মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সফরের দু‘আ প্রসঙ্গ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৭১
حدثني مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا وضع رجله في الغرز وهو يريد السفر يقول باسم الله اللهم أنت الصاحب في السفر والخليفة في الأهل اللهم ازو لنا الأرض وهون علينا السفر اللهم إني أعوذ بك من وعثاء السفر ومن كآبة المنقلب ومن سوء المنظر في المال والأهل
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরের উদ্দেশ্যে রেকাবে পা রাখার প্রাক্কালে এই দু‘আ করতেন بِاسْمِ اللهِ اللهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ وَالْخَلِيفَةُ فِي الْأَهْلِ اللهُمَّ ازْوِ لَنَا الْأَرْضَ وَهَوِّنْ عَلَيْنَا السَّفَرَ اللهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ وَمِنْ كَآبَةِ الْمُنْقَلَبِ وَمِنْ سُوءِ الْمَنْظَرِ فِي الْمَالِ وَالْأَهْلِ আমি আল্লাহর নামে সফর শুরু করিতেছি। হে আল্লাহ্! আমার সফরের সাথী আমার পরিবারের জন্য আমার স্থলাভিষিক্ত। হে আল্লাহ! আমার গন্তব্যস্থল নিকটে করে দাও, আমার সফর সহজ করে দাও। হে আল্লাহ! আমি সফরের কষ্ট এবং সফর হতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ফিরবার এবং মাল ও পরিবারের অনিষ্ট হতে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। (সহীহ, মুসলিম ১৩৪২, তিনি ইবনু মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন। তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি তার নিকট পৌঁছেছে মর্মে বর্ণনা করেছেন।) ৩৫و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ الثِّقَةِ عِنْدَهُ عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ الْأَشَجِّ عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ عَنْ خَوْلَةَ بِنْت حَكِيمٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ نَزَلَ مَنْزِلًا فَلْيَقُلْ أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ فَإِنَّهُ لَنْ يَضُرَّهُ شَيْءٌ حَتَّى يَرْتَحِلَ খাওলা বিনতে হাকীম (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যদি কোন মুসাফির কোন স্থানে অবতরণ করে তবে সে যেন এই দু‘আ পাঠ করে أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ (‘আমি সৃষ্টির আনিষ্ট হতে আল্লাহ্র পূর্ণ কলেমাসমূহের আশ্রয় প্রার্থনা করছি’) তা হলে সেখান হতে প্রস্থান করা পর্যন্ত কোন কিছুই তার অনিষ্ট করতে পারবে না। (সহীহ, মুসলিম ২৭০৮)
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরের উদ্দেশ্যে রেকাবে পা রাখার প্রাক্কালে এই দু‘আ করতেন بِاسْمِ اللهِ اللهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ وَالْخَلِيفَةُ فِي الْأَهْلِ اللهُمَّ ازْوِ لَنَا الْأَرْضَ وَهَوِّنْ عَلَيْنَا السَّفَرَ اللهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ وَمِنْ كَآبَةِ الْمُنْقَلَبِ وَمِنْ سُوءِ الْمَنْظَرِ فِي الْمَالِ وَالْأَهْلِ আমি আল্লাহর নামে সফর শুরু করিতেছি। হে আল্লাহ্! আমার সফরের সাথী আমার পরিবারের জন্য আমার স্থলাভিষিক্ত। হে আল্লাহ! আমার গন্তব্যস্থল নিকটে করে দাও, আমার সফর সহজ করে দাও। হে আল্লাহ! আমি সফরের কষ্ট এবং সফর হতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ফিরবার এবং মাল ও পরিবারের অনিষ্ট হতে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। (সহীহ, মুসলিম ১৩৪২, তিনি ইবনু মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন। তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি তার নিকট পৌঁছেছে মর্মে বর্ণনা করেছেন।) ৩৫و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ الثِّقَةِ عِنْدَهُ عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ الْأَشَجِّ عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ عَنْ خَوْلَةَ بِنْت حَكِيمٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ نَزَلَ مَنْزِلًا فَلْيَقُلْ أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ فَإِنَّهُ لَنْ يَضُرَّهُ شَيْءٌ حَتَّى يَرْتَحِلَ খাওলা বিনতে হাকীম (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যদি কোন মুসাফির কোন স্থানে অবতরণ করে তবে সে যেন এই দু‘আ পাঠ করে أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ (‘আমি সৃষ্টির আনিষ্ট হতে আল্লাহ্র পূর্ণ কলেমাসমূহের আশ্রয় প্রার্থনা করছি’) তা হলে সেখান হতে প্রস্থান করা পর্যন্ত কোন কিছুই তার অনিষ্ট করতে পারবে না। (সহীহ, মুসলিম ২৭০৮)
حدثني مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا وضع رجله في الغرز وهو يريد السفر يقول باسم الله اللهم أنت الصاحب في السفر والخليفة في الأهل اللهم ازو لنا الأرض وهون علينا السفر اللهم إني أعوذ بك من وعثاء السفر ومن كآبة المنقلب ومن سوء المنظر في المال والأهل
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নারী ও পুরুষের জন্য একা সফর করার নিষেধাজ্ঞা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৭২
حدثني مالك عن عبد الرحمن بن حرملة عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الراكب شيطان والراكبان شيطانان والثلاثة ركب
আমর ইবনু শু‘আইব তার পিতার সূত্রে তার দাদা থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, একা সফরকারী শয়তান, দুইজন একত্রে সফরকারীর দুইজনই শয়তান আর তিনজন হল একটি সফরকারী দল। (হাসান, আবূ দাঊদ ২৬০৭, তিরমিযী ১৬৭৪, আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন [সিলসিলা সহীহা ৬২])
আমর ইবনু শু‘আইব তার পিতার সূত্রে তার দাদা থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, একা সফরকারী শয়তান, দুইজন একত্রে সফরকারীর দুইজনই শয়তান আর তিনজন হল একটি সফরকারী দল। (হাসান, আবূ দাঊদ ২৬০৭, তিরমিযী ১৬৭৪, আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন [সিলসিলা সহীহা ৬২])
حدثني مالك عن عبد الرحمن بن حرملة عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الراكب شيطان والراكبان شيطانان والثلاثة ركب
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৭৩
و حدثني مالك عن عبد الرحمن بن حرملة عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الشيطان يهم بالواحد والاثنين فإذا كانوا ثلاثة لم يهم بهم
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, শয়তান একজন কিংবা দুইজনকে ক্ষতি করবার ইচ্ছা করে। তিনজন হলে ইচ্ছা করে না (কারণ তিনজন হলে জমা‘আত হয়, আর কোন জমা’আতে সে ক্ষতি করতে পারে না)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, শয়তান একজন কিংবা দুইজনকে ক্ষতি করবার ইচ্ছা করে। তিনজন হলে ইচ্ছা করে না (কারণ তিনজন হলে জমা‘আত হয়, আর কোন জমা’আতে সে ক্ষতি করতে পারে না)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن عبد الرحمن بن حرملة عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الشيطان يهم بالواحد والاثنين فإذا كانوا ثلاثة لم يهم بهم
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৭৪
و حدثني مالك عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر تسافر مسيرة يوم وليلة إلا مع ذي محرم منها
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যেই স্ত্রীলোক আল্লাহ্ ও শেষ বিচারের দিনের প্রতি ঈমান আনয়ন করেছে, তার জন্য মাহরাম [১] ব্যতীত একাকী একদিন ও একরাতের দূরত্ব পরিমাণ সফর করা হালাল নয়। (বুখারী ১০৮৮, মুসলিম ১৩৩৯)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যেই স্ত্রীলোক আল্লাহ্ ও শেষ বিচারের দিনের প্রতি ঈমান আনয়ন করেছে, তার জন্য মাহরাম [১] ব্যতীত একাকী একদিন ও একরাতের দূরত্ব পরিমাণ সফর করা হালাল নয়। (বুখারী ১০৮৮, মুসলিম ১৩৩৯)
و حدثني مالك عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر تسافر مسيرة يوم وليلة إلا مع ذي محرم منها
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সফরের আহকাম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৭৬
و حدثني مالك عن سمي مولى أبي بكر عن أبي صالح عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال السفر قطعة من العذاب يمنع أحدكم نومه وطعامه وشرابه فإذا قضى أحدكم نهمته من وجهه فليعجل إلى أهله
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সফর হল আযাবের এক অংশ। ইহা মানুষকে পানাহার ও নিদ্রায় বাধা দান করে। তোমাদের কেউ যদি কোন প্রয়োজনে সফরে গমন করে, তবে কাজ হয়ে গেলেই যেন সে পরিবারের দিকে প্রত্যাবর্তন করে। (বুখারী ১৮০৪, মুসলিম ১৯২৭)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সফর হল আযাবের এক অংশ। ইহা মানুষকে পানাহার ও নিদ্রায় বাধা দান করে। তোমাদের কেউ যদি কোন প্রয়োজনে সফরে গমন করে, তবে কাজ হয়ে গেলেই যেন সে পরিবারের দিকে প্রত্যাবর্তন করে। (বুখারী ১৮০৪, মুসলিম ১৯২৭)
و حدثني مالك عن سمي مولى أبي بكر عن أبي صالح عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال السفر قطعة من العذاب يمنع أحدكم نومه وطعامه وشرابه فإذا قضى أحدكم نهمته من وجهه فليعجل إلى أهله
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৭৫
حدثني مالك عن أبي عبيد مولى سليمان بن عبد الملك عن خالد بن معدان يرفعه إن الله تبارك وتعالى رفيق يحب الرفق ويرضى به ويعين عليه ما لا يعين على العنف فإذا ركبتم هذه الدواب العجم فأنزلوها منازلها فإن كانت الأرض جدبة فانجوا عليها بنقيها وعليكم بسير الليل فإن الأرض تطوى بالليل ما لا تطوى بالنهار وإياكم والتعريس على الطريق فإنها طرق الدواب ومأوى الحيات
খালিদ ইবনু মা‘দান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা‘আলা বিনম্র, তিনি নম্রতা পছন্দ করেন, নম্রতায় আনন্দিত হন এবং নম্রতায় সাহায্য করেন, যা কঠোরতায় করেন না। যখন তোমরা এই সব বাকশক্তিহীন সওয়ারীর উপর আরোহণ কর, তখন উহাকে সাধারণ মঞ্জিলে নামাও (অর্থাৎ স্বাভাবিক দূরত্বের অধিক চালিয়ে উহাকে অধিক কষ্ট দিও না)। যেখানে বিশ্রাম করবে, সেখানকার জায়গা যদি পরিষ্কার হয় এবং ঘাস না থাকে তবে শীঘ্রই সেখান হতে উহাকে বাহির করে নিয়ে যাও নতুবা উহার হাড় শুকিয়ে যাবে। (অর্থাৎ ঘাসপাতাহীন জায়গায় বিলম্ব করলে উহারা না খেয়ে শুকিয়ে যাবে। ফলে হাঁটতে পারবে না)। আর তোমাদের জন্য রাত্রে ভ্রমণ করাই উচিত। কারণ রাত্রে যেই পরিমাণ পথ অতিক্রম করা যায় দিনে তা হয় না। রাত্রে যদি কোন স্থানে অবস্থান কর, তবে পথে অবস্থান করো না। কেননা সেখানে জীবজন্তু চলাফেরা করে এবং সাপ বাস করে। (হাদীসের শেষাংশ ইমাম মুসলিম আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ১৯২৬)
খালিদ ইবনু মা‘দান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা‘আলা বিনম্র, তিনি নম্রতা পছন্দ করেন, নম্রতায় আনন্দিত হন এবং নম্রতায় সাহায্য করেন, যা কঠোরতায় করেন না। যখন তোমরা এই সব বাকশক্তিহীন সওয়ারীর উপর আরোহণ কর, তখন উহাকে সাধারণ মঞ্জিলে নামাও (অর্থাৎ স্বাভাবিক দূরত্বের অধিক চালিয়ে উহাকে অধিক কষ্ট দিও না)। যেখানে বিশ্রাম করবে, সেখানকার জায়গা যদি পরিষ্কার হয় এবং ঘাস না থাকে তবে শীঘ্রই সেখান হতে উহাকে বাহির করে নিয়ে যাও নতুবা উহার হাড় শুকিয়ে যাবে। (অর্থাৎ ঘাসপাতাহীন জায়গায় বিলম্ব করলে উহারা না খেয়ে শুকিয়ে যাবে। ফলে হাঁটতে পারবে না)। আর তোমাদের জন্য রাত্রে ভ্রমণ করাই উচিত। কারণ রাত্রে যেই পরিমাণ পথ অতিক্রম করা যায় দিনে তা হয় না। রাত্রে যদি কোন স্থানে অবস্থান কর, তবে পথে অবস্থান করো না। কেননা সেখানে জীবজন্তু চলাফেরা করে এবং সাপ বাস করে। (হাদীসের শেষাংশ ইমাম মুসলিম আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ১৯২৬)
حدثني مالك عن أبي عبيد مولى سليمان بن عبد الملك عن خالد بن معدان يرفعه إن الله تبارك وتعالى رفيق يحب الرفق ويرضى به ويعين عليه ما لا يعين على العنف فإذا ركبتم هذه الدواب العجم فأنزلوها منازلها فإن كانت الأرض جدبة فانجوا عليها بنقيها وعليكم بسير الليل فإن الأرض تطوى بالليل ما لا تطوى بالنهار وإياكم والتعريس على الطريق فإنها طرق الدواب ومأوى الحيات
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দাসদাসীর সহিত নম্র ব্যবহার প্রসঙ্গ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৭৮
و حدثني مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب كان يذهب إلى العوالي كل يوم سبت فإذا وجد عبدا في عمل لا يطيقه وضع عنه منه
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) প্রতি শনিবারে মদীনার পার্শ্ববর্তী গ্রামসমূহে গমন করতেন (এবং বিভিন্ন অভাব-অভিযোগ ইত্যাদি অনুসন্ধান করতেন)। যদি কোন গোলামকে এমন কাজ করতে দেখতেন যা তার শক্তির বাইরে হত, তবে তিনি উহা কম করে দিতেন (অর্থাৎ কাজ কমিয়ে গোলামের বোঝা হালকা করে দিতেন)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) প্রতি শনিবারে মদীনার পার্শ্ববর্তী গ্রামসমূহে গমন করতেন (এবং বিভিন্ন অভাব-অভিযোগ ইত্যাদি অনুসন্ধান করতেন)। যদি কোন গোলামকে এমন কাজ করতে দেখতেন যা তার শক্তির বাইরে হত, তবে তিনি উহা কম করে দিতেন (অর্থাৎ কাজ কমিয়ে গোলামের বোঝা হালকা করে দিতেন)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب كان يذهب إلى العوالي كل يوم سبت فإذا وجد عبدا في عمل لا يطيقه وضع عنه منه
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৭৭
حدثني مالك أنه بلغه أن أبا هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم للمملوك طعامه وكسوته بالمعروف ولا يكلف من العمل إلا ما يطيق
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দাসদাসীকে ঠিকমত খাদ্য ও পোশাক দিতে হবে। তা দ্বারা এমন কোন কাজ নেয়া যবে না, যা ক্ষমতাবহির্ভূত (অর্থাৎ তার সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ সে করবে, সাধ্যাতীত কাজ দেয়া বৈধ নয়)। (সহীহ, মুসলিম ১৬৬২)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দাসদাসীকে ঠিকমত খাদ্য ও পোশাক দিতে হবে। তা দ্বারা এমন কোন কাজ নেয়া যবে না, যা ক্ষমতাবহির্ভূত (অর্থাৎ তার সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ সে করবে, সাধ্যাতীত কাজ দেয়া বৈধ নয়)। (সহীহ, মুসলিম ১৬৬২)
حدثني مالك أنه بلغه أن أبا هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم للمملوك طعامه وكسوته بالمعروف ولا يكلف من العمل إلا ما يطيق
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৭৯
و حدثني مالك عن عمه أبي سهيل بن مالك عن أبيه أنه سمع عثمان بن عفان وهو يخطب وهو يقول لا تكلفوا الأمة غير ذات الصنعة الكسب فإنكم متى كلفتموها ذلك كسبت بفرجها ولا تكلفوا الصغير الكسب فإنه إذا لم يجد سرق وعفوا إذ أعفكم الله وعليكم من المطاعم بما طاب منها
মালিক ইবনু আবী ‘আমির আসবাহী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উসমান ইব্নু আফফান (রাঃ)-এর নিকট হতে শ্রবণ করেছেন, তিনি খুৎবায় বলেছেন, যেই সমস্ত দাসী হস্তশিল্পী নয়, তাদেরকে আয়-রোজগারে বাধ্য করো না। কেননা তোমরা তাদেরকে রোজগার করতে বাধ্য করলে তারা হারাম পদ্ধতিতে যিনার মাধ্যমে রোজগার করবে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক গোলামদেরকেও রোজগারের জন্য বাধ্য করো না। কেননা তোমরা তাদেরকে রোজগার করতে বাধ্য করলে তারা বাধ্য হয়ে চুরি করবে। আল্লাহ্ যখন তোমাদেরকে ঠিকমত রুজি দান করছেন, তখন তোমরাও তাদের মাফ করে দাও, যেমন আল্লাহ্ তোমাদের মাফ করেছেন। তোমাদের উচিত যা হালাল (পাক) তাই গ্রহণ করা। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক ইবনু আবী ‘আমির আসবাহী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উসমান ইব্নু আফফান (রাঃ)-এর নিকট হতে শ্রবণ করেছেন, তিনি খুৎবায় বলেছেন, যেই সমস্ত দাসী হস্তশিল্পী নয়, তাদেরকে আয়-রোজগারে বাধ্য করো না। কেননা তোমরা তাদেরকে রোজগার করতে বাধ্য করলে তারা হারাম পদ্ধতিতে যিনার মাধ্যমে রোজগার করবে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক গোলামদেরকেও রোজগারের জন্য বাধ্য করো না। কেননা তোমরা তাদেরকে রোজগার করতে বাধ্য করলে তারা বাধ্য হয়ে চুরি করবে। আল্লাহ্ যখন তোমাদেরকে ঠিকমত রুজি দান করছেন, তখন তোমরাও তাদের মাফ করে দাও, যেমন আল্লাহ্ তোমাদের মাফ করেছেন। তোমাদের উচিত যা হালাল (পাক) তাই গ্রহণ করা। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن عمه أبي سهيل بن مالك عن أبيه أنه سمع عثمان بن عفان وهو يخطب وهو يقول لا تكلفوا الأمة غير ذات الصنعة الكسب فإنكم متى كلفتموها ذلك كسبت بفرجها ولا تكلفوا الصغير الكسب فإنه إذا لم يجد سرق وعفوا إذ أعفكم الله وعليكم من المطاعم بما طاب منها