতবেগে চললেন। পরে যখন সালাতের সময় হলো, মুয়ায্‌যিন বললেন, হে আবদুর রহমান! সালাত। তিনি চলতে লাগলেন। তারপর দুই সালাতের মাঝামাঝি সময়ে উপনীত হলেন, তখন অবতরণ করে মুয়ায্‌যিনকে বললেন : ইকামত বল। যখন যোহরের সালাত আদায় সমাপ্ত করি তখন আবার সেখানে দাঁড়িয়েই ইকামত বলবে। ইকামত বলা হলে যোহরের দু’রাকা’আত আদায় করলেন। আবার সেখানেই ইকামত দিলে আসরের দু’রাকা’আত আদায় করে আরোহণ করলেন এবং সূর্য অস্ত যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত দ্রুত চললেন। আবার মুয়ায্‌যিন বললেন, হে আবদুর রহমান! সালাত। তিনি বললেন : পূর্বের মতই কাজ কর, এই বলে চলতে লাগলেন। তারপর যখন আমাশে তারকারাশি ছেয়ে গেল, তখন অবতরণ করেন এবং ইকামতের আদেশ দিলেন। বললেন : যখন সালাম ফিরাব, আবার ইকামত বলবে। তারপর মাগরিবের তিন রাকা’আত আদায় করলেন। তারপর সেখানেই ইকামত বলে ইশার সালাত আদায় করলেন। তারপর একদিকে সালাম ফিরিয়ে বললেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : যখন তোমাদের কারও সামনে এমন কোন কাজ দেখা দেয়, যা ফওত হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে, এভাবেই সালাত আদায় করে নেবে।

أخبرنا عبدة بن عبد الرحيم قال: حدثنا ابن شميل قال: حدثنا كثير بن قاروندا قال: سألنا سالم بن عبد الله عن الصلاة في السفر فقلنا: أكان عبد الله يجمع بين شيء من الصلوات في السفر؟ فقال: لا. إلا بجمع، ثم أتيته فقال: كانت عنده صفية فأرسلت إليه: أني في آخر يوم من الدنيا وأول يوم من الآخرة، فركب وأنا معه فأسرع السير حتى حانت الصلاة، فقال له المؤذن: الصلاة يا أبا عبد الرحمن فسار حتى إذا كان بين الصلاتين نزل فقال للمؤذن: «أقم. فإذا سلمت من الظهر فأقم مكانك، فأقام فصلى الظهر ركعتين ثم سلم، ثم أقام مكانه فصلى العصر ركعتين، ثم ركب فأسرع السير حتى غابت الشمس» فقال له المؤذن: الصلاة يا أبا عبد الرحمن فقال: كفعلك الأول فسار حتى إذا اشتبكت النجوم نزل فقال: " أقم، فإذا سلمت فأقم فصلى المغرب ثلاثا، ثم أقام مكانه فصلى العشاء الآخرة ثم سلم واحدة تلقاء وجهه، ثم قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إذا حضر أحدكم أمر يخشى فوته فليصل هذه الصلاة»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00