মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইচ্ছাকৃত হত্যায় যা ওয়াজিব হয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৭২

و حدثني يحيى عن مالك عن عمر بن حسين مولى عائشة بنت قدامة أن عبد الملك بن مروان أقاد ولي رجل من رجل قتله بعصا فقتله وليه بعصا قال مالك والأمر المجتمع عليه الذي لا اختلاف فيه عندنا أن الرجل إذا ضرب الرجل بعصا أو رماه بحجر أو ضربه عمدا فمات من ذلك فإن ذلك هو العمد وفيه القصاص قال مالك فقتل العمد عندنا أن يعمد الرجل إلى الرجل فيضربه حتى تفيظ نفسه ومن العمد أيضا أن يضرب الرجل الرجل في النائرة تكون بينهما ثم ينصرف عنه وهو حي فينزى في ضربه فيموت فتكون في ذلك القسامة قال مالك الأمر عندنا أنه يقتل في العمد الرجال الأحرار بالرجل الحر الواحد والنساء بالمرأة كذلك والعبيد بالعبد كذلك

আয়িশা বিনতি মুদামার আযাদকৃত দাস উমার ইবনু হুসাইন (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তিকে একটি কাঠের আঘাতে হত্যা করল। আবদুল মালিক ইব্নু মারওয়ান (র) তাকে নিহত ব্যক্তির ওলীর (অভিভাবকের) কাছে সোপর্দ করলেন। সেও তাকে কাঠের আঘাতে হত্যা করল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এটা একটি সর্বসম্মত বিধান যে, যদি কোন ব্যক্তি কাউকেও কাঠ অথবা পাথর দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে আর ঐ ব্যক্তি তাতে নিহত হয়, তবে কিসাস নেওয়া হবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে ইচ্ছাকৃত হত্যা এই যে, কেউ কাউকে ইচ্ছা করে এত মারে যে, তাতে তার প্রাণ বের হয়ে যায়। আর ইচ্ছাকৃত হত্যার এক প্রকার ইহাও যে কারো সাথে শত্রুতাবশত তাকে একটা আঘাত লাগাল, ফলে ঐ ব্যক্তি তখনকার মতো জীবিত থাকলেও পরে দেখা গেল ঐ আঘাতেই তার প্রাণ বের হয়ে গিয়েছে। এতে কাসামা নেওয়া ওয়াজিব হবে। মালিক (র) বলেন, ইচ্ছাকৃত একজন স্বাধীন ব্যক্তি হত্যার দায়ে একাধিক স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা করা যাবে, যদি তারা সকলেই এ আঘাতে শরীক থাকে। স্ত্রীদের ও দাসদেরও এই একই হুকুম।

আয়িশা বিনতি মুদামার আযাদকৃত দাস উমার ইবনু হুসাইন (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তিকে একটি কাঠের আঘাতে হত্যা করল। আবদুল মালিক ইব্নু মারওয়ান (র) তাকে নিহত ব্যক্তির ওলীর (অভিভাবকের) কাছে সোপর্দ করলেন। সেও তাকে কাঠের আঘাতে হত্যা করল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এটা একটি সর্বসম্মত বিধান যে, যদি কোন ব্যক্তি কাউকেও কাঠ অথবা পাথর দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে আর ঐ ব্যক্তি তাতে নিহত হয়, তবে কিসাস নেওয়া হবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে ইচ্ছাকৃত হত্যা এই যে, কেউ কাউকে ইচ্ছা করে এত মারে যে, তাতে তার প্রাণ বের হয়ে যায়। আর ইচ্ছাকৃত হত্যার এক প্রকার ইহাও যে কারো সাথে শত্রুতাবশত তাকে একটা আঘাত লাগাল, ফলে ঐ ব্যক্তি তখনকার মতো জীবিত থাকলেও পরে দেখা গেল ঐ আঘাতেই তার প্রাণ বের হয়ে গিয়েছে। এতে কাসামা নেওয়া ওয়াজিব হবে। মালিক (র) বলেন, ইচ্ছাকৃত একজন স্বাধীন ব্যক্তি হত্যার দায়ে একাধিক স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা করা যাবে, যদি তারা সকলেই এ আঘাতে শরীক থাকে। স্ত্রীদের ও দাসদেরও এই একই হুকুম।

و حدثني يحيى عن مالك عن عمر بن حسين مولى عائشة بنت قدامة أن عبد الملك بن مروان أقاد ولي رجل من رجل قتله بعصا فقتله وليه بعصا قال مالك والأمر المجتمع عليه الذي لا اختلاف فيه عندنا أن الرجل إذا ضرب الرجل بعصا أو رماه بحجر أو ضربه عمدا فمات من ذلك فإن ذلك هو العمد وفيه القصاص قال مالك فقتل العمد عندنا أن يعمد الرجل إلى الرجل فيضربه حتى تفيظ نفسه ومن العمد أيضا أن يضرب الرجل الرجل في النائرة تكون بينهما ثم ينصرف عنه وهو حي فينزى في ضربه فيموت فتكون في ذلك القسامة قال مالك الأمر عندنا أنه يقتل في العمد الرجال الأحرار بالرجل الحر الواحد والنساء بالمرأة كذلك والعبيد بالعبد كذلك


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > হত্যার কিসাস প্রসঙ্গে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن مروان بن الحكم كتب إلى معاوية بن أبي سفيان يذكر أنه أتي بسكران قد قتل رجلا فكتب إليه معاوية أن اقتله به قال يحيى قال مالك أحسن ما سمعت في تأويل هذه الآية قول الله تبارك وتعالى { الحر بالحر والعبد بالعبد } فهؤلاء الذكور { والأنثى بالأنثى } أن القصاص يكون بين الإناث كما يكون بين الذكور والمرأة الحرة تقتل بالمرأة الحرة كما يقتل الحر بالحر والأمة تقتل بالأمة كما يقتل العبد بالعبد والقصاص يكون بين النساء كما يكون بين الرجال والقصاص أيضا يكون بين الرجال والنساء وذلك أن الله تبارك وتعالى قال في كتابه { وكتبنا عليهم فيها أن النفس بالنفس والعين بالعين والأنف بالأنف والأذن بالأذن والسن بالسن والجروح قصاص } فذكر الله تبارك وتعالى { أن النفس بالنفس } فنفس المرأة الحرة بنفس الرجل الحر وجرحها بجرحه قال مالك في الرجل يمسك الرجل للرجل فيضربه فيموت مكانه أنه إن أمسكه وهو يرى أنه يريد قتله قتلا به جميعا وإن أمسكه وهو يرى أنه إنما يريد الضرب مما يضرب به الناس لا يرى أنه عمد لقتله فإنه يقتل القاتل ويعاقب الممسك أشد العقوبة ويسجن سنة لأنه أمسكه ولا يكون عليه القتل قال مالك في الرجل يقتل الرجل عمدا أو يفقأ عينه عمدا فيقتل القاتل أو تفقأ عين الفاقئ قبل أن يقتص منه أنه ليس عليه دية ولا قصاص وإنما كان حق الذي قتل أو فقئت عينه في الشيء بالذي ذهب وإنما ذلك بمنزلة الرجل يقتل الرجل عمدا ثم يموت القاتل فلا يكون لصاحب الدم إذا مات القاتل شيء دية ولا غيرها وذلك لقول الله تبارك وتعالى { كتب عليكم القصاص في القتلى الحر بالحر والعبد بالعبد } قال مالك فإنما يكون له القصاص على صاحبه الذي قتله وإذا هلك قاتله الذي قتله فليس له قصاص ولا دية قال مالك ليس بين الحر والعبد قود في شيء من الجراح والعبد يقتل بالحر إذا قتله عمدا ولا يقتل الحر بالعبد وإن قتله عمدا وهو أحسن ما سمعت

মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ

মারওয়ান ইব্নু হাকাম (র) মুয়াবিয়া ইব্নু আবি সুফয়ান (রা)-এর কাছে লিখলেন, এক ব্যক্তি মাতাল অবস্থায় কাউকে হত্যা করল। মুয়াবিয়া (রা) তাকে লিখলেন, তুমিও তাকে হত্যা কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, الْحُرُّ بِالْحُرِّ وَالْعَبْدُ بِالْعَبْدِ وَالْأُنْثَى بِالْأُنْثَى এই আয়াতের তফসীরে আমি যা শুনেছি তা এই, এই আয়াতে আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেন, স্বাধীনের পরিবর্তে স্বাধীন ব্যক্তিকে, দাসের পরিবর্তে দাসকে স্ত্রীলোকের পরিবর্তে স্ত্রীলোককে হত্যা করা হবে। অতএব স্ত্রীদের মধ্যেও পুরুষদের মতো কিসাস নেওয়া হবে। কেননা আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেন, وَكَتَبْنَا عَلَيْهِمْ فِيهَا أَنَّ النَّفْسَ بِالنَّفْسِ وَالْعَيْنَ بِالْعَيْنِ وَالْأَنْفَ بِالْأَنْفِ وَالْأُذُنَ بِالْأُذُنِ وَالسِّنَّ بِالسِّنِّ وَالْجُرُوحَ قِصَاصٌ অর্থাৎ প্রাণের পরিবর্তে প্রাণ, চক্ষুর পরিবর্তে চক্ষু, নাকের পরিবর্তে নাক, কানের পরিবর্তে কান, দাঁতের পরিবর্তে দাঁত, ক্ষতের পরিবর্তে ক্ষত। অতএব, পুরুষের পরিবর্তে স্ত্রী এবং স্ত্রীর পরিবর্তে পুরুষ হত্যা করা হবে। এইরূপ যখন একে অন্যকে যখম করে তখনও কিসাস নেওয়া হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ কাউকে ধরে রাখে আর দ্বিতীয় ব্যক্তি এসে তাকে হত্যা করে আর যদি সাব্যস্ত হয় যে, ঐ ব্যক্তিও তাকে হত্যা করার জন্য ধরেছিল, তবে এ নিহত ব্যক্তির পরিবর্তে উভয়কে হত্যা করতে হবে। যদি ঐ ব্যক্তি তাকে মেরে ফেলার জন্য না ধরে থাকে, বরং তার ইচ্ছা ছিল দ্বিতীয় ব্যক্তি যাকে সে ধরেছে তাকে সাধারণভাবে প্রহার করবে, তবে এই অবস্থায় এই ব্যক্তি হত্যার পরিবর্তে কঠিন শাস্তির উপযুক্ত হবে। আর শাস্তির পর এক বৎসর বন্দী থাকবে। আর হত্যাকারীকে হত্যা করা হবে। মালিক (র) বলেন, এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তিকে ইচ্ছা করে হত্যা করল অথবা তার চক্ষু নষ্ট করে ফেলল। এখন হত্যাকারী হতে কিসাস নেয়ার পূর্বেই তাকে অন্য এক ব্যক্তি হত্যা করে বসল বা তার চক্ষু নষ্ট করে দিল; এই অবস্থায় তার উপর দিয়াত বা কিসাস কিছুই বর্তাবে না। কেননা যাকে হত্যা করা হয়েছিল তার হক ছিল হত্যাকারীর প্রাণে বা চক্ষুতে। এখন হত্যাকারী ব্যক্তিও নেই, তার চক্ষুও নেই। এর উপমা এইরূপ, যেমন যদি এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তিকে ইচ্ছা করে হত্যা করে আর হত্যাকারী নিজেই মরে যায় এখন হত্যাকাণ্ডে মৃত ব্যক্তির ওয়ারিসদের কিছুই মিলবে না। কেননা যখন হত্যাকারীই মরে গেল, এখন না কিসাস রইল, না দিয়াত। মালিক (র) বলেন, যদি কোন দাস স্বেচ্ছায় স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা করে সেই দাসকে হত্যা করা হবে। যদি স্বাধীন ব্যক্তি কোন দাসকে স্বেচ্ছায় হত্যা করে, তবে স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা করা হবে না। [১]

মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ

মারওয়ান ইব্নু হাকাম (র) মুয়াবিয়া ইব্নু আবি সুফয়ান (রা)-এর কাছে লিখলেন, এক ব্যক্তি মাতাল অবস্থায় কাউকে হত্যা করল। মুয়াবিয়া (রা) তাকে লিখলেন, তুমিও তাকে হত্যা কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, الْحُرُّ بِالْحُرِّ وَالْعَبْدُ بِالْعَبْدِ وَالْأُنْثَى بِالْأُنْثَى এই আয়াতের তফসীরে আমি যা শুনেছি তা এই, এই আয়াতে আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেন, স্বাধীনের পরিবর্তে স্বাধীন ব্যক্তিকে, দাসের পরিবর্তে দাসকে স্ত্রীলোকের পরিবর্তে স্ত্রীলোককে হত্যা করা হবে। অতএব স্ত্রীদের মধ্যেও পুরুষদের মতো কিসাস নেওয়া হবে। কেননা আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেন, وَكَتَبْنَا عَلَيْهِمْ فِيهَا أَنَّ النَّفْسَ بِالنَّفْسِ وَالْعَيْنَ بِالْعَيْنِ وَالْأَنْفَ بِالْأَنْفِ وَالْأُذُنَ بِالْأُذُنِ وَالسِّنَّ بِالسِّنِّ وَالْجُرُوحَ قِصَاصٌ অর্থাৎ প্রাণের পরিবর্তে প্রাণ, চক্ষুর পরিবর্তে চক্ষু, নাকের পরিবর্তে নাক, কানের পরিবর্তে কান, দাঁতের পরিবর্তে দাঁত, ক্ষতের পরিবর্তে ক্ষত। অতএব, পুরুষের পরিবর্তে স্ত্রী এবং স্ত্রীর পরিবর্তে পুরুষ হত্যা করা হবে। এইরূপ যখন একে অন্যকে যখম করে তখনও কিসাস নেওয়া হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ কাউকে ধরে রাখে আর দ্বিতীয় ব্যক্তি এসে তাকে হত্যা করে আর যদি সাব্যস্ত হয় যে, ঐ ব্যক্তিও তাকে হত্যা করার জন্য ধরেছিল, তবে এ নিহত ব্যক্তির পরিবর্তে উভয়কে হত্যা করতে হবে। যদি ঐ ব্যক্তি তাকে মেরে ফেলার জন্য না ধরে থাকে, বরং তার ইচ্ছা ছিল দ্বিতীয় ব্যক্তি যাকে সে ধরেছে তাকে সাধারণভাবে প্রহার করবে, তবে এই অবস্থায় এই ব্যক্তি হত্যার পরিবর্তে কঠিন শাস্তির উপযুক্ত হবে। আর শাস্তির পর এক বৎসর বন্দী থাকবে। আর হত্যাকারীকে হত্যা করা হবে। মালিক (র) বলেন, এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তিকে ইচ্ছা করে হত্যা করল অথবা তার চক্ষু নষ্ট করে ফেলল। এখন হত্যাকারী হতে কিসাস নেয়ার পূর্বেই তাকে অন্য এক ব্যক্তি হত্যা করে বসল বা তার চক্ষু নষ্ট করে দিল; এই অবস্থায় তার উপর দিয়াত বা কিসাস কিছুই বর্তাবে না। কেননা যাকে হত্যা করা হয়েছিল তার হক ছিল হত্যাকারীর প্রাণে বা চক্ষুতে। এখন হত্যাকারী ব্যক্তিও নেই, তার চক্ষুও নেই। এর উপমা এইরূপ, যেমন যদি এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তিকে ইচ্ছা করে হত্যা করে আর হত্যাকারী নিজেই মরে যায় এখন হত্যাকাণ্ডে মৃত ব্যক্তির ওয়ারিসদের কিছুই মিলবে না। কেননা যখন হত্যাকারীই মরে গেল, এখন না কিসাস রইল, না দিয়াত। মালিক (র) বলেন, যদি কোন দাস স্বেচ্ছায় স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা করে সেই দাসকে হত্যা করা হবে। যদি স্বাধীন ব্যক্তি কোন দাসকে স্বেচ্ছায় হত্যা করে, তবে স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা করা হবে না। [১]

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن مروان بن الحكم كتب إلى معاوية بن أبي سفيان يذكر أنه أتي بسكران قد قتل رجلا فكتب إليه معاوية أن اقتله به قال يحيى قال مالك أحسن ما سمعت في تأويل هذه الآية قول الله تبارك وتعالى { الحر بالحر والعبد بالعبد } فهؤلاء الذكور { والأنثى بالأنثى } أن القصاص يكون بين الإناث كما يكون بين الذكور والمرأة الحرة تقتل بالمرأة الحرة كما يقتل الحر بالحر والأمة تقتل بالأمة كما يقتل العبد بالعبد والقصاص يكون بين النساء كما يكون بين الرجال والقصاص أيضا يكون بين الرجال والنساء وذلك أن الله تبارك وتعالى قال في كتابه { وكتبنا عليهم فيها أن النفس بالنفس والعين بالعين والأنف بالأنف والأذن بالأذن والسن بالسن والجروح قصاص } فذكر الله تبارك وتعالى { أن النفس بالنفس } فنفس المرأة الحرة بنفس الرجل الحر وجرحها بجرحه قال مالك في الرجل يمسك الرجل للرجل فيضربه فيموت مكانه أنه إن أمسكه وهو يرى أنه يريد قتله قتلا به جميعا وإن أمسكه وهو يرى أنه إنما يريد الضرب مما يضرب به الناس لا يرى أنه عمد لقتله فإنه يقتل القاتل ويعاقب الممسك أشد العقوبة ويسجن سنة لأنه أمسكه ولا يكون عليه القتل قال مالك في الرجل يقتل الرجل عمدا أو يفقأ عينه عمدا فيقتل القاتل أو تفقأ عين الفاقئ قبل أن يقتص منه أنه ليس عليه دية ولا قصاص وإنما كان حق الذي قتل أو فقئت عينه في الشيء بالذي ذهب وإنما ذلك بمنزلة الرجل يقتل الرجل عمدا ثم يموت القاتل فلا يكون لصاحب الدم إذا مات القاتل شيء دية ولا غيرها وذلك لقول الله تبارك وتعالى { كتب عليكم القصاص في القتلى الحر بالحر والعبد بالعبد } قال مالك فإنما يكون له القصاص على صاحبه الذي قتله وإذا هلك قاتله الذي قتله فليس له قصاص ولا دية قال مالك ليس بين الحر والعبد قود في شيء من الجراح والعبد يقتل بالحر إذا قتله عمدا ولا يقتل الحر بالعبد وإن قتله عمدا وهو أحسن ما سمعت


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইচ্ছাকৃত হত্যায় ক্ষমা করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১

حدثني يحيى عن مالك أنه أدرك من يرضى من أهل العلم يقولون في الرجل إذا أوصى أن يعفى عن قاتله إذا قتل عمدا إن ذلك جائز له وأنه أولى بدمه من غيره من أوليائه من بعده قال مالك في الرجل يعفو عن قتل العمد بعد أن يستحقه ويجب له إنه ليس على القاتل عقل يلزمه إلا أن يكون الذي عفا عنه اشترط ذلك عند العفو عنه قال مالك في القاتل عمدا إذا عفي عنه أنه يجلد مائة جلدة ويسجن سنة قال مالك وإذا قتل الرجل عمدا وقامت على ذلك البينة وللمقتول بنون وبنات فعفا البنون وأبى البنات أن يعفون فعفو البنين جائز على البنات ولا أمر للبنات مع البنين في القيام بالدم والعفو عنه

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

কয়েকজন বিশিষ্ট আলিম হতে শ্রবণ করেছেন, তাঁরা বলতেন, যদি মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে নিহত ব্যক্তি হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দেয়, তবে এটা ইচ্ছাকৃত হত্যায় বৈধ হবে। কেননা ওয়ারিসদের চেয়ে নিহত ব্যক্তির নিজের রক্তের উপর অধিক অধিকার রয়েছে। মালিক (র) বলেন, যদি কোন ব্যক্তি হত্যাকারীকে তার ইচ্ছাকৃত হত্যা ক্ষমা করে দেয়, তবে হত্যাকারীর উপর দিয়াতের বোঝা থাকবে না। হ্যাঁ, যদি কিসাস ক্ষমা করে দিয়াত সাব্যস্ত করে নেয়, তবে তা ভিন্ন কথা। ইমাম মালিক (র) আরো বলেন, ইচ্ছাকৃত হত্যাকারীকে যদি নিহত ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে ক্ষমা করে দেয় তাহলে হত্যাকারীকে একশত বেত্রাঘাত করা হবে এবং এক বৎসর জেলখানায় বন্দি করে রাখা হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করা হয়, আর সাক্ষীদের দ্বারা হত্যা সাব্যস্তও হয় এবং নিহতের ছেলে ও মেয়ে থাকে, ছেলেরা তো ক্ষমা করে দেয়, কিন্তু মেয়েরা ক্ষমা না করে, তবে কোন অসুবিধা থাকবে না। খুন মাফ হয়ে যাবে। কেননা ছেলেরা থাকতে মেয়েরা ধর্তব্য নয়। ২৩২৩ - بَاب الْقِصَاصِ فِي الْجِرَاحِ পরিচ্ছেদঃ ২৩ ক্ষত করার কিসাস

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

কয়েকজন বিশিষ্ট আলিম হতে শ্রবণ করেছেন, তাঁরা বলতেন, যদি মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে নিহত ব্যক্তি হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দেয়, তবে এটা ইচ্ছাকৃত হত্যায় বৈধ হবে। কেননা ওয়ারিসদের চেয়ে নিহত ব্যক্তির নিজের রক্তের উপর অধিক অধিকার রয়েছে। মালিক (র) বলেন, যদি কোন ব্যক্তি হত্যাকারীকে তার ইচ্ছাকৃত হত্যা ক্ষমা করে দেয়, তবে হত্যাকারীর উপর দিয়াতের বোঝা থাকবে না। হ্যাঁ, যদি কিসাস ক্ষমা করে দিয়াত সাব্যস্ত করে নেয়, তবে তা ভিন্ন কথা। ইমাম মালিক (র) আরো বলেন, ইচ্ছাকৃত হত্যাকারীকে যদি নিহত ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে ক্ষমা করে দেয় তাহলে হত্যাকারীকে একশত বেত্রাঘাত করা হবে এবং এক বৎসর জেলখানায় বন্দি করে রাখা হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করা হয়, আর সাক্ষীদের দ্বারা হত্যা সাব্যস্তও হয় এবং নিহতের ছেলে ও মেয়ে থাকে, ছেলেরা তো ক্ষমা করে দেয়, কিন্তু মেয়েরা ক্ষমা না করে, তবে কোন অসুবিধা থাকবে না। খুন মাফ হয়ে যাবে। কেননা ছেলেরা থাকতে মেয়েরা ধর্তব্য নয়। ২৩২৩ - بَاب الْقِصَاصِ فِي الْجِرَاحِ পরিচ্ছেদঃ ২৩ ক্ষত করার কিসাস

حدثني يحيى عن مالك أنه أدرك من يرضى من أهل العلم يقولون في الرجل إذا أوصى أن يعفى عن قاتله إذا قتل عمدا إن ذلك جائز له وأنه أولى بدمه من غيره من أوليائه من بعده قال مالك في الرجل يعفو عن قتل العمد بعد أن يستحقه ويجب له إنه ليس على القاتل عقل يلزمه إلا أن يكون الذي عفا عنه اشترط ذلك عند العفو عنه قال مالك في القاتل عمدا إذا عفي عنه أنه يجلد مائة جلدة ويسجن سنة قال مالك وإذا قتل الرجل عمدا وقامت على ذلك البينة وللمقتول بنون وبنات فعفا البنون وأبى البنات أن يعفون فعفو البنين جائز على البنات ولا أمر للبنات مع البنين في القيام بالدم والعفو عنه


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ক্ষত করার কিসাস

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১

قال يحيى قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن من كسر يدا أو رجلا عمدا أنه يقاد منه ولا يعقل قال مالك ولا يقاد من أحد حتى تبرأ جراح صاحبه فيقاد منه فإن جاء جرح المستقاد منه مثل جرح الأول حين يصح فهو القود وإن زاد جرح المستقاد منه أو مات فليس على المجروح الأول المستقيد شيء وإن برأ جرح المستقاد منه وشل المجروح الأول أو برأت جراحه وبها عيب أو نقص أو عثل فإن المستقاد منه لا يكسر الثانية ولا يقاد بجرحه قال ولكنه يعقل له بقدر ما نقص من يد الأول أو فسد منها والجراح في الجسد على مثل ذلك قال مالك وإذا عمد الرجل إلى امرأته ففقأ عينها أو كسر يدها أو قطع إصبعها أو شبه ذلك متعمدا لذلك فإنها تقاد منه وأما الرجل يضرب امرأته بالحبل أو بالسوط فيصيبها من ضربه ما لم يرد ولم يتعمد فإنه يعقل ما أصاب منها على هذا الوجه ولا يقاد منه و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن أبا بكر بن محمد بن عمرو بن حزم أقاد من كسر الفخذ

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আমাদের কাছে সর্বসম্মত বিধান রয়েছে যে, যদি কোন ব্যক্তি কারো হাত অথবা পা ভেঙ্গে ফেলে, তবে তার উপর কিসাস ওয়াজিব হবে, দিয়াত নয়। মালিক (র) বলেন, সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত কিসাস নেয়া হবে না। এখন যদি ক্ষতকারীর যখমও ভাল হয়ে যাকে ক্ষত করা হয়েছে, তার মতো হয়ে যায় তবে ভালই, আর যদি যে ক্ষত করেছে তার ক্ষত বেড়ে যায় আর এই ক্ষতের কারণে তার মৃত্যু ঘটে, তবে যাকে যখম করা হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না। যদি ক্ষতকারীর ক্ষত একেবারে ভাল হয়ে যায় আর যাকে ক্ষত করা হয়েছে তার হাত একেবারে বেকার হয়ে যায় বা উহাতে অন্য কোন ত্রুটি থেকে যায়, তবে ক্ষত যে করেছে তার নিকট হতে দ্বিতীয়বার কিসাস নেয়া হবে না। হ্যাঁ, ক্ষতি অনুসারে দিয়াত নেয়া যেতে পারে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে স্বীয় স্ত্রীর চক্ষু নষ্ট করে ফেলে বা হাত ভেঙ্গে ফেলে বা অঙ্গুলি কেটে ফেলে তবে তার নিকট হতে কিসাস নেয়া হবে। যদি তাকে সতর্ক করার জন্য রশি অথবা কোড়া দ্বারা প্রহার করা হয় এবং অনিচ্ছায় কোন স্থানে লেগে ক্ষত কিংবা অন্য কোন ক্ষতি হল তবে দিয়াত ওয়াজিব হবে, কিসাস ওয়াজিব হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আমাদের কাছে সর্বসম্মত বিধান রয়েছে যে, যদি কোন ব্যক্তি কারো হাত অথবা পা ভেঙ্গে ফেলে, তবে তার উপর কিসাস ওয়াজিব হবে, দিয়াত নয়। মালিক (র) বলেন, সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত কিসাস নেয়া হবে না। এখন যদি ক্ষতকারীর যখমও ভাল হয়ে যাকে ক্ষত করা হয়েছে, তার মতো হয়ে যায় তবে ভালই, আর যদি যে ক্ষত করেছে তার ক্ষত বেড়ে যায় আর এই ক্ষতের কারণে তার মৃত্যু ঘটে, তবে যাকে যখম করা হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না। যদি ক্ষতকারীর ক্ষত একেবারে ভাল হয়ে যায় আর যাকে ক্ষত করা হয়েছে তার হাত একেবারে বেকার হয়ে যায় বা উহাতে অন্য কোন ত্রুটি থেকে যায়, তবে ক্ষত যে করেছে তার নিকট হতে দ্বিতীয়বার কিসাস নেয়া হবে না। হ্যাঁ, ক্ষতি অনুসারে দিয়াত নেয়া যেতে পারে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে স্বীয় স্ত্রীর চক্ষু নষ্ট করে ফেলে বা হাত ভেঙ্গে ফেলে বা অঙ্গুলি কেটে ফেলে তবে তার নিকট হতে কিসাস নেয়া হবে। যদি তাকে সতর্ক করার জন্য রশি অথবা কোড়া দ্বারা প্রহার করা হয় এবং অনিচ্ছায় কোন স্থানে লেগে ক্ষত কিংবা অন্য কোন ক্ষতি হল তবে দিয়াত ওয়াজিব হবে, কিসাস ওয়াজিব হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

قال يحيى قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن من كسر يدا أو رجلا عمدا أنه يقاد منه ولا يعقل قال مالك ولا يقاد من أحد حتى تبرأ جراح صاحبه فيقاد منه فإن جاء جرح المستقاد منه مثل جرح الأول حين يصح فهو القود وإن زاد جرح المستقاد منه أو مات فليس على المجروح الأول المستقيد شيء وإن برأ جرح المستقاد منه وشل المجروح الأول أو برأت جراحه وبها عيب أو نقص أو عثل فإن المستقاد منه لا يكسر الثانية ولا يقاد بجرحه قال ولكنه يعقل له بقدر ما نقص من يد الأول أو فسد منها والجراح في الجسد على مثل ذلك قال مالك وإذا عمد الرجل إلى امرأته ففقأ عينها أو كسر يدها أو قطع إصبعها أو شبه ذلك متعمدا لذلك فإنها تقاد منه وأما الرجل يضرب امرأته بالحبل أو بالسوط فيصيبها من ضربه ما لم يرد ولم يتعمد فإنه يعقل ما أصاب منها على هذا الوجه ولا يقاد منه و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن أبا بكر بن محمد بن عمرو بن حزم أقاد من كسر الفخذ


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00