মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শোয়ার প্রাক্কালে শয়তান হতে আশ্রয় প্রার্থনা প্রসঙ্গে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭১৪

حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد قال بلغني أن خالد بن الوليد قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم إني أروع في منامي فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم قل أعوذ بكلمات الله التامة من غضبه وعقابه وشر عباده ومن همزات الشياطين وأن يحضرون

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, খালিদ ইবনু ওলীদ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললেন, আমি নিদ্রাবস্থায় (স্বপ্নে) ভয় পাই। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি (শোয়ার সময়) এই দু‘আ পাঠ করঃ أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّةِ مِنْ غَضَبِهِ وَعِقَابِهِ وَشَرِّ عِبَادِهِ وَمِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ وَأَنْ يَحْضُرُونِ আমি আল্লাহ্‌র ক্রোধ ও আযাব হতে, তার বান্দাগণের উপদ্রব হতে, শয়তানের প্ররোচনা হতে এবং আমার নিকট শয়তানের আগমন হতে আল্লাহ্‌র পূর্ণ কলেমাসমূহের আশ্রয় প্রার্থনা করছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, খালিদ ইবনু ওলীদ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললেন, আমি নিদ্রাবস্থায় (স্বপ্নে) ভয় পাই। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি (শোয়ার সময়) এই দু‘আ পাঠ করঃ أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّةِ مِنْ غَضَبِهِ وَعِقَابِهِ وَشَرِّ عِبَادِهِ وَمِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ وَأَنْ يَحْضُرُونِ আমি আল্লাহ্‌র ক্রোধ ও আযাব হতে, তার বান্দাগণের উপদ্রব হতে, শয়তানের প্ররোচনা হতে এবং আমার নিকট শয়তানের আগমন হতে আল্লাহ্‌র পূর্ণ কলেমাসমূহের আশ্রয় প্রার্থনা করছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد قال بلغني أن خالد بن الوليد قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم إني أروع في منامي فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم قل أعوذ بكلمات الله التامة من غضبه وعقابه وشر عباده ومن همزات الشياطين وأن يحضرون


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭১৬

و حدثني مالك عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة أن رجلا من أسلم قال ما نمت هذه الليلة فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم من أي شيء فقال لدغتني عقرب فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أما إنك لو قلت حين أمسيت أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق لم تضرك

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আসলাম গোত্রের এক ব্যক্তি বলল, আমি রাত্রে ঘুমাইনি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, কেন ঘুমাওনি? সে উত্তর দিল, আমাকে বিচ্ছু দংশন করেছে। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন যে, তুমি যদি পড়তে। أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ (আমি সৃষ্টের অপকারিতা হতে আল্লাহ্‌র পূর্ণ কালিমাসমূহের আশ্রয় প্রার্থনা করছি) তা হলে তোমার কোন ক্ষতি হত না। (সহীহ, মুসলিম ২৭০৯)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আসলাম গোত্রের এক ব্যক্তি বলল, আমি রাত্রে ঘুমাইনি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, কেন ঘুমাওনি? সে উত্তর দিল, আমাকে বিচ্ছু দংশন করেছে। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন যে, তুমি যদি পড়তে। أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ (আমি সৃষ্টের অপকারিতা হতে আল্লাহ্‌র পূর্ণ কালিমাসমূহের আশ্রয় প্রার্থনা করছি) তা হলে তোমার কোন ক্ষতি হত না। (সহীহ, মুসলিম ২৭০৯)

و حدثني مالك عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة أن رجلا من أسلم قال ما نمت هذه الليلة فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم من أي شيء فقال لدغتني عقرب فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أما إنك لو قلت حين أمسيت أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق لم تضرك


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭১৭

و حدثني عن مالك عن سمي مولى أبي بكر عن القعقاع بن حكيم أن كعب الأحبار قال لولا كلمات أقولهن لجعلتني يهود حمارا فقيل له وما هن فقال أعوذ بوجه الله العظيم الذي ليس شيء أعظم منه وبكلمات الله التامات التي لا يجاوزهن بر ولا فاجر وبأسماء الله الحسنى كلها ما علمت منها وما لم أعلم من شر ما خلق وبرأ وذرأ

কা‘কা’ ইবনু হাকীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

কা‘বে আহবার (রহঃ) [তিনি ইহুদীদের বড় আলিম ছিলেন। পরে ইসলাম গ্রহণ করেনা] বলেছেন যে, যদি আমি কয়েকটি শব্দ (কালিমা) পাঠ না করতাম, তা হলে ইহুদীগণ (যাদু করে) আমাকে গাধা বানিয়ে দিত। তাকে জিজ্ঞেস করা হল যে, সেই শব্দগুলো কি? তিনি বললেনঃ أَعُوذُ بِوَجْهِ اللهِ الْعَظِيمِ الَّذِي لَيْسَ شَيْءٌ أَعْظَمَ مِنْهُ وَبِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ الَّتِي لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلَا فَاجِرٌ وَبِأَسْمَاءِ اللهِ الْحُسْنَى كُلِّهَا مَا عَلِمْتُ مِنْهَا وَمَا لَمْ أَعْلَمْ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ وَبَرَأَ وَذَرَأَ আমি সেই আল্লাহ্‌র মহান সত্তার আশ্রয় প্রার্থনা করছি যাঁর চাইতে কোন বস্তুই বড় নয়। আর তার পূর্ণ কলেমাসমূহের আশ্রয় প্রার্থনা করছি যার আগে কোন ভাল কিংবা মন্দ যেতে পারে না, আর তার সমুদয় সুন্দর নামের আশ্রয় প্রার্থনা করছি যা আমার জানা আছে এবং যা আমার জানা নেই; সেই সৃষ্টির অপকারিতা হতে, যা সৃষ্টি করেছেন এবং বিস্তৃত করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

কা‘কা’ ইবনু হাকীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

কা‘বে আহবার (রহঃ) [তিনি ইহুদীদের বড় আলিম ছিলেন। পরে ইসলাম গ্রহণ করেনা] বলেছেন যে, যদি আমি কয়েকটি শব্দ (কালিমা) পাঠ না করতাম, তা হলে ইহুদীগণ (যাদু করে) আমাকে গাধা বানিয়ে দিত। তাকে জিজ্ঞেস করা হল যে, সেই শব্দগুলো কি? তিনি বললেনঃ أَعُوذُ بِوَجْهِ اللهِ الْعَظِيمِ الَّذِي لَيْسَ شَيْءٌ أَعْظَمَ مِنْهُ وَبِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ الَّتِي لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلَا فَاجِرٌ وَبِأَسْمَاءِ اللهِ الْحُسْنَى كُلِّهَا مَا عَلِمْتُ مِنْهَا وَمَا لَمْ أَعْلَمْ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ وَبَرَأَ وَذَرَأَ আমি সেই আল্লাহ্‌র মহান সত্তার আশ্রয় প্রার্থনা করছি যাঁর চাইতে কোন বস্তুই বড় নয়। আর তার পূর্ণ কলেমাসমূহের আশ্রয় প্রার্থনা করছি যার আগে কোন ভাল কিংবা মন্দ যেতে পারে না, আর তার সমুদয় সুন্দর নামের আশ্রয় প্রার্থনা করছি যা আমার জানা আছে এবং যা আমার জানা নেই; সেই সৃষ্টির অপকারিতা হতে, যা সৃষ্টি করেছেন এবং বিস্তৃত করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن سمي مولى أبي بكر عن القعقاع بن حكيم أن كعب الأحبار قال لولا كلمات أقولهن لجعلتني يهود حمارا فقيل له وما هن فقال أعوذ بوجه الله العظيم الذي ليس شيء أعظم منه وبكلمات الله التامات التي لا يجاوزهن بر ولا فاجر وبأسماء الله الحسنى كلها ما علمت منها وما لم أعلم من شر ما خلق وبرأ وذرأ


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭১৫

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال أسري برسول الله صلى الله عليه وسلم فرأى عفريتا من الجن يطلبه بشعلة من نار كلما التفت رسول الله صلى الله عليه وسلم رآه فقال له جبريل أفلا أعلمك كلمات تقولهن إذا قلتهن طفئت شعلته وخر لفيه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم بلى فقال جبريل فقل أعوذ بوجه الله الكريم وبكلمات الله التامات اللاتي لا يجاوزهن بر ولا فاجر من شر ما ينزل من السماء وشر ما يعرج فيها وشر ما ذرأ في الأرض وشر ما يخرج منها ومن فتن الليل والنهار ومن طوارق الليل والنهار إلا طارقا يطرق بخير يا رحمن

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মি‘রাজ রজনীতে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি জ্বীন দেখতে পেলেন। তার হাতে আগুনের লেলিহান শিখা ছিল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে দেখলে মনে হত যেন সে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দিকে ছুটে আসছে। অতঃপর জিবরাঈল (আ) প্রিয় নবীকে বললেন, আমি আপনাকে এমন কতকগুলো শব্দ শিক্ষা দিব কি যা পাঠ করলে এই জ্বীনের আগুন নিভে যাবে এবং সে উপুর হয়ে পড়ে যাবে? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, নিশ্চয়ই শিক্ষা দিবেন। অতঃপর জিবরাঈল (আ) বললেন, পড়ুনঃ أَعُوذُ بِوَجْهِ اللهِ الْكَرِيمِ وَبِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ اللَّاتِي لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلَا فَاجِرٌ مِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنْ السَّمَاءِ وَشَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيهَا وَشَرِّ مَا ذَرَأَ فِي الْأَرْضِ وَشَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا وَمِنْ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَمِنْ طَوَارِقِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ إِلَّا طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمَنُ আমি আসমান হতে আগত ও আসমানের দিকে ধাবিত বস্তুর অমঙ্গল হতে, মাটিতে সৃষ্ট ও মাটি হতে বহির্গত বস্তুর অমঙ্গল হতে, রাত্র-দিনের বালা-মুসিবত হতে ও রাত্র-দিনের ঘটনাপ্রবাহ হতে- তবে উত্তম ঘটনা হতে নয়- হে দয়াময়! (আমি) আল্লাহ্‌র সম্মানিত সত্তার ও তার সেই পূর্ণ কলেমাসমূহের আশ্রয় প্রার্থনা করছি, যা পুণ্যবান ও পাপী কেহই অতিক্রম করতে পারে না। [১] (সহীহ, আহমাদ ১৫৪৯৮, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সিলসিলা সহীহা ২৯৯৫] তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মি‘রাজ রজনীতে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি জ্বীন দেখতে পেলেন। তার হাতে আগুনের লেলিহান শিখা ছিল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে দেখলে মনে হত যেন সে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দিকে ছুটে আসছে। অতঃপর জিবরাঈল (আ) প্রিয় নবীকে বললেন, আমি আপনাকে এমন কতকগুলো শব্দ শিক্ষা দিব কি যা পাঠ করলে এই জ্বীনের আগুন নিভে যাবে এবং সে উপুর হয়ে পড়ে যাবে? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, নিশ্চয়ই শিক্ষা দিবেন। অতঃপর জিবরাঈল (আ) বললেন, পড়ুনঃ أَعُوذُ بِوَجْهِ اللهِ الْكَرِيمِ وَبِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ اللَّاتِي لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلَا فَاجِرٌ مِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنْ السَّمَاءِ وَشَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيهَا وَشَرِّ مَا ذَرَأَ فِي الْأَرْضِ وَشَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا وَمِنْ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَمِنْ طَوَارِقِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ إِلَّا طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمَنُ আমি আসমান হতে আগত ও আসমানের দিকে ধাবিত বস্তুর অমঙ্গল হতে, মাটিতে সৃষ্ট ও মাটি হতে বহির্গত বস্তুর অমঙ্গল হতে, রাত্র-দিনের বালা-মুসিবত হতে ও রাত্র-দিনের ঘটনাপ্রবাহ হতে- তবে উত্তম ঘটনা হতে নয়- হে দয়াময়! (আমি) আল্লাহ্‌র সম্মানিত সত্তার ও তার সেই পূর্ণ কলেমাসমূহের আশ্রয় প্রার্থনা করছি, যা পুণ্যবান ও পাপী কেহই অতিক্রম করতে পারে না। [১] (সহীহ, আহমাদ ১৫৪৯৮, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সিলসিলা সহীহা ২৯৯৫] তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال أسري برسول الله صلى الله عليه وسلم فرأى عفريتا من الجن يطلبه بشعلة من نار كلما التفت رسول الله صلى الله عليه وسلم رآه فقال له جبريل أفلا أعلمك كلمات تقولهن إذا قلتهن طفئت شعلته وخر لفيه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم بلى فقال جبريل فقل أعوذ بوجه الله الكريم وبكلمات الله التامات اللاتي لا يجاوزهن بر ولا فاجر من شر ما ينزل من السماء وشر ما يعرج فيها وشر ما ذرأ في الأرض وشر ما يخرج منها ومن فتن الليل والنهار ومن طوارق الليل والنهار إلا طارقا يطرق بخير يا رحمن


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আল্লাহর জন্য ভালবাসা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭২২

و حدثني عن مالك أنه بلغه عن عبد الله بن عباس أنه كان يقول القصد والتؤدة وحسن السمت جزء من خمسة وعشرين جزءا من النبوة

আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মধ্যম পন্থাবলম্বন, একে অন্যকে ভালবাসা এবং সুন্দরভাবে মৌনতা অবলম্বন নবুয়তের পঁচিশ ভাগের এক ভাগের সমান। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মধ্যম পন্থাবলম্বন, একে অন্যকে ভালবাসা এবং সুন্দরভাবে মৌনতা অবলম্বন নবুয়তের পঁচিশ ভাগের এক ভাগের সমান। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه عن عبد الله بن عباس أنه كان يقول القصد والتؤدة وحسن السمت جزء من خمسة وعشرين جزءا من النبوة


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭১৮

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن عبد الرحمن بن معمر عن أبي الحباب سعيد بن يسار عن أبي هريرة أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله تبارك وتعالى يقول يوم القيامة أين المتحابون لجلالي اليوم أظلهم في ظلي يوم لا ظل إلا ظلي

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা‘আলা কিয়ামত দিবসে বলবেন, সেই সমস্ত মানুষ কোথায়, যারা আমার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পরস্পর পরস্পরকে ভালবাসত? আজ আমি তাদেরকে (আমার আরশের) ছায়াতলে ছায়া দান করব। আজকের দিনটা এমন যে, আমার ছায়া ব্যতীত অন্য কোথাও কোন ছায়া নেই। (সহীহ, মুসলিম ২৫৬৬)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা‘আলা কিয়ামত দিবসে বলবেন, সেই সমস্ত মানুষ কোথায়, যারা আমার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পরস্পর পরস্পরকে ভালবাসত? আজ আমি তাদেরকে (আমার আরশের) ছায়াতলে ছায়া দান করব। আজকের দিনটা এমন যে, আমার ছায়া ব্যতীত অন্য কোথাও কোন ছায়া নেই। (সহীহ, মুসলিম ২৫৬৬)

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن عبد الرحمن بن معمر عن أبي الحباب سعيد بن يسار عن أبي هريرة أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله تبارك وتعالى يقول يوم القيامة أين المتحابون لجلالي اليوم أظلهم في ظلي يوم لا ظل إلا ظلي


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭২০

و حدثني عن مالك عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا أحب الله العبد قال لجبريل قد أحببت فلانا فأحبه فيحبه جبريل ثم ينادي في أهل السماء إن الله قد أحب فلانا فأحبوه فيحبه أهل السماء ثم يوضع له القبول في الأرض وإذا أبغض الله العبد قال مالك لا أحسبه إلا أنه قال في البغض مثل ذلك

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ যখন তার কোন বান্দাকে ভালবাসেন, তখন জিবরাঈলকে বলেন, হে জিবরাঈল। আমি আমার অমুক বান্দাকে ভালবাসি। অতএব তুমিও তাকে ভালবাস। তখন জিবরাঈলও তাকে ভালবাসেন এবং আসমানের অধিবাসীদের (ফিরিশতাগণের) মধ্যে ঘোষণা করেন যে, অমুক ব্যক্তিকে আল্লাহ্ তা‘আলা ভালবাসেন, অতএব তোমরাও তাকে ভালবাস। সুতরাং আসমানের অধিবাসিগণও তাকে ভালবাসেন এবং তার জন্য যমিনে জনপ্রিয়তা সৃষ্টি করা হয় (ফলে ব্যক্তি জনপ্রিয় হয়) আর যখন আল্লাহ্ তা‘আলা কারো প্রতি রাগান্বিত হন; মালিক (রহঃ) বলেন, আমার মনে হয় সেই অবস্থাতেও এই প্রকার কিছু সংঘটিত হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। [১] (বুখারী ৭৪৮৫, মুসলিম ২৬৩৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ যখন তার কোন বান্দাকে ভালবাসেন, তখন জিবরাঈলকে বলেন, হে জিবরাঈল। আমি আমার অমুক বান্দাকে ভালবাসি। অতএব তুমিও তাকে ভালবাস। তখন জিবরাঈলও তাকে ভালবাসেন এবং আসমানের অধিবাসীদের (ফিরিশতাগণের) মধ্যে ঘোষণা করেন যে, অমুক ব্যক্তিকে আল্লাহ্ তা‘আলা ভালবাসেন, অতএব তোমরাও তাকে ভালবাস। সুতরাং আসমানের অধিবাসিগণও তাকে ভালবাসেন এবং তার জন্য যমিনে জনপ্রিয়তা সৃষ্টি করা হয় (ফলে ব্যক্তি জনপ্রিয় হয়) আর যখন আল্লাহ্ তা‘আলা কারো প্রতি রাগান্বিত হন; মালিক (রহঃ) বলেন, আমার মনে হয় সেই অবস্থাতেও এই প্রকার কিছু সংঘটিত হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। [১] (বুখারী ৭৪৮৫, মুসলিম ২৬৩৭)

و حدثني عن مالك عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا أحب الله العبد قال لجبريل قد أحببت فلانا فأحبه فيحبه جبريل ثم ينادي في أهل السماء إن الله قد أحب فلانا فأحبوه فيحبه أهل السماء ثم يوضع له القبول في الأرض وإذا أبغض الله العبد قال مالك لا أحسبه إلا أنه قال في البغض مثل ذلك


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭১৯

و حدثني عن مالك عن خبيب بن عبد الرحمن الأنصاري عن حفص بن عاصم عن أبي سعيد الخدري أو عن أبي هريرة أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم سبعة يظلهم الله في ظله يوم لا ظل إلا ظله إمام عادل وشاب نشأ في عبادة الله ورجل قلبه معلق بالمسجد إذا خرج منه حتى يعود إليه ورجلان تحابا في الله اجتمعا على ذلك وتفرقا ورجل ذكر الله خاليا ففاضت عيناه ورجل دعته ذات حسب وجمال فقال إني أخاف الله ورجل تصدق بصدقة فأخفاها حتى لا تعلم شماله ما تنفق يمينه

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) অথবা আবূ হুরায়রা [১] (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যেই দিন আল্লাহ্‌র (আরশের) ছায়া ব্যতীত অন্য কোন ছায়া থাকবে না, সেই দিন আল্লাহ্ তা‘আলা সাত প্রকারের মানুষকে তার ছায়াতলে ছায়া দান করবেন- (১) ন্যায় বিচারক ইমাম (শাসনকর্তা), (২) ঐ যুবক, যে আল্লাহ্‌র ইবাদতের ভিতর দিয়ে লালিত-পালিত হয়েছে, (৩) ঐ ব্যক্তি, যে নামায পড়ে মসজিদ হতে বের হলে পর আবার মসজিদে কখন যাবে, এই চিন্তায় তার মন মসজিদের প্রতি আকৃষ্ট থাকে অর্থাৎ আবার কখন মসজিদে যাবে এই কথা বার বার তার মনে জাগে, (৪) সেই দুই ব্যক্তি, যার পরস্পরকে আল্লাহ্‌র জন্য ভালবাসে; তারা একত্র হয় আল্লাহ্‌র জন্য এবং আল্লাহ্‌র জন্যই পৃথক হয়, (৫) যে ব্যক্তি নির্জনে আল্লাহ্‌কে স্মরণ করে এবং আল্লাহ্‌র ভয়ে তার দুই চক্ষু অশ্র“সিক্ত হয়, (৬) সেই ব্যক্তি, যাকে কোন সম্ভ্রান্ত পরিবারের রূপসী রমণী (স্বীয় কামভাব চরিতার্থ করার নিমিত্ত) আহ্বান করে, তবে সে এই বলে (উক্ত আহ্বান) প্রত্যাখ্যান করে যে, আমি আল্লাহকে ভয় করি, (৭) সেই ব্যক্তি, যে (আন্তরিকতা সহকারে) কিছু সাদাকাহ্ এমনভাবে গোপনে করেছে যে, তার ডান হস্ত কি সাদাকাহ্ করেছে উহা তার বাম হাত পর্যন্ত জানতে পারেনি। [২] (বুখারী ৬৮০৬, মুসলিম ১০৩১)

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) অথবা আবূ হুরায়রা [১] (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যেই দিন আল্লাহ্‌র (আরশের) ছায়া ব্যতীত অন্য কোন ছায়া থাকবে না, সেই দিন আল্লাহ্ তা‘আলা সাত প্রকারের মানুষকে তার ছায়াতলে ছায়া দান করবেন- (১) ন্যায় বিচারক ইমাম (শাসনকর্তা), (২) ঐ যুবক, যে আল্লাহ্‌র ইবাদতের ভিতর দিয়ে লালিত-পালিত হয়েছে, (৩) ঐ ব্যক্তি, যে নামায পড়ে মসজিদ হতে বের হলে পর আবার মসজিদে কখন যাবে, এই চিন্তায় তার মন মসজিদের প্রতি আকৃষ্ট থাকে অর্থাৎ আবার কখন মসজিদে যাবে এই কথা বার বার তার মনে জাগে, (৪) সেই দুই ব্যক্তি, যার পরস্পরকে আল্লাহ্‌র জন্য ভালবাসে; তারা একত্র হয় আল্লাহ্‌র জন্য এবং আল্লাহ্‌র জন্যই পৃথক হয়, (৫) যে ব্যক্তি নির্জনে আল্লাহ্‌কে স্মরণ করে এবং আল্লাহ্‌র ভয়ে তার দুই চক্ষু অশ্র“সিক্ত হয়, (৬) সেই ব্যক্তি, যাকে কোন সম্ভ্রান্ত পরিবারের রূপসী রমণী (স্বীয় কামভাব চরিতার্থ করার নিমিত্ত) আহ্বান করে, তবে সে এই বলে (উক্ত আহ্বান) প্রত্যাখ্যান করে যে, আমি আল্লাহকে ভয় করি, (৭) সেই ব্যক্তি, যে (আন্তরিকতা সহকারে) কিছু সাদাকাহ্ এমনভাবে গোপনে করেছে যে, তার ডান হস্ত কি সাদাকাহ্ করেছে উহা তার বাম হাত পর্যন্ত জানতে পারেনি। [২] (বুখারী ৬৮০৬, মুসলিম ১০৩১)

و حدثني عن مالك عن خبيب بن عبد الرحمن الأنصاري عن حفص بن عاصم عن أبي سعيد الخدري أو عن أبي هريرة أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم سبعة يظلهم الله في ظله يوم لا ظل إلا ظله إمام عادل وشاب نشأ في عبادة الله ورجل قلبه معلق بالمسجد إذا خرج منه حتى يعود إليه ورجلان تحابا في الله اجتمعا على ذلك وتفرقا ورجل ذكر الله خاليا ففاضت عيناه ورجل دعته ذات حسب وجمال فقال إني أخاف الله ورجل تصدق بصدقة فأخفاها حتى لا تعلم شماله ما تنفق يمينه


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭২১

و حدثني عن مالك عن أبي حازم بن دينار عن أبي إدريس الخولاني أنه قال دخلت مسجد دمشق فإذا فتى شاب براق الثنايا وإذا الناس معه إذا اختلفوا في شيء أسندوا إليه وصدروا عن قوله فسألت عنه فقيل هذا معاذ بن جبل فلما كان الغد هجرت فوجدته قد سبقني بالتهجير ووجدته يصلي قال فانتظرته حتى قضى صلاته ثم جئته من قبل وجهه فسلمت عليه ثم قلت والله إني لأحبك لله فقال أالله فقلت أالله فقال أالله فقلت أالله فقال أالله فقلت أالله قال فأخذ بحبوة ردائي فجبذني إليه وقال أبشر فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول قال الله تبارك وتعالى وجبت محبتي للمتحابين في والمتجالسين في والمتزاورين في والمتباذلين في

আবূ ইদরীস খাওলানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি দামিশকের মসজিদে প্রবেশ করলাম। সেখানে জনৈক যুবককে দেখলাম, তার দাঁতগুলো অতি উজ্জ্বল সাদা (মুক্তার মতো)। তার সঙ্গে অনেক মানুষ ছিল। যখনই কোন ব্যাপারে মতবিরোধ হত, উক্ত যুবকের কথাকেই সনদ (নির্ভরযোগ্য) বলে গণ্য করা হত এবং তার কথার উপরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হত। আমি (আবূ ইদরীস) লোকের কাছে জিজ্ঞেস করলাম, এই যুবকটি কে? তারা বলল, ইনি হলেন মুআয ইব্নু জাবাল (রাঃ)। পরদিন প্রাতঃকালে আমি (মসজিদে) যেয়ে দেখি যে, তিনি (মু‘আয ইব্নু জাবাল) আমার আগেই সেখানে পৌঁছেছেন এবং নামায পড়ছেন। আমি অপেক্ষা করতে লাগলাম। তিনি নামায আদায় শেষ করলে আমি তার সম্মুখে গিয়ে পৌঁছালাম। অতঃপর তাকে সালাম করে বললাম, আল্লাহ্‌র কসম! আমি আপনাকে আল্লাহর ওয়াস্তে ভালবাসি। তিনি বললেন, আল্লাহরই জন্য? আমি বললাম, হ্যাঁ, আল্লাহরই জন্যই। তিনি (পুনরায়) বললেন, আল্লাহরই জন্য? আমি বললাম, হ্যাঁ, আল্লাহরই জন্য। অতঃপর তিনি আমার চাদরের এক কোণা ধরে (আমাকে) নিজের দিকে টানলেন এবং বললেন, আনন্দিত হও! আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে শুনেছি, তিনি বলছিলেন, আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, আমার ভালবাসা সেই সমস্ত লোকের জন্য ওয়াজিব হয়েছে যারা আমার (সন্তুষ্টির) জন্য পরস্পর পরস্পরকে ভালবাসে, আমারই জন্য একত্রে বসে, আমারই জন্য একে অন্যের সাথে সাক্ষাৎ করে এবং আমারই জন্য একে অন্যের জন্য খরচ করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবূ ইদরীস খাওলানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি দামিশকের মসজিদে প্রবেশ করলাম। সেখানে জনৈক যুবককে দেখলাম, তার দাঁতগুলো অতি উজ্জ্বল সাদা (মুক্তার মতো)। তার সঙ্গে অনেক মানুষ ছিল। যখনই কোন ব্যাপারে মতবিরোধ হত, উক্ত যুবকের কথাকেই সনদ (নির্ভরযোগ্য) বলে গণ্য করা হত এবং তার কথার উপরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হত। আমি (আবূ ইদরীস) লোকের কাছে জিজ্ঞেস করলাম, এই যুবকটি কে? তারা বলল, ইনি হলেন মুআয ইব্নু জাবাল (রাঃ)। পরদিন প্রাতঃকালে আমি (মসজিদে) যেয়ে দেখি যে, তিনি (মু‘আয ইব্নু জাবাল) আমার আগেই সেখানে পৌঁছেছেন এবং নামায পড়ছেন। আমি অপেক্ষা করতে লাগলাম। তিনি নামায আদায় শেষ করলে আমি তার সম্মুখে গিয়ে পৌঁছালাম। অতঃপর তাকে সালাম করে বললাম, আল্লাহ্‌র কসম! আমি আপনাকে আল্লাহর ওয়াস্তে ভালবাসি। তিনি বললেন, আল্লাহরই জন্য? আমি বললাম, হ্যাঁ, আল্লাহরই জন্যই। তিনি (পুনরায়) বললেন, আল্লাহরই জন্য? আমি বললাম, হ্যাঁ, আল্লাহরই জন্য। অতঃপর তিনি আমার চাদরের এক কোণা ধরে (আমাকে) নিজের দিকে টানলেন এবং বললেন, আনন্দিত হও! আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে শুনেছি, তিনি বলছিলেন, আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, আমার ভালবাসা সেই সমস্ত লোকের জন্য ওয়াজিব হয়েছে যারা আমার (সন্তুষ্টির) জন্য পরস্পর পরস্পরকে ভালবাসে, আমারই জন্য একত্রে বসে, আমারই জন্য একে অন্যের সাথে সাক্ষাৎ করে এবং আমারই জন্য একে অন্যের জন্য খরচ করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن أبي حازم بن دينار عن أبي إدريس الخولاني أنه قال دخلت مسجد دمشق فإذا فتى شاب براق الثنايا وإذا الناس معه إذا اختلفوا في شيء أسندوا إليه وصدروا عن قوله فسألت عنه فقيل هذا معاذ بن جبل فلما كان الغد هجرت فوجدته قد سبقني بالتهجير ووجدته يصلي قال فانتظرته حتى قضى صلاته ثم جئته من قبل وجهه فسلمت عليه ثم قلت والله إني لأحبك لله فقال أالله فقلت أالله فقال أالله فقلت أالله فقال أالله فقلت أالله قال فأخذ بحبوة ردائي فجبذني إليه وقال أبشر فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول قال الله تبارك وتعالى وجبت محبتي للمتحابين في والمتجالسين في والمتزاورين في والمتباذلين في


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00