সুনান নাসাঈ > মাগরিবের শেষ ওয়াক্ত

সুনান নাসাঈ ৫২২

أخبرنا عمرو بن علي قال: حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، عن قتادة قال: سمعت أبا أيوب الأزدي يحدث، عن عبد الله بن عمرو قال: شعبة: كان قتادة - يرفعه أحيانا، وأحيانا لا يرفعه - قال: «وقت صلاة الظهر ما لم يحضر العصر، ووقت صلاة العصر ما لم تصفر الشمس، ووقت المغرب ما لم يسقط ثور الشفق، ووقت العشاء ما لم ينتصف الليل، ووقت الصبح ما لم تطلع الشمس»

আবদুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

শু'বা (রহঃ) বলেনঃ কাতাদা (রাঃ) এই হাদীস কখনও রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে মারফূ' রূপে বর্ণনা করেন, কখনও এরূপ বর্ণনা করেন না। তিনি [আবদুল্লাহ ইব্ন আমর (রাঃ)] বলেনঃ যোহরের শেষ সময় যতক্ষন পর্যন্ত আসর উপস্থিত না হয়, আর আসরের সময় যতক্ষন পর্যন্ত সূর্য হলুদ বর্ণ না হয় এবং মাগরিবের শেষ সময় যতক্ষন পর্যন্ত শফক অদৃশ্য না হয়। ইশার শেষ সময় অর্ধ রাত্রের পূর্ব পর্যন্ত এবং ফজরের শেষ সময় সূর্যোদয়ের পূর্ব পর্যন্ত।

আবদুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

শু'বা (রহঃ) বলেনঃ কাতাদা (রাঃ) এই হাদীস কখনও রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে মারফূ' রূপে বর্ণনা করেন, কখনও এরূপ বর্ণনা করেন না। তিনি [আবদুল্লাহ ইব্ন আমর (রাঃ)] বলেনঃ যোহরের শেষ সময় যতক্ষন পর্যন্ত আসর উপস্থিত না হয়, আর আসরের সময় যতক্ষন পর্যন্ত সূর্য হলুদ বর্ণ না হয় এবং মাগরিবের শেষ সময় যতক্ষন পর্যন্ত শফক অদৃশ্য না হয়। ইশার শেষ সময় অর্ধ রাত্রের পূর্ব পর্যন্ত এবং ফজরের শেষ সময় সূর্যোদয়ের পূর্ব পর্যন্ত।

أخبرنا عمرو بن علي قال: حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، عن قتادة قال: سمعت أبا أيوب الأزدي يحدث، عن عبد الله بن عمرو قال: شعبة: كان قتادة - يرفعه أحيانا، وأحيانا لا يرفعه - قال: «وقت صلاة الظهر ما لم يحضر العصر، ووقت صلاة العصر ما لم تصفر الشمس، ووقت المغرب ما لم يسقط ثور الشفق، ووقت العشاء ما لم ينتصف الليل، ووقت الصبح ما لم تطلع الشمس»


সুনান নাসাঈ ৫২৩

أخبرنا عبدة بن عبد الله، وأحمد بن سليمان واللفظ له قالا: حدثنا أبو داود، عن بدر بن عثمان قال إملاء علي: حدثنا أبو بكر بن أبي موسى، عن أبيه قال: أتى النبي صلى الله عليه وسلم سائل يسأله عن مواقيت الصلاة فلم يرد عليه شيئا، فأمر بلالا فأقام بالفجر حين انشق، ثم أمره فأقام بالظهر حين زالت الشمس والقائل يقول: انتصف النهار وهو أعلم، ثم أمره فأقام بالعصر والشمس مرتفعة، ثم أمره فأقام بالمغرب حين غربت الشمس، ثم أمره فأقام بالعشاء حين غاب الشفق، ثم أخر الفجر من الغد حين انصرف والقائل يقول: طلعت الشمس، ثم أخر الظهر إلى قريب من وقت العصر بالأمس، ثم أخر العصر حتى انصرف والقائل يقول: احمرت الشمس، ثم أخر المغرب حتى كان عند سقوط الشفق، ثم أخر العشاء إلى ثلث الليل، ثم قال: «الوقت فيما بين هذين»

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে সালাতের ওয়াক্ত সম্মন্ধে জিজ্ঞাসা করল। তিনি কোন উত্তর না দিয়ে বিলাল (রাঃ) -কে সালাতের প্রস্তুতির জন্য আদেশ করলেন। প্রভাতের সময় বিলাল (রাঃ) ফজরের ইকামত বললেন। যখন সূর্য ঢলে পড়লো তখন তিনি বিলালকে নির্দেশ দিলেন এবং তিনি যোহরের ইকামত বললেন।[১] কেউ বলতো (এই মাত্র) দ্বিপ্রহর হল না কি? অথচ তিনি অবগত ছিলেন। পুনরায় আদেশ করলেন, অতঃপর সূর্য ঊর্ধ্বাকাশে থাকতেই আসরের ইকামত বললেন। পুনরায় আদেশ করলেন এবং সূর্য অস্ত যাওয়ার পরই মাগরিবের ইকামত বললেন। শফক অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার পর ইশার সালাতের ইকামত বললেন। পরদিন ফজরের সালাত এত বিলম্বে আদায় করলেন যে, সালাত শেষে প্রত্যাবর্তনের সময় কেউ (সন্দেহ করে) বললো, সূর্যোদয় হয়ে গেছে।[২] পরে যোহরের সালাত এত বিলম্বে আদায় করলেন যে, গতকালের আসরের সময়ের নিকটবর্তী হয়ে গিয়েছিল। আসরের সালাতকে এত বিলম্বে আদায় করলেন যে, প্রত্যাবর্তনের সময় (সন্দিহান হয়ে) কেউ বলল, সূর্য রক্তিম বর্ণ হয়ে গেছে। পুনরায় মাগরিবের এত বিলম্বে আদায় করলেন যে, শফক অদৃশ্য হওয়ার উপক্রম হয়ে গিয়েছিল। তিনি ইশার সালাতকে রাতের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত বিলম্ব করে আদায় করলেন। পুনরায় বললেন, এই দুই দিনের দুই ধরনের ওয়াক্তের মধ্যখানেই সালাতের ওয়াক্ত।

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে সালাতের ওয়াক্ত সম্মন্ধে জিজ্ঞাসা করল। তিনি কোন উত্তর না দিয়ে বিলাল (রাঃ) -কে সালাতের প্রস্তুতির জন্য আদেশ করলেন। প্রভাতের সময় বিলাল (রাঃ) ফজরের ইকামত বললেন। যখন সূর্য ঢলে পড়লো তখন তিনি বিলালকে নির্দেশ দিলেন এবং তিনি যোহরের ইকামত বললেন।[১] কেউ বলতো (এই মাত্র) দ্বিপ্রহর হল না কি? অথচ তিনি অবগত ছিলেন। পুনরায় আদেশ করলেন, অতঃপর সূর্য ঊর্ধ্বাকাশে থাকতেই আসরের ইকামত বললেন। পুনরায় আদেশ করলেন এবং সূর্য অস্ত যাওয়ার পরই মাগরিবের ইকামত বললেন। শফক অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার পর ইশার সালাতের ইকামত বললেন। পরদিন ফজরের সালাত এত বিলম্বে আদায় করলেন যে, সালাত শেষে প্রত্যাবর্তনের সময় কেউ (সন্দেহ করে) বললো, সূর্যোদয় হয়ে গেছে।[২] পরে যোহরের সালাত এত বিলম্বে আদায় করলেন যে, গতকালের আসরের সময়ের নিকটবর্তী হয়ে গিয়েছিল। আসরের সালাতকে এত বিলম্বে আদায় করলেন যে, প্রত্যাবর্তনের সময় (সন্দিহান হয়ে) কেউ বলল, সূর্য রক্তিম বর্ণ হয়ে গেছে। পুনরায় মাগরিবের এত বিলম্বে আদায় করলেন যে, শফক অদৃশ্য হওয়ার উপক্রম হয়ে গিয়েছিল। তিনি ইশার সালাতকে রাতের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত বিলম্ব করে আদায় করলেন। পুনরায় বললেন, এই দুই দিনের দুই ধরনের ওয়াক্তের মধ্যখানেই সালাতের ওয়াক্ত।

أخبرنا عبدة بن عبد الله، وأحمد بن سليمان واللفظ له قالا: حدثنا أبو داود، عن بدر بن عثمان قال إملاء علي: حدثنا أبو بكر بن أبي موسى، عن أبيه قال: أتى النبي صلى الله عليه وسلم سائل يسأله عن مواقيت الصلاة فلم يرد عليه شيئا، فأمر بلالا فأقام بالفجر حين انشق، ثم أمره فأقام بالظهر حين زالت الشمس والقائل يقول: انتصف النهار وهو أعلم، ثم أمره فأقام بالعصر والشمس مرتفعة، ثم أمره فأقام بالمغرب حين غربت الشمس، ثم أمره فأقام بالعشاء حين غاب الشفق، ثم أخر الفجر من الغد حين انصرف والقائل يقول: طلعت الشمس، ثم أخر الظهر إلى قريب من وقت العصر بالأمس، ثم أخر العصر حتى انصرف والقائل يقول: احمرت الشمس، ثم أخر المغرب حتى كان عند سقوط الشفق، ثم أخر العشاء إلى ثلث الليل، ثم قال: «الوقت فيما بين هذين»


সুনান নাসাঈ ৫২৪

أخبرنا أحمد بن سليمان قال: حدثنا زيد بن الحباب قال: حدثنا خارجة بن عبد الله بن سليمان بن زيد بن ثابت قال: حدثني الحسين بن بشير بن سلام، عن أبيه قال: دخلت أنا ومحمد بن علي على جابر بن عبد الله الأنصاري فقلنا له: أخبرنا عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم، وذاك زمن الحجاج بن يوسف. قال: «خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى الظهر حين زالت الشمس وكان الفيء قدر الشراك، ثم صلى العصر حين كان الفيء قدر الشراك، وظل الرجل، ثم صلى المغرب حين غابت الشمس، ثم صلى العشاء حين غاب الشفق، ثم صلى الفجر حين طلع الفجر، ثم صلى من الغد الظهر حين كان الظل طول الرجل، ثم صلى العصر حين كان ظل الرجل مثليه قدر ما يسير الراكب سير العنق إلى ذي الحليفة، ثم صلى المغرب حين غابت الشمس، ثم صلى العشاء إلى ثلث الليل أو نصف الليل - شك زيد - ثم صلى الفجر فأسفر»

বশীর ইবন সাল্লাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ হাজ্জাজ ইব্ন ইউসুফের আমলে আমি এবং মুহাম্মদ ইব্ন আলী (রাঃ) জাবীর ইব্ন আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সালাত সম্পর্কে অবগত করুন। তিনি [জাবীর (রাঃ)] বললেন, যখন সূর্য ঢলে পড়লো এবং ছায়া জুতার ফিতার সমান হলো, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ গৃহ থেকে বের হয়ে যোহরের সালাত আদায় করলেন। পুনরায় যখন ছায়া জুতার ফিতা পরিমাণ ও মানুষের ছায়ার সমপরিমাণ হল, তখন আসরের সালাত আদায় করলেন। সূর্য অস্তমিত হলে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। শফক অদৃশ্য হলে ইশার সালাত আদায় করলেন। প্রভাত হলে (প্রথম ওয়াক্তে) ফজরের সালাত আদায় করলেন। পরদিন লোকের ছায়া তার সমান হলে যোহরের সালাত আদায় করলেন। মানুষের ছায়া যখন তার দ্বিগুণ হলো এবং সূর্যাস্তের পূর্বে এতটুকু সময় বাকী রইল যে, একজন দ্রুতগামী আরোহী (মদীনা থেকে) যুল-হুলায়ফা পর্যন্ত পৌঁছতে পারে, তখন তিনি আসরের সালাত আদায় করলেন। সূর্যাস্তের পর মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। রাত এক-তৃতীয়াংশ অথবা অর্ধাংশ শেষ হওয়ার পূর্বে (বর্ণনাকারী যায়দ সন্দেহ করলেন) ইশার সালাত আদায় করলেন। তারপর ফজরের সালাত আদায় করলেন যখন ফর্সা হয়ে গেল।

বশীর ইবন সাল্লাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ হাজ্জাজ ইব্ন ইউসুফের আমলে আমি এবং মুহাম্মদ ইব্ন আলী (রাঃ) জাবীর ইব্ন আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সালাত সম্পর্কে অবগত করুন। তিনি [জাবীর (রাঃ)] বললেন, যখন সূর্য ঢলে পড়লো এবং ছায়া জুতার ফিতার সমান হলো, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ গৃহ থেকে বের হয়ে যোহরের সালাত আদায় করলেন। পুনরায় যখন ছায়া জুতার ফিতা পরিমাণ ও মানুষের ছায়ার সমপরিমাণ হল, তখন আসরের সালাত আদায় করলেন। সূর্য অস্তমিত হলে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। শফক অদৃশ্য হলে ইশার সালাত আদায় করলেন। প্রভাত হলে (প্রথম ওয়াক্তে) ফজরের সালাত আদায় করলেন। পরদিন লোকের ছায়া তার সমান হলে যোহরের সালাত আদায় করলেন। মানুষের ছায়া যখন তার দ্বিগুণ হলো এবং সূর্যাস্তের পূর্বে এতটুকু সময় বাকী রইল যে, একজন দ্রুতগামী আরোহী (মদীনা থেকে) যুল-হুলায়ফা পর্যন্ত পৌঁছতে পারে, তখন তিনি আসরের সালাত আদায় করলেন। সূর্যাস্তের পর মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। রাত এক-তৃতীয়াংশ অথবা অর্ধাংশ শেষ হওয়ার পূর্বে (বর্ণনাকারী যায়দ সন্দেহ করলেন) ইশার সালাত আদায় করলেন। তারপর ফজরের সালাত আদায় করলেন যখন ফর্সা হয়ে গেল।

أخبرنا أحمد بن سليمان قال: حدثنا زيد بن الحباب قال: حدثنا خارجة بن عبد الله بن سليمان بن زيد بن ثابت قال: حدثني الحسين بن بشير بن سلام، عن أبيه قال: دخلت أنا ومحمد بن علي على جابر بن عبد الله الأنصاري فقلنا له: أخبرنا عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم، وذاك زمن الحجاج بن يوسف. قال: «خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى الظهر حين زالت الشمس وكان الفيء قدر الشراك، ثم صلى العصر حين كان الفيء قدر الشراك، وظل الرجل، ثم صلى المغرب حين غابت الشمس، ثم صلى العشاء حين غاب الشفق، ثم صلى الفجر حين طلع الفجر، ثم صلى من الغد الظهر حين كان الظل طول الرجل، ثم صلى العصر حين كان ظل الرجل مثليه قدر ما يسير الراكب سير العنق إلى ذي الحليفة، ثم صلى المغرب حين غابت الشمس، ثم صلى العشاء إلى ثلث الليل أو نصف الليل - شك زيد - ثم صلى الفجر فأسفر»


সুনান নাসাঈ > মাগরিবের সালাতের পর ঘুমানো মাকরূহ

সুনান নাসাঈ ৫২৫

أخبرنا محمد بن بشار قال: حدثنا يحيى قال: حدثنا عوف، قال: حدثني سيار بن سلامة قال: دخلت على أبي برزة فسأله أبي: كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي المكتوبة؟ قال: «كان يصلي الهجير التي تدعونها الأولى حين تدحض الشمس، وكان يصلي العصر حين يرجع أحدنا إلى رحله في أقصى المدينة والشمس حية - ونسيت ما قال في المغرب - وكان يستحب أن يؤخر العشاء التي تدعونها العتمة، وكان يكره النوم قبلها والحديث بعدها، وكان ينفتل من صلاة الغداة حين يعرف الرجل جليسه، وكان يقرأ بالستين إلى المائة»

সাইয়ার ইবন সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আমার পিতার সঙ্গে আবূ বারযাহ (রাঃ) -এর খেদমতে উপস্থিত হলাম। আমার পিতা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিভাবে ফরয সালাত আদায় করতেন, এ সম্মন্ধে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন, সূর্য ঢলে পড়লে যোহরের সালাত আদায় করতেন যাকে তোমরা প্রথম সালাত [১] বল। তিনি এমন সময় আসরের সালাত আদায় করতেন যে, সালাত আদায় করে কেউ মদীনার এক প্রান্তে নিজ অবস্থানে আসতে পারত এবং তখনও সূর্য করোজ্জ্বল থাকত। বর্ণনাকারী সাইয়ার (রাঃ) বলেনঃ মাগরিব সম্মন্ধে কি বলেছিলেন তা আমি ভুলে গিয়েছি। ইশার সালাত যাকে তোমরা 'আতামা' বল, বিলম্বে আদায় করাকে তিনি পছন্দ করতেন। 'ইশার পূর্বে ঘুমানো ও ইশার পর কথা বলাকে মাকরূহ জানতেন। [২] আর ফজরের সালাত আদায় করে এমন সময় ফিরতেন যে, তখন যে কেউ তার পার্শ্ববর্তী লোককে চিনতে পারত। আর এ সালাতে ষাট আয়াত থেকে একশত আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন।

সাইয়ার ইবন সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আমার পিতার সঙ্গে আবূ বারযাহ (রাঃ) -এর খেদমতে উপস্থিত হলাম। আমার পিতা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিভাবে ফরয সালাত আদায় করতেন, এ সম্মন্ধে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন, সূর্য ঢলে পড়লে যোহরের সালাত আদায় করতেন যাকে তোমরা প্রথম সালাত [১] বল। তিনি এমন সময় আসরের সালাত আদায় করতেন যে, সালাত আদায় করে কেউ মদীনার এক প্রান্তে নিজ অবস্থানে আসতে পারত এবং তখনও সূর্য করোজ্জ্বল থাকত। বর্ণনাকারী সাইয়ার (রাঃ) বলেনঃ মাগরিব সম্মন্ধে কি বলেছিলেন তা আমি ভুলে গিয়েছি। ইশার সালাত যাকে তোমরা 'আতামা' বল, বিলম্বে আদায় করাকে তিনি পছন্দ করতেন। 'ইশার পূর্বে ঘুমানো ও ইশার পর কথা বলাকে মাকরূহ জানতেন। [২] আর ফজরের সালাত আদায় করে এমন সময় ফিরতেন যে, তখন যে কেউ তার পার্শ্ববর্তী লোককে চিনতে পারত। আর এ সালাতে ষাট আয়াত থেকে একশত আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন।

أخبرنا محمد بن بشار قال: حدثنا يحيى قال: حدثنا عوف، قال: حدثني سيار بن سلامة قال: دخلت على أبي برزة فسأله أبي: كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي المكتوبة؟ قال: «كان يصلي الهجير التي تدعونها الأولى حين تدحض الشمس، وكان يصلي العصر حين يرجع أحدنا إلى رحله في أقصى المدينة والشمس حية - ونسيت ما قال في المغرب - وكان يستحب أن يؤخر العشاء التي تدعونها العتمة، وكان يكره النوم قبلها والحديث بعدها، وكان ينفتل من صلاة الغداة حين يعرف الرجل جليسه، وكان يقرأ بالستين إلى المائة»


সুনান নাসাঈ > ইশার প্রথম ওয়াক্ত

সুনান নাসাঈ ৫২৬

أخبرنا سويد بن نصر قال: أنبأنا عبد الله بن المبارك، عن حسين بن علي بن حسين قال: أخبرني وهب بن كيسان قال: حدثنا جابر بن عبد الله، قال: " جاء جبريل عليه السلام إلى النبي صلى الله عليه وسلم حين زالت الشمس فقال: قم يا محمد فصل الظهر حين مالت الشمس، ثم مكث حتى إذا كان فيء الرجل مثله جاءه للعصر فقال: قم يا محمد فصل العصر، ثم مكث حتى إذا غابت الشمس جاءه فقال: قم فصل المغرب، فقام فصلاها حين غابت الشمس سواء، ثم مكث حتى إذا ذهب الشفق جاءه فقال: قم فصل العشاء فقام فصلاها، ثم جاءه حين سطع الفجر في الصبح فقال: قم يا محمد فصل، فقام فصلى الصبح، ثم جاءه من الغد حين كان فيء الرجل مثله فقال: قم يا محمد فصل، فصلى الظهر، ثم جاءه جبريل عليه السلام حين كان فيء الرجل مثليه فقال: قم يا محمد فصل، فصلى العصر، ثم جاءه للمغرب حين غابت الشمس وقتا واحدا لم يزل عنه فقال: قم فصل فصلى المغرب، ثم جاءه للعشاء حين ذهب ثلث الليل الأول فقال: قم فصل، فصلى العشاء، ثم جاءه للصبح حين أسفر جدا فقال: قم فصل، فصلى الصبح، فقال: ما بين هذين وقت كله "

জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ সূর্য ঢলে পড়ার পর জিব্রাঈল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললেনঃ হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি দাঁড়ান, সূর্য মাথার উপর থেকে ঢলে পড়লে যোহরের সালাত আদায় করুন। তারপর অপেক্ষা করলেন। যখন মানুষের ছায়া তার সমান হলো, তখন আসরের জন্য তাঁর নিকট এসে বললেন, হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! উঠুন এবং আসরের সালাত আদায় করুন। আবার অপেক্ষা করলেন। যখন সূর্য অস্তমিত হল তখন এসে বললেন, হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! উঠুন এবং মাগরিবের সালাত আদায় করুন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন এবং সূর্য ডোবার সাথে সাথেই মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। পুনরায় অপেক্ষা করলেন এবং আকাশের শফক অদৃশ্য হয়ে গেলে তিনি এসে বললেনঃ উঠুন এবং ইশার সালাত আদায় করুন। তিনি দাঁড়িয়ে ইশার সালাত আদায় করলেন। যখন স্পষ্টরূপে প্রভাত হল, আবার এসে বললেনঃ হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! উঠুন এবং ফজরের সালাত আদায় করুন। তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন। পরদিন ছায়া মানুষের বরাবর হলে আবার এসে বললেনঃ হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি উঠুন এবং সালাত আদায় করুন। তিনি যোহরের সালাত আদায় করলেন। কোন মানুষের ছায়া যখন দ্বিগুণ হলো জিব্রাঈল (আঃ) আবার আসলেন এবং বললেনঃ হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! উঠুন এবং সালাত আদায় করুন। তিনি আসরের সালাত আদায় করলেন। সূর্যাস্তের পর পূর্বদিনের ন্যায় মাগরিবের জন্য আবার আসলেন এবং বললেন, উঠে সালাত আদায় করুন। মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। রাতের এক-তৃতীয়াংশ চলে গেলে ইশার জন্য আবার এসে বললেনঃ উঠুন এবং সালাত আদায় করুন। তিনি ইশা আদায় করলেন। প্রভাত স্পষ্ট হওয়ার পর ফজরের সালাতের জন্য আবার আসলেন এবং বললেন, উঠুন, সালাত আদায় করুন এবং তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, এই দুই দিনের সময়ের মধ্যবর্তী সময়ই সালাতের সময়।

জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ সূর্য ঢলে পড়ার পর জিব্রাঈল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললেনঃ হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি দাঁড়ান, সূর্য মাথার উপর থেকে ঢলে পড়লে যোহরের সালাত আদায় করুন। তারপর অপেক্ষা করলেন। যখন মানুষের ছায়া তার সমান হলো, তখন আসরের জন্য তাঁর নিকট এসে বললেন, হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! উঠুন এবং আসরের সালাত আদায় করুন। আবার অপেক্ষা করলেন। যখন সূর্য অস্তমিত হল তখন এসে বললেন, হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! উঠুন এবং মাগরিবের সালাত আদায় করুন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন এবং সূর্য ডোবার সাথে সাথেই মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। পুনরায় অপেক্ষা করলেন এবং আকাশের শফক অদৃশ্য হয়ে গেলে তিনি এসে বললেনঃ উঠুন এবং ইশার সালাত আদায় করুন। তিনি দাঁড়িয়ে ইশার সালাত আদায় করলেন। যখন স্পষ্টরূপে প্রভাত হল, আবার এসে বললেনঃ হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! উঠুন এবং ফজরের সালাত আদায় করুন। তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন। পরদিন ছায়া মানুষের বরাবর হলে আবার এসে বললেনঃ হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি উঠুন এবং সালাত আদায় করুন। তিনি যোহরের সালাত আদায় করলেন। কোন মানুষের ছায়া যখন দ্বিগুণ হলো জিব্রাঈল (আঃ) আবার আসলেন এবং বললেনঃ হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! উঠুন এবং সালাত আদায় করুন। তিনি আসরের সালাত আদায় করলেন। সূর্যাস্তের পর পূর্বদিনের ন্যায় মাগরিবের জন্য আবার আসলেন এবং বললেন, উঠে সালাত আদায় করুন। মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। রাতের এক-তৃতীয়াংশ চলে গেলে ইশার জন্য আবার এসে বললেনঃ উঠুন এবং সালাত আদায় করুন। তিনি ইশা আদায় করলেন। প্রভাত স্পষ্ট হওয়ার পর ফজরের সালাতের জন্য আবার আসলেন এবং বললেন, উঠুন, সালাত আদায় করুন এবং তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, এই দুই দিনের সময়ের মধ্যবর্তী সময়ই সালাতের সময়।

أخبرنا سويد بن نصر قال: أنبأنا عبد الله بن المبارك، عن حسين بن علي بن حسين قال: أخبرني وهب بن كيسان قال: حدثنا جابر بن عبد الله، قال: " جاء جبريل عليه السلام إلى النبي صلى الله عليه وسلم حين زالت الشمس فقال: قم يا محمد فصل الظهر حين مالت الشمس، ثم مكث حتى إذا كان فيء الرجل مثله جاءه للعصر فقال: قم يا محمد فصل العصر، ثم مكث حتى إذا غابت الشمس جاءه فقال: قم فصل المغرب، فقام فصلاها حين غابت الشمس سواء، ثم مكث حتى إذا ذهب الشفق جاءه فقال: قم فصل العشاء فقام فصلاها، ثم جاءه حين سطع الفجر في الصبح فقال: قم يا محمد فصل، فقام فصلى الصبح، ثم جاءه من الغد حين كان فيء الرجل مثله فقال: قم يا محمد فصل، فصلى الظهر، ثم جاءه جبريل عليه السلام حين كان فيء الرجل مثليه فقال: قم يا محمد فصل، فصلى العصر، ثم جاءه للمغرب حين غابت الشمس وقتا واحدا لم يزل عنه فقال: قم فصل فصلى المغرب، ثم جاءه للعشاء حين ذهب ثلث الليل الأول فقال: قم فصل، فصلى العشاء، ثم جاءه للصبح حين أسفر جدا فقال: قم فصل، فصلى الصبح، فقال: ما بين هذين وقت كله "


সুনান নাসাঈ > ইশার সালাত তাড়াতাড়ি আদায় করা

সুনান নাসাঈ ৫২৭

أخبرنا عمرو بن علي، ومحمد بن بشار قالا: حدثنا محمد قال: حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن محمد بن عمرو بن حسن قال: قدم الحجاج فسألنا جابر بن عبد الله قال: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي الظهر بالهاجرة، والعصر والشمس بيضاء نقية، والمغرب إذا وجبت الشمس، والعشاء أحيانا كان إذا رآهم قد اجتمعوا عجل، وإذا رآهم قد أبطئوا أخر»

জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যোহরের সালাত সময়ের শুরুতে আদায় করতেন। আসরের সালাত সূর্য উজ্জ্বল থাকতেই আদায় করে নিতেন। সূর্যাস্তের পরেই মাগরিবের সালাত আদায় করতেন। ইশার সালাত কখনও লোক একত্র হলে তাড়াতাড়ি আদায় করতেন আবার কখনও লোক জমায়েত দেরীতে হলে বিলম্বে আদায় করতেন।

জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যোহরের সালাত সময়ের শুরুতে আদায় করতেন। আসরের সালাত সূর্য উজ্জ্বল থাকতেই আদায় করে নিতেন। সূর্যাস্তের পরেই মাগরিবের সালাত আদায় করতেন। ইশার সালাত কখনও লোক একত্র হলে তাড়াতাড়ি আদায় করতেন আবার কখনও লোক জমায়েত দেরীতে হলে বিলম্বে আদায় করতেন।

أخبرنا عمرو بن علي، ومحمد بن بشار قالا: حدثنا محمد قال: حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن محمد بن عمرو بن حسن قال: قدم الحجاج فسألنا جابر بن عبد الله قال: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي الظهر بالهاجرة، والعصر والشمس بيضاء نقية، والمغرب إذا وجبت الشمس، والعشاء أحيانا كان إذا رآهم قد اجتمعوا عجل، وإذا رآهم قد أبطئوا أخر»


সুনান নাসাঈ ৫২৮

أخبرنا محمد بن قدامة قال: حدثنا جرير، عن رقبة، عن جعفر بن إياس، عن حبيب بن سالم، عن النعمان بن بشير قال: أنا أعلم الناس بميقات هذه الصلاة عشاء الآخرة «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصليها لسقوط القمر لثالثة»

নু'মান ইবন বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি ইশার সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে অধিক অবগত। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তৃতীয়ার চাঁদ অস্ত যাওয়ার সময় ইশার সালাত আদায় করতেন।

নু'মান ইবন বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি ইশার সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে অধিক অবগত। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তৃতীয়ার চাঁদ অস্ত যাওয়ার সময় ইশার সালাত আদায় করতেন।

أخبرنا محمد بن قدامة قال: حدثنا جرير، عن رقبة، عن جعفر بن إياس، عن حبيب بن سالم، عن النعمان بن بشير قال: أنا أعلم الناس بميقات هذه الصلاة عشاء الآخرة «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصليها لسقوط القمر لثالثة»


সুনান নাসাঈ ৫২৯

أخبرنا عثمان بن عبد الله قال: حدثنا عفان قال: حدثنا أبو عوانة، عن أبي بشر، عن بشير بن ثابت، عن حبيب بن سالم، عن النعمان بن بشير قال: والله إني لأعلم الناس بوقت هذه الصلاة صلاة العشاء الآخرة «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصليها لسقوط القمر لثالثة»

নু'মান ইবন বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহ্‌র কসম, আমি লোকদের মধ্যে ইশার সালাতের ওয়াক্ত সম্মন্ধে অধিক অবগত। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তৃতীয়ার চাঁদ অস্ত যাওয়ার সময় ইশার সালাত আদায় করতেন।

নু'মান ইবন বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহ্‌র কসম, আমি লোকদের মধ্যে ইশার সালাতের ওয়াক্ত সম্মন্ধে অধিক অবগত। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তৃতীয়ার চাঁদ অস্ত যাওয়ার সময় ইশার সালাত আদায় করতেন।

أخبرنا عثمان بن عبد الله قال: حدثنا عفان قال: حدثنا أبو عوانة، عن أبي بشر، عن بشير بن ثابت، عن حبيب بن سالم، عن النعمان بن بشير قال: والله إني لأعلم الناس بوقت هذه الصلاة صلاة العشاء الآخرة «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصليها لسقوط القمر لثالثة»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00