মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দাঁতের দিয়াত কার্যকর সম্পর্কে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৬৫
و حدثني يحيى عن مالك عن داود بن الحصين عن أبي غطفان بن طريف المري أنه أخبره أن مروان بن الحكم بعثه إلى عبد الله بن عباس يسأله ماذا في الضرس فقال عبد الله بن عباس فيه خمس من الإبل قال فردني مروان إلى عبد الله بن عباس فقال أتجعل مقدم الفم مثل الأضراس فقال عبد الله بن عباس لو لم تعتبر ذلك إلا بالأصابع عقلها سواء و حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يسوي بين الأسنان في العقل ولا يفضل بعضها على بعض قال مالك والأمر عندنا أن مقدم الفم والأضراس والأنياب عقلها سواء وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في السن خمس من الإبل والضرس سن من الأسنان لا يفضل بعضها على بعض
আবূ গাতফান ইবনু তারীফ মুরবী (র) থেকে বর্নিতঃ
মারওয়ান ইব্নু হাকাম তাঁকে আবদুল্লাহ ইব্নু আব্বাস (রা)-এর নিকট জিজ্ঞেস করতে পাঠালেন যে, মাঢ়ীর দাঁতের দিয়াত কি ? আবদুল্লাহ্ ইব্নু আব্বাস (রা) বললেন, পাঁচ উট। তিনি আবার জিজ্ঞেস করতে পাঠালেন যে, সম্মুখের দাঁত ও মাঢ়ীর দাঁতের দিয়াত কি সমান হবে? ইব্নু আব্বাস বললেন, যদি তোমরা দাঁতের ব্যাপারে অঙ্গুলির সাথে সমঞ্জস্য করে নিতে, তবে ভাল ছিল। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) হিশাম ইব্নু উরওয়া (র) তার পিতা উরওয়া ইব্নু যুবাইর (র) হতে বর্ণনা করেন, তিনি সমস্ত দাঁতের দিয়াত সমান ধার্য করতেন, কোন দাঁতের বেশি কোন দাঁতের কম ধার্য করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে মাঢ়ীর দাঁত, সম্মুখের বড় দাঁত ও পাশের ছোট দাঁত সমস্তই এক সমান। কেননা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি দাঁতে পাঁচ উট দিয়াতের আদেশ করেছেন। মাঢ়ীর দাঁত বা অন্য কোন দাঁতেরই কোন দাঁতের উপর শ্রেষ্ঠত্ব নেই।
আবূ গাতফান ইবনু তারীফ মুরবী (র) থেকে বর্নিতঃ
মারওয়ান ইব্নু হাকাম তাঁকে আবদুল্লাহ ইব্নু আব্বাস (রা)-এর নিকট জিজ্ঞেস করতে পাঠালেন যে, মাঢ়ীর দাঁতের দিয়াত কি ? আবদুল্লাহ্ ইব্নু আব্বাস (রা) বললেন, পাঁচ উট। তিনি আবার জিজ্ঞেস করতে পাঠালেন যে, সম্মুখের দাঁত ও মাঢ়ীর দাঁতের দিয়াত কি সমান হবে? ইব্নু আব্বাস বললেন, যদি তোমরা দাঁতের ব্যাপারে অঙ্গুলির সাথে সমঞ্জস্য করে নিতে, তবে ভাল ছিল। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) হিশাম ইব্নু উরওয়া (র) তার পিতা উরওয়া ইব্নু যুবাইর (র) হতে বর্ণনা করেন, তিনি সমস্ত দাঁতের দিয়াত সমান ধার্য করতেন, কোন দাঁতের বেশি কোন দাঁতের কম ধার্য করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে মাঢ়ীর দাঁত, সম্মুখের বড় দাঁত ও পাশের ছোট দাঁত সমস্তই এক সমান। কেননা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি দাঁতে পাঁচ উট দিয়াতের আদেশ করেছেন। মাঢ়ীর দাঁত বা অন্য কোন দাঁতেরই কোন দাঁতের উপর শ্রেষ্ঠত্ব নেই।
و حدثني يحيى عن مالك عن داود بن الحصين عن أبي غطفان بن طريف المري أنه أخبره أن مروان بن الحكم بعثه إلى عبد الله بن عباس يسأله ماذا في الضرس فقال عبد الله بن عباس فيه خمس من الإبل قال فردني مروان إلى عبد الله بن عباس فقال أتجعل مقدم الفم مثل الأضراس فقال عبد الله بن عباس لو لم تعتبر ذلك إلا بالأصابع عقلها سواء و حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يسوي بين الأسنان في العقل ولا يفضل بعضها على بعض قال مالك والأمر عندنا أن مقدم الفم والأضراس والأنياب عقلها سواء وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في السن خمس من الإبل والضرس سن من الأسنان لا يفضل بعضها على بعض
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দাসদের যখমের দিয়াত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১
و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار كانا يقولان في موضحة العبد نصف عشر ثمنه و حدثني مالك أنه بلغه أن مروان بن الحكم كان يقضي في العبد يصاب بالجراح أن على من جرحه قدر ما نقص من ثمن العبد قال مالك والأمر عندنا أن في موضحة العبد نصف عشر ثمنه وفي منقلته العشر ونصف العشر من ثمنه وفي مأمومته وجائفته في كل واحدة منهما ثلث ثمنه وفيما سوى هذه الخصال الأربع مما يصاب به العبد ما نقص من ثمنه ينظر في ذلك بعد ما يصح العبد ويبرأ كم بين قيمة العبد بعد أن أصابه الجرح وقيمته صحيحا قبل أن يصيبه هذا ثم يغرم الذي أصابه ما بين القيمتين قال مالك في العبد إذا كسرت يده أو رجله ثم صح كسره فليس على من أصابه شيء فإن أصاب كسره ذلك نقص أو عثل كان على من أصابه قدر ما نقص من ثمن العبد قال مالك الأمر عندنا في القصاص بين المماليك كهيئة قصاص الأحرار نفس الأمة بنفس العبد وجرحها بجرحه فإذا قتل العبد عبدا عمدا خير سيد العبد المقتول فإن شاء قتل وإن شاء أخذ العقل فإن أخذ العقل أخذ قيمة عبده وإن شاء رب العبد القاتل أن يعطي ثمن العبد المقتول فعل وإن شاء أسلم عبده فإذا أسلمه فليس عليه غير ذلك وليس لرب العبد المقتول إذا أخذ العبد القاتل ورضي به أن يقتله وذلك في القصاص كله بين العبيد في قطع اليد والرجل وأشباه ذلك بمنزلته في القتل قال مالك في العبد المسلم يجرح اليهودي أو النصراني إن سيد العبد إن شاء أن يعقل عنه ما قد أصاب فعل أو أسلمه فيباع فيعطي اليهودي أو النصراني من ثمن العبد دية جرحه أو ثمنه كله إن أحاط بثمنه ولا يعطي اليهودي ولا النصراني عبدا مسلما
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা উভয়ে বলতেন, দাসের ক্ষতে তার মূল্যের ১/২০ অংশ হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, মারওয়ান ইব্নু হাকাম ঐ ব্যক্তিকে, যে কোন দাসকে ক্ষত করে দিত, আদেশ করতেন যে, এই ক্ষতের দরুন তার মূল্যের যতটুকু কমে গেল তাকে ততটুকু জরিমানা দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে সিদ্ধান্ত এই যে, দাসের ক্ষেত্রে হাড় দেখা যায়, এমন আঘাতে তার মূল্যের ১/২০ আর যে ক্ষতের দরুন হাড় স্থানচ্যুত হয় উহাতে তার মূল্যের ১/১০ ও ১/২ আর মামুমায় [১] ও জাইফার প্রতিটার জন্য তার মূল্যের ১/৩০ দিতে হবে। উহা ব্যতীত প্রত্যেক আঘাতের জন্য তার মূল্যের যে ক্ষতি হবে তা আদায় করতে হবে। যখন দাস সুস্থ হয়ে যাবে, তখন দেখতে হবে আঘাতের পূর্বে কি মূল্য ছিল এবং আঘাতের জন্য কত কম হল, উহা দিতে হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ দাসের হাত-পা ভেঙ্গে ফেলে, পরে সে ভাল হয়ে যায়, তবে কোন ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না। হ্যাঁ, যদি কোন ত্রুটি থেকে যায় এবং এতে তার মূল্য কমে যায়, তবে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। মালিক (র) বলেন, দাস ও দাসীর ব্যাপারে স্বাধীনদের মতো কিসাস দিতে হবে। যদি দাস ইচ্ছাকৃতভাবে কোন দাসীকে হত্যা করে, তবে দাসকেও কিসাসে হত্যা করতে হবে। যদি আঘাত করে তাহলে তাকেও অনুরূপ আঘাত করা হবে। যদি এক দাস অন্য কোন দাসকে ইচ্ছাকৃতভাবে মেরে ফেলে, তবে নিহতের মালিকের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে, হয় হত্যাকারীকে হত্যা করবে অথবা দিয়াত অর্থাৎ গোলামের মূল্য নিয়ে নিবে। অনুরূপভাবে হত্যাকারীর মালিকের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে, হয় নিহত ব্যক্তির মূল্য আদায় করবে এবং হত্যাকারীকে নিজের নিকট থাকতে দিবে অথবা নিহতের মালিক দিয়াতের উপর রাযী হয়ে হত্যাকারীকে নিয়ে নিবে, তা হলে তাকে হত্যা করবে না। মালিক (র) বলেন, যদি কোন মুসলমান দাস কোন ইহুদী অথবা খ্রিস্টানকে যখম করে ফেলে তবে দাসের মালিক ইচ্ছা করলে দিয়াত দিয়ে দিবে বা ঐ দাস বিনিময়ে দিয়ে দিবে এবং দাসকে বিক্রয় করে তার ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করবে। কিন্তু ঐ মুসলমান গোলামকে অমুসলমানের নিকট থাকতে দেয়া হবে না।
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা উভয়ে বলতেন, দাসের ক্ষতে তার মূল্যের ১/২০ অংশ হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, মারওয়ান ইব্নু হাকাম ঐ ব্যক্তিকে, যে কোন দাসকে ক্ষত করে দিত, আদেশ করতেন যে, এই ক্ষতের দরুন তার মূল্যের যতটুকু কমে গেল তাকে ততটুকু জরিমানা দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে সিদ্ধান্ত এই যে, দাসের ক্ষেত্রে হাড় দেখা যায়, এমন আঘাতে তার মূল্যের ১/২০ আর যে ক্ষতের দরুন হাড় স্থানচ্যুত হয় উহাতে তার মূল্যের ১/১০ ও ১/২ আর মামুমায় [১] ও জাইফার প্রতিটার জন্য তার মূল্যের ১/৩০ দিতে হবে। উহা ব্যতীত প্রত্যেক আঘাতের জন্য তার মূল্যের যে ক্ষতি হবে তা আদায় করতে হবে। যখন দাস সুস্থ হয়ে যাবে, তখন দেখতে হবে আঘাতের পূর্বে কি মূল্য ছিল এবং আঘাতের জন্য কত কম হল, উহা দিতে হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ দাসের হাত-পা ভেঙ্গে ফেলে, পরে সে ভাল হয়ে যায়, তবে কোন ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না। হ্যাঁ, যদি কোন ত্রুটি থেকে যায় এবং এতে তার মূল্য কমে যায়, তবে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। মালিক (র) বলেন, দাস ও দাসীর ব্যাপারে স্বাধীনদের মতো কিসাস দিতে হবে। যদি দাস ইচ্ছাকৃতভাবে কোন দাসীকে হত্যা করে, তবে দাসকেও কিসাসে হত্যা করতে হবে। যদি আঘাত করে তাহলে তাকেও অনুরূপ আঘাত করা হবে। যদি এক দাস অন্য কোন দাসকে ইচ্ছাকৃতভাবে মেরে ফেলে, তবে নিহতের মালিকের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে, হয় হত্যাকারীকে হত্যা করবে অথবা দিয়াত অর্থাৎ গোলামের মূল্য নিয়ে নিবে। অনুরূপভাবে হত্যাকারীর মালিকের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে, হয় নিহত ব্যক্তির মূল্য আদায় করবে এবং হত্যাকারীকে নিজের নিকট থাকতে দিবে অথবা নিহতের মালিক দিয়াতের উপর রাযী হয়ে হত্যাকারীকে নিয়ে নিবে, তা হলে তাকে হত্যা করবে না। মালিক (র) বলেন, যদি কোন মুসলমান দাস কোন ইহুদী অথবা খ্রিস্টানকে যখম করে ফেলে তবে দাসের মালিক ইচ্ছা করলে দিয়াত দিয়ে দিবে বা ঐ দাস বিনিময়ে দিয়ে দিবে এবং দাসকে বিক্রয় করে তার ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করবে। কিন্তু ঐ মুসলমান গোলামকে অমুসলমানের নিকট থাকতে দেয়া হবে না।
و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار كانا يقولان في موضحة العبد نصف عشر ثمنه و حدثني مالك أنه بلغه أن مروان بن الحكم كان يقضي في العبد يصاب بالجراح أن على من جرحه قدر ما نقص من ثمن العبد قال مالك والأمر عندنا أن في موضحة العبد نصف عشر ثمنه وفي منقلته العشر ونصف العشر من ثمنه وفي مأمومته وجائفته في كل واحدة منهما ثلث ثمنه وفيما سوى هذه الخصال الأربع مما يصاب به العبد ما نقص من ثمنه ينظر في ذلك بعد ما يصح العبد ويبرأ كم بين قيمة العبد بعد أن أصابه الجرح وقيمته صحيحا قبل أن يصيبه هذا ثم يغرم الذي أصابه ما بين القيمتين قال مالك في العبد إذا كسرت يده أو رجله ثم صح كسره فليس على من أصابه شيء فإن أصاب كسره ذلك نقص أو عثل كان على من أصابه قدر ما نقص من ثمن العبد قال مالك الأمر عندنا في القصاص بين المماليك كهيئة قصاص الأحرار نفس الأمة بنفس العبد وجرحها بجرحه فإذا قتل العبد عبدا عمدا خير سيد العبد المقتول فإن شاء قتل وإن شاء أخذ العقل فإن أخذ العقل أخذ قيمة عبده وإن شاء رب العبد القاتل أن يعطي ثمن العبد المقتول فعل وإن شاء أسلم عبده فإذا أسلمه فليس عليه غير ذلك وليس لرب العبد المقتول إذا أخذ العبد القاتل ورضي به أن يقتله وذلك في القصاص كله بين العبيد في قطع اليد والرجل وأشباه ذلك بمنزلته في القتل قال مالك في العبد المسلم يجرح اليهودي أو النصراني إن سيد العبد إن شاء أن يعقل عنه ما قد أصاب فعل أو أسلمه فيباع فيعطي اليهودي أو النصراني من ثمن العبد دية جرحه أو ثمنه كله إن أحاط بثمنه ولا يعطي اليهودي ولا النصراني عبدا مسلما
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যিম্মী কাফিরের দিয়াত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১
و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن عبد العزيز قضى أن دية اليهودي أو النصراني إذا قتل أحدهما مثل نصف دية الحر المسلم -قال مالك الأمر عندنا أن لا يقتل مسلم بكافر إلا أن يقتله مسلم قتل غيلة فيقتل به و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أن سليمان بن يسار كان يقول دية المجوسي ثماني مائة درهم قال مالك وهو الأمر عندنا قال مالك وجراح اليهودي والنصراني والمجوسي في دياتهم على حساب جراح المسلمين في دياتهم الموضحة نصف عشر ديته والمأمومة ثلث ديته والجائفة ثلث ديته فعلى حساب ذلك جراحاتهم كلها
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) বলতেন, ইহুদী ও খ্রিস্টানদের দিয়াত যখন তারা একে অন্যকে হত্যা করে, স্বাধীন মুসলমানের দিয়াতের অর্ধেক। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে বিধান এই যে, কোন মুসলমানকে কাফিরের পরিবর্তে হত্যা করা হবে না। হ্যাঁ, যদি ধোঁকা দিয়ে সে যিম্মীকে হত্যা করে তবে তাকে হত্যা করা হবে। সুলায়মান ইব্নু ইয়াসার (র) বলতেন, অগ্নিউপাসকদের দিয়াত আট শত দিরহাম। মালিক (র) বলেন, এটাই আমাদের নিকট বিধান। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ইহুদী খ্রিস্টানদের ক্ষত করার দিয়াত মুসলমানদের ক্ষত করার দিয়াতের হিসাবে মুযিহার ১/২০ এবং মামুমা ও জাইফায় ১/৩। এর উপর অন্যগুলোর অনুমান করা যায়।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) বলতেন, ইহুদী ও খ্রিস্টানদের দিয়াত যখন তারা একে অন্যকে হত্যা করে, স্বাধীন মুসলমানের দিয়াতের অর্ধেক। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে বিধান এই যে, কোন মুসলমানকে কাফিরের পরিবর্তে হত্যা করা হবে না। হ্যাঁ, যদি ধোঁকা দিয়ে সে যিম্মীকে হত্যা করে তবে তাকে হত্যা করা হবে। সুলায়মান ইব্নু ইয়াসার (র) বলতেন, অগ্নিউপাসকদের দিয়াত আট শত দিরহাম। মালিক (র) বলেন, এটাই আমাদের নিকট বিধান। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ইহুদী খ্রিস্টানদের ক্ষত করার দিয়াত মুসলমানদের ক্ষত করার দিয়াতের হিসাবে মুযিহার ১/২০ এবং মামুমা ও জাইফায় ১/৩। এর উপর অন্যগুলোর অনুমান করা যায়।
و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن عبد العزيز قضى أن دية اليهودي أو النصراني إذا قتل أحدهما مثل نصف دية الحر المسلم -قال مالك الأمر عندنا أن لا يقتل مسلم بكافر إلا أن يقتله مسلم قتل غيلة فيقتل به و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أن سليمان بن يسار كان يقول دية المجوسي ثماني مائة درهم قال مالك وهو الأمر عندنا قال مالك وجراح اليهودي والنصراني والمجوسي في دياتهم على حساب جراح المسلمين في دياتهم الموضحة نصف عشر ديته والمأمومة ثلث ديته والجائفة ثلث ديته فعلى حساب ذلك جراحاتهم كلها
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে সমস্ত কাজের দিয়াত হত্যাকারীর স্বীয় মাল হতে দিতে হয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يقول ليس على العاقلة عقل في قتل العمد إنما عليهم عقل قتل الخطإ و حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أنه قال مضت السنة أن العاقلة لا تحمل شيئا من دية العمد إلا أن يشاءوا ذلك و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد مثل ذلك قال مالك إن ابن شهاب قال مضت السنة في قتل العمد حين يعفو أولياء المقتول أن الدية تكون على القاتل في ماله خاصة إلا أن تعينه العاقلة عن طيب نفس منها قال مالك والأمر عندنا أن الدية لا تجب على العاقلة حتى تبلغ الثلث فصاعدا فما بلغ الثلث فهو على العاقلة وما كان دون الثلث فهو في مال الجارح خاصة قال مالك الأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا فيمن قبلت منه الدية في قتل العمد أو في شيء من الجراح التي فيها القصاص أن عقل ذلك لا يكون على العاقلة إلا أن يشاءوا وإنما عقل ذلك في مال القاتل أو الجارح خاصة إن وجد له مال فإن لم يوجد له مال كان دينا عليه وليس على العاقلة منه شيء إلا أن يشاءوا قال مالك ولا تعقل العاقلة أحدا أصاب نفسه عمدا أو خطأ بشيء وعلى ذلك رأي أهل الفقه عندنا ولم أسمع أن أحدا ضمن العاقلة من دية العمد شيئا ومما يعرف به ذلك أن الله تبارك وتعالى قال في كتابه { فمن عفي له من أخيه شيء فاتباع بالمعروف وأداء إليه بإحسان } فتفسير ذلك فيما نرى والله أعلم أنه من أعطي من أخيه شيء من العقل فليتبعه بالمعروف وليؤد إليه بإحسان قال مالك في الصبي الذي لا مال له والمرأة التي لا مال لها إذا جنى أحدهما جناية دون الثلث إنه ضامن على الصبي والمرأة في مالهما خاصة إن كان لهما مال أخذ منه وإلا فجناية كل واحد منهم دين عليه ليس على العاقلة منه شيء ولا يؤخذ أبو الصبي بعقل جناية الصبي وليس ذلك عليه قال مالك الأمر عندنا الذي لا اختلاف فيه أن العبد إذا قتل كانت فيه القيمة يوم يقتل ولا تحمل عاقلة قاتله من قيمة العبد شيئا قل أو كثر وإنما ذلك على الذي أصابه في ماله خاصة بالغا ما بلغ وإن كانت قيمة العبد الدية أو أكثر فذلك عليه في ماله وذلك لأن العبد سلعة من السلع اااا
হিশাম ইবনু উরওয়া (র) তদীয় পিতা উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলতেন, ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যার দিয়াত উত্তরাধিকারীদের উপর বর্তাবে না (হত্যাকারীর নিজের উপর বর্তাবে)। ভুলক্রমে হত্যার দিয়াত উত্তরাধিকারীদের উপর বর্তাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইবনু শিহাব (র) বলেছেন, নিয়ম হল যে, উত্তরাধিকারীদের উপর ইচ্ছাকৃত হত্যার বোঝা চাপানো যাবে না। হ্যাঁ, যখন তারা স্বেচ্ছায় দিতে ইচ্ছা করে তবে দিতে পারবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র)-ও এরূপ বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ইব্নু শিহাব (র) বলতেন, সুন্নত এটাই যে, যখন নিহত ব্যক্তির ওয়ারিস ইচ্ছাকৃত হত্যার কিসাস মাফ করে দেয় এবং দিয়াত নিতে ইচ্ছা করে, তখন ঐ দিয়াত হত্যাকারীর মাল হতে নেয়া হবে। উত্তরাধিকারীদের উপর পড়বে না, তবে যদি তারা স্বেচ্ছায় দিতে রাযী হ্ তাহলে পারবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট এই বিধান রয়েছে যে, যদি দিয়াত ১/৩ হয় বা তদূর্ধ্বে হয়, তবে উত্তরাধিকারীদের হতে নেয়া হবে, আর যদি দিয়াত ১/৩ হতে কম হয়, তবে হত্যাকারীর মাল হতে নেয়া হবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এই বিধান সর্বসম্মত যে, ইচ্ছাকৃত হত্যার বা অন্য কোন ক্ষত করায় যাতে কিসাস অনিবার্য হয়, যদি দিয়াত নিতে স্বীকার করে নেয়া হয়, তবে উহা হত্যাকারীর বা ক্ষমাকারীর উপরই বর্তাবে, ওয়ারিসদের উপর বর্তাবে না। যদি তার কাছে মাল থাকে, তা না হলে তার উপর কিসাস থেকে যাবে। হ্যাঁ, যদি ওয়ারিসগণ স্বেচ্ছায় দিতে রাযী হয় তবে দিতে পারে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে নিজেকে ক্ষত করে দেয়, তবে তার দিয়াত ওয়ারিসকে দিতে হবে না। আমি কাউকেও ইচ্ছাকৃত হত্যার দিয়াত ওয়ারিসদের দ্বারা দেয়াতে শুনিনি। কেননা আল্লাহ তা‘আলা ইচ্ছাকৃত হত্যার ব্যাপারে বলেছেন فَمَنْ عُفِيَ لَهُ مِنْ أَخِيهِ شَيْءٌ فَاتِّبَاعٌ بِالْمَعْرُوفِ وَأَدَاءٌ إِلَيْهِ بِإِحْسَانٍ এর তফসীর আমাদের মতে এই- আল্লাহ্ সর্বজ্ঞাত, যার ভাই কিছু ক্ষমা করে দেয় (কিসাস না নেয়) তবে নিয়ম মতো তার অনুসরণ করা উচিত। আর দিয়াত ভালভাবে আদায় করা উচিত (বোঝা গেল, হত্যাকারীর উচিত উত্তম ভাবে আদায় করা)। মালিক (র) বলেন, যে শিশু ও মহিলার কাছে কোন মাল নেই, সে যদি এমন কোন অপরাধ করে বসে যাতে এক-তৃতীয়াংশের কম দিয়াত ওয়াজিব হয়, তবে দিয়াত তাদের মালের উপর হবে এবং তাদের উপর উহা ফরয থেকে যাবে। এমতাবস্থায় কোন ওয়ারিস বা পিতার উপর দিয়াত আসবে না। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মত বিধান এই যে, গোলামকে যখন হত্যা করা হয়, তখন হত্যার দিনে তার যে মূল্য তা দিতে হবে। হত্যাকারীর ওয়ারিসদের উপর কিছু হবে না। হত্যাকারীর নিজস্ব মাল হতে দিয়াত আদায় করতে হবে, যদিও ঐ দাসের মূল্য দিয়াত হতে অধিক হয়। কেননা দাস পণ্য সমূহের মধ্যে একটি পণ্য।
হিশাম ইবনু উরওয়া (র) তদীয় পিতা উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলতেন, ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যার দিয়াত উত্তরাধিকারীদের উপর বর্তাবে না (হত্যাকারীর নিজের উপর বর্তাবে)। ভুলক্রমে হত্যার দিয়াত উত্তরাধিকারীদের উপর বর্তাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইবনু শিহাব (র) বলেছেন, নিয়ম হল যে, উত্তরাধিকারীদের উপর ইচ্ছাকৃত হত্যার বোঝা চাপানো যাবে না। হ্যাঁ, যখন তারা স্বেচ্ছায় দিতে ইচ্ছা করে তবে দিতে পারবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র)-ও এরূপ বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ইব্নু শিহাব (র) বলতেন, সুন্নত এটাই যে, যখন নিহত ব্যক্তির ওয়ারিস ইচ্ছাকৃত হত্যার কিসাস মাফ করে দেয় এবং দিয়াত নিতে ইচ্ছা করে, তখন ঐ দিয়াত হত্যাকারীর মাল হতে নেয়া হবে। উত্তরাধিকারীদের উপর পড়বে না, তবে যদি তারা স্বেচ্ছায় দিতে রাযী হ্ তাহলে পারবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট এই বিধান রয়েছে যে, যদি দিয়াত ১/৩ হয় বা তদূর্ধ্বে হয়, তবে উত্তরাধিকারীদের হতে নেয়া হবে, আর যদি দিয়াত ১/৩ হতে কম হয়, তবে হত্যাকারীর মাল হতে নেয়া হবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এই বিধান সর্বসম্মত যে, ইচ্ছাকৃত হত্যার বা অন্য কোন ক্ষত করায় যাতে কিসাস অনিবার্য হয়, যদি দিয়াত নিতে স্বীকার করে নেয়া হয়, তবে উহা হত্যাকারীর বা ক্ষমাকারীর উপরই বর্তাবে, ওয়ারিসদের উপর বর্তাবে না। যদি তার কাছে মাল থাকে, তা না হলে তার উপর কিসাস থেকে যাবে। হ্যাঁ, যদি ওয়ারিসগণ স্বেচ্ছায় দিতে রাযী হয় তবে দিতে পারে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে নিজেকে ক্ষত করে দেয়, তবে তার দিয়াত ওয়ারিসকে দিতে হবে না। আমি কাউকেও ইচ্ছাকৃত হত্যার দিয়াত ওয়ারিসদের দ্বারা দেয়াতে শুনিনি। কেননা আল্লাহ তা‘আলা ইচ্ছাকৃত হত্যার ব্যাপারে বলেছেন فَمَنْ عُفِيَ لَهُ مِنْ أَخِيهِ شَيْءٌ فَاتِّبَاعٌ بِالْمَعْرُوفِ وَأَدَاءٌ إِلَيْهِ بِإِحْسَانٍ এর তফসীর আমাদের মতে এই- আল্লাহ্ সর্বজ্ঞাত, যার ভাই কিছু ক্ষমা করে দেয় (কিসাস না নেয়) তবে নিয়ম মতো তার অনুসরণ করা উচিত। আর দিয়াত ভালভাবে আদায় করা উচিত (বোঝা গেল, হত্যাকারীর উচিত উত্তম ভাবে আদায় করা)। মালিক (র) বলেন, যে শিশু ও মহিলার কাছে কোন মাল নেই, সে যদি এমন কোন অপরাধ করে বসে যাতে এক-তৃতীয়াংশের কম দিয়াত ওয়াজিব হয়, তবে দিয়াত তাদের মালের উপর হবে এবং তাদের উপর উহা ফরয থেকে যাবে। এমতাবস্থায় কোন ওয়ারিস বা পিতার উপর দিয়াত আসবে না। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মত বিধান এই যে, গোলামকে যখন হত্যা করা হয়, তখন হত্যার দিনে তার যে মূল্য তা দিতে হবে। হত্যাকারীর ওয়ারিসদের উপর কিছু হবে না। হত্যাকারীর নিজস্ব মাল হতে দিয়াত আদায় করতে হবে, যদিও ঐ দাসের মূল্য দিয়াত হতে অধিক হয়। কেননা দাস পণ্য সমূহের মধ্যে একটি পণ্য।
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يقول ليس على العاقلة عقل في قتل العمد إنما عليهم عقل قتل الخطإ و حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أنه قال مضت السنة أن العاقلة لا تحمل شيئا من دية العمد إلا أن يشاءوا ذلك و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد مثل ذلك قال مالك إن ابن شهاب قال مضت السنة في قتل العمد حين يعفو أولياء المقتول أن الدية تكون على القاتل في ماله خاصة إلا أن تعينه العاقلة عن طيب نفس منها قال مالك والأمر عندنا أن الدية لا تجب على العاقلة حتى تبلغ الثلث فصاعدا فما بلغ الثلث فهو على العاقلة وما كان دون الثلث فهو في مال الجارح خاصة قال مالك الأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا فيمن قبلت منه الدية في قتل العمد أو في شيء من الجراح التي فيها القصاص أن عقل ذلك لا يكون على العاقلة إلا أن يشاءوا وإنما عقل ذلك في مال القاتل أو الجارح خاصة إن وجد له مال فإن لم يوجد له مال كان دينا عليه وليس على العاقلة منه شيء إلا أن يشاءوا قال مالك ولا تعقل العاقلة أحدا أصاب نفسه عمدا أو خطأ بشيء وعلى ذلك رأي أهل الفقه عندنا ولم أسمع أن أحدا ضمن العاقلة من دية العمد شيئا ومما يعرف به ذلك أن الله تبارك وتعالى قال في كتابه { فمن عفي له من أخيه شيء فاتباع بالمعروف وأداء إليه بإحسان } فتفسير ذلك فيما نرى والله أعلم أنه من أعطي من أخيه شيء من العقل فليتبعه بالمعروف وليؤد إليه بإحسان قال مالك في الصبي الذي لا مال له والمرأة التي لا مال لها إذا جنى أحدهما جناية دون الثلث إنه ضامن على الصبي والمرأة في مالهما خاصة إن كان لهما مال أخذ منه وإلا فجناية كل واحد منهم دين عليه ليس على العاقلة منه شيء ولا يؤخذ أبو الصبي بعقل جناية الصبي وليس ذلك عليه قال مالك الأمر عندنا الذي لا اختلاف فيه أن العبد إذا قتل كانت فيه القيمة يوم يقتل ولا تحمل عاقلة قاتله من قيمة العبد شيئا قل أو كثر وإنما ذلك على الذي أصابه في ماله خاصة بالغا ما بلغ وإن كانت قيمة العبد الدية أو أكثر فذلك عليه في ماله وذلك لأن العبد سلعة من السلع اااا