মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জিহ্বার গুনাহ প্রসঙ্গে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৯৬

و حدثني مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه أن عمر بن الخطاب دخل على أبي بكر الصديق وهو يجبذ لسانه فقال له عمر مه غفر الله لك فقال أبو بكر إن هذا أوردني الموارد

যাইদ ইবনু আসলাম (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ

উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে দেখলেন যে, আবূ বাক্র (রাঃ) স্বীয় জিহ্বা ধরে টানছেন। উমার (রাঃ) বললেন, রাখুন (অর্থাৎ এই রকম করবেন না), আল্লাহ্ আপনাকে ক্ষমা করুন। অতঃপর আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, এই জিহ্বাই তো আমাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

যাইদ ইবনু আসলাম (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ

উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে দেখলেন যে, আবূ বাক্র (রাঃ) স্বীয় জিহ্বা ধরে টানছেন। উমার (রাঃ) বললেন, রাখুন (অর্থাৎ এই রকম করবেন না), আল্লাহ্ আপনাকে ক্ষমা করুন। অতঃপর আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, এই জিহ্বাই তো আমাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه أن عمر بن الخطاب دخل على أبي بكر الصديق وهو يجبذ لسانه فقال له عمر مه غفر الله لك فقال أبو بكر إن هذا أوردني الموارد


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৯৫

حدثني مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من وقاه الله شر اثنين ولج الجنة فقال رجل يا رسول الله لا تخبرنا فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم عاد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال مثل مقالته الأولى فقال له الرجل لا تخبرنا يا رسول الله فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مثل ذلك أيضا فقال الرجل لا تخبرنا يا رسول الله ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مثل ذلك أيضا ثم ذهب الرجل يقول مثل مقالته الأولى فأسكته رجل إلى جنبه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من وقاه الله شر اثنين ولج الجنة ما بين لحييه وما بين رجليه ما بين لحييه وما بين رجليه ما بين لحييه وما بين رجليه

আ‘তা ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা‘আলা যাকে দুইটি জিনিসের অনিষ্ট হতে রক্ষা করবেন সে বেহেশতে যাবে। (ইহা শুনে) এক ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! সে দুটি জিনিস কি আপনি আমাদেরকে বলবেন না? অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নীরব হয়ে গেলেন। অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই প্রথম কথা পুনরাবৃত্তি করলেন। লোকটি আবার বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমাদেরকে উহা বলবেন না ? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নীরব হয়ে গেলেন। অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় সেই কথা বললেন। লোকটি আবার বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমাদেরকে বলবেন না? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার সেই কথা বললেন। লোকটিও আবারও একই কথা বলতে চাইলে লোকটির পার্শ্বে উপবিষ্ট এক ব্যক্তি তাকে চুপ করাল। অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেই বললেন, “আল্লাহ্ তা‘আলা যাকে দুটি জিনিসের অনিষ্ট হতে রক্ষা করবেন সে বেহেশতে যাবে। একটি হল দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী বস্তু (জিহ্বা) অপরটি হল দুই রানের মধ্যবর্তী বস্তু” (লজ্জাস্থান)। এই কথাটি তিনবার বললেন। [১] (সহীহ, বুখারী ৬৪৭৪, সাহল বিন সাদ থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন- তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

আ‘তা ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা‘আলা যাকে দুইটি জিনিসের অনিষ্ট হতে রক্ষা করবেন সে বেহেশতে যাবে। (ইহা শুনে) এক ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! সে দুটি জিনিস কি আপনি আমাদেরকে বলবেন না? অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নীরব হয়ে গেলেন। অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই প্রথম কথা পুনরাবৃত্তি করলেন। লোকটি আবার বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমাদেরকে উহা বলবেন না ? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নীরব হয়ে গেলেন। অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় সেই কথা বললেন। লোকটি আবার বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমাদেরকে বলবেন না? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার সেই কথা বললেন। লোকটিও আবারও একই কথা বলতে চাইলে লোকটির পার্শ্বে উপবিষ্ট এক ব্যক্তি তাকে চুপ করাল। অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেই বললেন, “আল্লাহ্ তা‘আলা যাকে দুটি জিনিসের অনিষ্ট হতে রক্ষা করবেন সে বেহেশতে যাবে। একটি হল দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী বস্তু (জিহ্বা) অপরটি হল দুই রানের মধ্যবর্তী বস্তু” (লজ্জাস্থান)। এই কথাটি তিনবার বললেন। [১] (সহীহ, বুখারী ৬৪৭৪, সাহল বিন সাদ থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন- তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

حدثني مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من وقاه الله شر اثنين ولج الجنة فقال رجل يا رسول الله لا تخبرنا فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم عاد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال مثل مقالته الأولى فقال له الرجل لا تخبرنا يا رسول الله فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مثل ذلك أيضا فقال الرجل لا تخبرنا يا رسول الله ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مثل ذلك أيضا ثم ذهب الرجل يقول مثل مقالته الأولى فأسكته رجل إلى جنبه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من وقاه الله شر اثنين ولج الجنة ما بين لحييه وما بين رجليه ما بين لحييه وما بين رجليه ما بين لحييه وما بين رجليه


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > একজনকে বাদ দিয়ে দুইজন পরস্পরে কানে কানে কথা বলা প্রসঙ্গে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৯৮

و حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا كان ثلاثة فلا يتناجى اثنان دون واحد

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যদি তিনজন এক সঙ্গে হয়, তবে একজনকে ছেড়ে অবশিষ্ট দুইজন কানে কানে কথা বলবে না। (বুখারী ৬২৮৮, মুসলিম ২১৮৩)

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যদি তিনজন এক সঙ্গে হয়, তবে একজনকে ছেড়ে অবশিষ্ট দুইজন কানে কানে কথা বলবে না। (বুখারী ৬২৮৮, মুসলিম ২১৮৩)

و حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا كان ثلاثة فلا يتناجى اثنان دون واحد


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৯৭

حدثني مالك عن عبد الله بن دينار قال كنت أنا وعبد الله بن عمر عند دار خالد بن عقبة التي بالسوق فجاء رجل يريد أن يناجيه وليس مع عبد الله بن عمر أحد غيري وغير الرجل الذي يريد أن يناجيه فدعا عبد الله بن عمر رجلا آخر حتى كنا أربعة فقال لي وللرجل الذي دعاه استأخرا شيئا فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا يتناجى اثنان دون واحد

আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ও আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রাঃ) খালিদ ইব্নু উকবা (রাঃ)-এর সেই ঘরের নিকটে ছিলাম যা বাজারে অবস্থিত ছিল। ইত্যবসরে এক ব্যক্তি এসে তাঁর সাথে কানে কানে কিছু কথা বলতে ইচ্ছা করল। আবদুল্লাহ্ (ইব্নু উমার)-এর সঙ্গে আমি ও সেই ব্যক্তি ব্যতীত, যে তার সাথে কানে কানে কথা বলতে চেয়েছিল, আর কেউ ছিল না। অতঃপর আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রাঃ) অপর এক ব্যক্তিকে ডেকে নিলেন। এখন আমরা চারজন হলাম এবং তিনি আমাকে ও সেই ব্যক্তিকে একটু সরে যেতে বললেন, যাকে ডেকে নিয়েছিলেন এবং বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট শ্রবণ করেছি, তিনি বলেছেন, দুইজন একজনকে একা ছেড়ে কানে কানে কথা বলবে না। (এতে তৃতীয় ব্যক্তি দুঃখিত হয়।)

আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ও আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রাঃ) খালিদ ইব্নু উকবা (রাঃ)-এর সেই ঘরের নিকটে ছিলাম যা বাজারে অবস্থিত ছিল। ইত্যবসরে এক ব্যক্তি এসে তাঁর সাথে কানে কানে কিছু কথা বলতে ইচ্ছা করল। আবদুল্লাহ্ (ইব্নু উমার)-এর সঙ্গে আমি ও সেই ব্যক্তি ব্যতীত, যে তার সাথে কানে কানে কথা বলতে চেয়েছিল, আর কেউ ছিল না। অতঃপর আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রাঃ) অপর এক ব্যক্তিকে ডেকে নিলেন। এখন আমরা চারজন হলাম এবং তিনি আমাকে ও সেই ব্যক্তিকে একটু সরে যেতে বললেন, যাকে ডেকে নিয়েছিলেন এবং বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট শ্রবণ করেছি, তিনি বলেছেন, দুইজন একজনকে একা ছেড়ে কানে কানে কথা বলবে না। (এতে তৃতীয় ব্যক্তি দুঃখিত হয়।)

حدثني مالك عن عبد الله بن دينار قال كنت أنا وعبد الله بن عمر عند دار خالد بن عقبة التي بالسوق فجاء رجل يريد أن يناجيه وليس مع عبد الله بن عمر أحد غيري وغير الرجل الذي يريد أن يناجيه فدعا عبد الله بن عمر رجلا آخر حتى كنا أربعة فقال لي وللرجل الذي دعاه استأخرا شيئا فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا يتناجى اثنان دون واحد


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সত্য ও মিথ্যা কথা বলা প্রসঙ্গে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮০১

و حدثني مالك أنه بلغه أنه قيل للقمان ما بلغ بك ما نرى يريدون الفضل فقال لقمان صدق الحديث وأداء الأمانة وترك ما لا يعنيني

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

লুকমান (আ)-এর নিকট কেউ জিজ্ঞেস করল, কিসের কারণে আপনি এই এত বুযুর্গী পেলেন? লুকমান (আ) বললেন, সত্য কথা বলা, আমানতদারী এবং অনর্থক কাজ পরিহার করার কারণে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

লুকমান (আ)-এর নিকট কেউ জিজ্ঞেস করল, কিসের কারণে আপনি এই এত বুযুর্গী পেলেন? লুকমান (আ) বললেন, সত্য কথা বলা, আমানতদারী এবং অনর্থক কাজ পরিহার করার কারণে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك أنه بلغه أنه قيل للقمان ما بلغ بك ما نرى يريدون الفضل فقال لقمان صدق الحديث وأداء الأمانة وترك ما لا يعنيني


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮০২

و حدثني مالك أنه بلغه أن عبد الله بن مسعود كان يقول لا يزال العبد يكذب وتنكت في قلبه نكتة سوداء حتى يسود قلبه كله فيكتب عند الله من الكاذبين.

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাসঊদ (রাঃ) বলতেন, মানুষ মিথ্যা কথা বলে। তার অন্তরে একটা কাল দাগ পড়ে শেষ পর্যন্ত তার গোটা অন্তরই কাল হয়ে যায়। অবশেষে আল্লাহ্‌র নিকট তার নাম মিথ্যাবাদীদের তালিকায় লিপিবদ্ধ হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাসঊদ (রাঃ) বলতেন, মানুষ মিথ্যা কথা বলে। তার অন্তরে একটা কাল দাগ পড়ে শেষ পর্যন্ত তার গোটা অন্তরই কাল হয়ে যায়। অবশেষে আল্লাহ্‌র নিকট তার নাম মিথ্যাবাদীদের তালিকায় লিপিবদ্ধ হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك أنه بلغه أن عبد الله بن مسعود كان يقول لا يزال العبد يكذب وتنكت في قلبه نكتة سوداء حتى يسود قلبه كله فيكتب عند الله من الكاذبين.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৯৯

حدثني مالك عن صفوان بن سليم أن رجلا قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم أكذب امرأتي يا رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا خير في الكذب فقال الرجل يا رسول الله أعدها وأقول لها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا جناح عليك

সাফওয়ান ইবনু সুলাইম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল, আমি আমার স্ত্রীর সাথে মিথ্যা বলতে পারব কি? এতদুত্তরে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মিথ্যা কথায় কোন উপকার নেই। লোকটি আবার বলল, আমি তার সাথে ওয়াদা তো করতে পারব যে, আমি তোমাকে এই জিনিস দিব। অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এতে কোন দোষ নেই। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

সাফওয়ান ইবনু সুলাইম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল, আমি আমার স্ত্রীর সাথে মিথ্যা বলতে পারব কি? এতদুত্তরে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মিথ্যা কথায় কোন উপকার নেই। লোকটি আবার বলল, আমি তার সাথে ওয়াদা তো করতে পারব যে, আমি তোমাকে এই জিনিস দিব। অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এতে কোন দোষ নেই। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني مالك عن صفوان بن سليم أن رجلا قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم أكذب امرأتي يا رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا خير في الكذب فقال الرجل يا رسول الله أعدها وأقول لها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا جناح عليك


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮০০

و حدثني مالك أنه بلغه أن عبد الله بن مسعود كان يقول عليكم بالصدق فإن الصدق يهدي إلى البر والبر يهدي إلى الجنة وإياكم والكذب فإن الكذب يهدي إلى الفجور والفجور يهدي إلى النار ألا ترى أنه يقال صدق وبر وكذب وفجر

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাসঊদ (রাঃ) বলতেন, তোমরা সত্য বলা নিজের উপর ওয়াজিব (অনিবার্য) করে নাও। কেননা সত্য কথা নেকীর দিকে ধাবিত করে এবং নেকী বেহেশতের পথ সুগম করে। আর তোমরা মিথ্যা বলা হতে সংযত হও। কেননা মিথ্যা কথা গুনাহর দিকে পথ প্রদর্শন করে এবং গুনাহ দোযখের পথ সুগম করে। তুমি কি শোননি, ইহা বলা হয় যে, সত্য বলে নেকী করল এবং মিথ্যা বলে গুনাহ করল? (বুখারী ৬০৯৪, মুসলিম ২৬০৭, আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি ইমাম মালিক-এর নিকট ইবনু মাসঊদ থেকে পৌঁছেছে মর্মে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাসঊদ (রাঃ) বলতেন, তোমরা সত্য বলা নিজের উপর ওয়াজিব (অনিবার্য) করে নাও। কেননা সত্য কথা নেকীর দিকে ধাবিত করে এবং নেকী বেহেশতের পথ সুগম করে। আর তোমরা মিথ্যা বলা হতে সংযত হও। কেননা মিথ্যা কথা গুনাহর দিকে পথ প্রদর্শন করে এবং গুনাহ দোযখের পথ সুগম করে। তুমি কি শোননি, ইহা বলা হয় যে, সত্য বলে নেকী করল এবং মিথ্যা বলে গুনাহ করল? (বুখারী ৬০৯৪, মুসলিম ২৬০৭, আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি ইমাম মালিক-এর নিকট ইবনু মাসঊদ থেকে পৌঁছেছে মর্মে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك أنه بلغه أن عبد الله بن مسعود كان يقول عليكم بالصدق فإن الصدق يهدي إلى البر والبر يهدي إلى الجنة وإياكم والكذب فإن الكذب يهدي إلى الفجور والفجور يهدي إلى النار ألا ترى أنه يقال صدق وبر وكذب وفجر


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮০৩

و حدثني مالك عن صفوان بن سليم أنه قال قيل لرسول الله صلى الله عليه وسلم أيكون المؤمن جبانا فقال نعم فقيل له أيكون المؤمن بخيلا فقال نعم فقيل له أيكون المؤمن كذابا فقال لا

সাফওয়ান ইবনু সুলাইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কেউ জিজ্ঞেস করল, মু‘মিন সাহসহীন বা ভীরু হতে পারে কি? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ। আবার জিজ্ঞেস করা হল, মু‘মিন কৃপণ (বখিল) হতে পারে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আবার জিজ্ঞেস করা হল, মু‘মিন মিথ্যাবাদী হতে পারে কি? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

সাফওয়ান ইবনু সুলাইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কেউ জিজ্ঞেস করল, মু‘মিন সাহসহীন বা ভীরু হতে পারে কি? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ। আবার জিজ্ঞেস করা হল, মু‘মিন কৃপণ (বখিল) হতে পারে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আবার জিজ্ঞেস করা হল, মু‘মিন মিথ্যাবাদী হতে পারে কি? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك عن صفوان بن سليم أنه قال قيل لرسول الله صلى الله عليه وسلم أيكون المؤمن جبانا فقال نعم فقيل له أيكون المؤمن بخيلا فقال نعم فقيل له أيكون المؤمن كذابا فقال لا


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > অপব্যয় ও দোমুখো মানুষ প্রসঙ্গে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮০৫

و حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من شر الناس ذو الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দোমুখো মানুষই নিকৃষ্টতম মানুষ অর্থাৎ যে এক দলের সঙ্গে এক রকম কথা বলে এবং অপর দলের সঙ্গে আরেক রকম কথা বলে। (সহীহ, মুসলিম ২৫২৬, এই হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমেও বর্ণিত হয়েছে অন্য সনদে আবূ হুরায়রা থেকে)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দোমুখো মানুষই নিকৃষ্টতম মানুষ অর্থাৎ যে এক দলের সঙ্গে এক রকম কথা বলে এবং অপর দলের সঙ্গে আরেক রকম কথা বলে। (সহীহ, মুসলিম ২৫২৬, এই হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমেও বর্ণিত হয়েছে অন্য সনদে আবূ হুরায়রা থেকে)

و حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من شر الناس ذو الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮০৪

حدثني مالك عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن الله يرضى لكم ثلاثا ويسخط لكم ثلاثا يرضى لكم أن تعبدوه ولا تشركوا به شيئا وأن تعتصموا بحبل الله جميعا وأن تناصحوا من ولاه الله أمركم ويسخط لكم قيل وقال وإضاعة المال وكثرة السؤال

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা‘আলা তোমাদের তিনটি কাজে সন্তুষ্ট হন এবং তিনটি কাজে অসন্তুষ্ট হন। যেসব কাজে তিনি সন্তুষ্ট হন সেগুলো হলঃ (১) তোমরা তাঁরই ইবাদত করবে এবং তাঁর সাথে আর কাউকেও শরীক করবে না। (২) আল্লাহর রজ্জু (অর্থাৎ কুরআন) মজবুত করে ধরবে। (৩) আল্লাহ্ যাকে শাসনের ভার দিয়েছেন তাকে নসীহত করবে। যেসব কাজে তিনি অসন্তুষ্ট হন, সেগুলো হলঃ (১) কথা অধিক বলা, (২) অপব্যয় করা, (৩) অধিক যাচনা করা (ভিক্ষা করা)। (সহীহ, মুসলিম ১৭১৫)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা‘আলা তোমাদের তিনটি কাজে সন্তুষ্ট হন এবং তিনটি কাজে অসন্তুষ্ট হন। যেসব কাজে তিনি সন্তুষ্ট হন সেগুলো হলঃ (১) তোমরা তাঁরই ইবাদত করবে এবং তাঁর সাথে আর কাউকেও শরীক করবে না। (২) আল্লাহর রজ্জু (অর্থাৎ কুরআন) মজবুত করে ধরবে। (৩) আল্লাহ্ যাকে শাসনের ভার দিয়েছেন তাকে নসীহত করবে। যেসব কাজে তিনি অসন্তুষ্ট হন, সেগুলো হলঃ (১) কথা অধিক বলা, (২) অপব্যয় করা, (৩) অধিক যাচনা করা (ভিক্ষা করা)। (সহীহ, মুসলিম ১৭১৫)

حدثني مالك عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن الله يرضى لكم ثلاثا ويسخط لكم ثلاثا يرضى لكم أن تعبدوه ولا تشركوا به شيئا وأن تعتصموا بحبل الله جميعا وأن تناصحوا من ولاه الله أمركم ويسخط لكم قيل وقال وإضاعة المال وكثرة السؤال


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00