মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মদীনা হতে ইহুদীদের বহিষ্কার

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯৩

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجتمع دينان في جزيرة العرب قال مالك قال ابن شهاب ففحص عن ذلك عمر بن الخطاب حتى أتاه الثلج واليقين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجتمع دينان في جزيرة العرب فأجلى يهود خيبر

ইবনু শিহাব থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মদীনায় দুই ধর্ম একত্র হতে পারে না। (বুখারী ৩১৬৮, ইমাম মুসলিম ৫২৯, হাদীসটি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)\ মালিক (র) বলেন, ইব্নু শিহাব (রা) বলেছেন, উমার (রা) এ ব্যাপারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বুঝতে পেরেছেন যে, ইহা সত্যই রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী, অতঃপর তিনি তথা ইহুদীদেরকে খায়বর হতে বের করে দিয়েছিলেন।

ইবনু শিহাব থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মদীনায় দুই ধর্ম একত্র হতে পারে না। (বুখারী ৩১৬৮, ইমাম মুসলিম ৫২৯, হাদীসটি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)\ মালিক (র) বলেন, ইব্নু শিহাব (রা) বলেছেন, উমার (রা) এ ব্যাপারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বুঝতে পেরেছেন যে, ইহা সত্যই রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী, অতঃপর তিনি তথা ইহুদীদেরকে খায়বর হতে বের করে দিয়েছিলেন।

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجتمع دينان في جزيرة العرب قال مالك قال ابن شهاب ففحص عن ذلك عمر بن الخطاب حتى أتاه الثلج واليقين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجتمع دينان في جزيرة العرب فأجلى يهود خيبر


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯৪

قال مالك وقد أجلى عمر بن الخطاب يهود نجران وفدك فأما يهود خيبر فخرجوا منها ليس لهم من الثمر ولا من الأرض شيء وأما يهود فدك فكان لهم نصف الثمر ونصف الأرض لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان صالحهم على نصف الثمر ونصف الأرض فأقام لهم عمر نصف الثمر ونصف الأرض قيمة من ذهب وورق وإبل وحبال وأقتاب ثم أعطاهم القيمة وأجلاهم منها

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) ফিদক ও নাজরান হতেও ইহুদী বিতাড়িত করেছিলেন। খায়বরের ইহুদীদের না কোন জায়গা ছিল, না কোন বাগান ছিল। ফিদকের ইহুদীদের স্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক ছিল এবং অর্ধেক ফল ছিল। কেননা নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সাথে এ মর্মে চুক্তি করে ছিলেন। উমার (রা) অর্ধেক ফল ও স্থাবর সম্পত্তির দাম নির্ধারিত করে উহা তাদেরকে দিয়ে দেন এবং তাদেরকে তথা হতে বহিষ্কার করেছিলেন।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) ফিদক ও নাজরান হতেও ইহুদী বিতাড়িত করেছিলেন। খায়বরের ইহুদীদের না কোন জায়গা ছিল, না কোন বাগান ছিল। ফিদকের ইহুদীদের স্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক ছিল এবং অর্ধেক ফল ছিল। কেননা নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সাথে এ মর্মে চুক্তি করে ছিলেন। উমার (রা) অর্ধেক ফল ও স্থাবর সম্পত্তির দাম নির্ধারিত করে উহা তাদেরকে দিয়ে দেন এবং তাদেরকে তথা হতে বহিষ্কার করেছিলেন।

قال مالك وقد أجلى عمر بن الخطاب يهود نجران وفدك فأما يهود خيبر فخرجوا منها ليس لهم من الثمر ولا من الأرض شيء وأما يهود فدك فكان لهم نصف الثمر ونصف الأرض لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان صالحهم على نصف الثمر ونصف الأرض فأقام لهم عمر نصف الثمر ونصف الأرض قيمة من ذهب وورق وإبل وحبال وأقتاب ثم أعطاهم القيمة وأجلاهم منها


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯২

و حدثني عن مالك عن إسمعيل بن أبي حكيم أنه سمع عمر بن عبد العزيز يقول كان من آخر ما تكلم به رسول الله صلى الله عليه وسلم أن قال قاتل الله اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد لا يبقين دينان بأرض العرب

উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বশেষ কথা যা বলেছেন তাতে ছিল, قَاتَلَ اللهُ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ لَا يَبْقَيَنَّ دِينَانِ بِأَرْضِ الْعَرَبِ অর্থাৎ আল্লাহ্ তা‘আলা ইহুদী ও নাসারাদেরকে ধ্বংস করুন। তারা নিজেদের নবীদের কবরকে মসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। আরবের মাটিতে দুই ধর্ম একত্র হতে পারবে না। (বুখারী ৪৩৬, ৪৩৭, মুসলিম ৫২৯, ইমাম মুসলিম হাদীসটি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) (তারা কবরকে কেবলা বানিয়ে ঐদিকে নামায আদায় করত অর্থাৎ কবরকে সিজদা করত। ইসলামে এটা হারাম। প্রথম চার খলীফার যুগে আরব হতে সমস্ত কাফিরকে বের করে দেয়া হয়েছিল। আজ পর্যন্ত তথায় কেবল ইসলাম ধর্মই বিরাজমান)

উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বশেষ কথা যা বলেছেন তাতে ছিল, قَاتَلَ اللهُ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ لَا يَبْقَيَنَّ دِينَانِ بِأَرْضِ الْعَرَبِ অর্থাৎ আল্লাহ্ তা‘আলা ইহুদী ও নাসারাদেরকে ধ্বংস করুন। তারা নিজেদের নবীদের কবরকে মসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। আরবের মাটিতে দুই ধর্ম একত্র হতে পারবে না। (বুখারী ৪৩৬, ৪৩৭, মুসলিম ৫২৯, ইমাম মুসলিম হাদীসটি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) (তারা কবরকে কেবলা বানিয়ে ঐদিকে নামায আদায় করত অর্থাৎ কবরকে সিজদা করত। ইসলামে এটা হারাম। প্রথম চার খলীফার যুগে আরব হতে সমস্ত কাফিরকে বের করে দেয়া হয়েছিল। আজ পর্যন্ত তথায় কেবল ইসলাম ধর্মই বিরাজমান)

و حدثني عن مالك عن إسمعيل بن أبي حكيم أنه سمع عمر بن عبد العزيز يقول كان من آخر ما تكلم به رسول الله صلى الله عليه وسلم أن قال قاتل الله اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد لا يبقين دينان بأرض العرب


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মদীনার ফযীলত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯৫

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طلع له أحد فقال هذا جبل يحبنا ونحبه

উরওয়া ইবনু যুবায়র (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদ পাহাড় দেখে বলেছেন, এই পাহাড় আমাদের এবং আমরা এই পাহাড়কে ভালবাসি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

উরওয়া ইবনু যুবায়র (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদ পাহাড় দেখে বলেছেন, এই পাহাড় আমাদের এবং আমরা এই পাহাড়কে ভালবাসি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طلع له أحد فقال هذا جبل يحبنا ونحبه


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯৬

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عبد الرحمن بن القاسم أن أسلم مولى عمر بن الخطاب أخبره أنه زار عبد الله بن عياش المخزومي فرأى عنده نبيذا وهو بطريق مكة فقال له أسلم إن هذا الشراب يحبه عمر بن الخطاب فحمل عبد الله بن عياش قدحا عظيما فجاء به إلى عمر بن الخطاب فوضعه في يديه فقربه عمر إلى فيه ثم رفع رأسه فقال عمر إن هذا لشراب طيب فشرب منه ثم ناوله رجلا عن يمينه فلما أدبر عبد الله ناداه عمر بن الخطاب فقال أأنت القائل لمكة خير من المدينة فقال عبد الله فقلت هي حرم الله وأمنه وفيها بيته فقال عمر لا أقول في بيت الله ولا في حرمه شيئا ثم قال عمر أأنت القائل لمكة خير من المدينة قال فقلت هي حرم الله وأمنه وفيها بيته فقال عمر لا أقول في حرم الله ولا في بيته شيئا ثم انصرف

আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইব্নু খাত্তাব (রা)-এর মুক্ত দাস আসলাম বলেছেন, তিনি মক্কার রাস্তায় আবদুল্লাহ ইব্নু আয়াশ আল-মাখযুরীর সহিত সাক্ষাৎ করতে যেয়ে তাঁর সম্মুখে নাবীয দেখতে পেলেন। আসলাম বললেন, এই পানীয়কে উমার (রা) খুব পছন্দ করেন। অতঃপর আবদুল্লাহ্ ইব্নু আয়াশ (রা) একটি বড় পেয়ালা ভরে উমার (রা)-এর সম্মুখে রাখলেন। তিনি উহা উঠিয়ে পান করতে ইচ্ছা করলেন। অতঃপর মাথা তুলে বললেন, ‘এই পানীয় খুব ভাল’ এটা বলে তিনি উহা পান করলেন। অতঃপর যে তাঁর ডানদিকে ছিল তাকে দান করলেন। যখন আবদুল্লাহ্ ইব্নু আয়াশ প্রস্থান করতে উদ্যত হলেন তখন উমার (রা) তাঁকে ডেকে বললেন, তুমি কি বল যে, মদীনা হতে মক্কা ভাল। আবদুল্লাহ্ বললেন, মক্কায় আল্লাহ্‌র হেরেম এবং উহা শান্তির স্থান আর সেখানে তাঁর ঘর রয়েছে। উমার (রা) বললেন, আমি আল্লাহ্‌র ঘর ও হেরেম সম্বন্ধে কিছু বলিতেছি না। উমার (রা) আবারও আবদুল্লাহকে তদ্রুপ জিজ্ঞেস করলে তিনি ঐ একই উত্তর দিলেন। উমার (রা) তখন আবার বললেন, আল্লাহ্‌র ‘হেরেম’ এবং তাঁর গৃহ সম্বন্ধে কিছুই বলিতেছি না। অতঃপর তিনি চলে গেলেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইব্নু খাত্তাব (রা)-এর মুক্ত দাস আসলাম বলেছেন, তিনি মক্কার রাস্তায় আবদুল্লাহ ইব্নু আয়াশ আল-মাখযুরীর সহিত সাক্ষাৎ করতে যেয়ে তাঁর সম্মুখে নাবীয দেখতে পেলেন। আসলাম বললেন, এই পানীয়কে উমার (রা) খুব পছন্দ করেন। অতঃপর আবদুল্লাহ্ ইব্নু আয়াশ (রা) একটি বড় পেয়ালা ভরে উমার (রা)-এর সম্মুখে রাখলেন। তিনি উহা উঠিয়ে পান করতে ইচ্ছা করলেন। অতঃপর মাথা তুলে বললেন, ‘এই পানীয় খুব ভাল’ এটা বলে তিনি উহা পান করলেন। অতঃপর যে তাঁর ডানদিকে ছিল তাকে দান করলেন। যখন আবদুল্লাহ্ ইব্নু আয়াশ প্রস্থান করতে উদ্যত হলেন তখন উমার (রা) তাঁকে ডেকে বললেন, তুমি কি বল যে, মদীনা হতে মক্কা ভাল। আবদুল্লাহ্ বললেন, মক্কায় আল্লাহ্‌র হেরেম এবং উহা শান্তির স্থান আর সেখানে তাঁর ঘর রয়েছে। উমার (রা) বললেন, আমি আল্লাহ্‌র ঘর ও হেরেম সম্বন্ধে কিছু বলিতেছি না। উমার (রা) আবারও আবদুল্লাহকে তদ্রুপ জিজ্ঞেস করলে তিনি ঐ একই উত্তর দিলেন। উমার (রা) তখন আবার বললেন, আল্লাহ্‌র ‘হেরেম’ এবং তাঁর গৃহ সম্বন্ধে কিছুই বলিতেছি না। অতঃপর তিনি চলে গেলেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عبد الرحمن بن القاسم أن أسلم مولى عمر بن الخطاب أخبره أنه زار عبد الله بن عياش المخزومي فرأى عنده نبيذا وهو بطريق مكة فقال له أسلم إن هذا الشراب يحبه عمر بن الخطاب فحمل عبد الله بن عياش قدحا عظيما فجاء به إلى عمر بن الخطاب فوضعه في يديه فقربه عمر إلى فيه ثم رفع رأسه فقال عمر إن هذا لشراب طيب فشرب منه ثم ناوله رجلا عن يمينه فلما أدبر عبد الله ناداه عمر بن الخطاب فقال أأنت القائل لمكة خير من المدينة فقال عبد الله فقلت هي حرم الله وأمنه وفيها بيته فقال عمر لا أقول في بيت الله ولا في حرمه شيئا ثم قال عمر أأنت القائل لمكة خير من المدينة قال فقلت هي حرم الله وأمنه وفيها بيته فقال عمر لا أقول في حرم الله ولا في بيته شيئا ثم انصرف


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মহামারীর বর্ণনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬০০

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن عمر بن الخطاب إنما رجع بالناس من سرغ عن حديث عبد الرحمن بن عوف

সালিম ইবনু আবদুল্লাহ্ থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) আবদুর রহমান ইবনু আউফ-এর কথায় সুরগ হতে ফিরে এলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

সালিম ইবনু আবদুল্লাহ্ থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) আবদুর রহমান ইবনু আউফ-এর কথায় সুরগ হতে ফিরে এলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن عمر بن الخطاب إنما رجع بالناس من سرغ عن حديث عبد الرحمن بن عوف


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬০১

و حدثني عن مالك أنه قال بلغني أن عمر بن الخطاب قال لبيت بركبة أحب إلي من عشرة أبيات بالشام قال مالك يريد لطول الأعمار والبقاء ولشدة الوبإ بالشام

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) বলেছেন, রুক্বার একটি ঘর আমার নিকট শাম দেশের দশটি ঘর হতে উৎকৃষ্ট। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ইহা এইজন্য যে, রুকবা স্বাস্থ্যকর স্থান ছিল, সেখানে লোকেরা দীর্ঘায়ু লাভ করত, আর শামে প্রায়ই মহামারী দেখা দিত।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) বলেছেন, রুক্বার একটি ঘর আমার নিকট শাম দেশের দশটি ঘর হতে উৎকৃষ্ট। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ইহা এইজন্য যে, রুকবা স্বাস্থ্যকর স্থান ছিল, সেখানে লোকেরা দীর্ঘায়ু লাভ করত, আর শামে প্রায়ই মহামারী দেখা দিত।

و حدثني عن مالك أنه قال بلغني أن عمر بن الخطاب قال لبيت بركبة أحب إلي من عشرة أبيات بالشام قال مالك يريد لطول الأعمار والبقاء ولشدة الوبإ بالشام


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯৮

و حدثني عن مالك عن محمد بن المنكدر وعن سالم أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن عامر بن سعد بن أبي وقاص عن أبيه أنه سمعه يسأل أسامة بن زيد ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم في الطاعون فقال أسامة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الطاعون رجز أرسل على طائفة من بني إسرائيل أو على من كان قبلكم فإذا سمعتم به بأرض فلا تدخلوا عليه وإذا وقع بأرض وأنتم بها فلا تخرجوا فرارا منه قال مالك قال أبو النضر لا يخرجكم إلا فرار منه

সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রা) থেকে বর্নিতঃ

উসামা ইব্নু যায়দের নিকট জিজ্ঞেস করলেন, তুমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে মহামারী সম্বন্ধে কি শুনেছ ? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন মহামারী এক প্রকার আযাব, যা বনী ইসরাইলের এক সম্প্রদায়ের প্রতি পাঠানো হয়েছিল অথবা তোমাদের পূর্বেকার লোকদের প্রতি পাঠানো হয়েছিল। যখন তোমরা কোন স্থানে মহামারীর কথা শোন, তথায় যেও না, আর যদি কোথাও মহামারী সংক্রামিত হয়ে পড়ে আর তথায় থাক, তবে তথা হতে পলায়ন করো না। আবূ নায্র বলেন, পলায়নের ইচ্ছায় বের হইও না। (বুখারী ৩৪৭৩, মুসলিম ২২২৮)

সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রা) থেকে বর্নিতঃ

উসামা ইব্নু যায়দের নিকট জিজ্ঞেস করলেন, তুমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে মহামারী সম্বন্ধে কি শুনেছ ? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন মহামারী এক প্রকার আযাব, যা বনী ইসরাইলের এক সম্প্রদায়ের প্রতি পাঠানো হয়েছিল অথবা তোমাদের পূর্বেকার লোকদের প্রতি পাঠানো হয়েছিল। যখন তোমরা কোন স্থানে মহামারীর কথা শোন, তথায় যেও না, আর যদি কোথাও মহামারী সংক্রামিত হয়ে পড়ে আর তথায় থাক, তবে তথা হতে পলায়ন করো না। আবূ নায্র বলেন, পলায়নের ইচ্ছায় বের হইও না। (বুখারী ৩৪৭৩, মুসলিম ২২২৮)

و حدثني عن مالك عن محمد بن المنكدر وعن سالم أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن عامر بن سعد بن أبي وقاص عن أبيه أنه سمعه يسأل أسامة بن زيد ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم في الطاعون فقال أسامة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الطاعون رجز أرسل على طائفة من بني إسرائيل أو على من كان قبلكم فإذا سمعتم به بأرض فلا تدخلوا عليه وإذا وقع بأرض وأنتم بها فلا تخرجوا فرارا منه قال مالك قال أبو النضر لا يخرجكم إلا فرار منه


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯৯

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عبد الله بن عامر بن ربيعة أن عمر بن الخطاب خرج إلى الشام فلما جاء سرغ بلغه أن الوبأ قد وقع بالشام فأخبره عبد الرحمن بن عوف أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا سمعتم به بأرض فلا تقدموا عليه وإذا وقع بأرض وأنتم بها فلا تخرجوا فرارا منه فرجع عمر بن الخطاب من سرغ

আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমির ইবনু রবী‘আ (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) শাম দেশের দিকে রওয়ানা হলেন, যখন সুরগ নামক স্থানে পৌঁছালেন, তখন জানতে পারলেন, শাম দেশে মহামারী বিস্তার লাভ করেছে। অতঃপর আব্দুর রহমান ইবনু ‘আউফ (রা) তাঁকে অবহিত করলেন যে, রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা যখন কোন স্থানে মহামারীর কথা জানবে সেখানে আগমন করবেন না। আর যখন কোন স্থানে অবস্থান কালে সেখানে মহামারী শুরু হয় তখন তোমরা পলায়ন করার উদ্দেশ্যে সেখান থেকে বের হবে না। (বুখারী ৫৭৩০, মুসলিম ২২১৯)

আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমির ইবনু রবী‘আ (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) শাম দেশের দিকে রওয়ানা হলেন, যখন সুরগ নামক স্থানে পৌঁছালেন, তখন জানতে পারলেন, শাম দেশে মহামারী বিস্তার লাভ করেছে। অতঃপর আব্দুর রহমান ইবনু ‘আউফ (রা) তাঁকে অবহিত করলেন যে, রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা যখন কোন স্থানে মহামারীর কথা জানবে সেখানে আগমন করবেন না। আর যখন কোন স্থানে অবস্থান কালে সেখানে মহামারী শুরু হয় তখন তোমরা পলায়ন করার উদ্দেশ্যে সেখান থেকে বের হবে না। (বুখারী ৫৭৩০, মুসলিম ২২১৯)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عبد الله بن عامر بن ربيعة أن عمر بن الخطاب خرج إلى الشام فلما جاء سرغ بلغه أن الوبأ قد وقع بالشام فأخبره عبد الرحمن بن عوف أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا سمعتم به بأرض فلا تقدموا عليه وإذا وقع بأرض وأنتم بها فلا تخرجوا فرارا منه فرجع عمر بن الخطاب من سرغ


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯৭

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عبد الحميد بن عبد الرحمن بن زيد بن الخطاب عن عبد الله بن عبد الله بن الحارث بن نوفل عن عبد الله بن عباس أن عمر بن الخطاب خرج إلى الشام حتى إذا كان بسرغ لقيه أمراء الأجناد أبو عبيدة بن الجراح وأصحابه فأخبروه أن الوبأ قد وقع بأرض الشام قال ابن عباس فقال عمر بن الخطاب ادع لي المهاجرين الأولين فدعاهم فاستشارهم وأخبرهم أن الوبأ قد وقع بالشام فاختلفوا فقال بعضهم قد خرجت لأمر ولا نرى أن ترجع عنه وقال بعضهم معك بقية الناس وأصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا نرى أن تقدمهم على هذا الوبإ فقال عمر ارتفعوا عني ثم قال ادع لي الأنصار فدعوتهم فاستشارهم فسلكوا سبيل المهاجرين واختلفوا كاختلافهم فقال ارتفعوا عني ثم قال ادع لي من كان هاهنا من مشيخة قريش من مهاجرة الفتح فدعوتهم فلم يختلف عليه منهم رجلان فقالوا نرى أن ترجع بالناس ولا تقدمهم على هذا الوبإ فنادى عمر في الناس إني مصبح على ظهر فأصبحوا عليه فقال أبو عبيدة أفرارا من قدر الله فقال عمر لو غيرك قالها يا أبا عبيدة نعم نفر من قدر الله إلى قدر الله أرأيت لو كان لك إبل فهبطت واديا له عدوتان إحداهما خصبة والأخرى جدبة أليس إن رعيت الخصبة رعيتها بقدر الله وإن رعيت الجدبة رعيتها بقدر الله فجاء عبد الرحمن بن عوف وكان غائبا في بعض حاجته فقال إن عندي من هذا علما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا سمعتم به بأرض فلا تقدموا عليه وإذا وقع بأرض وأنتم بها فلا تخرجوا فرارا منه قال فحمد الله عمر ثم انصرف

আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইব্নু খাত্তাব (রা) শাম দেশের দিকে যাত্রা করলেন। যখন তিনি সুরগ নামক স্থানে পৌঁছলেন তখন বড় বড় সেনাপতি তাঁর সাথে মিলিত হলেন, যেমন আবূ উবায়দা ইব্নুল জাররাহ ও তাঁর সঙ্গিগণ। ঐ সেনাপতিগণ বললেন, আজকাল শাম দেশে মহামারী বিস্তার লাভ করেছে। ইবনু আব্বাস বললেন, নেতৃস্থানীয় মুহাজিরদেরকে ডেকে আন, যাঁরা প্রথমে হিজরত করেছেন। তাঁদেরকে ডেকে আনা হল। উমার (রা) তাঁদের সাথে শাম দেশের মহামারী সম্বন্ধে পরামর্শ করলেন। তাঁদের কেউ মন্তব্য করলেন, আপনি কাজের জন্য বের হয়েছেন এখন প্রত্যাবর্তন করা সমীচীন হবে না। কেউ বললেন, আপনার সাথে অন্যান্য লোকও রয়েছে আর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীও রয়েছেন। তাদেরকে এই মহামারীতে নিয়ে যাওয়া যুক্তিযুক্ত হবে না। উমার (রা) তাঁদেরকে বিদায় দিলেন। অতঃপর বললেন, যাও আনসারদেরকে ডেকে আন! অতঃপর ইব্নু আব্বাস আনসারদেরকে ডেকে আনলেন। উমার (রা) তাঁদের সহিত পরামর্শ করলেন। তাঁরাও মুহাজিরদের মতো মত প্রকাশ করলেন। উমার (রা) তাঁদেরকেও বিদায় দিলেন। অতঃপর বললেন, যাও কুরাইশ সর্দারদেরকে ডেকে আন। যাঁরা মক্কা বিজয়ের পর হিজরত করেছেন, আমি কুরাইশের বয়োবৃদ্ধদের ডেকে আনলাম। তাঁদের দুইজনের মধ্যেও কোন মতবিরোধ হল না, বরং সকলেই এক বাক্যে বললেন, আমাদের মতে আপনার ফিরে যাওয়াই যুক্তিযুক্ত মনে হচ্ছে। লোকদেরকে মহামারীতে নিয়ে যাওয়া সমীচীন মনে হচ্ছে না। অতঃপর উমার (রা) ঘোষণা করে দিলেন, সকাল বেলায় আমরা ফিরে যাব। সকাল বেলা সকলেই সওয়ার হয়ে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করতে এল। সে সময় আবূ উবায়দা (রা) বললেন, কি হল, আল্লাহ্‌র তকদীর (নির্ধারিত বিধান) হতে পালিয়ে যাচ্ছেন ? উমার (রা) বললেন, যদি এই কথা অন্য কেউ বলত। হ্যাঁ, আমরা আল্লাহ্‌র তকদীর হতে আল্লাহ্‌র তকদীরের প্রতি পলায়ন করছি। যদি তোমার নিকট উট থাকে আর তুমি দুই দিক ঘেরাও করা মাঠে নিয়ে যাও, যার একদিক শস্য শ্যামল থাকে আর অন্যদিক শুষ্ক ও খালি থাকে। যদি তুমি উটকে শ্যামল দিকে চরাও তখনও তুমি উহা আল্লাহ্‌র তাকদীরেই উহাকে চরালে আর যদি শুষ্ক ভূমিতে চরাও তবুও আল্লাহ্‌র তাকদীরেই চরালে। এই সময়ে আবদুর রহমান ইব্নু আউফ (রা) এসে পড়লেন। তিনি কোথাও কোন কাজে গিয়েছিলেন। তিনি বললেন, আমার এই ব্যাপারে জানা আছে। আমি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যদি তুমি কোন স্থানে মহামারীর কথা শুনতে পাও তবে তথায় গমন করো না। আর যদি কোন স্থানে মহামারী ছড়িয়ে পড়ে আর তুমি সেখানে থাক তবে তথা হতে পলাইও না। ইব্নু আব্বাস (রা) বলেন, এটা শুনে উমার (রা) আল্লাহ্‌র প্রশংসা করলেন এবং তথা হতে প্রত্যাবর্তন করলেন। (বুখারী ৫৭২৯, মুসলিম ২২১৯)

আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইব্নু খাত্তাব (রা) শাম দেশের দিকে যাত্রা করলেন। যখন তিনি সুরগ নামক স্থানে পৌঁছলেন তখন বড় বড় সেনাপতি তাঁর সাথে মিলিত হলেন, যেমন আবূ উবায়দা ইব্নুল জাররাহ ও তাঁর সঙ্গিগণ। ঐ সেনাপতিগণ বললেন, আজকাল শাম দেশে মহামারী বিস্তার লাভ করেছে। ইবনু আব্বাস বললেন, নেতৃস্থানীয় মুহাজিরদেরকে ডেকে আন, যাঁরা প্রথমে হিজরত করেছেন। তাঁদেরকে ডেকে আনা হল। উমার (রা) তাঁদের সাথে শাম দেশের মহামারী সম্বন্ধে পরামর্শ করলেন। তাঁদের কেউ মন্তব্য করলেন, আপনি কাজের জন্য বের হয়েছেন এখন প্রত্যাবর্তন করা সমীচীন হবে না। কেউ বললেন, আপনার সাথে অন্যান্য লোকও রয়েছে আর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীও রয়েছেন। তাদেরকে এই মহামারীতে নিয়ে যাওয়া যুক্তিযুক্ত হবে না। উমার (রা) তাঁদেরকে বিদায় দিলেন। অতঃপর বললেন, যাও আনসারদেরকে ডেকে আন! অতঃপর ইব্নু আব্বাস আনসারদেরকে ডেকে আনলেন। উমার (রা) তাঁদের সহিত পরামর্শ করলেন। তাঁরাও মুহাজিরদের মতো মত প্রকাশ করলেন। উমার (রা) তাঁদেরকেও বিদায় দিলেন। অতঃপর বললেন, যাও কুরাইশ সর্দারদেরকে ডেকে আন। যাঁরা মক্কা বিজয়ের পর হিজরত করেছেন, আমি কুরাইশের বয়োবৃদ্ধদের ডেকে আনলাম। তাঁদের দুইজনের মধ্যেও কোন মতবিরোধ হল না, বরং সকলেই এক বাক্যে বললেন, আমাদের মতে আপনার ফিরে যাওয়াই যুক্তিযুক্ত মনে হচ্ছে। লোকদেরকে মহামারীতে নিয়ে যাওয়া সমীচীন মনে হচ্ছে না। অতঃপর উমার (রা) ঘোষণা করে দিলেন, সকাল বেলায় আমরা ফিরে যাব। সকাল বেলা সকলেই সওয়ার হয়ে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করতে এল। সে সময় আবূ উবায়দা (রা) বললেন, কি হল, আল্লাহ্‌র তকদীর (নির্ধারিত বিধান) হতে পালিয়ে যাচ্ছেন ? উমার (রা) বললেন, যদি এই কথা অন্য কেউ বলত। হ্যাঁ, আমরা আল্লাহ্‌র তকদীর হতে আল্লাহ্‌র তকদীরের প্রতি পলায়ন করছি। যদি তোমার নিকট উট থাকে আর তুমি দুই দিক ঘেরাও করা মাঠে নিয়ে যাও, যার একদিক শস্য শ্যামল থাকে আর অন্যদিক শুষ্ক ও খালি থাকে। যদি তুমি উটকে শ্যামল দিকে চরাও তখনও তুমি উহা আল্লাহ্‌র তাকদীরেই উহাকে চরালে আর যদি শুষ্ক ভূমিতে চরাও তবুও আল্লাহ্‌র তাকদীরেই চরালে। এই সময়ে আবদুর রহমান ইব্নু আউফ (রা) এসে পড়লেন। তিনি কোথাও কোন কাজে গিয়েছিলেন। তিনি বললেন, আমার এই ব্যাপারে জানা আছে। আমি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যদি তুমি কোন স্থানে মহামারীর কথা শুনতে পাও তবে তথায় গমন করো না। আর যদি কোন স্থানে মহামারী ছড়িয়ে পড়ে আর তুমি সেখানে থাক তবে তথা হতে পলাইও না। ইব্নু আব্বাস (রা) বলেন, এটা শুনে উমার (রা) আল্লাহ্‌র প্রশংসা করলেন এবং তথা হতে প্রত্যাবর্তন করলেন। (বুখারী ৫৭২৯, মুসলিম ২২১৯)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عبد الحميد بن عبد الرحمن بن زيد بن الخطاب عن عبد الله بن عبد الله بن الحارث بن نوفل عن عبد الله بن عباس أن عمر بن الخطاب خرج إلى الشام حتى إذا كان بسرغ لقيه أمراء الأجناد أبو عبيدة بن الجراح وأصحابه فأخبروه أن الوبأ قد وقع بأرض الشام قال ابن عباس فقال عمر بن الخطاب ادع لي المهاجرين الأولين فدعاهم فاستشارهم وأخبرهم أن الوبأ قد وقع بالشام فاختلفوا فقال بعضهم قد خرجت لأمر ولا نرى أن ترجع عنه وقال بعضهم معك بقية الناس وأصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا نرى أن تقدمهم على هذا الوبإ فقال عمر ارتفعوا عني ثم قال ادع لي الأنصار فدعوتهم فاستشارهم فسلكوا سبيل المهاجرين واختلفوا كاختلافهم فقال ارتفعوا عني ثم قال ادع لي من كان هاهنا من مشيخة قريش من مهاجرة الفتح فدعوتهم فلم يختلف عليه منهم رجلان فقالوا نرى أن ترجع بالناس ولا تقدمهم على هذا الوبإ فنادى عمر في الناس إني مصبح على ظهر فأصبحوا عليه فقال أبو عبيدة أفرارا من قدر الله فقال عمر لو غيرك قالها يا أبا عبيدة نعم نفر من قدر الله إلى قدر الله أرأيت لو كان لك إبل فهبطت واديا له عدوتان إحداهما خصبة والأخرى جدبة أليس إن رعيت الخصبة رعيتها بقدر الله وإن رعيت الجدبة رعيتها بقدر الله فجاء عبد الرحمن بن عوف وكان غائبا في بعض حاجته فقال إن عندي من هذا علما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا سمعتم به بأرض فلا تقدموا عليه وإذا وقع بأرض وأنتم بها فلا تخرجوا فرارا منه قال فحمد الله عمر ثم انصرف


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00