মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সৌন্দর্যের জন্য কাপড় পরিধান করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৩১
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب قال إني لأحب أن أنظر إلى القارئ أبيض الثياب
উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
আমি ক্কারীগণকে (কুরআনের আলিমগণ) শুভ্র পোশাকে দেখতে পছন্দ করি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
আমি ক্কারীগণকে (কুরআনের আলিমগণ) শুভ্র পোশাকে দেখতে পছন্দ করি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب قال إني لأحب أن أنظر إلى القارئ أبيض الثياب
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৩২
و حدثني عن مالك عن أيوب بن أبي تميمة عن ابن سيرين قال قال عمر بن الخطاب إذا أوسع الله عليكم فأوسعوا على أنفسكم جمع رجل عليه ثيابه
উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
যখন তোমাদেরকে আল্লাহ্ সচ্ছলতা দান করবেন, তখন তোমরাও নিজের উপর সচ্ছলতার নিদর্শন দেখাও। নিজেদের পোশাক তৈরি করে নাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
যখন তোমাদেরকে আল্লাহ্ সচ্ছলতা দান করবেন, তখন তোমরাও নিজের উপর সচ্ছলতার নিদর্শন দেখাও। নিজেদের পোশাক তৈরি করে নাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن أيوب بن أبي تميمة عن ابن سيرين قال قال عمر بن الخطاب إذا أوسع الله عليكم فأوسعوا على أنفسكم جمع رجل عليه ثيابه
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৩০
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن جابر بن عبد الله الأنصاري أنه قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة بني أنمار قال جابر فبينا أنا نازل تحت شجرة إذا رسول الله صلى الله عليه وسلم أقبل فقلت يا رسول الله هلم إلى الظل قال فنزل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقمت إلى غرارة لنا فالتمست فيها شيئا فوجدت فيها جرو قثاء فكسرته ثم قربته إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال من أين لكم هذا قال فقلت خرجنا به يا رسول الله من المدينة قال جابر وعندنا صاحب لنا نجهزه يذهب يرعى ظهرنا قال فجهزته ثم أدبر يذهب في الظهر وعليه بردان له قد خلقا قال فنظر رسول الله صلى الله عليه وسلم إليه فقال أما له ثوبان غير هذين فقلت بلى يا رسول الله له ثوبان في العيبة كسوته إياهما قال فادعه فمره فليلبسهما قال فدعوته فلبسهما ثم ولى يذهب قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما له ضرب الله عنقه أليس هذا خيرا له قال فسمعه الرجل فقال يا رسول الله في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم في سبيل الله قال فقتل الرجل في سبيل الله
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ আনসারী (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা বনী আনমার যুদ্ধের [১] জন্য রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে রওয়ানা হলাম। জাবির (রা) বলেন, আমরা একটি বৃক্ষের নিচে অবস্থান করিতেছিলাম। হঠাৎ রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখা গেল। আমি বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ্! ছায়ায় আসুন। তিনি এসে ছায়ায় দাঁড়ালেন। আমি আমার টুকরির কাছে যেয়ে উহাতে (কিছু খাদ্য) অনুসন্ধান করতে লাগলাম। শেষ পর্যন্ত উহাতে একটি কাকড়ি পাওয়া গেল। আমি উহাকে কেটে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সম্মুখে উপস্থিত করলাম। তিনি বললেন, ইহা কোথা হতে এল ? জাবির বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্! আমরা একে মদীনা হতে নিয়ে যাত্রা করেছিলাম। জাবির বলেন, আমাদের সাথে এক ব্যক্তি ছিল, যার কাছে আমরা সফরের মালপত্র দিয়েছিলাম। সে ব্যক্তি আমাদের জন্তুগুলো চরাত। যখন সে আমাদের জন্তুগুলো চরাতে যেতে লাগল, তখন তার গায়ের দুটি পুরান ছেঁড়া চাদর ছিল। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহা দেখে বললেন, এই ব্যক্তির নিকট কি অন্য কোন কাপড় নেই? জাবির বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! তার কাছে এটা ব্যতীত আরও কাপড় রয়েছে, যা সে পুটলি বেঁধে রেখেছে! উহা আমি তাকে পরতে দিয়েছিলাম। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকে ঐ কাপড় পরিধান করতে বল। আমি তাকে ডেকে উহা পরিধান করতে বললে সে তা বের করে পরিধান করল। যখন সে আবার যাচ্ছিল তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তার কি হয়েছিল যে, কাপড় থাকতে সে তা পরিধান করল না ? আল্লাহ্ তার গর্দান মারুক! এখন কি তাকে আগের চাইতে ভাল দেখায় না ? সে ব্যক্তি এটা শুনতে পেয়ে বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আল্লাহ্র রাস্তায় কি আমার গর্দান মারা যাবে? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহ্র রাস্তায়। পরে ঐ ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় শহীদ হয়ে গেল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ আনসারী (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা বনী আনমার যুদ্ধের [১] জন্য রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে রওয়ানা হলাম। জাবির (রা) বলেন, আমরা একটি বৃক্ষের নিচে অবস্থান করিতেছিলাম। হঠাৎ রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখা গেল। আমি বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ্! ছায়ায় আসুন। তিনি এসে ছায়ায় দাঁড়ালেন। আমি আমার টুকরির কাছে যেয়ে উহাতে (কিছু খাদ্য) অনুসন্ধান করতে লাগলাম। শেষ পর্যন্ত উহাতে একটি কাকড়ি পাওয়া গেল। আমি উহাকে কেটে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সম্মুখে উপস্থিত করলাম। তিনি বললেন, ইহা কোথা হতে এল ? জাবির বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্! আমরা একে মদীনা হতে নিয়ে যাত্রা করেছিলাম। জাবির বলেন, আমাদের সাথে এক ব্যক্তি ছিল, যার কাছে আমরা সফরের মালপত্র দিয়েছিলাম। সে ব্যক্তি আমাদের জন্তুগুলো চরাত। যখন সে আমাদের জন্তুগুলো চরাতে যেতে লাগল, তখন তার গায়ের দুটি পুরান ছেঁড়া চাদর ছিল। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহা দেখে বললেন, এই ব্যক্তির নিকট কি অন্য কোন কাপড় নেই? জাবির বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! তার কাছে এটা ব্যতীত আরও কাপড় রয়েছে, যা সে পুটলি বেঁধে রেখেছে! উহা আমি তাকে পরতে দিয়েছিলাম। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকে ঐ কাপড় পরিধান করতে বল। আমি তাকে ডেকে উহা পরিধান করতে বললে সে তা বের করে পরিধান করল। যখন সে আবার যাচ্ছিল তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তার কি হয়েছিল যে, কাপড় থাকতে সে তা পরিধান করল না ? আল্লাহ্ তার গর্দান মারুক! এখন কি তাকে আগের চাইতে ভাল দেখায় না ? সে ব্যক্তি এটা শুনতে পেয়ে বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আল্লাহ্র রাস্তায় কি আমার গর্দান মারা যাবে? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহ্র রাস্তায়। পরে ঐ ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় শহীদ হয়ে গেল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن جابر بن عبد الله الأنصاري أنه قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة بني أنمار قال جابر فبينا أنا نازل تحت شجرة إذا رسول الله صلى الله عليه وسلم أقبل فقلت يا رسول الله هلم إلى الظل قال فنزل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقمت إلى غرارة لنا فالتمست فيها شيئا فوجدت فيها جرو قثاء فكسرته ثم قربته إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال من أين لكم هذا قال فقلت خرجنا به يا رسول الله من المدينة قال جابر وعندنا صاحب لنا نجهزه يذهب يرعى ظهرنا قال فجهزته ثم أدبر يذهب في الظهر وعليه بردان له قد خلقا قال فنظر رسول الله صلى الله عليه وسلم إليه فقال أما له ثوبان غير هذين فقلت بلى يا رسول الله له ثوبان في العيبة كسوته إياهما قال فادعه فمره فليلبسهما قال فدعوته فلبسهما ثم ولى يذهب قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما له ضرب الله عنقه أليس هذا خيرا له قال فسمعه الرجل فقال يا رسول الله في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم في سبيل الله قال فقتل الرجل في سبيل الله
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রঙিন কাপড় ও স্বর্ণ ব্যবহার প্রসঙ্গ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৩৩
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يلبس الثوب المصبوغ بالمشق والمصبوغ بالزعفران قال يحيى و سمعت ما لكا يقول وأنا أكره أن يلبس الغلمان شيئا من الذهب لأنه بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن تختم الذهب فأنا أكرهه للرجال الكبير منهم والصغير قال يحيى و سمعت ما لكا يقول في الملاحف المعصفرة في البيوت للرجال وفي الأفنية قال لا أعلم من ذلك شيئا حراما وغير ذلك من اللباس أحب إلي
নাফি’ (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রা) গেরুয়া ও যাফরানী রঙে রঞ্জিত কাপড় পরিধান করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমার মতে শিশুদেরকে স্বর্ণ পরানো মাকরূহ্। কেননা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আমার কাছে এই খবর পৌঁছেছে যে, তিনি সোনার আংটি পরতে নিষেধ করেছেন। পুরুষ ও ছেলের জন্য সোনা ব্যবহার করা মাকরূহ্ মনে করি। যুরকানী বলেন, বড়দের জন্য সোনা ব্যবহার করা মাকরূহ্ তাহরীমী এবং ছোটদের জন্য মাকরূহ্ তানযীহী। বাচ্চাদেরকে রৌপ্যের অলঙ্কার পরানোও অনেকের মতে মাকরূহ্, আবার কারো মতে বৈধ। মালিক (র) বলেন, আমি পুরুষদের জন্য ঘরে ও ঘরের আশেপাশে কুসুম রঙের রঞ্জিত চাদর গায়ে দেয়া হারাম মনে করি না। কিন্তু আমার মতে না পরাই ভাল, ইহা ব্যতীত অন্য পোশাক পরিধান করাই পছন্দনীয়।
নাফি’ (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রা) গেরুয়া ও যাফরানী রঙে রঞ্জিত কাপড় পরিধান করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমার মতে শিশুদেরকে স্বর্ণ পরানো মাকরূহ্। কেননা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আমার কাছে এই খবর পৌঁছেছে যে, তিনি সোনার আংটি পরতে নিষেধ করেছেন। পুরুষ ও ছেলের জন্য সোনা ব্যবহার করা মাকরূহ্ মনে করি। যুরকানী বলেন, বড়দের জন্য সোনা ব্যবহার করা মাকরূহ্ তাহরীমী এবং ছোটদের জন্য মাকরূহ্ তানযীহী। বাচ্চাদেরকে রৌপ্যের অলঙ্কার পরানোও অনেকের মতে মাকরূহ্, আবার কারো মতে বৈধ। মালিক (র) বলেন, আমি পুরুষদের জন্য ঘরে ও ঘরের আশেপাশে কুসুম রঙের রঞ্জিত চাদর গায়ে দেয়া হারাম মনে করি না। কিন্তু আমার মতে না পরাই ভাল, ইহা ব্যতীত অন্য পোশাক পরিধান করাই পছন্দনীয়।
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يلبس الثوب المصبوغ بالمشق والمصبوغ بالزعفران قال يحيى و سمعت ما لكا يقول وأنا أكره أن يلبس الغلمان شيئا من الذهب لأنه بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن تختم الذهب فأنا أكرهه للرجال الكبير منهم والصغير قال يحيى و سمعت ما لكا يقول في الملاحف المعصفرة في البيوت للرجال وفي الأفنية قال لا أعلم من ذلك شيئا حراما وغير ذلك من اللباس أحب إلي
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পশমী ও রেশমী কাপড় প্রসঙ্গ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৩৪
و حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها كست عبد الله بن الزبير مطرف خز كانت عائشة تلبسه
উম্মুল মু‘মিনীন আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইব্নু যুবাইর (রা)-কে একটি কাপড় পরিয়েছেন, যা নিজেও পরিধান করতেন, তার কিনারাতে রেশম ছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
উম্মুল মু‘মিনীন আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইব্নু যুবাইর (রা)-কে একটি কাপড় পরিয়েছেন, যা নিজেও পরিধান করতেন, তার কিনারাতে রেশম ছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها كست عبد الله بن الزبير مطرف خز كانت عائشة تلبسه
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মহিলাদের জন্য কোন্ কোন্ কাপড় নিষেধ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৩৬
و حدثني عن مالك عن مسلم بن أبي مريم عن أبي صالح عن أبي هريرة أنه قال نساء كاسيات عاريات مائلات مميلات لا يدخلن الجنة ولا يجدن ريحها وريحها يوجد من مسيرة خمس مائة عام
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কাপড় পরিহিতা উলঙ্গিনী [১] এবং পুরুষদেরকে নিজের প্রতি আকৃষ্টকারিনী স্ত্রীলোকগণ বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না, বরং তারা বেহেশতের সুগন্ধও পাবে না। অথচ ঐ সুগন্ধ পাঁচশত বৎসরের দূরত্ব হতে অনুভূত হয়। (সহীহ মারফু, মুসলিম ২১২৮)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কাপড় পরিহিতা উলঙ্গিনী [১] এবং পুরুষদেরকে নিজের প্রতি আকৃষ্টকারিনী স্ত্রীলোকগণ বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না, বরং তারা বেহেশতের সুগন্ধও পাবে না। অথচ ঐ সুগন্ধ পাঁচশত বৎসরের দূরত্ব হতে অনুভূত হয়। (সহীহ মারফু, মুসলিম ২১২৮)
و حدثني عن مالك عن مسلم بن أبي مريم عن أبي صالح عن أبي هريرة أنه قال نساء كاسيات عاريات مائلات مميلات لا يدخلن الجنة ولا يجدن ريحها وريحها يوجد من مسيرة خمس مائة عام
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৩৫
و حدثني عن مالك عن علقمة بن أبي علقمة عن أمه أنها قالت دخلت حفصة بنت عبد الرحمن على عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم وعلى حفصة خمار رقيق فشقته عائشة وكستها خمارا كثيفا
আলকামা ইবনু আবি আলকামা (র)-এর জননী (মারজানা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাফসা বিন্তে আবদুর রহমান (রা) একটি মিহিন ওড়না পরে উম্মুল মু‘মিনীন আয়িশা (রা)-এর কাছে গেলে আয়িশা (রা) তা ছিঁড়ে ফেললেন এবং মোটা কাপড়ের একটি ওড়না তাঁকে পরিয়ে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আলকামা ইবনু আবি আলকামা (র)-এর জননী (মারজানা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাফসা বিন্তে আবদুর রহমান (রা) একটি মিহিন ওড়না পরে উম্মুল মু‘মিনীন আয়িশা (রা)-এর কাছে গেলে আয়িশা (রা) তা ছিঁড়ে ফেললেন এবং মোটা কাপড়ের একটি ওড়না তাঁকে পরিয়ে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن علقمة بن أبي علقمة عن أمه أنها قالت دخلت حفصة بنت عبد الرحمن على عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم وعلى حفصة خمار رقيق فشقته عائشة وكستها خمارا كثيفا
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৩৭
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن ابن شهاب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قام من الليل فنظر في أفق السماء فقال ماذا فتح الليلة من الخزائن وماذا وقع من الفتن كم من كاسية في الدنيا عارية يوم القيامة أيقظوا صواحب الحجر
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক রাত্রে জাগরিত হলেন এবং আকাশের প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বললেন, আল্লাহ্ তা‘আলা এই রাত্রে কত ধনাগার খুলে দিয়েছেন এবং কত ফিতনা অবতীর্ণ করেছেন। পৃথিবীতে অনেক কাপড় পরিধানকারিণী স্ত্রীলোক পরকালে উলঙ্গ অবস্থায় উঠবে। [১] যারা কক্ষে রয়েছে তাদেরকে জাগিয়ে দাও (অর্থাৎ ইবাদতের জন্য)। (সহীহ, ইমাম বুখারী উম্মে সালামাহ হতে বর্ণনা করেন ১১৫, তবে ইমাম মালিক একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক রাত্রে জাগরিত হলেন এবং আকাশের প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বললেন, আল্লাহ্ তা‘আলা এই রাত্রে কত ধনাগার খুলে দিয়েছেন এবং কত ফিতনা অবতীর্ণ করেছেন। পৃথিবীতে অনেক কাপড় পরিধানকারিণী স্ত্রীলোক পরকালে উলঙ্গ অবস্থায় উঠবে। [১] যারা কক্ষে রয়েছে তাদেরকে জাগিয়ে দাও (অর্থাৎ ইবাদতের জন্য)। (সহীহ, ইমাম বুখারী উম্মে সালামাহ হতে বর্ণনা করেন ১১৫, তবে ইমাম মালিক একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن ابن شهاب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قام من الليل فنظر في أفق السماء فقال ماذا فتح الليلة من الخزائن وماذا وقع من الفتن كم من كاسية في الدنيا عارية يوم القيامة أيقظوا صواحب الحجر