মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বাম হাতে খাওয়া নিষেধ প্রসঙ্গ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৫৪
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن أبي بكر بن عبيد الله بن عبد الله بن عمر عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا أكل أحدكم فليأكل بيمينه وليشرب بيمينه فإن الشيطان يأكل بشماله ويشرب بشماله
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের মধ্যে কেহ খেতে বসে তখন ডান হাতে তার খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ করা উচিত। কেননা শয়তান বাম হাতে খায় এবং পান করে। (সহীহ, মুসলিম ২০২০)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের মধ্যে কেহ খেতে বসে তখন ডান হাতে তার খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ করা উচিত। কেননা শয়তান বাম হাতে খায় এবং পান করে। (সহীহ, মুসলিম ২০২০)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن أبي بكر بن عبيد الله بن عبد الله بن عمر عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا أكل أحدكم فليأكل بيمينه وليشرب بيمينه فإن الشيطان يأكل بشماله ويشرب بشماله
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৫৩
و حدثني عن مالك عن أبي الزبير عن جابر بن عبد الله السلمي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن يأكل الرجل بشماله أو يمشي في نعل واحدة وأن يشتمل الصماء وأن يحتبي في ثوب واحد كاشفا عن فرجه
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাম হাতে খেতে নিষেধ করেছেন। তিনি এক জুতা পরিধান করে চলতে, এক কাপড়ে নিজেকে ঢেকে নিতে নিষেধ করেছেন যাতে লজ্জাস্থানে কোন কাপড় না থাকে । (সহীহ, মুসলিম ২০৯৯)
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাম হাতে খেতে নিষেধ করেছেন। তিনি এক জুতা পরিধান করে চলতে, এক কাপড়ে নিজেকে ঢেকে নিতে নিষেধ করেছেন যাতে লজ্জাস্থানে কোন কাপড় না থাকে । (সহীহ, মুসলিম ২০৯৯)
و حدثني عن مالك عن أبي الزبير عن جابر بن عبد الله السلمي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن يأكل الرجل بشماله أو يمشي في نعل واحدة وأن يشتمل الصماء وأن يحتبي في ثوب واحد كاشفا عن فرجه
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মিসকীন সম্পর্কে বিবরণ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৫৫
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليس المسكين بهذا الطواف الذي يطوف على الناس فترده اللقمة واللقمتان والتمرة والتمرتان قالوا فما المسكين يا رسول الله قال الذي لا يجد غنى يغنيه ولا يفطن الناس له فيتصدق عليه ولا يقوم فيسأل الناس
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে সে মিসকীন নয়, যাকে এক লোকমা, দুই লোকমা একটি খেজুর বা দুটি খেজুর দান করা হয়। সাহাবায়ে কিরাম জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্! তা হলে মিসকীন কারা ? তিনি বললেন, যার নিকট এই পরিমাণ মাল নাই, যা দিয়ে সে নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারে আর তার অবস্থা কারো জানা নাই যে, তাকে সাদকা দেয়া যেতে পারে, আর না সে লোকের নিকট চেয়ে বেড়ায়। (বুখারী ১৪৭৯, মুসলিম ১০৩৯)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে সে মিসকীন নয়, যাকে এক লোকমা, দুই লোকমা একটি খেজুর বা দুটি খেজুর দান করা হয়। সাহাবায়ে কিরাম জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্! তা হলে মিসকীন কারা ? তিনি বললেন, যার নিকট এই পরিমাণ মাল নাই, যা দিয়ে সে নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারে আর তার অবস্থা কারো জানা নাই যে, তাকে সাদকা দেয়া যেতে পারে, আর না সে লোকের নিকট চেয়ে বেড়ায়। (বুখারী ১৪৭৯, মুসলিম ১০৩৯)
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليس المسكين بهذا الطواف الذي يطوف على الناس فترده اللقمة واللقمتان والتمرة والتمرتان قالوا فما المسكين يا رسول الله قال الذي لا يجد غنى يغنيه ولا يفطن الناس له فيتصدق عليه ولا يقوم فيسأل الناس
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৫৬
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن ابن بجيد الأنصاري ثم الحارثي عن جدته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ردوا المسكين ولو بظلف محرق
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইব্নু বুজাইদ আনসারী আল হারেসী (রা) হতে এবং তিনি তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন যে, মিসকীনদেরকে (যা কিছু সম্ভব হয়) দাও, যদিও পোড়া খুর হোক না কেন। [১] (সহীহ, নাসাঈ ২৫৬৩, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন [সহীহ আল জামে] ৩৫০২)
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইব্নু বুজাইদ আনসারী আল হারেসী (রা) হতে এবং তিনি তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন যে, মিসকীনদেরকে (যা কিছু সম্ভব হয়) দাও, যদিও পোড়া খুর হোক না কেন। [১] (সহীহ, নাসাঈ ২৫৬৩, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন [সহীহ আল জামে] ৩৫০২)
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن ابن بجيد الأنصاري ثم الحارثي عن جدته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ردوا المسكين ولو بظلف محرق
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কাফিরের অন্ত্র প্রসঙ্গ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৫৭
حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكل المسلم في معى واحد والكافر يأكل في سبعة أمعاء
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মুসলমান এক অন্ত্রে খায় এবং কাফির সাত অন্ত্রে খায়। [১] (বুখারী ৫৩৯৬, মুসলিম ২০৬২)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মুসলমান এক অন্ত্রে খায় এবং কাফির সাত অন্ত্রে খায়। [১] (বুখারী ৫৩৯৬, মুসলিম ২০৬২)
حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكل المسلم في معى واحد والكافر يأكل في سبعة أمعاء
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৫৮
و حدثني عن مالك عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ضافه ضيف كافر فأمر له رسول الله صلى الله عليه وسلم بشاة فحلبت فشرب حلابها ثم أخرى فشربه ثم أخرى فشربه حتى شرب حلاب سبع شياه ثم إنه أصبح فأسلم فأمر له رسول الله صلى الله عليه وسلم بشاة فحلبت فشرب حلابها ثم أمر له بأخرى فلم يستتمها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم المؤمن يشرب في معى واحد والكافر يشرب في سبعة أمعاء
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক কাফির (জাহজা ইব্নু সা‘ঈদ গেফারী) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মেহমান হল। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ছাগলের দুধ দোহন করতে নির্দেশ দান করলেন। (কাফির) মেহমান সমস্ত দুধ পান করল। আবার দ্বিতীয় ছাগলের দুধ দোহন করা হলে পর লোকটি উহাও সব পান করল। অতঃপর তৃতীয় ছাগলের দুধও সব পান করল। এইভাবে একে একে সাতটি ছাগলের দুধ সে (একাই) পান করল। পরদিন সকালে লোকটি ইসলাম গ্রহণ করল। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে একটি ছাগলের দুধ পান করতে দিলেন। তিনি তা পান করলেন, পরে আরো একটি ছাগলের দুধপান করতে দিলেন। কিন্তু তিনি তা পান করতে সক্ষম হলেন না। তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমালেন, মুসলমান এক পেটে পান করে, কিন্তু কাফির সাত পেটে পান করে। (বুখারী ৫৩৯৬, মুসলিম ২০৬৩)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক কাফির (জাহজা ইব্নু সা‘ঈদ গেফারী) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মেহমান হল। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ছাগলের দুধ দোহন করতে নির্দেশ দান করলেন। (কাফির) মেহমান সমস্ত দুধ পান করল। আবার দ্বিতীয় ছাগলের দুধ দোহন করা হলে পর লোকটি উহাও সব পান করল। অতঃপর তৃতীয় ছাগলের দুধও সব পান করল। এইভাবে একে একে সাতটি ছাগলের দুধ সে (একাই) পান করল। পরদিন সকালে লোকটি ইসলাম গ্রহণ করল। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে একটি ছাগলের দুধ পান করতে দিলেন। তিনি তা পান করলেন, পরে আরো একটি ছাগলের দুধপান করতে দিলেন। কিন্তু তিনি তা পান করতে সক্ষম হলেন না। তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমালেন, মুসলমান এক পেটে পান করে, কিন্তু কাফির সাত পেটে পান করে। (বুখারী ৫৩৯৬, মুসলিম ২০৬৩)
و حدثني عن مالك عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ضافه ضيف كافر فأمر له رسول الله صلى الله عليه وسلم بشاة فحلبت فشرب حلابها ثم أخرى فشربه ثم أخرى فشربه حتى شرب حلاب سبع شياه ثم إنه أصبح فأسلم فأمر له رسول الله صلى الله عليه وسلم بشاة فحلبت فشرب حلابها ثم أمر له بأخرى فلم يستتمها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم المؤمن يشرب في معى واحد والكافر يشرب في سبعة أمعاء
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রৌপ্য পাত্রে পান করা এবং পানীয় বস্তুতে নিঃশ্বাস ফেলা নিষেধ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৫৯
حدثني عن مالك عن نافع عن زيد بن عبد الله بن عمر بن الخطاب عن عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي بكر الصديق عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الذي يشرب في آنية الفضة إنما يجرجر في بطنه نار جهنم
উম্মে সালমা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি রৌপ্যের (অথবা স্বর্ণের) পাত্রে করে পানাহার করে, সে স্বীয় পেটে ঘটাঘট জাহান্নামের আগুন ভরে নেয়। (বুখারী ৫৬৩৪, মুসলিম ২০৬৫)
উম্মে সালমা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি রৌপ্যের (অথবা স্বর্ণের) পাত্রে করে পানাহার করে, সে স্বীয় পেটে ঘটাঘট জাহান্নামের আগুন ভরে নেয়। (বুখারী ৫৬৩৪, মুসলিম ২০৬৫)
حدثني عن مالك عن نافع عن زيد بن عبد الله بن عمر بن الخطاب عن عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي بكر الصديق عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الذي يشرب في آنية الفضة إنما يجرجر في بطنه نار جهنم
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৬০
و حدثني عن مالك عن أيوب بن حبيب مولى سعد بن أبي وقاص عن أبي المثنى الجهني أنه قال كنت عند مروان بن الحكم فدخل عليه أبو سعيد الخدري فقال له مروان بن الحكم أسمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه نهى عن النفخ في الشراب فقال له أبو سعيد نعم فقال له رجل يا رسول الله إني لا أروى من نفس واحد فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم فأبن القدح عن فاك ثم تنفس قال فإني أرى القذاة فيه قال فأهرقها
আবূ মুসান্না জুহনী (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি মারওয়ান ইব্নু হাকাম (রা)-এর কাছে বসা ছিলাম। এমন সময় তার নিকট আবূ সাঈদ খুদরী (রা) আগমন করলেন, তখন মারওয়ান তাঁকে বললেন, আপনি কি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে শুনেছেন যে, তিনি পানিতে (কিংবা পানীয় বস্তুতে) শ্বাস ফেলতে (ফুঁ দিতে) নিষেধ করেছেন? আবূ সাঈদ (রা) উত্তর দিলেন, জি হ্যাঁ। এক ব্যক্তি বলল, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি এক নিশ্বাসে (পানি পান করে) তৃপ্ত হই না। তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, পাত্রটিকে মুখ হতে পৃথক করে নিশ্বাস গ্রহণ কর। সেই ব্যক্তি পুনরায় জিজ্ঞেস করল, পানিতে কোন ময়লা (জাতীয় কিছু ভাসতে) দেখলে তখন কি করব? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন (কিছু পানিসহ) সেটা বাহিরে ফেলে দাও। [১] (হাসান, তিরমিযী ১৮৮৭, আলবানী হাদীসটি হাসান বলেছেন, [আস সিলসিলাহ আস সহীহাহ ৩৮৫])
আবূ মুসান্না জুহনী (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি মারওয়ান ইব্নু হাকাম (রা)-এর কাছে বসা ছিলাম। এমন সময় তার নিকট আবূ সাঈদ খুদরী (রা) আগমন করলেন, তখন মারওয়ান তাঁকে বললেন, আপনি কি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে শুনেছেন যে, তিনি পানিতে (কিংবা পানীয় বস্তুতে) শ্বাস ফেলতে (ফুঁ দিতে) নিষেধ করেছেন? আবূ সাঈদ (রা) উত্তর দিলেন, জি হ্যাঁ। এক ব্যক্তি বলল, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি এক নিশ্বাসে (পানি পান করে) তৃপ্ত হই না। তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, পাত্রটিকে মুখ হতে পৃথক করে নিশ্বাস গ্রহণ কর। সেই ব্যক্তি পুনরায় জিজ্ঞেস করল, পানিতে কোন ময়লা (জাতীয় কিছু ভাসতে) দেখলে তখন কি করব? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন (কিছু পানিসহ) সেটা বাহিরে ফেলে দাও। [১] (হাসান, তিরমিযী ১৮৮৭, আলবানী হাদীসটি হাসান বলেছেন, [আস সিলসিলাহ আস সহীহাহ ৩৮৫])
و حدثني عن مالك عن أيوب بن حبيب مولى سعد بن أبي وقاص عن أبي المثنى الجهني أنه قال كنت عند مروان بن الحكم فدخل عليه أبو سعيد الخدري فقال له مروان بن الحكم أسمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه نهى عن النفخ في الشراب فقال له أبو سعيد نعم فقال له رجل يا رسول الله إني لا أروى من نفس واحد فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم فأبن القدح عن فاك ثم تنفس قال فإني أرى القذاة فيه قال فأهرقها