মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে সমস্ত কাজের দিয়াত হত্যাকারীর স্বীয় মাল হতে দিতে হয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يقول ليس على العاقلة عقل في قتل العمد إنما عليهم عقل قتل الخطإ و حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أنه قال مضت السنة أن العاقلة لا تحمل شيئا من دية العمد إلا أن يشاءوا ذلك و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد مثل ذلك قال مالك إن ابن شهاب قال مضت السنة في قتل العمد حين يعفو أولياء المقتول أن الدية تكون على القاتل في ماله خاصة إلا أن تعينه العاقلة عن طيب نفس منها قال مالك والأمر عندنا أن الدية لا تجب على العاقلة حتى تبلغ الثلث فصاعدا فما بلغ الثلث فهو على العاقلة وما كان دون الثلث فهو في مال الجارح خاصة قال مالك الأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا فيمن قبلت منه الدية في قتل العمد أو في شيء من الجراح التي فيها القصاص أن عقل ذلك لا يكون على العاقلة إلا أن يشاءوا وإنما عقل ذلك في مال القاتل أو الجارح خاصة إن وجد له مال فإن لم يوجد له مال كان دينا عليه وليس على العاقلة منه شيء إلا أن يشاءوا قال مالك ولا تعقل العاقلة أحدا أصاب نفسه عمدا أو خطأ بشيء وعلى ذلك رأي أهل الفقه عندنا ولم أسمع أن أحدا ضمن العاقلة من دية العمد شيئا ومما يعرف به ذلك أن الله تبارك وتعالى قال في كتابه { فمن عفي له من أخيه شيء فاتباع بالمعروف وأداء إليه بإحسان } فتفسير ذلك فيما نرى والله أعلم أنه من أعطي من أخيه شيء من العقل فليتبعه بالمعروف وليؤد إليه بإحسان قال مالك في الصبي الذي لا مال له والمرأة التي لا مال لها إذا جنى أحدهما جناية دون الثلث إنه ضامن على الصبي والمرأة في مالهما خاصة إن كان لهما مال أخذ منه وإلا فجناية كل واحد منهم دين عليه ليس على العاقلة منه شيء ولا يؤخذ أبو الصبي بعقل جناية الصبي وليس ذلك عليه قال مالك الأمر عندنا الذي لا اختلاف فيه أن العبد إذا قتل كانت فيه القيمة يوم يقتل ولا تحمل عاقلة قاتله من قيمة العبد شيئا قل أو كثر وإنما ذلك على الذي أصابه في ماله خاصة بالغا ما بلغ وإن كانت قيمة العبد الدية أو أكثر فذلك عليه في ماله وذلك لأن العبد سلعة من السلع اااا

হিশাম ইবনু উরওয়া (র) তদীয় পিতা উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলতেন, ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যার দিয়াত উত্তরাধিকারীদের উপর বর্তাবে না (হত্যাকারীর নিজের উপর বর্তাবে)। ভুলক্রমে হত্যার দিয়াত উত্তরাধিকারীদের উপর বর্তাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইবনু শিহাব (র) বলেছেন, নিয়ম হল যে, উত্তরাধিকারীদের উপর ইচ্ছাকৃত হত্যার বোঝা চাপানো যাবে না। হ্যাঁ, যখন তারা স্বেচ্ছায় দিতে ইচ্ছা করে তবে দিতে পারবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র)-ও এরূপ বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ইব্নু শিহাব (র) বলতেন, সুন্নত এটাই যে, যখন নিহত ব্যক্তির ওয়ারিস ইচ্ছাকৃত হত্যার কিসাস মাফ করে দেয় এবং দিয়াত নিতে ইচ্ছা করে, তখন ঐ দিয়াত হত্যাকারীর মাল হতে নেয়া হবে। উত্তরাধিকারীদের উপর পড়বে না, তবে যদি তারা স্বেচ্ছায় দিতে রাযী হ্‌ তাহলে পারবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট এই বিধান রয়েছে যে, যদি দিয়াত ১/৩ হয় বা তদূর্ধ্বে হয়, তবে উত্তরাধিকারীদের হতে নেয়া হবে, আর যদি দিয়াত ১/৩ হতে কম হয়, তবে হত্যাকারীর মাল হতে নেয়া হবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এই বিধান সর্বসম্মত যে, ইচ্ছাকৃত হত্যার বা অন্য কোন ক্ষত করায় যাতে কিসাস অনিবার্য হয়, যদি দিয়াত নিতে স্বীকার করে নেয়া হয়, তবে উহা হত্যাকারীর বা ক্ষমাকারীর উপরই বর্তাবে, ওয়ারিসদের উপর বর্তাবে না। যদি তার কাছে মাল থাকে, তা না হলে তার উপর কিসাস থেকে যাবে। হ্যাঁ, যদি ওয়ারিসগণ স্বেচ্ছায় দিতে রাযী হয় তবে দিতে পারে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে নিজেকে ক্ষত করে দেয়, তবে তার দিয়াত ওয়ারিসকে দিতে হবে না। আমি কাউকেও ইচ্ছাকৃত হত্যার দিয়াত ওয়ারিসদের দ্বারা দেয়াতে শুনিনি। কেননা আল্লাহ তা‘আলা ইচ্ছাকৃত হত্যার ব্যাপারে বলেছেন فَمَنْ عُفِيَ لَهُ مِنْ أَخِيهِ شَيْءٌ فَاتِّبَاعٌ بِالْمَعْرُوفِ وَأَدَاءٌ إِلَيْهِ بِإِحْسَانٍ এর তফসীর আমাদের মতে এই- আল্লাহ্ সর্বজ্ঞাত, যার ভাই কিছু ক্ষমা করে দেয় (কিসাস না নেয়) তবে নিয়ম মতো তার অনুসরণ করা উচিত। আর দিয়াত ভালভাবে আদায় করা উচিত (বোঝা গেল, হত্যাকারীর উচিত উত্তম ভাবে আদায় করা)। মালিক (র) বলেন, যে শিশু ও মহিলার কাছে কোন মাল নেই, সে যদি এমন কোন অপরাধ করে বসে যাতে এক-তৃতীয়াংশের কম দিয়াত ওয়াজিব হয়, তবে দিয়াত তাদের মালের উপর হবে এবং তাদের উপর উহা ফরয থেকে যাবে। এমতাবস্থায় কোন ওয়ারিস বা পিতার উপর দিয়াত আসবে না। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মত বিধান এই যে, গোলামকে যখন হত্যা করা হয়, তখন হত্যার দিনে তার যে মূল্য তা দিতে হবে। হত্যাকারীর ওয়ারিসদের উপর কিছু হবে না। হত্যাকারীর নিজস্ব মাল হতে দিয়াত আদায় করতে হবে, যদিও ঐ দাসের মূল্য দিয়াত হতে অধিক হয়। কেননা দাস পণ্য সমূহের মধ্যে একটি পণ্য।

হিশাম ইবনু উরওয়া (র) তদীয় পিতা উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলতেন, ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যার দিয়াত উত্তরাধিকারীদের উপর বর্তাবে না (হত্যাকারীর নিজের উপর বর্তাবে)। ভুলক্রমে হত্যার দিয়াত উত্তরাধিকারীদের উপর বর্তাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইবনু শিহাব (র) বলেছেন, নিয়ম হল যে, উত্তরাধিকারীদের উপর ইচ্ছাকৃত হত্যার বোঝা চাপানো যাবে না। হ্যাঁ, যখন তারা স্বেচ্ছায় দিতে ইচ্ছা করে তবে দিতে পারবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র)-ও এরূপ বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ইব্নু শিহাব (র) বলতেন, সুন্নত এটাই যে, যখন নিহত ব্যক্তির ওয়ারিস ইচ্ছাকৃত হত্যার কিসাস মাফ করে দেয় এবং দিয়াত নিতে ইচ্ছা করে, তখন ঐ দিয়াত হত্যাকারীর মাল হতে নেয়া হবে। উত্তরাধিকারীদের উপর পড়বে না, তবে যদি তারা স্বেচ্ছায় দিতে রাযী হ্‌ তাহলে পারবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট এই বিধান রয়েছে যে, যদি দিয়াত ১/৩ হয় বা তদূর্ধ্বে হয়, তবে উত্তরাধিকারীদের হতে নেয়া হবে, আর যদি দিয়াত ১/৩ হতে কম হয়, তবে হত্যাকারীর মাল হতে নেয়া হবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এই বিধান সর্বসম্মত যে, ইচ্ছাকৃত হত্যার বা অন্য কোন ক্ষত করায় যাতে কিসাস অনিবার্য হয়, যদি দিয়াত নিতে স্বীকার করে নেয়া হয়, তবে উহা হত্যাকারীর বা ক্ষমাকারীর উপরই বর্তাবে, ওয়ারিসদের উপর বর্তাবে না। যদি তার কাছে মাল থাকে, তা না হলে তার উপর কিসাস থেকে যাবে। হ্যাঁ, যদি ওয়ারিসগণ স্বেচ্ছায় দিতে রাযী হয় তবে দিতে পারে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে নিজেকে ক্ষত করে দেয়, তবে তার দিয়াত ওয়ারিসকে দিতে হবে না। আমি কাউকেও ইচ্ছাকৃত হত্যার দিয়াত ওয়ারিসদের দ্বারা দেয়াতে শুনিনি। কেননা আল্লাহ তা‘আলা ইচ্ছাকৃত হত্যার ব্যাপারে বলেছেন فَمَنْ عُفِيَ لَهُ مِنْ أَخِيهِ شَيْءٌ فَاتِّبَاعٌ بِالْمَعْرُوفِ وَأَدَاءٌ إِلَيْهِ بِإِحْسَانٍ এর তফসীর আমাদের মতে এই- আল্লাহ্ সর্বজ্ঞাত, যার ভাই কিছু ক্ষমা করে দেয় (কিসাস না নেয়) তবে নিয়ম মতো তার অনুসরণ করা উচিত। আর দিয়াত ভালভাবে আদায় করা উচিত (বোঝা গেল, হত্যাকারীর উচিত উত্তম ভাবে আদায় করা)। মালিক (র) বলেন, যে শিশু ও মহিলার কাছে কোন মাল নেই, সে যদি এমন কোন অপরাধ করে বসে যাতে এক-তৃতীয়াংশের কম দিয়াত ওয়াজিব হয়, তবে দিয়াত তাদের মালের উপর হবে এবং তাদের উপর উহা ফরয থেকে যাবে। এমতাবস্থায় কোন ওয়ারিস বা পিতার উপর দিয়াত আসবে না। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মত বিধান এই যে, গোলামকে যখন হত্যা করা হয়, তখন হত্যার দিনে তার যে মূল্য তা দিতে হবে। হত্যাকারীর ওয়ারিসদের উপর কিছু হবে না। হত্যাকারীর নিজস্ব মাল হতে দিয়াত আদায় করতে হবে, যদিও ঐ দাসের মূল্য দিয়াত হতে অধিক হয়। কেননা দাস পণ্য সমূহের মধ্যে একটি পণ্য।

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يقول ليس على العاقلة عقل في قتل العمد إنما عليهم عقل قتل الخطإ و حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أنه قال مضت السنة أن العاقلة لا تحمل شيئا من دية العمد إلا أن يشاءوا ذلك و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد مثل ذلك قال مالك إن ابن شهاب قال مضت السنة في قتل العمد حين يعفو أولياء المقتول أن الدية تكون على القاتل في ماله خاصة إلا أن تعينه العاقلة عن طيب نفس منها قال مالك والأمر عندنا أن الدية لا تجب على العاقلة حتى تبلغ الثلث فصاعدا فما بلغ الثلث فهو على العاقلة وما كان دون الثلث فهو في مال الجارح خاصة قال مالك الأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا فيمن قبلت منه الدية في قتل العمد أو في شيء من الجراح التي فيها القصاص أن عقل ذلك لا يكون على العاقلة إلا أن يشاءوا وإنما عقل ذلك في مال القاتل أو الجارح خاصة إن وجد له مال فإن لم يوجد له مال كان دينا عليه وليس على العاقلة منه شيء إلا أن يشاءوا قال مالك ولا تعقل العاقلة أحدا أصاب نفسه عمدا أو خطأ بشيء وعلى ذلك رأي أهل الفقه عندنا ولم أسمع أن أحدا ضمن العاقلة من دية العمد شيئا ومما يعرف به ذلك أن الله تبارك وتعالى قال في كتابه { فمن عفي له من أخيه شيء فاتباع بالمعروف وأداء إليه بإحسان } فتفسير ذلك فيما نرى والله أعلم أنه من أعطي من أخيه شيء من العقل فليتبعه بالمعروف وليؤد إليه بإحسان قال مالك في الصبي الذي لا مال له والمرأة التي لا مال لها إذا جنى أحدهما جناية دون الثلث إنه ضامن على الصبي والمرأة في مالهما خاصة إن كان لهما مال أخذ منه وإلا فجناية كل واحد منهم دين عليه ليس على العاقلة منه شيء ولا يؤخذ أبو الصبي بعقل جناية الصبي وليس ذلك عليه قال مالك الأمر عندنا الذي لا اختلاف فيه أن العبد إذا قتل كانت فيه القيمة يوم يقتل ولا تحمل عاقلة قاتله من قيمة العبد شيئا قل أو كثر وإنما ذلك على الذي أصابه في ماله خاصة بالغا ما بلغ وإن كانت قيمة العبد الدية أو أكثر فذلك عليه في ماله وذلك لأن العبد سلعة من السلع اااا


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দিয়াত হতে মীরাস দেয়া এবং উহাতে কাঠিন্য করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৬৬

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أن عمر بن الخطاب نشد الناس بمنى من كان عنده علم من الدية أن يخبرني فقام الضحاك بن سفيان الكلابي فقال كتب إلي رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أورث امرأة أشيم الضبابي من دية زوجها فقال له عمر بن الخطاب ادخل الخباء حتى آتيك فلما نزل عمر بن الخطاب أخبره الضحاك فقضى بذلك عمر بن الخطاب قال ابن شهاب وكان قتل أشيم خطأ

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইব্নু খাত্তার (রা) মিনার দিন লোকদেরকে ডেকে বললেন দিয়াতের ব্যাপারে যার যা কিছু জানা আছে, সে যেন আমাকে তা বলে। ইত্যবসরে যাহহাকে ইব্নু সুফিয়ান (রা) দাঁড়িয়ে বললেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে লিখেছেন যে, আমি যেন আশইয়াম যবাবীর স্ত্রীকে তার স্বামীর দিয়াত হতে মীরাস দেই। উমার (রা) বললেন, তুমি আমার আসা পর্যন্ত তাঁবুতে অপেক্ষা কর। উমার (রা) এলে যাহহাক তাই বললেন। অতঃপর উমার (রা) এই আদেশই জারি করলেন। ইব্নু শিহাব বলেন, আশইয়াম ভুলে নিহত হয়েছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইব্নু খাত্তার (রা) মিনার দিন লোকদেরকে ডেকে বললেন দিয়াতের ব্যাপারে যার যা কিছু জানা আছে, সে যেন আমাকে তা বলে। ইত্যবসরে যাহহাকে ইব্নু সুফিয়ান (রা) দাঁড়িয়ে বললেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে লিখেছেন যে, আমি যেন আশইয়াম যবাবীর স্ত্রীকে তার স্বামীর দিয়াত হতে মীরাস দেই। উমার (রা) বললেন, তুমি আমার আসা পর্যন্ত তাঁবুতে অপেক্ষা কর। উমার (রা) এলে যাহহাক তাই বললেন। অতঃপর উমার (রা) এই আদেশই জারি করলেন। ইব্নু শিহাব বলেন, আশইয়াম ভুলে নিহত হয়েছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أن عمر بن الخطاب نشد الناس بمنى من كان عنده علم من الدية أن يخبرني فقام الضحاك بن سفيان الكلابي فقال كتب إلي رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أورث امرأة أشيم الضبابي من دية زوجها فقال له عمر بن الخطاب ادخل الخباء حتى آتيك فلما نزل عمر بن الخطاب أخبره الضحاك فقضى بذلك عمر بن الخطاب قال ابن شهاب وكان قتل أشيم خطأ


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৬৭

و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد عن عمرو بن شعيب أن رجلا من بني مدلج يقال له قتادة حذف ابنه بالسيف فأصاب ساقه فنزي في جرحه فمات فقدم سراقة بن جعشم على عمر بن الخطاب فذكر ذلك له فقال له عمر اعدد على ماء قديد عشرين ومائة بعير حتى أقدم عليك فلما قدم إليه عمر بن الخطاب أخذ من تلك الإبل ثلاثين حقة وثلاثين جذعة وأربعين خلفة ثم قال أين أخو المقتول قال هأنذا قال خذها فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليس لقاتل شيء و حدثني مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار سئلا أتغلظ الدية في الشهر الحرام فقالا لا ولكن يزاد فيها للحرمة فقيل لسعيد هل يزاد في الجراح كما يزاد في النفس فقال نعم قال مالك أراهما أرادا مثل الذي صنع عمر بن الخطاب في عقل المدلجي حين أصاب ابنه

আমর ইবনু শুআয়েব (র) থেকে বর্নিতঃ

বনী মুদলজের এক ব্যক্তি, যার নাম ছিল কাতাদা, নিজের ছেলেকে তলোয়ারে আঘাত করল, যাতে ঐ ছেলের পায়ে আঘাত লাগল। ক্ষতস্থান হতে রক্ত বন্ধ না হয়ে ছেলেটি মারা গেল। সুরাকা ইব্নু জু‘শুম উমার (রা)-এর কাছে এসে ঘটনা বর্ণনা করল। উমার (রা) তাকে বললেন, আমার আগমনের পূর্বেই তুমি কাদীদের কূপের কাছে ১২০টি উট যোগাড় করে রাখ। যখন তিনি তথায় এলেন ঐ উটের ৩০ হক্কা, ২০টি জাযআ, ৪০টি গর্ভবতী উটনী নিলেন এবং বললেন, নিহত ব্যক্তির ভাই কোথায় ? সে বলল, আমি উপস্থিত আছি। তিনি বললেন, তুমি এই উট নিয়ে যাও। কেননা রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হত্যাকারী কোন মীরাস পাবে না। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র) ও সুলায়মান ইব্নু ইয়াসার (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল, যদি কেউ হারাম মাসসমূহে কাউকেও হত্যা করে, তবে তার দিয়াতের ব্যাপারে কি কঠোরতা অবলম্বন করা হবে? তিনি বললেন, না, বরং ঐ সকল মাস হারাম মাস হওয়ার দরুন দিয়াত বাড়িয়ে নিয়ে হবে। অতঃপর সাঈদের কাছে জিজ্ঞেস করা হল, যদি কেউ এই মাসে কাউকেও আহত করে দেয়, তবু সেই হত্যার মতো উহার দিয়াতও বৃদ্ধি পাবে? সাঈদ বললেন, হ্যাঁ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমার মনে হয় বাড়িয়ে দেয়ারও উহাই উদ্দেশ্য যেমন মুদলজীর দিয়াত উমার (রা) করেছেন, যখন সে তার ছেলেকে মেরেছিল। [২]

আমর ইবনু শুআয়েব (র) থেকে বর্নিতঃ

বনী মুদলজের এক ব্যক্তি, যার নাম ছিল কাতাদা, নিজের ছেলেকে তলোয়ারে আঘাত করল, যাতে ঐ ছেলের পায়ে আঘাত লাগল। ক্ষতস্থান হতে রক্ত বন্ধ না হয়ে ছেলেটি মারা গেল। সুরাকা ইব্নু জু‘শুম উমার (রা)-এর কাছে এসে ঘটনা বর্ণনা করল। উমার (রা) তাকে বললেন, আমার আগমনের পূর্বেই তুমি কাদীদের কূপের কাছে ১২০টি উট যোগাড় করে রাখ। যখন তিনি তথায় এলেন ঐ উটের ৩০ হক্কা, ২০টি জাযআ, ৪০টি গর্ভবতী উটনী নিলেন এবং বললেন, নিহত ব্যক্তির ভাই কোথায় ? সে বলল, আমি উপস্থিত আছি। তিনি বললেন, তুমি এই উট নিয়ে যাও। কেননা রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হত্যাকারী কোন মীরাস পাবে না। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র) ও সুলায়মান ইব্নু ইয়াসার (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল, যদি কেউ হারাম মাসসমূহে কাউকেও হত্যা করে, তবে তার দিয়াতের ব্যাপারে কি কঠোরতা অবলম্বন করা হবে? তিনি বললেন, না, বরং ঐ সকল মাস হারাম মাস হওয়ার দরুন দিয়াত বাড়িয়ে নিয়ে হবে। অতঃপর সাঈদের কাছে জিজ্ঞেস করা হল, যদি কেউ এই মাসে কাউকেও আহত করে দেয়, তবু সেই হত্যার মতো উহার দিয়াতও বৃদ্ধি পাবে? সাঈদ বললেন, হ্যাঁ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমার মনে হয় বাড়িয়ে দেয়ারও উহাই উদ্দেশ্য যেমন মুদলজীর দিয়াত উমার (রা) করেছেন, যখন সে তার ছেলেকে মেরেছিল। [২]

و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد عن عمرو بن شعيب أن رجلا من بني مدلج يقال له قتادة حذف ابنه بالسيف فأصاب ساقه فنزي في جرحه فمات فقدم سراقة بن جعشم على عمر بن الخطاب فذكر ذلك له فقال له عمر اعدد على ماء قديد عشرين ومائة بعير حتى أقدم عليك فلما قدم إليه عمر بن الخطاب أخذ من تلك الإبل ثلاثين حقة وثلاثين جذعة وأربعين خلفة ثم قال أين أخو المقتول قال هأنذا قال خذها فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليس لقاتل شيء و حدثني مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار سئلا أتغلظ الدية في الشهر الحرام فقالا لا ولكن يزاد فيها للحرمة فقيل لسعيد هل يزاد في الجراح كما يزاد في النفس فقال نعم قال مالك أراهما أرادا مثل الذي صنع عمر بن الخطاب في عقل المدلجي حين أصاب ابنه


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৬৮

و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد عن عروة بن الزبير أن رجلا من الأنصار يقال له أحيحة بن الجلاح كان له عم صغير هو أصغر من أحيحة وكان عند أخواله فأخذه أحيحة فقتله فقال أخواله كنا أهل ثمه ورمه حتى إذا استوى على عممه غلبنا حق امرئ في عمه قال عروة فلذلك لا يرث قاتل من قتل قال مالك الأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا أن قاتل العمد لا يرث من دية من قتل شيئا ولا من ماله ولا يحجب أحدا وقع له ميراث وأن الذي يقتل خطأ لا يرث من الدية شيئا وقد اختلف في أن يرث من ماله لأنه لا يتهم على أنه قتله ليرثه وليأخذ ماله فأحب إلي أن يرث من ماله ولا يرث من ديته

উরওয়া ইবনু যুবাইর (র) থেকে বর্নিতঃ

এক আনসার ব্যক্তি ছিলেন। তার নাম ছিল উহায়হা ইব্নু জুলাহ। তার একজন চাচা ছিল। সে উহায়হা হতে বয়সে ছোট ছিল। সে তার নানা বাড়িতে বাস করত। উহায়হা তাকে ধরে মেরে ফেলল (হত্যা করল)। তার মামারা বলল, আমরা তাকে লালন-পালন করেছি, যখন সে জওয়ান হল, তখন তার চাচারা আমাদের উপর বিজয়ী হল এবং সে দিয়াত নিয়ে ফেলল। উরওয়া বলেন, এজন্য হত্যাকারী নিহত ব্যক্তির ওয়ারিস হয় না। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এটা একটি সর্বসম্মত বিধান যে, ইচ্ছাকৃত হত্যাকারী নিহত ব্যক্তির ওয়ারিস হয়নি। দিয়াত হোক বা অন্য কোন মাল হোক, এমন কি সে কোন ওয়ারিসকে বঞ্চিতও করতে পারে। ভুলবশত হত্যায়ও হত্যাকারী নিহতের দিয়াতের ওয়ারিস হয় না। নিহতের অন্যান্য মালে ভুলে হত্যাকারী হওয়া সম্পর্কে মতভেদ রয়েছে তবে আমার মতে অন্যান্য মালের ওয়ারিস হয়।

উরওয়া ইবনু যুবাইর (র) থেকে বর্নিতঃ

এক আনসার ব্যক্তি ছিলেন। তার নাম ছিল উহায়হা ইব্নু জুলাহ। তার একজন চাচা ছিল। সে উহায়হা হতে বয়সে ছোট ছিল। সে তার নানা বাড়িতে বাস করত। উহায়হা তাকে ধরে মেরে ফেলল (হত্যা করল)। তার মামারা বলল, আমরা তাকে লালন-পালন করেছি, যখন সে জওয়ান হল, তখন তার চাচারা আমাদের উপর বিজয়ী হল এবং সে দিয়াত নিয়ে ফেলল। উরওয়া বলেন, এজন্য হত্যাকারী নিহত ব্যক্তির ওয়ারিস হয় না। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এটা একটি সর্বসম্মত বিধান যে, ইচ্ছাকৃত হত্যাকারী নিহত ব্যক্তির ওয়ারিস হয়নি। দিয়াত হোক বা অন্য কোন মাল হোক, এমন কি সে কোন ওয়ারিসকে বঞ্চিতও করতে পারে। ভুলবশত হত্যায়ও হত্যাকারী নিহতের দিয়াতের ওয়ারিস হয় না। নিহতের অন্যান্য মালে ভুলে হত্যাকারী হওয়া সম্পর্কে মতভেদ রয়েছে তবে আমার মতে অন্যান্য মালের ওয়ারিস হয়।

و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد عن عروة بن الزبير أن رجلا من الأنصار يقال له أحيحة بن الجلاح كان له عم صغير هو أصغر من أحيحة وكان عند أخواله فأخذه أحيحة فقتله فقال أخواله كنا أهل ثمه ورمه حتى إذا استوى على عممه غلبنا حق امرئ في عمه قال عروة فلذلك لا يرث قاتل من قتل قال مالك الأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا أن قاتل العمد لا يرث من دية من قتل شيئا ولا من ماله ولا يحجب أحدا وقع له ميراث وأن الذي يقتل خطأ لا يرث من الدية شيئا وقد اختلف في أن يرث من ماله لأنه لا يتهم على أنه قتله ليرثه وليأخذ ماله فأحب إلي أن يرث من ماله ولا يرث من ديته


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দিয়াতের বিভিন্ন বিধান

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৬৯

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب وأبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال جرح العجماء جبار والبئر جبار والمعدن جبار وفي الركاز الخمس قال مالك وتفسير الجبار أنه لا دية فيه و قال مالك القائد والسائق والراكب كلهم ضامنون لما أصابت الدابة إلا أن ترمح الدابة من غير أن يفعل بها شيء ترمح له وقد قضى عمر بن الخطاب في الذي أجرى فرسه بالعقل قال مالك فالقائد والراكب والسائق أحرى أن يغرموا من الذي أجرى فرسه قال مالك والأمر عندنا في الذي يحفر البئر على الطريق أو يربط الدابة أو يصنع أشباه هذا على طريق المسلمين أن ما صنع من ذلك مما لا يجوز له أن يصنعه على طريق المسلمين فهو ضامن لما أصيب في ذلك من جرح أو غيره فما كان من ذلك عقله دون ثلث الدية فهو في ماله خاصة وما بلغ الثلث فصاعدا فهو على العاقلة وما صنع من ذلك مما يجوز له أن يصنعه على طريق المسلمين فلا ضمان عليه فيه ولا غرم ومن ذلك البئر يحفرها الرجل للمطر والدابة ينزل عنها الرجل للحاجة فيقفها على الطريق فليس على أحد في هذا غرم و قال مالك في الرجل ينزل في البئر فيدركه رجل آخر في أثره فيجبذ الأسفل الأعلى فيخران في البئر فيهلكان جميعا أن على عاقلة الذي جبذه الدية قال مالك في الصبي يأمره الرجل ينزل في البئر أو يرقى في النخلة فيهلك في ذلك أن الذي أمره ضامن لما أصابه من هلاك أو غيره قال مالك الأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا أنه ليس على النساء والصبيان عقل يجب عليهم أن يعقلوه مع العاقلة فيما تعقله العاقلة من الديات وإنما يجب العقل على من بلغ الحلم من الرجال و قال مالك في عقل الموالي تلزمه العاقلة إن شاءوا وإن أبوا كانوا أهل ديوان أو مقطعين وقد تعاقل الناس في زمن رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي زمان أبي بكر الصديق قبل أن يكون ديوان وإنما كان الديوان في زمان عمر بن الخطاب فليس لأحد أن يعقل عنه غير قومه ومواليه لأن الولاء لا ينتقل ولأن النبي صلى الله عليه وسلم قال الولاء لمن أعتق قال مالك والولاء نسب ثابت قال مالك والأمر عندنا فيما أصيب من البهائم أن على من أصاب منها شيئا قدر ما نقص من ثمنها قال مالك في الرجل يكون عليه القتل فيصيب حدا من الحدود أنه لا يؤخذ به وذلك أن القتل يأتي على ذلك كله إلا الفرية فإنها تثبت على من قيلت له يقال له ما لك لم تجلد من افترى عليك فأرى أن يجلد المقتول الحد من قبل أن يقتل ثم يقتل ولا أرى أن يقاد منه في شيء من الجراح إلا القتل لأن القتل يأتي على ذلك كله و قال مالك الأمر عندنا أن القتيل إذا وجد بين ظهراني قوم في قرية أو غيرها لم يؤخذ به أقرب الناس إليه دارا ولا مكانا وذلك أنه قد يقتل القتيل ثم يلقى على باب قوم ليلطخوا به فليس يؤاخذ أحد بمثل ذلك قال مالك في جماعة من الناس اقتتلوا فانكشفوا وبينهم قتيل أو جريح لا يدرى من فعل ذلك به إن أحسن ما سمع في ذلك أن عليه العقل وأن عقله على القوم الذين نازعوه وإن كان الجريح أو القتيل من غير الفريقين فعقله على الفريقين جميعا

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, পশুর যখম করার বদলা নেই। কূপে পড়ে মৃত্যুবরণ করার বদলা নেই। খনিতে পড়ে মৃত্যুবরণ করলে বদলা নেই আর মাটির নিচে প্রোথিত মালের পঞ্চমাংশ রয়েছে। (বুখারী ১৪৯৯, মুসলিম ১৭১০) মালিক (র) বলেন, জবার শব্দের ব্যাখ্যা হল যে, উহাতে দিয়াত নেই। মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি কোন পশুকে সম্মুখ দিক হতে টেনে নেয় বা পিছন দিক হতে ধাওয়া করে নিয়ে যায় বা উহার উপর আরোহণ অবস্থায় থাকে, সেই জন্তু কাউকে যখম করলে ঐ ব্যক্তিকে উহার দিয়াত দিতে হবে। উক্ত জন্তু নিজেই কাউকে লাথি মারে বা শিং দিয়ে আঘাত করে, তবে ঐ জন্তুর মালিকের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না। যে ব্যক্তি ঘোড়ায় চড়ে দৌড়িয়ে যাবার কালে কাউকে পদদলিত করে, তাকে দিয়াত দিতে হবে। উমার (রা) উহার দিয়াত দেওয়ার ফায়সালা দিয়েছিলেন। মালিক (র) বলেন, যখন ঘোড়া দৌড়ানেওয়ালার দিয়াত দিতে হল, তখন সম্মুখ ও পিছনের দিক হতে হাঁকিয়ে নিয়ে গেলে তো তাকে দিয়াত দিতে হবেই। মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এটা একটি সর্বসম্মত বিধান যে, যদি কেউ রাস্তায় কূপ খনন করে বা পশু বেঁধে রাখে বা কেউ এমন কাজ করে যা রাস্তায় করা অন্যায় মনে করা হয়। আর উহার কারণে কারো কোন কষ্ট হয় তবে এই ব্যক্তি দায়ী হবে, ১/৩ পর্যন্ত দিয়াত সে নিজের মাল হতে দিবে। আর দিয়াতের পরিমাণ এক তৃতীয়াংশের বেশি হলে তার নিকটাত্মীয়দের সম্পদ হতে দেয়া হবে। কিন্তু যদি এমন কোন কাজ করে, যা সাধারণত অন্যায় মনে করা হয় না, তবে তাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না, যেমন বৃষ্টির জন্য গর্ত করল বা পশু হতে নেমে পশুটিকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখল। মালিক (র) বলেন, কোন ব্যক্তি কূপে অবতরণ করল, পরে আর এক ব্যক্তি অবতরণ করল, অতঃপর নিচের ব্যক্তি উপরের ব্যক্তিকে টানল। এতে উভয়ে পড়ে মারা গেল। এখন যে টেনেছিল, তার ওয়ারিসদের উপর দিয়াত দেয়া অনিবার্য হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ বাচ্চাকে কূপে নামায় কিংবা গাছে উঠায় এবং এতে বাচ্চাটি মারা যায় তবে তাকে দিয়াত দিতে হবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মত বিধান এই যে, দিয়াতদাতা স্ত্রীলোক এবং বাচ্চা হবে না। শুধুমাত্র বালেগ পুরুষ হতে দিয়াত উশুল করা হবে। মালিক (র) বলেন, মুক্ত দাসের দিয়াত তার ওয়ারিসদের উপর বর্তাবে যদিও সে সরকারী দফতরে বেতনভোগী হোক না কেন, যেমন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বাকর (রা)-এর সময়ে ছিল। কেননা দফতর উমার (রা)-এর আবিষ্কার। অতএব প্রত্যেকের দিয়াত তাদের মালিক এবং সম্প্রদায় আদায় করবে। কেননা এদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিও তারাই পেয়ে থাকে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দাসের পরিত্যক্ত মাল তার মালিকই পাবে, যে তাকে মুক্ত করেছে। মালিক (র) বলেন, যদি কারো পশু কারো কোনরূপ অনিষ্ট সাধন করে, তবে এই অনিষ্ট সাধনের দ্বারা ঐ বস্তুর মূল্যে যে স্বল্পতা আসবে তা তাকে আদায় করতে হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কোন ব্যক্তি কিসাসে অভিযুক্ত হয়, পরে সে আবার কোন এমন কাজ করে বসে যাতে তার উপর নির্দিষ্ট শাস্তি ওয়াজিব হয়, তবে তার জন্য মৃত্যুই যথেষ্ট, আর শাস্তি ভোগ করতে হবে না। তবে অপবাদের শাস্তি তাকে ভোগ করতে হবে। অতঃপর হত্যা করা হবে। যদি সে কাউকে ক্ষত করে দেয়, তবে ক্ষতের কিসাস নেয়া আবশ্যকীয় নয়, হত্যা করাই যথেষ্ট। মালিক (র) বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত এই যে, যদি কোন মৃতদেহ কোন গ্রামে পাওয়া যায় অথবা কারো দরজায় পাওয়া যায়, তবে ইহা আবশ্যকীয় নয় যে, ঐ লাশের আশেপাশের লোককে গ্রেফতার করতে হবে। কেননা প্রায়ই এরূপ হয়ে থাকে, কোন লোক কাউকে মেরে অন্যের দরজায় রেখে যায়, যেন সে গ্রেফতার হয়। মালিক (র) বলেন, কয়েকজন লোক পরস্পর ঝগড়া করল। পরে যখন ঝগড়া থেমে গেল, তখন তাদের মধ্যে একজনকে মৃত অথবা আহত অবস্থায় পাওয়া গেল। কিন্তু গোলমালের দরুন কে মেরেছে বা ক্ষত করেছে তা জানা গেল না। তবে দ্বিতীয় পক্ষের লোকের উপর উহার দিয়াত ওয়াজিব হবে। যদি এমন হয় যে, ঐ ব্যক্তি তৃতীয় পক্ষের লোক হয়, তবে উভয় পক্ষের উপর দিয়াত ওয়াজিব হবে। [১]

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, পশুর যখম করার বদলা নেই। কূপে পড়ে মৃত্যুবরণ করার বদলা নেই। খনিতে পড়ে মৃত্যুবরণ করলে বদলা নেই আর মাটির নিচে প্রোথিত মালের পঞ্চমাংশ রয়েছে। (বুখারী ১৪৯৯, মুসলিম ১৭১০) মালিক (র) বলেন, জবার শব্দের ব্যাখ্যা হল যে, উহাতে দিয়াত নেই। মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি কোন পশুকে সম্মুখ দিক হতে টেনে নেয় বা পিছন দিক হতে ধাওয়া করে নিয়ে যায় বা উহার উপর আরোহণ অবস্থায় থাকে, সেই জন্তু কাউকে যখম করলে ঐ ব্যক্তিকে উহার দিয়াত দিতে হবে। উক্ত জন্তু নিজেই কাউকে লাথি মারে বা শিং দিয়ে আঘাত করে, তবে ঐ জন্তুর মালিকের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না। যে ব্যক্তি ঘোড়ায় চড়ে দৌড়িয়ে যাবার কালে কাউকে পদদলিত করে, তাকে দিয়াত দিতে হবে। উমার (রা) উহার দিয়াত দেওয়ার ফায়সালা দিয়েছিলেন। মালিক (র) বলেন, যখন ঘোড়া দৌড়ানেওয়ালার দিয়াত দিতে হল, তখন সম্মুখ ও পিছনের দিক হতে হাঁকিয়ে নিয়ে গেলে তো তাকে দিয়াত দিতে হবেই। মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এটা একটি সর্বসম্মত বিধান যে, যদি কেউ রাস্তায় কূপ খনন করে বা পশু বেঁধে রাখে বা কেউ এমন কাজ করে যা রাস্তায় করা অন্যায় মনে করা হয়। আর উহার কারণে কারো কোন কষ্ট হয় তবে এই ব্যক্তি দায়ী হবে, ১/৩ পর্যন্ত দিয়াত সে নিজের মাল হতে দিবে। আর দিয়াতের পরিমাণ এক তৃতীয়াংশের বেশি হলে তার নিকটাত্মীয়দের সম্পদ হতে দেয়া হবে। কিন্তু যদি এমন কোন কাজ করে, যা সাধারণত অন্যায় মনে করা হয় না, তবে তাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না, যেমন বৃষ্টির জন্য গর্ত করল বা পশু হতে নেমে পশুটিকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখল। মালিক (র) বলেন, কোন ব্যক্তি কূপে অবতরণ করল, পরে আর এক ব্যক্তি অবতরণ করল, অতঃপর নিচের ব্যক্তি উপরের ব্যক্তিকে টানল। এতে উভয়ে পড়ে মারা গেল। এখন যে টেনেছিল, তার ওয়ারিসদের উপর দিয়াত দেয়া অনিবার্য হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ বাচ্চাকে কূপে নামায় কিংবা গাছে উঠায় এবং এতে বাচ্চাটি মারা যায় তবে তাকে দিয়াত দিতে হবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মত বিধান এই যে, দিয়াতদাতা স্ত্রীলোক এবং বাচ্চা হবে না। শুধুমাত্র বালেগ পুরুষ হতে দিয়াত উশুল করা হবে। মালিক (র) বলেন, মুক্ত দাসের দিয়াত তার ওয়ারিসদের উপর বর্তাবে যদিও সে সরকারী দফতরে বেতনভোগী হোক না কেন, যেমন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বাকর (রা)-এর সময়ে ছিল। কেননা দফতর উমার (রা)-এর আবিষ্কার। অতএব প্রত্যেকের দিয়াত তাদের মালিক এবং সম্প্রদায় আদায় করবে। কেননা এদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিও তারাই পেয়ে থাকে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দাসের পরিত্যক্ত মাল তার মালিকই পাবে, যে তাকে মুক্ত করেছে। মালিক (র) বলেন, যদি কারো পশু কারো কোনরূপ অনিষ্ট সাধন করে, তবে এই অনিষ্ট সাধনের দ্বারা ঐ বস্তুর মূল্যে যে স্বল্পতা আসবে তা তাকে আদায় করতে হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কোন ব্যক্তি কিসাসে অভিযুক্ত হয়, পরে সে আবার কোন এমন কাজ করে বসে যাতে তার উপর নির্দিষ্ট শাস্তি ওয়াজিব হয়, তবে তার জন্য মৃত্যুই যথেষ্ট, আর শাস্তি ভোগ করতে হবে না। তবে অপবাদের শাস্তি তাকে ভোগ করতে হবে। অতঃপর হত্যা করা হবে। যদি সে কাউকে ক্ষত করে দেয়, তবে ক্ষতের কিসাস নেয়া আবশ্যকীয় নয়, হত্যা করাই যথেষ্ট। মালিক (র) বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত এই যে, যদি কোন মৃতদেহ কোন গ্রামে পাওয়া যায় অথবা কারো দরজায় পাওয়া যায়, তবে ইহা আবশ্যকীয় নয় যে, ঐ লাশের আশেপাশের লোককে গ্রেফতার করতে হবে। কেননা প্রায়ই এরূপ হয়ে থাকে, কোন লোক কাউকে মেরে অন্যের দরজায় রেখে যায়, যেন সে গ্রেফতার হয়। মালিক (র) বলেন, কয়েকজন লোক পরস্পর ঝগড়া করল। পরে যখন ঝগড়া থেমে গেল, তখন তাদের মধ্যে একজনকে মৃত অথবা আহত অবস্থায় পাওয়া গেল। কিন্তু গোলমালের দরুন কে মেরেছে বা ক্ষত করেছে তা জানা গেল না। তবে দ্বিতীয় পক্ষের লোকের উপর উহার দিয়াত ওয়াজিব হবে। যদি এমন হয় যে, ঐ ব্যক্তি তৃতীয় পক্ষের লোক হয়, তবে উভয় পক্ষের উপর দিয়াত ওয়াজিব হবে। [১]

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب وأبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال جرح العجماء جبار والبئر جبار والمعدن جبار وفي الركاز الخمس قال مالك وتفسير الجبار أنه لا دية فيه و قال مالك القائد والسائق والراكب كلهم ضامنون لما أصابت الدابة إلا أن ترمح الدابة من غير أن يفعل بها شيء ترمح له وقد قضى عمر بن الخطاب في الذي أجرى فرسه بالعقل قال مالك فالقائد والراكب والسائق أحرى أن يغرموا من الذي أجرى فرسه قال مالك والأمر عندنا في الذي يحفر البئر على الطريق أو يربط الدابة أو يصنع أشباه هذا على طريق المسلمين أن ما صنع من ذلك مما لا يجوز له أن يصنعه على طريق المسلمين فهو ضامن لما أصيب في ذلك من جرح أو غيره فما كان من ذلك عقله دون ثلث الدية فهو في ماله خاصة وما بلغ الثلث فصاعدا فهو على العاقلة وما صنع من ذلك مما يجوز له أن يصنعه على طريق المسلمين فلا ضمان عليه فيه ولا غرم ومن ذلك البئر يحفرها الرجل للمطر والدابة ينزل عنها الرجل للحاجة فيقفها على الطريق فليس على أحد في هذا غرم و قال مالك في الرجل ينزل في البئر فيدركه رجل آخر في أثره فيجبذ الأسفل الأعلى فيخران في البئر فيهلكان جميعا أن على عاقلة الذي جبذه الدية قال مالك في الصبي يأمره الرجل ينزل في البئر أو يرقى في النخلة فيهلك في ذلك أن الذي أمره ضامن لما أصابه من هلاك أو غيره قال مالك الأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا أنه ليس على النساء والصبيان عقل يجب عليهم أن يعقلوه مع العاقلة فيما تعقله العاقلة من الديات وإنما يجب العقل على من بلغ الحلم من الرجال و قال مالك في عقل الموالي تلزمه العاقلة إن شاءوا وإن أبوا كانوا أهل ديوان أو مقطعين وقد تعاقل الناس في زمن رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي زمان أبي بكر الصديق قبل أن يكون ديوان وإنما كان الديوان في زمان عمر بن الخطاب فليس لأحد أن يعقل عنه غير قومه ومواليه لأن الولاء لا ينتقل ولأن النبي صلى الله عليه وسلم قال الولاء لمن أعتق قال مالك والولاء نسب ثابت قال مالك والأمر عندنا فيما أصيب من البهائم أن على من أصاب منها شيئا قدر ما نقص من ثمنها قال مالك في الرجل يكون عليه القتل فيصيب حدا من الحدود أنه لا يؤخذ به وذلك أن القتل يأتي على ذلك كله إلا الفرية فإنها تثبت على من قيلت له يقال له ما لك لم تجلد من افترى عليك فأرى أن يجلد المقتول الحد من قبل أن يقتل ثم يقتل ولا أرى أن يقاد منه في شيء من الجراح إلا القتل لأن القتل يأتي على ذلك كله و قال مالك الأمر عندنا أن القتيل إذا وجد بين ظهراني قوم في قرية أو غيرها لم يؤخذ به أقرب الناس إليه دارا ولا مكانا وذلك أنه قد يقتل القتيل ثم يلقى على باب قوم ليلطخوا به فليس يؤاخذ أحد بمثل ذلك قال مالك في جماعة من الناس اقتتلوا فانكشفوا وبينهم قتيل أو جريح لا يدرى من فعل ذلك به إن أحسن ما سمع في ذلك أن عليه العقل وأن عقله على القوم الذين نازعوه وإن كان الجريح أو القتيل من غير الفريقين فعقله على الفريقين جميعا


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ধোঁকা দিয়ে বা যাদু করে কাউকে হত্যা করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৭০

و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب قتل نفرا خمسة أو سبعة برجل واحد قتلوه قتل غيلة وقال عمر لو تمالأ عليه أهل صنعاء لقتلتهم جميعا

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এক ব্যক্তির হত্যার দায়ে পাঁচ অথবা সাত জনের এক দলকে হত্যা করেছিল, যারা ধোঁকা দিয়ে সেই ব্যক্তিকে হত্যা করেছিল। অতঃপর তিনি বললেন, যদি এই ব্যক্তির হত্যা কার্যে সমস্ত সান‘আবাসীও শরীক হত, তবে আমি সকলকেই হত্যা করতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এক ব্যক্তির হত্যার দায়ে পাঁচ অথবা সাত জনের এক দলকে হত্যা করেছিল, যারা ধোঁকা দিয়ে সেই ব্যক্তিকে হত্যা করেছিল। অতঃপর তিনি বললেন, যদি এই ব্যক্তির হত্যা কার্যে সমস্ত সান‘আবাসীও শরীক হত, তবে আমি সকলকেই হত্যা করতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب قتل نفرا خمسة أو سبعة برجل واحد قتلوه قتل غيلة وقال عمر لو تمالأ عليه أهل صنعاء لقتلتهم جميعا


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৭১

و حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن عبد الرحمن بن سعد بن زرارة أنه بلغه أن حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قتلت جارية لها سحرتها وقد كانت دبرتها فأمرت بها فقتلت قال مالك الساحر الذي يعمل السحر ولم يعمل ذلك له غيره هو مثل الذي قال الله تبارك وتعالى في كتابه { ولقد علموا لمن اشتراه ما له في الآخرة من خلاق } فأرى أن يقتل ذلك إذا عمل ذلك هو نفسه

মুহাম্মাদ ইবনু আবদির রহমান ইবনু সা’দ ইবনু যুরারাহ (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তাঁর কাছে রেওয়ায়াত পৌঁছেছে যে, উম্মুল মু’মিনীন হাফসা (রা) এক দাসীকে হত্যা করেছিলেন, যে দাসী তাঁর উপর জাদু করেছিল। এর পূর্বে তিনি উহাকে মুদাব্বার করে ছিলেন। পরে তাকে হত্যা করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, যে জাদু জানে এবং জাদু করে, তাকে হত্যা করাই উচিত।

মুহাম্মাদ ইবনু আবদির রহমান ইবনু সা’দ ইবনু যুরারাহ (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তাঁর কাছে রেওয়ায়াত পৌঁছেছে যে, উম্মুল মু’মিনীন হাফসা (রা) এক দাসীকে হত্যা করেছিলেন, যে দাসী তাঁর উপর জাদু করেছিল। এর পূর্বে তিনি উহাকে মুদাব্বার করে ছিলেন। পরে তাকে হত্যা করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, যে জাদু জানে এবং জাদু করে, তাকে হত্যা করাই উচিত।

و حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن عبد الرحمن بن سعد بن زرارة أنه بلغه أن حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قتلت جارية لها سحرتها وقد كانت دبرتها فأمرت بها فقتلت قال مالك الساحر الذي يعمل السحر ولم يعمل ذلك له غيره هو مثل الذي قال الله تبارك وتعالى في كتابه { ولقد علموا لمن اشتراه ما له في الآخرة من خلاق } فأرى أن يقتل ذلك إذا عمل ذلك هو نفسه


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00