মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সর্প মেরে ফেলা সম্পর্কিত মাসাইল

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৬৮

حدثني مالك عن نافع عن أبي لبابة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن قتل الحيات التي في البيوت

আবূ লুবাবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সমস্ত সর্প ঘরে বাস করে উহাদেরকে মারতে (হত্যা করতে) নিষেধ করেছেন। [১] (বুখারী ৪০১৭, মুসলিম ২২৩৩)

আবূ লুবাবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সমস্ত সর্প ঘরে বাস করে উহাদেরকে মারতে (হত্যা করতে) নিষেধ করেছেন। [১] (বুখারী ৪০১৭, মুসলিম ২২৩৩)

حدثني مالك عن نافع عن أبي لبابة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن قتل الحيات التي في البيوت


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৬৯

و حدثني مالك عن نافع عن سائبة مولاة لعائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن قتل الجنان التي في البيوت إلا ذا الطفيتين والأبتر فإنهما يخطفان البصر ويطرحان ما في بطون النساء

আয়িশা (রাঃ) কর্তৃক আযাদকৃত বাঁদী সায়েবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই সমস্ত সর্পকে মারতে নিষেধ করেছেন, যা ঘরে বাস করে। তবে যুত্তুফয়াতাইন ও আবতর জাতীয় সর্প মারতে নিষেধ করেননি। কেননা এই দুই প্রকার সর্প চক্ষু নষ্ট করে এবং মহিলাদের গর্ভ নষ্ট করে। [১] (বুখারী ৩৩০৮, মুসলিম ২২৩২, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

আয়িশা (রাঃ) কর্তৃক আযাদকৃত বাঁদী সায়েবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই সমস্ত সর্পকে মারতে নিষেধ করেছেন, যা ঘরে বাস করে। তবে যুত্তুফয়াতাইন ও আবতর জাতীয় সর্প মারতে নিষেধ করেননি। কেননা এই দুই প্রকার সর্প চক্ষু নষ্ট করে এবং মহিলাদের গর্ভ নষ্ট করে। [১] (বুখারী ৩৩০৮, মুসলিম ২২৩২, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

و حدثني مالك عن نافع عن سائبة مولاة لعائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن قتل الجنان التي في البيوت إلا ذا الطفيتين والأبتر فإنهما يخطفان البصر ويطرحان ما في بطون النساء


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৭০

و حدثني مالك عن صيفي مولى ابن أفلح عن أبي السائب مولى هشام بن زهرة أنه قال دخلت على أبي سعيد الخدري فوجدته يصلي فجلست أنتظره حتى قضى صلاته فسمعت تحريكا تحت سرير في بيته فإذا حية فقمت لأقتلها فأشار أبو سعيد أن اجلس فلما انصرف أشار إلى بيت في الدار فقال أترى هذا البيت فقلت نعم قال إنه قد كان فيه فتى حديث عهد بعرس فخرج مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى الخندق فبينا هو به إذ أتاه الفتى يستأذنه فقال يا رسول الله ائذن لي أحدث بأهلي عهدا فأذن له رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال خذ عليك سلاحك فإني أخشى عليك بني قريظة فانطلق الفتى إلى أهله فوجد امرأته قائمة بين البابين فأهوى إليها بالرمح ليطعنها وأدركته غيرة فقالت لا تعجل حتى تدخل وتنظر ما في بيتك فدخل فإذا هو بحية منطوية على فراشه فركز فيها رمحه ثم خرج بها فنصبه في الدار فاضطربت الحية في رأس الرمح وخر الفتى ميتا فما يدرى أيهما كان أسرع موتا الفتى أم الحية فذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إن بالمدينة جنا قد أسلموا فإذا رأيتم منهم شيئا فآذنوه ثلاثة أيام فإن بدا لكم بعد ذلك فاقتلوه فإنما هو شيطان

হিশামের আযাদকৃত গোলাম আবূ সায়েব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তিনি নামায পড়তেছিলেন। আমি তাঁর নামায হতে অবসর হবার অপেক্ষায় বসে রইলাম। তিনি যখন নামায শেষ করলেন তখন আমি তাঁর ঘরের চৌকির নিচে কোন কিছুর নড়াচড়ার আওয়াজ শুনতে পেলাম। আমি তাকিয়ে দেখলাম যে, উহা একটি সাপ। আমি উহাকে মারতে উদ্যত হলাম। আবূ সাঈদ (রাঃ) আমাকে ইশারা করলেন যে বস (অর্থাৎ মেরো না)। অতঃপর তিনি (আমার দিকে) ফিরে ঘরের একটি কামরার দিকে ইশারা করে বললেন ঐ ঘরটি দেখছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, সেই ঘরে জনৈক যুবক বাস করত, নতুন বিবাহ করেছিল। সে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে খন্দকের যুদ্ধে গমন করেছিল। এর পর হঠাৎ এক সময় সে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে একটু অনুমতি দান করুন, আমি আমার পরিবারের সঙ্গে একটু কথা বলে আসি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অনুমতি দান করলেন এবং বললেন, যুদ্ধাস্ত্র সঙ্গে রাখ। কেননা বনু কুরায়যার আশঙ্কা রয়েছে (বনু কুরায়যা সেই ইহুদী গোত্র, যারা খন্দকের যুদ্ধের সময় ওয়াদা ভঙ্গ করে মক্কাবাসীদের সঙ্গে মিলে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল)। যুবকটি অস্ত্রসহ রওয়ানা হয়ে গেল। ঘরে পৌঁছে সে তার স্ত্রীকে ঘরের দুই দরজার মধ্যবর্তী স্থানে দাঁড়ানো দেখতে পেল। স্ত্রীকে এই অবস্থায় দেখে সে রাগান্বিত হল এবং বর্শা দিয়ে স্ত্রীকে আঘাত করতে উদ্যত হল। স্ত্রী বলল, (আমাকে মারতে এত) তাড়াহুড়া করো না, বরং আগে ঘরের ভিতরে যেয়ে দেখ। অতঃপর সে ঘরের ভিতরে গিয়ে দেখল যে, কুগুলী পাকিয়ে একটি সাপ তার বিছানায় শুয়ে আছে। সে বর্শা দিয়ে সাপটিকে গেঁথে ফেলল এবং বর্শাসহ বাহিরে এসে উহা বাড়ীর মধ্যেই দাঁড় করিয়ে রাখল। সাপটি বর্শার ফলায় পেঁচাচ্ছিল, আর তখনই যুবকটি মারা গেল। তবে ইহা জানা যায়নি যে, যুবকটি আগে মারা গেল, না সাপটি? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উক্ত ঘটনা বিবৃত করা হলে পরে তিনি বললেন, মদীনায় জ্বিন ইসলাম গ্রহণ করেছে। অতএব তোমরা যদি সাপ দেখ তবে তিনদিন পর্যন্ত তাকে সতর্ক কর। তারপরেও যদি তাকে দেখ, তবে তাকে হত্যা কর। কেননা সে শয়তান। (সহীহ, মুসলিম ২২৩৬)

হিশামের আযাদকৃত গোলাম আবূ সায়েব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তিনি নামায পড়তেছিলেন। আমি তাঁর নামায হতে অবসর হবার অপেক্ষায় বসে রইলাম। তিনি যখন নামায শেষ করলেন তখন আমি তাঁর ঘরের চৌকির নিচে কোন কিছুর নড়াচড়ার আওয়াজ শুনতে পেলাম। আমি তাকিয়ে দেখলাম যে, উহা একটি সাপ। আমি উহাকে মারতে উদ্যত হলাম। আবূ সাঈদ (রাঃ) আমাকে ইশারা করলেন যে বস (অর্থাৎ মেরো না)। অতঃপর তিনি (আমার দিকে) ফিরে ঘরের একটি কামরার দিকে ইশারা করে বললেন ঐ ঘরটি দেখছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, সেই ঘরে জনৈক যুবক বাস করত, নতুন বিবাহ করেছিল। সে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে খন্দকের যুদ্ধে গমন করেছিল। এর পর হঠাৎ এক সময় সে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে একটু অনুমতি দান করুন, আমি আমার পরিবারের সঙ্গে একটু কথা বলে আসি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অনুমতি দান করলেন এবং বললেন, যুদ্ধাস্ত্র সঙ্গে রাখ। কেননা বনু কুরায়যার আশঙ্কা রয়েছে (বনু কুরায়যা সেই ইহুদী গোত্র, যারা খন্দকের যুদ্ধের সময় ওয়াদা ভঙ্গ করে মক্কাবাসীদের সঙ্গে মিলে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল)। যুবকটি অস্ত্রসহ রওয়ানা হয়ে গেল। ঘরে পৌঁছে সে তার স্ত্রীকে ঘরের দুই দরজার মধ্যবর্তী স্থানে দাঁড়ানো দেখতে পেল। স্ত্রীকে এই অবস্থায় দেখে সে রাগান্বিত হল এবং বর্শা দিয়ে স্ত্রীকে আঘাত করতে উদ্যত হল। স্ত্রী বলল, (আমাকে মারতে এত) তাড়াহুড়া করো না, বরং আগে ঘরের ভিতরে যেয়ে দেখ। অতঃপর সে ঘরের ভিতরে গিয়ে দেখল যে, কুগুলী পাকিয়ে একটি সাপ তার বিছানায় শুয়ে আছে। সে বর্শা দিয়ে সাপটিকে গেঁথে ফেলল এবং বর্শাসহ বাহিরে এসে উহা বাড়ীর মধ্যেই দাঁড় করিয়ে রাখল। সাপটি বর্শার ফলায় পেঁচাচ্ছিল, আর তখনই যুবকটি মারা গেল। তবে ইহা জানা যায়নি যে, যুবকটি আগে মারা গেল, না সাপটি? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উক্ত ঘটনা বিবৃত করা হলে পরে তিনি বললেন, মদীনায় জ্বিন ইসলাম গ্রহণ করেছে। অতএব তোমরা যদি সাপ দেখ তবে তিনদিন পর্যন্ত তাকে সতর্ক কর। তারপরেও যদি তাকে দেখ, তবে তাকে হত্যা কর। কেননা সে শয়তান। (সহীহ, মুসলিম ২২৩৬)

و حدثني مالك عن صيفي مولى ابن أفلح عن أبي السائب مولى هشام بن زهرة أنه قال دخلت على أبي سعيد الخدري فوجدته يصلي فجلست أنتظره حتى قضى صلاته فسمعت تحريكا تحت سرير في بيته فإذا حية فقمت لأقتلها فأشار أبو سعيد أن اجلس فلما انصرف أشار إلى بيت في الدار فقال أترى هذا البيت فقلت نعم قال إنه قد كان فيه فتى حديث عهد بعرس فخرج مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى الخندق فبينا هو به إذ أتاه الفتى يستأذنه فقال يا رسول الله ائذن لي أحدث بأهلي عهدا فأذن له رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال خذ عليك سلاحك فإني أخشى عليك بني قريظة فانطلق الفتى إلى أهله فوجد امرأته قائمة بين البابين فأهوى إليها بالرمح ليطعنها وأدركته غيرة فقالت لا تعجل حتى تدخل وتنظر ما في بيتك فدخل فإذا هو بحية منطوية على فراشه فركز فيها رمحه ثم خرج بها فنصبه في الدار فاضطربت الحية في رأس الرمح وخر الفتى ميتا فما يدرى أيهما كان أسرع موتا الفتى أم الحية فذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إن بالمدينة جنا قد أسلموا فإذا رأيتم منهم شيئا فآذنوه ثلاثة أيام فإن بدا لكم بعد ذلك فاقتلوه فإنما هو شيطان


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সফরের দু‘আ প্রসঙ্গ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৭১

حدثني مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا وضع رجله في الغرز وهو يريد السفر يقول باسم الله اللهم أنت الصاحب في السفر والخليفة في الأهل اللهم ازو لنا الأرض وهون علينا السفر اللهم إني أعوذ بك من وعثاء السفر ومن كآبة المنقلب ومن سوء المنظر في المال والأهل

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরের উদ্দেশ্যে রেকাবে পা রাখার প্রাক্কালে এই দু‘আ করতেন بِاسْمِ اللهِ اللهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ وَالْخَلِيفَةُ فِي الْأَهْلِ اللهُمَّ ازْوِ لَنَا الْأَرْضَ وَهَوِّنْ عَلَيْنَا السَّفَرَ اللهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ وَمِنْ كَآبَةِ الْمُنْقَلَبِ وَمِنْ سُوءِ الْمَنْظَرِ فِي الْمَالِ وَالْأَهْلِ আমি আল্লাহর নামে সফর শুরু করিতেছি। হে আল্লাহ্! আমার সফরের সাথী আমার পরিবারের জন্য আমার স্থলাভিষিক্ত। হে আল্লাহ! আমার গন্তব্যস্থল নিকটে করে দাও, আমার সফর সহজ করে দাও। হে আল্লাহ! আমি সফরের কষ্ট এবং সফর হতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ফিরবার এবং মাল ও পরিবারের অনিষ্ট হতে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। (সহীহ, মুসলিম ১৩৪২, তিনি ইবনু মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন। তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি তার নিকট পৌঁছেছে মর্মে বর্ণনা করেছেন।) ৩৫و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ الثِّقَةِ عِنْدَهُ عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ الْأَشَجِّ عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ عَنْ خَوْلَةَ بِنْت حَكِيمٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ نَزَلَ مَنْزِلًا فَلْيَقُلْ أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ فَإِنَّهُ لَنْ يَضُرَّهُ شَيْءٌ حَتَّى يَرْتَحِلَ খাওলা বিনতে হাকীম (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যদি কোন মুসাফির কোন স্থানে অবতরণ করে তবে সে যেন এই দু‘আ পাঠ করে أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ (‘আমি সৃষ্টির আনিষ্ট হতে আল্লাহ্‌র পূর্ণ কলেমাসমূহের আশ্রয় প্রার্থনা করছি’) তা হলে সেখান হতে প্রস্থান করা পর্যন্ত কোন কিছুই তার অনিষ্ট করতে পারবে না। (সহীহ, মুসলিম ২৭০৮)

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরের উদ্দেশ্যে রেকাবে পা রাখার প্রাক্কালে এই দু‘আ করতেন بِاسْمِ اللهِ اللهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ وَالْخَلِيفَةُ فِي الْأَهْلِ اللهُمَّ ازْوِ لَنَا الْأَرْضَ وَهَوِّنْ عَلَيْنَا السَّفَرَ اللهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ وَمِنْ كَآبَةِ الْمُنْقَلَبِ وَمِنْ سُوءِ الْمَنْظَرِ فِي الْمَالِ وَالْأَهْلِ আমি আল্লাহর নামে সফর শুরু করিতেছি। হে আল্লাহ্! আমার সফরের সাথী আমার পরিবারের জন্য আমার স্থলাভিষিক্ত। হে আল্লাহ! আমার গন্তব্যস্থল নিকটে করে দাও, আমার সফর সহজ করে দাও। হে আল্লাহ! আমি সফরের কষ্ট এবং সফর হতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ফিরবার এবং মাল ও পরিবারের অনিষ্ট হতে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। (সহীহ, মুসলিম ১৩৪২, তিনি ইবনু মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন। তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি তার নিকট পৌঁছেছে মর্মে বর্ণনা করেছেন।) ৩৫و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ الثِّقَةِ عِنْدَهُ عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ الْأَشَجِّ عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ عَنْ خَوْلَةَ بِنْت حَكِيمٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ نَزَلَ مَنْزِلًا فَلْيَقُلْ أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ فَإِنَّهُ لَنْ يَضُرَّهُ شَيْءٌ حَتَّى يَرْتَحِلَ খাওলা বিনতে হাকীম (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যদি কোন মুসাফির কোন স্থানে অবতরণ করে তবে সে যেন এই দু‘আ পাঠ করে أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ (‘আমি সৃষ্টির আনিষ্ট হতে আল্লাহ্‌র পূর্ণ কলেমাসমূহের আশ্রয় প্রার্থনা করছি’) তা হলে সেখান হতে প্রস্থান করা পর্যন্ত কোন কিছুই তার অনিষ্ট করতে পারবে না। (সহীহ, মুসলিম ২৭০৮)

حدثني مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا وضع رجله في الغرز وهو يريد السفر يقول باسم الله اللهم أنت الصاحب في السفر والخليفة في الأهل اللهم ازو لنا الأرض وهون علينا السفر اللهم إني أعوذ بك من وعثاء السفر ومن كآبة المنقلب ومن سوء المنظر في المال والأهل


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নারী ও পুরুষের জন্য একা সফর করার নিষেধাজ্ঞা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৭২

حدثني مالك عن عبد الرحمن بن حرملة عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الراكب شيطان والراكبان شيطانان والثلاثة ركب

আমর ইবনু শু‘আইব তার পিতার সূত্রে তার দাদা থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, একা সফরকারী শয়তান, দুইজন একত্রে সফরকারীর দুইজনই শয়তান আর তিনজন হল একটি সফরকারী দল। (হাসান, আবূ দাঊদ ২৬০৭, তিরমিযী ১৬৭৪, আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন [সিলসিলা সহীহা ৬২])

আমর ইবনু শু‘আইব তার পিতার সূত্রে তার দাদা থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, একা সফরকারী শয়তান, দুইজন একত্রে সফরকারীর দুইজনই শয়তান আর তিনজন হল একটি সফরকারী দল। (হাসান, আবূ দাঊদ ২৬০৭, তিরমিযী ১৬৭৪, আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন [সিলসিলা সহীহা ৬২])

حدثني مالك عن عبد الرحمن بن حرملة عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الراكب شيطان والراكبان شيطانان والثلاثة ركب


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৭৩

و حدثني مالك عن عبد الرحمن بن حرملة عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الشيطان يهم بالواحد والاثنين فإذا كانوا ثلاثة لم يهم بهم

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, শয়তান একজন কিংবা দুইজনকে ক্ষতি করবার ইচ্ছা করে। তিনজন হলে ইচ্ছা করে না (কারণ তিনজন হলে জমা‘আত হয়, আর কোন জমা’আতে সে ক্ষতি করতে পারে না)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, শয়তান একজন কিংবা দুইজনকে ক্ষতি করবার ইচ্ছা করে। তিনজন হলে ইচ্ছা করে না (কারণ তিনজন হলে জমা‘আত হয়, আর কোন জমা’আতে সে ক্ষতি করতে পারে না)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك عن عبد الرحمن بن حرملة عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الشيطان يهم بالواحد والاثنين فإذا كانوا ثلاثة لم يهم بهم


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৭৪

و حدثني مالك عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر تسافر مسيرة يوم وليلة إلا مع ذي محرم منها

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যেই স্ত্রীলোক আল্লাহ্ ও শেষ বিচারের দিনের প্রতি ঈমান আনয়ন করেছে, তার জন্য মাহরাম [১] ব্যতীত একাকী একদিন ও একরাতের দূরত্ব পরিমাণ সফর করা হালাল নয়। (বুখারী ১০৮৮, মুসলিম ১৩৩৯)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যেই স্ত্রীলোক আল্লাহ্ ও শেষ বিচারের দিনের প্রতি ঈমান আনয়ন করেছে, তার জন্য মাহরাম [১] ব্যতীত একাকী একদিন ও একরাতের দূরত্ব পরিমাণ সফর করা হালাল নয়। (বুখারী ১০৮৮, মুসলিম ১৩৩৯)

و حدثني مالك عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر تسافر مسيرة يوم وليلة إلا مع ذي محرم منها


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সফরের আহকাম

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৭৬

و حدثني مالك عن سمي مولى أبي بكر عن أبي صالح عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال السفر قطعة من العذاب يمنع أحدكم نومه وطعامه وشرابه فإذا قضى أحدكم نهمته من وجهه فليعجل إلى أهله

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সফর হল আযাবের এক অংশ। ইহা মানুষকে পানাহার ও নিদ্রায় বাধা দান করে। তোমাদের কেউ যদি কোন প্রয়োজনে সফরে গমন করে, তবে কাজ হয়ে গেলেই যেন সে পরিবারের দিকে প্রত্যাবর্তন করে। (বুখারী ১৮০৪, মুসলিম ১৯২৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সফর হল আযাবের এক অংশ। ইহা মানুষকে পানাহার ও নিদ্রায় বাধা দান করে। তোমাদের কেউ যদি কোন প্রয়োজনে সফরে গমন করে, তবে কাজ হয়ে গেলেই যেন সে পরিবারের দিকে প্রত্যাবর্তন করে। (বুখারী ১৮০৪, মুসলিম ১৯২৭)

و حدثني مالك عن سمي مولى أبي بكر عن أبي صالح عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال السفر قطعة من العذاب يمنع أحدكم نومه وطعامه وشرابه فإذا قضى أحدكم نهمته من وجهه فليعجل إلى أهله


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৭৫

حدثني مالك عن أبي عبيد مولى سليمان بن عبد الملك عن خالد بن معدان يرفعه إن الله تبارك وتعالى رفيق يحب الرفق ويرضى به ويعين عليه ما لا يعين على العنف فإذا ركبتم هذه الدواب العجم فأنزلوها منازلها فإن كانت الأرض جدبة فانجوا عليها بنقيها وعليكم بسير الليل فإن الأرض تطوى بالليل ما لا تطوى بالنهار وإياكم والتعريس على الطريق فإنها طرق الدواب ومأوى الحيات

খালিদ ইবনু মা‘দান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা‘আলা বিনম্র, তিনি নম্রতা পছন্দ করেন, নম্রতায় আনন্দিত হন এবং নম্রতায় সাহায্য করেন, যা কঠোরতায় করেন না। যখন তোমরা এই সব বাকশক্তিহীন সওয়ারীর উপর আরোহণ কর, তখন উহাকে সাধারণ মঞ্জিলে নামাও (অর্থাৎ স্বাভাবিক দূরত্বের অধিক চালিয়ে উহাকে অধিক কষ্ট দিও না)। যেখানে বিশ্রাম করবে, সেখানকার জায়গা যদি পরিষ্কার হয় এবং ঘাস না থাকে তবে শীঘ্রই সেখান হতে উহাকে বাহির করে নিয়ে যাও নতুবা উহার হাড় শুকিয়ে যাবে। (অর্থাৎ ঘাসপাতাহীন জায়গায় বিলম্ব করলে উহারা না খেয়ে শুকিয়ে যাবে। ফলে হাঁটতে পারবে না)। আর তোমাদের জন্য রাত্রে ভ্রমণ করাই উচিত। কারণ রাত্রে যেই পরিমাণ পথ অতিক্রম করা যায় দিনে তা হয় না। রাত্রে যদি কোন স্থানে অবস্থান কর, তবে পথে অবস্থান করো না। কেননা সেখানে জীবজন্তু চলাফেরা করে এবং সাপ বাস করে। (হাদীসের শেষাংশ ইমাম মুসলিম আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ১৯২৬)

খালিদ ইবনু মা‘দান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা‘আলা বিনম্র, তিনি নম্রতা পছন্দ করেন, নম্রতায় আনন্দিত হন এবং নম্রতায় সাহায্য করেন, যা কঠোরতায় করেন না। যখন তোমরা এই সব বাকশক্তিহীন সওয়ারীর উপর আরোহণ কর, তখন উহাকে সাধারণ মঞ্জিলে নামাও (অর্থাৎ স্বাভাবিক দূরত্বের অধিক চালিয়ে উহাকে অধিক কষ্ট দিও না)। যেখানে বিশ্রাম করবে, সেখানকার জায়গা যদি পরিষ্কার হয় এবং ঘাস না থাকে তবে শীঘ্রই সেখান হতে উহাকে বাহির করে নিয়ে যাও নতুবা উহার হাড় শুকিয়ে যাবে। (অর্থাৎ ঘাসপাতাহীন জায়গায় বিলম্ব করলে উহারা না খেয়ে শুকিয়ে যাবে। ফলে হাঁটতে পারবে না)। আর তোমাদের জন্য রাত্রে ভ্রমণ করাই উচিত। কারণ রাত্রে যেই পরিমাণ পথ অতিক্রম করা যায় দিনে তা হয় না। রাত্রে যদি কোন স্থানে অবস্থান কর, তবে পথে অবস্থান করো না। কেননা সেখানে জীবজন্তু চলাফেরা করে এবং সাপ বাস করে। (হাদীসের শেষাংশ ইমাম মুসলিম আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ১৯২৬)

حدثني مالك عن أبي عبيد مولى سليمان بن عبد الملك عن خالد بن معدان يرفعه إن الله تبارك وتعالى رفيق يحب الرفق ويرضى به ويعين عليه ما لا يعين على العنف فإذا ركبتم هذه الدواب العجم فأنزلوها منازلها فإن كانت الأرض جدبة فانجوا عليها بنقيها وعليكم بسير الليل فإن الأرض تطوى بالليل ما لا تطوى بالنهار وإياكم والتعريس على الطريق فإنها طرق الدواب ومأوى الحيات


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00