সুনান নাসাঈ > হালাল পশুর পেশাব প্রসঙ্গে
সুনান নাসাঈ ৩০৬
أخبرنا محمد بن وهب، حدثنا محمد بن سلمة، عن أبي عبد الرحيم قال: حدثني زيد بن أبي أنيسة، عن طلحة بن مصرف، عن يحيى بن سعيد، عن أنس بن مالك قال: «قدم أعراب من عرينة إلى النبي صلى الله عليه وسلم فأسلموا، فاجتووا المدينة حتى اصفرت ألوانهم وعظمت بطونهم، فبعث بهم رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى لقاح له،» وأمرهم أن يشربوا من البانها وأبوالها حتى صحوا، فقتلوا راعيها واستاقوا الإبل، فبعث نبي الله صلى الله عليه وسلم في طلبهم، فأتي بهم فقطع أيديهم وأرجلهم وسمر أعينهم " قال أمير المؤمنين عبد الملك لأنس وهو يحدثه هذا الحديث: بكفر أم بذنب؟ قال: بكفر. قال أبو عبد الرحمن: «لا نعلم أحدا قال عن يحيى، عن أنس في هذا الحديث غير طلحة، والصواب عندي - والله تعالى أعلم - يحيى، عن سعيد بن المسيب مرسل»
আনাস ইব্ন মালিক(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ উরায়না গোত্রের কয়েকজন বেদুঈন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট উপস্থিত হয়ে ইসলাম কবূল করল। মদীনায় বসবাস তাদের উপযোগী হল না। এমনকি তাদের রং ফ্যাকাসে হয়ে গেল এবং পেট স্ফীত হয়ে গেল।রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের আপন দুগ্ধবতী উষ্ট্রের পালের দিকে পাঠিয়ে দিলেন। আর তাদের তার দুধ ও পেশাব পান করার আদেশ দিলেন। এতে তারা সুস্থ হয়ে গেল। তারপর উটের রাখালকে হত্যা করে উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের খুঁজে আনার জন্য লোক পাঠালেন। তাদের ধরে আনা হলে তাদের হাত-পা কেটে দেওয়া হল এবং গরম শলাকা দিয়ে তাদের চোখ ফুঁড়ে দেওয়া হল। আমীরুল মুমিনীন আবদুল মালিক আনাস (রাঃ)-এর নিকট এ হাদীস শুনে তাঁর কাছে জিজ্ঞাসা করলেনঃ এ শাস্তি কি কুফরের জন্য, না গুনাহের জন্য। তিনি বললেন, কুফরের জন্য।
আনাস ইব্ন মালিক(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ উরায়না গোত্রের কয়েকজন বেদুঈন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট উপস্থিত হয়ে ইসলাম কবূল করল। মদীনায় বসবাস তাদের উপযোগী হল না। এমনকি তাদের রং ফ্যাকাসে হয়ে গেল এবং পেট স্ফীত হয়ে গেল।রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের আপন দুগ্ধবতী উষ্ট্রের পালের দিকে পাঠিয়ে দিলেন। আর তাদের তার দুধ ও পেশাব পান করার আদেশ দিলেন। এতে তারা সুস্থ হয়ে গেল। তারপর উটের রাখালকে হত্যা করে উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের খুঁজে আনার জন্য লোক পাঠালেন। তাদের ধরে আনা হলে তাদের হাত-পা কেটে দেওয়া হল এবং গরম শলাকা দিয়ে তাদের চোখ ফুঁড়ে দেওয়া হল। আমীরুল মুমিনীন আবদুল মালিক আনাস (রাঃ)-এর নিকট এ হাদীস শুনে তাঁর কাছে জিজ্ঞাসা করলেনঃ এ শাস্তি কি কুফরের জন্য, না গুনাহের জন্য। তিনি বললেন, কুফরের জন্য।
أخبرنا محمد بن وهب، حدثنا محمد بن سلمة، عن أبي عبد الرحيم قال: حدثني زيد بن أبي أنيسة، عن طلحة بن مصرف، عن يحيى بن سعيد، عن أنس بن مالك قال: «قدم أعراب من عرينة إلى النبي صلى الله عليه وسلم فأسلموا، فاجتووا المدينة حتى اصفرت ألوانهم وعظمت بطونهم، فبعث بهم رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى لقاح له،» وأمرهم أن يشربوا من البانها وأبوالها حتى صحوا، فقتلوا راعيها واستاقوا الإبل، فبعث نبي الله صلى الله عليه وسلم في طلبهم، فأتي بهم فقطع أيديهم وأرجلهم وسمر أعينهم " قال أمير المؤمنين عبد الملك لأنس وهو يحدثه هذا الحديث: بكفر أم بذنب؟ قال: بكفر. قال أبو عبد الرحمن: «لا نعلم أحدا قال عن يحيى، عن أنس في هذا الحديث غير طلحة، والصواب عندي - والله تعالى أعلم - يحيى، عن سعيد بن المسيب مرسل»
সুনান নাসাঈ ৩০৫
أخبرنا محمد بن عبد الأعلى قال: حدثنا يزيد بن زريع قال: حدثنا سعيد قال: حدثنا قتادة، أن أنس بن مالك حدثهم: أن أناسا أو رجالا من عكل قدموا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فتكلموا بالإسلام فقالوا: يا رسول الله، إنا أهل ضرع، ولم نكن أهل ريف، واستوخموا المدينة، «فأمر لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم بذود وراع، وأمرهم أن يخرجوا فيها فيشربوا من البانها وأبوالها، فلما صحوا - وكانوا بناحية الحرة - كفروا بعد إسلامهم وقتلوا راعي النبي صلى الله عليه وسلم، واستاقوا الذود، فبلغ النبي صلى الله عليه وسلم فبعث لطلب في آثارهم، فأتي بهم فسمروا أعينهم وقطعوا أيديهم وأرجلهم، ثم تركوا في الحرة على حالهم حتى ماتوا»
আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উকল গোত্রের কিছু লোক রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাদের ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দিল। তারপর তারা বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ ! আমরা দুগ্ধবতী পশু রাখি; আমরা কৃষিকাজের লোক নই। মদীনার আবহাওয়া তাদের উপযোগী হলো না। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে কিছু উট ও একজন রাখাল প্রদানের নির্দেশ দিলেন এবং তিনি তাদের উটের প্রতিপালনের কাজে মদীনার বাইরে যেতে এবং উটের দুধ ও এর পেশাব পান করার নির্দেশ দিলেন। যখন তারা সুস্থ হয়ে গেল এবং হাররা নামক স্থানে অবস্থান করল, তখন তারা ইসলাম ত্যাগ করল। আর তারা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রাখালকে হত্যা করে উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে গেল।এ খবর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট পৌঁছলে তিনি তাদের পেছনে অনুসন্ধানকারী দল পাঠালেন এবং তাদের গ্রেফতার করে আনা হল। তাদের চোখে লৌহ শলাকা গরম করে লাগান হল এবং হাত-পা কেটে দেয়া হল। পরে তাদের হাররার জমিতে ঐ অবস্থায় ফেলে রাখা হল। এভাবে তারা প্রাণ ত্যাগ করল। [১]
আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উকল গোত্রের কিছু লোক রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাদের ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দিল। তারপর তারা বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ ! আমরা দুগ্ধবতী পশু রাখি; আমরা কৃষিকাজের লোক নই। মদীনার আবহাওয়া তাদের উপযোগী হলো না। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে কিছু উট ও একজন রাখাল প্রদানের নির্দেশ দিলেন এবং তিনি তাদের উটের প্রতিপালনের কাজে মদীনার বাইরে যেতে এবং উটের দুধ ও এর পেশাব পান করার নির্দেশ দিলেন। যখন তারা সুস্থ হয়ে গেল এবং হাররা নামক স্থানে অবস্থান করল, তখন তারা ইসলাম ত্যাগ করল। আর তারা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রাখালকে হত্যা করে উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে গেল।এ খবর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট পৌঁছলে তিনি তাদের পেছনে অনুসন্ধানকারী দল পাঠালেন এবং তাদের গ্রেফতার করে আনা হল। তাদের চোখে লৌহ শলাকা গরম করে লাগান হল এবং হাত-পা কেটে দেয়া হল। পরে তাদের হাররার জমিতে ঐ অবস্থায় ফেলে রাখা হল। এভাবে তারা প্রাণ ত্যাগ করল। [১]
أخبرنا محمد بن عبد الأعلى قال: حدثنا يزيد بن زريع قال: حدثنا سعيد قال: حدثنا قتادة، أن أنس بن مالك حدثهم: أن أناسا أو رجالا من عكل قدموا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فتكلموا بالإسلام فقالوا: يا رسول الله، إنا أهل ضرع، ولم نكن أهل ريف، واستوخموا المدينة، «فأمر لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم بذود وراع، وأمرهم أن يخرجوا فيها فيشربوا من البانها وأبوالها، فلما صحوا - وكانوا بناحية الحرة - كفروا بعد إسلامهم وقتلوا راعي النبي صلى الله عليه وسلم، واستاقوا الذود، فبلغ النبي صلى الله عليه وسلم فبعث لطلب في آثارهم، فأتي بهم فسمروا أعينهم وقطعوا أيديهم وأرجلهم، ثم تركوا في الحرة على حالهم حتى ماتوا»
সুনান নাসাঈ > হালাল পশুর উদরস্থ গোবর কাপড়ে লাগা প্রসঙ্গে
সুনান নাসাঈ ৩০৭
أخبرنا أحمد بن عثمان بن حكيم قال: حدثنا خالد يعني ابن مخلد قال: حدثنا علي وهو ابن صالح، عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون قال: حدثنا عبد الله في بيت المال قال: " كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي عند البيت وملأ من قريش جلوس وقد نحروا جزورا فقال بعضهم: أيكم يأخذ هذا الفرث بدمه، ثم يمهله حتى يضع وجهه ساجدا فيضعه؟ - يعني على ظهره - قال عبد الله: فانبعث أشقاها فأخذ الفرث فذهب به، ثم أمهله، فلما خر ساجدا وضعه على ظهره، فأخبرت فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي جارية، فجاءت تسعى فأخذته من ظهره، فلما فرغ من صلاته قال: «اللهم عليك بقريش - ثلاث مرات - اللهم عليك بأبي جهل بن هشام وشيبة بن ربيعة وعتبة بن ربيعة وعقبة بن أبي معيط» حتى عد سبعة من قريش قال عبد الله: فوالذي أنزل عليه الكتاب لقد رأيتهم صرعى يوم بدر في قليب واحد
আমর ইব্ন মায়মুন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আবদুল্লাহ ইব্ন মাসঊদ (রাঃ) আমাদের নিকট বায়তুলমাল সম্পর্কিত একটি হাদীস বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়তুল্লাহর নিকট সালাত আদায় করছিলেন। তখন একদল কুরায়শ তথায় উপবিষ্ট ছিল। তারা একটি উট যবেহ করেছিল। তাদের একজন বলল, তোমাদের মধ্যে কে এর রক্তমাখা উদরস্থ গোবর (নাড়ি-ভূড়িসহ) নিয়ে তার কাছে গিয়ে অপেক্ষা করতে পারবে, তারপর যখন সে সিজদায় কপাল ঠেকাবে তখন তা পিঠের উপর রেখে দিবে? আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, তাদের সবচাইতে নিকৃষ্ট ব্যক্তিটি প্রস্তুত হল এবং গোবরযুক্ত নাড়ি-ভূঁড়ি নিয়ে অপেক্ষায় রইল। যখন তিনি সিজদায় গেলেন, তখন তা তাঁর পিঠের উপর রেখে দিল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা ফাতিমা (রাঃ)-এ খবর পেলেন-এ সময় তিনি ছিলেন অল্পবয়স্কা। তিনি দৌড়ে এলেন এবং তাঁর পিঠ হতে তা সরিয়ে ফেললেন। তিনি সালাত শেষ করে তিনবার বললেনঃ আয় আল্লা্হ্! কুরায়শকে ধর। হে আল্লাহ্! আবূ জাহল ইব্ন হিশাম, শায়িবা ইব্ন রবীআ, ‘উৎবা ইব্ন রবীআ, উকবা ইব্ন আবূ মুআয়ত প্রমুখকে পাকড়াও কর। এভাবে তিনি কুরায়শদের সাতজনের নাম উল্লেখ করলেন। আবদুল্লাহ বলেন, সেই আল্লাহ্র কসম যিনি তাঁর উপর কুরআন অবতীর্ণ করেছেন, আমি তাদের সকলকে বদরের দিন একই গর্তে মৃত অবস্থায় পতিত দেখেছি।
আমর ইব্ন মায়মুন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আবদুল্লাহ ইব্ন মাসঊদ (রাঃ) আমাদের নিকট বায়তুলমাল সম্পর্কিত একটি হাদীস বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়তুল্লাহর নিকট সালাত আদায় করছিলেন। তখন একদল কুরায়শ তথায় উপবিষ্ট ছিল। তারা একটি উট যবেহ করেছিল। তাদের একজন বলল, তোমাদের মধ্যে কে এর রক্তমাখা উদরস্থ গোবর (নাড়ি-ভূড়িসহ) নিয়ে তার কাছে গিয়ে অপেক্ষা করতে পারবে, তারপর যখন সে সিজদায় কপাল ঠেকাবে তখন তা পিঠের উপর রেখে দিবে? আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, তাদের সবচাইতে নিকৃষ্ট ব্যক্তিটি প্রস্তুত হল এবং গোবরযুক্ত নাড়ি-ভূঁড়ি নিয়ে অপেক্ষায় রইল। যখন তিনি সিজদায় গেলেন, তখন তা তাঁর পিঠের উপর রেখে দিল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা ফাতিমা (রাঃ)-এ খবর পেলেন-এ সময় তিনি ছিলেন অল্পবয়স্কা। তিনি দৌড়ে এলেন এবং তাঁর পিঠ হতে তা সরিয়ে ফেললেন। তিনি সালাত শেষ করে তিনবার বললেনঃ আয় আল্লা্হ্! কুরায়শকে ধর। হে আল্লাহ্! আবূ জাহল ইব্ন হিশাম, শায়িবা ইব্ন রবীআ, ‘উৎবা ইব্ন রবীআ, উকবা ইব্ন আবূ মুআয়ত প্রমুখকে পাকড়াও কর। এভাবে তিনি কুরায়শদের সাতজনের নাম উল্লেখ করলেন। আবদুল্লাহ বলেন, সেই আল্লাহ্র কসম যিনি তাঁর উপর কুরআন অবতীর্ণ করেছেন, আমি তাদের সকলকে বদরের দিন একই গর্তে মৃত অবস্থায় পতিত দেখেছি।
أخبرنا أحمد بن عثمان بن حكيم قال: حدثنا خالد يعني ابن مخلد قال: حدثنا علي وهو ابن صالح، عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون قال: حدثنا عبد الله في بيت المال قال: " كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي عند البيت وملأ من قريش جلوس وقد نحروا جزورا فقال بعضهم: أيكم يأخذ هذا الفرث بدمه، ثم يمهله حتى يضع وجهه ساجدا فيضعه؟ - يعني على ظهره - قال عبد الله: فانبعث أشقاها فأخذ الفرث فذهب به، ثم أمهله، فلما خر ساجدا وضعه على ظهره، فأخبرت فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي جارية، فجاءت تسعى فأخذته من ظهره، فلما فرغ من صلاته قال: «اللهم عليك بقريش - ثلاث مرات - اللهم عليك بأبي جهل بن هشام وشيبة بن ربيعة وعتبة بن ربيعة وعقبة بن أبي معيط» حتى عد سبعة من قريش قال عبد الله: فوالذي أنزل عليه الكتاب لقد رأيتهم صرعى يوم بدر في قليب واحد
সুনান নাসাঈ > থুথু কাপড়ে লাগা প্রসঙ্গে
সুনান নাসাঈ ৩০৮
أخبرنا علي بن حجر قال: حدثنا إسماعيل، عن حميد، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم «أخذ طرف ردائه فبصق فيه فرد بعضه على بعض»
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর চাদরের একদিক উঠিয়ে তাতে থুথু ফেললেন, এরপর এক অংশের উপর অন্য অংশ চাপা দিলেন।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর চাদরের একদিক উঠিয়ে তাতে থুথু ফেললেন, এরপর এক অংশের উপর অন্য অংশ চাপা দিলেন।
أخبرنا علي بن حجر قال: حدثنا إسماعيل، عن حميد، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم «أخذ طرف ردائه فبصق فيه فرد بعضه على بعض»
সুনান নাসাঈ ৩০৯
أخبرنا محمد بن بشار، عن محمد قال: حدثنا شعبة قال: سمعت القاسم بن مهران يحدث، عن أبي رافع، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إذا صلى أحدكم فلا يبزق بين يديه ولا عن يمينه، ولكن عن يساره أو تحت قدمه» وإلا فبزق النبي صلى الله عليه وسلم هكذا في ثوبه ودلكه
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ সালাত আদায় করে, তখন সে যেন সামনে অথবা তার ডানে থুথু না ফেলে। বরং বামদিকে কিংবা পায়ের নিচে ফেলে। অথবা এরকম (এ বলে) করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কাপড়ে থুথু ফেললেন ও তা মললেন।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ সালাত আদায় করে, তখন সে যেন সামনে অথবা তার ডানে থুথু না ফেলে। বরং বামদিকে কিংবা পায়ের নিচে ফেলে। অথবা এরকম (এ বলে) করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কাপড়ে থুথু ফেললেন ও তা মললেন।
أخبرنا محمد بن بشار، عن محمد قال: حدثنا شعبة قال: سمعت القاسم بن مهران يحدث، عن أبي رافع، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إذا صلى أحدكم فلا يبزق بين يديه ولا عن يمينه، ولكن عن يساره أو تحت قدمه» وإلا فبزق النبي صلى الله عليه وسلم هكذا في ثوبه ودلكه
সুনান নাসাঈ > তায়াম্মুমের সূচনা
সুনান নাসাঈ ৩১০
أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن أبيه، عن عائشة قالت: خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض أسفاره، حتى إذا كنا بالبيداء أو ذات الجيش انقطع عقد لي، فأقام رسول الله صلى الله عليه وسلم على التماسه وأقام الناس معه، وليسوا على ماء وليس معهم ماء، فأتى الناس أبا بكر رضي الله عنه فقالوا: ألا ترى ما صنعت عائشة؟ أقامت برسول الله صلى الله عليه وسلم وبالناس وليسوا على ماء وليس معهم ماء، فجاء أبو بكر رضي الله عنه ورسول الله صلى الله عليه وسلم واضع رأسه على فخذي قد نام، فقال: حبست رسول الله صلى الله عليه وسلم والناس، وليسوا على ماء وليس معهم ماء. قالت عائشة: فعاتبني أبو بكر وقال ما شاء الله أن يقول، وجعل يطعن بيده في خاصرتي فما معنى من التحرك إلا مكان رسول الله صلى الله عليه وسلم على فخذي، «فنام رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أصبح على غير ماء، فأنزل الله عز وجل آية التيمم» فقال أسيد بن حضير: ما هي بأول بركتكم يا آل أبي بكر. قالت: فبعثنا البعير الذي كنت عليه فوجدنا العقد تحته
আয়েশা(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কোন এক সফরে বের হলাম। আমরা যখন বায়দা অথবা যাতুল জায়শ নামক স্থানে পৌঁছলাম তখন আমার একটি হার হারিয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সংগীগণ তার তালাশে সেখানে অবস্থান করলেন। তাদের অবস্থান পানির নিকটে ছিল না এবং তাদের সাথে পানিও ছিল না। লোকজন আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট এসে বলল, আপনি কি দেখছেন না আয়েশা (রাঃ) কি করলেন? তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এবং অন্যান্য লোকদের এমন স্থানে অবস্থানে বাধ্য করেছেন যার নিকটে কোন পানি নেই এবং লোকদের সাথেও কোন পানি নেই। তখন আবূ বকর (রাঃ) আমার নিকট এলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন আমার উরুর উপর মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। আবূ বকর(রাঃ) বললেন, তুমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং অন্যান্য লোকদের এমন স্থানে আটকিয়ে রেখেছ যেখানে পানির কোন উৎস নেই আর তাদের সাথেও পানি নেই। আয়েশা(রাঃ)বলেনঃ তিনি আমাকে খুব তিরস্কার করলেন আর আল্লাহ্র যা ইচ্ছা ছিল তাই বললেন এবং তাঁর হাত দিয়ে আমার কোমরে খোঁচা দিতে লাগলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শরীর আমার উরুর উপর থাকার কারণে আমি নড়াচড়া করতে পারছিলাম না। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিদ্রায় রইলেন, এমনকি পানির কোন ব্যবস্থা ছাড়াই ভোর হয়ে গেল। তখন আল্লাহ্ তা’আলা তায়াম্মুমের আয়াত নাযিল করলেন। এতে উসায়দ ইব্ন হুযায়র (রাঃ) বললেনঃ হে আবূ বকরের পরিজন! এটাই তোমাদের প্রথম বরকত নয়। আয়েশা (রাঃ)বলেনঃ আমি যে উটের উপর ছিলাম সেটিকে উঠালে তার নিচে আমার হারটি পেলাম।
আয়েশা(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কোন এক সফরে বের হলাম। আমরা যখন বায়দা অথবা যাতুল জায়শ নামক স্থানে পৌঁছলাম তখন আমার একটি হার হারিয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সংগীগণ তার তালাশে সেখানে অবস্থান করলেন। তাদের অবস্থান পানির নিকটে ছিল না এবং তাদের সাথে পানিও ছিল না। লোকজন আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট এসে বলল, আপনি কি দেখছেন না আয়েশা (রাঃ) কি করলেন? তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এবং অন্যান্য লোকদের এমন স্থানে অবস্থানে বাধ্য করেছেন যার নিকটে কোন পানি নেই এবং লোকদের সাথেও কোন পানি নেই। তখন আবূ বকর (রাঃ) আমার নিকট এলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন আমার উরুর উপর মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। আবূ বকর(রাঃ) বললেন, তুমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং অন্যান্য লোকদের এমন স্থানে আটকিয়ে রেখেছ যেখানে পানির কোন উৎস নেই আর তাদের সাথেও পানি নেই। আয়েশা(রাঃ)বলেনঃ তিনি আমাকে খুব তিরস্কার করলেন আর আল্লাহ্র যা ইচ্ছা ছিল তাই বললেন এবং তাঁর হাত দিয়ে আমার কোমরে খোঁচা দিতে লাগলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শরীর আমার উরুর উপর থাকার কারণে আমি নড়াচড়া করতে পারছিলাম না। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিদ্রায় রইলেন, এমনকি পানির কোন ব্যবস্থা ছাড়াই ভোর হয়ে গেল। তখন আল্লাহ্ তা’আলা তায়াম্মুমের আয়াত নাযিল করলেন। এতে উসায়দ ইব্ন হুযায়র (রাঃ) বললেনঃ হে আবূ বকরের পরিজন! এটাই তোমাদের প্রথম বরকত নয়। আয়েশা (রাঃ)বলেনঃ আমি যে উটের উপর ছিলাম সেটিকে উঠালে তার নিচে আমার হারটি পেলাম।
أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن أبيه، عن عائشة قالت: خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض أسفاره، حتى إذا كنا بالبيداء أو ذات الجيش انقطع عقد لي، فأقام رسول الله صلى الله عليه وسلم على التماسه وأقام الناس معه، وليسوا على ماء وليس معهم ماء، فأتى الناس أبا بكر رضي الله عنه فقالوا: ألا ترى ما صنعت عائشة؟ أقامت برسول الله صلى الله عليه وسلم وبالناس وليسوا على ماء وليس معهم ماء، فجاء أبو بكر رضي الله عنه ورسول الله صلى الله عليه وسلم واضع رأسه على فخذي قد نام، فقال: حبست رسول الله صلى الله عليه وسلم والناس، وليسوا على ماء وليس معهم ماء. قالت عائشة: فعاتبني أبو بكر وقال ما شاء الله أن يقول، وجعل يطعن بيده في خاصرتي فما معنى من التحرك إلا مكان رسول الله صلى الله عليه وسلم على فخذي، «فنام رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أصبح على غير ماء، فأنزل الله عز وجل آية التيمم» فقال أسيد بن حضير: ما هي بأول بركتكم يا آل أبي بكر. قالت: فبعثنا البعير الذي كنت عليه فوجدنا العقد تحته