সুনান নাসাঈ > সালাতের ফরযসমূহ এবং আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের বর্ণনাকারীদের সনদ সম্পর্কিত মতভেদ ও শব্দ প্রয়োগে তাঁদের বিভিন্নতা

সুনান নাসাঈ ৪৪৯

أخبرنا يونس بن عبد الأعلى قال: حدثنا ابن وهب قال: أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أنس بن مالك وابن حزم، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " فرض الله عز وجل على أمتي خمسين صلاة فرجعت بذلك حتى أمر بموسى عليه السلام فقال: ما فرض ربك على أمتك؟ قلت: فرض عليهم خمسين صلاة. قال لي موسى: فراجع ربك عز وجل؛ فإن أمتك لا تطيق ذلك. فراجعت ربي عز وجل فوضع شطرها، فرجعت إلى موسى فأخبرته فقال: راجع ربك؛ فإن أمتك لا تطيق ذلك. فراجعت ربي عز وجل فقال: هي خمس وهي خمسون لا يبدل القول لدي. فرجعت إلى موسى فقال: راجع ربك. فقلت: قد استحييت من ربي عز وجل "

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: আল্লাহ পাক আমার উম্মতের উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেন। আমি ঐ পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত নিয়ে মূসা (আঃ) -এর নিকট ফিরে আসলাম। তখন মূসা (আঃ) আমাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, আপনার প্রতিপালক আপনার উম্মতের উপর কি ফরয করেছেন? তখন আমি বললাম, পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। মূসা (আঃ) আমাকে বললেন যে, আপনি আবার আপনার প্রতিপালকের নিকট হাযির হোন। কারণ আপনার উম্মত পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত আদায় করতে সক্ষম হবে না। তারপর আমি আমার প্রতিপালক নিকট উপস্থিত হলাম। আল্লাহ পাক পঞ্চাশ ওয়াক্ত থেকে কিছু কমিয়ে দিলেন। আমি মূসা (আঃ) -এর নিকট এসে তাঁকে এ বিষয়ে অবহিত করলাম। তিনি বললেন, আপনি আবার হাযির হোন। কেননা আপনার উম্মত তা আদায় করতে সক্ষম হবে না। পরে আমি আবার আমার প্রতিপালকের নিকট উপস্থিত হলাম। তখন আল্লাহ পাক বললেন, এটা (গণনার) পাঁচ কিন্তু (প্রতিদানে) এ পাঁচ ওয়াক্ত সালাতই পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাতের সমান এটাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। আমার সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হয় না। তারপর আমি মূসা (আঃ) -এর নিকট ফিরে যাই। মূসা (আঃ) বললেন, আবার আপনার প্রতিপালকের নিকট হাযির হোন। তখন আমি বললাম, আমি আমার মহান প্রতিপালকের নিকট এ বিষয় নিয়ে আবার উপস্থিত হতে লজ্জাবোধ করছি।

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: আল্লাহ পাক আমার উম্মতের উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেন। আমি ঐ পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত নিয়ে মূসা (আঃ) -এর নিকট ফিরে আসলাম। তখন মূসা (আঃ) আমাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, আপনার প্রতিপালক আপনার উম্মতের উপর কি ফরয করেছেন? তখন আমি বললাম, পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। মূসা (আঃ) আমাকে বললেন যে, আপনি আবার আপনার প্রতিপালকের নিকট হাযির হোন। কারণ আপনার উম্মত পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত আদায় করতে সক্ষম হবে না। তারপর আমি আমার প্রতিপালক নিকট উপস্থিত হলাম। আল্লাহ পাক পঞ্চাশ ওয়াক্ত থেকে কিছু কমিয়ে দিলেন। আমি মূসা (আঃ) -এর নিকট এসে তাঁকে এ বিষয়ে অবহিত করলাম। তিনি বললেন, আপনি আবার হাযির হোন। কেননা আপনার উম্মত তা আদায় করতে সক্ষম হবে না। পরে আমি আবার আমার প্রতিপালকের নিকট উপস্থিত হলাম। তখন আল্লাহ পাক বললেন, এটা (গণনার) পাঁচ কিন্তু (প্রতিদানে) এ পাঁচ ওয়াক্ত সালাতই পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাতের সমান এটাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। আমার সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হয় না। তারপর আমি মূসা (আঃ) -এর নিকট ফিরে যাই। মূসা (আঃ) বললেন, আবার আপনার প্রতিপালকের নিকট হাযির হোন। তখন আমি বললাম, আমি আমার মহান প্রতিপালকের নিকট এ বিষয় নিয়ে আবার উপস্থিত হতে লজ্জাবোধ করছি।

أخبرنا يونس بن عبد الأعلى قال: حدثنا ابن وهب قال: أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أنس بن مالك وابن حزم، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " فرض الله عز وجل على أمتي خمسين صلاة فرجعت بذلك حتى أمر بموسى عليه السلام فقال: ما فرض ربك على أمتك؟ قلت: فرض عليهم خمسين صلاة. قال لي موسى: فراجع ربك عز وجل؛ فإن أمتك لا تطيق ذلك. فراجعت ربي عز وجل فوضع شطرها، فرجعت إلى موسى فأخبرته فقال: راجع ربك؛ فإن أمتك لا تطيق ذلك. فراجعت ربي عز وجل فقال: هي خمس وهي خمسون لا يبدل القول لدي. فرجعت إلى موسى فقال: راجع ربك. فقلت: قد استحييت من ربي عز وجل "


সুনান নাসাঈ ৪৫১

أخبرنا أحمد بن سليمان قال: حدثنا يحيى بن آدم قال: حدثنا مالك بن مغول، عن الزبير بن عدي، عن طلحة بن مصرف، عن مرة، عن عبد الله قال: لما أسري برسول الله صلى الله عليه وسلم انتهي به إلى سدرة المنتهى وهي في السماء السادسة، وإليها ينتهي ما عرج به من تحتها وإليها ينتهي ما أهبط به من فوقها حتى يقبض منها قال: {إذ يغشى السدرة ما يغشى} [النجم: 16] قال: فراش من ذهب، فأعطي ثلاثا: الصلوات الخمس، وخواتيم سورة البقرة، ويغفر لمن مات من أمته لا يشرك بالله شيئا المقحمات "

আবদুল্লাহ (ইব্‌ন মাসউদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে যখন মি‘রাজের রাতে ভ্রমণ করানো হয়েছিল তখন তাকে সিদরাতুল মুনতাহায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সিদরাতুল মুনতাহা ষষ্ঠ আকাশে অবস্থিত।[১] তার নীচ থেকে যেসব জিনিস (নেক আমল, আত্মা ইত্যাদি) উর্দ্ধে উঠানো হয় এবং তার উপর হতে আল্লাহ্‌র যেসব নির্দেশ অবতীর্ণ হয়, সবকিছুই এখানে পৌঁছে থেমে যায়। তারপর এখান থেকেই তা গ্রহণ করা হয়। আবদুল্লাহ ইব্‌ন মাসউদ এই আয়াতটি তিলাওয়াত করেন: (আরবি) (যখন বৃক্ষটিকে আচ্ছাদিত করল, যা আচ্ছাদিত করার)। (৫৩:১৬) আবদুল্লাহ বলেন, তা হল সোনার প্রজাপতি। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে তিনটি পুরস্কার দেয়া হয়েছে। (১) পাঁচ ওয়াক্ত সালাত, (২) সূরা বাকারার শেষ কয়েকটি আয়াত এবং (৩) তাঁর উম্মতের যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র সাথে কোন কিছুকে শরীক না করে মৃত্যুবরণ করবে, তার মাগফিরাত।

আবদুল্লাহ (ইব্‌ন মাসউদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে যখন মি‘রাজের রাতে ভ্রমণ করানো হয়েছিল তখন তাকে সিদরাতুল মুনতাহায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সিদরাতুল মুনতাহা ষষ্ঠ আকাশে অবস্থিত।[১] তার নীচ থেকে যেসব জিনিস (নেক আমল, আত্মা ইত্যাদি) উর্দ্ধে উঠানো হয় এবং তার উপর হতে আল্লাহ্‌র যেসব নির্দেশ অবতীর্ণ হয়, সবকিছুই এখানে পৌঁছে থেমে যায়। তারপর এখান থেকেই তা গ্রহণ করা হয়। আবদুল্লাহ ইব্‌ন মাসউদ এই আয়াতটি তিলাওয়াত করেন: (আরবি) (যখন বৃক্ষটিকে আচ্ছাদিত করল, যা আচ্ছাদিত করার)। (৫৩:১৬) আবদুল্লাহ বলেন, তা হল সোনার প্রজাপতি। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে তিনটি পুরস্কার দেয়া হয়েছে। (১) পাঁচ ওয়াক্ত সালাত, (২) সূরা বাকারার শেষ কয়েকটি আয়াত এবং (৩) তাঁর উম্মতের যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র সাথে কোন কিছুকে শরীক না করে মৃত্যুবরণ করবে, তার মাগফিরাত।

أخبرنا أحمد بن سليمان قال: حدثنا يحيى بن آدم قال: حدثنا مالك بن مغول، عن الزبير بن عدي، عن طلحة بن مصرف، عن مرة، عن عبد الله قال: لما أسري برسول الله صلى الله عليه وسلم انتهي به إلى سدرة المنتهى وهي في السماء السادسة، وإليها ينتهي ما عرج به من تحتها وإليها ينتهي ما أهبط به من فوقها حتى يقبض منها قال: {إذ يغشى السدرة ما يغشى} [النجم: 16] قال: فراش من ذهب، فأعطي ثلاثا: الصلوات الخمس، وخواتيم سورة البقرة، ويغفر لمن مات من أمته لا يشرك بالله شيئا المقحمات "


সুনান নাসাঈ ৪৪৮

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا هشام الدستوائي، حدثنا قتادة، عن أنس بن مالك، عن مالك بن صعصعة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " بينا أنا عند البيت بين النائم واليقظان إذ أقبل أحد الثلاثة بين الرجلين، فأتيت بطست من ذهب ملآن حكمة وإيمانا، فشق من النحر إلى مراق البطن، فغسل القلب بماء زمزم، ثم ملئ حكمة وإيمانا، ثم أتيت بدابة دون البغل وفوق الحمار، ثم انطلقت مع جبريل عليه السلام فأتينا السماء الدنيا فقيل: من هذا؟ قال: جبريل قيل: ومن معك؟ قال: محمد. قيل: وقد أرسل إليه؟ مرحبا به ونعم المجيء جاء، فأتيت على آدم عليه السلام فسلمت عليه قال: مرحبا بك من ابن ونبي. ثم أتينا السماء الثانية قيل: من هذا؟ قال: جبريل. قيل: ومن معك؟ قال: محمد - فمثل ذلك - فأتيت على يحيى وعيسى فسلمت عليهما فقالا: مرحبا بك من أخ ونبي. ثم أتينا السماء الثالثة , قيل: من هذا؟ قال: جبريل. قيل: ومن معك؟ قال: محمد فمثل ذلك، فأتيت على يوسف عليه السلام , فسلمت عليه , قال: مرحبا بك من أخ ونبي. ثم أتينا السماء الرابعة - فمثل ذلك - فأتيت على إدريس عليه السلام , فسلمت عليه , فقال: مرحبا بك من أخ ونبي. ثم أتينا السماء الخامسة - فمثل ذلك - فأتيت على هارون عليه السلام , فسلمت عليه قال: مرحبا بك من أخ ونبي. ثم أتينا السماء السادسة - فمثل ذلك - ثم أتيت على موسى عليه السلام , فسلمت عليه , فقال: مرحبا بك من أخ ونبي , فلما جاوزته بكى , قيل: ما يبكيك؟ قال: يا رب , هذا الغلام الذي بعثته بعدي , يدخل من أمته الجنة أكثر وأفضل مما يدخل من أمتي ثم أتينا السماء السابعة - فمثل ذلك - فأتيت على إبراهيم عليه السلام , فسلمت عليه , فقال: مرحبا بك من ابن ونبي , ثم رفع لي البيت المعمور , فسألت جبريل فقال: هذا البيت المعمور , يصلي فيه كل يوم سبعون ألف ملك، فإذا خرجوا منه لم يعودوا فيه آخر ما عليهم، ثم رفعت لي سدرة المنتهى فإذا نبقها مثل قلال هجر، وإذا ورقها مثل آذان الفيلة، وإذا في أصلها أربعة أنهار: نهران باطنان، ونهران ظاهران، فسألت جبريل فقال: أما الباطنان ففي الجنة، وأما الظاهران فالفرات والنيل. ثم فرضت علي خمسون صلاة , فأتيت على موسى فقال: ما صنعت؟ قلت: فرضت علي خمسون صلاة. قال: إني أعلم بالناس منك؛ إني عالجت بني إسرائيل أشد المعالجة، وإن أمتك لن يطيقوا ذلك، فارجع إلى ربك , فاسأله أن يخفف عنك، فرجعت إلى ربي , فسألته أن يخفف عني , فجعلها أربعين، ثم رجعت إلى موسى عليه السلام , فقال: ما صنعت؟ قلت: جعلها أربعين , فقال لي مثل مقالته الأولى: فرجعت إلى ربي عز وجل فجعلها ثلاثين، فأتيت على موسى عليه السلام , فأخبرته , فقال لي مثل مقالته الأولى، فرجعت إلى ربي , فجعلها عشرين , ثم عشرة , ثم خمسة، فأتيت على موسى عليه السلام , فقال لي مثل مقالته الأولى , فقلت: إني أستحي من ربي عز وجل أن أرجع إليه، فنودي: أن قد أمضيت فريضتي , وخففت عن عبادي , وأجزي بالحسنة عشر أمثالها "

মালিক ইব্‌ন সা‘সা‘আ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আমি কা‘বার নিকট তন্দ্রাচ্ছন্নাবস্থায় ছিলাম। হঠাৎ দেখতে পেলাম, তিনজনের একটি দলের মধ্যবর্তী ব্যক্তিটি এগিয়ে আসল। আমার নিকট হিকমত ও ঈমানে পরিপূর্ণ একটি স্বর্ণের পাত্র আনা হলো। তারপর ঐ ব্যক্তি আমার সিনার অগ্রভাগ থেকে নাভি পর্যন্ত বিদীর্ণ করলো। তারপর যমযমের পানি দ্বারা ‘কল্ব’ ধৌত করলো। তারপর হিকমত ও ঈমান দ্বারা তা ভরে দেয়া হলো। পরে আমার নিকট আকারে খচ্চরের চেয়ে ছোট এবং গাধার চেয়ে বড় এরূপ একটি জন্তু আনা হলো। আমি জিব্রাঈল (আঃ) -এর সঙ্গে চলতে থাকি। পরে আমরা দুনিয়ার (নিকটবর্তী) আকাশ পর্যন্ত পৌঁছি। তখন বলা হলো, কে? জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, (আমি) জিব্রাঈল। জিজ্ঞাসা করা হলো, আপনার সঙ্গে কে? জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। বলা হলো, তাঁকে আনার জন্য কি দূত প্রেরণ করা হয়েছে? তাঁকে স্বাগতম, তাঁর আগমন কতই না শুভ। এরপর আমি আদম (আঃ) -এর নিকট আসলাম, তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেন, স্বাগতম (হে) পুত্র ও নবী। তারপরে আমার দ্বিতীয় আসমানে আসলাম। জিজ্ঞাসা করা হলো, কে? জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, (আমি) জিব্রাঈল। বলা হলো, আপনার সঙ্গে কে? জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। পূর্ববৎ তাঁকে স্বাগতম জানানো হলো। এরপর আমি ইয়াহ্ইয়া ও ঈসা (আঃ) -এর নিকট আসলাম এবং তাঁদের উভয়কে সালাম করলাম। তাঁরা বললেন, স্বাগতম (হে) ভাই ও নবী। তারপর আমরা তৃতীয় আসমানে আসলাম। এখানেও জিজ্ঞাসা করা হলো, কে? তিনি বললেন, আমি জিব্রাইল। বলা হলো, আপনার সঙ্গে কে? তিনি বললেন, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। পূর্ববৎ তাঁকে স্বাগতম জানানো হলো। এখানে আমি ইউসুফ (আঃ) -এর নিকট আসলাম এবং তাঁকে সালাম করলাম। তিনিও বললেন স্বাগতম (হে) ভাই ও নবী। এর আমরা চতুর্থ আসমানে আসলাম। এখানেও পূর্ববৎ প্রশ্নোত্তর ও সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হলো। তারপর আমি ইদ্রীস (আঃ) -এর নিকট আসলাম এবং তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেন, স্বাগতম (হে) ভাই ও নবী। এরপর আমরা পঞ্চম আসমানে আসলাম। এখানেও পূর্ববৎ প্রশ্নোত্তর হলো ও সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হলো। পরে আমি হারুন (আঃ) -এর নিকট আসলাম এবং তাঁকে সালাম করলাম। তিনি স্বাগতম (হে) ভাই ও নবী। এরপর আমরা ষষ্ঠ আসমানে আসলাম। এখানেও প্রশ্ন উত্তর সম্বর্ধনার পর আমি মূসা (আঃ) -এর নিকট আসলাম এবং তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেন, স্বাগতম (হে) ভাই ও নবী। আমি যখন তাঁকে অতিক্রম করে যাই, তখন তিনি কাঁদতে থাকেন। জিজ্ঞাসা করা হলো, আপনি কাঁদছেন কেন? তিনি বললেন হে আমার রব! এ যুবক, যাকে আপনি আমার পর নবীরূপে প্রেরণ করেছেন, আমার উম্মত হতে যত সংখ্যক লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে, তাঁর উম্মত থেকে তার চেয়ে অধিক সংখ্যক লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাঁরা মর্যাদায় হবেন শ্রেষ্ঠতর। তারপর আমরা সপ্তম আসমানে আসলাম। এখানেও পূর্বের ন্যায় প্রশ্ন-উত্তর ও সম্বর্ধনার পর আমি ইবরাহীম (আঃ) -এর সঙ্গে সাক্ষাত করলাম। তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেন, খোশ আমদেদ (হে) পুত্র ও নবী। তারপর আমার সামনে বায়তুল মা‘মূর তুলে ধরা হলো। আমি জিব্রাঈল (আঃ) -কে জিজ্ঞাসা করলাম, এ কোন স্থান? তিনি বললেন, এ বায়তুল মা‘মূর। এখানে প্রতিদিন সত্তর হাজার ফেরেশ্তা সালাত আদায় করেন। একদিনে যারা এখানে সালাত আদায় করেন, তারা এখানে কোন দিন প্রত্যাবর্তন করবেন না। এটাই তাদের শেষ (প্রবেশ)। তারপর সামনে ‘সিদরাতুল মুনতাহা’ তুলে ধরা হলো। তার (সিদরাতুল মুনতাহার) গাছের ফল আকারে হাজর (নামক স্থান-এর) কলসীর ন্যায় এবং পাতাগুলো হাতির কানের মত এবং দেখলাম যে, তার মূল হতে চারটি নহর প্রবহমান। দু’টি অপ্রকাশ্য ও দু’টি প্রকাশ্য। আমি জিব্রাইল (আঃ) -কে এগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, অপ্রকাশ্য নহর দু’টি জান্নাতে প্রবহমান। আর প্রকাশ্য নহর দু’টির একটি ফুরাত ও অন্যটি নীল। তারপর আমার উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করা হলো। ফেরার পথে আমি মূসা (আঃ) -এর নিকট এলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি কি করে আসলেন? বললাম, আমার উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করা হয়েছে। তিনি বললেন, আমি মানুষের (প্রকৃতি) সম্পর্কে আপনার চেয়ে অধিক অবগত। আমি বনী ইসরাঈলকে নিয়ে কঠিনভাবে চেষ্টা করেছি। একথা নিশ্চিত যে, এগুলো আদায় করতে আপনার উম্মত সক্ষম হবে না। আপনি আপনার রবের নিকট ফিরে যান এবং এ নির্দেশ সহজ করে নিয়ে আসুন। আমি আমার প্রতিপালকের নিকট পুনরায় গেলাম এবং এ বিধান সহজ করার আবেদন জানালাম। এতে তিনি চল্লিশ ওয়াক্ত করে দিলেন। আমি আবার মূসা (আঃ) -এর নিকট এলাম। তিনি বললেন, আপনি কি করে আসলেন? আমি বললাম, চল্লিশ ওয়াক্ত করে দিয়েছেন। তিনি এবারও আমাকে পূর্বের ন্যায় বললেন। আমি আমার মহান প্রতিপালকের নিকট ফিরে গেলাম। তিনি এবার ত্রিশ ওয়াক্ত করে দিলেন। আমি আবার মূসা (আঃ) -এর নিকট এলাম এবং তাঁকে অবহিত করলাম। তিনি আমাকে পূর্বের মত বললেন। আমি আবার প্রতিপালকের নিকট হাযির হলাম। তিনি বিশ ওয়াক্ত করে দিলেন। এরপর দশ ওয়াক্ত এবং তারপর পাঁচ ওয়াক্ত করে দিলেন। এরপরে আমি মূসা (আঃ) -এর নিকট এলাম। তিনি পূর্বের মত একই কথা বললেন। আমি বললাম, আমি আবার আল্লাহর নিকট যেতে লজ্জাবোধ করছি। তারপর আল্লাহর তরফ থেকে ঘোষণা দেয়া হলো, আমি আমার বিধান চূড়ান্ত করলাম এবং আমার বান্দাদের জন্য সহজ করে দিলাম। আর আমি একটি নেক কাজের বিনিময় দশটি প্রতিদান দেব।

মালিক ইব্‌ন সা‘সা‘আ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আমি কা‘বার নিকট তন্দ্রাচ্ছন্নাবস্থায় ছিলাম। হঠাৎ দেখতে পেলাম, তিনজনের একটি দলের মধ্যবর্তী ব্যক্তিটি এগিয়ে আসল। আমার নিকট হিকমত ও ঈমানে পরিপূর্ণ একটি স্বর্ণের পাত্র আনা হলো। তারপর ঐ ব্যক্তি আমার সিনার অগ্রভাগ থেকে নাভি পর্যন্ত বিদীর্ণ করলো। তারপর যমযমের পানি দ্বারা ‘কল্ব’ ধৌত করলো। তারপর হিকমত ও ঈমান দ্বারা তা ভরে দেয়া হলো। পরে আমার নিকট আকারে খচ্চরের চেয়ে ছোট এবং গাধার চেয়ে বড় এরূপ একটি জন্তু আনা হলো। আমি জিব্রাঈল (আঃ) -এর সঙ্গে চলতে থাকি। পরে আমরা দুনিয়ার (নিকটবর্তী) আকাশ পর্যন্ত পৌঁছি। তখন বলা হলো, কে? জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, (আমি) জিব্রাঈল। জিজ্ঞাসা করা হলো, আপনার সঙ্গে কে? জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। বলা হলো, তাঁকে আনার জন্য কি দূত প্রেরণ করা হয়েছে? তাঁকে স্বাগতম, তাঁর আগমন কতই না শুভ। এরপর আমি আদম (আঃ) -এর নিকট আসলাম, তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেন, স্বাগতম (হে) পুত্র ও নবী। তারপরে আমার দ্বিতীয় আসমানে আসলাম। জিজ্ঞাসা করা হলো, কে? জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, (আমি) জিব্রাঈল। বলা হলো, আপনার সঙ্গে কে? জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। পূর্ববৎ তাঁকে স্বাগতম জানানো হলো। এরপর আমি ইয়াহ্ইয়া ও ঈসা (আঃ) -এর নিকট আসলাম এবং তাঁদের উভয়কে সালাম করলাম। তাঁরা বললেন, স্বাগতম (হে) ভাই ও নবী। তারপর আমরা তৃতীয় আসমানে আসলাম। এখানেও জিজ্ঞাসা করা হলো, কে? তিনি বললেন, আমি জিব্রাইল। বলা হলো, আপনার সঙ্গে কে? তিনি বললেন, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। পূর্ববৎ তাঁকে স্বাগতম জানানো হলো। এখানে আমি ইউসুফ (আঃ) -এর নিকট আসলাম এবং তাঁকে সালাম করলাম। তিনিও বললেন স্বাগতম (হে) ভাই ও নবী। এর আমরা চতুর্থ আসমানে আসলাম। এখানেও পূর্ববৎ প্রশ্নোত্তর ও সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হলো। তারপর আমি ইদ্রীস (আঃ) -এর নিকট আসলাম এবং তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেন, স্বাগতম (হে) ভাই ও নবী। এরপর আমরা পঞ্চম আসমানে আসলাম। এখানেও পূর্ববৎ প্রশ্নোত্তর হলো ও সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হলো। পরে আমি হারুন (আঃ) -এর নিকট আসলাম এবং তাঁকে সালাম করলাম। তিনি স্বাগতম (হে) ভাই ও নবী। এরপর আমরা ষষ্ঠ আসমানে আসলাম। এখানেও প্রশ্ন উত্তর সম্বর্ধনার পর আমি মূসা (আঃ) -এর নিকট আসলাম এবং তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেন, স্বাগতম (হে) ভাই ও নবী। আমি যখন তাঁকে অতিক্রম করে যাই, তখন তিনি কাঁদতে থাকেন। জিজ্ঞাসা করা হলো, আপনি কাঁদছেন কেন? তিনি বললেন হে আমার রব! এ যুবক, যাকে আপনি আমার পর নবীরূপে প্রেরণ করেছেন, আমার উম্মত হতে যত সংখ্যক লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে, তাঁর উম্মত থেকে তার চেয়ে অধিক সংখ্যক লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাঁরা মর্যাদায় হবেন শ্রেষ্ঠতর। তারপর আমরা সপ্তম আসমানে আসলাম। এখানেও পূর্বের ন্যায় প্রশ্ন-উত্তর ও সম্বর্ধনার পর আমি ইবরাহীম (আঃ) -এর সঙ্গে সাক্ষাত করলাম। তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেন, খোশ আমদেদ (হে) পুত্র ও নবী। তারপর আমার সামনে বায়তুল মা‘মূর তুলে ধরা হলো। আমি জিব্রাঈল (আঃ) -কে জিজ্ঞাসা করলাম, এ কোন স্থান? তিনি বললেন, এ বায়তুল মা‘মূর। এখানে প্রতিদিন সত্তর হাজার ফেরেশ্তা সালাত আদায় করেন। একদিনে যারা এখানে সালাত আদায় করেন, তারা এখানে কোন দিন প্রত্যাবর্তন করবেন না। এটাই তাদের শেষ (প্রবেশ)। তারপর সামনে ‘সিদরাতুল মুনতাহা’ তুলে ধরা হলো। তার (সিদরাতুল মুনতাহার) গাছের ফল আকারে হাজর (নামক স্থান-এর) কলসীর ন্যায় এবং পাতাগুলো হাতির কানের মত এবং দেখলাম যে, তার মূল হতে চারটি নহর প্রবহমান। দু’টি অপ্রকাশ্য ও দু’টি প্রকাশ্য। আমি জিব্রাইল (আঃ) -কে এগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, অপ্রকাশ্য নহর দু’টি জান্নাতে প্রবহমান। আর প্রকাশ্য নহর দু’টির একটি ফুরাত ও অন্যটি নীল। তারপর আমার উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করা হলো। ফেরার পথে আমি মূসা (আঃ) -এর নিকট এলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি কি করে আসলেন? বললাম, আমার উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করা হয়েছে। তিনি বললেন, আমি মানুষের (প্রকৃতি) সম্পর্কে আপনার চেয়ে অধিক অবগত। আমি বনী ইসরাঈলকে নিয়ে কঠিনভাবে চেষ্টা করেছি। একথা নিশ্চিত যে, এগুলো আদায় করতে আপনার উম্মত সক্ষম হবে না। আপনি আপনার রবের নিকট ফিরে যান এবং এ নির্দেশ সহজ করে নিয়ে আসুন। আমি আমার প্রতিপালকের নিকট পুনরায় গেলাম এবং এ বিধান সহজ করার আবেদন জানালাম। এতে তিনি চল্লিশ ওয়াক্ত করে দিলেন। আমি আবার মূসা (আঃ) -এর নিকট এলাম। তিনি বললেন, আপনি কি করে আসলেন? আমি বললাম, চল্লিশ ওয়াক্ত করে দিয়েছেন। তিনি এবারও আমাকে পূর্বের ন্যায় বললেন। আমি আমার মহান প্রতিপালকের নিকট ফিরে গেলাম। তিনি এবার ত্রিশ ওয়াক্ত করে দিলেন। আমি আবার মূসা (আঃ) -এর নিকট এলাম এবং তাঁকে অবহিত করলাম। তিনি আমাকে পূর্বের মত বললেন। আমি আবার প্রতিপালকের নিকট হাযির হলাম। তিনি বিশ ওয়াক্ত করে দিলেন। এরপর দশ ওয়াক্ত এবং তারপর পাঁচ ওয়াক্ত করে দিলেন। এরপরে আমি মূসা (আঃ) -এর নিকট এলাম। তিনি পূর্বের মত একই কথা বললেন। আমি বললাম, আমি আবার আল্লাহর নিকট যেতে লজ্জাবোধ করছি। তারপর আল্লাহর তরফ থেকে ঘোষণা দেয়া হলো, আমি আমার বিধান চূড়ান্ত করলাম এবং আমার বান্দাদের জন্য সহজ করে দিলাম। আর আমি একটি নেক কাজের বিনিময় দশটি প্রতিদান দেব।

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا هشام الدستوائي، حدثنا قتادة، عن أنس بن مالك، عن مالك بن صعصعة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " بينا أنا عند البيت بين النائم واليقظان إذ أقبل أحد الثلاثة بين الرجلين، فأتيت بطست من ذهب ملآن حكمة وإيمانا، فشق من النحر إلى مراق البطن، فغسل القلب بماء زمزم، ثم ملئ حكمة وإيمانا، ثم أتيت بدابة دون البغل وفوق الحمار، ثم انطلقت مع جبريل عليه السلام فأتينا السماء الدنيا فقيل: من هذا؟ قال: جبريل قيل: ومن معك؟ قال: محمد. قيل: وقد أرسل إليه؟ مرحبا به ونعم المجيء جاء، فأتيت على آدم عليه السلام فسلمت عليه قال: مرحبا بك من ابن ونبي. ثم أتينا السماء الثانية قيل: من هذا؟ قال: جبريل. قيل: ومن معك؟ قال: محمد - فمثل ذلك - فأتيت على يحيى وعيسى فسلمت عليهما فقالا: مرحبا بك من أخ ونبي. ثم أتينا السماء الثالثة , قيل: من هذا؟ قال: جبريل. قيل: ومن معك؟ قال: محمد فمثل ذلك، فأتيت على يوسف عليه السلام , فسلمت عليه , قال: مرحبا بك من أخ ونبي. ثم أتينا السماء الرابعة - فمثل ذلك - فأتيت على إدريس عليه السلام , فسلمت عليه , فقال: مرحبا بك من أخ ونبي. ثم أتينا السماء الخامسة - فمثل ذلك - فأتيت على هارون عليه السلام , فسلمت عليه قال: مرحبا بك من أخ ونبي. ثم أتينا السماء السادسة - فمثل ذلك - ثم أتيت على موسى عليه السلام , فسلمت عليه , فقال: مرحبا بك من أخ ونبي , فلما جاوزته بكى , قيل: ما يبكيك؟ قال: يا رب , هذا الغلام الذي بعثته بعدي , يدخل من أمته الجنة أكثر وأفضل مما يدخل من أمتي ثم أتينا السماء السابعة - فمثل ذلك - فأتيت على إبراهيم عليه السلام , فسلمت عليه , فقال: مرحبا بك من ابن ونبي , ثم رفع لي البيت المعمور , فسألت جبريل فقال: هذا البيت المعمور , يصلي فيه كل يوم سبعون ألف ملك، فإذا خرجوا منه لم يعودوا فيه آخر ما عليهم، ثم رفعت لي سدرة المنتهى فإذا نبقها مثل قلال هجر، وإذا ورقها مثل آذان الفيلة، وإذا في أصلها أربعة أنهار: نهران باطنان، ونهران ظاهران، فسألت جبريل فقال: أما الباطنان ففي الجنة، وأما الظاهران فالفرات والنيل. ثم فرضت علي خمسون صلاة , فأتيت على موسى فقال: ما صنعت؟ قلت: فرضت علي خمسون صلاة. قال: إني أعلم بالناس منك؛ إني عالجت بني إسرائيل أشد المعالجة، وإن أمتك لن يطيقوا ذلك، فارجع إلى ربك , فاسأله أن يخفف عنك، فرجعت إلى ربي , فسألته أن يخفف عني , فجعلها أربعين، ثم رجعت إلى موسى عليه السلام , فقال: ما صنعت؟ قلت: جعلها أربعين , فقال لي مثل مقالته الأولى: فرجعت إلى ربي عز وجل فجعلها ثلاثين، فأتيت على موسى عليه السلام , فأخبرته , فقال لي مثل مقالته الأولى، فرجعت إلى ربي , فجعلها عشرين , ثم عشرة , ثم خمسة، فأتيت على موسى عليه السلام , فقال لي مثل مقالته الأولى , فقلت: إني أستحي من ربي عز وجل أن أرجع إليه، فنودي: أن قد أمضيت فريضتي , وخففت عن عبادي , وأجزي بالحسنة عشر أمثالها "


সুনান নাসাঈ ৪৫০

أخبرنا عمرو بن هشام قال: حدثنا مخلد، عن سعيد بن عبد العزيز قال: حدثنا يزيد بن أبي مالك قال: حدثنا أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " أتيت بدابة فوق الحمار ودون البغل خطوها عند منتهى طرفها، فركبت ومعي جبريل عليه السلام فسرت فقال: انزل فصل ففعلت. فقال: أتدري أين صليت؟ صليت بطيبة وإليها المهاجر، ثم قال: انزل فصل فصليت، فقال: أتدري أين صليت؟ صليت بطور سيناء حيث كلم الله عز وجل موسى عليه السلام، ثم قال: انزل فصل فنزلت فصليت. فقال: أتدري أين صليت؟ صليت ببيت لحم حيث ولد عيسى عليه السلام. ثم دخلت بيت المقدس فجمع لي الأنبياء عليهم السلام , فقدمني جبريل حتى أممتهم، ثم صعد بي إلى السماء الدنيا , فإذا فيها آدم عليه السلام، ثم صعد بي إلى السماء الثانية , فإذا فيها ابنا الخالة عيسى ويحيى عليهما السلام، ثم صعد بي إلى السماء الثالثة فإذا فيها يوسف عليه السلام، ثم صعد بي إلى السماء الرابعة , فإذا فيها هارون عليه السلام، ثم صعد بي إلى السماء الخامسة فإذا فيها إدريس عليه السلام، ثم صعد بي إلى السماء السادسة فإذا فيها موسى عليه السلام، ثم صعد بي إلى السماء السابعة , فإذا فيها إبراهيم عليه السلام. ثم صعد بي فوق سبع سماوات فأتينا سدرة المنتهى، فغشيتني ضبابة , فخررت ساجدا , فقيل لي: إني يوم خلقت السماوات والأرض فرضت عليك وعلى أمتك خمسين صلاة، فقم بها أنت وأمتك، فرجعت إلى إبراهيم فلم يسألني عن شيء، ثم أتيت على موسى فقال: كم فرض الله عليك وعلى أمتك؟ قلت: خمسين صلاة , قال: فإنك لا تستطيع أن تقوم بها أنت ولا أمتك , فارجع إلى ربك فاسأله التخفيف، فرجعت إلى ربي فخفف عني عشرا، ثم أتيت موسى فأمرني بالرجوع فرجعت فخفف عني عشرا، ثم ردت إلى خمس صلوات. قال: فارجع إلى ربك , فاسأله التخفيف؛ فإنه فرض على بني إسرائيل صلاتين , فما قاموا بهما. فرجعت إلى ربي عز وجل , فسألته التخفيف , فقال: إني يوم خلقت السماوات والأرض فرضت عليك وعلى أمتك خمسين صلاة فخمس بخمسين، فقم بها أنت وأمتك. فعرفت أنها من الله تبارك وتعالى صرى، فرجعت إلى موسى عليه السلام فقال: ارجع فعرفت أنها من الله صرى - أي: حتم - فلم أرجع " --- [حكم الألباني] منكر

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আমার সামনে এমন একটি জন্তু আনা হলো যা আকারে গাধা থেকে বড় এবং খচ্চর থেকে ছোট এবং যার কদম পড়ত দৃষ্টির শেষ সীমায়। আমি তার উপর আরোহণ করলাম। জিব্রাঈল (আঃ) আমার সঙ্গে ছিলেন। আমরা সফর করলাম (মদীনা পর্যন্ত)। জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, আপনি নেমে সালাত আদায় করুন। আমি সালাত আদায় করলাম। জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, আপনি কোথায় সালাত আদায় করেছেন তা কি জানেন? আপনি সালাত আদায় করেছেন তায়বায়। এ শহরেই আপনি হিজরত করবেন। আবার জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, আপনি অবতরণ করে সালাত আদায় করুন। আমি তখন নেমে সালাত আদায় করলাম। জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, আপনি কি জানেন কোন জায়গায় সালাত আদায় করেছেন? আপনি ‘তূরে সায়ন’ নামক স্থানে সালাত আদায় করেছেন। যেখানে আল্লাহ পাক মূসা (আঃ) -এর সাথে কথা বলেছিলেন। তারপর আবার এক স্থানে গিয়ে জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, অবতরণ করে সালাত আদায় করুন। আমি তা-ই করলাম। জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, আপনি কি জানেন, আপনি কোথায় সালাত আদায় করেছেন? আপনি ‘বায়ত লাহম’ নামক স্থানে সালাত আদায় করেছেন। যেখানে হয়রত ঈসা (আঃ) জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তারপর আমি ‘বায়তুল মাকদিস’-এ প্রবেশ করলাম এবং সমস্ত নবীকে আমার নিকট একত্র করা হলো এবং জিব্রাঈল (আঃ) আমাকে সম্মুখে এগিয়ে দিলেন আমি সকলের ইমামতি করলাম। তারপর আমাকে নিয়ে প্রথম আসমানে উঠলেন। সেখানে আদম (আঃ) -এর সাক্ষাত লাভ করলাম। পরে আমাকে নিয়ে দ্বিতীয় আসমানে উঠলেন। সেখানে পরপর দু’খালাত ভাই ঈসা (আঃ) ও ইয়াহইয়া (আঃ) -এর সাথে সাক্ষাত হলো। তারপর আমাকে নিয়ে তৃতীয় আসমানে উঠলেন, সেখানে ইউসুফ (আঃ) -এর সাথে দেখা হলো। এরপর আমাকে নিয়ে চতুর্থ আসমানে উঠলেন এবং সেখানে হারুন (আঃ) -এর সাথে সাক্ষাত হলো। তারপর আমাকে নিয়ে পঞ্চম আসমানে উঠলেন সেখানে ইদ্রিস (আঃ) -এর সাথে সাক্ষাত হলো। তারপর আমাকে নিয়ে ষষ্ঠ আসমানে উঠলেন। সেখানে মূসা (আঃ) -এর সাক্ষাত হলো। তারপর আমাকে সপ্তম আসমানে নিয়ে গেলেন এবং সেখানে ইবরাহীম (আঃ) -এর সাথে সাক্ষাত হলো। এরপর আমাকে নিয়ে সপ্তম আসমানের উপরে উঠলেন। তখন আমরা সিদরাতুল মুনতাহায় উপনীত হলাম। সেখানে একখন্ড ধুঁয়াশা আমাকে আচ্ছন্ন করে ফেলল-আমি সিজদায় পড়ে গেলাম। তখন আমাকে বলা হলো-যেদিন আমি এ আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছি, সেদিন আপনার উপর ও আপনার উম্মতের উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছি। সুতরাং আপনি এবং আপনার উম্মত এই সালাত কায়েম করুন। তখন আমি ইবরাহীম (আঃ) -এর নিকট প্রত্যাবর্তন করলাম। তিনি আমাকে কিছুই জিজ্ঞাসা করলেন না। পরে মূসা (আঃ) -এর নিকট আসলাম। তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, আপনার এবং আপনার উম্মতের উপর আল্লাহ কি ফরয করেছেন? আমি বললাম পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। তখন মূসা (আঃ) বললেন, নিশ্চয়ই আপনি এবং আপনার উম্মত পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত যথাযথ আদায় করতে সক্ষম হবেন না। আপনি আপনার প্রতিপালকের নিকট ফিরে যান এবং কমানোর জন্য আরয করুন। আমি প্রতিপালকের নিকট ফিরে গেলাম। তিনি আমার থেকে দশ ওয়াক্ত কমিয়ে দিলেন। তারপর আবার মূসা (আঃ) -এর নিকট আসলাম। তিনি আমাকে পুনরায় ফিরে যেতে বললেন। আমি ফিরে গেলাম। তখন তিনি আরো দশ ওয়াক্ত কমিয়ে দিলেন। তারপর মূসা (আঃ) -এর নিকট আসার পর তিনি আমাকে পুনরায় ফিরে যেতে বললেন, আমি আবার ফিরে গেলাম। তিনি দশ ওয়াক্ত কমিয়ে দিলেন। তারপর সর্বশেষ সালাতকে পাঁচ ওয়াক্তে পরিণত করা হলো। মূসা (আঃ) বললেন, আপনি পুনরায় প্রতিপালকের নিকট ফিরে যান এবং সালাত আরও কমানোর আবেদন করুন। কেননা আল্লাহ বনী ইসরাঈলের উপর শুধু দুই ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছিলেন। তারা এই দুই ওয়াক্তও আদায় করেনি। তখন আমি আবার আল্লাহর নিকট ফিরে গিয়ে সালাত কমিয়ে দেয়ার জন্য আরয করলাম। তখন তিনি বললেন, নিশ্চয়ই আমি যেদিন এই আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছি সেদিন আপনার এবং আপনার উম্মতের উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছি। আর এই পাঁচ ওয়াক্ত পঞ্চাশ ওয়াক্তের সমান বলে গণ্য হবে। আপনি ও আপনার উম্মত এটা আদায় করুন। তখন আমি বুঝতে পারলাম যে, এই পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আল্লাহ পাকে পক্ষ হতে অবশ্য পালনীয়। এরপর আমি মূসা (আঃ) -এর নিকট ফিরে আসলাম। এবারও তিনি আমাকে ফিরে যেতে বললেন। কিন্তু আমি বুঝতে পারলাম যে পাঁচ ওয়াক্ত আল্লাহ্‌র পক্ষ হতে অবশ্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তাই আমি আর ফিরে গেলাম না।

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আমার সামনে এমন একটি জন্তু আনা হলো যা আকারে গাধা থেকে বড় এবং খচ্চর থেকে ছোট এবং যার কদম পড়ত দৃষ্টির শেষ সীমায়। আমি তার উপর আরোহণ করলাম। জিব্রাঈল (আঃ) আমার সঙ্গে ছিলেন। আমরা সফর করলাম (মদীনা পর্যন্ত)। জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, আপনি নেমে সালাত আদায় করুন। আমি সালাত আদায় করলাম। জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, আপনি কোথায় সালাত আদায় করেছেন তা কি জানেন? আপনি সালাত আদায় করেছেন তায়বায়। এ শহরেই আপনি হিজরত করবেন। আবার জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, আপনি অবতরণ করে সালাত আদায় করুন। আমি তখন নেমে সালাত আদায় করলাম। জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, আপনি কি জানেন কোন জায়গায় সালাত আদায় করেছেন? আপনি ‘তূরে সায়ন’ নামক স্থানে সালাত আদায় করেছেন। যেখানে আল্লাহ পাক মূসা (আঃ) -এর সাথে কথা বলেছিলেন। তারপর আবার এক স্থানে গিয়ে জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, অবতরণ করে সালাত আদায় করুন। আমি তা-ই করলাম। জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, আপনি কি জানেন, আপনি কোথায় সালাত আদায় করেছেন? আপনি ‘বায়ত লাহম’ নামক স্থানে সালাত আদায় করেছেন। যেখানে হয়রত ঈসা (আঃ) জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তারপর আমি ‘বায়তুল মাকদিস’-এ প্রবেশ করলাম এবং সমস্ত নবীকে আমার নিকট একত্র করা হলো এবং জিব্রাঈল (আঃ) আমাকে সম্মুখে এগিয়ে দিলেন আমি সকলের ইমামতি করলাম। তারপর আমাকে নিয়ে প্রথম আসমানে উঠলেন। সেখানে আদম (আঃ) -এর সাক্ষাত লাভ করলাম। পরে আমাকে নিয়ে দ্বিতীয় আসমানে উঠলেন। সেখানে পরপর দু’খালাত ভাই ঈসা (আঃ) ও ইয়াহইয়া (আঃ) -এর সাথে সাক্ষাত হলো। তারপর আমাকে নিয়ে তৃতীয় আসমানে উঠলেন, সেখানে ইউসুফ (আঃ) -এর সাথে দেখা হলো। এরপর আমাকে নিয়ে চতুর্থ আসমানে উঠলেন এবং সেখানে হারুন (আঃ) -এর সাথে সাক্ষাত হলো। তারপর আমাকে নিয়ে পঞ্চম আসমানে উঠলেন সেখানে ইদ্রিস (আঃ) -এর সাথে সাক্ষাত হলো। তারপর আমাকে নিয়ে ষষ্ঠ আসমানে উঠলেন। সেখানে মূসা (আঃ) -এর সাক্ষাত হলো। তারপর আমাকে সপ্তম আসমানে নিয়ে গেলেন এবং সেখানে ইবরাহীম (আঃ) -এর সাথে সাক্ষাত হলো। এরপর আমাকে নিয়ে সপ্তম আসমানের উপরে উঠলেন। তখন আমরা সিদরাতুল মুনতাহায় উপনীত হলাম। সেখানে একখন্ড ধুঁয়াশা আমাকে আচ্ছন্ন করে ফেলল-আমি সিজদায় পড়ে গেলাম। তখন আমাকে বলা হলো-যেদিন আমি এ আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছি, সেদিন আপনার উপর ও আপনার উম্মতের উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছি। সুতরাং আপনি এবং আপনার উম্মত এই সালাত কায়েম করুন। তখন আমি ইবরাহীম (আঃ) -এর নিকট প্রত্যাবর্তন করলাম। তিনি আমাকে কিছুই জিজ্ঞাসা করলেন না। পরে মূসা (আঃ) -এর নিকট আসলাম। তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, আপনার এবং আপনার উম্মতের উপর আল্লাহ কি ফরয করেছেন? আমি বললাম পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। তখন মূসা (আঃ) বললেন, নিশ্চয়ই আপনি এবং আপনার উম্মত পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত যথাযথ আদায় করতে সক্ষম হবেন না। আপনি আপনার প্রতিপালকের নিকট ফিরে যান এবং কমানোর জন্য আরয করুন। আমি প্রতিপালকের নিকট ফিরে গেলাম। তিনি আমার থেকে দশ ওয়াক্ত কমিয়ে দিলেন। তারপর আবার মূসা (আঃ) -এর নিকট আসলাম। তিনি আমাকে পুনরায় ফিরে যেতে বললেন। আমি ফিরে গেলাম। তখন তিনি আরো দশ ওয়াক্ত কমিয়ে দিলেন। তারপর মূসা (আঃ) -এর নিকট আসার পর তিনি আমাকে পুনরায় ফিরে যেতে বললেন, আমি আবার ফিরে গেলাম। তিনি দশ ওয়াক্ত কমিয়ে দিলেন। তারপর সর্বশেষ সালাতকে পাঁচ ওয়াক্তে পরিণত করা হলো। মূসা (আঃ) বললেন, আপনি পুনরায় প্রতিপালকের নিকট ফিরে যান এবং সালাত আরও কমানোর আবেদন করুন। কেননা আল্লাহ বনী ইসরাঈলের উপর শুধু দুই ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছিলেন। তারা এই দুই ওয়াক্তও আদায় করেনি। তখন আমি আবার আল্লাহর নিকট ফিরে গিয়ে সালাত কমিয়ে দেয়ার জন্য আরয করলাম। তখন তিনি বললেন, নিশ্চয়ই আমি যেদিন এই আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছি সেদিন আপনার এবং আপনার উম্মতের উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছি। আর এই পাঁচ ওয়াক্ত পঞ্চাশ ওয়াক্তের সমান বলে গণ্য হবে। আপনি ও আপনার উম্মত এটা আদায় করুন। তখন আমি বুঝতে পারলাম যে, এই পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আল্লাহ পাকে পক্ষ হতে অবশ্য পালনীয়। এরপর আমি মূসা (আঃ) -এর নিকট ফিরে আসলাম। এবারও তিনি আমাকে ফিরে যেতে বললেন। কিন্তু আমি বুঝতে পারলাম যে পাঁচ ওয়াক্ত আল্লাহ্‌র পক্ষ হতে অবশ্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তাই আমি আর ফিরে গেলাম না।

أخبرنا عمرو بن هشام قال: حدثنا مخلد، عن سعيد بن عبد العزيز قال: حدثنا يزيد بن أبي مالك قال: حدثنا أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " أتيت بدابة فوق الحمار ودون البغل خطوها عند منتهى طرفها، فركبت ومعي جبريل عليه السلام فسرت فقال: انزل فصل ففعلت. فقال: أتدري أين صليت؟ صليت بطيبة وإليها المهاجر، ثم قال: انزل فصل فصليت، فقال: أتدري أين صليت؟ صليت بطور سيناء حيث كلم الله عز وجل موسى عليه السلام، ثم قال: انزل فصل فنزلت فصليت. فقال: أتدري أين صليت؟ صليت ببيت لحم حيث ولد عيسى عليه السلام. ثم دخلت بيت المقدس فجمع لي الأنبياء عليهم السلام , فقدمني جبريل حتى أممتهم، ثم صعد بي إلى السماء الدنيا , فإذا فيها آدم عليه السلام، ثم صعد بي إلى السماء الثانية , فإذا فيها ابنا الخالة عيسى ويحيى عليهما السلام، ثم صعد بي إلى السماء الثالثة فإذا فيها يوسف عليه السلام، ثم صعد بي إلى السماء الرابعة , فإذا فيها هارون عليه السلام، ثم صعد بي إلى السماء الخامسة فإذا فيها إدريس عليه السلام، ثم صعد بي إلى السماء السادسة فإذا فيها موسى عليه السلام، ثم صعد بي إلى السماء السابعة , فإذا فيها إبراهيم عليه السلام. ثم صعد بي فوق سبع سماوات فأتينا سدرة المنتهى، فغشيتني ضبابة , فخررت ساجدا , فقيل لي: إني يوم خلقت السماوات والأرض فرضت عليك وعلى أمتك خمسين صلاة، فقم بها أنت وأمتك، فرجعت إلى إبراهيم فلم يسألني عن شيء، ثم أتيت على موسى فقال: كم فرض الله عليك وعلى أمتك؟ قلت: خمسين صلاة , قال: فإنك لا تستطيع أن تقوم بها أنت ولا أمتك , فارجع إلى ربك فاسأله التخفيف، فرجعت إلى ربي فخفف عني عشرا، ثم أتيت موسى فأمرني بالرجوع فرجعت فخفف عني عشرا، ثم ردت إلى خمس صلوات. قال: فارجع إلى ربك , فاسأله التخفيف؛ فإنه فرض على بني إسرائيل صلاتين , فما قاموا بهما. فرجعت إلى ربي عز وجل , فسألته التخفيف , فقال: إني يوم خلقت السماوات والأرض فرضت عليك وعلى أمتك خمسين صلاة فخمس بخمسين، فقم بها أنت وأمتك. فعرفت أنها من الله تبارك وتعالى صرى، فرجعت إلى موسى عليه السلام فقال: ارجع فعرفت أنها من الله صرى - أي: حتم - فلم أرجع " --- [حكم الألباني] منكر


সুনান নাসাঈ > সালাত কোথায় ফরয হয়েছে

সুনান নাসাঈ ৪৫২

أخبرنا سليمان بن داود، عن ابن وهب قال: أخبرني عمرو بن الحارث، أن عبد ربه بن سعيد حدثه، أن البناني حدثه، عن أنس بن مالك، أن «الصلوات فرضت بمكة» وأن «ملكين أتيا رسول الله صلى الله عليه وسلم , فذهبا به إلى زمزم، فشقا بطنه , وأخرجا حشوه في طست من ذهب، فغسلاه بماء زمزم، ثم كبسا جوفه حكمة وعلما»

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সালাত মক্কায় ফরয হয়েছে। দু‘জন ফেরেশতা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসেন। ফেরেশতাদ্বয় তাঁকে নিয়ে যমযমের নিকট যান। তারা তাঁর পেট বিদীর্ণ করেন এবং তাঁর ভেতরের বস্তু বের করে স্বর্ণের পাত্রে রাখেন ও যমযমের পানি দ্বারা ধৌত করেন। তারপর তাঁর মধ্যে ইলম ও হিকমত পূর্ণ করে দেন।

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সালাত মক্কায় ফরয হয়েছে। দু‘জন ফেরেশতা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসেন। ফেরেশতাদ্বয় তাঁকে নিয়ে যমযমের নিকট যান। তারা তাঁর পেট বিদীর্ণ করেন এবং তাঁর ভেতরের বস্তু বের করে স্বর্ণের পাত্রে রাখেন ও যমযমের পানি দ্বারা ধৌত করেন। তারপর তাঁর মধ্যে ইলম ও হিকমত পূর্ণ করে দেন।

أخبرنا سليمان بن داود، عن ابن وهب قال: أخبرني عمرو بن الحارث، أن عبد ربه بن سعيد حدثه، أن البناني حدثه، عن أنس بن مالك، أن «الصلوات فرضت بمكة» وأن «ملكين أتيا رسول الله صلى الله عليه وسلم , فذهبا به إلى زمزم، فشقا بطنه , وأخرجا حشوه في طست من ذهب، فغسلاه بماء زمزم، ثم كبسا جوفه حكمة وعلما»


সুনান নাসাঈ > সালাত কিভাবে ফরয হয়েছে

সুনান নাসাঈ ৪৫৩

أخبرنا إسحاق بن إبراهيم، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة قالت: «أول ما فرضت الصلاة ركعتين فأقرت صلاة السفر وأتمت صلاة الحضر»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: প্রথমত সালাত দুই রাক‘আত করে ফরয হয়েছিল। পরে সফরের সালাত পূর্ববৎ রাখা হয় এবং আবাসে সালাত পূর্ণ করা হয়।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: প্রথমত সালাত দুই রাক‘আত করে ফরয হয়েছিল। পরে সফরের সালাত পূর্ববৎ রাখা হয় এবং আবাসে সালাত পূর্ণ করা হয়।

أخبرنا إسحاق بن إبراهيم، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة قالت: «أول ما فرضت الصلاة ركعتين فأقرت صلاة السفر وأتمت صلاة الحضر»


সুনান নাসাঈ ৪৫৫

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن صالح بن كيسان، عن عروة، عن عائشة قالت: «فرضت الصلاة ركعتين ركعتين، فأقرت صلاة السفر وزيد في صلاة الحضر»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: সালাত দুই দুই রাকআত করে ফরয করা হয়। কিন্তু সফর অবস্থায় সালাত পূর্ববৎ থাকে এবং আবাস অবস্থায় তা বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: সালাত দুই দুই রাকআত করে ফরয করা হয়। কিন্তু সফর অবস্থায় সালাত পূর্ববৎ থাকে এবং আবাস অবস্থায় তা বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن صالح بن كيسان، عن عروة، عن عائشة قالت: «فرضت الصلاة ركعتين ركعتين، فأقرت صلاة السفر وزيد في صلاة الحضر»


সুনান নাসাঈ ৪৫৬

أخبرنا عمرو بن علي قال: حدثنا يحيى وعبد الرحمن قالا: حدثنا أبو عوانة، عن بكير بن الأخنس، عن مجاهد، عن ابن عباس قال: «فرضت الصلاة على لسان النبي صلى الله عليه وسلم في الحضر أربعا، وفي السفر ركعتين، وفي الخوف ركعة»

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপর আবাসে চার রাকআত ও সফর অবস্থায় দুই রাকআত এবং ভয়কালীন অবস্থায় (ইমামের সঙ্গে) এক রাকআত করে সালাত ফরয করা হয়েছে।

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপর আবাসে চার রাকআত ও সফর অবস্থায় দুই রাকআত এবং ভয়কালীন অবস্থায় (ইমামের সঙ্গে) এক রাকআত করে সালাত ফরয করা হয়েছে।

أخبرنا عمرو بن علي قال: حدثنا يحيى وعبد الرحمن قالا: حدثنا أبو عوانة، عن بكير بن الأخنس، عن مجاهد، عن ابن عباس قال: «فرضت الصلاة على لسان النبي صلى الله عليه وسلم في الحضر أربعا، وفي السفر ركعتين، وفي الخوف ركعة»


সুনান নাসাঈ ৪৫৪

أخبرنا محمد بن هاشم البعلبكي قال: أنبأنا الوليد قال: أخبرني أبو عمرو يعني الأوزاعي، أنه سأل الزهري عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم بمكة قبل الهجرة إلى المدينة. قال: أخبرني عروة، عن عائشة قالت: «فرض الله عز وجل الصلاة على رسوله صلى الله عليه وسلم أول ما فرضها ركعتين ركعتين، ثم أتمت في الحضر أربعا، وأقرت صلاة السفر على الفريضة الأولى»

আওযাঈ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি যুহ্রী (রাঃ) -কে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মক্কা থেকে মদীনায় হিজরতের পূর্বেকার সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। তিনি বলেন, উরওয়াহ (রহঃ) আমাকে আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহ তা‘আলা প্রথমত তাঁর রাসূলের উপর দুই-দুই রাকআত সালাত ফরয করেন। পরে আবাসে সালাত চার রাকআত পূর্ণ করা হয় এবং সফরে পূর্বের বিধান অনুযায়ী দুই রাকআতই বহাল রাখা হয়।

আওযাঈ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি যুহ্রী (রাঃ) -কে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মক্কা থেকে মদীনায় হিজরতের পূর্বেকার সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। তিনি বলেন, উরওয়াহ (রহঃ) আমাকে আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহ তা‘আলা প্রথমত তাঁর রাসূলের উপর দুই-দুই রাকআত সালাত ফরয করেন। পরে আবাসে সালাত চার রাকআত পূর্ণ করা হয় এবং সফরে পূর্বের বিধান অনুযায়ী দুই রাকআতই বহাল রাখা হয়।

أخبرنا محمد بن هاشم البعلبكي قال: أنبأنا الوليد قال: أخبرني أبو عمرو يعني الأوزاعي، أنه سأل الزهري عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم بمكة قبل الهجرة إلى المدينة. قال: أخبرني عروة، عن عائشة قالت: «فرض الله عز وجل الصلاة على رسوله صلى الله عليه وسلم أول ما فرضها ركعتين ركعتين، ثم أتمت في الحضر أربعا، وأقرت صلاة السفر على الفريضة الأولى»


সুনান নাসাঈ ৪৫৭

أخبرنا يوسف بن سعيد قال: حدثنا حجاج بن محمد قال: حدثنا محمد بن عبد الله الشعيثي، عن عبد الله بن أبي بكر بن الحارث بن هشام، عن أمية بن عبد الله بن خالد بن أسيد: أنه قال لابن عمر كيف تقصر الصلاة؟ وإنما قال الله عز وجل: {ليس عليكم جناح أن تقصروا من الصلاة إن خفتم}، فقال ابن عمر: «يا ابن أخي، إن رسول الله صلى الله عليه وسلم أتانا ونحن ضلال فعلمنا، فكان فيما علمنا أن الله عز وجل أمرنا أن نصلي ركعتين في السفر» قال الشعيثي: وكان الزهري يحدث بهذا الحديث، عن عبد الله بن أبي بكر

উয়াইয়া ইব্‌ন আব্দুল্লাহ ইব্‌ন খালিদ ইব্‌ন উসায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ)-কে জিজ্ঞসা করলেন, আপনি কসরের সালাত কেমন করে আদায় করেন? আল্লাহ তো বলেন, “তোমরা যদি (কাফিরদের) ভয়ের আশংকা কর তাহলে সালাত কসর করলে গুনাহ হবে না।” ইব্ন উমর (রাঃ) বললেন: ভাতিজা! রাসূলুল্লঅহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর আবির্ভাব আমাদের মধ্যে এমন অবস্থায় হয়েছে যে, তখন আমরা পথভ্রষ্ট ছিলাম। তিনি আমাদেরকে শিক্ষা দান করেছেন। তাঁর শিক্ষার মধ্যে এও ছিল যে, আল্লাহ আমাদেরকে সফরে সালাত দুই রাকআত করে আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। শু‘আইসী বলেছেন, ইমাম যুহ্রী আবদুল্লাহ ইব্‌ন আবূ বকর (রাঃ) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করতেন।

উয়াইয়া ইব্‌ন আব্দুল্লাহ ইব্‌ন খালিদ ইব্‌ন উসায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ)-কে জিজ্ঞসা করলেন, আপনি কসরের সালাত কেমন করে আদায় করেন? আল্লাহ তো বলেন, “তোমরা যদি (কাফিরদের) ভয়ের আশংকা কর তাহলে সালাত কসর করলে গুনাহ হবে না।” ইব্ন উমর (রাঃ) বললেন: ভাতিজা! রাসূলুল্লঅহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর আবির্ভাব আমাদের মধ্যে এমন অবস্থায় হয়েছে যে, তখন আমরা পথভ্রষ্ট ছিলাম। তিনি আমাদেরকে শিক্ষা দান করেছেন। তাঁর শিক্ষার মধ্যে এও ছিল যে, আল্লাহ আমাদেরকে সফরে সালাত দুই রাকআত করে আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। শু‘আইসী বলেছেন, ইমাম যুহ্রী আবদুল্লাহ ইব্‌ন আবূ বকর (রাঃ) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করতেন।

أخبرنا يوسف بن سعيد قال: حدثنا حجاج بن محمد قال: حدثنا محمد بن عبد الله الشعيثي، عن عبد الله بن أبي بكر بن الحارث بن هشام، عن أمية بن عبد الله بن خالد بن أسيد: أنه قال لابن عمر كيف تقصر الصلاة؟ وإنما قال الله عز وجل: {ليس عليكم جناح أن تقصروا من الصلاة إن خفتم}، فقال ابن عمر: «يا ابن أخي، إن رسول الله صلى الله عليه وسلم أتانا ونحن ضلال فعلمنا، فكان فيما علمنا أن الله عز وجل أمرنا أن نصلي ركعتين في السفر» قال الشعيثي: وكان الزهري يحدث بهذا الحديث، عن عبد الله بن أبي بكر


সুনান নাসাঈ > দিন-রাতে কত ওয়াক্ত (সালাত) ফরয

সুনান নাসাঈ ৪৫৮

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن أبي سهيل، عن أبيه، أنه سمع طلحة بن عبيد الله يقول: جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من أهل نجد ثائر الرأس نسمع دوي صوته ولا نفهم ما يقول حتى دنا، فإذا هو يسأل عن الإسلام فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «خمس صلوات في اليوم والليلة». قال: هل علي غيرهن؟ قال: «لا. إلا أن تطوع». قال: وصيام شهر رمضان. قال: هل علي غيره؟ قال: «لا. إلا أن تطوع». وذكر له رسول الله صلى الله عليه وسلم الزكاة. قال: هل علي غيرها؟ قال: «لا. إلا أن تطوع». فأدبر الرجل وهو يقول: والله لا أزيد على هذا ولا أنقص منه. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أفلح إن صدق»

তাল্হা ইব্‌ন উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: নজদ এলাকার অধিবাসী একটি লোক রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসল। তার মাথার চুল ছিল এলোমেলো। তার গুন গুন আওয়াজ শুনছিলাম কিন্তু সে কি বলছিল তা আমরা বুঝতে পারছিলাম না। সে আরো নিকটবর্তী হলো এবং লক্ষ্য করা গেল যে, ইসলাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছে। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, রাত-দিনে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত তোমার জন্য ফরয। সে জিজ্ঞাসা করল, এগুলো ব্যতীত আমার উপর আরো (অতিক্তি করণীয়) কিছু আছে কি? তিনি বললেন, না, তবে নফল পড়তে পার। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আর রমযানের এক মাসে সিয়াম। সে জিজ্ঞাসা করলো, এ ছাড়া আমার উপর আরো (সাওম) আছে কি? তিনি বললেন, না, তবে নফল (সাত্তম) পালন করতে পার। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে যাকাতের কথা বললেন। সে জিজ্ঞাসা করল, তা ছাড়া আমার উপর আরো কোন (দানের হুকুম) আছে কি? তিনি বললেন, না, তবে নফল (দান) করতে পার। তারপর সে ব্যক্তি এই কথা বলতে বলতে চলে গেল: “আল্লাহ্‌র শপথ! আমি এই (হুকুম) -গুলোর উপর অতিরিক্ত কিছু করব না এবং এগুলো থেকে কমও করব না।” রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: সে সফল হয়ে গেল যদি তার কথায় সত্যবাদী হয়।

তাল্হা ইব্‌ন উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: নজদ এলাকার অধিবাসী একটি লোক রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসল। তার মাথার চুল ছিল এলোমেলো। তার গুন গুন আওয়াজ শুনছিলাম কিন্তু সে কি বলছিল তা আমরা বুঝতে পারছিলাম না। সে আরো নিকটবর্তী হলো এবং লক্ষ্য করা গেল যে, ইসলাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছে। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, রাত-দিনে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত তোমার জন্য ফরয। সে জিজ্ঞাসা করল, এগুলো ব্যতীত আমার উপর আরো (অতিক্তি করণীয়) কিছু আছে কি? তিনি বললেন, না, তবে নফল পড়তে পার। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আর রমযানের এক মাসে সিয়াম। সে জিজ্ঞাসা করলো, এ ছাড়া আমার উপর আরো (সাওম) আছে কি? তিনি বললেন, না, তবে নফল (সাত্তম) পালন করতে পার। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে যাকাতের কথা বললেন। সে জিজ্ঞাসা করল, তা ছাড়া আমার উপর আরো কোন (দানের হুকুম) আছে কি? তিনি বললেন, না, তবে নফল (দান) করতে পার। তারপর সে ব্যক্তি এই কথা বলতে বলতে চলে গেল: “আল্লাহ্‌র শপথ! আমি এই (হুকুম) -গুলোর উপর অতিরিক্ত কিছু করব না এবং এগুলো থেকে কমও করব না।” রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: সে সফল হয়ে গেল যদি তার কথায় সত্যবাদী হয়।

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن أبي سهيل، عن أبيه، أنه سمع طلحة بن عبيد الله يقول: جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من أهل نجد ثائر الرأس نسمع دوي صوته ولا نفهم ما يقول حتى دنا، فإذا هو يسأل عن الإسلام فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «خمس صلوات في اليوم والليلة». قال: هل علي غيرهن؟ قال: «لا. إلا أن تطوع». قال: وصيام شهر رمضان. قال: هل علي غيره؟ قال: «لا. إلا أن تطوع». وذكر له رسول الله صلى الله عليه وسلم الزكاة. قال: هل علي غيرها؟ قال: «لا. إلا أن تطوع». فأدبر الرجل وهو يقول: والله لا أزيد على هذا ولا أنقص منه. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أفلح إن صدق»


সুনান নাসাঈ ৪৫৯

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا نوح بن قيس، عن خالد بن قيس، عن قتادة، عن أنس قال: سأل رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله، كم افترض الله عز وجل على عباده من الصلوات؟ قال: «افترض الله على عباده صلوات خمسا». قال: يا رسول الله، هل قبلهن أو بعدهن شيئا؟ قال: «افترض الله على عباده صلوات خمسا». فحلف الرجل لا يزيد عليه شيئا ولا ينقص منه شيئا. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن صدق ليدخلن الجنة»

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞাসা করল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের উপর কত ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন? তিনি উত্তরে বললেন, আল্লাহ্ তাঁর বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। সে ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! এগুলোর আগে ও পরে আরো কিছু (করণীয়) আছে কি? তিনি বললেন, আল্লাহ্ তাঁর বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। তারপর সে ব্যক্তি শপথ করে বলল যে, সে এগুলোর চেয়ে অতিরিক্ত কিছু করবে না এবং কমও করবে না। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: সে যদি সত্যবাদী হয় তাহলে অবশ্যই সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞাসা করল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের উপর কত ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন? তিনি উত্তরে বললেন, আল্লাহ্ তাঁর বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। সে ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! এগুলোর আগে ও পরে আরো কিছু (করণীয়) আছে কি? তিনি বললেন, আল্লাহ্ তাঁর বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। তারপর সে ব্যক্তি শপথ করে বলল যে, সে এগুলোর চেয়ে অতিরিক্ত কিছু করবে না এবং কমও করবে না। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: সে যদি সত্যবাদী হয় তাহলে অবশ্যই সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا نوح بن قيس، عن خالد بن قيس، عن قتادة، عن أنس قال: سأل رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله، كم افترض الله عز وجل على عباده من الصلوات؟ قال: «افترض الله على عباده صلوات خمسا». قال: يا رسول الله، هل قبلهن أو بعدهن شيئا؟ قال: «افترض الله على عباده صلوات خمسا». فحلف الرجل لا يزيد عليه شيئا ولا ينقص منه شيئا. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن صدق ليدخلن الجنة»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00