সুনান নাসাঈ > মাগরিবের সালাতের পর ঘুমানো মাকরূহ

সুনান নাসাঈ ৫২৫

أخبرنا محمد بن بشار قال: حدثنا يحيى قال: حدثنا عوف، قال: حدثني سيار بن سلامة قال: دخلت على أبي برزة فسأله أبي: كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي المكتوبة؟ قال: «كان يصلي الهجير التي تدعونها الأولى حين تدحض الشمس، وكان يصلي العصر حين يرجع أحدنا إلى رحله في أقصى المدينة والشمس حية - ونسيت ما قال في المغرب - وكان يستحب أن يؤخر العشاء التي تدعونها العتمة، وكان يكره النوم قبلها والحديث بعدها، وكان ينفتل من صلاة الغداة حين يعرف الرجل جليسه، وكان يقرأ بالستين إلى المائة»

সাইয়ার ইবন সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আমার পিতার সঙ্গে আবূ বারযাহ (রাঃ) -এর খেদমতে উপস্থিত হলাম। আমার পিতা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিভাবে ফরয সালাত আদায় করতেন, এ সম্মন্ধে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন, সূর্য ঢলে পড়লে যোহরের সালাত আদায় করতেন যাকে তোমরা প্রথম সালাত [১] বল। তিনি এমন সময় আসরের সালাত আদায় করতেন যে, সালাত আদায় করে কেউ মদীনার এক প্রান্তে নিজ অবস্থানে আসতে পারত এবং তখনও সূর্য করোজ্জ্বল থাকত। বর্ণনাকারী সাইয়ার (রাঃ) বলেনঃ মাগরিব সম্মন্ধে কি বলেছিলেন তা আমি ভুলে গিয়েছি। ইশার সালাত যাকে তোমরা 'আতামা' বল, বিলম্বে আদায় করাকে তিনি পছন্দ করতেন। 'ইশার পূর্বে ঘুমানো ও ইশার পর কথা বলাকে মাকরূহ জানতেন। [২] আর ফজরের সালাত আদায় করে এমন সময় ফিরতেন যে, তখন যে কেউ তার পার্শ্ববর্তী লোককে চিনতে পারত। আর এ সালাতে ষাট আয়াত থেকে একশত আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন।

সাইয়ার ইবন সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আমার পিতার সঙ্গে আবূ বারযাহ (রাঃ) -এর খেদমতে উপস্থিত হলাম। আমার পিতা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিভাবে ফরয সালাত আদায় করতেন, এ সম্মন্ধে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন, সূর্য ঢলে পড়লে যোহরের সালাত আদায় করতেন যাকে তোমরা প্রথম সালাত [১] বল। তিনি এমন সময় আসরের সালাত আদায় করতেন যে, সালাত আদায় করে কেউ মদীনার এক প্রান্তে নিজ অবস্থানে আসতে পারত এবং তখনও সূর্য করোজ্জ্বল থাকত। বর্ণনাকারী সাইয়ার (রাঃ) বলেনঃ মাগরিব সম্মন্ধে কি বলেছিলেন তা আমি ভুলে গিয়েছি। ইশার সালাত যাকে তোমরা 'আতামা' বল, বিলম্বে আদায় করাকে তিনি পছন্দ করতেন। 'ইশার পূর্বে ঘুমানো ও ইশার পর কথা বলাকে মাকরূহ জানতেন। [২] আর ফজরের সালাত আদায় করে এমন সময় ফিরতেন যে, তখন যে কেউ তার পার্শ্ববর্তী লোককে চিনতে পারত। আর এ সালাতে ষাট আয়াত থেকে একশত আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন।

أخبرنا محمد بن بشار قال: حدثنا يحيى قال: حدثنا عوف، قال: حدثني سيار بن سلامة قال: دخلت على أبي برزة فسأله أبي: كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي المكتوبة؟ قال: «كان يصلي الهجير التي تدعونها الأولى حين تدحض الشمس، وكان يصلي العصر حين يرجع أحدنا إلى رحله في أقصى المدينة والشمس حية - ونسيت ما قال في المغرب - وكان يستحب أن يؤخر العشاء التي تدعونها العتمة، وكان يكره النوم قبلها والحديث بعدها، وكان ينفتل من صلاة الغداة حين يعرف الرجل جليسه، وكان يقرأ بالستين إلى المائة»


সুনান নাসাঈ > ইশার প্রথম ওয়াক্ত

সুনান নাসাঈ ৫২৬

أخبرنا سويد بن نصر قال: أنبأنا عبد الله بن المبارك، عن حسين بن علي بن حسين قال: أخبرني وهب بن كيسان قال: حدثنا جابر بن عبد الله، قال: " جاء جبريل عليه السلام إلى النبي صلى الله عليه وسلم حين زالت الشمس فقال: قم يا محمد فصل الظهر حين مالت الشمس، ثم مكث حتى إذا كان فيء الرجل مثله جاءه للعصر فقال: قم يا محمد فصل العصر، ثم مكث حتى إذا غابت الشمس جاءه فقال: قم فصل المغرب، فقام فصلاها حين غابت الشمس سواء، ثم مكث حتى إذا ذهب الشفق جاءه فقال: قم فصل العشاء فقام فصلاها، ثم جاءه حين سطع الفجر في الصبح فقال: قم يا محمد فصل، فقام فصلى الصبح، ثم جاءه من الغد حين كان فيء الرجل مثله فقال: قم يا محمد فصل، فصلى الظهر، ثم جاءه جبريل عليه السلام حين كان فيء الرجل مثليه فقال: قم يا محمد فصل، فصلى العصر، ثم جاءه للمغرب حين غابت الشمس وقتا واحدا لم يزل عنه فقال: قم فصل فصلى المغرب، ثم جاءه للعشاء حين ذهب ثلث الليل الأول فقال: قم فصل، فصلى العشاء، ثم جاءه للصبح حين أسفر جدا فقال: قم فصل، فصلى الصبح، فقال: ما بين هذين وقت كله "

জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ সূর্য ঢলে পড়ার পর জিব্রাঈল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললেনঃ হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি দাঁড়ান, সূর্য মাথার উপর থেকে ঢলে পড়লে যোহরের সালাত আদায় করুন। তারপর অপেক্ষা করলেন। যখন মানুষের ছায়া তার সমান হলো, তখন আসরের জন্য তাঁর নিকট এসে বললেন, হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! উঠুন এবং আসরের সালাত আদায় করুন। আবার অপেক্ষা করলেন। যখন সূর্য অস্তমিত হল তখন এসে বললেন, হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! উঠুন এবং মাগরিবের সালাত আদায় করুন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন এবং সূর্য ডোবার সাথে সাথেই মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। পুনরায় অপেক্ষা করলেন এবং আকাশের শফক অদৃশ্য হয়ে গেলে তিনি এসে বললেনঃ উঠুন এবং ইশার সালাত আদায় করুন। তিনি দাঁড়িয়ে ইশার সালাত আদায় করলেন। যখন স্পষ্টরূপে প্রভাত হল, আবার এসে বললেনঃ হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! উঠুন এবং ফজরের সালাত আদায় করুন। তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন। পরদিন ছায়া মানুষের বরাবর হলে আবার এসে বললেনঃ হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি উঠুন এবং সালাত আদায় করুন। তিনি যোহরের সালাত আদায় করলেন। কোন মানুষের ছায়া যখন দ্বিগুণ হলো জিব্রাঈল (আঃ) আবার আসলেন এবং বললেনঃ হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! উঠুন এবং সালাত আদায় করুন। তিনি আসরের সালাত আদায় করলেন। সূর্যাস্তের পর পূর্বদিনের ন্যায় মাগরিবের জন্য আবার আসলেন এবং বললেন, উঠে সালাত আদায় করুন। মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। রাতের এক-তৃতীয়াংশ চলে গেলে ইশার জন্য আবার এসে বললেনঃ উঠুন এবং সালাত আদায় করুন। তিনি ইশা আদায় করলেন। প্রভাত স্পষ্ট হওয়ার পর ফজরের সালাতের জন্য আবার আসলেন এবং বললেন, উঠুন, সালাত আদায় করুন এবং তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, এই দুই দিনের সময়ের মধ্যবর্তী সময়ই সালাতের সময়।

জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ সূর্য ঢলে পড়ার পর জিব্রাঈল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললেনঃ হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি দাঁড়ান, সূর্য মাথার উপর থেকে ঢলে পড়লে যোহরের সালাত আদায় করুন। তারপর অপেক্ষা করলেন। যখন মানুষের ছায়া তার সমান হলো, তখন আসরের জন্য তাঁর নিকট এসে বললেন, হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! উঠুন এবং আসরের সালাত আদায় করুন। আবার অপেক্ষা করলেন। যখন সূর্য অস্তমিত হল তখন এসে বললেন, হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! উঠুন এবং মাগরিবের সালাত আদায় করুন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন এবং সূর্য ডোবার সাথে সাথেই মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। পুনরায় অপেক্ষা করলেন এবং আকাশের শফক অদৃশ্য হয়ে গেলে তিনি এসে বললেনঃ উঠুন এবং ইশার সালাত আদায় করুন। তিনি দাঁড়িয়ে ইশার সালাত আদায় করলেন। যখন স্পষ্টরূপে প্রভাত হল, আবার এসে বললেনঃ হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! উঠুন এবং ফজরের সালাত আদায় করুন। তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন। পরদিন ছায়া মানুষের বরাবর হলে আবার এসে বললেনঃ হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি উঠুন এবং সালাত আদায় করুন। তিনি যোহরের সালাত আদায় করলেন। কোন মানুষের ছায়া যখন দ্বিগুণ হলো জিব্রাঈল (আঃ) আবার আসলেন এবং বললেনঃ হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! উঠুন এবং সালাত আদায় করুন। তিনি আসরের সালাত আদায় করলেন। সূর্যাস্তের পর পূর্বদিনের ন্যায় মাগরিবের জন্য আবার আসলেন এবং বললেন, উঠে সালাত আদায় করুন। মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। রাতের এক-তৃতীয়াংশ চলে গেলে ইশার জন্য আবার এসে বললেনঃ উঠুন এবং সালাত আদায় করুন। তিনি ইশা আদায় করলেন। প্রভাত স্পষ্ট হওয়ার পর ফজরের সালাতের জন্য আবার আসলেন এবং বললেন, উঠুন, সালাত আদায় করুন এবং তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, এই দুই দিনের সময়ের মধ্যবর্তী সময়ই সালাতের সময়।

أخبرنا سويد بن نصر قال: أنبأنا عبد الله بن المبارك، عن حسين بن علي بن حسين قال: أخبرني وهب بن كيسان قال: حدثنا جابر بن عبد الله، قال: " جاء جبريل عليه السلام إلى النبي صلى الله عليه وسلم حين زالت الشمس فقال: قم يا محمد فصل الظهر حين مالت الشمس، ثم مكث حتى إذا كان فيء الرجل مثله جاءه للعصر فقال: قم يا محمد فصل العصر، ثم مكث حتى إذا غابت الشمس جاءه فقال: قم فصل المغرب، فقام فصلاها حين غابت الشمس سواء، ثم مكث حتى إذا ذهب الشفق جاءه فقال: قم فصل العشاء فقام فصلاها، ثم جاءه حين سطع الفجر في الصبح فقال: قم يا محمد فصل، فقام فصلى الصبح، ثم جاءه من الغد حين كان فيء الرجل مثله فقال: قم يا محمد فصل، فصلى الظهر، ثم جاءه جبريل عليه السلام حين كان فيء الرجل مثليه فقال: قم يا محمد فصل، فصلى العصر، ثم جاءه للمغرب حين غابت الشمس وقتا واحدا لم يزل عنه فقال: قم فصل فصلى المغرب، ثم جاءه للعشاء حين ذهب ثلث الليل الأول فقال: قم فصل، فصلى العشاء، ثم جاءه للصبح حين أسفر جدا فقال: قم فصل، فصلى الصبح، فقال: ما بين هذين وقت كله "


সুনান নাসাঈ > ইশার সালাত তাড়াতাড়ি আদায় করা

সুনান নাসাঈ ৫২৭

أخبرنا عمرو بن علي، ومحمد بن بشار قالا: حدثنا محمد قال: حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن محمد بن عمرو بن حسن قال: قدم الحجاج فسألنا جابر بن عبد الله قال: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي الظهر بالهاجرة، والعصر والشمس بيضاء نقية، والمغرب إذا وجبت الشمس، والعشاء أحيانا كان إذا رآهم قد اجتمعوا عجل، وإذا رآهم قد أبطئوا أخر»

জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যোহরের সালাত সময়ের শুরুতে আদায় করতেন। আসরের সালাত সূর্য উজ্জ্বল থাকতেই আদায় করে নিতেন। সূর্যাস্তের পরেই মাগরিবের সালাত আদায় করতেন। ইশার সালাত কখনও লোক একত্র হলে তাড়াতাড়ি আদায় করতেন আবার কখনও লোক জমায়েত দেরীতে হলে বিলম্বে আদায় করতেন।

জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যোহরের সালাত সময়ের শুরুতে আদায় করতেন। আসরের সালাত সূর্য উজ্জ্বল থাকতেই আদায় করে নিতেন। সূর্যাস্তের পরেই মাগরিবের সালাত আদায় করতেন। ইশার সালাত কখনও লোক একত্র হলে তাড়াতাড়ি আদায় করতেন আবার কখনও লোক জমায়েত দেরীতে হলে বিলম্বে আদায় করতেন।

أخبرنا عمرو بن علي، ومحمد بن بشار قالا: حدثنا محمد قال: حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن محمد بن عمرو بن حسن قال: قدم الحجاج فسألنا جابر بن عبد الله قال: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي الظهر بالهاجرة، والعصر والشمس بيضاء نقية، والمغرب إذا وجبت الشمس، والعشاء أحيانا كان إذا رآهم قد اجتمعوا عجل، وإذا رآهم قد أبطئوا أخر»


সুনান নাসাঈ ৫২৮

أخبرنا محمد بن قدامة قال: حدثنا جرير، عن رقبة، عن جعفر بن إياس، عن حبيب بن سالم، عن النعمان بن بشير قال: أنا أعلم الناس بميقات هذه الصلاة عشاء الآخرة «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصليها لسقوط القمر لثالثة»

নু'মান ইবন বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি ইশার সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে অধিক অবগত। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তৃতীয়ার চাঁদ অস্ত যাওয়ার সময় ইশার সালাত আদায় করতেন।

নু'মান ইবন বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি ইশার সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে অধিক অবগত। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তৃতীয়ার চাঁদ অস্ত যাওয়ার সময় ইশার সালাত আদায় করতেন।

أخبرنا محمد بن قدامة قال: حدثنا جرير، عن رقبة، عن جعفر بن إياس، عن حبيب بن سالم، عن النعمان بن بشير قال: أنا أعلم الناس بميقات هذه الصلاة عشاء الآخرة «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصليها لسقوط القمر لثالثة»


সুনান নাসাঈ ৫২৯

أخبرنا عثمان بن عبد الله قال: حدثنا عفان قال: حدثنا أبو عوانة، عن أبي بشر، عن بشير بن ثابت، عن حبيب بن سالم، عن النعمان بن بشير قال: والله إني لأعلم الناس بوقت هذه الصلاة صلاة العشاء الآخرة «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصليها لسقوط القمر لثالثة»

নু'মান ইবন বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহ্‌র কসম, আমি লোকদের মধ্যে ইশার সালাতের ওয়াক্ত সম্মন্ধে অধিক অবগত। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তৃতীয়ার চাঁদ অস্ত যাওয়ার সময় ইশার সালাত আদায় করতেন।

নু'মান ইবন বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহ্‌র কসম, আমি লোকদের মধ্যে ইশার সালাতের ওয়াক্ত সম্মন্ধে অধিক অবগত। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তৃতীয়ার চাঁদ অস্ত যাওয়ার সময় ইশার সালাত আদায় করতেন।

أخبرنا عثمان بن عبد الله قال: حدثنا عفان قال: حدثنا أبو عوانة، عن أبي بشر، عن بشير بن ثابت، عن حبيب بن سالم، عن النعمان بن بشير قال: والله إني لأعلم الناس بوقت هذه الصلاة صلاة العشاء الآخرة «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصليها لسقوط القمر لثالثة»


সুনান নাসাঈ > ইশার সালাত বিলম্বে আদায় করা মুস্তাহাব

সুনান নাসাঈ ৫৩৩

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا أبو الأحوص، عن سماك، عن جابر بن سمرة قال: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يؤخر العشاء الآخرة»

জাবির ইবন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশার সালাত বিলম্বে আদায় করতেন।

জাবির ইবন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশার সালাত বিলম্বে আদায় করতেন।

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا أبو الأحوص، عن سماك، عن جابر بن سمرة قال: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يؤخر العشاء الآخرة»


সুনান নাসাঈ ৫৩৪

أخبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان قال: حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لولا أن أشق على أمتي لأمرتهم بتأخير العشاء عند كل صلاة» ________________________________________

আবূ হুরায়রা (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি আমার উম্মতের পক্ষে কষ্টকর হবে বলে মনে না করতাম, তাহলে আমি ইশার সালাত বিলম্বে আদায় করার এবং প্রত্যেক সালাতের (উযূর) সময় মিসওয়াক করার জন্য আদেশ করতাম।

আবূ হুরায়রা (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি আমার উম্মতের পক্ষে কষ্টকর হবে বলে মনে না করতাম, তাহলে আমি ইশার সালাত বিলম্বে আদায় করার এবং প্রত্যেক সালাতের (উযূর) সময় মিসওয়াক করার জন্য আদেশ করতাম।

أخبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان قال: حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لولا أن أشق على أمتي لأمرتهم بتأخير العشاء عند كل صلاة» ________________________________________


সুনান নাসাঈ ৫৩০

أخبرنا سويد بن نصر قال: أنبأنا عبد الله، عن عوف، عن سيار بن سلامة قال: دخلت أنا وأبي على أبي برزة الأسلمي فقال له أبي: أخبرنا كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي المكتوبة؟ قال: «كان يصلي الهجير التي تدعونها الأولى حين تدحض الشمس، وكان يصلي العصر، ثم يرجع أحدنا إلى رحله في أقصى المدينة والشمس حية» - قال: ونسيت ما قال في المغرب - قال: «وكان يستحب أن تؤخر صلاة العشاء التي تدعونها العتمة». قال: «وكان يكره النوم قبلها والحديث بعدها، وكان ينفتل من صلاة الغداة حين يعرف الرجل جليسه، وكان يقرأ بالستين إلى المائة»

সাইয়ার ইবন সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি এবং আমার পিতা আবূ বারযাহ আসলামী (রাঃ) -এর নিকট উপস্থিত হলাম। আমার পিতা জিজ্ঞাসা করলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফরয সালাত কিভাবে আদায় করতেন? তিনি বললেনঃ সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়লে যোহরের সালাত আদায় করতেন, যাকে তোমরা (সালাতে) উলা বল এবং আসরের সালাত এমন সময় আদায় করতেন যে, আমাদের কেউ মদীনার দূর প্রান্তে নিজ অবস্থানে চলে যেতে পারত , তখনও সূর্য দীপ্তিমান থাকত। বর্ণনাকারী সাইয়ার (রাঃ)] বলেনঃ মাগরিব সম্মন্ধে কি বলেছিলেন আমার স্মরণ নেই। ইশার সালাত যাকে তোমরা 'আতামা' বল, বিলম্বে আদায় করা তিনি পছন্দ করতেন। ইশার পূর্বে ঘুমানো ও পরে কথা বলাকে তিনি অপছন্দ করতেন। আর ফজরের সালাত আদায় করে এমন সময় ফিরতেন যখন কোন ব্যক্তি তার পার্শ্ববর্তী লোককে চিনতে পারতো। তিনি ফজরের সালাতে ষাট থেকে একশত আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন।

সাইয়ার ইবন সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি এবং আমার পিতা আবূ বারযাহ আসলামী (রাঃ) -এর নিকট উপস্থিত হলাম। আমার পিতা জিজ্ঞাসা করলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফরয সালাত কিভাবে আদায় করতেন? তিনি বললেনঃ সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়লে যোহরের সালাত আদায় করতেন, যাকে তোমরা (সালাতে) উলা বল এবং আসরের সালাত এমন সময় আদায় করতেন যে, আমাদের কেউ মদীনার দূর প্রান্তে নিজ অবস্থানে চলে যেতে পারত , তখনও সূর্য দীপ্তিমান থাকত। বর্ণনাকারী সাইয়ার (রাঃ)] বলেনঃ মাগরিব সম্মন্ধে কি বলেছিলেন আমার স্মরণ নেই। ইশার সালাত যাকে তোমরা 'আতামা' বল, বিলম্বে আদায় করা তিনি পছন্দ করতেন। ইশার পূর্বে ঘুমানো ও পরে কথা বলাকে তিনি অপছন্দ করতেন। আর ফজরের সালাত আদায় করে এমন সময় ফিরতেন যখন কোন ব্যক্তি তার পার্শ্ববর্তী লোককে চিনতে পারতো। তিনি ফজরের সালাতে ষাট থেকে একশত আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন।

أخبرنا سويد بن نصر قال: أنبأنا عبد الله، عن عوف، عن سيار بن سلامة قال: دخلت أنا وأبي على أبي برزة الأسلمي فقال له أبي: أخبرنا كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي المكتوبة؟ قال: «كان يصلي الهجير التي تدعونها الأولى حين تدحض الشمس، وكان يصلي العصر، ثم يرجع أحدنا إلى رحله في أقصى المدينة والشمس حية» - قال: ونسيت ما قال في المغرب - قال: «وكان يستحب أن تؤخر صلاة العشاء التي تدعونها العتمة». قال: «وكان يكره النوم قبلها والحديث بعدها، وكان ينفتل من صلاة الغداة حين يعرف الرجل جليسه، وكان يقرأ بالستين إلى المائة»


সুনান নাসাঈ ৫৩২

أخبرنا محمد بن منصور المكي قال: حدثنا سفيان، عن عمرو، عن عطاء، عن ابن عباس، وعن ابن جريج، عن عطاء، عن ابن عباس قال: أخر النبي صلى الله عليه وسلم العشاء ذات ليلة حتى ذهب من الليل، فقام عمر رضي الله عنه فنادى: الصلاة يا رسول الله، رقد النساء والولدان، فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم والماء يقطر من رأسه وهو يقول: «إنه الوقت، لولا أن أشق على أمتي»

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ এক রাত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশার সালাতে বিলম্ব করলেন। রাতের এক অংশ চলে গেলে উমর (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন--- ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! সালাত। মহিলা ও ছেলেমেয়েরা সকলে ঘুমিয়ে পড়েছে। তিনি এমতাবস্থায় বের হলেন যে, পবিত্র মাথা থেকে পানির ফোঁটা পড়ছিল এবং তিনি বলছিলেন, যদি আমি আমার উম্মতের পক্ষে কষ্টকর হবে বলে মনে না করতাম তাহলে এটাই (ইশার মুস্তাহাব) ওয়াক্ত ছিল।

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ এক রাত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশার সালাতে বিলম্ব করলেন। রাতের এক অংশ চলে গেলে উমর (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন--- ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! সালাত। মহিলা ও ছেলেমেয়েরা সকলে ঘুমিয়ে পড়েছে। তিনি এমতাবস্থায় বের হলেন যে, পবিত্র মাথা থেকে পানির ফোঁটা পড়ছিল এবং তিনি বলছিলেন, যদি আমি আমার উম্মতের পক্ষে কষ্টকর হবে বলে মনে না করতাম তাহলে এটাই (ইশার মুস্তাহাব) ওয়াক্ত ছিল।

أخبرنا محمد بن منصور المكي قال: حدثنا سفيان، عن عمرو، عن عطاء، عن ابن عباس، وعن ابن جريج، عن عطاء، عن ابن عباس قال: أخر النبي صلى الله عليه وسلم العشاء ذات ليلة حتى ذهب من الليل، فقام عمر رضي الله عنه فنادى: الصلاة يا رسول الله، رقد النساء والولدان، فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم والماء يقطر من رأسه وهو يقول: «إنه الوقت، لولا أن أشق على أمتي»


সুনান নাসাঈ ৫৩১

أخبرني إبراهيم بن الحسن، ويوسف بن سعيد، واللفظ له قالا: حدثنا حجاج، عن ابن جريج قال: قلت لعطاء: أي حين أحب إليك: أن أصلي العتمة إماما أو خلوا؟ قال: سمعت ابن عباس يقول: أعتم رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات ليلة بالعتمة حتى رقد الناس واستيقظوا ورقدوا واستيقظوا، فقام عمر فقال: الصلاة الصلاة - قال عطاء -: قال ابن عباس: خرج نبي الله صلى الله عليه وسلم كأني أنظر إليه الآن يقطر رأسه ماء، واضعا يده على شق رأسه. قال: - وأشار فاستثبت عطاء كيف وضع النبي صلى الله عليه وسلم يده على رأسه - فأومأ إلي كما أشار ابن عباس فبدد لي عطاء بين أصابعه بشيء من تبديد، ثم وضعها فانتهى أطراف أصابعه إلى مقدم الرأس، ثم ضمها يمر بها كذلك على الرأس حتى مست إبهاماه طرف الأذن مما يلي الوجه، ثم على الصدغ وناحية الجبين لا يقصر ولا يبطش شيئا إلا كذلك، ثم قال: «لولا أن أشق على أمتي لأمرتهم أن لا يصلوها إلا هكذا»

ইবন জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আতা (রহঃ) -কে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনার কাছে আমার ইশার সালাতের জন্য কোন সময়টি বেশি পছন্দ --- তা ইমামরূপে আদায় করি বা একাকী? তিনি বললেনঃ আমি ইব্ন আব্বাস (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, এক রাত্রে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশার সালাত এত বিলম্বে আদায় করলেন যে, লোকজন ঘুমিয়ে পড়লো, আবার জাগ্রত হলো, আবার ঘুমিয়ে পড়লো, আবার জাগ্রত হলো। এমতাবস্থায় উমর (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেনঃ সালাত, সালাত। আতা (রহঃ) বলেনঃ ইব্ন আব্বাস (রাঃ) বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন এমতাবস্থায় যে, আমি যেন এখনও দেখতে পাচ্ছি তাঁর মাথা থেকে গোসলের পানি ফোঁটা ফোঁটা করে পড়ছিল এবং তাঁর মাথার একপাশে হাত রাখা ছিল। আতা বলেনঃ ইব্ন আব্বাস ইঙ্গিতে দেখালেন। আমি আতা (রহঃ) -কে পুনরায় জিজ্ঞাসা করলামঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিভাবে মাথায় হাত রাখলেন? তিনি আমাকে ইঙ্গিতে দেখালেন যেভাবে ইব্ন আব্বাস (রাঃ) ইঙ্গিতে দেখিয়েছিলেন। আতা (রহঃ) হাতের আঙ্গুলগুলো কিছু ফাঁক ফাঁক করে মাথার উপর এমনভাবে রাখলেন যে, আঙ্গুলগুলোর পার্শ্বদেশ মাথার অগ্রভাগে পৌঁছল। তারপর আঙ্গুলগুলো একত্র করে মাথার উপর এমনভাবে ঘর্ষণ করলেন যে, উভয় বৃদ্ধাঙ্গুলি চেহারা সংলগ্ন কানের অংশ স্পর্শ করলো। তারপর কানের পার্শ্ব ও ললাট এমনভাবে (মসেহ) করলেন যেন কোন কাজ দ্রুত ও ধীরগতিতে করেননি, বরং তা স্বাভাবিকভাবে করেছেন। তারপর বললেনঃ আমার উম্মতের উপর যদি কঠিন না হতো, তবে আমি তাদের আদেশ করতাম, ইশার সালাত যেন এভাবে বিলম্ব করে আদায় করে।

ইবন জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আতা (রহঃ) -কে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনার কাছে আমার ইশার সালাতের জন্য কোন সময়টি বেশি পছন্দ --- তা ইমামরূপে আদায় করি বা একাকী? তিনি বললেনঃ আমি ইব্ন আব্বাস (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, এক রাত্রে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশার সালাত এত বিলম্বে আদায় করলেন যে, লোকজন ঘুমিয়ে পড়লো, আবার জাগ্রত হলো, আবার ঘুমিয়ে পড়লো, আবার জাগ্রত হলো। এমতাবস্থায় উমর (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেনঃ সালাত, সালাত। আতা (রহঃ) বলেনঃ ইব্ন আব্বাস (রাঃ) বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন এমতাবস্থায় যে, আমি যেন এখনও দেখতে পাচ্ছি তাঁর মাথা থেকে গোসলের পানি ফোঁটা ফোঁটা করে পড়ছিল এবং তাঁর মাথার একপাশে হাত রাখা ছিল। আতা বলেনঃ ইব্ন আব্বাস ইঙ্গিতে দেখালেন। আমি আতা (রহঃ) -কে পুনরায় জিজ্ঞাসা করলামঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিভাবে মাথায় হাত রাখলেন? তিনি আমাকে ইঙ্গিতে দেখালেন যেভাবে ইব্ন আব্বাস (রাঃ) ইঙ্গিতে দেখিয়েছিলেন। আতা (রহঃ) হাতের আঙ্গুলগুলো কিছু ফাঁক ফাঁক করে মাথার উপর এমনভাবে রাখলেন যে, আঙ্গুলগুলোর পার্শ্বদেশ মাথার অগ্রভাগে পৌঁছল। তারপর আঙ্গুলগুলো একত্র করে মাথার উপর এমনভাবে ঘর্ষণ করলেন যে, উভয় বৃদ্ধাঙ্গুলি চেহারা সংলগ্ন কানের অংশ স্পর্শ করলো। তারপর কানের পার্শ্ব ও ললাট এমনভাবে (মসেহ) করলেন যেন কোন কাজ দ্রুত ও ধীরগতিতে করেননি, বরং তা স্বাভাবিকভাবে করেছেন। তারপর বললেনঃ আমার উম্মতের উপর যদি কঠিন না হতো, তবে আমি তাদের আদেশ করতাম, ইশার সালাত যেন এভাবে বিলম্ব করে আদায় করে।

أخبرني إبراهيم بن الحسن، ويوسف بن سعيد، واللفظ له قالا: حدثنا حجاج، عن ابن جريج قال: قلت لعطاء: أي حين أحب إليك: أن أصلي العتمة إماما أو خلوا؟ قال: سمعت ابن عباس يقول: أعتم رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات ليلة بالعتمة حتى رقد الناس واستيقظوا ورقدوا واستيقظوا، فقام عمر فقال: الصلاة الصلاة - قال عطاء -: قال ابن عباس: خرج نبي الله صلى الله عليه وسلم كأني أنظر إليه الآن يقطر رأسه ماء، واضعا يده على شق رأسه. قال: - وأشار فاستثبت عطاء كيف وضع النبي صلى الله عليه وسلم يده على رأسه - فأومأ إلي كما أشار ابن عباس فبدد لي عطاء بين أصابعه بشيء من تبديد، ثم وضعها فانتهى أطراف أصابعه إلى مقدم الرأس، ثم ضمها يمر بها كذلك على الرأس حتى مست إبهاماه طرف الأذن مما يلي الوجه، ثم على الصدغ وناحية الجبين لا يقصر ولا يبطش شيئا إلا كذلك، ثم قال: «لولا أن أشق على أمتي لأمرتهم أن لا يصلوها إلا هكذا»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00