মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রোগমুক্তির জন্য তা‘বীয বা ঝাড়ফুঁক করা প্রসঙ্গে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৯৮
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عمرة بنت عبد الرحمن أن أبا بكر الصديق دخل على عائشة وهي تشتكي ويهودية ترقيها فقال أبو بكر ارقيها بكتاب الله
‘আমরাহ্ বিনতে আবদুর রহমান (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বাকর সিদ্দীক (রা) আয়িশা (রা)-এর কাছে গেলেন। তখন তিনি (আয়িশা) অসুস্থ ছিলেন এবং জনৈক ইহুদী মহিলা (কিছু) পাঠ করে তাঁর উপর দম করিতেছিলেন। আবূ বাকর (রা) বললেন, কালামুল্লাহ্ (তাওরাত বা কুরআন) পড়ে দম কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
‘আমরাহ্ বিনতে আবদুর রহমান (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বাকর সিদ্দীক (রা) আয়িশা (রা)-এর কাছে গেলেন। তখন তিনি (আয়িশা) অসুস্থ ছিলেন এবং জনৈক ইহুদী মহিলা (কিছু) পাঠ করে তাঁর উপর দম করিতেছিলেন। আবূ বাকর (রা) বললেন, কালামুল্লাহ্ (তাওরাত বা কুরআন) পড়ে দম কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عمرة بنت عبد الرحمن أن أبا بكر الصديق دخل على عائشة وهي تشتكي ويهودية ترقيها فقال أبو بكر ارقيها بكتاب الله
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৯৬
حدثني عن مالك عن يزيد بن خصيفة أن عمرو بن عبد الله بن كعب السلمي أخبره أن نافع بن جبير أخبره عن عثمان بن أبي العاص أنه أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال عثمان وبي وجع قد كاد يهلكني قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم امسحه بيمينك سبع مرات وقل أعوذ بعزة الله وقدرته من شر ما أجد قال فقلت ذلك فأذهب الله ما كان بي فلم أزل آمر بها أهلي وغيرهم
উসমান ইবনু আবিল আস (রা) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে গিয়েছিলাম, আর (তখন) আমার এমন ব্যথা হচ্ছিল যে, আমি যেন মারা যাব! অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমার (হৃদযন্ত্রের উপর) ডান হাত রেখে সাতবার এই দু‘আ পড়ে মালিশ কর أَعُوذُ بِعِزَّةِ اللهِ وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ আমি যা অকল্যাণ অনুভব করছি, উহার ক্ষতি হতে আল্লাহর ই্জ্জত ও কুদরতের আশ্রয় প্রার্থনা করছি। (উসমান বলেন) আমি তাই করলাম। আল্লাহ্ তা‘আলা আমার ব্যাথা দূর করে দিলেন। অতঃপর আমি সর্বদা পরিবারের সকলকে এবং অপরাপর মানুষকে সেইরূপ করার নির্দেশ দিতাম। [১] (সহীহ, মুসলিম ২২০২)
উসমান ইবনু আবিল আস (রা) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে গিয়েছিলাম, আর (তখন) আমার এমন ব্যথা হচ্ছিল যে, আমি যেন মারা যাব! অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমার (হৃদযন্ত্রের উপর) ডান হাত রেখে সাতবার এই দু‘আ পড়ে মালিশ কর أَعُوذُ بِعِزَّةِ اللهِ وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ আমি যা অকল্যাণ অনুভব করছি, উহার ক্ষতি হতে আল্লাহর ই্জ্জত ও কুদরতের আশ্রয় প্রার্থনা করছি। (উসমান বলেন) আমি তাই করলাম। আল্লাহ্ তা‘আলা আমার ব্যাথা দূর করে দিলেন। অতঃপর আমি সর্বদা পরিবারের সকলকে এবং অপরাপর মানুষকে সেইরূপ করার নির্দেশ দিতাম। [১] (সহীহ, মুসলিম ২২০২)
حدثني عن مالك عن يزيد بن خصيفة أن عمرو بن عبد الله بن كعب السلمي أخبره أن نافع بن جبير أخبره عن عثمان بن أبي العاص أنه أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال عثمان وبي وجع قد كاد يهلكني قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم امسحه بيمينك سبع مرات وقل أعوذ بعزة الله وقدرته من شر ما أجد قال فقلت ذلك فأذهب الله ما كان بي فلم أزل آمر بها أهلي وغيرهم
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৯৭
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا اشتكى يقرأ على نفسه بالمعوذات وينفث قالت فلما اشتد وجعه كنت أنا أقرأ عليه وأمسح عليه بيمينه رجاء بركتها
আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই অসুস্থ হতেন, তখন সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়ে (নিজের উপর) ঝাড়ফুঁক করতেন। আয়িশা (রা) বলেন, (মৃত্যুর পূর্বে) যখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ব্যথা অধিক হত, তখন আমি নিজে সেই সূরাদ্বয় পড়ে বরকতের জন্য তাঁর (প্রিয় নবীর) ডান হাত দিয়ে মালিশ করে দিতাম। (বুখারী ৫০১৬, মুসলিম ২১৯২)
আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই অসুস্থ হতেন, তখন সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়ে (নিজের উপর) ঝাড়ফুঁক করতেন। আয়িশা (রা) বলেন, (মৃত্যুর পূর্বে) যখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ব্যথা অধিক হত, তখন আমি নিজে সেই সূরাদ্বয় পড়ে বরকতের জন্য তাঁর (প্রিয় নবীর) ডান হাত দিয়ে মালিশ করে দিতাম। (বুখারী ৫০১৬, মুসলিম ২১৯২)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا اشتكى يقرأ على نفسه بالمعوذات وينفث قالت فلما اشتد وجعه كنت أنا أقرأ عليه وأمسح عليه بيمينه رجاء بركتها
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রোগীর চিকিৎসা সম্বন্ধে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭০০
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد قال بلغني أن سعد بن زرارة اكتوى في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم من الذبحة فمات
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে সা‘দ ইব্নু যুরারা (রা) গলার ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা হিসাবে লোহা পুড়িয়ে লাগিয়ে ছিলেন। কিন্তু তিনি মারা যান। (হাসান, ইবনু মাজাহ ৩৪৯২. আলবানী হাদীসটি হাসান বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে ইবনু মাজাহ] আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে সা‘দ ইব্নু যুরারা (রা) গলার ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা হিসাবে লোহা পুড়িয়ে লাগিয়ে ছিলেন। কিন্তু তিনি মারা যান। (হাসান, ইবনু মাজাহ ৩৪৯২. আলবানী হাদীসটি হাসান বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে ইবনু মাজাহ] আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد قال بلغني أن سعد بن زرارة اكتوى في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم من الذبحة فمات
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭০১
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر اكتوى من اللقوة ورقي من العقرب
নাফি‘ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রা) লকওয়া-এর জন্য লোহা পুড়িয়ে দাগ লাগিয়েছিলেন এবং বিচ্ছুর (দংশনের) জন্য ঝাড়ফুঁক করেছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) লকওয়া এক ধরনের জটিল রোগ, যা সাধারণত মুখমণ্ডল আক্রমণ করে। ফলে মুখমণ্ডল বাঁকা হয়ে যায়। সাধারণত ইহা প্যারালাইসিস রোগের মতো হয়, বরং প্যারালাইসিসের সঙ্গে এই রোগও আক্রমণ করে। তখন রোগ ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে।
নাফি‘ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রা) লকওয়া-এর জন্য লোহা পুড়িয়ে দাগ লাগিয়েছিলেন এবং বিচ্ছুর (দংশনের) জন্য ঝাড়ফুঁক করেছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) লকওয়া এক ধরনের জটিল রোগ, যা সাধারণত মুখমণ্ডল আক্রমণ করে। ফলে মুখমণ্ডল বাঁকা হয়ে যায়। সাধারণত ইহা প্যারালাইসিস রোগের মতো হয়, বরং প্যারালাইসিসের সঙ্গে এই রোগও আক্রমণ করে। তখন রোগ ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে।
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر اكتوى من اللقوة ورقي من العقرب
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৯৯
حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أن رجلا في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم أصابه جرح فاحتقن الجرح الدم وأن الرجل دعا رجلين من بني أنمار فنظرا إليه فزعما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لهما أيكما أطب فقالا أو في الطب خير يا رسول الله فزعم زيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أنزل الدواء الذي أنزل الأدواء
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক ব্যক্তির (শরীর) যখম হয়েছিল। সেই যখমে রক্ত জমে গিয়েছিল। অতঃপর লোকটি বনী আনমার গোত্রের দুই ব্যক্তিকে (উহার চিকিৎসার জন্য) ডেকে আনল। তারা এসে (যখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে) দেখল। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের উভয়ের মধ্যে কে চিকিৎসায় অধিক অভিজ্ঞ ? তারা বলল, ইয়া রসূলাল্লাহ্! চিকিৎসায় বিজ্ঞানে কোন উপকার আছে কি ? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ঔষধ তো তিনিই নাযিল করেছেন, যিনি রোগ নাযিল করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক ব্যক্তির (শরীর) যখম হয়েছিল। সেই যখমে রক্ত জমে গিয়েছিল। অতঃপর লোকটি বনী আনমার গোত্রের দুই ব্যক্তিকে (উহার চিকিৎসার জন্য) ডেকে আনল। তারা এসে (যখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে) দেখল। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের উভয়ের মধ্যে কে চিকিৎসায় অধিক অভিজ্ঞ ? তারা বলল, ইয়া রসূলাল্লাহ্! চিকিৎসায় বিজ্ঞানে কোন উপকার আছে কি ? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ঔষধ তো তিনিই নাযিল করেছেন, যিনি রোগ নাযিল করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أن رجلا في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم أصابه جرح فاحتقن الجرح الدم وأن الرجل دعا رجلين من بني أنمار فنظرا إليه فزعما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لهما أيكما أطب فقالا أو في الطب خير يا رسول الله فزعم زيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أنزل الدواء الذي أنزل الأدواء
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জ্বরে গোসল করা প্রসঙ্গে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭০২
حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن فاطمة بنت المنذر أن أسماء بنت أبي بكر كانت إذا أتيت بالمرأة وقد حمت تدعو لها أخذت الماء فصبته بينها وبين جيبها وقالت إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يأمرنا أن نبردها بالماء
ফাতিমা বিনত মুনযির থেকে বর্নিতঃ
আসমা বিনতে আবূ বাকর (রা)-এর কাছে যখনই কোন জ্বরাক্রান্ত স্ত্রীলোককে নিয়ে আসা হত, তিনি পানি এনে তার বুকের উপর ঢেলে দিতেন এবং বলতেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জ্বরকে পানি দ্বারা ঠাণ্ডা করবার নির্দেশ দিতেন। (বুখারী ৫৭২৪, মুসলিম ২২১১)
ফাতিমা বিনত মুনযির থেকে বর্নিতঃ
আসমা বিনতে আবূ বাকর (রা)-এর কাছে যখনই কোন জ্বরাক্রান্ত স্ত্রীলোককে নিয়ে আসা হত, তিনি পানি এনে তার বুকের উপর ঢেলে দিতেন এবং বলতেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জ্বরকে পানি দ্বারা ঠাণ্ডা করবার নির্দেশ দিতেন। (বুখারী ৫৭২৪, মুসলিম ২২১১)
حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن فاطمة بنت المنذر أن أسماء بنت أبي بكر كانت إذا أتيت بالمرأة وقد حمت تدعو لها أخذت الماء فصبته بينها وبين جيبها وقالت إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يأمرنا أن نبردها بالماء
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭০৩
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن الحمى من فيح جهنم فابردوها بالماء
উরওয়া ইবনু যুবাইর (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জ্বর হল জাহান্নামের উদ্গিরণ। অতএব উহাকে পানি দ্বারা ঠাণ্ডা কর। (বুখারী ৩২৬৩, ইমাম মুসলিম ২২১০, আয়িশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) ১৭و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْحُمَّى مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ فَأَطْفِئُوهَا بِالْمَاءِ নাফি‘ (র) হতে ইব্নু উমার (রা) সূত্রে বর্ণিত; রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জ্বর হল জাহান্নামের উদগিরণ। অতএব উহাকে পানি দ্বারা ঠাণ্ডা কর। (বুখারী ৫৭২৩, মুসলিম ২২০৯)
উরওয়া ইবনু যুবাইর (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জ্বর হল জাহান্নামের উদ্গিরণ। অতএব উহাকে পানি দ্বারা ঠাণ্ডা কর। (বুখারী ৩২৬৩, ইমাম মুসলিম ২২১০, আয়িশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) ১৭و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْحُمَّى مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ فَأَطْفِئُوهَا بِالْمَاءِ নাফি‘ (র) হতে ইব্নু উমার (রা) সূত্রে বর্ণিত; রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জ্বর হল জাহান্নামের উদগিরণ। অতএব উহাকে পানি দ্বারা ঠাণ্ডা কর। (বুখারী ৫৭২৩, মুসলিম ২২০৯)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن الحمى من فيح جهنم فابردوها بالماء
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রোগী দেখতে যাওয়া ও অশুভ লক্ষণ প্রসঙ্গ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭০৪
حدثني عن مالك أنه بلغه عن جابر بن عبد الله أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا عاد الرجل المريض خاض الرحمة حتى إذا قعد عنده قرت فيه أو نحو هذا
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে যখন কেউ রোগী দেখতে যায়, তখন সে আল্লাহর রহমতের মধ্যে ঢুকে পড়ে। অতঃপর যখন সে সেখানে বসে, তখন সেই রহমত তার ভিতরে অবস্থান করে কিংবা এই রকমই কিছু তিনি বলেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে যখন কেউ রোগী দেখতে যায়, তখন সে আল্লাহর রহমতের মধ্যে ঢুকে পড়ে। অতঃপর যখন সে সেখানে বসে, তখন সেই রহমত তার ভিতরে অবস্থান করে কিংবা এই রকমই কিছু তিনি বলেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني عن مالك أنه بلغه عن جابر بن عبد الله أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا عاد الرجل المريض خاض الرحمة حتى إذا قعد عنده قرت فيه أو نحو هذا
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭০৫
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن بكير بن عبد الله بن الأشج عن ابن عطية أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا عدوى ولا هام ولا صفر ولا يحل الممرض على المصح وليحلل المصح حيث شاء فقالوا يا رسول الله وما ذاك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنه أذى
ইবনু আতিয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রোগের ছোঁয়াচ বা সংক্রমণ বলে কিছুই নেই। পেঁচা অশুভ পাখি এবং সফর মাসে অমঙ্গলজনক কিছুই নেই। তবে রোগা উটকে সুস্থ উটের সাথে রেখ না (বা বাঁধিও না)। অবশ্য সুস্থ উটকে যেখানে ইচ্ছা রাখতে পার। অতঃপর সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্! এই রকম কেন? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রোগ একটি কষ্ট বিশেষ। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইবনু আতিয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রোগের ছোঁয়াচ বা সংক্রমণ বলে কিছুই নেই। পেঁচা অশুভ পাখি এবং সফর মাসে অমঙ্গলজনক কিছুই নেই। তবে রোগা উটকে সুস্থ উটের সাথে রেখ না (বা বাঁধিও না)। অবশ্য সুস্থ উটকে যেখানে ইচ্ছা রাখতে পার। অতঃপর সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্! এই রকম কেন? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রোগ একটি কষ্ট বিশেষ। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن بكير بن عبد الله بن الأشج عن ابن عطية أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا عدوى ولا هام ولا صفر ولا يحل الممرض على المصح وليحلل المصح حيث شاء فقالوا يا رسول الله وما ذاك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنه أذى