সুনান নাসাঈ > আসরের সালাত বিলম্বে আদায় করার ব্যাপারে সতর্কবাণী

সুনান নাসাঈ ৫১২

أخبرنا إسحاق بن إبراهيم قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «الذي تفوته صلاة العصر فكأنما وتر أهله وماله»

ইসহাক ইব্‌ন ইব্রাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ যার আসরের সালাত ফওত হল, তার যেন পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ লুণ্ঠিত হয়ে গেল।

ইসহাক ইব্‌ন ইব্রাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ যার আসরের সালাত ফওত হল, তার যেন পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ লুণ্ঠিত হয়ে গেল।

أخبرنا إسحاق بن إبراهيم قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «الذي تفوته صلاة العصر فكأنما وتر أهله وماله»


সুনান নাসাঈ ৫১১

أخبرنا علي بن حجر بن إياس بن مقاتل بن مشمرج بن خالد قال: حدثنا إسماعيل قال: حدثنا العلاء أنه دخل على أنس بن مالك في داره بالبصرة حين انصرف من الظهر وداره بجنب المسجد، فلما دخلنا عليه قال: أصليتم العصر؟ قلنا: لا. إنما انصرفنا الساعة من الظهر. قال: فصلوا العصر. قال: فقمنا فصلينا، فلما انصرفنا قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " تلك صلاة المنافق: جلس يرقب صلاة العصر حتى إذا كانت بين قرني الشيطان قام فنقر أربعا لا يذكر الله عز وجل فيها إلا قليلا "

আ’লা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি যোহরের সালাত আদায় করার পর আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) -এর বসরায় অবস্থিত বাসস্থানে গেলেন। তাঁর বাড়ি মসজিদের পার্শ্বেই ছিল। আ’লা (রহঃ) বলেন, যখন আমরা তাঁর নিকট উপস্থিত হলাম, তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা কি আসর এর সালাত আদায় করেছ? আমরা বললাম, না। আমরা তো এই মাত্র যোহরের সালাত আদায় করলাম। তিনি বললেন, এখন আসরের সালাত আদায় কর। আ’লা বলেনঃ আমরা তৎক্ষনাৎ সালাতে দাড়িয়ে গেলাম এবং সালাত আদায় করলাম। সালাত শেষে তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, এটা মুনাফিকের সালাত যে বসে সালাতের অপেক্ষারত থাকে, তারপর সূর্য যখন শয়তানের দুই শিং –এর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান করে[১] (সূর্যাস্তের সময় নিকটবর্তী হয়ে যায়) তখন (তাড়াহুড়া করে মোরগের মত) চারটি ঠোকর মারে এবং আল্লাহ্‌ পাকের স্মরণ সামান্যই করে।

আ’লা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি যোহরের সালাত আদায় করার পর আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) -এর বসরায় অবস্থিত বাসস্থানে গেলেন। তাঁর বাড়ি মসজিদের পার্শ্বেই ছিল। আ’লা (রহঃ) বলেন, যখন আমরা তাঁর নিকট উপস্থিত হলাম, তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা কি আসর এর সালাত আদায় করেছ? আমরা বললাম, না। আমরা তো এই মাত্র যোহরের সালাত আদায় করলাম। তিনি বললেন, এখন আসরের সালাত আদায় কর। আ’লা বলেনঃ আমরা তৎক্ষনাৎ সালাতে দাড়িয়ে গেলাম এবং সালাত আদায় করলাম। সালাত শেষে তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, এটা মুনাফিকের সালাত যে বসে সালাতের অপেক্ষারত থাকে, তারপর সূর্য যখন শয়তানের দুই শিং –এর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান করে[১] (সূর্যাস্তের সময় নিকটবর্তী হয়ে যায়) তখন (তাড়াহুড়া করে মোরগের মত) চারটি ঠোকর মারে এবং আল্লাহ্‌ পাকের স্মরণ সামান্যই করে।

أخبرنا علي بن حجر بن إياس بن مقاتل بن مشمرج بن خالد قال: حدثنا إسماعيل قال: حدثنا العلاء أنه دخل على أنس بن مالك في داره بالبصرة حين انصرف من الظهر وداره بجنب المسجد، فلما دخلنا عليه قال: أصليتم العصر؟ قلنا: لا. إنما انصرفنا الساعة من الظهر. قال: فصلوا العصر. قال: فقمنا فصلينا، فلما انصرفنا قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " تلك صلاة المنافق: جلس يرقب صلاة العصر حتى إذا كانت بين قرني الشيطان قام فنقر أربعا لا يذكر الله عز وجل فيها إلا قليلا "


সুনান নাসাঈ > আসরের শেষ সময়

সুনান নাসাঈ ৫১৩

أخبرنا يوسف بن واضح قال: حدثنا قدامة يعني ابن شهاب، عن برد، عن عطاء بن أبي رباح، عن جابر بن عبد الله، " أن جبريل أتى النبي صلى الله عليه وسلم يعلمه مواقيت الصلاة، فتقدم جبريل ورسول الله صلى الله عليه وسلم خلفه، والناس خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم، فصلى الظهر حين زالت الشمس، وأتاه حين كان الظل مثل شخصه فصنع كما صنع، فتقدم جبريل ورسول الله صلى الله عليه وسلم خلفه، والناس خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى العصر، ثم أتاه حين وجبت الشمس فتقدم جبريل ورسول الله صلى الله عليه وسلم خلفه، والناس خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى المغرب، ثم أتاه حين غاب الشفق فتقدم جبريل ورسول الله صلى الله عليه وسلم خلفه، والناس خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى العشاء، ثم أتاه حين انشق الفجر فتقدم جبريل ورسول الله صلى الله عليه وسلم خلفه، والناس خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى الغداة، ثم أتاه اليوم الثاني حين كان ظل الرجل مثل شخصه فصنع مثل ما صنع بالأمس فصلى الظهر، ثم أتاه حين كان ظل الرجل مثل شخصيه فصنع كما صنع بالأمس فصلى العصر، ثم أتاه حين وجبت الشمس فصنع كما صنع بالأمس فصلى المغرب، فنمنا ثم قمنا، ثم نمنا ثم قمنا، فأتاه فصنع كما صنع بالأمس فصلى العشاء، ثم أتاه حين امتد الفجر وأصبح والنجوم بادية مشتبكة فصنع كما صنع بالأمس فصلى الغداة، ثم قال: ما بين هاتين الصلاتين وقت "

জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জিব্রাঈল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে সালাতের ওয়াক্ত শিক্ষা দেয়ার জন্য আসলেন। তারপর জিব্রাঈল (আঃ) সামনে দাঁড়ালেন এবং রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পিছনে এবং অন্যান্য লোকেরা দাঁড়ালেন এবং রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পিছনে। এরপর যোহরের সালাত আদায় করলেন যখন সূর্য ঢলে পড়লো, আবার যখন প্রত্যেক বস্তুর ছায়া তার বরাবর হল, তখন জিব্রাইল (আঃ) আগমন করলেন এবং পূর্বের মত তিনি আগে দাঁড়ালেন, আর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পিছনে এবং অন্যান্য লোকগণ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছনে (সারিবদ্ধ হয়ে) দাঁড়িয়ে গেলেন। (এভাবে) আসরের সালাত আদায় করলেন। পুনরায় সূর্যাস্তের পর জিব্রাইল (আঃ) আসলেন এবং সামনে দাঁড়ালেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পিছনে এবং অন্যান্য লোকগণ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছনে দাঁড়িয়ে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। আবার সূর্যাস্তের পর যখন শফক অদৃশ্য হয়ে গেল, তখন জিব্রাইল (আঃ) আসলেন এবং সামনে দাঁড়ালেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পিছনে এবং অন্যান্য লোকগণ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছনে দাড়িয়ে গেলেন। এভাবে ‘ইশার সালাত আদায় করলেন। পুনরায় প্রভাত হাওয়ার পর জিব্রাইল (আঃ) আসলেন এবং সামনে দাঁড়ালেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পিছনে এবং অন্যান্য লোকগণ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছনে দাড়িয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। তারপর দ্বিতীয় দিন আসলেন যখন লোকের ছায়া তাঁর সমান হল। তখন গতদিন যেরূপ করা হয়েছিল সেরূপ করা হল —যোহরের সালাত আদায় করলেন। তারপর তিনি আবার আসলেন যখন লোকের ছায়া তাঁর দ্বিগুণ হল, তখন গত দিন এর ন্যায় আসর এর সালাত আদায় করলেন। আবার যখন সূর্য অস্তমিত হয়ে গেল, তখন গত দিন এর ন্যায় মাগরিব এর সালাত আদায় করলেন। পরে আমরা ঘুমিয়ে পরলাম। ঘুম থেকে জাগলাম, পুনরায় ঘুমিয়ে ঘুম থেকে জাগলাম। এরপর তিনি এসে পূর্বের ন্যায় ইশার সালাত আদায় করলেন। পুনরায় আসলেন যখন প্রভাত হল এবং (আকাশে) তারকাগুলি দৃশ্যমান ছিল। তখন ও পূর্বের ন্যায় ফযরের সালাত আদায় করলেন। তারপর বললেনঃ উভয় দিনের সালাতের মধ্যবর্তী সময় সালাত এর জন্য নির্ধারিত।[১]

জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জিব্রাঈল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে সালাতের ওয়াক্ত শিক্ষা দেয়ার জন্য আসলেন। তারপর জিব্রাঈল (আঃ) সামনে দাঁড়ালেন এবং রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পিছনে এবং অন্যান্য লোকেরা দাঁড়ালেন এবং রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পিছনে। এরপর যোহরের সালাত আদায় করলেন যখন সূর্য ঢলে পড়লো, আবার যখন প্রত্যেক বস্তুর ছায়া তার বরাবর হল, তখন জিব্রাইল (আঃ) আগমন করলেন এবং পূর্বের মত তিনি আগে দাঁড়ালেন, আর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পিছনে এবং অন্যান্য লোকগণ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছনে (সারিবদ্ধ হয়ে) দাঁড়িয়ে গেলেন। (এভাবে) আসরের সালাত আদায় করলেন। পুনরায় সূর্যাস্তের পর জিব্রাইল (আঃ) আসলেন এবং সামনে দাঁড়ালেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পিছনে এবং অন্যান্য লোকগণ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছনে দাঁড়িয়ে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। আবার সূর্যাস্তের পর যখন শফক অদৃশ্য হয়ে গেল, তখন জিব্রাইল (আঃ) আসলেন এবং সামনে দাঁড়ালেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পিছনে এবং অন্যান্য লোকগণ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছনে দাড়িয়ে গেলেন। এভাবে ‘ইশার সালাত আদায় করলেন। পুনরায় প্রভাত হাওয়ার পর জিব্রাইল (আঃ) আসলেন এবং সামনে দাঁড়ালেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পিছনে এবং অন্যান্য লোকগণ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছনে দাড়িয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। তারপর দ্বিতীয় দিন আসলেন যখন লোকের ছায়া তাঁর সমান হল। তখন গতদিন যেরূপ করা হয়েছিল সেরূপ করা হল —যোহরের সালাত আদায় করলেন। তারপর তিনি আবার আসলেন যখন লোকের ছায়া তাঁর দ্বিগুণ হল, তখন গত দিন এর ন্যায় আসর এর সালাত আদায় করলেন। আবার যখন সূর্য অস্তমিত হয়ে গেল, তখন গত দিন এর ন্যায় মাগরিব এর সালাত আদায় করলেন। পরে আমরা ঘুমিয়ে পরলাম। ঘুম থেকে জাগলাম, পুনরায় ঘুমিয়ে ঘুম থেকে জাগলাম। এরপর তিনি এসে পূর্বের ন্যায় ইশার সালাত আদায় করলেন। পুনরায় আসলেন যখন প্রভাত হল এবং (আকাশে) তারকাগুলি দৃশ্যমান ছিল। তখন ও পূর্বের ন্যায় ফযরের সালাত আদায় করলেন। তারপর বললেনঃ উভয় দিনের সালাতের মধ্যবর্তী সময় সালাত এর জন্য নির্ধারিত।[১]

أخبرنا يوسف بن واضح قال: حدثنا قدامة يعني ابن شهاب، عن برد، عن عطاء بن أبي رباح، عن جابر بن عبد الله، " أن جبريل أتى النبي صلى الله عليه وسلم يعلمه مواقيت الصلاة، فتقدم جبريل ورسول الله صلى الله عليه وسلم خلفه، والناس خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم، فصلى الظهر حين زالت الشمس، وأتاه حين كان الظل مثل شخصه فصنع كما صنع، فتقدم جبريل ورسول الله صلى الله عليه وسلم خلفه، والناس خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى العصر، ثم أتاه حين وجبت الشمس فتقدم جبريل ورسول الله صلى الله عليه وسلم خلفه، والناس خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى المغرب، ثم أتاه حين غاب الشفق فتقدم جبريل ورسول الله صلى الله عليه وسلم خلفه، والناس خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى العشاء، ثم أتاه حين انشق الفجر فتقدم جبريل ورسول الله صلى الله عليه وسلم خلفه، والناس خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى الغداة، ثم أتاه اليوم الثاني حين كان ظل الرجل مثل شخصه فصنع مثل ما صنع بالأمس فصلى الظهر، ثم أتاه حين كان ظل الرجل مثل شخصيه فصنع كما صنع بالأمس فصلى العصر، ثم أتاه حين وجبت الشمس فصنع كما صنع بالأمس فصلى المغرب، فنمنا ثم قمنا، ثم نمنا ثم قمنا، فأتاه فصنع كما صنع بالأمس فصلى العشاء، ثم أتاه حين امتد الفجر وأصبح والنجوم بادية مشتبكة فصنع كما صنع بالأمس فصلى الغداة، ثم قال: ما بين هاتين الصلاتين وقت "


সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তি আসরের দুই রাক’আত পেল

সুনান নাসাঈ ৫১৫

خبرنا محمد بن عبد الأعلى قال: حدثنا معتمر قال: سمعت معمرا، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من أدرك ركعة من صلاة العصر قبل أن تغيب الشمس، أو أدرك ركعة من الفجر قبل طلوع الشمس فقد أدرك»

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে আসরের সালাতের এক রাক’আত পেল, অথবা সূর্যোদয়ের পূর্বে ফজরের সালাতের এক রাক’আত পেল, সে সালাত পেল।

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে আসরের সালাতের এক রাক’আত পেল, অথবা সূর্যোদয়ের পূর্বে ফজরের সালাতের এক রাক’আত পেল, সে সালাত পেল।

خبرنا محمد بن عبد الأعلى قال: حدثنا معتمر قال: سمعت معمرا، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من أدرك ركعة من صلاة العصر قبل أن تغيب الشمس، أو أدرك ركعة من الفجر قبل طلوع الشمس فقد أدرك»


সুনান নাসাঈ ৫১৬

أخبرنا عمرو بن منصور قال: حدثنا الفضل بن دكين قال: حدثنا شيبان، عن يحيى، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إذا أدرك أحدكم أول سجدة من صلاة العصر قبل أن تغرب الشمس فليتم صلاته، وإذا أدرك أول سجدة من صلاة الصبح قبل أن تطلع الشمس فليتم صلاته»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যখন তোমাদের কেউ সূর্যাস্তের পূর্বে আসরের সালাতের প্রথম সিজদা পায়, সে যেন তার বাকী সালাত সম্পূর্ণ করে। এবং যখন কেউ সূর্যোদয়ের পূর্বে ফজরের সালাতের প্রথম সিজদা পায়, সে যেন তার বাকী সালাত সম্পূর্ণ করে।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যখন তোমাদের কেউ সূর্যাস্তের পূর্বে আসরের সালাতের প্রথম সিজদা পায়, সে যেন তার বাকী সালাত সম্পূর্ণ করে। এবং যখন কেউ সূর্যোদয়ের পূর্বে ফজরের সালাতের প্রথম সিজদা পায়, সে যেন তার বাকী সালাত সম্পূর্ণ করে।

أخبرنا عمرو بن منصور قال: حدثنا الفضل بن دكين قال: حدثنا شيبان، عن يحيى، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إذا أدرك أحدكم أول سجدة من صلاة العصر قبل أن تغرب الشمس فليتم صلاته، وإذا أدرك أول سجدة من صلاة الصبح قبل أن تطلع الشمس فليتم صلاته»


সুনান নাসাঈ ৫১৭

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، وعن بسر بن سعيد، وعن الأعرج يحدثون، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من أدرك ركعة من صلاة الصبح قبل أن تطلع الشمس فقد أدرك الصبح، ومن أدرك ركعة من العصر قبل أن تغرب الشمس فقد أدرك العصر»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূর্যোদয়ের পূর্বে ফজরের সালাতের এক রাক'আত পেল, সে ফজরের সালাত পেল এবং যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে আসরের সালাতের এক রাক'আত পেল, সে আসরের সালাত পেল।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূর্যোদয়ের পূর্বে ফজরের সালাতের এক রাক'আত পেল, সে ফজরের সালাত পেল এবং যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে আসরের সালাতের এক রাক'আত পেল, সে আসরের সালাত পেল।

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، وعن بسر بن سعيد، وعن الأعرج يحدثون، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من أدرك ركعة من صلاة الصبح قبل أن تطلع الشمس فقد أدرك الصبح، ومن أدرك ركعة من العصر قبل أن تغرب الشمس فقد أدرك العصر»


সুনান নাসাঈ ৫১৪

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى قال: حدثنا معتمر قال: سمعت معمرا، عن ابن طاوس، عن أبيه، عن ابن عباس، عن أبي هريرة رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من أدرك ركعتين من صلاة العصر قبل أن تغرب الشمس أو ركعة من صلاة الصبح قبل أن تطلع الشمس فقد أدرك»

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে আসরের সালাতের দুই রাক’আত পেল, অথবা সূর্যোদয়ের পূর্বে ফজরের সালাতের এক রাক’আত পেল, সে সালাত পেল। [২]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে আসরের সালাতের দুই রাক’আত পেল, অথবা সূর্যোদয়ের পূর্বে ফজরের সালাতের এক রাক’আত পেল, সে সালাত পেল। [২]

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى قال: حدثنا معتمر قال: سمعت معمرا، عن ابن طاوس، عن أبيه، عن ابن عباس، عن أبي هريرة رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من أدرك ركعتين من صلاة العصر قبل أن تغرب الشمس أو ركعة من صلاة الصبح قبل أن تطلع الشمس فقد أدرك»


সুনান নাসাঈ ৫১৮

أخبرنا أبو داود قال: حدثنا سعيد بن عامر قال: حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن نصر بن عبد الرحمن، عن جده معاذ، أنه طاف مع معاذ ابن عفراء فلم يصل. فقلت: ألا تصلي؟ فقال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لا صلاة بعد العصر حتى تغيب الشمس، ولا بعد الصبح حتى تطلع الشمس»

মু'আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (একদা) মু'আয ইব্ন আফরা (রাঃ) -এর সঙ্গে তওয়াফ করলেন; (তওয়াফের পর) তিনি সালাত আদায় করলেন না। আমি বললাম, আপনি সালাত আদায় করলেন না? উত্তরে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোন সালাত নেই এবং ফজরের সালাতের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত কোন সালাত নেই।

মু'আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (একদা) মু'আয ইব্ন আফরা (রাঃ) -এর সঙ্গে তওয়াফ করলেন; (তওয়াফের পর) তিনি সালাত আদায় করলেন না। আমি বললাম, আপনি সালাত আদায় করলেন না? উত্তরে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোন সালাত নেই এবং ফজরের সালাতের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত কোন সালাত নেই।

أخبرنا أبو داود قال: حدثنا سعيد بن عامر قال: حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن نصر بن عبد الرحمن، عن جده معاذ، أنه طاف مع معاذ ابن عفراء فلم يصل. فقلت: ألا تصلي؟ فقال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لا صلاة بعد العصر حتى تغيب الشمس، ولا بعد الصبح حتى تطلع الشمس»


সুনান নাসাঈ > মাগরিবের প্রথম ওয়াক্ত

সুনান নাসাঈ ৫১৯

أخبرني عمرو بن هشام قال: حدثنا مخلد بن يزيد، عن سفيان الثوري، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه قال: جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فسأله عن وقت الصلاة؟ فقال: «أقم معنا هذين اليومين»، فأمر بلالا فأقام عند الفجر، فصلى الفجر، ثم أمره حين زالت الشمس فصلى الظهر، ثم أمره حين رأى الشمس بيضاء فأقام العصر، ثم أمره حين وقع حاجب الشمس فأقام المغرب، ثم أمره حين غاب الشفق فأقام العشاء، ثم أمره من الغد فنور بالفجر، ثم أبرد بالظهر وأنعم أن يبرد، ثم صلى العصر والشمس بيضاء وأخر عن ذلك، ثم صلى المغرب قبل أن يغيب الشفق، ثم أمره فأقام العشاء حين ذهب ثلث الليل فصلاها، ثم قال: «أين السائل عن وقت الصلاة؟ وقت صلاتكم ما بين ما رأيتم»

বুরায়দা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ (একদা) এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে সালাতের ওয়াক্ত সম্মন্ধে জিজ্ঞাসা করল। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি আমাদের সঙ্গে দুই দিন অবস্থান কর। তারপর তিনি বিলাল (রাঃ) -কে আদেশ করলেন, তিনি ফজরের ইকামত বললেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজরের সালাত আদায় করলেন। পুনরায় যখন সূর্য ঢলে পড়ল, তাঁকে (ইকামতের জন্য) আদেশ করলেন, তারপর যোহরের সালাত আদায় করলেন। এরপরে যখন সূর্য শুভ্র করোজ্জ্বল দেখাচ্ছিল, তখন পুনরায় তাঁকে ইকামতের আদেশ করলেন এবং আসরের সালাত আদায় করলেন। তারপর যখন সূর্য অস্তমিত হয়ে গেল, তখন তাঁকে ইকামতের আদেশ করলেন এবং মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। তারপর যখন শফক অদৃশ্য হয়ে গেল, তখন তাঁকে ইকামতের আদেশ করলেন এবং ইশার সালাত আদায় করলেন (অর্থাৎ পাঁচ ওয়াক্তের সালাত প্রথম ওয়াক্তে আদায় করলেন)। পরদিন পুনরায় বিলাল (রাঃ) -কে আদেশ করলেন, এরপর ফজরের সালাত আলোকজ্জ্বল প্রভাতে আদায় করলেন। পুনরায় যোহরের সালাত বেশ বিলম্ব করে আদায় করলেন। তারপর আসরের সালাত আলোকজ্জ্বল সময় থেকে বিলম্ব করে আদায় করলেন। তারপর শফক অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার পূর্বেই মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। তারপর এক-তৃতীয়াংশ রাত্র অতিক্রান্ত হওয়ার পর তাঁকে ইশার ইকামত বলার আদেশ করলেন এবং ইশার সালাত আদায় করলেন। এরপর বললেনঃ সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসাকারী কোথায়? তোমরা যা দেখলে, তার মধ্যখানেই তোমাদের সালাতের সময়।

বুরায়দা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ (একদা) এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে সালাতের ওয়াক্ত সম্মন্ধে জিজ্ঞাসা করল। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি আমাদের সঙ্গে দুই দিন অবস্থান কর। তারপর তিনি বিলাল (রাঃ) -কে আদেশ করলেন, তিনি ফজরের ইকামত বললেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজরের সালাত আদায় করলেন। পুনরায় যখন সূর্য ঢলে পড়ল, তাঁকে (ইকামতের জন্য) আদেশ করলেন, তারপর যোহরের সালাত আদায় করলেন। এরপরে যখন সূর্য শুভ্র করোজ্জ্বল দেখাচ্ছিল, তখন পুনরায় তাঁকে ইকামতের আদেশ করলেন এবং আসরের সালাত আদায় করলেন। তারপর যখন সূর্য অস্তমিত হয়ে গেল, তখন তাঁকে ইকামতের আদেশ করলেন এবং মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। তারপর যখন শফক অদৃশ্য হয়ে গেল, তখন তাঁকে ইকামতের আদেশ করলেন এবং ইশার সালাত আদায় করলেন (অর্থাৎ পাঁচ ওয়াক্তের সালাত প্রথম ওয়াক্তে আদায় করলেন)। পরদিন পুনরায় বিলাল (রাঃ) -কে আদেশ করলেন, এরপর ফজরের সালাত আলোকজ্জ্বল প্রভাতে আদায় করলেন। পুনরায় যোহরের সালাত বেশ বিলম্ব করে আদায় করলেন। তারপর আসরের সালাত আলোকজ্জ্বল সময় থেকে বিলম্ব করে আদায় করলেন। তারপর শফক অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার পূর্বেই মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। তারপর এক-তৃতীয়াংশ রাত্র অতিক্রান্ত হওয়ার পর তাঁকে ইশার ইকামত বলার আদেশ করলেন এবং ইশার সালাত আদায় করলেন। এরপর বললেনঃ সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসাকারী কোথায়? তোমরা যা দেখলে, তার মধ্যখানেই তোমাদের সালাতের সময়।

أخبرني عمرو بن هشام قال: حدثنا مخلد بن يزيد، عن سفيان الثوري، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه قال: جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فسأله عن وقت الصلاة؟ فقال: «أقم معنا هذين اليومين»، فأمر بلالا فأقام عند الفجر، فصلى الفجر، ثم أمره حين زالت الشمس فصلى الظهر، ثم أمره حين رأى الشمس بيضاء فأقام العصر، ثم أمره حين وقع حاجب الشمس فأقام المغرب، ثم أمره حين غاب الشفق فأقام العشاء، ثم أمره من الغد فنور بالفجر، ثم أبرد بالظهر وأنعم أن يبرد، ثم صلى العصر والشمس بيضاء وأخر عن ذلك، ثم صلى المغرب قبل أن يغيب الشفق، ثم أمره فأقام العشاء حين ذهب ثلث الليل فصلاها، ثم قال: «أين السائل عن وقت الصلاة؟ وقت صلاتكم ما بين ما رأيتم»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00