মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ছাগল (পালন) প্রসঙ্গ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৫২
حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال رأس الكفر نحو المشرق والفخر والخيلاء في أهل الخيل والإبل والفدادين أهل الوبر والسكينة في أهل الغنم
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কুফরীর গোড়া হল পূর্বদিকে। মরুবাসী বেদুইন ঘোড়া ও উটওয়ালাদের মধ্যে অহঙ্কার আছে যাদের আওয়াজ বড় (কর্কশ)। আর নম্রতা ও শান্তি ছাগলওয়ালাদের মধ্যে আছে। (বুখারী ৩৩০১, মুসলিম ৫২)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কুফরীর গোড়া হল পূর্বদিকে। মরুবাসী বেদুইন ঘোড়া ও উটওয়ালাদের মধ্যে অহঙ্কার আছে যাদের আওয়াজ বড় (কর্কশ)। আর নম্রতা ও শান্তি ছাগলওয়ালাদের মধ্যে আছে। (বুখারী ৩৩০১, মুসলিম ৫২)
حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال رأس الكفر نحو المشرق والفخر والخيلاء في أهل الخيل والإبل والفدادين أهل الوبر والسكينة في أهل الغنم
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৫৪
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, মালিকের অনুমতি ব্যতিরেকে তোমরা কোন পশুর দুধ দোহন করবে না। তোমাদের কেউ ইহা পছন্দ করবে কি, কেউ তার ঘরে প্রবেশ করে তার সিন্দুক ভেঙ্গে তার সম্পদ ও খাদ্যসামগ্রী নিয়ে যাবে? (অর্থাৎ কখনও পছন্দ করবে না) পশুর (দুধের) উহার মালিকের খাবারের সিন্দুক (বা গোলা)। সুতরাং মালিকের অনুমতি ব্যতিরেকে কেউ কারো জানোয়ারের দুধ দোহন করবে না। (বুখারী ২৪৩৫, মুসলিম ১৭২৬)
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, মালিকের অনুমতি ব্যতিরেকে তোমরা কোন পশুর দুধ দোহন করবে না। তোমাদের কেউ ইহা পছন্দ করবে কি, কেউ তার ঘরে প্রবেশ করে তার সিন্দুক ভেঙ্গে তার সম্পদ ও খাদ্যসামগ্রী নিয়ে যাবে? (অর্থাৎ কখনও পছন্দ করবে না) পশুর (দুধের) উহার মালিকের খাবারের সিন্দুক (বা গোলা)। সুতরাং মালিকের অনুমতি ব্যতিরেকে কেউ কারো জানোয়ারের দুধ দোহন করবে না। (বুখারী ২৪৩৫, মুসলিম ১৭২৬)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৫৫
و حدثني مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما من نبي إلا قد رعى غنما قيل وأنت يا رسول الله قال وأنا
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এমন কোন নবী নাই যিনি ছাগল চড়াননি। জিজ্ঞেস করা হল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আপনিও কি (চড়িয়েছেন?) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, (হ্যাঁ) আমিও (চড়িয়েছি)। (সহীহ, বুখারী ২২৬২, আর ইমাম মালিক এর নিকট হাদীসটি পৌঁছেছে মর্মে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এমন কোন নবী নাই যিনি ছাগল চড়াননি। জিজ্ঞেস করা হল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আপনিও কি (চড়িয়েছেন?) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, (হ্যাঁ) আমিও (চড়িয়েছি)। (সহীহ, বুখারী ২২৬২, আর ইমাম মালিক এর নিকট হাদীসটি পৌঁছেছে মর্মে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما من نبي إلا قد رعى غنما قيل وأنت يا رسول الله قال وأنا
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৫৩
و حدثني مالك عن عبد الرحمن بن عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي صعصعة عن أبيه عن أبي سعيد الخدري أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوشك أن يكون خير مال المسلم غنم يتبع بها شعف الجبال ومواقع القطر يفر بدينه من الفتن
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, অদূর ভবিষ্যতে কয়েকটি ছাগলই মুসলমানদের উত্তম মাল (বলে বিবেচিত) হবে। তারা ফিতনা-ফাসাদ হতে নিজেদের দ্বীন রক্ষা করার নিমিত্তে পর্বতের চুড়ায় চলে যাবে অথবা কোন উপত্যকায় গিয়ে আশ্রয় নিবে। (সহীহ, বুখারী ১৯)
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, অদূর ভবিষ্যতে কয়েকটি ছাগলই মুসলমানদের উত্তম মাল (বলে বিবেচিত) হবে। তারা ফিতনা-ফাসাদ হতে নিজেদের দ্বীন রক্ষা করার নিমিত্তে পর্বতের চুড়ায় চলে যাবে অথবা কোন উপত্যকায় গিয়ে আশ্রয় নিবে। (সহীহ, বুখারী ১৯)
و حدثني مالك عن عبد الرحمن بن عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي صعصعة عن أبيه عن أبي سعيد الخدري أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوشك أن يكون خير مال المسلم غنم يتبع بها شعف الجبال ومواقع القطر يفر بدينه من الفتن
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ঘীতে ইঁদুর পতিত হলে কি করা হবে, নামাযের সময় খাবার এলে আগে খাবে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৫৬
و حدثني مالك عن نافع أن ابن عمر كان يقرب إليه عشاؤه فيسمع قراءة الإمام وهو في بيته فلا يعجل عن طعامه حتى يقضي حاجته منه
নাফি‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু উমার (রাঃ)-এর কাছে রাতের খাবার পেশ করা হত। তিনি তার ঘরে বসে ইমামের (ইশার নামাযের) কিরাত শ্রবণ করতেন। কিন্তু যতক্ষণ তৃপ্ত হয়ে না খেতেন, ততক্ষণ পর্যন্ত (নামাযের জন্য) তাড়াহুড়া করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু উমার (রাঃ)-এর কাছে রাতের খাবার পেশ করা হত। তিনি তার ঘরে বসে ইমামের (ইশার নামাযের) কিরাত শ্রবণ করতেন। কিন্তু যতক্ষণ তৃপ্ত হয়ে না খেতেন, ততক্ষণ পর্যন্ত (নামাযের জন্য) তাড়াহুড়া করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن نافع أن ابن عمر كان يقرب إليه عشاؤه فيسمع قراءة الإمام وهو في بيته فلا يعجل عن طعامه حتى يقضي حاجته منه
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৫৭
و حدثني مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن عبد الله بن عباس عن ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن الفأرة تقع في السمن فقال انزعوها وما حولها فاطرحوه
নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী মায়মুনা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞেস করা হল যে, ঘীতে ইঁদুর পতিত হলে কি করতে হবে? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, উহা বাইরে ফেলে দাও এবং উহার আশেপাশের ঘীও ফেলে দাও। [১] (সহীহ, বুখারী ৫৫৪০)
নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী মায়মুনা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞেস করা হল যে, ঘীতে ইঁদুর পতিত হলে কি করতে হবে? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, উহা বাইরে ফেলে দাও এবং উহার আশেপাশের ঘীও ফেলে দাও। [১] (সহীহ, বুখারী ৫৫৪০)
و حدثني مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن عبد الله بن عباس عن ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن الفأرة تقع في السمن فقال انزعوها وما حولها فاطرحوه
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > অশুভ হতে বেঁচে থাকা প্রসঙ্গ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৫৮
و حدثني مالك عن أبي حازم بن دينار عن سهل بن سعد الساعدي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن كان ففي الفرس والمرأة والمسكن يعني الشؤم
সহল ইবনু সা‘দ সা‘য়েদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যদি অশুভ বলতে কিছু হত, তবে ঘোড়া, স্ত্রীলোক ও ঘর (এই তিন বস্তু)-এ হতে। (বুখারী ২৫৮৯, মুসলিম ২২২৬)
সহল ইবনু সা‘দ সা‘য়েদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যদি অশুভ বলতে কিছু হত, তবে ঘোড়া, স্ত্রীলোক ও ঘর (এই তিন বস্তু)-এ হতে। (বুখারী ২৫৮৯, মুসলিম ২২২৬)
و حدثني مالك عن أبي حازم بن دينار عن سهل بن سعد الساعدي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن كان ففي الفرس والمرأة والمسكن يعني الشؤم
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৫৯
و حدثني مالك عن ابن شهاب عن حمزة وسالم ابني عبد الله بن عمر عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الشؤم في الدار والمرأة والفرس
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ঘর, স্ত্রীলোক ও ঘোড়া (অর্থাৎ এই তিন বস্তুতে) অশুভ বিষয় আছে। (বুখারী ৫০৯৩, মুসলিম ২২২৫)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ঘর, স্ত্রীলোক ও ঘোড়া (অর্থাৎ এই তিন বস্তুতে) অশুভ বিষয় আছে। (বুখারী ৫০৯৩, মুসলিম ২২২৫)
و حدثني مالك عن ابن شهاب عن حمزة وسالم ابني عبد الله بن عمر عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الشؤم في الدار والمرأة والفرس
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৬০
و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال جاءت امرأة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله دار سكناها والعدد كثير والمال وافر فقل العدد وذهب المال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم دعوها ذميمة
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জনৈকা স্ত্রীলোক এসে বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! একটি ঘরে আমরা বাস করছিলাম। (পরিবারে) আমরা সংখ্যায় অধিক ছিলাম এবং মালও ছিল বিপুল। এখন জনসংখ্যা কমে গিয়েছে (অর্থাৎ অনেকেই মারা গিয়েছে) এবং মালও নষ্ট হয়ে গিয়েছে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সেই ঘরকে তুমি ছেড়ে দাও উহা খারাপ। (হাসান, আবূ দাঊদ ৩২৯৪, আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন, [সিলসিলাহ সহীহা ৭৯০] ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জনৈকা স্ত্রীলোক এসে বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! একটি ঘরে আমরা বাস করছিলাম। (পরিবারে) আমরা সংখ্যায় অধিক ছিলাম এবং মালও ছিল বিপুল। এখন জনসংখ্যা কমে গিয়েছে (অর্থাৎ অনেকেই মারা গিয়েছে) এবং মালও নষ্ট হয়ে গিয়েছে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সেই ঘরকে তুমি ছেড়ে দাও উহা খারাপ। (হাসান, আবূ দাঊদ ৩২৯৪, আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন, [সিলসিলাহ সহীহা ৭৯০] ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال جاءت امرأة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله دار سكناها والعدد كثير والمال وافر فقل العدد وذهب المال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم دعوها ذميمة
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > খারাপ নাম সম্পর্কীয় বয়ান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৬২
و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أن عمر بن الخطاب قال لرجل ما اسمك فقال جمرة فقال ابن من فقال ابن شهاب قال ممن قال من الحرقة قال أين مسكنك قال بحرة النار قال بأيها قال بذات لظى قال عمر أدرك أهلك فقد احترقوا قال فكان كما قال عمر بن الخطاب رضي الله عنه
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার নাম কি? লোকটি বলল, জামরা (এর অর্থ আগুনের কয়লা বা অঙ্গার)। আবার জিজ্ঞেস করলেন, তোমার পিতার নাম কি? লোকটি বলল, শিহাব (অগ্নিশিখা)। আবার জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কোন্ গোত্রের? লোকটি বলল, হুরাকা গোত্রের (জ্বলন্ত)। আবার জিজ্ঞেস করলেন, কোথায় বাস কর? লোকটি বলল, হাররাতুন্নারে (দোযখের গরমে)। আবার জিজ্ঞেস করলেন, সেই স্থানটা কোথায়? লোকটি বলল, যাতে লাযা (লাযা নামক দোযখে)। উমার (রাঃ) বললেনঃ যাও, গিয়ে তোমার খবর নাও, তারা সকলেই জ্বলে গিয়েছে। লোকটি গিয়ে দেখল যে, সত্যই উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) যা বলেছেন, তাই হয়েছে (অর্থাৎ সকলেই জ্বলে গিয়েছে)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার নাম কি? লোকটি বলল, জামরা (এর অর্থ আগুনের কয়লা বা অঙ্গার)। আবার জিজ্ঞেস করলেন, তোমার পিতার নাম কি? লোকটি বলল, শিহাব (অগ্নিশিখা)। আবার জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কোন্ গোত্রের? লোকটি বলল, হুরাকা গোত্রের (জ্বলন্ত)। আবার জিজ্ঞেস করলেন, কোথায় বাস কর? লোকটি বলল, হাররাতুন্নারে (দোযখের গরমে)। আবার জিজ্ঞেস করলেন, সেই স্থানটা কোথায়? লোকটি বলল, যাতে লাযা (লাযা নামক দোযখে)। উমার (রাঃ) বললেনঃ যাও, গিয়ে তোমার খবর নাও, তারা সকলেই জ্বলে গিয়েছে। লোকটি গিয়ে দেখল যে, সত্যই উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) যা বলেছেন, তাই হয়েছে (অর্থাৎ সকলেই জ্বলে গিয়েছে)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أن عمر بن الخطاب قال لرجل ما اسمك فقال جمرة فقال ابن من فقال ابن شهاب قال ممن قال من الحرقة قال أين مسكنك قال بحرة النار قال بأيها قال بذات لظى قال عمر أدرك أهلك فقد احترقوا قال فكان كما قال عمر بن الخطاب رضي الله عنه
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৬১
حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال للقحة تحلب من يحلب هذه فقام رجل فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ما اسمك فقال له الرجل مرة فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم اجلس ثم قال من يحلب هذه فقام رجل فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ما اسمك فقال حرب فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم اجلس ثم قال من يحلب هذه فقام رجل فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ما اسمك فقال يعيش فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم احلب
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি দুধেল উষ্ট্রীর দিকে ইশারা করে বললেন, এই উষ্ট্রীর দুধ কে দোহন করবে? অতঃপর এক ব্যক্তি দণ্ডায়মান হলেন, তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমার নাম কি? লোকটি বলল, মুরবা। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি বস। (তিনি লোকটির নাম খারাপ মনে করলেন। কারণ মুররা শব্দের অর্থ হল তিক্ত)। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার জিজ্ঞেস করলেন, কে দুধ দোহন করবে? (অপর) এক ব্যক্তি দণ্ডায়মান হল। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমার নাম কি? লোকটি বলল, হারব। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি বস। আবার বললেন, এই উষ্ট্রীর দুধ কে দোহন করবে? (আর) এক ব্যক্তি দাঁড়াল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমার নাম কি? লোকটি বলল, ইয়া‘ঈশ। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যাও, দুধ দোহন কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি দুধেল উষ্ট্রীর দিকে ইশারা করে বললেন, এই উষ্ট্রীর দুধ কে দোহন করবে? অতঃপর এক ব্যক্তি দণ্ডায়মান হলেন, তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমার নাম কি? লোকটি বলল, মুরবা। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি বস। (তিনি লোকটির নাম খারাপ মনে করলেন। কারণ মুররা শব্দের অর্থ হল তিক্ত)। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার জিজ্ঞেস করলেন, কে দুধ দোহন করবে? (অপর) এক ব্যক্তি দণ্ডায়মান হল। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমার নাম কি? লোকটি বলল, হারব। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি বস। আবার বললেন, এই উষ্ট্রীর দুধ কে দোহন করবে? (আর) এক ব্যক্তি দাঁড়াল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমার নাম কি? লোকটি বলল, ইয়া‘ঈশ। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যাও, দুধ দোহন কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال للقحة تحلب من يحلب هذه فقام رجل فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ما اسمك فقال له الرجل مرة فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم اجلس ثم قال من يحلب هذه فقام رجل فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ما اسمك فقال حرب فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم اجلس ثم قال من يحلب هذه فقام رجل فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ما اسمك فقال يعيش فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم احلب