মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইচ্ছাকৃত হত্যায় ক্ষমা করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১

حدثني يحيى عن مالك أنه أدرك من يرضى من أهل العلم يقولون في الرجل إذا أوصى أن يعفى عن قاتله إذا قتل عمدا إن ذلك جائز له وأنه أولى بدمه من غيره من أوليائه من بعده قال مالك في الرجل يعفو عن قتل العمد بعد أن يستحقه ويجب له إنه ليس على القاتل عقل يلزمه إلا أن يكون الذي عفا عنه اشترط ذلك عند العفو عنه قال مالك في القاتل عمدا إذا عفي عنه أنه يجلد مائة جلدة ويسجن سنة قال مالك وإذا قتل الرجل عمدا وقامت على ذلك البينة وللمقتول بنون وبنات فعفا البنون وأبى البنات أن يعفون فعفو البنين جائز على البنات ولا أمر للبنات مع البنين في القيام بالدم والعفو عنه

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

কয়েকজন বিশিষ্ট আলিম হতে শ্রবণ করেছেন, তাঁরা বলতেন, যদি মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে নিহত ব্যক্তি হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দেয়, তবে এটা ইচ্ছাকৃত হত্যায় বৈধ হবে। কেননা ওয়ারিসদের চেয়ে নিহত ব্যক্তির নিজের রক্তের উপর অধিক অধিকার রয়েছে। মালিক (র) বলেন, যদি কোন ব্যক্তি হত্যাকারীকে তার ইচ্ছাকৃত হত্যা ক্ষমা করে দেয়, তবে হত্যাকারীর উপর দিয়াতের বোঝা থাকবে না। হ্যাঁ, যদি কিসাস ক্ষমা করে দিয়াত সাব্যস্ত করে নেয়, তবে তা ভিন্ন কথা। ইমাম মালিক (র) আরো বলেন, ইচ্ছাকৃত হত্যাকারীকে যদি নিহত ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে ক্ষমা করে দেয় তাহলে হত্যাকারীকে একশত বেত্রাঘাত করা হবে এবং এক বৎসর জেলখানায় বন্দি করে রাখা হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করা হয়, আর সাক্ষীদের দ্বারা হত্যা সাব্যস্তও হয় এবং নিহতের ছেলে ও মেয়ে থাকে, ছেলেরা তো ক্ষমা করে দেয়, কিন্তু মেয়েরা ক্ষমা না করে, তবে কোন অসুবিধা থাকবে না। খুন মাফ হয়ে যাবে। কেননা ছেলেরা থাকতে মেয়েরা ধর্তব্য নয়। ২৩২৩ - بَاب الْقِصَاصِ فِي الْجِرَاحِ পরিচ্ছেদঃ ২৩ ক্ষত করার কিসাস

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

কয়েকজন বিশিষ্ট আলিম হতে শ্রবণ করেছেন, তাঁরা বলতেন, যদি মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে নিহত ব্যক্তি হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দেয়, তবে এটা ইচ্ছাকৃত হত্যায় বৈধ হবে। কেননা ওয়ারিসদের চেয়ে নিহত ব্যক্তির নিজের রক্তের উপর অধিক অধিকার রয়েছে। মালিক (র) বলেন, যদি কোন ব্যক্তি হত্যাকারীকে তার ইচ্ছাকৃত হত্যা ক্ষমা করে দেয়, তবে হত্যাকারীর উপর দিয়াতের বোঝা থাকবে না। হ্যাঁ, যদি কিসাস ক্ষমা করে দিয়াত সাব্যস্ত করে নেয়, তবে তা ভিন্ন কথা। ইমাম মালিক (র) আরো বলেন, ইচ্ছাকৃত হত্যাকারীকে যদি নিহত ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে ক্ষমা করে দেয় তাহলে হত্যাকারীকে একশত বেত্রাঘাত করা হবে এবং এক বৎসর জেলখানায় বন্দি করে রাখা হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করা হয়, আর সাক্ষীদের দ্বারা হত্যা সাব্যস্তও হয় এবং নিহতের ছেলে ও মেয়ে থাকে, ছেলেরা তো ক্ষমা করে দেয়, কিন্তু মেয়েরা ক্ষমা না করে, তবে কোন অসুবিধা থাকবে না। খুন মাফ হয়ে যাবে। কেননা ছেলেরা থাকতে মেয়েরা ধর্তব্য নয়। ২৩২৩ - بَاب الْقِصَاصِ فِي الْجِرَاحِ পরিচ্ছেদঃ ২৩ ক্ষত করার কিসাস

حدثني يحيى عن مالك أنه أدرك من يرضى من أهل العلم يقولون في الرجل إذا أوصى أن يعفى عن قاتله إذا قتل عمدا إن ذلك جائز له وأنه أولى بدمه من غيره من أوليائه من بعده قال مالك في الرجل يعفو عن قتل العمد بعد أن يستحقه ويجب له إنه ليس على القاتل عقل يلزمه إلا أن يكون الذي عفا عنه اشترط ذلك عند العفو عنه قال مالك في القاتل عمدا إذا عفي عنه أنه يجلد مائة جلدة ويسجن سنة قال مالك وإذا قتل الرجل عمدا وقامت على ذلك البينة وللمقتول بنون وبنات فعفا البنون وأبى البنات أن يعفون فعفو البنين جائز على البنات ولا أمر للبنات مع البنين في القيام بالدم والعفو عنه


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ক্ষত করার কিসাস

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১

قال يحيى قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن من كسر يدا أو رجلا عمدا أنه يقاد منه ولا يعقل قال مالك ولا يقاد من أحد حتى تبرأ جراح صاحبه فيقاد منه فإن جاء جرح المستقاد منه مثل جرح الأول حين يصح فهو القود وإن زاد جرح المستقاد منه أو مات فليس على المجروح الأول المستقيد شيء وإن برأ جرح المستقاد منه وشل المجروح الأول أو برأت جراحه وبها عيب أو نقص أو عثل فإن المستقاد منه لا يكسر الثانية ولا يقاد بجرحه قال ولكنه يعقل له بقدر ما نقص من يد الأول أو فسد منها والجراح في الجسد على مثل ذلك قال مالك وإذا عمد الرجل إلى امرأته ففقأ عينها أو كسر يدها أو قطع إصبعها أو شبه ذلك متعمدا لذلك فإنها تقاد منه وأما الرجل يضرب امرأته بالحبل أو بالسوط فيصيبها من ضربه ما لم يرد ولم يتعمد فإنه يعقل ما أصاب منها على هذا الوجه ولا يقاد منه و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن أبا بكر بن محمد بن عمرو بن حزم أقاد من كسر الفخذ

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আমাদের কাছে সর্বসম্মত বিধান রয়েছে যে, যদি কোন ব্যক্তি কারো হাত অথবা পা ভেঙ্গে ফেলে, তবে তার উপর কিসাস ওয়াজিব হবে, দিয়াত নয়। মালিক (র) বলেন, সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত কিসাস নেয়া হবে না। এখন যদি ক্ষতকারীর যখমও ভাল হয়ে যাকে ক্ষত করা হয়েছে, তার মতো হয়ে যায় তবে ভালই, আর যদি যে ক্ষত করেছে তার ক্ষত বেড়ে যায় আর এই ক্ষতের কারণে তার মৃত্যু ঘটে, তবে যাকে যখম করা হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না। যদি ক্ষতকারীর ক্ষত একেবারে ভাল হয়ে যায় আর যাকে ক্ষত করা হয়েছে তার হাত একেবারে বেকার হয়ে যায় বা উহাতে অন্য কোন ত্রুটি থেকে যায়, তবে ক্ষত যে করেছে তার নিকট হতে দ্বিতীয়বার কিসাস নেয়া হবে না। হ্যাঁ, ক্ষতি অনুসারে দিয়াত নেয়া যেতে পারে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে স্বীয় স্ত্রীর চক্ষু নষ্ট করে ফেলে বা হাত ভেঙ্গে ফেলে বা অঙ্গুলি কেটে ফেলে তবে তার নিকট হতে কিসাস নেয়া হবে। যদি তাকে সতর্ক করার জন্য রশি অথবা কোড়া দ্বারা প্রহার করা হয় এবং অনিচ্ছায় কোন স্থানে লেগে ক্ষত কিংবা অন্য কোন ক্ষতি হল তবে দিয়াত ওয়াজিব হবে, কিসাস ওয়াজিব হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আমাদের কাছে সর্বসম্মত বিধান রয়েছে যে, যদি কোন ব্যক্তি কারো হাত অথবা পা ভেঙ্গে ফেলে, তবে তার উপর কিসাস ওয়াজিব হবে, দিয়াত নয়। মালিক (র) বলেন, সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত কিসাস নেয়া হবে না। এখন যদি ক্ষতকারীর যখমও ভাল হয়ে যাকে ক্ষত করা হয়েছে, তার মতো হয়ে যায় তবে ভালই, আর যদি যে ক্ষত করেছে তার ক্ষত বেড়ে যায় আর এই ক্ষতের কারণে তার মৃত্যু ঘটে, তবে যাকে যখম করা হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না। যদি ক্ষতকারীর ক্ষত একেবারে ভাল হয়ে যায় আর যাকে ক্ষত করা হয়েছে তার হাত একেবারে বেকার হয়ে যায় বা উহাতে অন্য কোন ত্রুটি থেকে যায়, তবে ক্ষত যে করেছে তার নিকট হতে দ্বিতীয়বার কিসাস নেয়া হবে না। হ্যাঁ, ক্ষতি অনুসারে দিয়াত নেয়া যেতে পারে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে স্বীয় স্ত্রীর চক্ষু নষ্ট করে ফেলে বা হাত ভেঙ্গে ফেলে বা অঙ্গুলি কেটে ফেলে তবে তার নিকট হতে কিসাস নেয়া হবে। যদি তাকে সতর্ক করার জন্য রশি অথবা কোড়া দ্বারা প্রহার করা হয় এবং অনিচ্ছায় কোন স্থানে লেগে ক্ষত কিংবা অন্য কোন ক্ষতি হল তবে দিয়াত ওয়াজিব হবে, কিসাস ওয়াজিব হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

قال يحيى قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن من كسر يدا أو رجلا عمدا أنه يقاد منه ولا يعقل قال مالك ولا يقاد من أحد حتى تبرأ جراح صاحبه فيقاد منه فإن جاء جرح المستقاد منه مثل جرح الأول حين يصح فهو القود وإن زاد جرح المستقاد منه أو مات فليس على المجروح الأول المستقيد شيء وإن برأ جرح المستقاد منه وشل المجروح الأول أو برأت جراحه وبها عيب أو نقص أو عثل فإن المستقاد منه لا يكسر الثانية ولا يقاد بجرحه قال ولكنه يعقل له بقدر ما نقص من يد الأول أو فسد منها والجراح في الجسد على مثل ذلك قال مالك وإذا عمد الرجل إلى امرأته ففقأ عينها أو كسر يدها أو قطع إصبعها أو شبه ذلك متعمدا لذلك فإنها تقاد منه وأما الرجل يضرب امرأته بالحبل أو بالسوط فيصيبها من ضربه ما لم يرد ولم يتعمد فإنه يعقل ما أصاب منها على هذا الوجه ولا يقاد منه و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن أبا بكر بن محمد بن عمرو بن حزم أقاد من كسر الفخذ


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সায়িবার [১] অপরাধ ও তার দিয়াত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৭৩

حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن سليمان بن يسار أن سائبة أعتقه بعض الحجاج فقتل ابن رجل من بني عائذ فجاء العائذي أبو المقتول إلى عمر بن الخطاب يطلب دية ابنه فقال عمر لا دية له فقال العائذي أرأيت لو قتله ابني فقال عمر إذا تخرجون ديته فقال هو إذا كالأرقم إن يترك يلقم وإن يقتل ينقم

সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

এক সায়িবা যাকে কোন হাজী মুক্ত করে দিয়েছিল- অতঃপর সে বনী আয়েযের এক ব্যক্তিকে হত্যা করল। নিহতের পিতা স্বীয় সন্তানের দিয়াত চাইবার জন্য উমার (রা)-এর কাছে এল। তিনি বললেন, উহার দিয়াত নেই। সে ব্যক্তি বলল, যদি আমার ছেলে ঐ সায়িবাকে হত্যা করত, তবে কি হত ? উমার (রা) বললেন, তা হলে তোমাকে তার দিয়াত আদায় করতে হত। সে ব্যক্তি বলল, এক বিষধর সর্প, যদি ছেড়ে দাও, তবে দংশন করবে আর যদি মেরে ফেল তবে বদলা দিতে হবে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

এক সায়িবা যাকে কোন হাজী মুক্ত করে দিয়েছিল- অতঃপর সে বনী আয়েযের এক ব্যক্তিকে হত্যা করল। নিহতের পিতা স্বীয় সন্তানের দিয়াত চাইবার জন্য উমার (রা)-এর কাছে এল। তিনি বললেন, উহার দিয়াত নেই। সে ব্যক্তি বলল, যদি আমার ছেলে ঐ সায়িবাকে হত্যা করত, তবে কি হত ? উমার (রা) বললেন, তা হলে তোমাকে তার দিয়াত আদায় করতে হত। সে ব্যক্তি বলল, এক বিষধর সর্প, যদি ছেড়ে দাও, তবে দংশন করবে আর যদি মেরে ফেল তবে বদলা দিতে হবে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن سليمان بن يسار أن سائبة أعتقه بعض الحجاج فقتل ابن رجل من بني عائذ فجاء العائذي أبو المقتول إلى عمر بن الخطاب يطلب دية ابنه فقال عمر لا دية له فقال العائذي أرأيت لو قتله ابني فقال عمر إذا تخرجون ديته فقال هو إذا كالأرقم إن يترك يلقم وإن يقتل ينقم


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00