মুয়াত্তা ইমাম মালিক > অপছন্দনীয় কথাবার্তা প্রসঙ্গে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৮৬

و حدثني مالك عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا سمعت الرجل يقول هلك الناس فهو أهلكهم

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যদি তুমি কাউকেও এই কথা বলতে শুনতে পাও যে, মানুষ ধ্বংস হয়েছে, তা হলে সে সবচাইতে অধিক ধ্বংস হয়েছে। [১] (সহীহ, মুসলিম ২৬২৩)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যদি তুমি কাউকেও এই কথা বলতে শুনতে পাও যে, মানুষ ধ্বংস হয়েছে, তা হলে সে সবচাইতে অধিক ধ্বংস হয়েছে। [১] (সহীহ, মুসলিম ২৬২৩)

و حدثني مالك عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا سمعت الرجل يقول هلك الناس فهو أهلكهم


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৮৫

حدثني مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من قال لأخيه كافر فقد باء بها أحدهما

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যদি কেউ নিজের কোন ভাইকে কাফের বলে, তবে এতদুভয়ের মধ্যে একজন (নিশ্চয়ই) কাফের হল। [১] (বুখারী ৬১০৪, মুসলিম ৬০)

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যদি কেউ নিজের কোন ভাইকে কাফের বলে, তবে এতদুভয়ের মধ্যে একজন (নিশ্চয়ই) কাফের হল। [১] (বুখারী ৬১০৪, মুসলিম ৬০)

حدثني مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من قال لأخيه كافر فقد باء بها أحدهما


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৮৮

و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أن عيسى ابن مريم لقي خنزيرا بالطريق فقال له انفذ بسلام فقيل له تقول هذا لخنزير فقال عيسى ابن مريم إني أخاف أن أعود لساني المنطق بالسوء

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (আ)-এর সম্মুখে পথে একটি শূকর এল। তিনি তখন বললেন, নিরাপদে তুমি চলে যাও। লোকেরা তাঁকে বলল, আপনি শূকরকে এ কথা বলছেন ? (অথচ এটা সর্বনিকৃষ্ট অশুচি জীব। এটাকে তো মেরে এবং গালমন্দ দিয়ে তাড়িয়ে দেয়া দরকার!) অতঃপর তিনি বললেন, এতে আমার মুখ খারাপ কথায় অভ্যস্ত হবে বলে আমি ভয় করছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (আ)-এর সম্মুখে পথে একটি শূকর এল। তিনি তখন বললেন, নিরাপদে তুমি চলে যাও। লোকেরা তাঁকে বলল, আপনি শূকরকে এ কথা বলছেন ? (অথচ এটা সর্বনিকৃষ্ট অশুচি জীব। এটাকে তো মেরে এবং গালমন্দ দিয়ে তাড়িয়ে দেয়া দরকার!) অতঃপর তিনি বললেন, এতে আমার মুখ খারাপ কথায় অভ্যস্ত হবে বলে আমি ভয় করছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أن عيسى ابن مريم لقي خنزيرا بالطريق فقال له انفذ بسلام فقيل له تقول هذا لخنزير فقال عيسى ابن مريم إني أخاف أن أعود لساني المنطق بالسوء


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৮৭

و حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يقل أحدكم يا خيبة الدهر فإن الله هو الدهر

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন দাহরকে (যুগ বা জমানাকে) মন্দ না বলে। কেননা আল্লাহই দাহর (যুগ)। [১] (বুখারী ৪৮২৬, মুসলিম ২২৪৬)

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন দাহরকে (যুগ বা জমানাকে) মন্দ না বলে। কেননা আল্লাহই দাহর (যুগ)। [১] (বুখারী ৪৮২৬, মুসলিম ২২৪৬)

و حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يقل أحدكم يا خيبة الدهر فإن الله هو الدهر


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বুঝেশুনে কথা বলা প্রসঙ্গে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৯০

و حدثني مالك عن عبد الله بن دينار عن أبي صالح السمان أنه أخبره أن أبا هريرة قال إن الرجل ليتكلم بالكلمة ما يلقي لها بالا يهوي بها في نار جهنم وإن الرجل ليتكلم بالكلمة ما يلقي لها بالا يرفعه الله بها في الجنة

আবূ সালেহ সাম্মান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন যে, (অনেক সময়) মানুষ চিন্তা না করে কথা বলে, পরিণামে সে জাহান্নামে পতিত হয়; আবার চিন্তা না করে (এমন) কথা কেউ বলে, যার ফলে সে বেহেশতে গমন করে। (সহীহ মারফু, ইমাম বুখারী ৬৪৭৮, আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে মারফু সনদে বর্ণনা করেছেন)

আবূ সালেহ সাম্মান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন যে, (অনেক সময়) মানুষ চিন্তা না করে কথা বলে, পরিণামে সে জাহান্নামে পতিত হয়; আবার চিন্তা না করে (এমন) কথা কেউ বলে, যার ফলে সে বেহেশতে গমন করে। (সহীহ মারফু, ইমাম বুখারী ৬৪৭৮, আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে মারফু সনদে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك عن عبد الله بن دينار عن أبي صالح السمان أنه أخبره أن أبا هريرة قال إن الرجل ليتكلم بالكلمة ما يلقي لها بالا يهوي بها في نار جهنم وإن الرجل ليتكلم بالكلمة ما يلقي لها بالا يرفعه الله بها في الجنة


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৮৯

حدثني مالك عن محمد بن عمرو بن علقمة عن أبيه عن بلال بن الحارث المزني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن الرجل ليتكلم بالكلمة من رضوان الله ما كان يظن أن تبلغ ما بلغت يكتب الله له بها رضوانه إلى يوم يلقاه وإن الرجل ليتكلم بالكلمة من سخط الله ما كان يظن أن تبلغ ما بلغت يكتب الله له بها سخطه إلى يوم يلقاه

বিলাল ইবনু হারিস মুযানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, (অনেক সময়) মানুষ কথা বলে, কিন্তু সেই কথা কোথায় তাকে পৌঁছাবে, সে তা জানে না। অথচ সেই কথার জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা তার জন্য স্বীয় সন্তুষ্টি কিয়ামত পর্যন্ত লিখে দেন। আবার কোন সময় আল্লাহর অসন্তুষ্টি মূলক এমন কথা কেউ বলে, সেই কথা তাকে কোথায় নিয়ে যাবে সে তা জানে না, অথচ সেই কথার জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা তার জন্য কিয়ামত পর্যন্ত স্বীয় অসন্তুষ্টি লিখে দেন। [১] (বুখারী ৬৪৭৭, মুসলিম ২৯৮৮, তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন)

বিলাল ইবনু হারিস মুযানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, (অনেক সময়) মানুষ কথা বলে, কিন্তু সেই কথা কোথায় তাকে পৌঁছাবে, সে তা জানে না। অথচ সেই কথার জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা তার জন্য স্বীয় সন্তুষ্টি কিয়ামত পর্যন্ত লিখে দেন। আবার কোন সময় আল্লাহর অসন্তুষ্টি মূলক এমন কথা কেউ বলে, সেই কথা তাকে কোথায় নিয়ে যাবে সে তা জানে না, অথচ সেই কথার জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা তার জন্য কিয়ামত পর্যন্ত স্বীয় অসন্তুষ্টি লিখে দেন। [১] (বুখারী ৬৪৭৭, মুসলিম ২৯৮৮, তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন)

حدثني مالك عن محمد بن عمرو بن علقمة عن أبيه عن بلال بن الحارث المزني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن الرجل ليتكلم بالكلمة من رضوان الله ما كان يظن أن تبلغ ما بلغت يكتب الله له بها رضوانه إلى يوم يلقاه وإن الرجل ليتكلم بالكلمة من سخط الله ما كان يظن أن تبلغ ما بلغت يكتب الله له بها سخطه إلى يوم يلقاه


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > অনর্থক কথা বলার দোষ প্রসঙ্গ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৯১

حدثني مالك عن زيد بن أسلم عن عبد الله بن عمر أنه قال قدم رجلان من المشرق فخطبا فعجب الناس لبيانهما فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن من البيان لسحرا أو قال إن بعض البيان لسحر

যায়দ ইবনু আসলাম আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

পূর্বদিক হতে দুইজন লোক আগমন করল। তারা বক্তৃতা দান করল এবং তাদের বক্তৃতায় জনসাধারণ আশ্চর্যান্বিত হল। অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, নিঃসন্দেহে কোন কোন বক্তৃতা যাদুর মতো ক্রিয়া করে। (সহীহ, বুখারী ৫৭৬৭)

যায়দ ইবনু আসলাম আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

পূর্বদিক হতে দুইজন লোক আগমন করল। তারা বক্তৃতা দান করল এবং তাদের বক্তৃতায় জনসাধারণ আশ্চর্যান্বিত হল। অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, নিঃসন্দেহে কোন কোন বক্তৃতা যাদুর মতো ক্রিয়া করে। (সহীহ, বুখারী ৫৭৬৭)

حدثني مالك عن زيد بن أسلم عن عبد الله بن عمر أنه قال قدم رجلان من المشرق فخطبا فعجب الناس لبيانهما فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن من البيان لسحرا أو قال إن بعض البيان لسحر


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৯৩

و حدثني مالك أنه بلغه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت ترسل إلى بعض أهلها بعد العتمة فتقول ألا تريحون الكتاب

বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ

নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী আয়িশা (রাঃ) ইশার নামাযের পর আপনজনদের কাছে বলে পাঠাতেন যে, লেখক ফেরেশতাদেরকে এখনও আরাম (অবসর) দিবে না ? [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ

নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী আয়িশা (রাঃ) ইশার নামাযের পর আপনজনদের কাছে বলে পাঠাতেন যে, লেখক ফেরেশতাদেরকে এখনও আরাম (অবসর) দিবে না ? [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك أنه بلغه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت ترسل إلى بعض أهلها بعد العتمة فتقول ألا تريحون الكتاب


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৯২

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ঈসা ইব্নু মরিয়ম (আ) বলতেন, আল্লাহ্‌র যিকির ব্যতীত অনর্থক বেশি কথা বলিও না। এতে তোমাদের অন্তর কঠিন হয়ে যাবে। আর কঠিন হৃদয়ের ব্যক্তি আল্লাহ্ হতে দূরে থাকে, অথচ তোমরা তা জান না। আর তোমরা অপরের গুনাহের দিকে (এইভাবে) তাকাইও না যেন তোমরা তাদের প্রভু! তোমরা নিজেদের গুনাহের দিকে (এইভাবে) তাকাও, যেন তোমরা গোলাম। কেননা মানুষ অনেক রকমের হয়। কেউ রোগী আর কেউ সুস্থ। অতএব, রোগীদের প্রতি সদয় হও এবং নিজের সুস্থতার জন্য আল্লাহ্‌র শোকর আদায় কর। [১] (বাইহাকী [শা’ব ] [শুয়াইবুন গ্রন্থে ৭/৭২] আলবানী হাদীসটি যয়ীফ বলেছেন [সিলসিলা যয়ীফা ৯০৮])

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ঈসা ইব্নু মরিয়ম (আ) বলতেন, আল্লাহ্‌র যিকির ব্যতীত অনর্থক বেশি কথা বলিও না। এতে তোমাদের অন্তর কঠিন হয়ে যাবে। আর কঠিন হৃদয়ের ব্যক্তি আল্লাহ্ হতে দূরে থাকে, অথচ তোমরা তা জান না। আর তোমরা অপরের গুনাহের দিকে (এইভাবে) তাকাইও না যেন তোমরা তাদের প্রভু! তোমরা নিজেদের গুনাহের দিকে (এইভাবে) তাকাও, যেন তোমরা গোলাম। কেননা মানুষ অনেক রকমের হয়। কেউ রোগী আর কেউ সুস্থ। অতএব, রোগীদের প্রতি সদয় হও এবং নিজের সুস্থতার জন্য আল্লাহ্‌র শোকর আদায় কর। [১] (বাইহাকী [শা’ব ] [শুয়াইবুন গ্রন্থে ৭/৭২] আলবানী হাদীসটি যয়ীফ বলেছেন [সিলসিলা যয়ীফা ৯০৮])


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > গীবত প্রসঙ্গে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৯৪

حدثني مالك عن الوليد بن عبد الله بن صياد أن المطلب بن عبد الله بن حنطب المخزومي أخبره أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم ما الغيبة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تذكر من المرء ما يكره أن يسمع قال يا رسول الله وإن كان حقا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قلت باطلا فذلك البهتان

মুত্তালিব ইবনু আবদুল্লাহ্ মাখযুমী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলঃ গীবত কি (বা গীবত কাকে বলে)? এতদুত্তরে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কারো অবর্তমানে তার এমন কথা প্রকাশ করা যা সে শুনলে অসন্তুষ্ট হবে। অতঃপর লোকটি (আবার) বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ! কথা যদি সত্য হয় (অর্থাৎ যা বলা হচ্ছে তা যদি মিথ্যা না হয়, বরং সত্য হয় তা হলেও কি উহা গীবত হবে)? তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি মিথ্যা হয়, (তবে উহাকে গীবত বলা হয় না; বরং) উহা বুহতান (অপবাদ)। [১] (সহীহ, ইমাম মুসলিম আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন ২৫৮৯)

মুত্তালিব ইবনু আবদুল্লাহ্ মাখযুমী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলঃ গীবত কি (বা গীবত কাকে বলে)? এতদুত্তরে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কারো অবর্তমানে তার এমন কথা প্রকাশ করা যা সে শুনলে অসন্তুষ্ট হবে। অতঃপর লোকটি (আবার) বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ! কথা যদি সত্য হয় (অর্থাৎ যা বলা হচ্ছে তা যদি মিথ্যা না হয়, বরং সত্য হয় তা হলেও কি উহা গীবত হবে)? তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি মিথ্যা হয়, (তবে উহাকে গীবত বলা হয় না; বরং) উহা বুহতান (অপবাদ)। [১] (সহীহ, ইমাম মুসলিম আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন ২৫৮৯)

حدثني مالك عن الوليد بن عبد الله بن صياد أن المطلب بن عبد الله بن حنطب المخزومي أخبره أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم ما الغيبة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تذكر من المرء ما يكره أن يسمع قال يا رسول الله وإن كان حقا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قلت باطلا فذلك البهتان


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00