মুয়াত্তা ইমাম মালিক > অপব্যয় ও দোমুখো মানুষ প্রসঙ্গে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮০৫
و حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من شر الناس ذو الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দোমুখো মানুষই নিকৃষ্টতম মানুষ অর্থাৎ যে এক দলের সঙ্গে এক রকম কথা বলে এবং অপর দলের সঙ্গে আরেক রকম কথা বলে। (সহীহ, মুসলিম ২৫২৬, এই হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমেও বর্ণিত হয়েছে অন্য সনদে আবূ হুরায়রা থেকে)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দোমুখো মানুষই নিকৃষ্টতম মানুষ অর্থাৎ যে এক দলের সঙ্গে এক রকম কথা বলে এবং অপর দলের সঙ্গে আরেক রকম কথা বলে। (সহীহ, মুসলিম ২৫২৬, এই হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমেও বর্ণিত হয়েছে অন্য সনদে আবূ হুরায়রা থেকে)
و حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من شر الناس ذو الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮০৪
حدثني مالك عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن الله يرضى لكم ثلاثا ويسخط لكم ثلاثا يرضى لكم أن تعبدوه ولا تشركوا به شيئا وأن تعتصموا بحبل الله جميعا وأن تناصحوا من ولاه الله أمركم ويسخط لكم قيل وقال وإضاعة المال وكثرة السؤال
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা‘আলা তোমাদের তিনটি কাজে সন্তুষ্ট হন এবং তিনটি কাজে অসন্তুষ্ট হন। যেসব কাজে তিনি সন্তুষ্ট হন সেগুলো হলঃ (১) তোমরা তাঁরই ইবাদত করবে এবং তাঁর সাথে আর কাউকেও শরীক করবে না। (২) আল্লাহর রজ্জু (অর্থাৎ কুরআন) মজবুত করে ধরবে। (৩) আল্লাহ্ যাকে শাসনের ভার দিয়েছেন তাকে নসীহত করবে। যেসব কাজে তিনি অসন্তুষ্ট হন, সেগুলো হলঃ (১) কথা অধিক বলা, (২) অপব্যয় করা, (৩) অধিক যাচনা করা (ভিক্ষা করা)। (সহীহ, মুসলিম ১৭১৫)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা‘আলা তোমাদের তিনটি কাজে সন্তুষ্ট হন এবং তিনটি কাজে অসন্তুষ্ট হন। যেসব কাজে তিনি সন্তুষ্ট হন সেগুলো হলঃ (১) তোমরা তাঁরই ইবাদত করবে এবং তাঁর সাথে আর কাউকেও শরীক করবে না। (২) আল্লাহর রজ্জু (অর্থাৎ কুরআন) মজবুত করে ধরবে। (৩) আল্লাহ্ যাকে শাসনের ভার দিয়েছেন তাকে নসীহত করবে। যেসব কাজে তিনি অসন্তুষ্ট হন, সেগুলো হলঃ (১) কথা অধিক বলা, (২) অপব্যয় করা, (৩) অধিক যাচনা করা (ভিক্ষা করা)। (সহীহ, মুসলিম ১৭১৫)
حدثني مالك عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن الله يرضى لكم ثلاثا ويسخط لكم ثلاثا يرضى لكم أن تعبدوه ولا تشركوا به شيئا وأن تعتصموا بحبل الله جميعا وأن تناصحوا من ولاه الله أمركم ويسخط لكم قيل وقال وإضاعة المال وكثرة السؤال
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কয়েকজনের গুনাহের কারণে সকলের ভোগান্তি
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮০৬
حدثني مالك أنه بلغه أن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت يا رسول الله أنهلك وفينا الصالحون فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم إذا كثر الخبث
নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমাদের মধ্যে সংলগ্ন থাকা সত্ত্বেও আমরা ধ্বংস হয়ে যাব কি? অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ গুনাহ যখন অধিক হয়, তখন (উহার শাস্তি সকলকেই ভোগ করতে হয়)। (বুখারী ৩৩৪৬, মুসলিম ২৮৮০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমাদের মধ্যে সংলগ্ন থাকা সত্ত্বেও আমরা ধ্বংস হয়ে যাব কি? অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ গুনাহ যখন অধিক হয়, তখন (উহার শাস্তি সকলকেই ভোগ করতে হয়)। (বুখারী ৩৩৪৬, মুসলিম ২৮৮০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
حدثني مالك أنه بلغه أن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت يا رسول الله أنهلك وفينا الصالحون فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم إذا كثر الخبث
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮০৭
و حدثني مالك عن إسمعيل بن أبي حكيم أنه سمع عمر بن عبد العزيز يقول كان يقال إن الله تبارك وتعالى لا يعذب العامة بذنب الخاصة ولكن إذا عمل المنكر جهارا استحقوا العقوبة كلهم
উমার ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
বিশেষ লোকের গুনাহের কারণে আল্লাহ্ তা‘আলা জনসাধারণকে আযাব দেন না। তবে পাপাচার যদি প্রকাশ্যে হতে থাকে, তখন সকলেই আযাবের যোগ্য হয়। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
উমার ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
বিশেষ লোকের গুনাহের কারণে আল্লাহ্ তা‘আলা জনসাধারণকে আযাব দেন না। তবে পাপাচার যদি প্রকাশ্যে হতে থাকে, তখন সকলেই আযাবের যোগ্য হয়। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن إسمعيل بن أبي حكيم أنه سمع عمر بن عبد العزيز يقول كان يقال إن الله تبارك وتعالى لا يعذب العامة بذنب الخاصة ولكن إذا عمل المنكر جهارا استحقوا العقوبة كلهم
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তাকওয়াত প্রসঙ্গ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮০৯
قال مالك وبلغني أن القاسم بن محمد كان يقول أدركت الناس وما يعجبون بالقول قال مالك يريد بذلك العمل إنما ينظر إلى عمله ولا ينظر إلى قوله
কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি দেখলাম যে, মানুষ কথায় মোহিত হয় না। মালিক (রহঃ) বলেন, এর অর্থ এই যে, তাঁরা কাজের (আমলের) দিকে তাকাতেন, কথার দিকে তাঁদের তেমন দৃষ্টি ছিল না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি দেখলাম যে, মানুষ কথায় মোহিত হয় না। মালিক (রহঃ) বলেন, এর অর্থ এই যে, তাঁরা কাজের (আমলের) দিকে তাকাতেন, কথার দিকে তাঁদের তেমন দৃষ্টি ছিল না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
قال مالك وبلغني أن القاسم بن محمد كان يقول أدركت الناس وما يعجبون بالقول قال مالك يريد بذلك العمل إنما ينظر إلى عمله ولا ينظر إلى قوله
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮০৮
حدثني مالك عن إسحق بن عبد الله بن أبي طلحة عن أنس بن مالك قال سمعت عمر بن الخطاب وخرجت معه حتى دخل حائطا فسمعته وهو يقول وبيني وبينه جدار وهو في جوف الحائط عمر بن الخطاب أمير المؤمنين بخ بخ والله لتتقين الله أو ليعذبنك
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি উমারের সঙ্গে ছিলাম। তিনি একটি বাগানে গেলেন। আমি ও তাঁর মধ্যে বাগানের একটি দেয়াল ছিল। আমি শ্রবণ করছিলাম, তিনি নিজেকেই সম্বোধন করে বলছিলেন, হে উমার! আমীরুল মু‘মিনীন! বাহ্বা! হে খাত্তাবের পুত্র, হয় তুমি আল্লাহ্কে ভয় কর, না হয় তিনি তোমাকে আযাব দিবেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি উমারের সঙ্গে ছিলাম। তিনি একটি বাগানে গেলেন। আমি ও তাঁর মধ্যে বাগানের একটি দেয়াল ছিল। আমি শ্রবণ করছিলাম, তিনি নিজেকেই সম্বোধন করে বলছিলেন, হে উমার! আমীরুল মু‘মিনীন! বাহ্বা! হে খাত্তাবের পুত্র, হয় তুমি আল্লাহ্কে ভয় কর, না হয় তিনি তোমাকে আযাব দিবেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني مالك عن إسحق بن عبد الله بن أبي طلحة عن أنس بن مالك قال سمعت عمر بن الخطاب وخرجت معه حتى دخل حائطا فسمعته وهو يقول وبيني وبينه جدار وهو في جوف الحائط عمر بن الخطاب أمير المؤمنين بخ بخ والله لتتقين الله أو ليعذبنك
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বজ্রপাতের সময় কি পড়তে হয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮১০
حدثني مالك عن عامر بن عبد الله بن الزبير أنه كان إذا سمع الرعد ترك الحديث وقال سبحان الذي يسبح الرعد بحمده والملائكة من خيفته ثم يقول إن هذا لوعيد لأهل الأرض شديد
আমির ইবনু আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বজ্রের শব্দ শুনলে কথা বলা বন্ধ করে এই দু‘আ পাঠ করতেনঃ سُبْحَانَ الَّذِي يُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلَائِكَةُ مِنْ خِيفَتِهِ বজ্র নির্ঘোষ ও ফেরেশতাগণও ভয়ে তার প্রশংসা মহিমা ও পবিত্রতা ঘোষণা করে। অতঃপর তিনি (আমির ইব্নু আবদুল্লাহ্) বলতেন, যমীনের অধিবাসীদের জন্য এই আওয়াজ অত্যন্ত কঠিন আযাবের সংবাদ। [১] (মাওকুফ, হাদীসটি ইমাম মালিক একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আমির ইবনু আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বজ্রের শব্দ শুনলে কথা বলা বন্ধ করে এই দু‘আ পাঠ করতেনঃ سُبْحَانَ الَّذِي يُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلَائِكَةُ مِنْ خِيفَتِهِ বজ্র নির্ঘোষ ও ফেরেশতাগণও ভয়ে তার প্রশংসা মহিমা ও পবিত্রতা ঘোষণা করে। অতঃপর তিনি (আমির ইব্নু আবদুল্লাহ্) বলতেন, যমীনের অধিবাসীদের জন্য এই আওয়াজ অত্যন্ত কঠিন আযাবের সংবাদ। [১] (মাওকুফ, হাদীসটি ইমাম মালিক একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني مالك عن عامر بن عبد الله بن الزبير أنه كان إذا سمع الرعد ترك الحديث وقال سبحان الذي يسبح الرعد بحمده والملائكة من خيفته ثم يقول إن هذا لوعيد لأهل الأرض شديد