মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মদীনায় অবস্থান এবং তথা হতে প্রস্থান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৮১
و حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يخرج أحد من المدينة رغبة عنها إلا أبدلها الله خيرا منه
উরওয়া ইবনু যুবাইর (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছন, যদি কোন ব্যক্তি মদীনার প্রতি ঘৃণা করে তথা হতে বের হয়ে পড়ে, তবে আল্লাহ্ তা‘আলা উহাতে তা অপেক্ষা উৎকৃষ্ট ব্যক্তি দান করে থাকেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
উরওয়া ইবনু যুবাইর (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছন, যদি কোন ব্যক্তি মদীনার প্রতি ঘৃণা করে তথা হতে বের হয়ে পড়ে, তবে আল্লাহ্ তা‘আলা উহাতে তা অপেক্ষা উৎকৃষ্ট ব্যক্তি দান করে থাকেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يخرج أحد من المدينة رغبة عنها إلا أبدلها الله خيرا منه
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৭৮
حدثني يحيى عن مالك عن قطن بن وهب بن عمير بن الأجدع أن يحنس مولى الزبير بن العوام أخبره أنه كان جالسا عند عبد الله بن عمر في الفتنة فأتته مولاة له تسلم عليه فقالت إني أردت الخروج يا أبا عبد الرحمن اشتد علينا الزمان فقال لها عبد الله بن عمر اقعدي لكع فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا يصبر على لأوائها وشدتها أحد إلا كنت له شفيعا أو شهيدا يوم القيامة
যুবাইর ইবনুল আওয়াম (রা)-এর মুক্ত দাস ইউহান্নাস থেকে বর্নিতঃ
ফিতনার সময়ে আমি আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রা)-এর নিকট বসা ছিলাম। এমন সময় তাঁর এক দাসী এসে সালাম দিয়ে তাকে বলল, হে আবূ আবদুর রহমান, আমি মদীনা ছেড়ে চলে যেতে চাই। কেননা এইখানে অভাব-অনটনে কষ্ট পাচ্ছি। ইব্নু উমার (রা) তাকে বললেন, হতভাগ্য! বস। আমি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেছিলেন, যে ব্যক্তি মদীনার অভাব-অনটন ও কষ্ট সহ্য করবে, আমি কিয়ামতে তার সাক্ষী হব অথবা তার জন্য সুপারিশ করব। (সহীহ, মুসলিম ১৩৭৭)
যুবাইর ইবনুল আওয়াম (রা)-এর মুক্ত দাস ইউহান্নাস থেকে বর্নিতঃ
ফিতনার সময়ে আমি আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রা)-এর নিকট বসা ছিলাম। এমন সময় তাঁর এক দাসী এসে সালাম দিয়ে তাকে বলল, হে আবূ আবদুর রহমান, আমি মদীনা ছেড়ে চলে যেতে চাই। কেননা এইখানে অভাব-অনটনে কষ্ট পাচ্ছি। ইব্নু উমার (রা) তাকে বললেন, হতভাগ্য! বস। আমি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেছিলেন, যে ব্যক্তি মদীনার অভাব-অনটন ও কষ্ট সহ্য করবে, আমি কিয়ামতে তার সাক্ষী হব অথবা তার জন্য সুপারিশ করব। (সহীহ, মুসলিম ১৩৭৭)
حدثني يحيى عن مالك عن قطن بن وهب بن عمير بن الأجدع أن يحنس مولى الزبير بن العوام أخبره أنه كان جالسا عند عبد الله بن عمر في الفتنة فأتته مولاة له تسلم عليه فقالت إني أردت الخروج يا أبا عبد الرحمن اشتد علينا الزمان فقال لها عبد الله بن عمر اقعدي لكع فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا يصبر على لأوائها وشدتها أحد إلا كنت له شفيعا أو شهيدا يوم القيامة
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৭৯
و حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن المنكدر عن جابر بن عبد الله أن أعرابيا بايع رسول الله صلى الله عليه وسلم على الإسلام فأصاب الأعرابي وعك بالمدينة فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله أقلني بيعتي فأبى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم جاءه فقال أقلني بيعتي فأبى ثم جاءه فقال أقلني بيعتي فأبى فخرج الأعرابي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما المدينة كالكير تنفي خبثها وينصع طيبها
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্নিতঃ
এক গ্রাম্য ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট তার ইসলাম গ্রহণের বায়‘আত করল, মদীনায় তার জ্বর আসতে লাগল। সে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলতে লাগল, হে আল্লাহ্র নবী! আপনি আমার বায়‘আত ভঙ্গ করে দিন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা অস্বীকার করলেন। সে পুনরায় এসে বলল, হে আল্লাহ্র নবী, আমার বায়‘আত ভঙ্গ করে দিন। নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অস্বীকার করা সত্ত্বেও সে মদীনা হতে বের হয়ে পড়ল। তখন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, মদীনা লোহার ভাট্টির [১] মতো, উহা ময়লা বাহির করে খাঁটি সোনা বানিয়ে দেয়। (বুখারী ১৮৮৩, মুসলিম ১৩৮৩)
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্নিতঃ
এক গ্রাম্য ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট তার ইসলাম গ্রহণের বায়‘আত করল, মদীনায় তার জ্বর আসতে লাগল। সে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলতে লাগল, হে আল্লাহ্র নবী! আপনি আমার বায়‘আত ভঙ্গ করে দিন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা অস্বীকার করলেন। সে পুনরায় এসে বলল, হে আল্লাহ্র নবী, আমার বায়‘আত ভঙ্গ করে দিন। নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অস্বীকার করা সত্ত্বেও সে মদীনা হতে বের হয়ে পড়ল। তখন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, মদীনা লোহার ভাট্টির [১] মতো, উহা ময়লা বাহির করে খাঁটি সোনা বানিয়ে দেয়। (বুখারী ১৮৮৩, মুসলিম ১৩৮৩)
و حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن المنكدر عن جابر بن عبد الله أن أعرابيا بايع رسول الله صلى الله عليه وسلم على الإسلام فأصاب الأعرابي وعك بالمدينة فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله أقلني بيعتي فأبى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم جاءه فقال أقلني بيعتي فأبى ثم جاءه فقال أقلني بيعتي فأبى فخرج الأعرابي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما المدينة كالكير تنفي خبثها وينصع طيبها
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৮৩
و حدثني يحيى عن مالك عن ابن حماس عن عمه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لتتركن المدينة على أحسن ما كانت حتى يدخل الكلب أو الذئب فيغذي على بعض سواري المسجد أو على المنبر فقالوا يا رسول الله فلمن تكون الثمار ذلك الزمان قال للعوافي الطير والسباع
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অতি উত্তম অবস্থায় মদীনাকে ত্যাগ করা হবে, এমন কি তথায় কুকুর ও ব্যাঘ্র আসবে এবং মসজিদের খুঁটি ও মিম্বরে পেশাব করবে। সাহাবায়ে কিরাম প্রশ্ন করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্! ঐ সময় মদীনার ফলমূল কে ভোগ করবে? তিনি বললেন, ক্ষুধার্ত জন্তুরা ও পশু পাখিরা। [১] (বুখারী ১৮৭৪, মুসলিম ১৩৮৯)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অতি উত্তম অবস্থায় মদীনাকে ত্যাগ করা হবে, এমন কি তথায় কুকুর ও ব্যাঘ্র আসবে এবং মসজিদের খুঁটি ও মিম্বরে পেশাব করবে। সাহাবায়ে কিরাম প্রশ্ন করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্! ঐ সময় মদীনার ফলমূল কে ভোগ করবে? তিনি বললেন, ক্ষুধার্ত জন্তুরা ও পশু পাখিরা। [১] (বুখারী ১৮৭৪, মুসলিম ১৩৮৯)
و حدثني يحيى عن مالك عن ابن حماس عن عمه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لتتركن المدينة على أحسن ما كانت حتى يدخل الكلب أو الذئب فيغذي على بعض سواري المسجد أو على المنبر فقالوا يا رسول الله فلمن تكون الثمار ذلك الزمان قال للعوافي الطير والسباع
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৮০
و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال سمعت أب الحباب سعيد بن يسار يقول سمعت أبا هريرة يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول أمرت بقرية تأكل القرى يقولون يثرب وهي المدينة تنفي الناس كما ينفي الكير خبث الحديد
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, যে আমাকে এমন লোকালয়ে যাওয়ার আদেশ দেয়া হয়েছে যা অন্যান্য লোকালয়কে খেয়ে ফেলবে। লোকে তাকে ইয়াস্রাব বলে থাকে আর উহা হল মদীনা। উহা মন্দ লোকদের বের করে দেয়, যেমন লোহার ভাট্টি লোহার ময়লা বের করে দেয়। [১] (বুখারী ১৮৭১, মুসলিম ১৩৮২)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, যে আমাকে এমন লোকালয়ে যাওয়ার আদেশ দেয়া হয়েছে যা অন্যান্য লোকালয়কে খেয়ে ফেলবে। লোকে তাকে ইয়াস্রাব বলে থাকে আর উহা হল মদীনা। উহা মন্দ লোকদের বের করে দেয়, যেমন লোহার ভাট্টি লোহার ময়লা বের করে দেয়। [১] (বুখারী ১৮৭১, মুসলিম ১৩৮২)
و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال سمعت أب الحباب سعيد بن يسار يقول سمعت أبا هريرة يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول أمرت بقرية تأكل القرى يقولون يثرب وهي المدينة تنفي الناس كما ينفي الكير خبث الحديد
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৮৪
و حدثني مالك أنه بلغه أن عمر بن عبد العزيز حين خرج من المدينة التفت إليها فبكى ثم قال يا مزاحم أتخشى أن نكون ممن نفت المدينة
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু আবদুল আযীয (র) যখন মদীনা হতে যাচ্ছিলেন, তখন মদীনার প্রতি লক্ষ্য করে স্বীয় দাস মুযাহিমকে বলছিলেন, হয়ত তুমি ও আমি যে সমস্ত লোকের মধ্যে গণ্য হব, যাদেরকে মদীনা বের করে দিবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু আবদুল আযীয (র) যখন মদীনা হতে যাচ্ছিলেন, তখন মদীনার প্রতি লক্ষ্য করে স্বীয় দাস মুযাহিমকে বলছিলেন, হয়ত তুমি ও আমি যে সমস্ত লোকের মধ্যে গণ্য হব, যাদেরকে মদীনা বের করে দিবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك أنه بلغه أن عمر بن عبد العزيز حين خرج من المدينة التفت إليها فبكى ثم قال يا مزاحم أتخشى أن نكون ممن نفت المدينة
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৮২
و حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عبد الله بن الزبير عن سفيان بن أبي زهير أنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول تفتح اليمن فيأتي قوم يبسون فيتحملون بأهليهم ومن أطاعهم والمدينة خير لهم لو كانوا يعلمون وتفتح الشام فيأتي قوم يبسون فيتحملون بأهليهم ومن أطاعهم والمدينة خير لهم لو كانوا يعلمون وتفتح العراق فيأتي قوم يبسون فيتحملون بأهليهم ومن أطاعهم والمدينة خير لهم لو كانوا يعلمون
সুফিয়ান ইবনু আবূ যুহায়র (রা) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন ইয়ামান বিজিত হবে। তথা হতে লোক সফর করে মদীনায় আগমন করবে। তারা নিজেদের বাড়িঘর এবং যা তাদের ইচ্ছা হবে মদীনা হতে নিয়ে যাবে, অথচ মদীনা তাদের জন্য উত্তম ছিল, যদি তারা তা বুঝতে পারত! শাম বিজিত হবে, তথা হতে কিছু লোক মদীনায় আগমন করবে এবং নিজেদের বাড়িঘর এবং যারা তাদের কথা মান্য করব্ তাদেরকে মদীনা হতে নিয়ে যাবে, অথচ মদীনা তাদের জন্য উত্তম ছিল, যদি তারা তা বুঝতে পারত! ইরাক বিজিত হবে। তথা হতে কিছু সংখ্যক লোক সফর করে মদীনা আগমন করবে এবং তাদের বাড়িঘর এবং যারা তাদের কথা মান্য করবে তাদেরকে মদীনা হতে নিয়ে যাবে, অথচ মদীনা তাদের জন্য উত্তম ছিল, যদি তারা জানতে পারত! (ইয়ামেন, শাম ও ইরাক বিজিত হওয়ার পর অনেকে তথাকার সুন্দর আবহাওয়া ও জিনিসপত্র সস্তা দেখে নিজেদের বাড়িঘর এবং যারা তাদের সহিত যেতে ইচ্ছা করেছিল তাদেরকে মদীনা হতে নিয়ে গেল এবং তথায় যেয়ে বসতি ঠিক করল। অতঃপর নানা ফিত্না-ফাসাদে আক্রান্ত হল।) (সহীহ, বুখারী ১৮৭৫, মুসলিম ১৩৮৮)
সুফিয়ান ইবনু আবূ যুহায়র (রা) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন ইয়ামান বিজিত হবে। তথা হতে লোক সফর করে মদীনায় আগমন করবে। তারা নিজেদের বাড়িঘর এবং যা তাদের ইচ্ছা হবে মদীনা হতে নিয়ে যাবে, অথচ মদীনা তাদের জন্য উত্তম ছিল, যদি তারা তা বুঝতে পারত! শাম বিজিত হবে, তথা হতে কিছু লোক মদীনায় আগমন করবে এবং নিজেদের বাড়িঘর এবং যারা তাদের কথা মান্য করব্ তাদেরকে মদীনা হতে নিয়ে যাবে, অথচ মদীনা তাদের জন্য উত্তম ছিল, যদি তারা তা বুঝতে পারত! ইরাক বিজিত হবে। তথা হতে কিছু সংখ্যক লোক সফর করে মদীনা আগমন করবে এবং তাদের বাড়িঘর এবং যারা তাদের কথা মান্য করবে তাদেরকে মদীনা হতে নিয়ে যাবে, অথচ মদীনা তাদের জন্য উত্তম ছিল, যদি তারা জানতে পারত! (ইয়ামেন, শাম ও ইরাক বিজিত হওয়ার পর অনেকে তথাকার সুন্দর আবহাওয়া ও জিনিসপত্র সস্তা দেখে নিজেদের বাড়িঘর এবং যারা তাদের সহিত যেতে ইচ্ছা করেছিল তাদেরকে মদীনা হতে নিয়ে গেল এবং তথায় যেয়ে বসতি ঠিক করল। অতঃপর নানা ফিত্না-ফাসাদে আক্রান্ত হল।) (সহীহ, বুখারী ১৮৭৫, মুসলিম ১৩৮৮)
و حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عبد الله بن الزبير عن سفيان بن أبي زهير أنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول تفتح اليمن فيأتي قوم يبسون فيتحملون بأهليهم ومن أطاعهم والمدينة خير لهم لو كانوا يعلمون وتفتح الشام فيأتي قوم يبسون فيتحملون بأهليهم ومن أطاعهم والمدينة خير لهم لو كانوا يعلمون وتفتح العراق فيأتي قوم يبسون فيتحملون بأهليهم ومن أطاعهم والمدينة خير لهم لو كانوا يعلمون
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মদীনা শরীফের হরম হওয়া সম্পর্কে বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৮৫
حدثني يحيى عن مالك عن عمرو مولى المطلب عن أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طلع له أحد فقال هذا جبل يحبنا ونحبه اللهم إن إبراهيم حرم مكة وأنا أحرم ما بين لابتيها
আনাস ইবনু মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন উহুদ পাহাড় তার দৃষ্টিগোচর হল তখন তিনি বললেন, এই পাহাড় আমাদের ভালবাসে। হে আল্লাহ্! ইব্রাহীম (আ) মক্কাকে হারাম করেছেন, আমি মদীনার উভয় কঙ্করময়ের মধ্যস্থলকে হারাম করিতেছি। (বুখারী ৩৩৬৭, মুসলিম ১৩৬৫)
আনাস ইবনু মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন উহুদ পাহাড় তার দৃষ্টিগোচর হল তখন তিনি বললেন, এই পাহাড় আমাদের ভালবাসে। হে আল্লাহ্! ইব্রাহীম (আ) মক্কাকে হারাম করেছেন, আমি মদীনার উভয় কঙ্করময়ের মধ্যস্থলকে হারাম করিতেছি। (বুখারী ৩৩৬৭, মুসলিম ১৩৬৫)
حدثني يحيى عن مالك عن عمرو مولى المطلب عن أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طلع له أحد فقال هذا جبل يحبنا ونحبه اللهم إن إبراهيم حرم مكة وأنا أحرم ما بين لابتيها
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৮৬
و حدثني مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة أنه كان يقول لو رأيت الظباء بالمدينة ترتع ما ذعرتها قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما بين لابتيها حرام
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলতেন যদি আমি মদীনায় হরিণ চরিতে দেখি, তা হলে উহাকে কখনও তাড়া করব না। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মদীনার উভয় দিকের মধ্যবর্তী অংশ হেরেম। (বুখারী ১৮৭৩, মুসলিম ১৩৭২)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলতেন যদি আমি মদীনায় হরিণ চরিতে দেখি, তা হলে উহাকে কখনও তাড়া করব না। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মদীনার উভয় দিকের মধ্যবর্তী অংশ হেরেম। (বুখারী ১৮৭৩, মুসলিম ১৩৭২)
و حدثني مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة أنه كان يقول لو رأيت الظباء بالمدينة ترتع ما ذعرتها قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما بين لابتيها حرام
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৮৭
و حدثني مالك عن يونس بن يوسف عن عطاء بن يسار عن أبي أيوب الأنصاري أنه وجد غلمانا قد ألجئوا ثعلبا إلى زاوية فطردهم عنه قال مالك لا أعلم إلا أنه قال أفي حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع هذا
আবূ আয়্যূব আনসারী থেকে বর্নিতঃ
তিনি দেখলেন, কয়েকটি ছেলে একটি শিয়ালকে ঘিরে রেখেছে। তিনি ছেলেদেরকে তাড়িয়ে শিয়ালটিকে ছাড়িয়ে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আবূ আয়্যূব ইহাও বলেছেন, রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হেরেমেও কি এইরূপ কার্য হচ্ছে ?
আবূ আয়্যূব আনসারী থেকে বর্নিতঃ
তিনি দেখলেন, কয়েকটি ছেলে একটি শিয়ালকে ঘিরে রেখেছে। তিনি ছেলেদেরকে তাড়িয়ে শিয়ালটিকে ছাড়িয়ে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আবূ আয়্যূব ইহাও বলেছেন, রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হেরেমেও কি এইরূপ কার্য হচ্ছে ?
و حدثني مالك عن يونس بن يوسف عن عطاء بن يسار عن أبي أيوب الأنصاري أنه وجد غلمانا قد ألجئوا ثعلبا إلى زاوية فطردهم عنه قال مالك لا أعلم إلا أنه قال أفي حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع هذا
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৮৮
و حدثني يحيى عن مالك عن رجل قال دخل علي زيد بن ثابت وأنا بالأسواف قد اصطدت نهسا فأخذه من يدي فأرسله
এক ব্যক্তি থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার কাছে যায়দ ইব্নু সাবিত (রা) আগমন করলেন, তখন আমি আসওয়াফে (মদীনার একটি গ্রাম) একটি পাখি ধরেছিলাম। তিনি আমার হাত হতে উহা নিয়ে ছেড়ে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
এক ব্যক্তি থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার কাছে যায়দ ইব্নু সাবিত (রা) আগমন করলেন, তখন আমি আসওয়াফে (মদীনার একটি গ্রাম) একটি পাখি ধরেছিলাম। তিনি আমার হাত হতে উহা নিয়ে ছেড়ে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني يحيى عن مالك عن رجل قال دخل علي زيد بن ثابت وأنا بالأسواف قد اصطدت نهسا فأخذه من يدي فأرسله
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মদীনার মহামারী সম্বন্ধে বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯০
قال مالك و حدثني يحيى بن سعيد أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت وكان عامر بن فهيرة يقول قد رأيت الموت قبل ذوقه إن الجبان حتفه من فوقه
আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
আমির ইব্নু ফুহাইরা বলতেন, আমি মৃত্যুর পূর্বে মৃত্যুকে দেখেছি, যারা ভীরু তাদের মৃত্যু উপর হতে অবতরণ করে। (বুখারী ৩৯২৬, মুসলিম ১৩৭৫, আর ইয়াহইয়াহ কর্তৃক আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত অংশটুকু, মুনকাতে)
আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
আমির ইব্নু ফুহাইরা বলতেন, আমি মৃত্যুর পূর্বে মৃত্যুকে দেখেছি, যারা ভীরু তাদের মৃত্যু উপর হতে অবতরণ করে। (বুখারী ৩৯২৬, মুসলিম ১৩৭৫, আর ইয়াহইয়াহ কর্তৃক আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত অংশটুকু, মুনকাতে)
قال مالك و حدثني يحيى بن سعيد أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت وكان عامر بن فهيرة يقول قد رأيت الموت قبل ذوقه إن الجبان حتفه من فوقه
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯১
و حدثني عن مالك عن نعيم بن عبد الله المجمر عن أبي هريرة أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم على أنقاب المدينة ملائكة لا يدخلها الطاعون ولا الدجال
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মদীনার দ্বারে ফিরিশতা মোতায়েন রয়েছে। উহাতে কখনও মহামারী দেখা দিবে না আর দাজ্জালও প্রবেশ করবে না। (বুখারী ১৮৮০, মুসলিম ১৩৭৯)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মদীনার দ্বারে ফিরিশতা মোতায়েন রয়েছে। উহাতে কখনও মহামারী দেখা দিবে না আর দাজ্জালও প্রবেশ করবে না। (বুখারী ১৮৮০, মুসলিম ১৩৭৯)
و حدثني عن مالك عن نعيم بن عبد الله المجمر عن أبي هريرة أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم على أنقاب المدينة ملائكة لا يدخلها الطاعون ولا الدجال
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৮৯
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة وعك أبو بكر وبلال قالت فدخلت عليهما فقلت يا أبت كيف تجدك ويا بلال كيف تجدك قالت فكان أبو بكر إذا أخذته الحمى يقول كل امرئ مصبح في أهله والموت أدنى من شراك نعله وكان بلال إذا أقلع عنه يرفع عقيرته فيقول ألا ليت شعري هل أبيتن ليلة بواد وحولي إذخر وجليل وهل أردن يوما مياه مجنة وهل يبدون لي شامة وطفيل قالت عائشة فجئت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرته فقال اللهم حبب إلينا المدينة كحبنا مكة أو أشد وصححها وبارك لنا في صاعها ومدها وانقل حماها فاجعلها بالجحفة
উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
যখন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় এলেন, তখন আবূ বাকর ও বেলালের (রা) জ্বর আসতে শুরু করল। আয়িশা (রা) বলেন, আমি উভয়ের কাছে গেলাম। আমি বললাম, হে আব্বা আপনার অবস্থা কিরূপ ? হে বেলাল! আপনার অবস্থা কিরূপ ? আয়িশা (রা) বলেন, আবূ বাক্রের যখন জ্বর আসত, তিনি বলতেন, كُلُّ امْرِئٍ مُصَبَّحٌ فِي أَهْلِهِ وَالْمَوْتُ أَدْنَى مِنْ شِرَاكِ نَعْلِهِ “প্রত্যেকে নিজের পরিজনের মধ্যে প্রভাত করে আর মৃত্যু তার জুতার ফিতার চাইতেও তার অতি নিকটে থাকে” আর যখন বেলালের জ্বর হত, তখন তিনি উচ্চৈঃস্বরে এই কবিতা পড়তেন, أَلَا لَيْتَ شِعْرِي هَلْ أَبِيتَنَّ لَيْلَةً بِوَادٍ وَحَوْلِي إِذْخِرٌ وَجَلِيلُ وَهَلْ أَرِدَنْ يَوْمًا مِيَاهَ مَجِنَّةٍ وَهَلْ يَبْدُوَنْ لِي شَامَةٌ وَطَفِيلُ হায় যদি আমি জানতে পারতাম যে, কখনও আমি এক রাত্রির জন্যও মক্কার উপত্যকায় রাত্রি যাপন করতে পারব। আর আমার চতুষ্পার্শ্বে ইয্খির ও জলিল নামক ঘাস থাকবে। আর পুনরায় কখনও মাজিন্না কুয়ার নিকট যেতে পারব, আর পুনরায় কখনও শামা ও তফীল পাহাড় আমার দৃষ্টিগোচর হবে। আয়িশা (রা) বলেন, আমি ইহা শুনে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বর্ণনা করলাম। তিনি দু‘আ করলেন, اللهُمَّ حَبِّبْ إِلَيْنَا الْمَدِينَةَ كَحُبِّنَا مَكَّةَ أَوْ أَشَدَّ وَصَحِّحْهَا وَبَارِكْ لَنَا فِي صَاعِهَا وَمُدِّهَا وَانْقُلْ حُمَّاهَا فَاجْعَلْهَا بِالْجُحْفَةِ হে আল্লাহ্! আমাদের মনে মদীনার মুহব্বত এইরূপ করে দিন, যেরূপ মক্কার মুহব্বত রয়েছে, বরং উহা হতেও প্রগাঢ় ভালবাসা। আর মদীনাকে স্বাস্থ্যকর করে দিন। উহার সা‘ ও মুদ্দে বরকত দিন, উহার জ্বর অন্যত্র নিয়ে যান এবং উহার জ্বরকে জুহফাতে সরিয়ে দিন। [১]
উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
যখন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় এলেন, তখন আবূ বাকর ও বেলালের (রা) জ্বর আসতে শুরু করল। আয়িশা (রা) বলেন, আমি উভয়ের কাছে গেলাম। আমি বললাম, হে আব্বা আপনার অবস্থা কিরূপ ? হে বেলাল! আপনার অবস্থা কিরূপ ? আয়িশা (রা) বলেন, আবূ বাক্রের যখন জ্বর আসত, তিনি বলতেন, كُلُّ امْرِئٍ مُصَبَّحٌ فِي أَهْلِهِ وَالْمَوْتُ أَدْنَى مِنْ شِرَاكِ نَعْلِهِ “প্রত্যেকে নিজের পরিজনের মধ্যে প্রভাত করে আর মৃত্যু তার জুতার ফিতার চাইতেও তার অতি নিকটে থাকে” আর যখন বেলালের জ্বর হত, তখন তিনি উচ্চৈঃস্বরে এই কবিতা পড়তেন, أَلَا لَيْتَ شِعْرِي هَلْ أَبِيتَنَّ لَيْلَةً بِوَادٍ وَحَوْلِي إِذْخِرٌ وَجَلِيلُ وَهَلْ أَرِدَنْ يَوْمًا مِيَاهَ مَجِنَّةٍ وَهَلْ يَبْدُوَنْ لِي شَامَةٌ وَطَفِيلُ হায় যদি আমি জানতে পারতাম যে, কখনও আমি এক রাত্রির জন্যও মক্কার উপত্যকায় রাত্রি যাপন করতে পারব। আর আমার চতুষ্পার্শ্বে ইয্খির ও জলিল নামক ঘাস থাকবে। আর পুনরায় কখনও মাজিন্না কুয়ার নিকট যেতে পারব, আর পুনরায় কখনও শামা ও তফীল পাহাড় আমার দৃষ্টিগোচর হবে। আয়িশা (রা) বলেন, আমি ইহা শুনে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বর্ণনা করলাম। তিনি দু‘আ করলেন, اللهُمَّ حَبِّبْ إِلَيْنَا الْمَدِينَةَ كَحُبِّنَا مَكَّةَ أَوْ أَشَدَّ وَصَحِّحْهَا وَبَارِكْ لَنَا فِي صَاعِهَا وَمُدِّهَا وَانْقُلْ حُمَّاهَا فَاجْعَلْهَا بِالْجُحْفَةِ হে আল্লাহ্! আমাদের মনে মদীনার মুহব্বত এইরূপ করে দিন, যেরূপ মক্কার মুহব্বত রয়েছে, বরং উহা হতেও প্রগাঢ় ভালবাসা। আর মদীনাকে স্বাস্থ্যকর করে দিন। উহার সা‘ ও মুদ্দে বরকত দিন, উহার জ্বর অন্যত্র নিয়ে যান এবং উহার জ্বরকে জুহফাতে সরিয়ে দিন। [১]
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة وعك أبو بكر وبلال قالت فدخلت عليهما فقلت يا أبت كيف تجدك ويا بلال كيف تجدك قالت فكان أبو بكر إذا أخذته الحمى يقول كل امرئ مصبح في أهله والموت أدنى من شراك نعله وكان بلال إذا أقلع عنه يرفع عقيرته فيقول ألا ليت شعري هل أبيتن ليلة بواد وحولي إذخر وجليل وهل أردن يوما مياه مجنة وهل يبدون لي شامة وطفيل قالت عائشة فجئت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرته فقال اللهم حبب إلينا المدينة كحبنا مكة أو أشد وصححها وبارك لنا في صاعها ومدها وانقل حماها فاجعلها بالجحفة
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মদীনা হতে ইহুদীদের বহিষ্কার
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯৩
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجتمع دينان في جزيرة العرب قال مالك قال ابن شهاب ففحص عن ذلك عمر بن الخطاب حتى أتاه الثلج واليقين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجتمع دينان في جزيرة العرب فأجلى يهود خيبر
ইবনু শিহাব থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মদীনায় দুই ধর্ম একত্র হতে পারে না। (বুখারী ৩১৬৮, ইমাম মুসলিম ৫২৯, হাদীসটি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)\ মালিক (র) বলেন, ইব্নু শিহাব (রা) বলেছেন, উমার (রা) এ ব্যাপারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বুঝতে পেরেছেন যে, ইহা সত্যই রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী, অতঃপর তিনি তথা ইহুদীদেরকে খায়বর হতে বের করে দিয়েছিলেন।
ইবনু শিহাব থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মদীনায় দুই ধর্ম একত্র হতে পারে না। (বুখারী ৩১৬৮, ইমাম মুসলিম ৫২৯, হাদীসটি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)\ মালিক (র) বলেন, ইব্নু শিহাব (রা) বলেছেন, উমার (রা) এ ব্যাপারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বুঝতে পেরেছেন যে, ইহা সত্যই রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী, অতঃপর তিনি তথা ইহুদীদেরকে খায়বর হতে বের করে দিয়েছিলেন।
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجتمع دينان في جزيرة العرب قال مالك قال ابن شهاب ففحص عن ذلك عمر بن الخطاب حتى أتاه الثلج واليقين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجتمع دينان في جزيرة العرب فأجلى يهود خيبر
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯৪
قال مالك وقد أجلى عمر بن الخطاب يهود نجران وفدك فأما يهود خيبر فخرجوا منها ليس لهم من الثمر ولا من الأرض شيء وأما يهود فدك فكان لهم نصف الثمر ونصف الأرض لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان صالحهم على نصف الثمر ونصف الأرض فأقام لهم عمر نصف الثمر ونصف الأرض قيمة من ذهب وورق وإبل وحبال وأقتاب ثم أعطاهم القيمة وأجلاهم منها
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার (রা) ফিদক ও নাজরান হতেও ইহুদী বিতাড়িত করেছিলেন। খায়বরের ইহুদীদের না কোন জায়গা ছিল, না কোন বাগান ছিল। ফিদকের ইহুদীদের স্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক ছিল এবং অর্ধেক ফল ছিল। কেননা নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সাথে এ মর্মে চুক্তি করে ছিলেন। উমার (রা) অর্ধেক ফল ও স্থাবর সম্পত্তির দাম নির্ধারিত করে উহা তাদেরকে দিয়ে দেন এবং তাদেরকে তথা হতে বহিষ্কার করেছিলেন।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার (রা) ফিদক ও নাজরান হতেও ইহুদী বিতাড়িত করেছিলেন। খায়বরের ইহুদীদের না কোন জায়গা ছিল, না কোন বাগান ছিল। ফিদকের ইহুদীদের স্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক ছিল এবং অর্ধেক ফল ছিল। কেননা নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সাথে এ মর্মে চুক্তি করে ছিলেন। উমার (রা) অর্ধেক ফল ও স্থাবর সম্পত্তির দাম নির্ধারিত করে উহা তাদেরকে দিয়ে দেন এবং তাদেরকে তথা হতে বহিষ্কার করেছিলেন।
قال مالك وقد أجلى عمر بن الخطاب يهود نجران وفدك فأما يهود خيبر فخرجوا منها ليس لهم من الثمر ولا من الأرض شيء وأما يهود فدك فكان لهم نصف الثمر ونصف الأرض لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان صالحهم على نصف الثمر ونصف الأرض فأقام لهم عمر نصف الثمر ونصف الأرض قيمة من ذهب وورق وإبل وحبال وأقتاب ثم أعطاهم القيمة وأجلاهم منها
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৯২
و حدثني عن مالك عن إسمعيل بن أبي حكيم أنه سمع عمر بن عبد العزيز يقول كان من آخر ما تكلم به رسول الله صلى الله عليه وسلم أن قال قاتل الله اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد لا يبقين دينان بأرض العرب
উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বশেষ কথা যা বলেছেন তাতে ছিল, قَاتَلَ اللهُ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ لَا يَبْقَيَنَّ دِينَانِ بِأَرْضِ الْعَرَبِ অর্থাৎ আল্লাহ্ তা‘আলা ইহুদী ও নাসারাদেরকে ধ্বংস করুন। তারা নিজেদের নবীদের কবরকে মসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। আরবের মাটিতে দুই ধর্ম একত্র হতে পারবে না। (বুখারী ৪৩৬, ৪৩৭, মুসলিম ৫২৯, ইমাম মুসলিম হাদীসটি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) (তারা কবরকে কেবলা বানিয়ে ঐদিকে নামায আদায় করত অর্থাৎ কবরকে সিজদা করত। ইসলামে এটা হারাম। প্রথম চার খলীফার যুগে আরব হতে সমস্ত কাফিরকে বের করে দেয়া হয়েছিল। আজ পর্যন্ত তথায় কেবল ইসলাম ধর্মই বিরাজমান)
উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বশেষ কথা যা বলেছেন তাতে ছিল, قَاتَلَ اللهُ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ لَا يَبْقَيَنَّ دِينَانِ بِأَرْضِ الْعَرَبِ অর্থাৎ আল্লাহ্ তা‘আলা ইহুদী ও নাসারাদেরকে ধ্বংস করুন। তারা নিজেদের নবীদের কবরকে মসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। আরবের মাটিতে দুই ধর্ম একত্র হতে পারবে না। (বুখারী ৪৩৬, ৪৩৭, মুসলিম ৫২৯, ইমাম মুসলিম হাদীসটি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) (তারা কবরকে কেবলা বানিয়ে ঐদিকে নামায আদায় করত অর্থাৎ কবরকে সিজদা করত। ইসলামে এটা হারাম। প্রথম চার খলীফার যুগে আরব হতে সমস্ত কাফিরকে বের করে দেয়া হয়েছিল। আজ পর্যন্ত তথায় কেবল ইসলাম ধর্মই বিরাজমান)
و حدثني عن مالك عن إسمعيل بن أبي حكيم أنه سمع عمر بن عبد العزيز يقول كان من آخر ما تكلم به رسول الله صلى الله عليه وسلم أن قال قاتل الله اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد لا يبقين دينان بأرض العرب