সুনান নাসাঈ > দিন-রাতে কত ওয়াক্ত (সালাত) ফরয

সুনান নাসাঈ ৪৫৮

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن أبي سهيل، عن أبيه، أنه سمع طلحة بن عبيد الله يقول: جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من أهل نجد ثائر الرأس نسمع دوي صوته ولا نفهم ما يقول حتى دنا، فإذا هو يسأل عن الإسلام فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «خمس صلوات في اليوم والليلة». قال: هل علي غيرهن؟ قال: «لا. إلا أن تطوع». قال: وصيام شهر رمضان. قال: هل علي غيره؟ قال: «لا. إلا أن تطوع». وذكر له رسول الله صلى الله عليه وسلم الزكاة. قال: هل علي غيرها؟ قال: «لا. إلا أن تطوع». فأدبر الرجل وهو يقول: والله لا أزيد على هذا ولا أنقص منه. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أفلح إن صدق»

তাল্হা ইব্‌ন উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: নজদ এলাকার অধিবাসী একটি লোক রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসল। তার মাথার চুল ছিল এলোমেলো। তার গুন গুন আওয়াজ শুনছিলাম কিন্তু সে কি বলছিল তা আমরা বুঝতে পারছিলাম না। সে আরো নিকটবর্তী হলো এবং লক্ষ্য করা গেল যে, ইসলাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছে। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, রাত-দিনে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত তোমার জন্য ফরয। সে জিজ্ঞাসা করল, এগুলো ব্যতীত আমার উপর আরো (অতিক্তি করণীয়) কিছু আছে কি? তিনি বললেন, না, তবে নফল পড়তে পার। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আর রমযানের এক মাসে সিয়াম। সে জিজ্ঞাসা করলো, এ ছাড়া আমার উপর আরো (সাওম) আছে কি? তিনি বললেন, না, তবে নফল (সাত্তম) পালন করতে পার। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে যাকাতের কথা বললেন। সে জিজ্ঞাসা করল, তা ছাড়া আমার উপর আরো কোন (দানের হুকুম) আছে কি? তিনি বললেন, না, তবে নফল (দান) করতে পার। তারপর সে ব্যক্তি এই কথা বলতে বলতে চলে গেল: “আল্লাহ্‌র শপথ! আমি এই (হুকুম) -গুলোর উপর অতিরিক্ত কিছু করব না এবং এগুলো থেকে কমও করব না।” রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: সে সফল হয়ে গেল যদি তার কথায় সত্যবাদী হয়।

তাল্হা ইব্‌ন উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: নজদ এলাকার অধিবাসী একটি লোক রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসল। তার মাথার চুল ছিল এলোমেলো। তার গুন গুন আওয়াজ শুনছিলাম কিন্তু সে কি বলছিল তা আমরা বুঝতে পারছিলাম না। সে আরো নিকটবর্তী হলো এবং লক্ষ্য করা গেল যে, ইসলাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছে। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, রাত-দিনে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত তোমার জন্য ফরয। সে জিজ্ঞাসা করল, এগুলো ব্যতীত আমার উপর আরো (অতিক্তি করণীয়) কিছু আছে কি? তিনি বললেন, না, তবে নফল পড়তে পার। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আর রমযানের এক মাসে সিয়াম। সে জিজ্ঞাসা করলো, এ ছাড়া আমার উপর আরো (সাওম) আছে কি? তিনি বললেন, না, তবে নফল (সাত্তম) পালন করতে পার। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে যাকাতের কথা বললেন। সে জিজ্ঞাসা করল, তা ছাড়া আমার উপর আরো কোন (দানের হুকুম) আছে কি? তিনি বললেন, না, তবে নফল (দান) করতে পার। তারপর সে ব্যক্তি এই কথা বলতে বলতে চলে গেল: “আল্লাহ্‌র শপথ! আমি এই (হুকুম) -গুলোর উপর অতিরিক্ত কিছু করব না এবং এগুলো থেকে কমও করব না।” রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: সে সফল হয়ে গেল যদি তার কথায় সত্যবাদী হয়।

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن أبي سهيل، عن أبيه، أنه سمع طلحة بن عبيد الله يقول: جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من أهل نجد ثائر الرأس نسمع دوي صوته ولا نفهم ما يقول حتى دنا، فإذا هو يسأل عن الإسلام فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «خمس صلوات في اليوم والليلة». قال: هل علي غيرهن؟ قال: «لا. إلا أن تطوع». قال: وصيام شهر رمضان. قال: هل علي غيره؟ قال: «لا. إلا أن تطوع». وذكر له رسول الله صلى الله عليه وسلم الزكاة. قال: هل علي غيرها؟ قال: «لا. إلا أن تطوع». فأدبر الرجل وهو يقول: والله لا أزيد على هذا ولا أنقص منه. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أفلح إن صدق»


সুনান নাসাঈ ৪৫৯

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا نوح بن قيس، عن خالد بن قيس، عن قتادة، عن أنس قال: سأل رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله، كم افترض الله عز وجل على عباده من الصلوات؟ قال: «افترض الله على عباده صلوات خمسا». قال: يا رسول الله، هل قبلهن أو بعدهن شيئا؟ قال: «افترض الله على عباده صلوات خمسا». فحلف الرجل لا يزيد عليه شيئا ولا ينقص منه شيئا. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن صدق ليدخلن الجنة»

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞাসা করল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের উপর কত ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন? তিনি উত্তরে বললেন, আল্লাহ্ তাঁর বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। সে ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! এগুলোর আগে ও পরে আরো কিছু (করণীয়) আছে কি? তিনি বললেন, আল্লাহ্ তাঁর বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। তারপর সে ব্যক্তি শপথ করে বলল যে, সে এগুলোর চেয়ে অতিরিক্ত কিছু করবে না এবং কমও করবে না। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: সে যদি সত্যবাদী হয় তাহলে অবশ্যই সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞাসা করল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের উপর কত ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন? তিনি উত্তরে বললেন, আল্লাহ্ তাঁর বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। সে ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! এগুলোর আগে ও পরে আরো কিছু (করণীয়) আছে কি? তিনি বললেন, আল্লাহ্ তাঁর বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। তারপর সে ব্যক্তি শপথ করে বলল যে, সে এগুলোর চেয়ে অতিরিক্ত কিছু করবে না এবং কমও করবে না। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: সে যদি সত্যবাদী হয় তাহলে অবশ্যই সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا نوح بن قيس، عن خالد بن قيس، عن قتادة، عن أنس قال: سأل رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله، كم افترض الله عز وجل على عباده من الصلوات؟ قال: «افترض الله على عباده صلوات خمسا». قال: يا رسول الله، هل قبلهن أو بعدهن شيئا؟ قال: «افترض الله على عباده صلوات خمسا». فحلف الرجل لا يزيد عليه شيئا ولا ينقص منه شيئا. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن صدق ليدخلن الجنة»


সুনান নাসাঈ > পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের উপর বায়আত গ্রহণ

সুনান নাসাঈ ৪৬০

أخبرنا عمرو بن منصور، حدثنا أبو مسهر قال: حدثنا سعيد بن عبد العزيز، عن ربيعة بن يزيد، عن أبي إدريس الخولاني، عن أبي مسلم الخولاني قال: أخبرني الحبيب الأمين عوف بن مالك الأشجعي، قال: كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: ألا تبايعون رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ - فرددها ثلاث مرات - فقدمنا أيدينا فبايعناه فقلنا: يا رسول الله، قد بايعناك فعلام؟ قال: «على أن تعبدوا الله ولا تشركوا به شيئا، والصلوات الخمس، وأسر كلمة خفية أن لا تسألوا الناس شيئا»

আওফ ইব্‌ন মালিক আশজাঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট ছিলাম। তিনি বললেন: তোমরা কি আল্লাহ্‌র রাসূলের নিকট বায়আত গ্রহণ করবে না? এ কথাটি তিনি তিনবার বলেন। আমরা হাত বাড়িয়ে দিলাম এবং তাঁর নিকট বায়আত গ্রহণ করলাম। তারপর আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমরা তো পূর্বেই আপনার নিকট বায়‘আত হয়েছি, তবে এ বায়আত কোন বিষয়ের উপর? তিনি বললেন: এ বায়আত হলো এ কথার উপর যে, তোমরা আল্লাহ্‌র ইবাদত করবে এবং তাঁর সঙ্গে কাউকে শরীক করবে না। পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবে। তারপর আস্তে করে মৃদু স্বরে বললেন: মানুষের নিকট কিছু চাইবে না।

আওফ ইব্‌ন মালিক আশজাঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট ছিলাম। তিনি বললেন: তোমরা কি আল্লাহ্‌র রাসূলের নিকট বায়আত গ্রহণ করবে না? এ কথাটি তিনি তিনবার বলেন। আমরা হাত বাড়িয়ে দিলাম এবং তাঁর নিকট বায়আত গ্রহণ করলাম। তারপর আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমরা তো পূর্বেই আপনার নিকট বায়‘আত হয়েছি, তবে এ বায়আত কোন বিষয়ের উপর? তিনি বললেন: এ বায়আত হলো এ কথার উপর যে, তোমরা আল্লাহ্‌র ইবাদত করবে এবং তাঁর সঙ্গে কাউকে শরীক করবে না। পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবে। তারপর আস্তে করে মৃদু স্বরে বললেন: মানুষের নিকট কিছু চাইবে না।

أخبرنا عمرو بن منصور، حدثنا أبو مسهر قال: حدثنا سعيد بن عبد العزيز، عن ربيعة بن يزيد، عن أبي إدريس الخولاني، عن أبي مسلم الخولاني قال: أخبرني الحبيب الأمين عوف بن مالك الأشجعي، قال: كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: ألا تبايعون رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ - فرددها ثلاث مرات - فقدمنا أيدينا فبايعناه فقلنا: يا رسول الله، قد بايعناك فعلام؟ قال: «على أن تعبدوا الله ولا تشركوا به شيئا، والصلوات الخمس، وأسر كلمة خفية أن لا تسألوا الناس شيئا»


সুনান নাসাঈ > পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের হিফাযত করা

সুনান নাসাঈ ৪৬১

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن ابن محيريز، أن رجلا من بني كنانة يدعى المخدجي: سمع رجلا بالشام يكنى أبا محمد يقول الوتر واجب. قال المخدجي: فرحت إلى عبادة بن الصامت فاعترضت له وهو رائح إلى المسجد فأخبرته بالذي قال أبو محمد: فقال عبادة: كذب أبو محمد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «خمس صلوات كتبهن الله على العباد من جاء بهن لم يضيع منهن شيئا استخفافا بحقهن كان له عند الله عهد أن يدخله الجنة، ومن لم يأت بهن فليس له عند الله عهد إن شاء عذبه، وإن شاء أدخله الجنة»

ইব্‌ন মুহায়রিয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুখদাজী নামক বনূ কিনানার জনৈক ব্যক্তি আবূ মুহাম্মদ নামক এক ব্যক্তিকে সিরিয়ায় বলতে শুনেছেন যে, বিতরের সালাত ওয়াজিব।[১] মুখদাজী বলেন, আমি একথা শুনে উবাদা ইব্‌ন সামিত (রাঃ) -এর নিকট গেলাম। আমি যখন তাঁর নিকট পৌঁছি তখন তিনি মসজিদে যাচ্ছিলেন। আমি তাঁকে আবূ মুহাম্মদের বক্তব্য শুনালাম। উবাদা (রাঃ) বললেন: আবূ মুহাম্মদ ভুল বলেছেন।[২] আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ্ তা‘আলা বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। যে ব্যক্তি এই পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবে এবং এগুলোর মধ্যে কোন সালাত হালকা জ্ঞানে ছেড়ে দেবে না, তার জন্য আল্লাহ্‌র ওয়াদা হলো-তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। যে ব্যক্তি এই পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবেনা, তার জন্য আল্লাহ্‌র কোন ওয়াদা নেই। ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তি দিতে পারেন আবার ইচ্ছা করলে জান্নাতেও প্রবেশ করাতে পারেন।

ইব্‌ন মুহায়রিয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুখদাজী নামক বনূ কিনানার জনৈক ব্যক্তি আবূ মুহাম্মদ নামক এক ব্যক্তিকে সিরিয়ায় বলতে শুনেছেন যে, বিতরের সালাত ওয়াজিব।[১] মুখদাজী বলেন, আমি একথা শুনে উবাদা ইব্‌ন সামিত (রাঃ) -এর নিকট গেলাম। আমি যখন তাঁর নিকট পৌঁছি তখন তিনি মসজিদে যাচ্ছিলেন। আমি তাঁকে আবূ মুহাম্মদের বক্তব্য শুনালাম। উবাদা (রাঃ) বললেন: আবূ মুহাম্মদ ভুল বলেছেন।[২] আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ্ তা‘আলা বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। যে ব্যক্তি এই পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবে এবং এগুলোর মধ্যে কোন সালাত হালকা জ্ঞানে ছেড়ে দেবে না, তার জন্য আল্লাহ্‌র ওয়াদা হলো-তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। যে ব্যক্তি এই পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবেনা, তার জন্য আল্লাহ্‌র কোন ওয়াদা নেই। ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তি দিতে পারেন আবার ইচ্ছা করলে জান্নাতেও প্রবেশ করাতে পারেন।

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن ابن محيريز، أن رجلا من بني كنانة يدعى المخدجي: سمع رجلا بالشام يكنى أبا محمد يقول الوتر واجب. قال المخدجي: فرحت إلى عبادة بن الصامت فاعترضت له وهو رائح إلى المسجد فأخبرته بالذي قال أبو محمد: فقال عبادة: كذب أبو محمد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «خمس صلوات كتبهن الله على العباد من جاء بهن لم يضيع منهن شيئا استخفافا بحقهن كان له عند الله عهد أن يدخله الجنة، ومن لم يأت بهن فليس له عند الله عهد إن شاء عذبه، وإن شاء أدخله الجنة»


সুনান নাসাঈ > পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের ফযীলত

সুনান নাসাঈ ৪৬২

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن ابن الهاد، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «أرأيتم لو أن نهرا بباب أحدكم يغتسل منه كل يوم خمس مرات هل يبقى من درنه شيء؟» قالوا: لا يبقى من درنه شيء. قال: «فكذلك مثل الصلوات الخمس يمحو الله بهن الخطايا»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের কারো গৃহদ্বারে যদি নহর (প্রবাহিত) থাকে এবং সে যদি তাতে প্রতিদিন পাঁচবার গোসল করে, তবে কি তার শরীরে কোন প্রকার ময়লা থাকতে পারে? সাহাবায়ে কিরাম বললেন, না তার শরীরের কোন ময়লা থাকতে পারে না। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের দৃষ্টান্তও এরূপ। পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের দ্বারা আল্লাহ্ গুনাহসমূহ মিটিয়ে দেন।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের কারো গৃহদ্বারে যদি নহর (প্রবাহিত) থাকে এবং সে যদি তাতে প্রতিদিন পাঁচবার গোসল করে, তবে কি তার শরীরে কোন প্রকার ময়লা থাকতে পারে? সাহাবায়ে কিরাম বললেন, না তার শরীরের কোন ময়লা থাকতে পারে না। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের দৃষ্টান্তও এরূপ। পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের দ্বারা আল্লাহ্ গুনাহসমূহ মিটিয়ে দেন।

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن ابن الهاد، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «أرأيتم لو أن نهرا بباب أحدكم يغتسل منه كل يوم خمس مرات هل يبقى من درنه شيء؟» قالوا: لا يبقى من درنه شيء. قال: «فكذلك مثل الصلوات الخمس يمحو الله بهن الخطايا»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00