সুনান নাসাঈ > যোহরের প্রথম সময়

সুনান নাসাঈ ৪৯৬

أخبرنا كثير بن عبيد، حدثنا محمد بن حرب، عن الزبيدي، عن الزهري قال: أخبرني أنس، «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج حين زاغت الشمس فصلى بهم صلاة الظهر»

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আনাস (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা সূর্য ঢলে পড়লে বের হন এবং তাঁদের নিয়ে যোহরের সালাত আদায় করেন।

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আনাস (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা সূর্য ঢলে পড়লে বের হন এবং তাঁদের নিয়ে যোহরের সালাত আদায় করেন।

أخبرنا كثير بن عبيد، حدثنا محمد بن حرب، عن الزبيدي، عن الزهري قال: أخبرني أنس، «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج حين زاغت الشمس فصلى بهم صلاة الظهر»


সুনান নাসাঈ ৪৯৭

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا حميد بن عبد الرحمن قال: حدثنا زهير، عن أبي إسحاق، عن سعيد بن وهب، عن خباب قال: شكونا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم حر الرمضاء فلم يشكنا " قيل لأبي إسحاق في تعجيلها؟ قال: نعم

খাব্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উত্তপ্ত বালুর অভিযোগ করলাম। তিনি আমাদের অভিযোগ গ্রহণ করলেন না। আবু ইসহাক (রাঃ) -কে বলা হল, সাথীরা কি সালাত তাড়াতাড়ি আদায় করার অভিযোগ করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ।

খাব্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উত্তপ্ত বালুর অভিযোগ করলাম। তিনি আমাদের অভিযোগ গ্রহণ করলেন না। আবু ইসহাক (রাঃ) -কে বলা হল, সাথীরা কি সালাত তাড়াতাড়ি আদায় করার অভিযোগ করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ।

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا حميد بن عبد الرحمن قال: حدثنا زهير، عن أبي إسحاق، عن سعيد بن وهب، عن خباب قال: شكونا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم حر الرمضاء فلم يشكنا " قيل لأبي إسحاق في تعجيلها؟ قال: نعم


সুনান নাসাঈ ৪৯৫

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، حدثنا خالد، حدثنا شعبة، حدثنا سيار بن سلامة قال: سمعت أبي يسأل أبا برزة عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت: أنت سمعته؟ قال: كما أسمعك الساعة. فقال: أبي يسأل عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «كان لا يبالي بعض تأخيرها - يعني العشاء - إلى نصف الليل، ولا يحب النوم قبلها ولا الحديث بعدها». قال شعبة: ثم لقيته بعد فسألته، قال: " كان يصلي الظهر حين تزول الشمس، والعصر يذهب الرجل إلى أقصى المدينة والشمس حية، والمغرب لا أدري أي حين ذكر. ثم لقيته بعد فسألته، فقال: وكان يصلي الصبح فينصرف الرجل فينظر إلى وجه جليسه الذي يعرفه فيعرفه. قال وكان يقرأ فيها بالستين إلى المائة "

সাইয়ার ইব্‌ন সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : আমি আমার পিতাকে আবূ বার্‌যা (রাঃ) -এর নিকট রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছি। (সনদের একজন রাবী) শু‘বা (রাঃ) সাইয়ার ইব্‌ন সালামাকে বললেন, আপনি নিজে তা শুনেছেন কি? (সাইয়ার) বলেন : হ্যাঁ, যেমন আপনাকে শোনাচ্ছি। তিনি-(সাইয়ার) বলেন : আমার পিতাকে আমি আবূ বারযা (রাঃ) -এর নিকট রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছি। আবূ বারযা (রাঃ) বলেন : রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশার সালাত কখনো অর্ধরাতে আদায় করতেন এবং তিনি সালাতের পূর্বে নিদ্রা যাওয়া ও সালাতের পর কথা বলা পছন্দ করতেন না। শু‘বা (রহঃ) বলেন : আমি আবার সাইয়ার ইব্‌ন সালামার সঙ্গে সাক্ষাত করি এবং রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যোহরের সালাত আদায় করতেন যখন সূর্য ঢলে পড়তো, আসরের সালাত এমন সময় আদায় করতেন যে, কোন লোক মদীনার দূর প্রান্ত পর্যন্ত যেতে পারত এবং সূর্যের আলো তখনও উজ্জ্বল থাকত। মাগরিবের সালাত কোন্‌ সময় আদায় করতেন বলে তিনি উল্লেখ করেছিলেন তা আমার জানা নেই। আবার আমি তাঁর সাথে সাক্ষাত করি এবং রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজরের সালাত এমন সময় আদায় করতেন যে, লোক ফিরে যেত এবং তার পাশের উপবিষ্ট কোন পরিচিত লোকের দিকে তাকালে তাকে চিনতে পারত। রাবী বলেন : তিনি উক্ত সালাতে ষাট থেকে এক’শ আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন।

সাইয়ার ইব্‌ন সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : আমি আমার পিতাকে আবূ বার্‌যা (রাঃ) -এর নিকট রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছি। (সনদের একজন রাবী) শু‘বা (রাঃ) সাইয়ার ইব্‌ন সালামাকে বললেন, আপনি নিজে তা শুনেছেন কি? (সাইয়ার) বলেন : হ্যাঁ, যেমন আপনাকে শোনাচ্ছি। তিনি-(সাইয়ার) বলেন : আমার পিতাকে আমি আবূ বারযা (রাঃ) -এর নিকট রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছি। আবূ বারযা (রাঃ) বলেন : রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশার সালাত কখনো অর্ধরাতে আদায় করতেন এবং তিনি সালাতের পূর্বে নিদ্রা যাওয়া ও সালাতের পর কথা বলা পছন্দ করতেন না। শু‘বা (রহঃ) বলেন : আমি আবার সাইয়ার ইব্‌ন সালামার সঙ্গে সাক্ষাত করি এবং রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যোহরের সালাত আদায় করতেন যখন সূর্য ঢলে পড়তো, আসরের সালাত এমন সময় আদায় করতেন যে, কোন লোক মদীনার দূর প্রান্ত পর্যন্ত যেতে পারত এবং সূর্যের আলো তখনও উজ্জ্বল থাকত। মাগরিবের সালাত কোন্‌ সময় আদায় করতেন বলে তিনি উল্লেখ করেছিলেন তা আমার জানা নেই। আবার আমি তাঁর সাথে সাক্ষাত করি এবং রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজরের সালাত এমন সময় আদায় করতেন যে, লোক ফিরে যেত এবং তার পাশের উপবিষ্ট কোন পরিচিত লোকের দিকে তাকালে তাকে চিনতে পারত। রাবী বলেন : তিনি উক্ত সালাতে ষাট থেকে এক’শ আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন।

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، حدثنا خالد، حدثنا شعبة، حدثنا سيار بن سلامة قال: سمعت أبي يسأل أبا برزة عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت: أنت سمعته؟ قال: كما أسمعك الساعة. فقال: أبي يسأل عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «كان لا يبالي بعض تأخيرها - يعني العشاء - إلى نصف الليل، ولا يحب النوم قبلها ولا الحديث بعدها». قال شعبة: ثم لقيته بعد فسألته، قال: " كان يصلي الظهر حين تزول الشمس، والعصر يذهب الرجل إلى أقصى المدينة والشمس حية، والمغرب لا أدري أي حين ذكر. ثم لقيته بعد فسألته، فقال: وكان يصلي الصبح فينصرف الرجل فينظر إلى وجه جليسه الذي يعرفه فيعرفه. قال وكان يقرأ فيها بالستين إلى المائة "


সুনান নাসাঈ > সফরের সময় যোহরের সালাত তাড়াতাড়ি আদায় করা

সুনান নাসাঈ ৪৯৮

أخبرنا عبيد الله بن سعيد، حدثنا يحيى بن سعيد، عن شعبة قال: حدثني حمزة العائذي قال: سمعت أنس بن مالك يقول: «كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا نزل منزلا لم يرتحل منه حتى يصلي الظهر» فقال رجل: وإن كانت بنصف النهار؟ قال: «وإن كانت بنصف النهار»

হামযাতুল আয়িযী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কোন মনযিলে যোহরের পূর্বে অবতরণ করতেন তখন যোহরের সালাত আদায় না করে সেই স্থান ত্যাগ করতেন না। এক ব্যক্তি বলল, অর্ধদিন ঠিক দুপুর হলেও? তিনি বললেন, ঠিক দুপুর বেলায় হলেও।[১]

হামযাতুল আয়িযী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কোন মনযিলে যোহরের পূর্বে অবতরণ করতেন তখন যোহরের সালাত আদায় না করে সেই স্থান ত্যাগ করতেন না। এক ব্যক্তি বলল, অর্ধদিন ঠিক দুপুর হলেও? তিনি বললেন, ঠিক দুপুর বেলায় হলেও।[১]

أخبرنا عبيد الله بن سعيد، حدثنا يحيى بن سعيد، عن شعبة قال: حدثني حمزة العائذي قال: سمعت أنس بن مالك يقول: «كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا نزل منزلا لم يرتحل منه حتى يصلي الظهر» فقال رجل: وإن كانت بنصف النهار؟ قال: «وإن كانت بنصف النهار»


সুনান নাসাঈ > ঠাণ্ডার সময়ে যোহরের সালাত তাড়াতাড়ি আদায় করা

সুনান নাসাঈ ৪৯৯

أخبرنا عبيد الله بن سعيد قال: حدثنا أبو سعيد مولى بني هاشم قال: حدثنا خالد بن دينار أبو خلدة قال: سمعت أنس بن مالك يقول: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كان الحر أبرد بالصلاة، وإذا كان البرد عجل»

খালিদ ইব্‌ন দীনার আবু খালদাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গরমের সময় (যোহরের সালাত) বিলম্বে এবং ঠাণ্ডার সময় তাড়াতাড়ি আদায় করতেন।

খালিদ ইব্‌ন দীনার আবু খালদাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গরমের সময় (যোহরের সালাত) বিলম্বে এবং ঠাণ্ডার সময় তাড়াতাড়ি আদায় করতেন।

أخبرنا عبيد الله بن سعيد قال: حدثنا أبو سعيد مولى بني هاشم قال: حدثنا خالد بن دينار أبو خلدة قال: سمعت أنس بن مالك يقول: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كان الحر أبرد بالصلاة، وإذا كان البرد عجل»


সুনান নাসাঈ > গরম প্রচণ্ড হলে যোহরের সালাত গরম কমলে আদায় করা

সুনান নাসাঈ ৫০০

أخبرنا قتيبة بن سعيد قال: حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن ابن المسيب وأبي سلمة بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة قال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «إذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة؛ فإن شدة الحر من فيح جهنم»

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গরম প্রচণ্ড হলে সালাত বিলম্ব করে আদায় কর। কেননা গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের ভাপ।[১]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গরম প্রচণ্ড হলে সালাত বিলম্ব করে আদায় কর। কেননা গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের ভাপ।[১]

أخبرنا قتيبة بن سعيد قال: حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن ابن المسيب وأبي سلمة بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة قال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «إذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة؛ فإن شدة الحر من فيح جهنم»


সুনান নাসাঈ ৫০১

أخبرنا إبراهيم بن يعقوب قال: حدثنا عمر بن حفص قال: حدثنا أبي وأنبأنا إبراهيم بن يعقوب قال: حدثنا يحيى بن معين، قال: حدثنا حفص وأنبأنا عمرو بن منصور، قال: حدثنا عمر بن حفص بن غياث، قال: حدثنا أبي، عن الحسن بن عبيد الله، عن إبراهيم، عن يزيد بن أوس، عن ثابت بن قيس، عن أبي موسى يرفعه قال: «أبردوا بالظهر، فإن الذي تجدون من الحر من فيح جهنم»

আবু মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যোহরের সালাত বিলম্ব করে আদায় কর। কারণ তোমরা যে গরম অনুভব কর তা জাহান্নামের ভাপ।

আবু মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যোহরের সালাত বিলম্ব করে আদায় কর। কারণ তোমরা যে গরম অনুভব কর তা জাহান্নামের ভাপ।

أخبرنا إبراهيم بن يعقوب قال: حدثنا عمر بن حفص قال: حدثنا أبي وأنبأنا إبراهيم بن يعقوب قال: حدثنا يحيى بن معين، قال: حدثنا حفص وأنبأنا عمرو بن منصور، قال: حدثنا عمر بن حفص بن غياث، قال: حدثنا أبي، عن الحسن بن عبيد الله، عن إبراهيم، عن يزيد بن أوس، عن ثابت بن قيس، عن أبي موسى يرفعه قال: «أبردوا بالظهر، فإن الذي تجدون من الحر من فيح جهنم»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00