মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মদীনা শরীফের হরম হওয়া সম্পর্কে বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৮৫
حدثني يحيى عن مالك عن عمرو مولى المطلب عن أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طلع له أحد فقال هذا جبل يحبنا ونحبه اللهم إن إبراهيم حرم مكة وأنا أحرم ما بين لابتيها
আনাস ইবনু মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন উহুদ পাহাড় তার দৃষ্টিগোচর হল তখন তিনি বললেন, এই পাহাড় আমাদের ভালবাসে। হে আল্লাহ্! ইব্রাহীম (আ) মক্কাকে হারাম করেছেন, আমি মদীনার উভয় কঙ্করময়ের মধ্যস্থলকে হারাম করিতেছি। (বুখারী ৩৩৬৭, মুসলিম ১৩৬৫)
আনাস ইবনু মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন উহুদ পাহাড় তার দৃষ্টিগোচর হল তখন তিনি বললেন, এই পাহাড় আমাদের ভালবাসে। হে আল্লাহ্! ইব্রাহীম (আ) মক্কাকে হারাম করেছেন, আমি মদীনার উভয় কঙ্করময়ের মধ্যস্থলকে হারাম করিতেছি। (বুখারী ৩৩৬৭, মুসলিম ১৩৬৫)
حدثني يحيى عن مالك عن عمرو مولى المطلب عن أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طلع له أحد فقال هذا جبل يحبنا ونحبه اللهم إن إبراهيم حرم مكة وأنا أحرم ما بين لابتيها
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৮৬
و حدثني مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة أنه كان يقول لو رأيت الظباء بالمدينة ترتع ما ذعرتها قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما بين لابتيها حرام
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলতেন যদি আমি মদীনায় হরিণ চরিতে দেখি, তা হলে উহাকে কখনও তাড়া করব না। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মদীনার উভয় দিকের মধ্যবর্তী অংশ হেরেম। (বুখারী ১৮৭৩, মুসলিম ১৩৭২)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলতেন যদি আমি মদীনায় হরিণ চরিতে দেখি, তা হলে উহাকে কখনও তাড়া করব না। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মদীনার উভয় দিকের মধ্যবর্তী অংশ হেরেম। (বুখারী ১৮৭৩, মুসলিম ১৩৭২)
و حدثني مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة أنه كان يقول لو رأيت الظباء بالمدينة ترتع ما ذعرتها قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما بين لابتيها حرام
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৮৭
و حدثني مالك عن يونس بن يوسف عن عطاء بن يسار عن أبي أيوب الأنصاري أنه وجد غلمانا قد ألجئوا ثعلبا إلى زاوية فطردهم عنه قال مالك لا أعلم إلا أنه قال أفي حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع هذا
আবূ আয়্যূব আনসারী থেকে বর্নিতঃ
তিনি দেখলেন, কয়েকটি ছেলে একটি শিয়ালকে ঘিরে রেখেছে। তিনি ছেলেদেরকে তাড়িয়ে শিয়ালটিকে ছাড়িয়ে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আবূ আয়্যূব ইহাও বলেছেন, রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হেরেমেও কি এইরূপ কার্য হচ্ছে ?
আবূ আয়্যূব আনসারী থেকে বর্নিতঃ
তিনি দেখলেন, কয়েকটি ছেলে একটি শিয়ালকে ঘিরে রেখেছে। তিনি ছেলেদেরকে তাড়িয়ে শিয়ালটিকে ছাড়িয়ে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আবূ আয়্যূব ইহাও বলেছেন, রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হেরেমেও কি এইরূপ কার্য হচ্ছে ?
و حدثني مالك عن يونس بن يوسف عن عطاء بن يسار عن أبي أيوب الأنصاري أنه وجد غلمانا قد ألجئوا ثعلبا إلى زاوية فطردهم عنه قال مالك لا أعلم إلا أنه قال أفي حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع هذا
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৮৮
و حدثني يحيى عن مالك عن رجل قال دخل علي زيد بن ثابت وأنا بالأسواف قد اصطدت نهسا فأخذه من يدي فأرسله
এক ব্যক্তি থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার কাছে যায়দ ইব্নু সাবিত (রা) আগমন করলেন, তখন আমি আসওয়াফে (মদীনার একটি গ্রাম) একটি পাখি ধরেছিলাম। তিনি আমার হাত হতে উহা নিয়ে ছেড়ে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
এক ব্যক্তি থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার কাছে যায়দ ইব্নু সাবিত (রা) আগমন করলেন, তখন আমি আসওয়াফে (মদীনার একটি গ্রাম) একটি পাখি ধরেছিলাম। তিনি আমার হাত হতে উহা নিয়ে ছেড়ে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني يحيى عن مالك عن رجل قال دخل علي زيد بن ثابت وأنا بالأسواف قد اصطدت نهسا فأخذه من يدي فأرسله
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মদীনার মহামারী সম্বন্ধে বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯০
قال مالك و حدثني يحيى بن سعيد أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت وكان عامر بن فهيرة يقول قد رأيت الموت قبل ذوقه إن الجبان حتفه من فوقه
আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
আমির ইব্নু ফুহাইরা বলতেন, আমি মৃত্যুর পূর্বে মৃত্যুকে দেখেছি, যারা ভীরু তাদের মৃত্যু উপর হতে অবতরণ করে। (বুখারী ৩৯২৬, মুসলিম ১৩৭৫, আর ইয়াহইয়াহ কর্তৃক আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত অংশটুকু, মুনকাতে)
আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
আমির ইব্নু ফুহাইরা বলতেন, আমি মৃত্যুর পূর্বে মৃত্যুকে দেখেছি, যারা ভীরু তাদের মৃত্যু উপর হতে অবতরণ করে। (বুখারী ৩৯২৬, মুসলিম ১৩৭৫, আর ইয়াহইয়াহ কর্তৃক আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত অংশটুকু, মুনকাতে)
قال مالك و حدثني يحيى بن سعيد أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت وكان عامر بن فهيرة يقول قد رأيت الموت قبل ذوقه إن الجبان حتفه من فوقه
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯১
و حدثني عن مالك عن نعيم بن عبد الله المجمر عن أبي هريرة أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم على أنقاب المدينة ملائكة لا يدخلها الطاعون ولا الدجال
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মদীনার দ্বারে ফিরিশতা মোতায়েন রয়েছে। উহাতে কখনও মহামারী দেখা দিবে না আর দাজ্জালও প্রবেশ করবে না। (বুখারী ১৮৮০, মুসলিম ১৩৭৯)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মদীনার দ্বারে ফিরিশতা মোতায়েন রয়েছে। উহাতে কখনও মহামারী দেখা দিবে না আর দাজ্জালও প্রবেশ করবে না। (বুখারী ১৮৮০, মুসলিম ১৩৭৯)
و حدثني عن مالك عن نعيم بن عبد الله المجمر عن أبي هريرة أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم على أنقاب المدينة ملائكة لا يدخلها الطاعون ولا الدجال
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৮৯
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة وعك أبو بكر وبلال قالت فدخلت عليهما فقلت يا أبت كيف تجدك ويا بلال كيف تجدك قالت فكان أبو بكر إذا أخذته الحمى يقول كل امرئ مصبح في أهله والموت أدنى من شراك نعله وكان بلال إذا أقلع عنه يرفع عقيرته فيقول ألا ليت شعري هل أبيتن ليلة بواد وحولي إذخر وجليل وهل أردن يوما مياه مجنة وهل يبدون لي شامة وطفيل قالت عائشة فجئت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرته فقال اللهم حبب إلينا المدينة كحبنا مكة أو أشد وصححها وبارك لنا في صاعها ومدها وانقل حماها فاجعلها بالجحفة
উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
যখন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় এলেন, তখন আবূ বাকর ও বেলালের (রা) জ্বর আসতে শুরু করল। আয়িশা (রা) বলেন, আমি উভয়ের কাছে গেলাম। আমি বললাম, হে আব্বা আপনার অবস্থা কিরূপ ? হে বেলাল! আপনার অবস্থা কিরূপ ? আয়িশা (রা) বলেন, আবূ বাক্রের যখন জ্বর আসত, তিনি বলতেন, كُلُّ امْرِئٍ مُصَبَّحٌ فِي أَهْلِهِ وَالْمَوْتُ أَدْنَى مِنْ شِرَاكِ نَعْلِهِ “প্রত্যেকে নিজের পরিজনের মধ্যে প্রভাত করে আর মৃত্যু তার জুতার ফিতার চাইতেও তার অতি নিকটে থাকে” আর যখন বেলালের জ্বর হত, তখন তিনি উচ্চৈঃস্বরে এই কবিতা পড়তেন, أَلَا لَيْتَ شِعْرِي هَلْ أَبِيتَنَّ لَيْلَةً بِوَادٍ وَحَوْلِي إِذْخِرٌ وَجَلِيلُ وَهَلْ أَرِدَنْ يَوْمًا مِيَاهَ مَجِنَّةٍ وَهَلْ يَبْدُوَنْ لِي شَامَةٌ وَطَفِيلُ হায় যদি আমি জানতে পারতাম যে, কখনও আমি এক রাত্রির জন্যও মক্কার উপত্যকায় রাত্রি যাপন করতে পারব। আর আমার চতুষ্পার্শ্বে ইয্খির ও জলিল নামক ঘাস থাকবে। আর পুনরায় কখনও মাজিন্না কুয়ার নিকট যেতে পারব, আর পুনরায় কখনও শামা ও তফীল পাহাড় আমার দৃষ্টিগোচর হবে। আয়িশা (রা) বলেন, আমি ইহা শুনে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বর্ণনা করলাম। তিনি দু‘আ করলেন, اللهُمَّ حَبِّبْ إِلَيْنَا الْمَدِينَةَ كَحُبِّنَا مَكَّةَ أَوْ أَشَدَّ وَصَحِّحْهَا وَبَارِكْ لَنَا فِي صَاعِهَا وَمُدِّهَا وَانْقُلْ حُمَّاهَا فَاجْعَلْهَا بِالْجُحْفَةِ হে আল্লাহ্! আমাদের মনে মদীনার মুহব্বত এইরূপ করে দিন, যেরূপ মক্কার মুহব্বত রয়েছে, বরং উহা হতেও প্রগাঢ় ভালবাসা। আর মদীনাকে স্বাস্থ্যকর করে দিন। উহার সা‘ ও মুদ্দে বরকত দিন, উহার জ্বর অন্যত্র নিয়ে যান এবং উহার জ্বরকে জুহফাতে সরিয়ে দিন। [১]
উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
যখন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় এলেন, তখন আবূ বাকর ও বেলালের (রা) জ্বর আসতে শুরু করল। আয়িশা (রা) বলেন, আমি উভয়ের কাছে গেলাম। আমি বললাম, হে আব্বা আপনার অবস্থা কিরূপ ? হে বেলাল! আপনার অবস্থা কিরূপ ? আয়িশা (রা) বলেন, আবূ বাক্রের যখন জ্বর আসত, তিনি বলতেন, كُلُّ امْرِئٍ مُصَبَّحٌ فِي أَهْلِهِ وَالْمَوْتُ أَدْنَى مِنْ شِرَاكِ نَعْلِهِ “প্রত্যেকে নিজের পরিজনের মধ্যে প্রভাত করে আর মৃত্যু তার জুতার ফিতার চাইতেও তার অতি নিকটে থাকে” আর যখন বেলালের জ্বর হত, তখন তিনি উচ্চৈঃস্বরে এই কবিতা পড়তেন, أَلَا لَيْتَ شِعْرِي هَلْ أَبِيتَنَّ لَيْلَةً بِوَادٍ وَحَوْلِي إِذْخِرٌ وَجَلِيلُ وَهَلْ أَرِدَنْ يَوْمًا مِيَاهَ مَجِنَّةٍ وَهَلْ يَبْدُوَنْ لِي شَامَةٌ وَطَفِيلُ হায় যদি আমি জানতে পারতাম যে, কখনও আমি এক রাত্রির জন্যও মক্কার উপত্যকায় রাত্রি যাপন করতে পারব। আর আমার চতুষ্পার্শ্বে ইয্খির ও জলিল নামক ঘাস থাকবে। আর পুনরায় কখনও মাজিন্না কুয়ার নিকট যেতে পারব, আর পুনরায় কখনও শামা ও তফীল পাহাড় আমার দৃষ্টিগোচর হবে। আয়িশা (রা) বলেন, আমি ইহা শুনে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বর্ণনা করলাম। তিনি দু‘আ করলেন, اللهُمَّ حَبِّبْ إِلَيْنَا الْمَدِينَةَ كَحُبِّنَا مَكَّةَ أَوْ أَشَدَّ وَصَحِّحْهَا وَبَارِكْ لَنَا فِي صَاعِهَا وَمُدِّهَا وَانْقُلْ حُمَّاهَا فَاجْعَلْهَا بِالْجُحْفَةِ হে আল্লাহ্! আমাদের মনে মদীনার মুহব্বত এইরূপ করে দিন, যেরূপ মক্কার মুহব্বত রয়েছে, বরং উহা হতেও প্রগাঢ় ভালবাসা। আর মদীনাকে স্বাস্থ্যকর করে দিন। উহার সা‘ ও মুদ্দে বরকত দিন, উহার জ্বর অন্যত্র নিয়ে যান এবং উহার জ্বরকে জুহফাতে সরিয়ে দিন। [১]
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة وعك أبو بكر وبلال قالت فدخلت عليهما فقلت يا أبت كيف تجدك ويا بلال كيف تجدك قالت فكان أبو بكر إذا أخذته الحمى يقول كل امرئ مصبح في أهله والموت أدنى من شراك نعله وكان بلال إذا أقلع عنه يرفع عقيرته فيقول ألا ليت شعري هل أبيتن ليلة بواد وحولي إذخر وجليل وهل أردن يوما مياه مجنة وهل يبدون لي شامة وطفيل قالت عائشة فجئت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرته فقال اللهم حبب إلينا المدينة كحبنا مكة أو أشد وصححها وبارك لنا في صاعها ومدها وانقل حماها فاجعلها بالجحفة
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মদীনা হতে ইহুদীদের বহিষ্কার
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯৩
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجتمع دينان في جزيرة العرب قال مالك قال ابن شهاب ففحص عن ذلك عمر بن الخطاب حتى أتاه الثلج واليقين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجتمع دينان في جزيرة العرب فأجلى يهود خيبر
ইবনু শিহাব থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মদীনায় দুই ধর্ম একত্র হতে পারে না। (বুখারী ৩১৬৮, ইমাম মুসলিম ৫২৯, হাদীসটি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)\ মালিক (র) বলেন, ইব্নু শিহাব (রা) বলেছেন, উমার (রা) এ ব্যাপারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বুঝতে পেরেছেন যে, ইহা সত্যই রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী, অতঃপর তিনি তথা ইহুদীদেরকে খায়বর হতে বের করে দিয়েছিলেন।
ইবনু শিহাব থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মদীনায় দুই ধর্ম একত্র হতে পারে না। (বুখারী ৩১৬৮, ইমাম মুসলিম ৫২৯, হাদীসটি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)\ মালিক (র) বলেন, ইব্নু শিহাব (রা) বলেছেন, উমার (রা) এ ব্যাপারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বুঝতে পেরেছেন যে, ইহা সত্যই রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী, অতঃপর তিনি তথা ইহুদীদেরকে খায়বর হতে বের করে দিয়েছিলেন।
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجتمع دينان في جزيرة العرب قال مالك قال ابن شهاب ففحص عن ذلك عمر بن الخطاب حتى أتاه الثلج واليقين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجتمع دينان في جزيرة العرب فأجلى يهود خيبر
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯৪
قال مالك وقد أجلى عمر بن الخطاب يهود نجران وفدك فأما يهود خيبر فخرجوا منها ليس لهم من الثمر ولا من الأرض شيء وأما يهود فدك فكان لهم نصف الثمر ونصف الأرض لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان صالحهم على نصف الثمر ونصف الأرض فأقام لهم عمر نصف الثمر ونصف الأرض قيمة من ذهب وورق وإبل وحبال وأقتاب ثم أعطاهم القيمة وأجلاهم منها
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার (রা) ফিদক ও নাজরান হতেও ইহুদী বিতাড়িত করেছিলেন। খায়বরের ইহুদীদের না কোন জায়গা ছিল, না কোন বাগান ছিল। ফিদকের ইহুদীদের স্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক ছিল এবং অর্ধেক ফল ছিল। কেননা নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সাথে এ মর্মে চুক্তি করে ছিলেন। উমার (রা) অর্ধেক ফল ও স্থাবর সম্পত্তির দাম নির্ধারিত করে উহা তাদেরকে দিয়ে দেন এবং তাদেরকে তথা হতে বহিষ্কার করেছিলেন।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার (রা) ফিদক ও নাজরান হতেও ইহুদী বিতাড়িত করেছিলেন। খায়বরের ইহুদীদের না কোন জায়গা ছিল, না কোন বাগান ছিল। ফিদকের ইহুদীদের স্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক ছিল এবং অর্ধেক ফল ছিল। কেননা নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সাথে এ মর্মে চুক্তি করে ছিলেন। উমার (রা) অর্ধেক ফল ও স্থাবর সম্পত্তির দাম নির্ধারিত করে উহা তাদেরকে দিয়ে দেন এবং তাদেরকে তথা হতে বহিষ্কার করেছিলেন।
قال مالك وقد أجلى عمر بن الخطاب يهود نجران وفدك فأما يهود خيبر فخرجوا منها ليس لهم من الثمر ولا من الأرض شيء وأما يهود فدك فكان لهم نصف الثمر ونصف الأرض لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان صالحهم على نصف الثمر ونصف الأرض فأقام لهم عمر نصف الثمر ونصف الأرض قيمة من ذهب وورق وإبل وحبال وأقتاب ثم أعطاهم القيمة وأجلاهم منها
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯২
و حدثني عن مالك عن إسمعيل بن أبي حكيم أنه سمع عمر بن عبد العزيز يقول كان من آخر ما تكلم به رسول الله صلى الله عليه وسلم أن قال قاتل الله اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد لا يبقين دينان بأرض العرب
উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বশেষ কথা যা বলেছেন তাতে ছিল, قَاتَلَ اللهُ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ لَا يَبْقَيَنَّ دِينَانِ بِأَرْضِ الْعَرَبِ অর্থাৎ আল্লাহ্ তা‘আলা ইহুদী ও নাসারাদেরকে ধ্বংস করুন। তারা নিজেদের নবীদের কবরকে মসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। আরবের মাটিতে দুই ধর্ম একত্র হতে পারবে না। (বুখারী ৪৩৬, ৪৩৭, মুসলিম ৫২৯, ইমাম মুসলিম হাদীসটি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) (তারা কবরকে কেবলা বানিয়ে ঐদিকে নামায আদায় করত অর্থাৎ কবরকে সিজদা করত। ইসলামে এটা হারাম। প্রথম চার খলীফার যুগে আরব হতে সমস্ত কাফিরকে বের করে দেয়া হয়েছিল। আজ পর্যন্ত তথায় কেবল ইসলাম ধর্মই বিরাজমান)
উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বশেষ কথা যা বলেছেন তাতে ছিল, قَاتَلَ اللهُ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ لَا يَبْقَيَنَّ دِينَانِ بِأَرْضِ الْعَرَبِ অর্থাৎ আল্লাহ্ তা‘আলা ইহুদী ও নাসারাদেরকে ধ্বংস করুন। তারা নিজেদের নবীদের কবরকে মসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। আরবের মাটিতে দুই ধর্ম একত্র হতে পারবে না। (বুখারী ৪৩৬, ৪৩৭, মুসলিম ৫২৯, ইমাম মুসলিম হাদীসটি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) (তারা কবরকে কেবলা বানিয়ে ঐদিকে নামায আদায় করত অর্থাৎ কবরকে সিজদা করত। ইসলামে এটা হারাম। প্রথম চার খলীফার যুগে আরব হতে সমস্ত কাফিরকে বের করে দেয়া হয়েছিল। আজ পর্যন্ত তথায় কেবল ইসলাম ধর্মই বিরাজমান)
و حدثني عن مالك عن إسمعيل بن أبي حكيم أنه سمع عمر بن عبد العزيز يقول كان من آخر ما تكلم به رسول الله صلى الله عليه وسلم أن قال قاتل الله اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد لا يبقين دينان بأرض العرب
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মদীনার ফযীলত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯৫
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طلع له أحد فقال هذا جبل يحبنا ونحبه
উরওয়া ইবনু যুবায়র (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদ পাহাড় দেখে বলেছেন, এই পাহাড় আমাদের এবং আমরা এই পাহাড়কে ভালবাসি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
উরওয়া ইবনু যুবায়র (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদ পাহাড় দেখে বলেছেন, এই পাহাড় আমাদের এবং আমরা এই পাহাড়কে ভালবাসি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طلع له أحد فقال هذا جبل يحبنا ونحبه
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯৬
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عبد الرحمن بن القاسم أن أسلم مولى عمر بن الخطاب أخبره أنه زار عبد الله بن عياش المخزومي فرأى عنده نبيذا وهو بطريق مكة فقال له أسلم إن هذا الشراب يحبه عمر بن الخطاب فحمل عبد الله بن عياش قدحا عظيما فجاء به إلى عمر بن الخطاب فوضعه في يديه فقربه عمر إلى فيه ثم رفع رأسه فقال عمر إن هذا لشراب طيب فشرب منه ثم ناوله رجلا عن يمينه فلما أدبر عبد الله ناداه عمر بن الخطاب فقال أأنت القائل لمكة خير من المدينة فقال عبد الله فقلت هي حرم الله وأمنه وفيها بيته فقال عمر لا أقول في بيت الله ولا في حرمه شيئا ثم قال عمر أأنت القائل لمكة خير من المدينة قال فقلت هي حرم الله وأمنه وفيها بيته فقال عمر لا أقول في حرم الله ولا في بيته شيئا ثم انصرف
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু খাত্তাব (রা)-এর মুক্ত দাস আসলাম বলেছেন, তিনি মক্কার রাস্তায় আবদুল্লাহ ইব্নু আয়াশ আল-মাখযুরীর সহিত সাক্ষাৎ করতে যেয়ে তাঁর সম্মুখে নাবীয দেখতে পেলেন। আসলাম বললেন, এই পানীয়কে উমার (রা) খুব পছন্দ করেন। অতঃপর আবদুল্লাহ্ ইব্নু আয়াশ (রা) একটি বড় পেয়ালা ভরে উমার (রা)-এর সম্মুখে রাখলেন। তিনি উহা উঠিয়ে পান করতে ইচ্ছা করলেন। অতঃপর মাথা তুলে বললেন, ‘এই পানীয় খুব ভাল’ এটা বলে তিনি উহা পান করলেন। অতঃপর যে তাঁর ডানদিকে ছিল তাকে দান করলেন। যখন আবদুল্লাহ্ ইব্নু আয়াশ প্রস্থান করতে উদ্যত হলেন তখন উমার (রা) তাঁকে ডেকে বললেন, তুমি কি বল যে, মদীনা হতে মক্কা ভাল। আবদুল্লাহ্ বললেন, মক্কায় আল্লাহ্র হেরেম এবং উহা শান্তির স্থান আর সেখানে তাঁর ঘর রয়েছে। উমার (রা) বললেন, আমি আল্লাহ্র ঘর ও হেরেম সম্বন্ধে কিছু বলিতেছি না। উমার (রা) আবারও আবদুল্লাহকে তদ্রুপ জিজ্ঞেস করলে তিনি ঐ একই উত্তর দিলেন। উমার (রা) তখন আবার বললেন, আল্লাহ্র ‘হেরেম’ এবং তাঁর গৃহ সম্বন্ধে কিছুই বলিতেছি না। অতঃপর তিনি চলে গেলেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু খাত্তাব (রা)-এর মুক্ত দাস আসলাম বলেছেন, তিনি মক্কার রাস্তায় আবদুল্লাহ ইব্নু আয়াশ আল-মাখযুরীর সহিত সাক্ষাৎ করতে যেয়ে তাঁর সম্মুখে নাবীয দেখতে পেলেন। আসলাম বললেন, এই পানীয়কে উমার (রা) খুব পছন্দ করেন। অতঃপর আবদুল্লাহ্ ইব্নু আয়াশ (রা) একটি বড় পেয়ালা ভরে উমার (রা)-এর সম্মুখে রাখলেন। তিনি উহা উঠিয়ে পান করতে ইচ্ছা করলেন। অতঃপর মাথা তুলে বললেন, ‘এই পানীয় খুব ভাল’ এটা বলে তিনি উহা পান করলেন। অতঃপর যে তাঁর ডানদিকে ছিল তাকে দান করলেন। যখন আবদুল্লাহ্ ইব্নু আয়াশ প্রস্থান করতে উদ্যত হলেন তখন উমার (রা) তাঁকে ডেকে বললেন, তুমি কি বল যে, মদীনা হতে মক্কা ভাল। আবদুল্লাহ্ বললেন, মক্কায় আল্লাহ্র হেরেম এবং উহা শান্তির স্থান আর সেখানে তাঁর ঘর রয়েছে। উমার (রা) বললেন, আমি আল্লাহ্র ঘর ও হেরেম সম্বন্ধে কিছু বলিতেছি না। উমার (রা) আবারও আবদুল্লাহকে তদ্রুপ জিজ্ঞেস করলে তিনি ঐ একই উত্তর দিলেন। উমার (রা) তখন আবার বললেন, আল্লাহ্র ‘হেরেম’ এবং তাঁর গৃহ সম্বন্ধে কিছুই বলিতেছি না। অতঃপর তিনি চলে গেলেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عبد الرحمن بن القاسم أن أسلم مولى عمر بن الخطاب أخبره أنه زار عبد الله بن عياش المخزومي فرأى عنده نبيذا وهو بطريق مكة فقال له أسلم إن هذا الشراب يحبه عمر بن الخطاب فحمل عبد الله بن عياش قدحا عظيما فجاء به إلى عمر بن الخطاب فوضعه في يديه فقربه عمر إلى فيه ثم رفع رأسه فقال عمر إن هذا لشراب طيب فشرب منه ثم ناوله رجلا عن يمينه فلما أدبر عبد الله ناداه عمر بن الخطاب فقال أأنت القائل لمكة خير من المدينة فقال عبد الله فقلت هي حرم الله وأمنه وفيها بيته فقال عمر لا أقول في بيت الله ولا في حرمه شيئا ثم قال عمر أأنت القائل لمكة خير من المدينة قال فقلت هي حرم الله وأمنه وفيها بيته فقال عمر لا أقول في حرم الله ولا في بيته شيئا ثم انصرف